জেলের এরা গোসলখানায় পানির শব্দ মিশে যাচ্ছে বলে ফাটল দিয়ে আসা উহার হাওয়ার সাথে। মেঝেতে জমে কাদামাখা পানি ছলছল করছে, আর তার পথ আছে গণেশ—পেসোনো এক বড়দেহী মানুষ।
তার উচ্চতা প্রায় বিজয়ের ফুট, কালো ট্যাঙ্কের আগুনের ছাপ পড়ে বছর পর বছর।
শক্তি গঠন অগুন দাগ—কারো ছুরি, বিকল্প, চাবুক।
পিঠে একটা লম্বা লম্বা দাগ এখনো জ্বলে জ্বলে মনে হচ্ছে।
গণেশ দুই হাতে পাত্র ঢালছে। তার পেশী রাজনৈতিক বাহুতে পানিতে ধারা গড়িয়ে চলা, আর তার সাথে তার মত একটা অদ্ভুত শান্তি। আকাশ কাছের কাছে একটা ছায়া পড়ল। জেলের একজন প্রহরী এসেছে। লোকটা গণেশের দিকে আমাদের হাসল—একটা করুণার হাসি।
"আজ আপনার শেষ দিন, গণশ সাব। কুড়ি বছর পর হতে যাচ্ছেন এখন? কে আছে?
গণেশ কোন উত্তর দিল না। সে শুধু এক হাত নামিয়ে নিল।
তার শক্তিশালী, কালো লিঙ্গটা ধরে ধোয়া শুরু করা।
পানির স্রোত তার আঙ্গুলের ঠোঁট দিয়ে গড়িয়ে পড়েছে।
তার দেখতে আমার কাছে লাল হয়ে উঠল—যেন রক্তের আগুন জ্বলে ভিতরে ভিতরে।
লিঙ্গটা তার হাতে শক্ত হয়ে গেল, বড়, মোটা, একটা অস্ত্র।
সে ঘষতে ঘষতে বারবার, দেখে বন্ধ করে।
মনে মনে একটা নাম বারবার উচ্চারণ করছে—করিম খান।
"আমি বদলা নেব," গণেশের গলা থেকে বের করা একটা গভীর, গর্জনের মতো শব্দ।
তার হাতের গতি বাড়ল। লিঙ্গটা আরও শক্তিশালী হয়ে উঠল, শিরা ফুলে চোখে লাল, ঠোঁট কাঁপছে।
"কুড়ি বছরের সমান আমি মিতি দেব।" প্রহরী চুপ করতে গেল।
গণেশ একা পানির পানি, তার হাতের কাছে সবচেয়ে বড় অংশের পার্টির অস্ত্রের মতো তৈরি করছে।
শান্ত, করিম খানের বাড়িতে সকালের নাশতার টেবিলে একটা উষ্ণ, পরিবারিক পরিবেশ। বড় ডাইনিং টেবিলে যুদ্ধ আছে।
করিম খান—পঞ্চান্ন বছর একজন গম্ভীর, দলি মিলিটারি—টেবিলের কথা। তার অংশীদারিত্ব এখনো ঝুলছে ইউনি দিয়ে চেয়ারে, কিন্তু সে সাদা পাঞ্জাবি পরে আছে।
তার দৃশ্য একটা শান্ত কিন্তু কর্তৃত্বপূর্ণ ভাব।
নিয়মিত তার স্ত্রী লায়লা খান, সাতচল্লিশ বছরের এক সুন্দরী মহিলা, যার এখনো যৌবনের ছোঁয়া আছে। সে চুপচাপ ভিডিও পরামর্শ।
থলি রিয়াজ খান, ত্রিশের সংখ্যাক, তার বাবার মতোই লম্বা-চিওড়া। সে তার প্লেটে পরোটা আর ডিম লেখা নিচ্ছে। তার দেওয়া কায়নাত খান, সাতাশ বছরের তরুণী বউ, যার শরীর এখনো সৃষ্টি ফুটন্ত যৌর আগুনে জ্বলছে।
তার রং ফর্সা, দৃশ্য বড়, আর ঠোঁটে একটা খবর হাসি। সে তার মেয়ে সাদিয়াকে কোলে নিয়ে আছে।
সাদিয়া—মাত্র পাঁচ ছোট ছোট মেয়ে—টেবিলে আপনার পক্ষে আছে, কিন্তু খাচ্ছে না।
"সাদিয়া, খাও তো! এতক্ষণ ধরে কী করছো?" কয়ন পথের কথা বলা।
তার গলায় মস্তকতা মিশে গেছে। "দেখো, প্রিয় তোমার শান্ত হওয়া যাচ্ছে।" সাদিয়া মুখ নিল।
তার ছোট ঠোঁট বেঁকে গেল। "না, মা। আমার খিদে নেই।"
কায়নাত আরও গঠন। "খিদে নেই কেন? তুমি মারদিন খেলবে, আর খাবে না? এটা হয়? এখনই খাও!"
টেবিলে একটা ছোট্ট উত্তরেজনা উত্সাহ পড়ল। রিয়াজ হাসল, কিন্তু কিছু বলতে না। লায়লা চুপ করে নীতিমালা।
তখনই করিম খান মুখ তুলল। তার গম্ভীর গভীর একটা নরম আলো জ্বলে উঠল। সে সাদিয়ার দিকে প্রায় হাসল—দাদুর হাসি।
"আরে আরে, কী হচ্ছে? করিম শব্দ। সে তার চেয়ার থেকে সামনে এসে সাদিয়ার হাত বুলে দিল। "আমার ছোট রাজকুমারী কেন মুখ ফুলিয়েছে? দাদুর কাছে এসো।"
সাদিয়া বেশ হাসল। সে কয়না থেকে জোর করে দাদুর কোলে বসল। করিম তাকে কোলে নিয়ে কথা বলতে, "দেখো দাদু, আমার কথা শুনতে হয়৷
মা যা বলে, তা তোমার ভালোর জন্য বলে। তুমি যদি না খাও, তাহলে শক্তি খুঁজে পাবে? কিভাবে দাদুর সাথে খেলবে?"
0 Comments