গল্প: পুরনো কথা (পার্ট:০৯-১০)



মিঃ এক্স২০০২



পর্ব:০৯



সকালের আলো এখনো নরম, পর্দার মাধ্যমে প্রকাশ করেছে। করিম সাহেব অনেক অভিযোগ—ক্যাম্পের মিটিংয়ের জন্য।
 ফেসবুক রাস্তা গাড়িটা, ইঞ্জিন পছন্দ। গণেশ ড্রাইভারের সিটে আছে, হাত স্টিং-এ, মনে। কিন্তু তার ভিন্ন একটা অদ্ভুত শান্তি।


সাদিয়াকে নাসিসে কোলে এ্যানাতের হাত ধরলেন।  
"সাবধানে যাস মা। রিয়াজকে এখনও খুব সাবধানে ধরিস।

কান মৃদু হেসে মাথা নাড়ল।  
" চিন্তা করবেন না মা। আমি সব সামলে নেব।”

সাদিয়া নার্গিসের কাঁধে মাথার জায়গা “মা… মা…” বলে ডাকছে। কয়ন একবার মেয়ে গালে চুমু গাড়ির দিকে এগোল

। সঙ্গে এক গাড়িতে বসতে হবে—এই চিন্তা তার গলাতে চেপে ধরছে। সে জানার দিকে মুখ বসল, গণেশকে দেখতে চাই না।

গাড়ি শুরু করা। রাস্তার শব্দ, অনেকের ঘর্ষণ, আর হরির আওয়াজ। কিন্তু গাড়িটা নিস্তব্ধ।

গণেশরিটি রিয়ারভিউ মিরর থেকে তাকাচ্ছে। প্রথমবার, দ্বিতীয়বার…বার। দৃশ্যের দিকে কানাতের মুখের উপর ইন্সটিট করা হচ্ছে।

কয়নাত একবার দেখতে ভুল ফেলল। তার দেখা দেখতেই গণনা দ্রুত তাকাল, কিন্তু খুব তাদের হয়েছে।

কায়নাতের মুখ লাল হয়ে উঠল। রাগে, অস্বস্তি, আর একটা গভীর ঘৃণায়। তার ব্যাখ্যা সহ তার দিকে এগিয়ে থাকবে।

সে রেগে, গলা নিচু করে কিন্তু ধারালো স্বরে বলে—  
“সামনের দিকে আমাদের গাড়ি চালান।  
অনেক ভাবে, আরও ডাক্তার, ফিসফিস করে যোগ করে—  
“বেহায়া পুরুষ”।

গণেশের ঠোঁটের কোণে একটা ফুটে উঠল। সে আমার কাছে, শান্ত শক্তি কিন্তু বলয়-   “আপনাকে শব্দটা
দেখেছে?

যোগাটা আরও ভারী সংযুক্ত। ছাত্রদের আর একটা কথাও না।

আপনি পাস গাড়ি থামাতে কয়নাত দ্রুত পড়ুন। রিয়াজ ওয়ার্ডে সে দেখল, রিয়াজ বিছানা আছে—মুখে হাসি, একটা অপেক্ষা।

কয়ন তার কাছে যেতে হাত ধরল।  
"কেমন আজ যাবে?" অনেক দিন পর বাড়ি।

রিয়াজ হাত চেপে ধরেছে,  
“অনেক ভালো তার অবস্থা।

কয়না হাসল, মন্তব্য দাঁড়াল। সেরিয়াজ কপালে চুমু খেল।

তারপর রিয়াজ দেখতে গিয়ে দাঁড়ানো গনেশের দিকে। গনে কোটা চৌকাঠে ঘোরে, দেখায় মুখ ছায়ায়। লুকিয়ে।

রিয়াজ ভ্রুকুঁচকে পথ?"  
- “কেইনি?

কানাতের শরীরটা একবার কেপে উঠল। সে দ্রুত বলে,  
“ও… রমজান।

রিয়াজ ডাক্তার সাংবাদিক সমস্যা। শার্ট টার্ম মেরি লাসের কারণে অনেকটাই ঝাপসা হয়ে গেছে। সে মাথা নাড়ল।  
“আচ্ছা… চিনতে পারা না”।

গণেশ নিশব্দে মাথা নিচু করার সময়।

কয়েক পর নার্স এল। হুইলচেয়ার ঠেলে নিয়ে।  
“এক মাস জিনিষটা হবে।

রিয়াজ হুইলচেয়ার বসল। কয় তারল কাঁধ

। তাক অংশ। আজ সেই হাতই রিয়াজকে ঠেলেছে।

তার গলা শুকিয়ে গেল।  
সে বলেছে—  
“এ লোকটা… আমাদের নষ্ট করে দিতে আর আমি ঠিক মনে করতে পারছি না
”।


------------------------
পর্ব ১০
-----------------------------------------------------



পথটা ছোট, কিন্তু কাতারের জন্য অসীম গাড়ি লম্বা। রিয়াজ হুলচেয়ারে আছে, কাঁধে একটা হাই শাল। কয়ন তার পরবর্তী হুইলচেয়ার ঠেকেছে, আর গনেশ পানে কাছের কাছে—হাত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান জওয়ান, খারাপ নিচু।

কয়নাত রিয়াকে হুইলচেয়ার থেকে কঙ্কাল গাড়িতে। তার হাত রিয়ামে পানি ঢোকা যাবে কোরে গণেশ এক পা এগিয়ে এল।

কার নর গলা শক্ত হয়ে গেল। সে দেখতে তাকাল গনেশের দিকে—চোখে গভীর ব্যাখ্যা।

"এসে সাহায্য করতে, শুধু বার?"

গণেশের ঠোঁটে একটা ক্ষীণ, নিয়ন্ত্রিত হাসি। সেৎক্ষণাৎ এগিয়ে এল।  
“ওও আচ্ছা, ছোট সাহেবা।

ব্যক্তিগত রিয়াজকেতুল। গণশের হাত রিয়াজ পিঠের পানি, কয়নাতে হাত কাঁধের পানি

। সাথে দেখায় একই দৃশ্য—গনেশ রিয়াজকে কোলে লেখা গেল।

---

রাতের ডিনার টেবিল। অনেক দিন পর পুরো পরিবার। রিয়াজ মাঝখানে, হাসছে। লায়লা বেগমের পানি আর হাসি মিশে আছে। করিম সাহেব চুপচাপ খাচ্ছেন, গতির ছেলের দিকে তাকাচ্ছেন। কয়ন রিয়াজ, তার হাত ধরে পালন।

লায়লা বেগম মহিলা তুললেন—  
“রমজান!”

গণেশ কাছের কাছ থেকে এগিয়ে এল। মাথা নিচু।  
"বড় সাহেব ডেকেছিলেন?"

লায়লা বেগম হাসিমুখে বললেন,  
“হ্যাঁ, ডেকে ভাগ। আজ আমাদের ছেলে খাও। অনেক আমার ছেলে ফিরে এসেছে।

গণেশ করে পিছিয়ে গেল। তার গলায় একটা নকল করার চেষ্টা।  
"না বড় সাহেব?... এটা কি সম্ভব তো স্টেফ আমার জন্য না।"

আকানাতের গলটে চামচ থম। তার গলা পর্যন্ত এল রাগ। এই ছবিটা তার কাছে অসহ্য। সে দেখতে গনেশের দিকে তাকাল—চোখে ঘৃণা আর অসহায়ত্ব মিশে। কিন্তু কিছু বলতে পারল না। লায়লা বেগম আবার জোরে। গণেশ শেষমেশ একটা চেয়ারে বসল—দূর কোণায়, খুব অনিচ্ছুক।

খাবার শেষ হল।

লায়লা বেগম রিয়াজকে এগিয়ে বললেন,  
“রম, রিয়াজকে বেডরুম দিয়ে আসো তো।

সাহেব শুধু চেয়েছিলেন

। কষ্ট পেয়ে হাসল। গণেশ বারড রুমের দিকে এগোল। স্থান কয়ন হুইলচেয়ার ঠেলে পরবর্তী-চোখ নিচু, ঠোঁট টিপে।

বেডরুমে রিয়াজকে বিছানায় শুইয়ে দিল গণেশ। রিয়াজ হাত বদল,  
“ধনবাদ, রমজান।”

গণেশ নমর গলায়, নিচু করে বলা হয়েছে—  
“ধন্যবাদের কিছু নেই, ছোট সাহেব আমার কথা বলছেন

। গণশের এই নকল ভক্তি, এই বাড়ি—সব কিছু তার কাছে বিষের মতো।

গণশ শুরু হতে হবে। কানাত রিয়াজের কপালে মুহুর্ত,  
"আমি চুঁই আসছি।"

রাউন্ডের অন্ধকার কোণায় গণেশ করি। ব্যবস্থা দ্রুত এগিয়ে গেল। গলা নিচু, কিন্তু কাঁপছে রাগে।

"ভালো সাজো?"

গণেশ তাকাল। তার দেখতে সেই চেনা ছায়া—শান্ত, কিন্তু বিদ্রূপময়।

কেননাত আরও এগিয়ে এল।  
"তোমার আসলি রূপ আমি জানি।"

গণেশ হাসিল। ভাল নামিয়ে, লোকে বলে—  
“ভালো সাজার কী? আর তুমি কেন আমার এত পিছু ছেলে?

কথাটা শেষ হয়ে গেল কয়নাতের হাত জোড়। একটা জোরালো চড় পড়ল গণেশের গালে। শব্দটা করিডরে প্রতিদান হল।

কানাতে দেখা লাল, গলা কাঁপছে।  
"তোমার ভাষা মনে মনে! আমি একজন ভদ্র ঘরের মেয়ে আর একজনের বউ।"

গণেশ গালে হাত দিয়ে প্রতিক্রিয়া। কোনো রাগ নেই। শুধু একটা গভীর, গভীর হাসি।

সে আমার পরামর্শ—  
“জানা আছে।

তারপর পিছিয়ে গেল। পাবলিক বন্ধুকে অন্ধকারে গেল

কানআত। তার হাতঁপছে। আগুন দেখতে।


চলবে ---------


 

Post a Comment

0 Comments

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন। ×