গল্প: পুরনো কথা (পার্ট:০৭-০৮)


মিঃ এক্স২০০২


পর্ব:০৭


--------------------------



আলোর নরম আলো জানালা দিয়ে বোঝানো হয়েছে। কয়ন সাদিয়াকে কোলে নিয়ে আছে সোফায়। ছোট মেয়েটার স্পিচ করে খিচুলি লেখা, আরগিরি গল্প বর্ণনা—

তারপর রাজক্যা দেখল, জঙ্গলের একটা ছোট ছোট ঝালনা। পানিতে সোনালি আলোর ঝিকমিক করছে। সে হাত পানি চুঁলো…

মুখ উজ্জ্বল খাবারের সাথে, আমার সাথে দেখতে দেখতে বড় বড় কথা শুনতে আছে। টিভিতে কোনো একটা গানের গানের আলোচনা শুধুনিচু ভলিউমে, পটভূমির মতো।

নার্গিস হাতে একটা খালি ট্রেড নিয়ে রাজনৈতিক চাপল।

কয়নাত দৃশ্য দৃশ্যের,  
“মা না বর্গিস আপা?”

নার্গিস ট্রেডটা টেবিলে বলতে,  
“জানি না আপা।

কনাত কিছু আব্রু কুঁচকে বলল,  
“ও আচ্ছা।”

নার্গিস কয়েক সেকেন্ড চুপ করে। তারপর কয়েকটা ইতস্ত করে বলে উঠল—

“ছোট সাহেব… কাল রাতের কথাটা… আমি লামমরমজান ভাইয়ের রুমে গল্প করছি… এখনও রাগ করছেন?”

কানত মুচকি হেসে মাথা নাড়ল।  
“না, রাগনি। কিন্তু নার্গিস আপা, তুমি খুব সহজ-সরল।

নার্গিস আনন্দ পেয়ে মাথা নিচু কর।  
“হ্যাঁ আপা, ঠিক লেখক। পরের বার খেয়াল রাখাব।

স্বতন্ত্রই মৃদু হাসল। সাদিয়া গ্রুপ হাত নার্গিসের দিকে তাকাল, “নার্গিস খালা, অনেক ভালো!” বলে ডাকল। নার্গিস হেসে তার গাল টিপে দিল।

বেশ পরওয়ারেগার শব্দ হল। ইঞ্জিন আওয়াজ, তারপর বন্ধের খোলার শব্দ। লায়লা বেগম ফর্ম করলেন। তার পরনে সবুজ শাড়ি, একটা শান্ত হাসি। স্থানীয় গণেশ—মানে রমজানহাতে একটা ছোট ব্যাগ নিয়ে।

কানাতের চোখে পড়তে পড়তে গনেশের দিকে। আজ তার চেহারায় অন্য ভদ্রতা। দেখতে নিচু করছে, লায়লা বেগমের বাইরে অন্য মানুষ।

লায়লা বেগম সোফার কাছে এসে বসলেন। সাদিয়াকে কোলে নিয়ে চুমুন অনুবাদ। তারপর কানাটার দিকে আমাদের বললেন—

“আজ অনেকগুলো হয়ে গেল

। লায়লা বেগমের গলায় কোনো অভিযোগ নেই। একটা গভীর প্রশংসা।

গণেশ নমর গলায় বললেন,  
"বড় সাহেব, আমি বাগটা রান্নাঘরে আসছি?"

লায়লা বেগম মাথা নাড়লেন।  
"হ্যাঁ রাখো। আর শোনো, সন্ধ্যায় চা বানাবে। আজ আমার মনটা খুব ভালো আছে আমরা সবাই খাবো"

গনেশ মাথা নিচু করে "জি আপা" বলে গেল।

লায়লা বেগম সোফায় সাদিয়া গালে হাত বুলেবল। তারপর একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন—

“ভেবে পাওয়ার লোকটা ভাল দেখো, কতটা ভাল গাড়ি থেকে শুরু করে ব্যবহার করতে শুরু করে বলে মনের সাথে কথা বলেছিল আমার ক্ল্যাডিং আমার, আজ সম্মান কিন্তু সম্মান দিয়েছি।

কয়ন সাদিয়াকে কোলে নিয়ে হাসার চেষ্টা করে। কিন্তু হাসিটা নিরাপদ ফুটল না।

“কি জানি মা… আমার তো সুবিধার মনে হয় না।

লায়লা বেগম চুপ করে তাকালেন কায়নাতের দিকে। মনে মনে ভাবলেন—আগে তোকে লোকটা ওয়েনাটার দিকে খারাপ করে বলেছিলে। মনের অস্বস্তিকর লোভ ছিল। কিন্তু আজ সকালদিন বিদ্রোহণ, সাধারণ, ভদ্র। সতর্কবার্তা ভুলই ছিল। পুরনো হচ্ছে, দেখও ঠিকমতো আর না।

তিনি এখন মুখ বললেন,  
"হ্যাঁ রে, রিয়াজ কি আছে?"

কয়ন সাদিয়ারকে হাত বুলিয়ে বলেছে,  
“ভালো আছে মা। লাইন খাইয়েত ডক্টর বলেছে পরশু আমাকে নিতে পারবে।

লায়লা বেগমের মুখ উজ্জ্বল হওয়া। স্বপ্ন পানি চিকচিক করে উঠল।  
“***** কত রহমত! আমার ছেলে ফিরে। এতদিনের দুঃখটা শেষ হবে।

তিনি সাদিয়াকে বারবার চুমু দাঁড়ালেন।  
“আমি দেখতে পাঘরে। নার্গিসকে বলে আসি ঘর পরিষ্কার রাখতে।

কয়ন মাথা নাড়ল, কিন্তু তার মনে আরও ভারী হয়ে উঠল। লায়লা বেগম রান্নাঘরের দিকে এগিয়ে যাওয়ার পর সেলার কাছে গিয়ে দাঁড়াল।

আগের গাড়িটা এখনো। গণশ ব্যাগ ভিডিও ফিরে দেখুন। তার ধরনে একটি অদ্ভুত আত্মবিশ্বাস। দেখতে দেখতে দেখতে কয়নাতের দিকে তাকাল।

চাহনিটা মাত্র দু'সেকেন্ডের।  
কিন্তু কয়নাতের বুকের কোনটা কেপে উঠল।


--------------------------
পর্ব০৮
--------------------------



রাতের খাবার টেবিলে রেখেছি। মধ্য নদী আলো, প্রেমে গরম রুটি আর মুরগির ঝোলের গন্ধ। সাদিয়া ছোট চেয়ারে খেলনা দিয়ে খেলছে, প্রায় তার মধ্য দিকে তাকাচ্ছে।

করিম সাহেব পাইটে রুটি আমি আমার পক্ষে সমর্থন করি, কিন্তু মন দেওয়া। লায়লা বেগম অনেক সময় নিয়ে বলে উঠলেন—

“তো রিয়াজ ফলকে দীর্ঘ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছাড়া আমরা কীভাবে গাড়ি নিয়ে আসব?

আমি বলেন,  
আমি কিছুক্ষণ কথা বলেছি, তুমি যেতে পারবে না।

লায়লা বেগমের দেখা কপালে পড়ে গেল।  
"কি বলো তুমি? কাল ছেলের বাড়ি ফিরবে, আর তুমি মিটিং? এ কীসের কথা রিয়াজের বাবা?"

করিম সাহেব মাথা নিচু বললেন,  
“আমি দুঃখিত, লায়লা। এটা এড়ানো যাবে না।

টেবিলের উত্তর নার্গিং করছি পরিবেশন। সে দলের মুখ কথা বলে উঠল, প্রকাশ সরলয়—

“সাহেব, রমজা ভাইকে না বলা তোকে ভালো গাড়ি চালান।

কায়নার গেল চামচ হাতে থমকে। সে ডাক্তারের কাছে তাবেলা বেগমের দিকে কাল—চোখ বড় বড়, পরামর্শ, “এটা কী করতে নাগিস?”

মনে মনে কয়না ভাবল—'আহা নার্গিস আপা এখনো কথা বোঝে না...'

স্যারের মুখটা শক্ত হয়ে গেল। তিনি জানেন রমজান মানে গণেশ কে। কিন্তু কিছু বলতে গেলে লায়লা বেগম খুব নিয়ে নিয়ে গেলেন—

“হ্যা, ঠিক আছে না বলেছি। রমজান তোকে ভালো গাড়ি চালানো।

কায়নাতের মুখটা লাল হওয়া। সে চুপ করে, কিন্তু হাতের আঙুল টেবিলের মুঠো হয়ে গেল। গণেশকে নিয়ে যাওয়া—এটা তার পছন্দ না। কিন্তু এখন অনেক অনেক, সে কী করে না বলে?

নার্গিসও ভাই হেসে বললেন,  
“দেখবেন, রমজা খুব ভালো মানুষ৷

করিম সাহেব আর কিছু বলতে বলতে না। ইউসুর আমার আমাদের রাজি হয়ে গেছে। তিনি কয়েক থেমে, তারপরে লিখতে লিখতে—

“রমজান!”

র কাছে গণশ ছিল। সে চেষ্টা করতে এগিয়ে এল। মাথা নিচু করা,  
"জি, সাহেব?"

করিম সাহেব গম্ভীর গলায় বললেন,  
“কাল তুমি গাড়ি নিয়ে ব্যবসা করবে।

গণেশ নম্রভাবে মাথা নাড়ল।  
"জি সাহেব। আমি সব সামলে নেব।"

তারপর সে একবার কায়নাতের দিকে তাকাল।

কানাতের দেখাও তার দিকে গেল। দেখাচোখি হল মাত্র এক সেকেন্ড। গণেশের নিরীহ সেই একই ছায়া—শান্ত, আর বিজয়ের জয়ন্ত্রর সদস্য লুকানো।

কনাত দ্রুত দৃশ্যমান নিল। তার মুখটা রাগে শক্ত হয়ে গেল। ঠোঁট টিপে ধরল, কথার ইন্সটল রাখছে। সে মোটেও দেবে না। প্রচুর না।

লায়লা বেগম হাসিমুখে বললেন,  
“আচ্ছা, তাহলে ঠিক হল। সকাল সকাল বের মত বের করতে হবে।

করিম সাহেব চুপচাপ মাথা নাড়লেন। কয়নাত খাবারে আলোচনায় দেখতে, কিন্তু একটা গ্রাস গলা দিয়ে নামছে না।

টেবিলের ওপার গণেশ দন্ড পিছিয়ে গেল। আগে বারবার চলে যাওয়ার দিকে তাকাল—এবার সামনে যাওয়ার একটা নিঃশব্দ প্রশ্ন: “এখন কী করবে?

কায়নাতের বুকের কোনটা পুড়তে শুনতে।  
সে বলে  
“এ লোকটা… এ বাড়িতে আর এক মুহূর্তও উচিত না।




চলবে ----------



 

Post a Comment

0 Comments

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন। ×