মিঃ এক্স২০০২
পর্ব:০৫
----------------------------
সকালের রোদ নীল সবুজ, বাইরের বাগানে পাখির ডাক। কয়ন রিয়া জন্য একটা ছোট টিফিন বক্স করছে—প্রোটা, তৈরি ডিম ভাজা, আর একটা ছোট খবর। তার পরনে গোলাপি সালোয়ার কালোয়ারজ, চুলে একটা সাধারণ ক্লিপ। সেই একই চিন্তা—রিয়াজ কি আছে আজ? সে ঘর থেকে মনে মনে মনে মনে তখনই নার্গের খুলতে গেল। গেট খোলার শব্দ। নার্গিস আছে, তার মনে একটা জোরদেহী লোক। দীর্ঘ, কালো ডিম, শরীরে দাগের ছাপ। পরনে সাধারণ লুঙ্গি আর পাঞ্জাবি, কিন্তু তার উপস্থিতি ঘর বাতাসকে জোর করে। নার্গিস অনেক ইতস্তত করে, "কে আপনি? কী চান?" লোকটা—যাকে আমরা জানি গণেশ—আস্তে বললেন, “আমি গ্রাম থেকে নগদ। বড় সাহেব আসতে বলেছেন। নাম রমজান আলি। কানত তখনই গেটের কাছে এসে দাঁড়াল। তার দেখে পড়ল গণেশের উপর। এক মুহুর্ত। গণশের শরীরে শব্দের শব্দ গেল। তার দেখতে দেখতে কয়নাটার ইন্সটেক্টরে গেল—সেই ফার্সা গাল, বড় বড় বড় জৌবনের, কোণে আলোকিত কাঁপুনি, আর পায়ে বাঁক যেন কিছু বুঝতে পেরেছেন। গণেশ কুড়ি বছর জেল জেলে কাটিছে, নারীর টাঙ্গি পাস বৈধ। কিন্তু এই মেয়েটির জন্য তার ভিতরের আগুন নতুন করে জ্বলে উঠল। তার বুকের ভিতরটা কেঁপে উঠল—এত সুন্দর মেয়ে কি সত্যি হয়? এই শরীর, এই দেখ, এই হাঁটার ভঙ্গি... তার জন্য গণেশের ফুল শুকিয়ে গেল। তার লিঙ্গেই নড়ে উঠল প্যান্টের, অজান্ত। সে দেখে সরতে পারল না। এই মেয়ে বলতে যদি ছুতে পারে... যদি তার কাছে হাত বোলাতে পারে তার মনে হয়, এই... সেত কিছু দিতে রাজি। কায়নাত অস্বস্তিতে পড়ল। সে নার্গিসকে বলে, “নার্গিস, বাবাকে ডেকে আনো। জলদি। নার্গিস দৌড়ে ভিতরে গেল। মিনিট দুয়েক করিম খান এলেন, পর লায়লা বেগম। আমার মুখ ফ্যাকাশে, করি অসহায়তা। সে গনেশের দিকে সরকারের ড্রোন, “নাম রমজান আলি। আমাদের লোক আমাদের কেউ নেই। লায়লা ভ্রুকুঞ্চকে তাকালেন করিমের দিকে। কিন্তু কিছু বললেন না। করিম নার্গিসকে বললেন, “নার্গিস, ওকেউর ওয়ানের অনুমতি দারার রুট প্রশ্নটাও থাকবে। নার্গিস মাথা নাড়ল। সেনে গণকে নিয়ে নিরাপত্তার বড় বড় রাস্তা ধরে হাঁটতে দেখেন। গণেশ তার উত্তর হাঁটছে, কিন্তু তার বারবার দেখে নাওটার দিকে ফিরে যাচ্ছে—যেটা এখনও গেটের কাছে আছে। হাঁটতে হাঁটতে গনেশ ওজন বহন করে, “আচ্ছা, বড় যে কম বয়সী মহিলা...ওটা কে। নার্গিস কোটা হেসে বলে, “ও আমার ছোট সাহেবা। গণেশের গলা ভারী হওয়া। “অনেক সুন্দর।” নার্গিস মাথা নাড়ল। “হ্যাঁ, তা তো অনেক ভালো। কিন্তু রাগও অনেক। গণেশ চুপ করে মিল। তার মনের ভিতরে একটা ঝড় উঠল। সে ভাবল—এই মেয়েটি যদি আমি চুদতে পারতাম... আমাদের সেই ফর্সা শরীরটা আমার শক্ত থাকতে পারে, আমাদের বড় বড় ভয়ে ভয়ে আর আকাংশে যেত। আমি আমাদের ঠোঁট চুষতাম, আমাদের গলা ধরতাম, আমাদের স্তন্যপাক হাতে নিয়ে চটকাতাম না ও কেঁপে উঠত। ওর কোমর ধরে জোরে আমার লিঙ্গটা আমাদের ভিতরে ঢ—আস্তে ধাতু, তারপর জোরে জোরে। ও চিৎকার করত, কিন্তু তার মধ্যে একটা আনন্দের শব্দ মিশে যেত। আমি ওকে উল্টো করে শুইয়ে পেছন থেকে নিতাম, আমাদের নরম নিতম্বে চড় মারতাম, আমার চুল ধরে টানতাম। ওরে আমার বীর্য ভিতরে ঢুকেলে দিতাম, যতক্ষণ না আমার নাম নিয়ে কনত। আর তারপর ও আমার হওয়া যেত—পুরোপুরি। করিম খানের ছেলের বউ আমার হাত মুঠোয়। ওর শরীর আমার কাছে। প্রতিদিন রাত ও আমার উত্তর আসত, নিজে থেকে পা বাড়ান দিত, বলত—“আরও জোরে করো, রমজান...”। গণেশের লিঙ্গ প্যান্টের শক্ত চাপ উঠল, তার বিশ্বাস ভারী হওয়া এল। সে ভয়ে চেপে পায়। এই ভাবনা তার প্রতিশোধকে আরও মধুর করে তোলা। নার্গিস রুমের অগ্র দিল। ছোট ঘর—একটা খাট, একটা টেবিল। গণেশ পায়ে বন্ধে। তার এখনো এখনো কায়েনাতের ছবি। লায়লাকে এক কোণে কাঁধে নিয়ে এসেছেন, এটা ঠিক আছে? চানি। তার হাতের আঙ্গুলগুলো নিয়ে দেখা গেছে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করতে, “আমাকে ভালো করতে চাই না। না।" লায়লা ভ্রু কুঁচকে তাকালেন তার সন্দেহ এখনো রয়ে গেছে “তুমি নিশ্চিত? আপনার কাছের জন্য... কে করি দ্রুত নিল, একটা কথা কথাটা— একটা হাসি টেনে যেন আমার পক্ষে। “আরে, আমি তোমাকে বলেই—ভালো। আমি সব দেখছি তুমি এত ভাবছ কেন? সে লায়লার কাধে হাত রাখল, দেখতে দেখতে কবিতার কথা বলা—কথাগুলো মুখস্থ। "বিশ্বাস করো। সব ঠিক হয়ে যাবে।" লায়লা মুহূর্ত চুপ এক করেন। তার মনে সন্দেহ কমল না, কিন্তু আমি আমার এতটাই স্বাভাবিক যে সে আর কিছু না বলে। শুধু মাটি নাড়লেন। "ঠিক আছে... তাহলে দেখো।" করিম মুখ ঘুরিয়ে নিল। তার হাসিটা বোঝাই গেল। মনে আবার সেই ভয় ফিরে এল—কিন্তু লায়লা দেখতে পেল না। সে নিজেকে লুকিয়ে রাখতেছে এই ঠিক। কিন্তু মনে, এই কথা কতদিন? যেমন, ছোট রুমে গনেশ আছে। তার কানে কথা বলেছে না, কিন্তু সে-করিমের শুরু হয়েছে। আর সে অপেক্ষা করছে। কায়নাতে ছবি তার মনে ঘুরছে। প্রতি শোধের আগুন আরও জ্বলছে৷
------------------------ পর্ব ৬ -------------------------
রিয়াজ শরীর এখন পার্টির। ডক্টররা, আর কয়েকদিন নিবিড় বলে মনে রাখবেন বাড়ি ফিরতে সুবিধা। পরিবারও এক মত—একটু ঝুঁকি নেওয়া যাবে না। করিম খান প্রতিদিন যান, লায়লা বেগম আর কায়নাতও যান। বাড়িতে একটা সতর্ক শান্তি ফিরে, কিন্তু সেই শান্তির একটা অদৃশ্য টেন লুকিয়ে আছে। মধ্যবর্তী গণেশ—যাকে বিশ্ব এখন 'রমজান আলি' বলে ডাকে—বাড়ির ছোট রুমে থাকে। নার্গিস প্রতিবেলা তার জন্য খাবার নিয়ে যায়। প্রথম দিন গণেশ নার্গিসের সঙ্গে কথা শুরু হয়েছে। সহজ সরল প্রশ্ন—বাড়ির কথা, সাহেবদের কথা, আর সবচেয়ে বেশি কায়েনাতের কথা। "ছোট সাহেবা কি মানুষ?" “ওর রাগ কি খুব বেশি?” "ও কি সবসময় এত সুন্দর করে সাজে?" নার্গিস সহজ মনে উত্তর দেয়। তার মনে গণেশকে খুব ভালো লোক মনে হয়—চুপচাপ, কথা কম বলে। টার্গেট গণেশ খাবার আলোচনা একটা বিড়িল। নার্গিস দেখ বড় করে বলল, “রমজান ভাই, এ বাড়িতে বিড়ি পছন্দ করে না কেউ। বড় সাহেব জানলে খুব বকবেন। গণেশ হাসল, বিড়িটা নিভিয়ে গ্রামে দিল। কিন্তু পরের দিন আবার। নার্গিসে কিছু বলতে না। সে শুধু চুপ করে শব্দ। নার্গিসের মন সরল—একটা লোকের বিড়ি কি এত বড় অপরাধ? আর রমজান তো কখনো খারাপ কিছু না। এমন এক রাত। খাবারের থালা নিয়ে নার্গিস গণেশের রুমে গেল। গণেশ বিছানায় খাচ্ছে। প্রশ্ন শেষ হলে আবার প্রশ্ন শুরু— “ছোট সাহেব আজ বলেছিলে? নার্গিস হেসে বলে, “হাঁ, শান্তি শান্তি। রিয়াজ সাহেবের জন্য নতুন ড্রেস নিয়ে কাল। গণেশ মাথা নাড়ল। তারপর পকেট থেকে বিড়ি বের করা। ধোঁয়া উঠতে শুনতে। নার্গিসে কিছু বলতে না। সে চেয়ারে স্বামী হাসছিল—গনেশের কোনো একটা মজার কথা। রুমের দরজা খোলা ছিল। হালকা আলো জ্বলছে ভিতরে। অন্তর অন্তর গভীর হতে। কয়ন রিয়া জন্য নতুন আর প্যান্ট করা একটা শর্ট-কাল সাতজর নিয়ে যাবে। সামুদ্রিক শর্ট আজ নাসিসকের্টটি দিয়েছিল। এখন সে শটা খুঁজছে, কারণ কাল লাইনর্ট রেডি রাখতে হবে। কানয়াত লায়লা বেগমের ঘরের কাছে গেল। লায়লা বিছানায় বই বইন। কয়নাত, ডাকল, “আম্মা নার্গিসকে দেখছেন? ওকে খুঁজছি। লায়লা মাথা তাকালেন। "অনেকক্ষণ রমজানের জন্য খাবার নিয়ে গেছে কেন, খুব প্রয়োজন?" কয়ন কঙ্কর বলা, "খুব প্রয়োজন ওকে বলে আশার্ট শার্ট টাহ্যা, কাল নিয়ে যেতে। ফেরেনি কেন?" লায়লা একটা ছোট হাসি দিয়ে বললেন, “যা, উপায় আয়”। কায়ানত প্রশাসন নিশ্চিতর দিকে হাঁটতে শুনছে। দরজার দিকে রাস্তার দিকে ছোটো রাস্তা ধরে দারোয়ানের দিকে। রাতের অন্ধকারে আলো জ্বলছে রুমের জানাচ্ছে। খোলা পথ। ভিতর থেকে হাসির শব্দ। কয়ন পথের কাছে এসে দাঁড়াল। দৃশ্যটা নিয়ে তার শরীরে শব্দের শব্দ গেল। গণেশ—(রমজান)-বিছানায় হেলান দিয়ে আছে। তার হাতে একটা বিড়ি জ্বলছে, ধোঁয়া জোরে উঠছে। নাসিস চেয়ারেনো পাস, হাসি—কোন একটা মজার কথা হাসছে সে। রুমের আর আলোর আলোয় অংশের ভিতর ছায়ার ধোঁলে আসন। নাটার গলা থেকে চিৎকার করা কঠিন—তীক্ষ্ণ,। "নার্গিস!" নার্গিস চমকে উঠল। চেয়ার থেকে লাফ দিয়ে দাঁড়াল। তার মুখ ফ্যাকাশে, হাঁপাতে দেখে ভয়ে। হাত-পাঁপা করছে। "ছোট... ছোট সাহেবা..." গনেশ দ্রুত বিড়িটা হাতের তালুতে তালুকিয়ে ফেলল। তার চোখে কায়নাতের দিকে উঠল—শান্ত, কিন্তু ভিতরে একটা আগুন। কয়ন নার্গিসের সামনের দিকে বলা, গলায় রাগ মিশে গেছে, “এত রাতে এখানে গল্প দিচ্ছ কেন? শেষ হয়ে গেল না? নার্গিসের জল এসে পড়ল। সে কাঁপা গলায় বলল, “ছোট সাহেব... আমি... খাবার দিতে এসে... শার্টনে দেখাচ্ছি... শুকিয়েছি... শুকিয়েছি” কয়ন গশের তাকাল। তার দল তেজ, গলা কড়া। “এটা একটা ভদ্র লোকের বাসা এখানে সে বিড়ি না হয়। গণেশ চুপ করে নীতিগত। তার দেখতে কয়নাটার, তার আগুন নিরাপদে, তার কাঁধের কাঁপুনিতে। কোনো কথা বলতে না। শুধু মাথা নাড়ল—জেন নিল। কিন্তু তার একটা অদ্ভুত মজা লুকিয়ে আছে। কায়নাতের কথা শেষ হলে সে দেখতে যেতে পারে। নার্গিস তার পিছনে পিছনে দৌড়ে গেল। "ছোট সাহেব... আমার ভুল হয়েছে। মাফ করে দিন। আর না... প্লিজ..." কান থামল না সোজা ভিতরে গেল। নার্গিস করিড রেড, দলিল জল, হাত কাঁপ। গণেশের কাছে এসে দাঁড়াল। তার দেখতে কয়নাতের যাওয়ার পথে রাস্তার দিকে আছে। সে মেঘ, হাসল—একটা গভীর নীরব হাসি। কায়নাতের রাগ, তারক্ষ্ণ দৃষ্টি, তার বেশ কঠোর ভঙ্গি—সব কিছু তার মনে গেঁথে গেল। বিড়িটা সে আবার দিল, কিন্তু টানল না। শুধু দেখা বন্ধ করে ভাবল—এই রাগ... এই তেজ যদি আমার জন্য হয়... আরও নেটওয়ার্ক...। রাত আরও গভীর। বাড়ি নিস্তব্ধ। কিন্তু গণেশমেরেলা চাঁদের আলোকে জানালেন। তার দেখা খোলা। অপেক্ষা করছে।
চলবে......... |
0 Comments