Bangla Choty Golpo

গল্প: আম্মার সাথে প্রেম (০৩)



পর্ব:০৩



-------------
০৫
--------------




এর পর আরো একজন বক্তা আসলো সে আলোচনা শুরু করলো আইয়ামে জাহিলিয়া যুগ নিয়া এর মানে হচ্ছে অন্ধকার যুগ। সেই যুগে যত ধরনের খারাপ কাজ আছে সব করতো মানুষ যেমন বাবা মারা গেলে মা কে বিয়ে করার জন্যে ভাই ভাই মারা মারি লাগতো এখন বুঝেন সেই যুগে কতো কিছু ঘটছে এই যুগে কি এখন এগুলো হয় না সবাই জোরে চিল্লাইয়া হয়..... তাইলে আমরা এখন ও আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগে বাস করতাছি কি মিয়ারা করতাছি না তার জন্য বলি ভাই এখন কার জামানা আর আগের কার জামানা একই এখন মানুষ ধর্মের নামে করতাছে আকাম কুকাম উপর দিয়া ভালা সাজে আর ভিতরে ভিতরে ঠিকই আকাম কইরা বেড়ায় এই যে কিছুদিন আগে এক মসজিদের ইমাম সে এক মাগী নিয়া ধরা খাইলো আপনারা দেখেছেন না ফেসবুকে আমি দেখলাম এদের কারনে ভালো আলেম যারা তাদের বদনাম হয় আপনাদের এলাকায় মনে হয় এরকম আকাম কুকাম হয় না (হুজুর রসিকতা কইরা) কি হয় না সবাই জোরে চিল্লাইয়া বলল হয়.....এখন মানুষ সুদ খায় আবার মায়েরে অনেক ভালোওবাসে কিন্তু হেয় জানেও না যে ঐলোক মার লগে যিনা করতাছে আমার আগের বক্তা তো এই বিষয়ে আপনাদের বলছে আজকে । এর মধ্যে একজন লোক স্টেজে উইঠা অনেকগুলো প্রশ্ন কাগজে লিখা নিয়ে আসছে হুজুরের কাছে আমিও অনেকগুলা প্রশ্ন বানাইয়া বানাইয়া কাগজে লিইখা দিছি লোকের কাছে যাতে আম্মায় নানি সবাই শুনতে পারে । তো হুজুর প্রশ্নের কাগজ দেইখা কইলো ওরে বাবারে বাবা এতো প্রশ্নর জবাব দেওয়ার সময় তো আমার কাছে নাই তারপরেও আমি দেওয়ার চেষ্টা করব তো হুজুরে প্রশ্ন পড়া শুরু করছে। এক ভাই লিখছে হুজুর আমি আমার আপন খালারে বিয়া করতে পারুম কারণ আমার খালা বিধবা আমি তার লগে অনেক বার মিলন করছি। এখন আমি কি করবো...? হুজুর কইলো না ভাই আপনে পারবেন না কারণ খালার লগে করা মানি মায়ের লগে সঙ্গম করা একই কথা আর যদি না জাইনা বিয়া করেন তাইলে সাথে সাথে তালাক দিয়া দেন । এরপর আরেক ভাইয়ের প্রশ্ন করছে হুজুর আমি আমার আম্মারে স্বপ্নে করছি এখন কি আমার গূনাহ হবে....? হুজুর উত্তর দিল না ভাই আপনার কোন গুনাহ হবে না যেহেতু আপনি স্বপ্নে দেখছেন বাস্তবে করলে গুনাহ হইতো । আরেক ভাই প্রশ্ন করছে হুজুর আমি আমার আম্মারে স্বপ্নে বিয়া করতে দেখি এই স্বপ্ন বারবার দেখি এইটার বাখ্যা কি হুজুর...? উত্তরে হুজুর কইল হুম এইটা একটা জটিল প্রশ্ন তবে এই প্রশ্নের মাধ্যমে বুঝতে পারলাম এই গ্রামে এ ধরনের জিনিসগুলা বেশি বেশি ঘটতাছে এর ব্যাখ্যা অনেক ভাবে দেওয়া যায় এর ভালো দিক ও আছে আবার খারাপ দিকও আছে প্রথমত হইল কেউ যদি স্বপ্নে বারবার দেখে তাহলে বুঝতে হইবো এটা আদেশ আর যদি একবার দেখে তাইলে এটার ব্যাখ্যা হইল ঘরে আয় উন্নতি হবে । এখন কথা হইল যারে বিয়া করতে দেখছেন সে হইছে মাহরাম ব্যক্তি। তবে যদি সত্যি সত্যি দেইখা থাকেন তাইলে আপনার লাইগা যায়েজ আছে যেহেতু এটা আপনি বারবার দেখতেছেন তার মানে এটা আপনার মানতেই হইব না মানলে আপনার বিপদ আছে । আসলে এই হুজুর টা একটু ভন্ড টাইপের আর ফতুয়া দেওয়ার যোগ্যতা নাই তারপরও নিজের মন খুশি মতো আরকি উত্তর দিল আসলে সে জানে না তেমন। এই হুজুরের বয়সও কম জাই হোক এটা শুইনা তো আমি অনেক খুশি হয়ে গেলাম আর মনে মনে কইলাম পাইছি আম্মারে । আর এইদিকে নানী আম্মার দিকে তাকাইয়া কইল হুনছছ নি সালেহা হুজুর কি কইলো আম্মা কইলো হুনছি কিন্তু আমার কেন জানি মনে মানে না খালা। জীবনেও কোনদিন এই রকম হুনি নাই খালা।
এটা শুইনা নানী কইল ধূর ছেমরি হুজুরেরা কি মিথ্যা কথা কইবো তোর লাইগা আমারো এই রকমিই মনে হইছিল তবুও তোরে কই নাই তুই আবার কিনা কি ভাবোছ তাই। আম্মা কইলো এহন কি করমু খালা।




-----------
০৬
-----------

নানি কইলো কি আবার করবি তর তো কপাল খুলছে রে মাগী এমন কামাই সুখ পোলা পাবি এই বয়েসে সুখ পাবি। একটু সুখের লাইগা মানুষ কতো কি করে আর তরে তো উপরআলায় হাইদা দিছে আর তুই কি না সন্দেহ করোছ আর কোন কিছু চিন্তা করিছ না কিন্তু খালা মাইনষে জানলে কি কইবো সমাজের মানুষ কি আমাগো মাইনা নিব মাইনষে দি ছি ছি করবো।নানি কইলো হ তরে কইছে মাইনষেরে জানাবি কেন মাইনষে কি তরে খাওয়ায় না পরায়। খাইলে পোলার কামাই খাছ তাই কইতাছি পোলার যেমন তর উপর হক আছে আবার তরো পোলার প্রতি হক আছে।তাই কইলাম এখনি সময় পোলারে আঁচলে বাইন্ধা ল। আম্মায় কইলো তাও খালা আমার জানি কেমন কেমন লাগে আমি ভাইভা দেখুম নে এহন চুপ কর ওয়াজ শুনতে দেও। তাইলে হুজুরের লগে দেখা করিছ আর তর যত কথা আছে হুজুর রে কবি

আরো অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করলো রাত তখন প্রায় ১০ টা ।
আমি এই দিকে মার খোঁজ করতে লাগলাম পরে চিন্তা করলাম মহিলা গো ভিতর যাওয়া নিষেধ। তাই মায়েরে ফোন দিলাম ধরে না আবার ফোন দিলাম ধরে না শেষে নানির নাম্বারে ফোন দিলাম নানি ফোন ধরলো আমি হ্যালো নানি মায় কই নানি কইলো তোর মায় আমার লগে কেন কথা কবি আমি কইলাম হ দেও পরে মায়েরে ফোন দিল আমি কইলাম বাসায় আইবা না মায় কইলো হ আমু তর নানির লগে ।আমি কইলাম তারা তারি আহো ঝুমুর নুপুর কই মায় কইলো আমার লগেই আছে আমি কইলাম রাইত কইলাম অনেক হইছে মায় কইলো তুই কই আমি কইলাম আছি বাড়ির সামনে মায় কইলো মাহফিলে আয় কথা আছে আমি কইলাম কি কথা এহনি কও মায় কইলো হুজুরের লগে দেখা করতে হইবো আমি কইলাম ধূর আমি হুজুর এর সাথে দেখা করতে পারুম না কেন আমি কইলাম আমার শরম করে মায় কইলো তোর সরম করে আর আমার করে না তাও জাইতে হইবো হুজুর দেখা করতে কইছে। আমি কইলাম আচ্ছা আসতাছি কইয়া ফোন রাখলাম আর চিন্তা করলাম কেমনে কি করুম হুজুর যদি মায় রে ভালো ভালো কথা কইয়া মন ভুলাইয়া নামাজি কালামি বানায় দেয় তাইলে তো আর মার লগে কিছু করতে পারুম না তাই তাড়াতাড়ি চইলা গেলাম মাহফিলে যাইয়া দেখলাম আম্মায় মাহফিলের বাইরে * পইড়া দাঁড়াইয়া আছে নানি ও লগে নানি কইলো তাড়াতাড়ি তোরা দুইজন যা হুজুর কইলাম বেশিক্ষণ থাকবো না যাইবো গা আম্মা কইলো ল জলদি নুপুর ঝুমুর কইলো আমরাও যামু নানি কইলো তরা আবার কই যাবি তর মায় আর ভাইজান যায় অসুখ সারনের লাইগা তর ভাইজানের অসুস্থর লাইগা যায় ছোট বোন দুইটা দেখলাম কিছু কইলো না আমার অসুখ এর কথা শুইনাই মনে হয় চুপ কইরা গেল আমিও আম্মারে কইলাম লও আম্মা আর আমি যখন হুজুররের কাছে গেলাম আমি আসলে যারা বক্তা তাগো লইগা আলাদা রুমের বেবস্থা আছে আমি হুজুর রে সালাম দিয়া ভিতরে ঢুকলাম হুজুর সালাম এর জবাব নিয়া কইলো হ্যাঁ বলেন কি সমস্যা আমি কইলাম হুজুর এই খানে তো অনেক মানুষ কেমনে যে কই হুজুর । হুজুর কইলো কোন সমস্যা নেই কি কইবেন কইয়া ফালান আমি কইলাম মাহফিলে জাগোরে কইছেন দেখা করতে আমি সেই পোলা হুজুর অনেকখন পরে কইলো ও বুঝতে পারছি আপনেই সেই পোলা হ হুজুর আপনার আম্মা কই আমি কইলাম আমার সাথেই আইছে বাইড়ের দরজায় দারাইয়া আছে ভিতরে আসতে বলেন আমি আম্মারে ডাক দিলাম আম্মায় আইসা হুজুর রে সালাম দিলো হুজুর কইলো বসেন কথা হইলো গিয়া যেহেতু আপনার ছেলে আপনার সাথে মাতাল অবস্থায় করছে সেহুত আপনার কোন গুনাহ হয় নাই। আর আপনার ছেলে ও তখন অবিবাহিত ছিল । এখন কথা হচ্ছে যদি স্বপ্নের ব্যাখ্যা করি তাহলে এটা আদেশ স্বরুপ মানা লাগবো। কিন্তু আপনি হচ্ছেন মাহরাম ব্যক্তি যারে বিবাহ করা হারাম কিন্তু যেহেতু উপরওলার আদেশ দিছে সে ক্ষেত্রে শুধু আপনার জন্য যায়েজ আছে। বাকি অন্য মানুষের জন্য হারাম। কিন্তু হুজুর আমি তো স্বপ্নে কিছু দেখি নাই আর তাছাড়া মানুষ জন জানলে তো আমাগো মাইরা ফালাইবো। হুজুর কইলো কিছু জিনিস আছে গোপন থাকা ভালো।আর বিবাহ করা না করা সম্পূর্ণ আপনার হাতে আপনি চাইলে বিবাহ বসতে পারেন। আম্মা কইলো হুজুর তাইলে আমি কেন দেখলাম না আমি যদি স্বপ্নে কোন ইংগীত পাইতাম তাইলে আমি অনেক খুশি হইতাম মন ডারে একটু সান্ত্বনা দিতে পারতাম কিন্তু এহন আমার মন মানে না হুজুর পেডের পোলারে কেমনে বিয়া করি আমার তো মন মানে না এমন কিছু কি আছে যেই টা করলে আমি বুঝতে পারুম যে উপরওয়ালা সত্যিই চায় আমি পোলোর লাগে বিয়া বহি। এই কথা শুইনা আমি মনে মনে কইলাম মার মন যদি ঘুইরা যায় তাইলে আমি আম্মারে পামু না। চিন্তা করতাছিলাম এর মধ্যে হুজুর কইলো কোন সমস্যা নাই আমি একটা আমল লেইখা দিতাছি এই টা পইরা প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে বুকে ফুঁ দিয়া ঘুমাবেন ৪০ দিন তাইলেই হবে স্বপ্নের মাধ্যমে জানতে পারবেন। হইতে পারে আপনি জীবনে এমন কোন ভালো কাজ করছিলেন তাই উপরওলা খুশি হইয়া আপনারে স্বামী হিসেবে উপহার স্বরূপ আপনার ছেলেরে দিছে। আম্মা দেখলাম কি জানি চিন্তা করতাছে । তার পর হুম কইয়া আম্মা উইঠা দাঁড়াইয়া হুজুর রে সালাম দিয়া চইলা আইলাম আমি মনে মনে চিন্তা করলাম যেমনে হোক আম্মারে আমি আমার কইরা নিমু আর এখন থিকা আম্মার লগে বেশি বেশি সময় দেওয়া লাগবো এই চিন্তা করতে করতে নানির কাছে আইলাম নানি জিগাইলো কি কইলো হুজুর আমি কইলাম এই হানে অনেক মানুষ বাড়িত যাইয়া কইতা ছি চলো তারাতাড়ি এই বইলা সবাই বাড়ির দিকে হাঁটা দিলাম।






চলবে........



 



Share:

0 comments:

Post a Comment

Xgossip. Bangla Choty Golpo

Tags

Xgossip— Bangla Choty Golpo. Powered by Blogger.

Ad Space

Featured post

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(১৫)

  পর্ব:১৫ বাবা- কি বলব বাবা তোকে, আসলে তোর মাকে বকা ঝকা করেছি তার কারন আছে তুই আমার ছেলে তোকে কি বলব সব তো খুলে বলা যায়না। আমি- কেন বাবা আমি...

Search This Blog

🔞 ১৮% সতর্কবার্তা

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন।

About Us

About Us
এই খানে পাবেন বিভিন্ন লেখকদের বিভিন্ন ক্যাটাগরির চটি গল্প।

Translate

Popular Posts

Popular Posts