Bondhutter Golpo ( part:01)

 

বন্ধুত্বের গল্প
লেখক : Aniketroy007
পর্ব :০১

------------------------


 "এই গরমে ক্লাস করতে যাওয়ার কোন মানে হয়?" রাহুল

ফ্যানের নিচে গা এলিয়ে দিয়ে বলল। তার শার্টের বোতাম

দুটো খোলা, গায়ে একফোঁটা ঘাম জমে আছে।

সব গুলো পর্বের লিংক


অর্জুন হাসতে হাসতে বলল, "মানে হয় না। তুই যদি সত্যি

বলতে চাস, তাহলে আজকে আমাদের কারও ক্লাসে

যাওয়ার দরকার নেই।" সে জানালার দিকে তাকিয়ে ছিল,

যেখানে সূর্যের আলোটা একটু বেশিই তেতে উঠেছে।




দুই বন্ধুর কথার মধ্যে হঠাৎই শোনা গেল দ্রুত পায়ের শব্দ।

দরজা ঠেলে ঢুকে পড়ল প্রিয়াঙ্কা আর তৃষ্ণা, দুজনের গালে

একটু লালচে ভাব, যেন দৌড়েই এসেছে। প্রিয়াঙ্কা হাঁপাতে

হাঁপাতে বলল, "আজকে তো ল্যাব বন্ধ, সবাই চলে গেছে!

আমরা কি করব বলো?"




তৃষ্ণা চোখ টিপে বলল, "কিছু একটা মজার প্ল্যান করতে

পারি না?" তার কণ্ঠে একটু চাপা উত্তেজনা লুকিয়ে ছিল।

অর্জুন আর রাহুল একে অপরের দিকে তাকাল, কোনও

কথাই বলল না, কিন্তু চোখে চোখে যেন একটা অদ্ভুত

বোঝাপড়া হয়ে গেল।




ঘরটা একটু নিস্তব্ধ হয়ে গেল। শুধু ফ্যানের ঘূর্ণনের শব্দ

আর বাইরে থেকে আসা দূরের কোনও ক্লাসের শিক্ষকের

গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। প্রিয়াঙ্কা হঠাৎই রাহুলের পাশে বসে

পড়ল, আর তার হাতটা একটু হালকা করে রাহুলের

থাইয়ে রাখল। কেউ কিছু বলল না, কিন্তু সবার মুখেই

একটু হাসি দেখা দিল।





তৃষ্ণা অর্জুনের দিকে এগিয়ে গেল। তার আঙুলগুলো

অর্জুনের শার্টের খোলা বোতামের ফাঁক দিয়ে ভেতরে ঢুকে

পড়ল। অর্জুনের শ্বাস একটু দ্রুত হয়ে এল। সে তৃষ্ণার

কোমরটা জড়িয়ে ধরে বলল, "আজকে কিছুটা অন্যরকম

করে খেলবো ?"




প্রিয়াঙ্কা রাহুলের কানে কানে ফিসফিস করে বলল,

"চল... আজকে ল্যাব বন্ধ, কেউ আসবে না।" তার কথা

শেষ হতে না হতেই রাহুল উঠে দাঁড়াল, আর প্রিয়াঙ্কাকে

টেনে নিয়ে দরজার দিকে এগোতে লাগল। অর্জুন আর

তৃষ্ণাও পিছনে পিছনে চলল। করিডোরে কেউ ছিল না, শুধু

টাইম টেবিলের কাগজগুলো হালকা বাতাসে নড়ছে।




ফাঁকা দেখে একটা রুমে ঢোকার পরই রাহুল প্রিয়াঙ্কা কে

ধরে ফেলল। দুজনের ঠোঁট জড়িয়ে গেল উত্তপ্ত ভাবে। তৃষ্ণা

আর অর্জুনও পিছনে থেকে আসছিল, আর তাদের

জড়াজড়ি হতে দেখে তৃষ্ণা হেসে উঠল, "ওদের দেখে

আমারও ইচ্ছে করছে!" বলে সে অর্জুনের শার্টটা টেনে

খুলে ফেলল।




ঘরের মধ্যে এখন শুধু শ্বাসের দ্রুত গতি আর কাপড় খুলে

ফেলার শব্দ। প্রিয়াঙ্কা রাহুলের প্যান্টের জিপার টেনে

নামিয়ে দিল, আর রাহুলও তাকে উল্টো করে একটা

বেঞ্চের ওপর ফেলে দিল। তৃষ্ণা অর্জুনকে ধাক্কা দিয়ে

ফেলে নিজেই উপরে চড়ে বসল। ঘরটা গরম হয়ে উঠছিল,

শরীরের ঘামে চটচটে হয়ে আসছিল সব।




ঠিক তখনই দরজায় কড়া একটা ঠকঠক শব্দ। সবাই

থমকে গেল। কে? অর্জুন একটু বিরক্ত হয়ে বলল, "কে

রে?" উত্তর এল পরিচিত গলায়, "ওরে, দরজা খোল! আমি

সৌমিক!" রাহুল আর প্রিয়াঙ্কা একে অপরের দিকে

তাকাল। সৌমিক, তাদের তৃতীয় বন্ধু, যে আজকের ল্যাবে

ছিল না বলে কেউই তাকে খুঁজছে না।




প্রিয়াঙ্কা দ্রুত উঠে দরজা খুলে দিল। সৌমিক ঢুকে পড়ল,

তার হাতে একটা বড় প্যাকেট। সে বলল, "মেস থেকে

একটু বিরক্ত লাগছিল, তাই ভাবলাম..." কথা শেষ হওয়ার

আগেই সে ঘরের অবস্থা দেখে থমকে গেল। তৃষ্ণা অর্জুনের

উপর বসে, শার্ট খুলে ফেলেছে। রাহুলের প্যান্ট নামানো।

প্রিয়াঙ্কার জামাও খুলে গেছে।




সৌমিকের মুখে একটু হাসি খেলে গেল, "আরে, আমি কি

ভুল সময়ে চলে এলাম?" রাহুল হাসল, "না, তুই ঠিক

সময়েই এসেছিস।" প্রিয়াঙ্কা সৌমিকের হাত ধরে টেনে নিয়ে

বলল, "আসলে আমরা তোকে খুঁজছিলামই।" সৌমিকের

চোখ টা চকচক করে উঠল, "সত্যি?"




অর্জুন উঠে দাঁড়িয়ে সৌমিকের প্যাকেটটা হাতে নিল, "এটা

কি?" সৌমিক হাসল, "ওটা কিছু কন্ডোম আর লুব।

ভাবলাম আজকে কোনো প্ল্যান হলে..." তৃষ্ণা হেসে উঠল,

"তোর মাথায় সব সময় শুধু এই চিন্তা!" বলে সে সৌমিকের

শার্টের বোতাম খুলতে লাগল।




প্রিয়াঙ্কার শরীরটা ছিল একটু মসৃণ, গায়ের রং হালকা

গৌরবর্ণ। তার জামাটা আধখোলা, ভেতরে কালো লেসের

ব্রা দেখা যাচ্ছে। নিচে টাইট ফিটিং জিন্স, যা তার

গোলগাল পাছাটাকে বেশ সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।

তার কোমরটা একটু চিকন, কিন্তু নিতম্বটা বেশ মাংসল।




তৃষ্ণার শরীরটা একটু বেশি উর্বর, বুকটা বেশ ভারি। তার

লাল রঙের টপটা এখন অর্জুনের হাতে খুলে যাচ্ছে,

ভেতরে দেখা যাচ্ছে গোলাপি রঙের ব্রা। তার পেটটা একটু

নরম, নিচে ঢিলেঢালা স্কার্ট, যার ভেতর থেকে তার মোটা

উরু দেখা যাচ্ছে।






সৌমিক প্রিয়াঙ্কার দিকে তাকাল, তার চোখ যেন

জ্বলজ্বল করছে। প্রিয়াঙ্কা ধীরে ধীরে তার টপটা খুলে

ফেলল, "কেমন লাগছে?" সৌমিকের গলা শুকিয়ে গেল,

"খুব... খুব সুন্দর লাগছে।" রাহুল পিছন থেকে এসে

প্রিয়াঙ্কাকে জড়িয়ে ধরল, তার হাতটা প্রিয়াঙ্কার ব্রায় চেপে

ধরল।




তৃষ্ণা এবার অর্জুনকে ঠেলে বিছানায় ফেলে দিল, নিজে

উপরে চড়ে বসল। সে অর্জুনের প্যান্টের জিপার টানতে

লাগল, "এবার তোকে দেখাব আমি!" অর্জুনের শ্বাস দ্রুত

হয়ে উঠল, তার চোখ তৃষ্ণার ভারি বুকের দিকে আটকে

গেল। তৃষ্ণা ইচ্ছে করে ধীরে ধীরে তার ব্রাটা খুলল, আর

অর্জুনের মুখের দিকে ঝুঁকে বলল, "এত তাড়াতাড়ি হার

মানলে?" অর্জুনের হাত তৃষ্ণার কোমরে বাঁধা পড়ল, "আমি

হার মানিনি, তুই শুরু করেছিস, শেষ করতে পারবি তো?"




প্রিয়াঙ্কা এবার রাহুলকে ধরে নিয়ে গেল দেয়ালের ধারে,

তার হাত রাহুলের প্যান্টের ভেতরে ঢুকল, "তোর এত

আত্মবিশ্বাস ছিল, এখন চোখ বুজলি কেন?" রাহুল

প্রিয়াঙ্কার হাত আটকে দিল, "চোখ বুজিনি, তুই যা করছিস

সেটা দেখছি।" প্রিয়াঙ্কা হাসল, তারপর হঠাৎ রাহুলের

প্যান্ট টেনে নামিয়ে দিল, "দেখছিস তো? এবার কি করবি

বলো?" রাহুলের গাল লাল হয়ে উঠল, কিন্তু সে

প্রিয়াঙ্কাকে ধরে টেনে নিল, "তুইই শুরু করেছিস, শেষটাও

তোকেই করতে হবে।"




সৌমিক এখনও দাঁড়িয়ে দরজার কাছে, তার চোখ প্রিয়াঙ্কা

আর রাহুলের দিকে আটকে আছে। তৃষ্ণা হঠাৎ অর্জুনকে

ছেড়ে উঠে দাঁড়াল, সৌমিকের দিকে এগিয়ে গেল, "এত দূর

থেকে দেখছিস কেন? কাছে এসে দেখ না!" বলে সে

সৌমিকের শার্টের বোতাম খুলতে লাগল। সৌমিকের

গলায় আঙুল বুলিয়ে তৃষ্ণা বলল, "এত ভয় পাচ্ছিস কেন?

তুই তো আমাদের সাথে আগেও করেছিস।" সৌমিক একটু

কাঁপছিল, "ভয় পাইনি, আমি... আমি..." তৃষ্ণা হাসল, "তোর

কথা বন্ধ হয়ে গেল? ঠিক আছে, আমি সাহায্য করছি।"

বলে সে সৌমিকের প্যান্টের জিপার টেনে নামাল।





প্রিয়াঙ্কা এবার রাহুলকে ছেড়ে সৌমিকের দিকে এগিয়ে

গেল, দুজনে তাকে ঘিরে ধরল। প্রিয়াঙ্কা সৌমিকের কানে

ফিসফিস করে বলল, "আমাদের দুজনকে একসাথে

হ্যান্ডেল করতে পারবি তো?" সৌমিকের চোখ বড় হয়ে

গেল, "একসাথে?" তৃষ্ণা হাসল, "হ্যাঁ, একসাথে। তুই চাইছিস

না?" সৌমিকের জবাব দিতে না দিতেই প্রিয়াঙ্কা তাকে চুমু

খেল, আর তৃষ্ণা পিছন থেকে তার শার্ট টেনে খুলে ফেলল।






অর্জুন উঠে দাঁড়াল, "আমাকে কেউ মনে রাখছে না?" তৃষ্ণা

পিছন ফিরে হাসল, "তুই অপেক্ষা কর, এখন তোর পালা।"

প্রিয়াঙ্কা সৌমিককে ঠেলে বেঞ্চের ওপর ফেলে দিল, তার

উপর চড়ে বসে বলল, "আমরা আজকে কিছু নতুন ট্রাই

করব।" সৌমিকের শ্বাস দ্রুত হয়ে উঠল, তার হাত

প্রিয়াঙ্কার কোমরে বাঁধা পড়ল।




তৃষ্ণা রাহুলের দিকে এগিয়ে গেল, তার শার্টের

বোতামগুলো খুলতে খুলতে বলল, "তুই আজকে কিছু

শিখবি, ঠিক আছে?" রাহুল হাসল, "শেখানোর চেষ্টা কর,

দেখি কতদূর যেতে পারিস।" তৃষ্ণা হঠাৎ রাহুলের প্যান্ট

টেনে নামিয়ে দিল, "এত আত্মবিশ্বাস? দেখি কতক্ষণ

থাকে।" রাহুল তৃষ্ণাকে ধরে টেনে নিল, "তোর কথাগুলো

মনে রাখব।"




অর্জুন এবার প্রিয়াঙ্কার পাশে এসে দাঁড়াল, তার হাত

প্রিয়াঙ্কার পিঠে বুলিয়ে দিল, "আমার পালা কবে?" প্রিয়াঙ্কা

পিছন ফিরে হাসল, "তুই এত অস্থির কেন?" অর্জুনের হাত

প্রিয়াঙ্কার ব্রায় চেপে ধরল, "তুই আমাকে অপেক্ষা

করাচ্ছিস বলেই।" প্রিয়াঙ্কা আস্তে আস্তে সৌমিককে ছেড়ে

উঠে দাঁড়াল, অর্জুনের দিকে এগিয়ে গেল, "তাহলে অপেক্ষা

করাও বন্ধ কর।"


 


তৃষ্ণা রাহুলকে ঠেলে মেঝেতে ফেলে দিল, নিজে উপরে

চড়ে বসল, "এবার দেখি কে হার মানে।" রাহুলের হাত

তৃষ্ণার উরুতে বুলিয়ে গেল, "তুই শুরু করেছিস, শেষ

করবে কে?" তৃষ্ণা রাহুলের শার্ট টেনে খুলে ফেলল, "শেষ

করবি তুইই, যদি পারিস।" রাহুলের শ্বাস দ্রুত হয়ে উঠল,

তার চোখ তৃষ্ণার ভারি বুকের দিকে আটকে গেল। তৃষ্ণা

ইচ্ছে করে ধীরে ধীরে তার ব্রাটা খুলল, আর রাহুলের

মুখের দিকে ঝুঁকে পড়ল, রাহুলের হাত তৃষ্ণার কোমরে

বাঁধা পড়ল।




এদিকে প্রিয়াঙ্কা অর্জুনকে ধরে নিয়ে গেল দেয়ালের ধারে,

তার হাত অর্জুনের প্যান্টের ভেতরে ঢুকল, "তোর এত

আত্মবিশ্বাস ছিল, এখন চোখ বুজলি কেন?" অর্জুন

প্রিয়াঙ্কার হাত আটকে দিল, "চোখ বুজিনি, তুই যা করছিস

সেটা দেখছি।" প্রিয়াঙ্কা হাসল, তারপর হঠাৎ অর্জুনের

প্যান্ট টেনে নামিয়ে দিল, "দেখছিস তো? এবার কি করবি

বলো?" অর্জুনের গাল লাল হয়ে উঠল, কিন্তু সে

প্রিয়াঙ্কাকে ধরে টেনে নিল, "তুইই শুরু করেছিস, শেষটাও

তোকেই করতে হবে।"




প্রিয়াঙ্কার আঙুলগুলো রাহুলের শার্টের শেষ বোতামটি

খুলে দেয়, কাপড়টা তার কাঁধ থেকে হালকা করে পিছলে

পড়ে। তার গায়ের রং সামান্য গোলাপি, পাতলা ঘামে ভেজা

ত্বক কাচের মত চকচকে। তার পেটটা সমতল, নাভির

নিচে হালকা করে বক্র একটা লাইন। রাহুলের হাত

প্রিয়াঙ্কার পিঠে স্লিপ করে নেমে যায়, তার ব্রার হুকটা

খুলে ফেলে। কালো লেসের ব্রাটা মেঝেতে পড়তেই

প্রিয়াঙ্কার ভারি বুক দুটো মুক্ত হয়ে ওঠে, গোলাপি

বোঁটাগুলো শক্ত হয়ে আছে উত্তেজনায়।




তৃষ্ণা সৌমিকের শার্টের শেষ বোতাম খোলার সময় হঠাৎ

টান দেয়, কাপড়টা ফেটে যায় একটু। সৌমিকের প্রশস্ত

বুক, পেশীবহুল পেট—মেসের নিয়মিত জিম করার ছাপ

স্পষ্ট। তৃষ্ণার আঙুলগুলো তার প্যান্টের বেল্ট খুলতে গিয়ে

হঠাৎ থেমে যায়, "এত তাড়া কেন? ধীরে করলে মজা

বেশি।" বলে সে সৌমিকের প্যান্টের জিপার নামায় ধীরে

ধীরে, ভেতরে কালো বক্সার দেখা যায়, যা ইতিমধ্যে টাইট

হয়ে গেছে।





প্রিয়াঙ্কা অর্জুনকে দেয়ালের সাথে চেপে ধরে তার প্যান্টের

বোতাম খুলছে, এক হাতে তার চুল ধরে টেনে রাখে।

অর্জুনের শরীরটা একটু রোগা, কিন্তু পিঠের পেশী স্পষ্ট।

প্রিয়াঙ্কার নখগুলো তার পিঠে আঁচড় কাটে, "তোর শরীর

দেখে মনে হচ্ছে তুই সত্যিই অপেক্ষা করছিলিস।" অর্জুনের

প্যান্ট মেঝেতে পড়ে গেলে দেখা যায় তার উরুগুলো শক্ত,

বক্সারের ফাঁক দিয়ে কিছুটা উঁকি দিচ্ছে। প্রিয়াঙ্কা হঠাৎ

নিচু হয়ে তার বক্সারের কাঁটায় দাঁত দিয়ে টান দেয়, "এবার

পুরোটা খুলে ফেল।"





এদিকে তৃষ্ণা রাহুলের শার্টের শেষ বোতাম খুলে তার


বুকের লোমগুলো হাত দিয়ে উল্টেপাল্টে দেখছে। রাহুলের

শরীরটা গম্ভীর রঙের, পেটে একটা ছোট দাগ—শৈশবের

অপারেশনের চিহ্ন। তৃষ্ণার আঙুল সেখানে স্পর্শ করতেই

রাহুল শিউরে ওঠে। "ভয় পাচ্ছিস?" তৃষ্ণা ঠোঁট কামড়ায়।

রাহুলের হাত তৃষ্ণার স্কার্টের ভাঁজে ঢুকে একটানে টেনে

নামায়, "ভয় পাবার কিছু নেই, তোকে দেখেই তো পুরো

অবস্থা।" তৃষ্ণার নিতম্বের চামড়া হালকা গোলাপি, টাইট

ফিটিং প্যান্টির রেখা স্পষ্ট।






সৌমিক এখনও দরজার কাছেই দাঁড়িয়ে, তার শার্ট সম্পূর্ণ

খুলে গেছে। তৃষ্ণা পিছন থেকে এসে তার প্যান্টের বেল্ট

টেনে নামায়, "এত লজ্জা কেন? তুই তো আমাদের সবাইকে

আগেও দেখেছিস।" সৌমিকের প্যান্ট পড়ে যায়, ভেতরে

কালো বক্সার দেখে প্রিয়াঙ্কা হাসে, "ওটা তো প্রায় ফেটে

যাবে!" সৌমিকের উরু ভারি, পায়ের পেশী টানটান। তৃষ্ণা

হঠাৎ নিচু হয়ে তার বক্সারের উপর চুমু খায়, সৌমিকের

শ্বাস আটকে যায়।




রাহুল এখন সম্পূর্ণ নগ্ন, তার দেহে ঘামের ফোঁটা চিকচিক

করছে। প্রিয়াঙ্কা তাকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে তার

বুকের ওপর হাত বুলোয়, "তোর শরীরটা ঠিক যেন মূর্তির

মত।" রাহুলের হাত প্রিয়াঙ্কার নিতম্বে চাপ দেয়, "আর

তোরটা দেখে মনে হয় মাখনের মত নরম।" প্রিয়াঙ্কার ব্রা

খুলে যাওয়ায় তার ভারি বুক দুটো নিচে নেমে এসেছে,

বোঁটাগুলো গাড় গোলাপি। রাহুলের আঙুল সেখানে স্পর্শ

করতেই প্রিয়াঙ্কা গোঙায়। সে হঠাৎ নিচু হয়ে রাহুলের লিঙ্গ

মুখে নেয়, ধীরে ধীরে চুষতে থাকে। রাহুলের চোখ বন্ধ

হয়ে যায়, "আহ্হঃ ... এইটা..."





তৃষ্ণা অর্জুনকে বিছানায় শুইয়ে নিজে উপরে বসে তার

প্যান্টের ভেতরে হাত ঢুকায়, "তুই চুপ করে শুয়ে থাক,

আমি সব দেখাশোনা করছি।" অর্জুনের লিঙ্গ শক্ত হয়ে

উঠেছে, তৃষ্ণা তা বের করে নিয়ে মুখে পুরে দেয়। তার ঠোঁট

গোল করে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চুষতে থাকে, মাঝে মাঝে জিভ

দিয়ে ডগা থেকে গোড়া পর্যন্ত চেটে দেয়। অর্জুনের শ্বাস

দ্রুত হয়ে আসে, "আরে... তুই..."




এদিকে প্রিয়াঙ্কা রাহুলকে দাঁড় করিয়ে তার লিঙ্গ চুষতে

থাকে, এক হাতে নিজের ভারি বুক চেপে ধরে। রাহুলের

হাত প্রিয়াঙ্কার চুলে জড়িয়ে ধরে তার মুখে জোরে জোরে

ঠেলতে থাকে। প্রিয়াঙ্কার জিভ লিঙ্গের নিচে ঘুরে ঘুরে

চাটে, বোঁটা থেকে এক ফোঁটা তরল বের হয়, তা সে লেহন

করে নেয়। "এবার আমার পালা," বলে রাহুল প্রিয়াঙ্কাকে

উল্টো করে বিছানায় ফেলে তার প্যান্টি টেনে নামায়।




তৃষ্ণা অর্জুনের পিঠ উল্টিয়ে দেয়, তার নিতম্বের ফাঁকে

জিভ চালাতে শুরু করে। অর্জুন গোঙাতে গোঙাতে বিছানা

চেপে ধরে, তৃষ্ণার জিভ তার গুহ্যদ্বারে ঘুরে বেড়ায়।

প্রিয়াঙ্কা রাহুলের মুখে নিজের নিতম্ব চেপে ধরে, "এবার

তুই কর।" রাহুলের জিভ প্রিয়াঙ্কার নিতম্বের ফাঁকে ঢুকে

পড়ে, সে হাত দিয়ে প্রিয়াঙ্কার যোনি খুলে ধরে।




সৌমিক এখনও দরজার কাছে দাঁড়িয়ে, তৃষ্ণা তাকে টেনে

নিয়ে আসে। "এবার তোর পালা," বলে তৃষ্ণা সৌমিকের

বক্সার নামিয়ে তার লিঙ্গ মুখে পুরে দেয়। সৌমিকের মাথা

পেছনে হেলে যায়, তার উরু কাঁপতে থাকে। তৃষ্ণা এক হাতে

সৌমিকের অণ্ডকোষ মালিশ করে, অন্য হাতে নিজের স্কার্ট

তুলে ধরে। প্রিয়াঙ্কা উঠে এসে তৃষ্ণার স্কার্ট খুলে ফেলে,

তার টাইট ফিটিং প্যান্টিতে ভেজা দাগ দেখা যায়।




রাহুল প্রিয়াঙ্কাকে উল্টো করে তার পিঠের ভাজে জিভ

চালায়, প্রিয়াঙ্কা গোঙায়। অর্জুন উঠে এসে তৃষ্ণার পিঠে চুমু

খায়, তার হাত তৃষ্ণার স্তন ম্যাসাজ করে। সৌমিক তৃষ্ণাকে

ধরে নিয়ে বিছানায় ফেলে, তার পা দুটো কাঁধে তুলে নেয়।

তৃষ্ণার যোনি পুরোপুরি খোলা পড়ে আছে, সৌমিক তার

লিঙ্গটা ধীরে ধীরে ভেতরে ঢুকিয়ে দেয়। তৃষ্ণা চিৎকার

করে ওঠে, "আরে... ধীরে...!" সৌমিক ধীরে ধীরে নড়াচড়া

শুরু করে, তৃষ্ণার হাত বিছানা চেপে ধরে।




প্রিয়াঙ্কা রাহুলকে টেনে নিয়ে তার মুখের উপর বসে, তার

যোনি রাহুলের মুখের উপর ঠেকিয়ে দেয়। রাহুলের জিভ

প্রিয়াঙ্কার যোনিতে ঢুকে যায়, সে প্রিয়াঙ্কার ক্লিটোরিস

চোষে। প্রিয়াঙ্কার শরীর কাঁপতে থাকে, তার হাত রাহুলের

চুলে জড়িয়ে ধরে। অর্জুন তৃষ্ণার স্তন চুষতে থাকে, তার

হাত তৃষ্ণার কোমরে বাঁধা পড়ে। তৃষ্ণা সৌমিকের পিঠে নখ

আঁচড় দেয়, "আরে... আরো জোরে...!" সৌমিকের গতি

বাড়তে থাকে, তৃষ্ণার শরীর ঠেলে উঠতে থাকে ।




রাহুল প্রিয়াঙ্কাকে উঠিয়ে নিয়ে দেয়ালের সাথে ঠেসে ধরে,

তার লিঙ্গ প্রিয়াঙ্কার যোনিতে ঢুকিয়ে দেয়। প্রিয়াঙ্কা

চিৎকার করে, "আরে... একদম ভেতরে...!" রাহুলের হাত

প্রিয়াঙ্কার কোমরে বাঁধা পড়ে, সে জোরে জোরে ঠেলতে

থাকে। প্রিয়াঙ্কার স্তন দুলতে থাকে, তার মাথা পেছনে

হেলে যায়। অর্জুন উঠে এসে প্রিয়াঙ্কার স্তন চুষে, তার হাত

প্রিয়াঙ্কার পেটে বুলিয়ে দেয়।






তৃষ্ণা সৌমিককে উপরে টেনে নিয়ে তার মুখে চুমু খায়,

তারপর তাকে উল্টো করে মেঝেতে ফেলে। তৃষ্ণা উপরে

বসে সৌমিকের লিঙ্গ নিজের যোনিতে ঢুকিয়ে নেয়, সে

ধীরে ধীরে উপরে নিচে নড়তে শুরু করে। সৌমিকের হাত

তৃষ্ণার স্তনে চেপে ধরে, তৃষ্ণার শরীর ঠেলে উঠতে থাকে।

রাহুল প্রিয়াঙ্কাকে ধরে নিয়ে বেঞ্চে ফেলে, তার পা দুটো

কাঁধে তুলে নেয়। প্রিয়াঙ্কার যোনি পুরোপুরি খোলা পড়ে

আছে, রাহুল জোরে জোরে ঠেলতে থাকে। প্রিয়াঙ্কা

চিৎকার করে, "আহ্হঃ ... আরো...!"




অর্জুন উঠে এসে তৃষ্ণার পিঠে চুমু খায়, তার হাত তৃষ্ণার স্তন

ম্যাসাজ করে। তৃষ্ণা সৌমিকের উপর দোল খেতে খেতে

অর্জুনের দিকে তাকায়, "এবার তুই...!" অর্জুন তৃষ্ণার পিঠের

দিকে এসে দাঁড়ায়, তার লিঙ্গ তৃষ্ণার গুহ্যদ্বারে ঠেকিয়ে

দেয়। তৃষ্ণা গোঙায়, "আরে... একটু ধীরে...!" অর্জুন ধীরে

ধীরে ভেতরে ঢুকতে থাকে, তৃষ্ণার শরীর কাঁপতে থাকে।






প্রিয়াঙ্কা রাহুলের নিচে ধাক্কা খেতে খেতে অর্জুনের দিকে

তাকায়, তার চোখে জল। অর্জুন প্রিয়াঙ্কার দিকে হাত

বাড়িয়ে দেয়, প্রিয়াঙ্কা তার আঙুল জড়িয়ে ধরে। রাহুলের

গতি বাড়তে থাকে, প্রিয়াঙ্কার স্তন দুলতে থাকে, তার মুখ

বিকৃত হয়ে যায় আনন্দে। রাহুল হঠাৎ থামে, তার শ্বাস

দ্রুত হয়ে যায়, "আমি... আমি..." প্রিয়াঙ্কা তাকে জড়িয়ে ধরে,

"কর, সব কর..." রাহুলের শরীর কাঁপতে থাকে, সে

প্রিয়াঙ্কার ভেতরে রিলিজ করে দেয়।




তৃষ্ণা সৌমিকের উপর কাঁপতে থাকে, অর্জুন তার পিঠে

ধাক্কা দেয়। তৃষ্ণার চোখ রোল করে যায়, তার মুখ থেকে

লালা ঝরে পড়ে। সৌমিকের শরীর শক্ত হয়ে যায়, সে

তৃষ্ণার ভেতরে রিলিজ করে। অর্জুনও একটু পরেই রিলিজ

করে, তৃষ্ণার পিঠের উপর পড়ে যায়। সবাই নিস্তব্ধ হয়ে

যায়, শুধু শ্বাসের দ্রুত শব্দ শোনা যায়।




প্রিয়াঙ্কা উঠে বসে, তার শরীর ঘামে ভেজা। সে রাহুলের

মুখের দিকে তাকায়, হাসে, "এখন ক্লাস করতে যাবি?"

রাহুল হাসে, "হ্যাঁ, যদি তুই আমার শার্টটা দিস।" তৃষ্ণা উঠে

বসে, তার চুল এলোমেলো। সে অর্জুনের দিকে তাকায়,

"এবার তুই হার মানলি?" অর্জুন হাসে, "না, তুই হার

মানলি।" সৌমিক উঠে বসে, তার হাতে এখনও কন্ডোমের

প্যাকেট। সে হাসে, "এখনো অনেক বাকি আছে।"




প্রিয়াঙ্কা উঠে দাঁড়ায়, তার শরীর এখনও কাঁপছে। সে

জানালার দিকে তাকায়, সূর্য এখনও তেতে আছে। তৃষ্ণা

উঠে এসে প্রিয়াঙ্কার পাশে দাঁড়ায়, "আরেক রাউন্ড?"

প্রিয়াঙ্কা হাসে, "তোর এখনো ইচ্ছে করছে?" তৃষ্ণা প্রিয়াঙ্কার

কোমড়ে হাত রাখে, "হ্যাঁ, যদি তুই রাজি থাকিস।" রাহুল

উঠে দাঁড়ায়, "আমরা সবাই রাজি।" অর্জুন হাসে, "তাহলে

শুরু করো।"

Post a Comment

0 Comments

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন। ×