গল্প: পুরনো কথা (পার্ট:০৩-০৪)


মিঃ এক্স২০০২


পর্ব:০৩

----------------------


হোটেল গেট খোলার শব্দ নার্গিসের হাতে। বিকাল থেকে রাতের আঁধার কথা বলেছে,

 কিন্তু বাড়ির ভিতরে আরও গাঢ় অন্ধকার। 


সব পর্বের লিঙ্ক


নার্গিস সামনে দাঁড়াল—তার সামনে উদ্বেগ, কিন্তু কোনো কথা নেই। 

আমি খান চেষ্টা করলেন, তার উত্তরে বেগম, আর সবশেষে কয়নাত—সাদিয়াকে কোলে নিয়ে।

 সাদিয়া ঘুমিয়ে কোলে, তার ছোট সমস্যা সমাধানের ছাপ।
ঈশ্বরের জন্যে যেতে নার্গিস বন্ধ করে দিল। 

ঘর করি আলোক আলো, কিন্তু সেই আলোয় সবার মুখ ছায়াময়।

 কানাত একটা কথাও না বলে সোজা নিজের রুমের দিকে এগিয়ে গেল। 

তার পায়ের শব্দ ধীর, ভারী—ন প্রতিটা পদক্ষেপে স্বামীর রক্তের স্মৃতি স্মরণ করছে।
লায়লা বেগম নার্গিসের দিকে তাকালেন।

 তার কঠিন, কিন্তু এখনও কর্তৃত্বপূর্ণ।


"নার্গিস, সাদিয়াকে খাইয়ে দেব। তারপর ঘুম পাড়িয়ে দিস। আজ অনেক কেঁদেছে বেচারা।"


নার্গিস মাথা নাড়ল। তার প্রশ্ন।


"ছোট সাহেব... নেই, বেগম সাহেবা?"


লায়লা মুহূর্ত চুপ এক করেন। তার ঠোঁট কাঁপল, কিন্তু চোখ শুকনো।


"জানি না রে... ***** আমার কাছে দোয়া কর শুধু। দোয়া করি নার্গিস।

 অনেক দোয়া কর।


নার্গিস কিছু কথা না। শুধু মাথা নত করে। 

তার হাতে সাদিয়ার ছোট ছোট অংশটা নিল সে। 

সাদিয়ার মাথা তার কাঁধে ঠেকল। 

নার্গিস গেল রান্নাঘরের দিকে।


পাশে করিম খানের দেখা শূন্য।

 তার মনের ভিতরে একটা ঝড় শব্দ। 

গণেশ এসেছে। কুড়ি উড়ে বেড়াচ্ছে এখন। 

তার হাতে যে রক্ত ​​লেগে আছে—রিয়াজের রক্ত, গনেশের রক্ত—সবগুলো তার বুক জ্বলছে। 

এখন কী হবে? তার পরিবারকে কি বাঁচাতে পারবেন? 

বাসে গনেশের আগুন সব পুড়িয়ে ছাই করবে? 

তার ভয়, অপরাধবোধ, আর একটা অদ্ভুত অসহায়তা।


লায়লা তার দিকে তাকালেন।


আরো পড়ুন.....

বাংলা রোমান্টিক গল্প 



“করিম... আসো ঘুমাতে দেখা যায়।


করি জ্ঞান ফিরল। সে মাথা নাড়ল, কিন্তু কথা বলতে না। দু'জনে উপরে কোলে সিঁড়ি বে উঠল। 

বাড়িটা পরিকল্পনা নিঃশব্দে কানেছে।
পরের সকাল। রোদ, কিন্তু ঘরের ভিতরে আলো কম। 

সাদিয়াকে নার্গিসের কাছে কাছের দিকে রওনা দিল। 

আয়ানাতের প্রতীক-মুখে স্বামীর জন্য গভীর ভালোবাসা আর অসীম চিন্তা মিশে আছে। তার চুল এলোমেলো, দেখতে লাল—রাতে ঘুম হয়নি। 

লায়লা তার বিনিময় আছে গাড়িতে, করিম। কেউ কথা না বলে। 

শুধু গাড়ির ইঞ্জিনের শব্দ আর হৃদয়ের ধুকধুক।


পাস পাস তারা আইসিউ-এর দিকে গেল। 

ডাক্তার একজনকে অনুমতি দিতে ভিতরে যেতে।

 বেলালা


"কায়ানাত, তুমি যাও। 

রিয়াজ চাইবে৷


কায়েনা পাতের কাঁপছে। সেক্ষেত্রে অগ্রগতি। 

আইসিউ-এর তীব্র বাতাস তার শোনা। 

মেশিনের পিপ পিপ শব্দ। রিয়াজ শুয়ে আছে—তার বুকে ব্যান্ডেজ, মুখ ফ্যাকাশে, কিন্তু দেখেন। 

তার দেখা সোজা কানাতের দিকে।


কায়নাতের জল পানি এসে পড়ল। 

সে বিছানার জন্য দাঁড়াল। তার হাত রিয়াজের হাতের উপর রাখল। 

রিয়াজ আঙ্গুল সংখ্যা নন-জেন তার টান টান করছে।


কিন্তু গভীর প্রেম ভরা।


"তুমি... কি ছিলে... আমি আর কখনো শক্তিব না?"
কায়নাতের ঠোঁপল। 

সেসার চেষ্টা করে, কিন্তু চোখ থেকে পানি গড়িয়ে পড়ল।
"রিয়াজ... তুমি..."


রিয়াজ একটা মৃদু হাসি। তার গলা আরও নরম।


“আমি জানি... তুমি বর্ণরাত জেগেছিলে। 

আমার জন্য সংযুক্ত ছিল। কিন্তু দেখো... আমি এখনো আছি। 

তোমার জন্য।
তার হাত রিয়াজের হাত চেপে ধর আরও জোরে।


“তুমি আমাকে ছেড়ে যাও না... প্লিজ। 

আমি... আমি পছন্দ করতে পারব না।



রিয়াজ অনেক একটা আলো জ্বলে উঠল— কিন্তু জীবন্ত।


“আমি শক্তিব... অনেক দিন। 

তোমার সেই লাল শাড়িটা পরে এসো... যেটা আমার সবচেয়ে পছন্দের। 

আমি নিজে উঠব... তারপর আবার নিজেকে ধরব। 

তোমার ঠোঁটে চুমু খাব... তোমার শরীরে হাত বুলিয়ে দেব... যেমনটা আগে করতাম।
কায়নার মুখ লাল হয়ে গেল। 

তার গভীর আবেগ, ভালোবাসা, আর গভীর উত্তেজনা। 

সেরিয়াজ কপালে ঠোঁট ছোঁয়াল।


“তুমি শক্তি হয়ে উঠো... আমি অপেক্ষা করব। 

প্রতিদিন।

 তার জন্য আরও এগিয়ে।
নার্স এসে কথাটা...

 রোগীকে আরাম দিতে।
কানাত আরও একবার তার হাত চুমু খেল। 

তারপর নেতৃত্ব এগিয়ে এল। 

আপনি অপেক্ষা করছেন।

 কায়নাতের সাদৃশ্য পানি, কিন্তু একটা ছোট্ট হাসি।


"ও জেগেছে... ও কথা বলছে।"


লায়লা তাকে ধরলেন। করিম চুপ করার ফলেন—তার মনের গন্ধের ছায়া আরও গাঢ় হয়ে উঠল।



--------------------------------------------
পর্ব ৪
------------------------------------------


সময় তার বারেবারে বাধা দিতে—অনেকটা নীরব না করার মতো, কখনো থামে না। রাত গড্ড দিন হয়, দিন গসাইটা দিন। তিন দিন গেল। রিয়াজ শারীরিক ক্ষমতা নেতা হয়ে উঠছে। 

পীর ডাক্তাররা, আর কয়েকদিন পর বাড়ি ফিরতে সুবিধা।

 বাড়িতে এখন একটা আশা জেগেছে—যেন বিশ্বাস নিচ্ছেন, কিন্তু ভুল নয়।


আরো পড়ুন....

গল্প: কোন জল 



রাত দেখতেছে। রান্নাঘরে উজ্জ্বল আলো। কানয়াত একা আছে চুলার কাটা। তার হাতে একটাই, পার্ট মুরগির মাংসের ঝোল ফুটছে—রিয়াজ সবচেয়ে প্রিয় খাবার। 

মশলার গন্ধে পুরো রান্নাঘরে ভরে গেছে। কায়দাতে একটা মৃদু—যেন এই রান্না করতে সে রিয়াজকে হাসি ফিরে। 

তার পরনে একটা সবুজ কামিজ, চুল খোলা, কপালে ঘামের ফোঁটা। 

সে মনে মনে নেড়ে নিয়ে ঝোলটা ভাবছে—কাল রিয়াজের জন্য খাবার নিয়ে ভালো কথায় , 

“তোমার হাতের রান্না ছাড়া আমি বাঁচতে পারি না।


সাতর টেবিলে সাদিয়া ফলা। তার দিকে ছোট বই, কিন্তু তার বারবার দিকে যাচ্ছে—দুকে খুঁজছে। 

লায়লা বেগম আর না বর্গিস আলু ছিল। ছুরি আলুর খোসা পাঠ শব্দ আর একটা ঘরোয়া ছন্দ তৈরি হয়েছে।


নার্গিস করে মুখ তুলল।
“বড় সাহেব... বড় সাহেব তোকে আজ না দেখছি। 

স্থানীয় ব্যক্তি যে?"
তার হাত থেমে গেল।


“জানি না রে নার্গিস। একটা ফোন এলো, আর গেল বললো, কাজ আছে ফিরবে অনেক রাত।


নার্গিস মাথা নিচু করে আবার আলু ছিল শুনতে। কিন্তু তার একটা উদ্বেগ। 

লায়লা চুপ করে মিলেন। ঘরের ভিতরের জায়গায় একটা অদৃশ্য ছায়া ঘুরছে—আমার অনুপস্থিত ছায়াকে আরও গাঢ় করে তুলেছে।


এদিক ওদিক, শহর একটি কবর স্থান। চাঁদের আলোয় সাদা রংয়ের কবরের কথাগুলো নিঃশব্দে আছে। করিম খান একা। 

তার পরনে সাধারণ কালো পাঞ্জাবি, টুপি নেই। তার হাত কাঁপছে। সামনে একটা বড় কবরের গণনাশ আলোকিত— আরও শক্তিশালী শক্তি চাঁদের কালো কালো।


গণেশের গভীর গভীর, শান্ত—কিন্তু ভিতরে আগুন।


“এসেছেন, করিম সাহেবে তাহলে কথা বলবেন না।


করি মেরে শুকনো। সে দেখতে দেখতে তাকাল।


"তোমার কত টাকা, গণশ? বলো আমি রাজি। যত টাকা চাও।"


গণেশের ঠোঁটে একটা তিক্ত ফুটল। সে শিখে মাথা নাড়ল।


"টাকা? টাকা দিয়ে আমি কী করব, সাহেব? টাকা তো খুব তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যায়।

 আর আমার হারিয়েছে, টাকায় ফেরত যাও না।


আমার কপালে ঘাম জমল। তার গলা ভারী হওয়া।


"তবে? তবে কী চাও তুমি?"


গণশ পা এক এগিয়ে এল। তার দেখে আমার মনে হয় সোজা।


আমি তোমার বাড়িতে বাড়িতে চাই৷


আমার শরীরে বিভিন্ন শব্দ গেল। তার দেখা বড় হয়ে গেল। গলা থেকে চিৎকার করা—


"অসম্ভব! আমার বাড়িতে? আমার পরিবারের কাছে? তুমি পাগল হয়ে গেছো?"


গণেশের ফুল নিচু, কিন্তু কর্তৃত্বপূর্ণ।


“আওয়াজ নামাও, করিম সাহেব এখানে কেউ শুনবে না, কিন্তু তোমার গলা শুনলে আমার রাগ বাড়বে। 

আমাকে লোক হিসাবে পাঠান। গাড়িব, বাগান দেখব, যা বলবে তাই করব। না হলে আমি জানতে পারি? বস্তু? তোমার জন্য তোমাই আমার ঘর হয়ে গেছে কুড়ি বছর ধরে।


আমার হাত কাঁপছে। সে পিছিয়ে গেল এক পা।


"যদি তুমি আমার পরিবারের কোন ক্ষতি করো না? যদি তুমি..."
গণেশ হাসল—একটা তীব্র, ভয়ঙ্কর হাসি


আরো পড়ুন....
গল্প:একাকীত্বের শেষ সীমানা (মা - ছেলে)



আমি তোমার পরিবারের ক্ষতি করব? 

আমি শুধু আমার জন্য চাই... তোমার পক্ষ থেকে। তোমার বাড়িতে। 

তোমার ছেলের ছেলের।তোমার স্ত্রীর বয়স। 

তোমার ছেলের বউয়ের কাটা। তোমার নাতনির মনে। 

তাই প্রতিদিন মনে পড়ে—যে অন্য তুমি দিতে, তার দামে শোধ হয়নি।


আমার মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেল। তার গলা থেকে কথা বেরোল না। 

গণেশ আরও কাছে এল। তার বড় হাত করি কাঁধে রাখল—হালকা, কিন্তু ভারী।


“মনে আছে সেই পুরাতন কথা? আমার খেলা, আমার বউ, আমার ছেলে... সব কেড়ে নিয়েছিলে তুমি। 

একটা প্রমোশন এর জন্য। আজ আমি শুধু ফিরে চাই... যা আমার ছিল। 

একটা ঘর। একটা জায়গা। 

আর তোমার মুখের দিকে প্রতিদিন দেখতে চাই—তোমার ভুল বোঝার চেষ্টা করতে হবে।


করিম মাথা নিচু করা। তার জল এসে পড়ল, কিন্তু পড়ল না।
"আমি... দেখব।"


গণেশের হাত সরে গেল। সে পিছিয়ে গেল।
“ভাবার সময় আমি তোমার বাড়ির সামনে থাকতে হবে। 

আলো দিও। না হলে... পরের গুলিটা আপনার ছেলের বুকে না।

 সতর্ক অন্য কোন কারণ।


গণেশ তৈরি করা গেল। তার পায়ের শব্দের অন্ধকারে গেল। করিম একা একা। তার শরীর কাঁপছে। 

চাঁদের আলোয় তার মুখ


বাড়িতে ফিরে করিম কোনো কথা না। প্রশ্নে প্রশ্ন ছিল, "কোথায়?" আমি শুধু বলতে, "কাজ ছিল।" তারপর নিজের কাছেই গেল। 

রাত গভীরতা। কিন্তু আমি ঘুম নেই। 

গণশের কথা তার কানে বাজে—আর তার মনে একটা ভয় জন্ম নিচ্ছে। কাল সকাল কী হবে?




চলবে........




 




 

গল্প:পুরনো কথা পর্ব:০৫-০৬ এর লিঙ্ক

Post a Comment

0 Comments

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন। ×