লেখক:Sakib123
পর্ব:০২
--------------
যখন ঘুম ভাংলো দেখলাম আমি যে টিস্যু গুলো তে মাল ফেলেছি সেগুলো নেই। আর বাড়িতে মা এবং আমি ই আছি। মাথায় হাজার টা প্রশ্ন ঘুরতে লাগলো।
বিকেলের নাস্তার জন্য মা ডাকলো ভয়ে আমার পায়ের পাতা কেমন করতে লাগলো।
তার পরে ও যেতে হলো।
মা : কি করিস সেই কখন থেকে ডাকছি।
আমি: এইতো মা ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। উঠে ফ্রেশ হলাম।
মা: বস। নাস্তা সেরে নাও। তোমার সাথে কথা আছে।
আমি: ভয়ে বুকের হার্ট বিট বেড়ে গেলো।
মা: তর ঘরে ঐ সব কি পরে থাকে। কি করিস সারাদিন ঘরে আর যা করিস এগুলো করলে অসুস্থ হয়ে পড়বি তো।
আমি: আর করবো না মা।( সাউন্ড বের হচ্ছে না) সুধু বাতাস বের হলো।
মা: আর যেন না দেখি এসব।
আমি চলে এলাম।
বেশ কিছুদিন চলে গেলো।
আমি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ রেখেছি।
হঠাৎ একদিন রাতের বেলা বাবা মায়ের চোদাচুদির শব্দ পেলাম এবং ঘরের সামনে গিয়ে দেখার চেষ্টা করলাম যখন কোন ভাবে দেখার উপায় পেলাম না তখন দেয়ালের সাথে কান পেতে ঠপ ঠপ ঠপ শব্দ শুনতে শুনতে লিঙ্গ মহারাজকে মৈথুন করতে লাগলাম।
আর মনে মনে বাবার যায়গায় আমি নিজেকে ভাবতে লাগলাম।
একটু পরেই আমার মাল গল গল করে বের হয়ে গেলো আটকাতে পারলাম না।
ঘরে তখন শব্দ বন্ধ
হাত দিয়ে কোন রকম মুছে দৌড় মারলাম নিজের ঘরের দিকে।
হাত দিয়ে মুছে চলে এসেছি মনে আবার ভয়ের দানা বাধতে লাগলো।
সকালে ঘুম ভেঙে দেখি মা ঘরে মুছতে ব্যাস্ত।
আর যেখানে মাল ফেলেছি সেখানে পিচ্ছিল বেশি হওয়ায় আবার ও হয়তো মায়ের কাছে ধরা পরে গেলাম।
কথায় আছে যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই সন্ধা হয়।
সকালের নাস্তা করতে টেবিলে গেলাম। বাবা চলে গেছে আগেই।
আমি নাস্তা করে বের হবো কিন্তু মা আজকে খুব বেশি রাগি মনে হলো।
মা: তকে না বলেছি ঐ সব করবি না।
আমি: কি করলাম
মা: আমাদের ঘরের সামনে ঐ গুলো কি? তুই কি মনে করিস আমি বুঝি না।
আমি: সরি মা
মা: এগুলো করলে বিয়ে করে বউ রাখতে পারবি না।
আমি : চুপ করে খাবার খাচ্ছি
মা: আর কখনো করবি না
আমি: মাথা নাড়লাম
মা: যখন এইগুলো করতে ইচ্ছে হবে আমার কাছে চলে আসবি আমার সাথে গল্প করবি তাহলে মাথা থেকে এগুলো বের হয়ে যাবে
আমি: আবার ও মাথা নাড়লাম
মা: আর কথা বাড়ালো না
এভাবে আবার বেশ কিছুদিন চলে গেলো
রাতে পর্নো দেখতে মন চাইলো আর মোবাইলে খুজে দেখতে দেখতে হস্তমৈথুন করে ফেললাম
আর এবার ধরা না পড়লে ও একটা ভয় ঠিক কাজ করতে লাগলো।
তার পরের দিন বিকেল বেলা ঘরে ধনটা ধরে একটু নাড়াচাড়া দিতেই দাড়িয়ে গেলো পরে মোবাইলে একটা পর্নো চালিয়ে হস্তমৈথুন করতে লাগলাম আর মা যে কখন দরজায় এসে ছে খেয়াল ই করি নি।
মা আমার ধনটা ভালো মতো হয়তো দেখেছে
আমি যখন খেয়াল করলাম তখন ভয়ে আমার ধন মাল ফেলার পরিবর্তে ছোট হয়ে গেলো।
মা এটা দেখে হেসে ফেললো
মা: নে এখন কর ( অনেকটা বিদ্রুপের সুরে)
আমি: আমার কি হল জানি না আমি ঐ অবস্থা তেই হস্তমৈথুন করতে লাগলাম আর ধনটা এখন দড়িয়ে গেলো।
কিছু সময় পরে মা এবার আবার রাগ করলো আর বললো কি শুরু করলি এ সব তোর বাবার কাছে নালিশ করতে হবে তুই খুব বেশি নষ্ট হয়ে গিয়েছিস আমার সামনে তুই ছি ছি কি করছিস
আমি: তুমিই তো বললে
মা: আর কথা না বলে বড় বড় করে পা ফেলে চলে গেলো।
এই ঘটনার পরে আমার মায়ের প্রতি আকর্ষণ আরো বৃদ্ধি পেলো
বেশ কিছু দিন পরের ঘটনা মা গোসলে ডুলো আমি মায়ের ঘরে থেকেএই সুযোগে মায়ের একটা পেন্টি নিয়ে হস্তমৈথুন করতে লাগলাম
মা বের হয়ে দেখলো আমি
মা চেচিয়ে উঠলো আমার সাথে রাগ করতে লাগলো আর আমাকে মারতে লাগলো।
পরে আমাকে বললো বেরিয়ে যা জানোয়ার আমার ঘরে থেকে বেরিয়ে যা।
আমি ভাবলাম বাবাকে জানিয়ে দিবে কিন্তু বাবার কোন আচরনে পরিবর্তন না দেখে নিশ্চিত হওয়া গেলো যে কিছু বলে নি।
রাতে আজকে শুনতে হবে বাবাকে মা কিছু বলে কি না তাই ঘরে কান পাতলাম আর শুনলাম
মা: আচ্ছা একটা কথা জিজ্ঞেস করি
মা: ছেলেরা বেশি হস্তমৈথুন করলে কি কি হয় একটু বলবে আর এর প্রতিকার কি হতে পারে.
বাবা: হঠাৎ এমন প্রশ্ন
মা: আরে বলই না
বাবা: আরে ছেলেরা বেশি হস্তমৈথুনের অভ্যাসের কারনে পরে বিয়ে করতে ভয় পায়, শরীরে কোন শক্তি থাকে না, কাজ করতে ক্লান্ত বেশি লাগে, আর ধন ও বাকা হয়ে চিকন হয়ে যায় আবার অনেক বড় বড় রোগ ও বাধতে পারে। আর প্রতিকার হলো সব সময় ব্যস্ত থাকা না হয় বিয়ে দিয়ে দেয়া না হয় কোন ভাবে শারীরিক সম্পর্কে জড়ানো, না হয় ধর্মীয় শাসন মেনে চলা।
এখন বলো কেন কি করবে
মা: আমাদের ছেলেটা হস্তমৈথুন করে হয়তো সে দিন অর ঘরে টিস্যু পেয়েছি যাতে মাল ছিল তাই জিজ্ঞেস করলাম তোমাকে।
মা কথা বললো না সব।
আমি একটু পরে সরে গেলাম।
পরের দিন সকালে বাবা চলে যাওয়ার পরে মা আমাকে ডাকতে এলো |
0 comments:
Post a Comment