লেখক: Sakib123
পর্ব:০১
---------------------
আমাদের ৩ জনের পরিবার। কলকাতা শহরের একটা ফ্লাটে থাকি।
বাবা একটা চাকরি করে। কোম্পানির ম্যানাজার পোস্টে। বাবা নির্মল চক্রবর্তী। বয়স ৪৯ বছর।
মা হেমা চক্রবর্তী বয়স ৩৬ বছর। দেখতে ঐশ্বরিয়ার মতো। সাজুগুজু করলে মানুষ ভুল করে সেলফি তুলতে চলে আসে।
আর আমি সৌরভ চক্রবর্তী। বয়স সবে ১৮ তে পা দিয়েছি।
চলো গল্পে চলে যাই।
ঘটনার শুরু
বাবা অফিসে আমি আর মা বাড়িতে।
তো আমি আমার ঘরে ফোনে পর্নোগ্রাফি দেখছি হঠাৎ করেই anna bell parks এর stay home মা ছেলের চোদাচুদি দেখলাম দেখে আর নিজেকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারলাম না। হস্তমৈথুন করে মাল ঝারলাম।
মাল ফেলে নিজেকে খুব অপরাধী মনে হতে লাগলো। কারন আমি কল্পনাতে এক পর্যায়ে নিজের মাকে চোদার কথা ভেবে ধন মৈথুন করেছি।
ভাবতে ভাবতে কখন ঘুমিয়ে গিয়েছি ঠিক নেই।
এর পরেই ঘটে যায় আমার জীবনের পরিবর্তনের সূচনা
---------------------------
"হাই বন্ধুরা, কেমন আছো? আমার নাম আলামিন। আমার বয়স ১৮। আমার মায়ের নাম পারভীন বেগম। তার বয়স ৪২ বছর। তিনি নিয়মিত নামাজ-কালাম পড়েন। সব সময় * করে থাকেন। মায়ের বয়স হয়ে গেলেও তিনি এখনো অনেক লাজুক।"
মা অনেক সময় ডাবল মিনি কথা বুঝতে পারে না। মা ছিল সহজ সরল মানুষ।এখনকার বাচ্চারা তো অনেক চালাক। মোবাইল ইন্টারনেটে ঢুকে অল্প বয়সের ছেলেরাও এখন পেকে গেছে। তারা এখন বয়স্ক আন্টিদের সাথে ডাবল মিনিং কথা বলে মজা নেয়। এমনই এক ঘটনা ঘটেছিল আমার লজ্জাবতী মায়ের সাথে। ঘটনাটি ঘটেছিল আমার এক মামাতো বোনের বিয়েতে। বিয়ের দাওয়াত খেতে আমি আর আম্মু গিয়েছিলাম। মা নামাজ কালাম পড়লেও আজ বিয়েরদিনে সাধারন মেয়েদের সাজে সেজেছিল। মা যাওয়ার সময় ঠিকই তার নিত্যনৈমিত্তিক পোশাক * * হাতমোজা পা মোজা পড়ে গিয়েছিল। কিন্তু ওখানে যাওয়ার পরই ঘটে আসল ঘটনা। ছেলেরা সুযোগে থাকে কখন কোন মেয়েকে ফাঁদে ফেলে মজা নেওয়া যায়। মার বয়স যেহেতু 42 তার অনেক নাতি ছিল বিশেষ করে ছেলে নাতিগুলা এখনকার Gen Z। বয়স্করা যেসব ডাবল মিনিং কথা বুঝতো না কিন্তু তারা ঠিকই বলে মজা নিত। যাওয়ার পর মা * * সব খুলে ফেলল। মা তখন শাড়ি ব্লাউজ ছায়া এগুলো পড়া ছিল। গ্রামের বিয়ে বাড়িতে পানি খেলা রং খেলা শুরু হয়ে গেল। যারা দুষ্টু ছেলে তারা এই রং খেলার সময় কিন্তু সুযোগ নেয়। তারা হাসিমাখা মুখে মেয়েদের কোমল জায়গায় হাত দেয় অনেকে সেটা বুঝে অনেকে বুঝে না বা বুঝলেও করার কিছু থাকে না। মায়ের তিনজন নাতি ছিল তাদের নাম আব্দুল, কাদের এবং তাদের বন্ধু কৃষ্ণ। দুইজন . হলেও তাদের একজন * বন্ধু ছিল বিশেষ করে * বন্ধুটাই ছিল বেশি দুষ্টু বলতে গেলে বালের গোদা। ওর কথায় বাকি দুজন উটতো বসত। ওদের বয়স 14-15 বছর হবে ক্লাস নাইনে পড়ে কিন্তু এরা ভিতরে ভিতরে সবকিছু বুঝতো। এরা ছিল হার বজ্জাত মা যেহেতু তাদের সম্পর্কে নানি হয় তাই নানীর সাথে নাতি একটু দুষ্টুমি করবে। এটা গ্রামে কমন একটা ব্যাপার তাই মায়ের সাথে ওরা দুষ্টুমি করলেও সেটা কেউ খারাপ ভাবে নেয়নি।
মা * খুলে শাড়ি ছায়া পরে থাকলে ও রং খেলা শুধু বসে বসেই দেখছিল এর মাঝে মায়ের এক ভাবি তার নাম হাবীবা। হাবিবা আমার আম্মুর ছোট ভাইয়ের বউ। আম্মু সম্পর্কে তার আপা হয় তাই সে মজা করে বলল আপা আসেন আমরা রং খেলি। মা যেতে চাইছিল না কারণ আপনারা তো জানেন আমার মা অনেক *ী এবং নামাজ কালাম পড়ে আরো একটা কারণ আছে সেটা হল মায়ের ফিগার একটু ভারী। ভারী বলতে দুধ পাছা গুলো বড় বড় রং খেলে শরীর তো ভিজে যায় শরীর ভিজে গেলে দুধ পোদের আকার স্পষ্ট বোঝা যাবে। আম্মা এই ভয়ে যেতে চাচ্ছিল না কিন্তু মামির জোরাজুরিতে অবশেষে যেতেই হল। রং খেলা প্রথম দিকে ঠিকই ছিল মেয়েরা মেয়েরা খেলতেছিল কিন্তু একটু পরেই শুরু হয় আসল খেলা।
আব্দুল আর কাদেরকে চেতালো কৃষ্ণ ওদেরকে বলল শুধু ছেলেরা রং খেলে মজা আছে। মেয়েদেরকে নিয়ে রং খেলতে হয় আমরা আমাদের অনুষ্ঠানে বৌদিদের কাকিমাদের অনেক রং লাগাই। তোরা যে কি করিস শুধু ছেলেরা রং খেলিস ওখানে তোদের নানীরা আছে ভাবীরা আছে ওদের একটু রং লাগা। যে ছেলেটার নাম কাদের ও একটু বোকা টাইপের ছিল উস্কানি কথা শুনে ওই প্রথমে এসে রং লাগালো ওর ছোট নানীকে মানে মামিকে। মামির ছিল বয়স কম ৩০ এর মত হবে। তখন মামির পতিসোধ নিতে তাদের সাথে দুষ্টুমিতে মেতে উঠলো। কাদেরকে রং লাগাতে গিয়ে কৃষ্ণ এবং আব্দুল কে রং মাখিয়ে দিয়ে আসলো। তারপর সে ফিরে এসে বিজয়ের হাসি হাসলো। আম্মু দেখে একটু অবাক হলো আবার ভিতরে ভিতরে ঠিকই একটু মজা পেল। একটু পরেই আব্দুল কাদের এবং কৃষ্ণ দল বেঁধে লাগাতে আসলো মানে রং লাগাতে আসলো তখন ছোট নানী মানে মামি ভয়ে আম্মুর পিছনে লোকালো কিন্তু ওরা ছিল নাছোড়বান্দা আব্দুল, কাদের তিনজন একবারে বেপরোয়া হয়ে উঠলো। কিন্তু মা ছিল স্বাস্থ্যবতি পোদেলা মহিলা যার ছিল ৪০ সাইজের দুধ এবং ৪২ সাইজের পাছা। এর পিছনে লুকানো ওদের ছোট নানীকে তারা সুতেই পারছিল না। তাই দেখে ছোট নানী বা মামিওদের মজা নিচ্ছিল। তখন ওরা তেলে বেগুনে রেগে উঠলো এবং পুরো দমে দস্তাদস্তি শুরু করল। মা ওদের সামনে বাধা হওয়ায় মাকে কৃষ্ণ বলল নানি তুমি সরে যাও। মারো এসব তেমন পছন্দ ছিল না তাই সে সরে যেতে চাইল। কিন্তু পিছন থেকে ছোট মামী মাকে যেতে দিচ্ছিল না মাকে টাইট করে জড়িয়ে ধরে পিছনে লুকিয়ে ছিল। তাই ওরা আর উপায় না দেখে ওদের নানি কে মানে আমার আম্মুকে সহ রং লাগানো শুরু করল। কৃষ্ণ কাছে ছিল রংয়ের বালতি সেই বালতি পুরোটা ঢেলে দিল ছোট মামীকে লক্ষ্য করে। কিন্তু বালতির পানি বেশিরভাগই মায়ের উপরে পড়ল এবং মায়ের শাড়ি সায়া ব্লাউজ পুরো ভিজে চটচট হয়ে গেল। এতে তার বিশাল সাইজের দুধ এবং তরমুজের মতো পাছা স্পষ্ট হয়ে গেল। এগুলো নিয়ে তখন কেউ মাথা ব্যথা করছিল না কারণ সবাই বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত ছিল। আব্বু মামা এবং বাড়ির পুরুষ মানুষ বিয়ের বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত ছিল তাই এই সুযোগে মহিলাদের সাথে মজা করছিল এই দুষ্টু ছেলেরা। মায়ের দুধ পোদ ভিজে একাকার হয়ে গেল মা তেমন একটা টের পেল না কিন্তু ছেলেগুলো দেখলাম কানে কানে কি যেন কথা বলছে। * ছেলে কৃষ্ণ ওদেরকে জ্ঞান দিচ্ছে আমি বুঝলাম না কি নিয়ে ওরা আলোচনা করতেছে। কিন্তু আলোচনা করার সময় ওদের চোখ ছিল মায়ের উপরে কারণ ওদের বড় নানি মানে আমার মায়ের ছিল বড় নিতম্ব এবং বড় দুধের অধিকারীনি। ছোট নানী ছিল চিকন চাকন তাই ওদের টার্গেট ছিল আমার আম্মু। কৃষ্ণের কথামতো কৃষ্ণ ওদেরকে কি বুদ্ধি দিল তা বুঝতে পারলাম না। কিন্তু আব্দুল আর কাদের প্রথমে এসে মাকে বিভিন্ন ডাবল মিনি কথা বলতে লাগলো আর হাসতে লাগলো। যেমন ১। নানি তোমাকে লাগালাম তুমিতো লাগাতে পারলে না ২।আমার নানা কি তোমাকে লাগাবে না আজকে মানে বিয়ের একটা অনুষ্ঠান তোমাকে কি রং লাগবে না নানী। মা ওদের কথা বুঝতে না পেরে হাসতে লাগলো বলতো নানার কি আর সে বয়স আছে। তখন ওরা কৌশলে বলল তোমার এত বয়স হয়ে গেছে তুমি এখন আমাদের লাগাতে পারবে না মা তখন ওদের কথাটাকে চয়ালেন্স সহকারে নিল এবং বলল দেখ আমি পারি কি না পারি। এই বলে মা ও এক বালতি রঙ এলে ওদের থেকে ঢেলে দিল এখন শুরু হয়ে গেল দুই নানী মানে আম্মু আর মামী এবং তিন নাতির রং খেলা। খেলি একবার ওরা এসে রং ছুড়ে পালায় আবার আমার আম্মু আর তার ভাইয়ের বউ দুজনে রং মেরে পালায়। মাঝে মাঝে রংয়ের বালতি আটকাতে নানি এবং নাতিদের মাঝে জরাজরি ও শুরু হয়। মা যেহেতু স্বাস্থ্যবতী তার শক্তি একটু বেশি ছিল তাই কাদের যখন রং মারতে এসেছিল মা তাকে ধরে ফেলেছিল।
এটা দেখে কৃষ্ণ এবং আব্দুল দুজনে কাদেরকে ছাড়াতে ছুটে এলো। প্রথমে কাদের হাত ধরে টানলো কিন্তু মার কাছ থেকে সরাতে পারল না। তাই কৃষ্ণ এক দুষ্টু বুদ্ধি আটলো আব্দুল এর কানে কি সব বলে কৃষ্ণ একটু হারিয়ে গেল।
একটু পরেই বোঝা গেল তাদের বুদ্ধি কি ছিল আব্দুল সামনে থেকে সরানোর চেষ্টা করছিল কিন্তু কৃষ্ণ লুকিয়ে পিছন থেকে এসে মায়ের পিঠে বগলে কাতুকুতু দেয়া শুরু করল। এটা দেখে আমার ধন দাঁড়িয়ে গেল এবং আমি লুকিয়ে ধন চুলকাতে শুরু করলাম। প্রথমে একটু রাগী রাগি ভাব দেখাচ্ছে মা বলল কৃষ্ণ ছাড়ো এসব কি কৃষ্ণ চালাকি করে বলল নানি তোমাকে তো কাতুকুতু দিচ্ছি দেখি কত সময় ধরে রাখতে পারো। তখন মা কৃষ্ণর কথাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিল। মা আরো টাইট করে কাদেরকে ধরে ফেলল। কৃষ্ণ তখন ছিল হাফ প্যান্ট পরা। দেখলাম কৃষ্ণর আকাটা ৭ ইঞ্চি ধন দাঁড়িয়ে গেছে। মা সেটা খেয়াল করছে না কারন কৃষ্ণ ছিল মায়ের পিছনে।
কাতুকুতু দেয়ার বাহানা করে কৃষ্ণ আমার আম্মুর দুধে হাত দিচ্ছিল। কিন্তু আমার সহজ সরল মা লজ্জা পেল কিছু বলছিল না। ওই পাশ দিয়ে কাদেরকে ও ছাড়ানোর চেষ্টা করছিল তাই মা শুধু পিছনে খেয়াল করে রাখতে পারছিল না। এই সুযোগটা নিয়ে কৃষ্ণ খেলা দেখালো মাকে ইচ্ছা করে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল। মা তখন ধরে রাখা কাদেরের উপরে পড়ল কৃষ্ণ ইচ্ছা করে মায়ের উপরে পড়ল।
মায়ের ছিল ৪২ সাইজের সরানো নিতম্ব।এই লদলদে পাছা ভিজা ছায়া আর শাড়িতে পানিতে ভিজে ছিল। তাই পাছাটা পুরো স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। কৃষ্ণ তার খাড়া আঁকাটা ধন নিয়ে মায়ের পাছার উপরে পড়লো। নাটক করলো মাকে বলল নানী পড়ে গেছি। উঠতে পারছিনা তাই বলে তার বড় আকাটা ধোনটা মায়ের ছড়ানো পাছায় ডলতে লাগলো। মনে হলো আকাটা ধোন টা ধারমিক মায়ের দুই পোদের ফাকা জায়গায় ঢুকে গেল। মা তখন তার পাছায় কিছু টের পেল। মা বললো কৃষ্ক আমার পিছনে কি যেন লাগছে উঠ। মাতো আর টের পাইনি কৃষ্ণ তার ৭ ইন্চি আকাটা লেওড়া তার পোদে ডুবায় দিছে। তারপর কৃষ্ণ বলল নানি আমি ওঠার চেষ্টা করছি কিন্তু পিচ্ছিল তোমার জায়গা। মা বললো মানে তখন ও বললো মাটি পিছলা তো তাই। তাই আমার হাতটি তোমার পিছনে লাগছে ওঠার সময়। এই বলে বিষয়টাকে ধামাচাপা দিয়ে কৃষ্ণ উঠে গেল কিন্তু ওঠার পরে আমি খেয়াল করলাম। কৃষ্ণর খারা হয়ে যাওয়া ধোন এখন টের পাওয়া যাচ্ছে না। ধোনটা নেতিয়ে গেছে এবং তার পায়ে হাফ পেনের নিচ দিয়ে সাদা সাদা কি যেন পড়ছে। পাম দেয়ার জন্য কৃষ্ণ বলে গেল নানী তুমি জিতে গেছো আমরা হেরে গেলাম।
....কেমন হলো...
|
0 comments:
Post a Comment