Bangla Choty Golpo

গল্প:পুরনো কথা (পার্ট:০১-০২)


লেখক: মিঃ এক্স২০০২

  

পর্ব:০১



  • জেলের এরা গোসলখানায় পানির শব্দ মিশে যাচ্ছে বলে ফাটল দিয়ে আসা উহার হাওয়ার সাথে। মেঝেতে জমে কাদামাখা পানি ছলছল করছে, আর তার পথ আছে গণেশ—পেসোনো এক বড়দেহী মানুষ।
  •  তার উচ্চতা প্রায় বিজয়ের ফুট, কালো ট্যাঙ্কের আগুনের ছাপ পড়ে বছর পর বছর।

  •  শক্তি গঠন অগুন দাগ—কারো ছুরি, বিকল্প, চাবুক।

  •  পিঠে একটা লম্বা লম্বা দাগ এখনো জ্বলে জ্বলে মনে হচ্ছে।


গল্প :পুরনো কথা এর সবগুলো পর্বের লিঙ্ক



  • গণেশ দুই হাতে পাত্র ঢালছে। তার পেশী রাজনৈতিক বাহুতে পানিতে ধারা গড়িয়ে চলা, আর তার সাথে তার মত একটা অদ্ভুত শান্তি। আকাশ কাছের কাছে একটা ছায়া পড়ল। জেলের একজন প্রহরী এসেছে। লোকটা গণেশের দিকে আমাদের হাসল—একটা করুণার হাসি।


"আজ আপনার শেষ দিন, গণশ সাব। কুড়ি বছর পর হতে যাচ্ছেন এখন? কে আছে?


গণেশ কোন উত্তর দিল না। সে শুধু এক হাত নামিয়ে নিল। 

তার শক্তিশালী, কালো লিঙ্গটা ধরে ধোয়া শুরু করা। 

পানির স্রোত তার আঙ্গুলের ঠোঁট দিয়ে গড়িয়ে পড়েছে। 

তার দেখতে আমার কাছে লাল হয়ে উঠল—যেন রক্তের আগুন জ্বলে ভিতরে ভিতরে।

 লিঙ্গটা তার হাতে শক্ত হয়ে গেল, বড়, মোটা, একটা অস্ত্র। 

সে ঘষতে ঘষতে বারবার, দেখে বন্ধ করে।  

মনে মনে একটা নাম বারবার উচ্চারণ করছে—করিম খান।


"আমি বদলা নেব," গণেশের গলা থেকে বের করা একটা গভীর, গর্জনের মতো শব্দ।

 তার হাতের গতি বাড়ল। লিঙ্গটা আরও শক্তিশালী হয়ে উঠল, শিরা ফুলে চোখে লাল, ঠোঁট কাঁপছে। 

"কুড়ি বছরের সমান আমি মিতি দেব।"
প্রহরী চুপ করতে গেল। 

গণেশ একা পানির পানি, তার হাতের কাছে সবচেয়ে বড় অংশের পার্টির অস্ত্রের মতো তৈরি করছে।


শান্ত, করিম খানের বাড়িতে সকালের নাশতার টেবিলে একটা উষ্ণ, পরিবারিক পরিবেশ। বড় ডাইনিং টেবিলে যুদ্ধ আছে। 

করিম খান—পঞ্চান্ন বছর একজন গম্ভীর, দলি মিলিটারি—টেবিলের কথা। তার অংশীদারিত্ব এখনো ঝুলছে ইউনি দিয়ে চেয়ারে, কিন্তু সে সাদা পাঞ্জাবি পরে আছে। 

তার দৃশ্য একটা শান্ত কিন্তু কর্তৃত্বপূর্ণ ভাব। 

নিয়মিত তার স্ত্রী লায়লা খান, সাতচল্লিশ বছরের এক সুন্দরী মহিলা, যার এখনো যৌবনের ছোঁয়া আছে। সে চুপচাপ ভিডিও পরামর্শ।


থলি রিয়াজ খান, ত্রিশের সংখ্যাক, তার বাবার মতোই লম্বা-চিওড়া। সে তার প্লেটে পরোটা আর ডিম লেখা নিচ্ছে। তার দেওয়া কায়নাত খান, সাতাশ বছরের তরুণী বউ, যার শরীর এখনো সৃষ্টি ফুটন্ত যৌর আগুনে জ্বলছে। 

তার রং ফর্সা, দৃশ্য বড়, আর ঠোঁটে একটা খবর হাসি। সে তার মেয়ে সাদিয়াকে কোলে নিয়ে আছে। 

সাদিয়া—মাত্র পাঁচ ছোট ছোট মেয়ে—টেবিলে আপনার পক্ষে আছে, কিন্তু খাচ্ছে না।


"সাদিয়া, খাও তো! এতক্ষণ ধরে কী করছো?" কয়ন পথের কথা বলা। 

তার গলায় মস্তকতা মিশে গেছে। "দেখো, প্রিয় তোমার শান্ত হওয়া যাচ্ছে।"
সাদিয়া মুখ নিল। 

তার ছোট ঠোঁট বেঁকে গেল। "না, মা। আমার খিদে নেই।"


কায়নাত আরও গঠন। "খিদে নেই কেন? তুমি মারদিন খেলবে, আর খাবে না? এটা হয়? এখনই খাও!"


টেবিলে একটা ছোট্ট উত্তরেজনা উত্সাহ পড়ল। রিয়াজ হাসল, কিন্তু কিছু বলতে না। লায়লা চুপ করে নীতিমালা। 

তখনই করিম খান মুখ তুলল। তার গম্ভীর গভীর একটা নরম আলো জ্বলে উঠল। সে সাদিয়ার দিকে প্রায় হাসল—দাদুর হাসি।


"আরে আরে, কী হচ্ছে? করিম শব্দ। সে তার চেয়ার থেকে সামনে এসে সাদিয়ার হাত বুলে দিল। "আমার ছোট রাজকুমারী কেন মুখ ফুলিয়েছে? দাদুর কাছে এসো।"


সাদিয়া বেশ হাসল। সে কয়না থেকে জোর করে দাদুর কোলে বসল। করিম তাকে কোলে নিয়ে কথা বলতে, "দেখো দাদু, আমার কথা শুনতে হয়৷

 মা যা বলে, তা তোমার ভালোর জন্য বলে। তুমি যদি না খাও, তাহলে শক্তি খুঁজে পাবে? কিভাবে দাদুর সাথে খেলবে?"


সাদিয়া দাদুর বুকে মুখ লুকাল। "কি দাদু, এটা ভালো নাও না।"


করিম হেসে উঠল। সে একটা পরোটা আমার কাছে লাগিয়ে সাদিয়ার মুখের কাছে ধরল। "দেখো, দাদু খাইয়ে করা। 

এক কামড় দেয়। আমার কথা শুনলে দাদু আজ বাগান নিয়ে যাবে, পুতুল উন্নয়নে নিয়ে যাবে।


কায়নাত নরম হওয়া হাসল। "দেখো, দাদু বকছে না আমিও তোমাকে ভালো চাই।"


সাদিয়া জেলা মুখ খুলল। আমার হাত থেকে এক কামড় নিল। 

টেবিলে আবার হাসি ফিরে এল। লায়লা চুপচাপ সব দেখেছিল, তার একটা তৃপ্তি। 

রিয়াজ কানাতরের দিকে দৃষ্টি টিপল।


এই ছোট মুহতাগুলো তাদের এতগুলো আলোচনা করেছে—একজন সুন্দর গঠনই দলকে এই নরমতা, এই ভালোবাসা। 

কিন্তু কেউ না জানে, আমার কাছে একটা কালো ছায়া পড়ল—বদলার আগুন নিয়ে।

------------------------------

পর্ব:০২

------------------------------




সকালের রোদ শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। করিম খান আর তার ছেলে রিয়াজ একটা সাদা প্রাইদো গাড়িতে চড়ে মিলিটারি ক্যাপের দিকে যাচ্ছে। 

  রাস্তা নির্জন দু'পাশে শুকনো ঝোপঝাড় আর পাহাড়ের ছায়া।

 করিম আমাকের সিটে, তার প্রতীক চিরকালের গম্ভীর ভাব। রিয়াজ ড্রাইভ করছে।


সকাল রিয়াজ পা দিয়ে ব্রেক চাপল। গাড়িটা থমকে গেল। একে একে শব্দে ধুলো উড়াল।


করিম ভ্রুকুঁচকে তাকাল। "কি করে? কেন ব্রেক করতে?"
রিয়াজ ফুল কাঁপছে। “বাবা... রাস্তাঘাটে একটা লোক পড়ে আছে।


করিম দেখ সরল। "কি বলছো? আসো, জানতে জান।"


দু'জন গাড়ি থেকে নাম। মনে পড়ে একটা বড়দেহী পড়ে আছে—কালো শরীর, লোকে বোঝা যায় দাগ, একটা আছেঁড়াগড়ি। 

দৃষ্টি বন্ধ, শরীর অচল। আমি আর রিয়াজ সহযোগিতা করতে পেরেছি।


সকাল সেই লোকটা দেখতে খুলল। পুলিশ বল বসল। তারপর গেল—পুরো ধারার ফুটের শক্তি দেহ। 

তার পছন্দ একটা ভয়ঙ্কর হাসি। দৃষ্টিনন্দন লাল—জেনকুড়ি দেখতে আগুন জ্বলছে।
"চিনেছো আমাকে, করিম খান?" গণেশের গভীর গভীর, গর্জনের মতো।


করি আমার শরীরে প্রার্থীর কথা। তার মুখ ফেকাশে হয়ে গেল।

 সব মনে পড়ে গেল—সেই কুড়ি বছর ধরে।


গণশ তখন ছিল একজন সাধারণ কৃষক কৃষক। 

সম্পত্তির কাছে তার ছোট খেলা, পরিবার। 

কিন্তু করিম খানের একজন গোপন মিশন ছিল—একজন স্পাইনের দায়িত্ব। 

আমি জানত সত্যিকারের স্পাই কে, কিন্তু সে তাকে ছেড়ে দিয়েছিল—বিনিময়ে বড় ঘুস। আর তার বিপক্ষে একটা বলির পাঁঠা 

গণেশকে ধরে আনা। করিম নিজের দল তৈরি কর—গনেশকে স্পাই পাতি। ন্যায় জাল, সাক্ষী করা। 

গণেশের চিৎকার কেউ শোনেনি। সে গেলে পারে গেল—কুড়ি বছরের জন্য। তার পরিবার গেল, সম্মান শেষ।


আমার ঠোঁট কাঁপছে। "গণশ... তুমি..."


গণেশের হাতে নেতা একটা পিস্তল মারা এল। সে হাসতে হাসতে ত্রিগাড় টিপল।
ব্যাং!


গুলিটা করি, কিন্তু আমি শেষ ধাক্কা দিল গণেশকে। 

গুলি টা লক্ষ্য ভ্রষ্ট হয়ে রিয়াজের বুকে দেখা। 

রিয়াজ দেখতে বড় হয়ে গেল। 

সে হাত দিয়ে বুক চেপে ধরে মাটিতে পড়ল। রক্ত বের হচ্ছে—গাড় লাল।


"রিয়াজ!" করিম চিকার করে উঠল। তার জন্য গেল। "গণশ! কী করলি!"


গণেশ শুধু হাসল। তার শুভেচ্ছা কোনো দয়া নেই। “এটা তো শুরু মাত্র, করিম খান। 

তোর ছেলে... তোর পরিবার... দেখতে আমি নরক দেখাব।


করিম আর দাঁড়াল না। সে রিয়াজকে কোলে নিয়ে গাড়িতে ছুটল। 

গণেশ তার হাসছে—তার শারীরিক রোদে কালো ছায়া ফেলছে।


দেখতে দেখতে দেখতে রিয়াজ শরীরের তীব্র হওয়া। 

আমার শর্ট রক্তাক্ত ভিজে গেছে। একটি গ্রুপ ঢোকার সাথে ডাক্তাররা ছুটে এল। 

রিয়াজকে বৈঠক থিয়েটার নিয়ে নেওয়া।


খবর পেয়ে ঘর বাকিরা ছুটে এল— কয়নাত, আর ছোট সাদিয়া। 

লায়লার অনেক জল, কিন্তু সে চুপ। কয়নাত বলেছে না—তার দেখা শূন্য, মনের সব শেষ হয়ে গেছে। 

সাদিয়া মিয়া হাত ধরেছে, কিছু আলোচনা করেছে।


অনেকক্ষণ পর ডাক্তার এল। তার মুখ গম্ভীর।


গুলি ফুসফুসের কাছেই আছে। 

কাল সকাল পুরো প্রচার। এখন এখন বাড়ি যান। 

এখানে থেকে লাভ নেই৷


কয়ন পা বাড়ান না। “না... আমি থাকিব।


ডাক্তার মাথা নাড়ল। "প্রয়োজন নেই, ম্যাডাম। 

সিইউতে ব্যবহার আইতে না হয়। আপনি থাকলে শুধু কষ্ট বাড়বে। কাল পাকিস্তান।


লায়লা কায়নাতর হাত ধরল। "চল মা... বাড়ি চল। সাদিয়াকেও দেখতে হবে।"


কানবার আইসিউয়ের শেষের দিকে তাকাল। 

তার জল এল, কিন্তু পড়ল না। 

সে সাদিয়াকে কোলে নিল। করিম এক কোণে—তার প্রতীক অপরাধবোধ আর ভয়।


গণেশের ছায়া এখনো তাড়া করে তাকে। আর এটা শুধু শুরু।




চলবে.......




গল্প: ইতিহাসের কথা .. পর্ব :০৩-০৪ এর লিঙ্ক



Share:

0 comments:

Post a Comment

Xgossip. Bangla Choty Golpo

Tags

Xgossip— Bangla Choty Golpo. Powered by Blogger.

Ad Space

Featured post

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(১৫)

  পর্ব:১৫ বাবা- কি বলব বাবা তোকে, আসলে তোর মাকে বকা ঝকা করেছি তার কারন আছে তুই আমার ছেলে তোকে কি বলব সব তো খুলে বলা যায়না। আমি- কেন বাবা আমি...

Search This Blog

🔞 ১৮% সতর্কবার্তা

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন।

About Us

About Us
এই খানে পাবেন বিভিন্ন লেখকদের বিভিন্ন ক্যাটাগরির চটি গল্প।

Translate

Popular Posts

Popular Posts