Bangla Choty Golpo

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(১৫)

 



পর্ব:১৫


বাবা- কি বলব বাবা তোকে, আসলে তোর মাকে বকা ঝকা করেছি তার কারন আছে তুই আমার ছেলে তোকে কি বলব সব তো খুলে বলা যায়না।

আমি- কেন বাবা আমি এখন বড় হয়েছে আমাকে তুমি বলতে পারো। তুমি মায়ের প্রতি যত্নবান হবে এখন থেকে।
বাবা- না বাবা এখন থেকে তুই সময় দিবি, আমি না দিতে পারলে তুই তো দিচ্ছিস, মায়ের সাথে থেকে মাকে খুশী রাখছিস তারপর তো তোর মায়ের আর রাগ থাকার কথা না। দেখছি তো তোরা দুজনে ভালই আছিস। আমি আর কয়দিন, কত রোগ জমেছে আমার দেহে, তুই তোর মাকে দেখে রাখবি কেমন বাবা। তোর মাকে বলিনি আমার দুরাগ্য রোগ হয়েছে। আজকে তোকে বললাম মাকে ভুলেও বল্বিনা কিন্তু আমার এই কথা। আমার হাত ধরে বলল বাবা আমাকে কথা দে তোর মাকে তুই সব সময় হাসি খুশী রাখবি। আর মাকে ভুলেও বল্বিনা, যে আমার এমন রোগ হয়েছে। তবে ডাক্তার আস্বাস দিয়েছে আমি ভালো হয়ে যেতে পারি। তবে আশা কম।
আমি- কেন বাবা তুমি আমাকে আগে বলনি তোমাকে ভালো ডাক্তার দেখাতে নিয়ে যেতাম। এ কি শোনালে তুমি আমি এখন কি করব।
বাবা- একদম চুপ তোর মা যেন জানতে না পারে মাকে একদম বল্বিনা। আসলে আমার হার্টের রোগ হয়েছে বুঝলি। ওষুধ খাচ্ছি তোর কাছ থেকে টাকা নিয়ে আমি অসুধ কিনেছি। একটু ভালো এখন। আবার কিনতে হবে। বাড়িতে ওষুধ আনিনা তবে তোর মা সন্দেহ করবে তাই।
আমি- বাবা তুমি কি করে পারলে আমাদের না জানিয়ে। এইভাবে একা একা কষ্ট বয়ে বেড়াচ্ছ।
বাবা- আমি চাই তুই আর তোর মা সুখে থাক বাবা। এটা দেখে মরতে পারলেই আমি খুশী হয়ে মরতে পারবো। শরীর টা মোটেও ভালো যাচ্ছে না, ভাবছি তোর মাকে নিয়ে আগেই একবার মেয়টার বাড়ি যাবো। এখন তো কাজ কম দুইদিন সামলে রাখতে পারবিনা সব কিছু। অনেকদিন মেয়েটাকে দেখি না। তিন চারমাস আগে এসেছিল আর আসেওনি বার বার খবর পাঠায় আমাদের যেতে।
আমি- তবে তুমি আর মা যাও আমি এদিকে সব দেখবো।
বাবা- চল বাড়ি চল দেখি তোর মাকে বলে যায় নাকি। তবে আগেই বেড়িয়ে আসবো।
আমি- হুম চলো বাড়ি চলো মাকে আমি বলছি তোমরা দুজনে তাহলে কালকেই যাও। এই বলে দুজনে বাড়ি আসলাম।
মা- দেখেই বলল এত সময় লাগে বাপ বেটার। আমি ভাত রেডি করে বসে আছি আর ওনারা দুজনে বসে গল্প করেছে মনে হয়।
আমি- মা এক কাজ কর তুমি আর বাবা আগেই বোনের বাড়ি থেকে বেড়িয়ে আসো আমি এদিকে দেখে রাখতে পারবো, বাবার খুব ইচ্ছে বোনের বাড়ি যাওয়া। কালেক সকালেই তোমরা চলে যাও এক রাত থেকে আসবে, তোমাদের দেখলে তোমার মেয়ে জামাই খুব খুশী হবে।
মা- আমাদের ভাত দিতে দিতে বলল কি গো ছেলে কি বলছে সত্যি যাবে। ভাবছিলাম আমাবতীতে যাবো।
বাবা- তবে এখনই চলো কালকে দুপুরের পরে যাবো, ক্লকে থাকবো আবার পরশুদিন চলে আসবো বিকেলের দিকে যেতে মাত্র দুই গন্টা লাগে। ওপারের রাস্তায় গিয়ে পা ভ্যান ধরে গেলে দুইগন্টা লাগবে, আর জামাইবারি তো রাস্তার পাশেই।
মা- একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেরে বলল কিরে বাবা বাড়ি সামালদিতে পারবি তো একা একা, গরু বাছুর, রান্না বান্না সব কিছু একা পারবি তো। আমি বলছিলাম কি দুই দিন পরে যাই।
বাবা- না এখন বৃষ্টির সময় ভালো আছে আবহয়া কালকেই চলো।
মা- আচ্ছা তবে চলো যেতে যখন হবেই অনেকদিন মেয়েটাকে দেখিনা। নাও তবে তোমাদের খাওয়া হয়ে গেলে আমিও খেতে বসব এই বললে না তো রান্না কেমন হয়েছে।
আমি- মা তোমার হাতের রান্না সত্যি তুলনা হয়না।
বাবা- একদম সত্যি কতাহ বলেছ গো ছেলে দেবে নাকি আরেকটু আমাকে।
মা- ওমা কি কথা বলে এই নাও বলে বাবাকেও দিল আর আমাকে দিল।
আমি- মা এবার তুমি নিয়ে বস পরতো, বাড়িতে মাত্র তিনজন উনি পরে খাবে একসাথে খেলে কি হয়।
বাবা- হ্যা হ্যা দ্যাখ আগে কি ছিল ওসব ভেবে লাভ নেই তুমি এরপর থেকে এক্সাথেই খাবে।
আমি- হ্যা তুমি বসে পর এখন, আর রাতেও আমরা একসাথে কাবো।
মা- থালা নিয়েই আমাদের সামনে বসে পড়ল আর খেতে লাগল। মা বলল এই তুমি কি আজকে বের হবে আর বাজারে গিয়ে অত থেকোনাত। বাড়িতে থাকোনা।
বাবা- না না কালকে তো মেয়ের বাড়ি যাবো আজকে তো বাজারে যেতেই হবে। এই বলে বাবা হাত ধুয়ে উঠে গেল।
আমি- আমিও হাত ধুয়ে বললাম মা তুমি খেয়ে আসো আমি গরুগুলোকে একটু জল দিয়ে আসি।
মা- যা আয় আমি খেয়ে সব ধুয়ে নিচ্ছি।
আমি- জল দিয়ে যেই ঘরে এসেছি বাবা ডেকে বলল এই দেনা কিছু টাকা ওষুধ আগে থেকে কিনে নেই। আমি সাথে বাবাকে চাওয়া মতন টাকা দিলাজেইবেলা তিনটে বাজে মাত্র। এরপর বাবা জামা গলিয়ে বেরতে বেরতে বলল সন্ধ্যের পরেই ফিরে আসবো, তুই মায়ের সাথে থাক। আমি আচ্ছা বাবা বলে বললাম তবে তুমি যাও আমি আছি মায়ের কাছে। এই বলেই বাবা বেড়িয়ে গেল।
মা- হাত মুখ ধুয়ে সব গুছিয়ে রেখে ঘরে এল, না সত্যি অনেকদিন পরে ভালো করে একটু খেলাম। এই তুই আবার যাবি নাকি বাইরের দিকে।
আমি- মা এইফাকে কি একটু তোমার যোনী চুষতে সুযোগ পাবো। এই দ্যাখ কেমন লক লক করে যাচ্ছে।
মা- না এখন না সবে খেয়ে উঠেছি পরে দেখা যাবে, আর কি বলছি তুই চুষে দিবি মানে, না না ওসব করতে হবেনা, এমিনি যা করতে চাও সে দেবো, তবে ঘন্টা খানেক যাক তারপর, একটু হজম হয়ে যাক তারপরে। এখন আমাকে আর বাবাকে কেন বোনের বাড়ি পাঠাচ্ছিস, বলছিলাম আমাবতীতে যাবো। আর দেবোনা তোকে শুধু পাকামো করে তাইনা।
আমি- তা নয় মা বাবা আমাকে স্নান করার সময় বার বার বলেছে সেজন্যই তোমাকে যেতে বলছি। তুমি গেলে ভালোই হবে এই দুইদিন আমি কষ্ট করব কিন্তু তুমি যাও, বাবা বার বার তার মেয়েকে দেখতে চাইছে, কেন বুঝতে পারছনা।



মা- জানিনা ওই লোকটার কি যে হয় মাঝে মাঝে। ঠিক আছে যাচ্ছি, ভাবছিলাম সবাই একসাথে মেলায় যাবো বিন্দুর মাকে বলেও রেখেছিলাম কিন্তু সে আর হবেনা। না চল একটু গিয়ে আমাদের সামনে বসি ঘুমিয়ে লাভ নেই।   

আমি- আচ্ছা চলো বলে দুজনে গিয়ে বসলাম। এরপর মায়ের পাড়ার বান্ধবীরা এলেন তাদেড় সাথে গল্প করতে লাগল। আমি বললাম মা তবে তুমি কথা বল আমি একটু বাজার থেকে আসি ওষুধ আনতে হবে পাটের পোকার ওষুধ।
মা- আচ্ছা তবে যা আর বাবার খোঁজ নিয়ে আসিস।
আমি- আচ্ছা বলে বাজারের দিকে গেলাম এবং ওসুধ কিনতে হবেনা একটু ঘুরে দেখলাম বাবা তাস খেলছে।
বাবা- আমাকে দেখেই বলল এই মাকে বলিস একটু দেরী হবে যেতে।
আমি- আচ্ছা বলে ঘুরে ফিরে চলে এলাম এসে দেখি মা গরু তুলে রেখেছে তারপর মা সন্ধ্যে দিচ্ছে। মা গুন গুন করে ঠাকুরের জ্ঞান করছে আর ঘুরে ঘুরে প্রদীপ আর ধুনো নিয়ে পূজা করছে।
মা- আমাকে বলল যা ঘরে যা গিয়ে লাইট জ্বাল আমি আসছি।
আমি- ঘরে গিয়ে লুঙ্গি পরে আলো জেলে বসলাম। বাইরে টের পেলাম মা কি যেন করছে কে যেন এসেছিল তার সাথে কথা বলে কিছু সময় পরে মা ঘরে এল।
মা- কিরে তোর বাবা কই।
আমি- আমাকে বলেছে আসতে দেরী হবে।
মা- গিয়ে বাইরের দরজা বন্ধ করে তারপর বাবা মায়ের দরজা ভেজিয়ে দিয়ে খাটের কাছে এল।
আমি- উঠে দারিয় মাকে জরিয়ে ধরে উম উম করে ঠোটে চুমু দিতে লাগলাম।
মা- আমাকে একটা ধাক্কা দিয়ে না দেবনা, তোমাকে কেন আমাক পাঠাচ্ছ তুমি।
আমি- মাকে জরিয়ে ধরে অমন করেনা আমার লক্ষ্মী মা, বাবা মেয়েকে দেখার জন্য পাগল হয়ে উঠছে কেন বুঝতে পারছ না তুমি। একদিন তো আমার উতলা হওয়ার কথা তা না আমার মা উতলা হয়ে গেছে।
মা- উম তাই বলে দাড়িয়ে থাকবে তুমি এই বলেই আমাকে জদিয়ে ধরে উম সোনা বলে চুমু দিতে শুরু করল।
আমি- মাকে পাল্টা চুমু দিতে দিতে মাকে খাটে শুয়ে দিলাম আর মায়ের শাড়ি তুলে মাথা ঢুকিয়ে দিয়ে আমার জন্মদ্বারে জিভ লাগিয়ে দিয়ে চুষে দিতে শুরু করলাম।
মা- আমার মাথা শাড়ির উপর দিয়ে চেপে ধরে উম কি করে এই সোনা উরি আমি মরে যাবো উরি মাগো এই না।
আমি- মায়ের কথা কান না দিয়ে জিভ ঢুকিয়ে দিয়ে চেটে চুষে দিতে লাগলাম, আর দুই হাত দিয়ে মায়ের বিশাম পাছা টিপে দিতে লাগলাম, একদম কামানো মায়ের গুদ। জিভ দিয়ে চেটে দিতে দিতে মাঝে মাঝে মায়ের গুদের কোট ফাঁকা করে গুদের ভেতরে জিভ প্রবেশ করিয়ে দিতে জিভে দানা দানা লাগল। এমনভাবে চুষতে লাগলাম যে মায়ের রস বেয়ে বেয়ে আসতে লাগল। আমি চুম চুক করে চুষে দিচ্ছি।
মা- পা দিয়ে আমার পিঠে আঘাত করতে করতে বলল উরি আমি মরে যাবো এই বের করো মুখ বের কর সোনা।
আমি- সত্যি বলছি মায়ের গুদ চুষতে এত মিষ্টি আর সোদা গন্ধ, এ যেন নেশা হয়ে যাচ্ছে। এরপর মায়ের শাড়ি তুলে পা এলিয়ে দিয়ে চকাম চকাম করে সারা গুদ চুষে দিচ্ছি।
মা- আমার চুলের মুঠি ধরতে না পেরে বলল উঃ এত ছোট চুল কেটে ছে ধরেও পারিনা আমি। এই সোনা আর না সোনা, এবার দাও তুমি উঃ মরে যাচ্ছি আমি উরি না সোনা আর না সোনা। এবার দাও তুমি আঃ হলে পরে আর দিতে দেবনা, আমার হয়ে যাবে এভাবে চুষে দিলে এস সোনা মাকে দাও তুমি।
আমি- মায়ের এই অনুনয় বিনয় শুনে মুখ তুলে উম মা এ যে কি সুখ মা বলে মায়ের বুকে ঝাপিয়ে পরে শাড়ি সরিয়ে ব্লাউজের হুক খুলতে গেলে।
মা-  না সোনা এখন খুলতে হবেনা। রাতে বাবা ঘুমালে তোমার কাছে আসবো। তখন সব খুলে দেবো এখন দাও তুমি। দেখি বলে আমার লুঙ্গি তুলে বাঁড়া ধরে ইস কেমন করছে ভেতরে ঢোকার জন্য। দাও তুমি কালকের মতন দাড়িয়ে দাও মাকে তুমি উম কি করে দিয়েছ মাকে তুমি।  
আমি- লুঙ্গি গুটিয়ে মায়ের পায়ের ফাকে দাড়িয়ে বাঁড়ায় থু থু লাগিয়ে আস্তে আস্তে ভরে দিলাম গুদে। এরপর মায়ের মুখে চুমু দিয়ে আস্তে আস্তে চুদতে লাগলাম। উম মা কি রসে রস তোমার। 




Share:

0 comments:

Post a Comment

Xgossip. Bangla Choty Golpo

Tags

Xgossip— Bangla Choty Golpo. Powered by Blogger.

Ad Space

Featured post

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(১৫)

  পর্ব:১৫ বাবা- কি বলব বাবা তোকে, আসলে তোর মাকে বকা ঝকা করেছি তার কারন আছে তুই আমার ছেলে তোকে কি বলব সব তো খুলে বলা যায়না। আমি- কেন বাবা আমি...

Search This Blog

🔞 ১৮% সতর্কবার্তা

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন।

About Us

About Us
এই খানে পাবেন বিভিন্ন লেখকদের বিভিন্ন ক্যাটাগরির চটি গল্প।

Translate

Popular Posts

Popular Posts