Aslamer beshya da.kaminii (Part:01)


আসলামের বেশ্যা ডা.কামিনী

লেখক:Arko

পর্ব :০১


======================



চরিত্র পরিচিতি

কামিনী মুখোপাধ্যায়: গৃহিণী, বয়স ২৬,


ডাক্তার সুমিন মুখোপাধ্যায় :স্বামী, বয়স ৩০, ডাক্তার

আসলাম: বয়স ৫৩, টেম্পু ড্রাইভার

সব গুলো পর্বের লিঙ্ক





কামিনীকে অনেক ভালোবাসা ও স্নেহ দিয়ে ওর বাবা মা বড়ো

করেছিল। গার্লস স্কুলে শুরু করে মেডিকেল কলেজ কোথাও

ছেলেদের সাথে এতো মেলামেশা ছিলো না। এই মাত্র ২ বছর

আগেই সমীরের সাথে কামিনী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়।

নিজের স্বামীর সাথে ও সেক্সের ফাস্ট এক্সপেরিয়েন্স করে।

ওর জীবনে কোন কিছুর কমতি ছিল না। কিন্তু তাও জীবনে

কিছু কমতি ছিল যা ও অনুভব করত কিন্তু কি সেটা জানতো

না। ওর এডভেঞ্চার অনেক পছন্দ। ডা. কামিনী পেশায়

একজন সাইক্রিয়াটিস্ট। নানান ধরণের মানুষদের নিয়ে স্টাডি

করতে ওর বেশ লাগে।






কোনো একটা কাজে অনেক দূরের শহরে যেতে হয়েছে

কামিনীকে। যাওয়ার কথা ওর স্বামীর সাথে ছিলো, যে

শহরের অনেক নামকরা ডাক্তার। কিন্তু কোন এক কারণে ওকে

দেশের বাইরে যেতে হলো। তাই ওর জায়গায় কামিনী একাই

চলে গেল।





কামিনীর শহর আরেকটা শহর থেকে একটু দূরে। অন্য শহর

থেকে বের হতে কামিনের একটু রাত হয়ে গেল সাতটা বেজে

গিয়েছিল প্রায়। শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার এগিয়ে

যাওয়ার পর গাড়ি হুট করে বন্ধ হয়ে গেল। ওর শহর এখনো

প্রায় 40 কিলোমিটার দূরে ও ওর হাসবেন্ডকে কল করলো।




" সমীর আমার গাড়ি বন্ধ হয়ে গেছে আর অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে

আর আশেপাশে কোথাও কিছু নেই এখন আমাকে বল আমি

কি করবো?" " একটা কাজ কর ট্যাক্সি বা অটো যদি পাও

তাহলে উঠে পড়ো।" " ঠিক আছে আমি তোমাকে ফোনে

আপডেট দিয়ে থাকব কিন্তু গাড়ির কি করব ?"




" গাড়ি ওখানেই রেখে আসো সকালে কোন মেকানিককে

দিয়ে ওই গাড়িটা ঠিক করিয়ে নিয়ে আসবো। ঠিক মতো লক

করে এসো। ওকে?" "ওকে বাই।" "ওকে বাই টেক কেয়ার।"




কামিনী দেখতে অনেক সুন্দর। দেখলেই ধোনের পানি বেরিয়ে

যায়। একদম ফর্সা ও কালো ঘন চুল যা ওর পাছা পর্যন্ত

বড়ো। ৩৪-২৬-৩৬ সাইজ ওর। ঐদিন ও একটা ব্লাকলেস

স্লিভলেস ক্রিম ব্লাউজ পড়েছিল। ওপরে ক্রিম কালারের

একটা শাড়ি পড়েছিল। চুলগুলো খোলা ছিল। জুয়েলারির

নামে গলায় শুধু মঙ্গলসূত্র ছিল, হাতে লাল চুরি আর পায়ে

পায়েল ছিলো। মাথায় সিঁদুর কলাপে টিপ আর ঠোঁটে লাল

লিপস্টিক। আর একেবারে হালকা মেকআপ।





প্রায় এক ঘন্টা ওয়েট করার পরও কোন গাড়ি থামল না ।

মাঝে মাঝে দুইদিন না গাড়ি পাস করলেও কোনো গাড়ি

থামল না। ওই রাস্তাই আসলাম মালামাল ডেলিভারি দিয়ে

ফিরে আসছিল। তখনই রাস্তার মধ্যে ও এই "মাল" দেখলো।

কামিনী লিফটের জন্য হাত উঁচু করে দাঁড়িয়েছিল। ও

তাড়াতড়ি নিজের গাড়ি থামালো আর নেমে কামিনীর কাছে

গেলো। ও মাথা থেকে একবারে পা পর্যন্ত দেখে নিলো।


আসলাম লুঙ্গি ও জালির মতো একটা সেন্ডু গেঞ্জি পড়ে

ছিলো। ওর একটু পেট বেরিয়ে ছিলো। গায়ের রং ছিলো

শ্যামলা। ওর ছোট ছোট দাঁড়ি ছিলো।




"হ্যালো, কি হয়েছে? কোন সাহায্য চাই?" " হ্যাঁ ভাইয়া

আমার গাড়ি নষ্ট হয়ে গেছে আমি শহরে যাব অনেকক্ষণ ধরে

দাঁড়িয়ে আছি কিন্তু কেউ লিস্ট দিচ্ছে না যদি আপনি শহরে

যান তাহলে আপনি কি আমাকে একটু নিয়ে যেতে পারবেন? "




একটা হারামি হাসি দিয়ে আসলাম বললো, "হ্যা হ্যা কেন

নয়।" কামিনী ওর কথায় অবশ্য অসম্মান আর ওর হাসি

লক্ষ্য করলো। কিন্তু ওর আসলামকে একটা নতুন সাবজেক্ট

লাগলো। ওর মনে একটা নিম্নবিত্ত মানুষের মানসিকতা নিয়ে

গবেষণা করার ভাবনা এলো । ও কিভাবে কথা বলে?কিভাবে

ভাবে? কিন্তু এটা সম্ভবত একটা বড় ভুল হতে চলেছিল।




আসলাম ছিল অন্তত নিচু মানসিকতার একজন মানুষ। ও

যুবতী মেয়েদের খুব সখীন ছিল, বিশেষ করে বিবাহিত

নারীদের। আজ পর্যন্ত এতো সুন্দর নারী ও কখনো দেখিনি।

বেশ্যাদেরও চুদতে যেত, কিন্তু টাকা কম থাকার কারণে সস্তা

বেশ্যা গুলোই ওর কপালে জুটতো। ও এখন পর্যন্ত ২টা বিয়ে

করেছে। একজন রাজিয়া, যার বয়স ৫০ বছর আর দ্বিতীয়

সালমা যার বয়স ৩৫ বছর ।




কামিনী গাড়ি থেকে ওর মালামাল বের করল আর

গাড়িটাকে ভালো করে লক করে দিল। জখনা টেম্পুতে চড়তে

যাবে টেম্পুর হাইট আর ওর শাড়ির জন্য ও ঠিকমতো চড়তে

পারছিল না। আসলাম এইরকম সুযোগ কিভাবে ছাড়ে? ও

কামিনীর পিছনে গিয়ে দাঁড়ালো আর ওর কোমরে ধরে

ফেলল, ওকে সাপোর্ট দেওয়ার বাহানায়। কামিনী হুট করে

ভয় পেয়ে গেল। ওর জন্য এটা এটা ছিল প্রথম অভিজ্ঞতা

যেখানে ওর স্বামী ছাড়া কোনো পর পুরুষ ওকে স্পর্শ করেছে।

আসলাম এমন ভান করছিল যেন সে শুধু সাহায্য করছে।




" তুই উঠে পড় আমি ধরে আছি পড়তে দেব না তোকে। "




কামিনী, একটু শকড হয়ে গেল। আজ পর্যন্ত কেউ তাকে

এভাবে "তুই তুই" করে কথা বলেনি। সবাই তার সঙ্গে

সম্মানের সাথে কথা বলে। আর একটা টেম্পু ড্রাইভার তার

সাথে এমন ভাবে কথা বলছিল। কিন্তু সে তার ভাষাটা

উপেক্ষা করল। কামিনী এখন আসলামকে ভালো করে

পর্যবেক্ষণ করতে চাচ্ছিল।




কামিনী দ্রুত টেম্পুতে উড়তে যাচ্ছিল। কামিনী জোর দিল।

যখনই আমি নেটে উপরে উঠল আসলাম তাকে সাপোর্ট

দেওয়ার অজুহাতে ওর পাছায় হাত লাগালো। আসলামের

ধোনে হলচল শুরু হলো। (আসলাম মনে মনে " বাহ্ কি নরম

পাছা শালীর। আমার ধোনে একে আমি বসিয়েই ছাড়বো।

কিন্তু আমাকে অনেক দেখে এগুতে হবে সামনে।")




কামিনী গাড়িতে ওঠার পর আসলাম টেম্পু চালানো শুরু

করল। রাস্তায় যেতে যেতে ও চোরের মত কামিনীকে দেখতে

লাগলো। শাড়ির পাশে থেকে ওর দুধ ব্লাউসে বন্দি অবস্থায়

দেখা যাচ্ছিল। ওর অচল ঐ জায়গায় ছিলো না। শাড়ীর

মধ্যে দুধের সাইড ভিউ অনেক সিসি লাগছিলো। ওপরের

স্কিন টাইট, স্লিভলেস আর ক্রিম কালারের ব্লাউস। ওর ধোন

এখন নড়তে চড়তে শুরু করলো। কামিনীর ব্যাপারে সেক্সি

চিন্তা করে ওর অবস্থা খারাপ হতে শুরু করলো।


 


আসলাম কথা আগে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলো, শহর যেতে

আরো ১ থেকে দেড় ঘন্টা লাগবে। যা করতে হবে এই সময়ের

মধ্যেই করতে হবে । নইলে এতো সুন্দর গুদের গরম ভাব ওর

ধোন পর্যন্ত আসবে না। ও ভাবলো, (বেশি সময় নেই, শুরু

থেকেই একটু hot কথা বলবো, আর ধীরে ধীরে টপিকটা

বোল্ড করতে যাবো, যদি ও বেশি বাধা না দেয় তাহলে ওকে

আরো গরম করবো। যদি এই ধোনি পরিকে আমার ধোনের

নিচে শুয়াতে যাই তাহলে কিছু কৌশল খাটাতে হবে।)




আসলাম কথা শুরু করল – "আচ্ছা তো... তোর নাম কী?"

আসলাম কখনও সম্মানের সঙ্গে কথা বলা শিখে নি। খিস্তি

ছাড়া তার কথা পুরো হয়ই না। কিভাবে সে খিস্তি না করেও

নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করছিল, তা কেবল সে নিজেই জানত।




-"আমার নাম ডঃ কামিনী ।" -"অরে বাহ, তো তুই একজন

ডাক্তার! সত্যিই?" ডঃ কামিনী হেসে বলল: -"এতে কী 'বাহ'?

আপনি কি কখনও কোনো ডাক্তার দেখেননি?"




-"ডাক্তার তো অনেক দেখেছি। কিন্তু তোর মতো কেউ

দেখিনি। আমি তো তোকে কোনো মডেল ভাবেছিলাম।

তাছাড়া আজ পর্যন্ত এত সুন্দর কোনো ডাক্তার দেখিনি।"




-"ঠিক আছে, ঠিক আছে, ছেড়ে দিন। আপনি কি কারও সঙ্গে

সম্মানের সঙ্গে কথা বলেন না? এভাবে কেমন কথা বলেন?

তাছাড়া আমি মানসিক চিকিৎসক… সাইকিয়াট্রিস্ট।"




কামিনী মনে করল,আসলামের কথাগুলো কিছুটা অদ্ভুত এবং

অভদ্র ছিল, কিন্তু তাতেও ওর মজা লাগছিল। ও বুঝতে

পারছিল না, ও প্রতিবাদ করবে না নাকি সমর্থন করবে। ও

ভেবেছিল, কথোপকথনে কি খারাপ আছে? দেখা যাক, ও

আসলে কীভাবে এবং কী ভাবছে। কামিনীর জন্য এটা এক

ধরনের স্টাডি কেস ছিল।




"বাহ, তো ‘তুই একদম ঠিক’ আমার জন্য… আমি তোকেই

খুঁজছিলাম..!!"




আসলাম নিজের গুটি চালতে শুরু করল।




"আমি আপনার জন্য ঠিক ?? — মানে? "ওটা আসলে…

লোকজন বলে আমার নাকি কিছু মানসিক সমস্যা আছে…

বলে কোনো মনের ডাক্তারের কাছে দেখাতে… অনেকের

কাছেই দেখিয়েছি, কিন্তু কোনো লাভ হয়নি… কিন্তু তোকে

দেখে মনে হচ্ছে যে…" — আসলাম কথাটা মাঝপথেই থামিয়ে

দিল।




"যে কী?"




"কিছু না, ছেড়ে দে…"




"বলুন না…"




"… যে তুমিই আমার চিকিৎসা করতে পারো।"



আসলাম বড় নিঃশব্দ ভঙ্গিতে কামিনীকে দেখল। কামিনী

এখন আসলামের কেসটা জানতে চাচ্ছিল। সে সত্যিই তার

সাহায্য করতে চাচ্ছিল। আসলাম তাকে একদম নির্দোষ মনে

হচ্ছিল, তাই সন্দেহের কোনো প্রশ্নই ওঠেনি।




চলবে...........



 

Post a Comment

0 Comments

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন। ×