Bondhutter Golpo (part:02)

বন্ধুত্বের গল্প
লেখক:Aniketroy007
পর্ব:০২



----------------------------


"এই বইগুলো তো আর পড়া হচ্ছে না," তৃষ্ণা প্রিয়াঙ্কার

বিছানার উপর ছড়িয়ে থাকা নোটবইগুলো ঠেলে দিলো।

তার আঙুলের ডগায় কালো ল্যাকারের আস্তরণ ফিকে

হয়ে এসেছে, যেন অনেকক্ষণ ধরে কোনো বইয়ের পাতা

উল্টোনোর চেষ্টা করছে। প্রিয়াঙ্কার ঘরের বাতি হালকা

নীল টোনের, দেয়ালে টাঙানো পোস্টার থেকে রিফ্লেক্ট হয়ে

আলোটা আরও কোমল হয়ে পড়েছে তৃষ্ণার উরুর ওপর।

সব গুলো পর্বের লিংক




প্রিয়াঙ্কা চিবুকে হাত রেখে হেসে বলল, "তুই কি কখনও

সত্যিই পড়তে এসেছিস? ওই যে কালো ফাইলটা, সেটাতো

খোলাই হয়নি।" তার কথার মধ্যে একটা চাপা উৎসুকতা

ছিল, যেন সে জানতে চাইছে তৃষ্ণার আসল উদ্দেশ্য। তৃষ্ণা

বইয়ের স্ট্যাক থেকে একটা কলম টেনে নিয়ে প্রিয়াঙ্কার

হাতে ঠেসে দিল, "পড়া হবে, কিন্তু আগে একটু ব্রেক নিই।

তোর মা-বাবা কবে ফিরবে?"




ঘরের জানালা দিয়ে বিকেলের রোদ ঢুকে পড়েছে,

প্রিয়াঙ্কার খোলা চুলের ওপর আলোর রেখা আঁকছে। সে

টেবিলের দিকে ঝুঁকে কলমটা নিল, "আরও দুঘণ্টা তো

আছেই।" তার কণ্ঠস্বর একটু দ্রুত হয়ে গেল, যেন সে

নিজের কথার মধ্যেই উত্তেজনা টের পাচ্ছে। তৃষ্ণা হঠাৎ

প্রিয়াঙ্কার টিশার্টের আস্তিন টেনে ধরল, "তোর এই

টিশার্টটা তো আমার খুব পছন্দ। গতবার দেখেছিলাম তুই

পরেছিলি..."




প্রিয়াঙ্কার টিশার্টের নেকলাইনের ভাঁজ থেকে তার

কোলার বোন দেখা যাচ্ছে। তৃষ্ণার আঙুল সেখানে স্পর্শ

করতেই প্রিয়াঙ্কা শিউরে উঠল, "এত ঠাণ্ডা হাত!" তৃষ্ণা

হাসল, "হাত না, তোর গরম শরীর।" বলে সে প্রিয়াঙ্কার

টিশার্টের নিচে হাত ঢুকিয়ে দিল। প্রিয়াঙ্কার শ্বাস আটকে

গেল, তার স্তনের নিচে তৃষ্ণার আঙুলের স্পর্শে চামড়া

কুঁচকে উঠল।




"এই বইগুলো সত্যিই পড়া হবে না?" প্রিয়াঙ্কা টেবিলের

দিকে ইশারা করল, কিন্তু তৃষ্ণার হাত এখন তার পিঠে,

টিশার্টের ভেতরে। তৃষ্ণা প্রিয়াঙ্কার কানে ফিসফিস করল,

"তুই কি পড়তে পারছিস? আমার তো মনে হয় না।"

প্রিয়াঙ্কার গাল লাল হয়ে উঠল, সে তৃষ্ণার হাত আটকাল,

কিন্তু ঠেকাতে পারল না। তৃষ্ণার নখ প্রিয়াঙ্কার ব্রার স্ট্র্যাপে

আঁচড় কাটল, "কালো লেস? গতবার তুই লাল পরেছিলি।"




প্রিয়াঙ্কা টেবিলের কিনারায় হাত রাখল, ভারসাম্য রাখার

চেষ্টায়। তৃষ্ণা এবার তার কানের লতিটা দাঁতে আস্তে চেপে

ধরল, প্রিয়াঙ্কার শরীরে একটা ঝিনিকানি খেলে গেল।

"আরে... থামবি না?" প্রিয়াঙ্কার কণ্ঠস্বর কাঁপছিল, কিন্তু

তৃষ্ণা থামল না। সে প্রিয়াঙ্কার টিশার্টের নেকলাইন আরও

টেনে নামাল, কাঁধের একটা অংশ খুলে গেল। "তুই এভাবে

ক্লাসে বসিস?" তৃষ্ণার প্রশ্নে প্রিয়াঙ্কা হাসল, "সবাই কি তোর

মত অসভ্য?"




তৃষ্ণার আঙুলগুলো প্রিয়াঙ্কার টিশার্টের নিচ থেকে বেরিয়ে

এল, কিন্তু এবার সে পুরো গিঁটটা টেনে ধরল। এক

ঝটকায় প্রিয়াঙ্কার টিশার্ট উঠে গেল মাথার উপর দিয়ে,

আলোয় তার কালো লেসের ব্রাটা ঝলমল করে উঠল।

প্রিয়াঙ্কার স্তনগুলো ভারী, ব্রার কাপে ঠেসে ধরা—একটু

নড়লেই যেন বেরিয়ে পড়বে। "এত তাড়াতাড়ি করলি কেন?"

প্রিয়াঙ্কা হাসতে হাসতে বলল, কিন্তু তার শ্বাসটা দ্রুত হয়ে

গেছে।




"তুই নিজেই বলছিলি পড়া হবে," তৃষ্ণা প্রিয়াঙ্কার ব্রার স্ট্র্যাপে

আঙুল বুলিয়ে দিল, "আমি তো শুধু সাহায্য করছি।"

প্রিয়াঙ্কার চামড়ায় গোসবে উঠল, সে তৃষ্ণার হাত ধরে

ফেলল, "তোর সাহায্য চাই নাকি?" তৃষ্ণা হাসল, তারপর

নিজের স্কার্টের বেল্ট খুলে ফেলল। কালো লেসের

প্যান্টির টপ দেখা গেল স্কার্টের ভাঁজ থেকে—প্রিয়াঙ্কার

চোখ আটকে গেল সেখানে। "তুই আজকে ম্যাচিং

পরেছিস?" প্রিয়াঙ্কার কণ্ঠে অবাক ভাব। তৃষ্ণা ইচ্ছে করে

একটু ঝুঁকল, "তোর জন্য।"




প্রিয়াঙ্কার হাত তৃষ্ণার কোমরে এসে ঠেকল, সে তৃষ্ণাকে

নিজের দিকে টানল। তাদের পেট একে অপরের সাথে

ঠেকল, তৃষ্ণার নিঃশ্বাস গরম হয়ে প্রিয়াঙ্কার ঠোঁটে

লাগল। "এবার পড়া হবে?" তৃষ্ণা ফিসফিস করে বলল,

কিন্তু প্রিয়াঙ্কার হাত এখন তৃষ্ণার পিঠে, ব্রার হুক খুলে

ফেলার চেষ্টায়। "হ্যাঁ," প্রিয়াঙ্কার কথা শেষ হবার আগেই

তৃষ্ণা তার ব্রার কাপ টেনে নামাল—গোলাপি বোঁটাগুলো

ঠাণ্ডা বাতাসে শক্ত হয়ে উঠল।




"তোর শরীর..." তৃষ্ণার আঙুল প্রিয়াঙ্কার স্তনের নিচে আঁচড়

কাটল, "একদম মোমের মূর্তির মতো..." প্রিয়াঙ্কা হাসল,

নিজেও তৃষ্ণার ব্রার কাপ টেনে ধরল, "আর তোরটা দেখে

মনে হয় রান্নাঘরের মাখন..." কালো লেসের ব্রা খুলে

যেতেই তৃষ্ণার ভারি স্তন দুটো নেমে এল, বোঁটাগুলো গাড়

গোলাপি। প্রিয়াঙ্কার নিঃশ্বাস দ্রুত হয়ে উঠল।



তৃষ্ণা নিজের স্কার্টের বেল্ট খুলে ফেলল, একটানে নামিয়ে

দিল। কালো প্যান্টির ফিতেগুলো তার কোমরের দুই পাশে

ঝুলছে, যেন নিজেকে উপহার দিচ্ছে। প্রিয়াঙ্কার হাত নড়ল,

তৃষ্ণার প্যান্টির সাইড টাই খুলে দিল। "এত তাড়া?" তৃষ্ণা

হাসল, কিন্তু প্রিয়াঙ্কা জবাব দিল না—সে নিজের ব্রা খুলে

ফেলল, তার গোলাপি স্তন দুটো মুক্ত হলো। তৃষ্ণার চোখ

আটকে গেল প্রিয়াঙ্কার বোঁটায়—ছোট্ট গোলাপি ফুলের

মতো, শক্ত হয়ে উঠেছে উত্তেজনায়।


প্রিয়াঙ্কার নিতম্বগুলো গোল, সাদা চামড়ায় দুটো ফসলে

যাওয়া দাগ—বেঞ্চে বসার চিহ্ন। তৃষ্ণার হাত সেখানে আঁচড়

কাটল, "একদম পাকা পেয়ারার মতো..." প্রিয়াঙ্কা তৃষ্ণার

প্যান্টি টেনে নামাল, তার যোনির গোলাপি চামড়া দেখা

গেল। তৃষ্ণার শরীরে ঘামের ফোঁটা, তার পেটের নিচের

লাইনটা একটু বক্র—যেন কারুকাজ করা মূর্তি। প্রিয়াঙ্কার

জিভ বেরিয়ে এল, সে তৃষ্ণার নাভিতে চুমু খেল, তারপর

নিচে নামল। "এইটা দেখে মনে হচ্ছে তোর পাছাটা পুরো

মাখন, তাই তুই এত চাটাতে পছন্দ করিস?" প্রিয়াঙ্কার কণ্ঠে

খুনসুটির সুর। তৃষ্ণা প্রিয়াঙ্কার চুল টেনে ধরল, "আর তোর

পাছাটা দেখে মনে হয় সারা ক্লাসের বেঞ্চ তুই নিজে পলিশ

করেছিস!"




তৃষ্ণার যোনি পুরোপুরি খুলে গেছে, গোলাপি ভেতরের

চামড়া ভিজে চকচক করছে। প্রিয়াঙ্কার জিভ সেখানে

স্পর্শ করতেই তৃষ্ণার শরীর কাঁপল, সে বিছানার চাদর

মুঠো করে ধরল। "এই খানকিটার মুখে জিভ দেখে মনে

হচ্ছে তোর বাবার কাছেই শিখেছিস!" তৃষ্ণার গালে লাল

ছাপ পড়ে গেছে উত্তেজনায়। প্রিয়াঙ্কা হাসল, তারপর তৃষ্ণার

যোনিতে পুরো মুখ চেপে ধরল, জিভ দিয়ে বারবার আঘাত

করতে লাগল। তৃষ্ণার পা কাঁপতে লাগল, সে প্রিয়াঙ্কার

মাথা নিজের দিকে টেনে নিল। "আহ... এই মাগিটা আস্তে

কর...!"




"আহ... এই খানকিমাগিটার জিভ!" তৃষ্ণা প্রিয়াঙ্কার চুল

মুঠো করে ধরে নিজের যোনিতে আরও জোরে চেপে

ধরল। প্রিয়াঙ্কার নাক ডুবে গেল তৃষ্ণার গোলাপি চামড়ায়,

তার জিভ যেন আগুনের শিখার মত ঘুরে ঘুরে তৃষ্ণার

ভেতরের সবটা চেটে নিচ্ছে। "এই রাক্ষসি... আস্তে কর

না?" তৃষ্ণার গালে লাল ছোপ, কিন্তু প্রিয়াঙ্কা থামল না—

বরং ডান হাতের দুটা আঙুল তৃষ্ণার যোনির ফাঁকে ঠেলে

দিল একটানে। "এই...!" তৃষ্ণার সমস্ত শরীর শক্ত হয়ে উঠল,

তার নখ প্রিয়াঙ্কার পিঠে আঁচড় কাটতে শুরু করল।




প্রিয়াঙ্কা মুখ তুলে হাসল, তার ঠোঁট ভিজে চকচক করছে।

"এত চিৎকার করছিস কেন? গতকাল যেটা তুই আমার

সাথে করেছিলি, সেটার চেয়ে তো কম করছি!" তৃষ্ণা

প্রিয়াঙ্কার স্তন ধরে টান দিল, "শালি, তোর মুখে এখন কথা

আটকাবে!" বলে সে প্রিয়াঙ্কাকে উল্টো করে বিছানায়

ফেলে দিল। প্রিয়াঙ্কার নগ্ন পিঠের উপর তৃষ্ণার হাতের ছাপ

লাল হয়ে ফুটে উঠল—একটা জোরে চাপড় বসাল তৃষ্ণা।

"আহ...!" প্রিয়াঙ্কার চিৎকারে ঘরের জানালা কাঁপল।




তৃষ্ণা নিজের আঙুলে লালা মেখে প্রিয়াঙ্কার যোনির ফাঁকে

 চালাতে শুরু করল, "এই খানকির গর্তটা দেখে মনে হচ্ছে

 পুরো হোস্টেলের জন্য খোলা!" প্রিয়াঙ্কা পিঠ বাঁকিয়ে

 তৃষ্ণার হাত ধরে ফেলল, "তোর বাপের বাড়ির রাস্তার

 চেয়েও টাইট, অসভ্য!" তৃষ্ণার আঙুল জোরে ঢুকে গেল,

 প্রিয়াঙ্কার নখ বিছানার চাদর ছিঁড়ে ফেলার চেষ্টায়। "হ্যাঁ...

আরেকটা আঙুল... হারামজাদি!" প্রিয়াঙ্কার গলা থেকে

গম্ভীর গোঙানি বেরুল। তৃষ্ণা তৃতীয় আঙুল ঢুকিয়ে দিতেই

 প্রিয়াঙ্কার শরীর কাঁপতে শুরু করল—হঠাৎ তার যোনি

 থেকে ঝাঁকুনি দিয়ে গরম তরল ছিটকে তৃষ্ণার বুক

 ভিজিয়ে দিল। "এই...! গেলি...!" তৃষ্ণার শার্টের কালো

 কাপড়ে স্পষ্ট ভেজা দাগ ছড়িয়ে পড়ল।



প্রিয়াঙ্কার নিঃশ্বাস দ্রুত, তার উরুর ভাঁজে এখনও তরল

 টপটপ করে পড়ছে। তৃষ্ণা নিজের আঙুল চেটে নিল,

 "একদম লবণাক্ত... তোর শরীরের পুরো স্বাদ!" বলে সে

 প্রিয়াঙ্কার পা দুটো কাঁধে তুলে নিল। প্রিয়াঙ্কার যোনি ফুলে

 গোলাপি হয়ে উঠেছে, ভেতরের ভেজা চামড়া থেকে এখনও

 ফোঁটা ফোঁটা তরল ঝরছে। তৃষ্ণা মুখ নিচু করতেই

 প্রিয়াঙ্কা চিৎকার করে উঠল, "না... এবার আমি...!" তৃষ্ণার

 জিভ ডগায় স্পর্শ করতেই প্রিয়াঙ্কার পেটের নিচে শক্ত হয়ে

 উঠল—আরেকবার ঝাঁকুনি দিয়ে তার শরীর থেকে গরম

 ধারা বেরিয়ে তৃষ্ণার মুখে পড়ল। তৃষ্ণা হাঁ করে সমস্তটা

 গিলে নিল, "এই মাগীর রস একদম কাঁচা আমের রসের

 মতো টক!"



প্রিয়াঙ্কার শরীর থেকে ঝরতে থাকা তরল এখনও তৃষ্ণার

 ঠোঁটে লেগে আছে, চকচকে করে তুলেছে তার গাল।

 তৃষ্ণা আলতো ভাবে আঙুল দিয়ে ঠোঁট মুছে নিল, "এইবার

 তোর পালা," বলে সে হঠাৎ প্রিয়াঙ্কার পেটের উপর চেপে

 বসল। প্রিয়াঙ্কার নিঃশ্বাস আটকে গেল—তৃষ্ণার ভারি

 নিতম্ব তার পেটের উপর চাপ দিচ্ছে, আর তার গরম

 যোনি ঠিক প্রিয়াঙ্কার মুখের উপর। "এবার চুষ," তৃষ্ণা

 আদেশ দিল, নিজের হাত দিয়ে প্রিয়াঙ্কার নাক চেপে

ধরল। প্রিয়াঙ্কার জিভ বেরিয়ে এল, তৃষ্ণার ভেজা যোনির

ফাঁকে ঢুকল। হঠাৎ তৃষ্ণার শরীর কাঁপল—এক ফোঁটা

গরম তরল প্রিয়াঙ্কার মুখে পড়ল, তারপর আরেক ফোঁটা।

প্রিয়াঙ্কার গাল ফুলে উঠল, তরলে ভরে যাচ্ছে তার মুখ।

"গিলে ফেল," তৃষ্ণার কণ্ঠে আদেশের সুর। প্রিয়াঙ্কা গিলতে

গিলতে তৃষ্ণার উরু চেপে ধরল—এক স্রোত গরম তরল

তার গলায় ঢুকল, কিছুটা নাক দিয়ে বেরিয়ে গেল।

প্রিয়াঙ্কার গাল লাল, চোখে পানি, কিন্তু তৃষ্ণা থামছে না—সে

এবার প্রিয়াঙ্কার মুখের উপর চেপে বসে নিজের পুরো

ওজন দিল। প্রিয়াঙ্কার নাক-মুখ একেবারে ডুবে গেল

তৃষ্ণার যোনিতে, তার ফোঁটা ফোঁটা তরল এখন ঝরনার

মতো বেরোচ্ছে। "এই... শ্বাস...!" প্রিয়াঙ্কার চিৎকার ভেসে

যাচ্ছে তৃষ্ণার উরুর মাংসে।





তৃষ্ণা উঠে দাঁড়াল—প্রিয়াঙ্কার মুখে-চোখে-চুলে সব ভিজে

গেছে। তৃষ্ণার হাত প্রিয়াঙ্কার স্তনে চেপে ধরল, নিজের

আঙুলে লালা মেখে প্রিয়াঙ্কার নিপলে ঘষে দিল। "এবার

তুই নিজে কর," বলে সে প্রিয়াঙ্কার পা দুটো মেলে ধরল।

প্রিয়াঙ্কা নিজের হাত নিজের যোনিতে ঢুকিয়ে দিল, তার

আঙুলগুলো দ্রুত নড়ছে। তৃষ্ণা প্রিয়াঙ্কার স্তন চুষছে, তার

নখ দিয়ে আঁচড় কাটছে প্রিয়াঙ্কার পেটের নিচের চামড়া।

"এই... এই রাক্ষসি!" প্রিয়াঙ্কার পিঠ বাঁকছে, তার

আঙুলগুলো এখন নিজের যোনির ভেতরে পিষ্ট হচ্ছে। তৃষ্ণা

প্রিয়াঙ্কার কানে ফিসফিস করল, "গতবার তুই যে

ভিডিওটা আমাকে দেখিয়েছিলি, সেইভাবে কর।" প্রিয়াঙ্কার

চোখ আধবোজা—সে নিজের দুই আঙুল ঢুকিয়ে নিজের

যোনির ভেতরে ঘুরিয়ে দিল, ঠিক ওই ভিডিওর মতো।

তৃষ্ণার চোখ লাল হয়ে উঠল—সে প্রিয়াঙ্কার স্তন কামড়

দিল, "আরেকটা আঙুল ঢুকা!" প্রিয়াঙ্কার তৃতীয় আঙুল

ঢুকে যেতেই তার মুখ বিকৃত হয়ে গেল—একটা গভীর

গোঙানি বেরুল, তার যোনি থেকে ঝাঁকুনি দিয়ে গরম তরল

ছিটকে তৃষ্ণার গায়ে পড়ল। তৃষ্ণা থামল না—সে প্রিয়াঙ্কার

হাত ধরে নিজের মুখে নিয়ে এল, প্রিয়াঙ্কার ভেজা

আঙুলগুলো চুষে নিল। "এই... তোর...!" প্রিয়াঙ্কার কথা

শেষ হবার আগেই তৃষ্ণা তাকে উল্টো করে বিছানায় ফেলে

দিল, নিজের মুখ প্রিয়াঙ্কার যোনিতে চেপে ধরল। এবার

তার জিভ প্রিয়াঙ্কার ক্লিটোরিসে ঘুরছে, দাঁত দিয়ে আস্তে

চেপে ধরছে। প্রিয়াঙ্কা বিছানা মুঠো করে ধরেছে, তার পা

কাঁপছে। তৃষ্ণার নাক ডুবে আছে প্রিয়াঙ্কার যোনির

গোলাপি চামড়ায়, তার শ্বাস ফেলার শব্দ ভেসে আসছে।

"আমি... আহঃ ...!" প্রিয়াঙ্কার শরীর শক্ত হয়ে উঠল—

একটা ঝাঁকুনি দিয়ে তার সমস্ত শরীর থেকে তরল ছিটকে

তৃষ্ণার মুখে-চোখে-চুলে লাগল। তৃষ্ণা মুখ তুলল—

প্রিয়াঙ্কার তরল তার গালে-ঠোঁটে ঝুলছে। সে আস্তে আস্তে

চেটে নিল, "এবার তুই পুরোপুরি ভেজা," বলে সে প্রিয়াঙ্কার

স্তনের মাঝে মুখ গুঁজে দিল। প্রিয়াঙ্কার শরীর এখনও

কাঁপছে, তৃষ্ণার হাত তার পিঠ বুলোচ্ছে। "এই হারামজাদি,"

প্রিয়াঙ্কার কণ্ঠে ক্লান্তি, কিন্তু তৃষ্ণা হাসল, "আরেকবার?"




প্রিয়াঙ্কার চোখের কোণে জমে থাকা জলটা তৃষ্ণার

আঙুলে মুছে গেল। ঘরের নীল আলোয় দুইজনের ঘামে

ভেজা শরীর যেন রুপোর মতো চকচক করছে। তৃষ্ণা

প্রিয়াঙ্কার ক্লিটোরিসে আবারও জিভ চালালো, এবার

আরও ধীরে—একটা পাকা আম চুষে নেওয়ার মতো

সাবধানতা। প্রিয়াঙ্কার নিঃশ্বাস আটকে গেল, তার

আঙুলগুলো তৃষ্ণার চুলের মধ্যে হারিয়ে গেছে। "আর...

না..." প্রিয়াঙ্কার গোঙানি ঘরের দেয়ালে ধাক্কা খেয়ে ফিরে

এলো।




তৃষ্ণা উঠে বসলো, প্রিয়াঙ্কার তরলে ভেজা মুখটা তার

হাতের তালুতে নিয়ে। "এবার তুই," বলেই সে প্রিয়াঙ্কাকে

টেনে নিয়ে নিজের উরুর ওপর শুইয়ে দিলো। প্রিয়াঙ্কার

জিভ এবার তৃষ্ণার যোনির গোলাপি চামড়ায় স্পর্শ করতেই

তৃষ্ণার পিঠ ধনুকের মতো বাঁকা হয়ে গেল। ঘরের বাতাসে

দুজনের গাঢ় শ্বাসের শব্দ মিশে যাচ্ছে, জানালার পর্দা

হালকা দুলছে।




প্রিয়াঙ্কার আঙুল তৃষ্ণার যোনির ভেতরে ঢুকলো, ঠিক সেই

রিদমে যেটা তৃষ্ণা তাকে শিখিয়ে দিয়েছিলো গত সপ্তাহে।

তৃষ্ণার মুখ বিকৃত হয়ে গেল—একটা গভীর, গর্বর শব্দ

তার গলা থেকে বেরিয়ে এলো। প্রিয়াঙ্কা দেখতে পেলো

কীভাবে তৃষ্ণার পেটের নিচের মাংসপিণ্ডটা কাঁপছে, ঠিক

যেন হারিকেনের আগে সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ। "এই...

ঠিক... সেভাবে..." তৃষ্ণার কথা আধোয়া আধোয়া।




ঘরের বাতাসে দুজনের ঘামের গন্ধ মিশে আছে। প্রিয়াঙ্কার

পিঠ এখনও ভিজে, তৃষ্ণার নখের আঁচড়ে লাল দাগ পড়েছে।

তৃষ্ণা হঠাৎ প্রিয়াঙ্কার হাত চেপে ধরে থামালো, "এবার...

মুখে..." প্রিয়াঙ্কা নিচু হলো, তৃষ্ণার উরুর ভাঁজে মুখ গুঁজে

দিলো। তৃষ্ণার যোনি থেকে ঝরছে ফোঁটা ফোঁটা তরল,

প্রিয়াঙ্কার নাক-মুখ ভরে গেল সেই গন্ধে। সে জিভ বের

করলো, তৃষ্ণার ভেজা চামড়ায় স্পর্শ করতেই তৃষ্ণার সমস্ত

শরীর শক্ত হয়ে উঠলো।




"গিলে নে," তৃষ্ণা আদেশ দিলো, প্রিয়াঙ্কার মাথা নিজের

দিকে টেনে নিলো। প্রিয়াঙ্কার ঠোঁট তৃষ্ণার যোনির সাথে

চেপে ধরে রাখলো, জিভ দিয়ে ভেতরের সবটা চেটে

নিলো। তৃষ্ণার পা কাঁপতে লাগলো, তার আঙুলগুলো

প্রিয়াঙ্কার চুলে জড়িয়ে গেল। "আহঃ আহ্হঃ আহ্হঃ ..."

তৃষ্ণার চিৎকার পুরো ঘর কাঁপিয়ে দিলো। প্রিয়াঙ্কা মুখ না

সরিয়েই সবটা টেনে নিলো, গলায় নামিয়ে দিলো। কিছু

ফোঁটা তার গাল বেয়ে নিচে পড়লো।




এমন সময় হঠাৎ বাইরে গাড়ির হর্ন বেজে উঠলো। দুজনের

শরীর শক্ত হয়ে গেলো। প্রিয়াঙ্কা তৃষ্ণাকে ধাক্কা দিয়ে ছুড়ে

ফেলে দিলো, "আমার মা-বাবা!" তৃষ্ণা বিছানা থেকে গড়িয়ে

পড়লো, তার মুখে এখনও প্রিয়াঙ্কার তরল লেগে আছে।

প্রিয়াঙ্কা লাফিয়ে উঠে নিজের কাপড় খুঁজতে লাগলো,

"ওইখানে! আমার ব্রা!" তৃষ্ণা হাঁপাতে হাঁপাতে উঠে দাঁড়ালো,

তার জামা কোথায়? গাড়ির দরজা বন্ধ হওয়ার শব্দ হল

বাইরে।



প্রিয়াঙ্কার হাত কাঁপছে—সে তৃষ্ণার স্কার্ট ছুঁড়ে দিলো, "পর!

পর দ্রুত!" তৃষ্ণা নিজের আন্ডারওয়্যার খুঁজে পাচ্ছে না।

বাইরে চাবি লাগানোর শব্দ। প্রিয়াঙ্কা নিজের টিশার্টটা

উল্টো পরতে গিয়ে গলায় আটকে গেল, "আরে বাপ রে!"

তৃষ্ণা লাফিয়ে লাফিয়ে নিজের প্যান্টি পরলো, তার এক পা

এখনও ফাঁকা। প্রধান দরজা খুলে যাওয়ার শব্দ।





"মা?" প্রিয়াঙ্কার কণ্ঠে ভাঙা হাসি। তৃষ্ণা জানালার পর্দা

টেনে দিলো। রান্নাঘর থেকে প্লাস্টিকের ব্যাগের খসখস

শব্দ। প্রিয়াঙ্কার মায়ের গলার স্বর শোনা গেল, "ঘরে কে

আছিস?" তৃষ্ণা নিজের জামার বোতাম লাগাতে গিয়ে ভুল

বোতামে লাগালো। প্রিয়াঙ্কা বিছানার চাদর টেনে ঢাকতে

গিয়ে দেখলো—একটা কন্ডোমের র্যাপার জ্বলজ্বল

করছে। সে তা নিজের মুঠোয় চেপে ধরলো।




প্রিয়াঙ্কার মা দরজার বাইরে, "দরজা বন্ধ করে রেখেছিস

কেন?" তৃষ্ণা চোখ বড় করে প্রিয়াঙ্কার দিকে তাকালো।

প্রিয়াঙ্কা দরজার দিকে এগিয়ে গেলো, "আসছি মা!" বলে সে

তৃষ্ণাকে ইশারা করলো—বাথরুমে লুকোও। তৃষ্ণা পায়ের

আঙুলে ভর দিয়ে চলতে গিয়ে পিছলে পড়ে গেলো।

বিছানার চাদর থেকে তৃষ্ণার লিপস্টিকের দাগ স্পষ্ট।




প্রিয়াঙ্কার মা হাত দিয়ে দরজা ঠেলতেই প্রিয়াঙ্কা নিজের

শরীর দিয়ে বাধা দিলো, "এক মিনিট মা!" তৃষ্ণা বাথরুমের

দরজা খুঁজে পাচ্ছে না। প্রিয়াঙ্কার বইয়ের স্ট্যাক থেকে

নোটবুক পড়ে গেলো—কালো ফাইলের পাতা ছড়িয়ে

পড়লো মেঝেতে। দরজার চেইন খুলে গেলো।




প্রিয়াঙ্কার মা ঘরে ঢুকতেই তৃষ্ণা নিজের স্কার্টের পকেটে

হাত ঢুকিয়ে মোবাইল বের করার ভান করলো, "আঙ্কেল-

আন্টি, আমি যাচ্ছি!" প্রিয়াঙ্কার বাবা চশমার ফ্রেম ঠেলে

তাকালেন, "এত গরমে ঘর বন্ধ করে রেখেছিস?" প্রিয়াঙ্কার

গলা শুকিয়ে গেছে—তার মায়ের চোখ এখন বিছানার

রুমালের দিকে, যেটা একটু আগেও তৃষ্ণার মুখ মুছতে

ব্যবহার করা হয়েছিল। "ফ্যানটা খারাপ হয়ে গেছে,"

প্রিয়াঙ্কা হাসতে হাসতে বলল, নিজের পায়ের আঙুল দিয়ে

মেঝেতে পড়ে থাকা কন্ডোমের র্যাপারটা লাথি মেরে

 বিছানার নিচে ঠেলে দিল।



তৃষ্ণার গাল এখনও গরম, তার টপের বোতাম ভুল

 জায়গায় লাগানো। প্রিয়াঙ্কার মা হঠাৎ হাসলেন, "তোমরা

 দুজনে পড়ছ না?" বইয়ের পাতা ছড়ানো দেখে তার চোখে

 গর্ব। তৃষ্ণা জোড় করে কাশি দিয়ে বলল, "পরীক্ষার

 প্রিপারেশন..." প্রিয়াঙ্কার বাবা ফ্রিজ খুলে ঠাণ্ডা জল

 ঢাললেন, "এত রাগ করে পড়িস কেন? মুখগুলো লাল হয়ে

 গেছে!" তৃষ্ণার চোখ প্রিয়াঙ্কার দিকে—সে যেন হাঁসফাঁস

 করছে। প্রিয়াঙ্কার মা বিছানার চাদরটা টান দিলেন, "এই

চাদরটা কিনতে হবে..." তৃষ্ণার নিশ্বাস আটকে গেল—

চাদরের কোণায় তার লিপস্টিকের দাগ।




প্রিয়াঙ্কা ঝটপট বলল, "কাল রাতে আইসক্রিম খেয়ে

ফেলেছিলাম!" তার মা নাক কুঁচকালেন, "ঘরটার গন্ধ

একটু..." তৃষ্ণা নিজের হাতের তালু ঘ্রাণ শুঁকল—প্রিয়াঙ্কার

যোনির গন্ধ এখনও তার আঙুলে লেগে আছে। প্রিয়াঙ্কার

বাবা জানালা খুলে দিলেন, "তোমরা মেয়েরা এত পারফিউম

ব্যবহার কর কেন?" সূর্যের আলোয় ঘরের ধুলো উড়ল—

কন্ডোমের র্যাপারটা বিছানার নিচ থেকে একটু বেরিয়ে

এল। তৃষ্ণা লাফ দিয়ে দাঁড়াল, "আমি একটা কল পেয়েছি!"

বলে সে র্যাপারটা পায়ের তলায় চেপে ধরে টেনে নিয়ে

নিজের পকেটে পুরল। প্রিয়াঙ্কার মা বিছানার চাদর ঝেড়ে

বললেন, "এই চাদরটা ধোয়া দরকার।"




তৃষ্ণার জামার পকেট থেকে হঠাৎ ফোনের ভাইব্রেশন

বাজতে শুরু করলো। সে তড়িঘড়ি ফোনটা বের করে

দেখল—সৌমিকের কল। প্রিয়াঙ্কার মা বিছানার চাদর

ঝাড়তে ঝাড়তে বললেন, "কে ফোন দিল?" তৃষ্ণা মুখে

জরুরি ভাব এনে বলল, "আমার মা!" প্রিয়াঙ্কার চোখ

সন্দেহে সংকুচিত হলো, কিন্তু তৃষ্ণা ইতিমধ্যেই ফোনটা

কানে ঠেকিয়ে বলল, "হ্যাঁ মা? হ্যাঁ... এখনই আসছি।"




প্রিয়াঙ্কার বাবা জলখাবারের প্যাকেট নিয়ে বললেন, "এত

তাড়া কি?" তৃষ্ণা ফোন নামিয়ে একদম অভিনয় ব্যস্ত ভাব

দেখালো, "আঙ্কেল, মা বললেন বাড়িতে অতিথি এসেছেন,

এখনই ফিরতে হবে!" প্রিয়াঙ্কার ঠোঁট কামড়ে ধরলো—সে

জানতো তৃষ্ণার মা আজ কলকাতায়। তৃষ্ণা নিজের ব্যাগ

ঝটপট গুছিয়ে নিলো, স্কার্টের পকেটে হাত দিয়ে নিশ্চিত

হলো কন্ডোমের র্যাপারটা আছে। প্রিয়াঙ্কার মা বললেন,

"একটা নাস্তা করে যাও না?"




তৃষ্ণা প্রিয়াঙ্কার বাবা-মায়ের সামনে অভিনয়টা শেষ করেই

দ্রুত বেরিয়ে এলো। দরজার বাইরে এসেই সে হাঁপ ছেড়ে

বাঁচলো—গায়ে এখনও প্রিয়াঙ্কার ঘামের গন্ধ। স্কুল ব্যাগটা

কাঁধে টেনে নিতে গিয়ে সে টের পেলো, ব্যাগের ভেতর

থেকে কন্ডোমের প্যাকেট বেরিয়ে আছে। তড়িঘড়ি সেটা

পকেটে পুরে নিলো।





চলবে.............. 

 

Post a Comment

0 Comments

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন। ×