Bangla Choty Golpo

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(১৪)

 



পর্ব:১৪





মা- শুয়ে শুয়ে বলল দেখেছ এখনও সে এলনা। আসো তুমি আমার পাশে শুয়ে পরো।

আমি- মায়ের পাশে শুয়ে প্রএ দেখবে এখুনি এসে পড়বে ঘড়ি দেক এখন প্রায় ১০শ টা বেজে গেছে কারেন্ট নেই বাজার বন্ধ হয়ে গেছে আসবে এখুনি। এই বলত বলতে কারেন্ট এসে উপস্থিত। আলো জ্বলে উঠল। আজ তিনদিন হল কারেন্ট পেয়েছি।
মা- আমাকে টেনে নিয়ে আমার মুখে চুমু দিয়ে সত্যি তুমি একটা ভালো পুরুষ হয়েছে, তোমার মতন পুরুষ সব মেয়েরাই চাইবে। মোট তিনবার করলে তুমি তাতেই আমি বুঝেছি, তুমি পারবে।
আমি- মা সে তো ঠিক আছে কিন্তু আমি আমার মাকে এখনও ভালো কোরে দেখতেই পারলাম না। আমার এত সুন্দরী মাকে একবার দুচোখ দিয়ে দেখতে পারলাম না।
মা- হবে কালকে দিনের বেলা তোমার বাবা গেলে আমরা ঘরে বসে করব, তখন দুচোখ ভরে দেখে নিও।
এরমধ্যে বাবার কগলা, কইগো তোমরা দরজা খোলো।
আমি- উঠে গিয়ে দরজা খুললাম।
বাবা- ভেতরে আসতে আসতে বলল তোর মাকই ঘুমিয়ে গেছে নাকি।
আমি- না মা বিছানায় শুয়ে আছে ঘুমায়নি যাও ঘরে সব খাবার আনা আছে আমরাও খাই নাই তোমার জন্য অপেক্ষা করছিলাম।
বাবা- দাঁরা তবে বালতিতে জল আছেনা পা ধুয়েই যাই ভেতরে বলে পা ধুয়ে ভেতরে গেল।
আমি- দরজা বন্ধ করে বাবার পেছনে পেছনে ভেতরে গেলাম। মা তখনো শুয়ে আছে।
মা- বলল এই বাবা তুই আর তোর বাবাখেয়ে নে, আমার গা হাতপা ব্যাথা করছে দৌড়ে এসেছি না জমি থেকে। এখন খেতে ইচ্ছে করছে না।
বাবা- বলল আরে আসো কি বলছ রাতে না খেলে হয়।
মা- বলল না এখন খাবো না ছেলে তোমাকে আনতে গেলে কয়টা ঠাণ্ডা ভাত খেয়েছিলাম এখন আমার না খেলেও চলবে। সকালে পান্তা খেয়ে নেবো।
বাবা- দ্যাখ যা করলে ভালো হয়। নে বাবা ভাত রেডি কর আমার খিদে পেয়েছে।
আমি- খাবার নিয়ে বাবাকে দিলাম নিজেও নিলাম দুজনে খেয়ে নিলাম। এরপর মাকে বললাম যদি উঠতে ইচ্ছে না করে বল আমি তোমাকে খাইয়ে দেই।
মা- না সোনা লাগবেনা, আমি খেয়েছি ঐ সময় ঠান্ডা ভাত তোদের দেবো তাই আমি আগেই খেয়েছি আর লাগবেনা। তুই রেখে গিয়ে ঘুমিয়ে পর। এখনো বৃষ্টি হচ্ছে তাইনা।
বাবা- হ্যা হ্যা ভালই বৃষ্টি হচ্ছে।
মা- তবে থাক বাবা তুই গিয়ে শুয়ে পর, কারেন্ট তো আছে যা গিয়ে শুয়ে পর।
আমি- আচ্ছা মা বলে আমার রুমে এলাম। আজকে তো শোনাও যাবেনা, কারন বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে কি করব। বাধ্য হয়ে শুয়ে পড়লাম। তবে মনে একটা স্বস্তি হল মা আমার হয়েছে। আর মাকে দুইবার চুদেছি কষ্ট কম হয়নি ঘুমিয়েও পড়লাম। ইচ্ছে ছিল ওদের কথা শুনবো কিন্তু বাধ সাজল বৃষ্টি। ঠান্ডা আভাওয়ায় ভালই ঘুমালাম।
রাতে বৃষ্টি হলেও সকালে আকাশ একদম পরিস্কার। বাবা আমাকে ডেকে তুলল আর বলল এই যা একবার দেখে আয় তোর পাটের কি অবস্থা। আবার নুয়ে পরেনি তো দেখে আয়।
আমি- আচ্ছা যাচ্ছি তুমি পারলে একটু মাংস এনো।
বাবা- আচ্ছা যাচ্ছি আমি নিয়ে আসবো তুই দেখে আয়।
আমি- আচ্ছা বলে মায়ের সাথে কোন কথা হলনা সোজা জমিতে গেলাম। গিয়ে দেখি না যা ঝর বৃষ্টি হয়েছে পাট সোজা হয়ে দাড়িয়ে আছে। তবে হলুদ পাতা ঝরে গেছে। সব দেখে তারপর ধানের জমি দেখে বাড়ি ফিরতে একটু বেলাই হয়ে গেল। ফিরে এসে দেখি বাবা আর মা বসে আছে মাংস নিয়ে এসেছে।
বাবা- কিরে কেমন দেখলি সমস্যা নেই তো কোন।
আমি- না না বৃষ্টি পেয়ে বরং ভালই হয়েছে। হলুদ পাতা ঝরে গেছে এখন সোজা হয়ে দাড়িয়ে গেছে।


বাবা- যাক প্রথমবার চাষ করেছিস নুয়ে পড়লে ভালো লাগত না। চল যাবি নাকি বাজারে।

মা- না এখন যেতে হবে আমাকেকাজ করে দিক তুমি গেলে যাও আর হ্যা তাড়াতাড়ি এস মাংস রান্না করে বসে থাকতে পারবোনা ১ তার মধ্যে আসবে কিন্তু।
বাবা- আচ্ছা বাবা আসবো ভেবনা তুমি চলে আসবো তুমি রান্না কর, আর বাবা তুই একটু গরু গুলোকে খেতে দিস, গাইটা বাচ্চা দেবে দুই একদিনের মধ্যে, অলান কেমন বড় হয়েছে দেখেছ তুমি তবে দুধ খেতে পারবো।
মা- হ্যা কাল বাদে পরশু পুরনিমা ওই সময় বাচ্চা দেবে।
বাবা- আচ্ছা যাই তবে আমি একটু চা খেয়ে সবার সাথে দেখা করে আসি।
মা- আমার বেশী সময় লাগবেনা মাংস চাপিয়ে দিয়েছি এরপর শুধু ভাত করব তাই তাস খেলতে বসবেনা আগেই চলে আসবে।
বাবা- আচ্ছা যা করিনা কেন ১ টার সময় আসলে হবে তো।
মা- হ্যা দুই ঘণ্টা সময় পাবে তুমি। এই বাবা চাল কয়টা একটু ধুয়ে দে তো চাপিয়ে দেই দো চুলায় তারপর কাপড় চোপোর কাচার আছে আমাকে সাহায্য করবি তুই।
বাবা- হ্যা বাবা করে দিস তোর মাকে যা করতে বলে।
মা- তোমার মতন নাকি আমার ছেলে আমার সব কাজ করে দেয় তুমি দাও না। ওর মতন তুমি পারো নাকি।
বাবা- ও ভালো পারে ওকে দিয়েই করাও, আমি কি তোমাকে বারন করেছি, ছেলে যখন করতে পারে ওকে দিয়ে করাও। তোমার ছেলে তোমার কাজ করবে না তো কার কাজ করবে। দে বাবা মা যেভাবে করতে বলে সেভাবেই করে দিস। এই আমি চললাম। এই বলে সোজা বাজারের দিকে হাটা শুরু করল।
আমি- মায়ের পাশে বসেই বললাম মা রাতে কি হল আমি চেষ্টা করেছিলাম শোনার পারিনাই। করেছে বাবা।
মা- হুম খুব খুশী হয়েছে তোর রসে একদম পিছলা ছিল ঢুকতে এক্টূও অসবিধা হয় নাই।
আমি- বুঝতে পারেনিত।
মা- না তবে তোর বইটা ছিল বিছানায় আমি তো খেয়াল করিনি চোখে পড়েছে ওনার দেখেই বুঝেছে যে আমি পরে খুব গরম হয়ে গেছিলাম তাই সন্দেহ করে নাই। অনেকদিন পরে ঢেলেছেও অনেক তোর মতন।  
আমি- মা দেবে তো এখন একবার। তবে তুমি বাবাকে যেভাবে বললে যদি চলে আসে কি হবে।
মা- আরে আমি তো ভেবেছিলাম তোর বাবা রাগ দেখাবে এমন নরন হবে তাই জানতাম নাকি কি আর করা যাবে দেখি ক্খন সুগোগ পাওয়া যায়। কালেক তো দুবার দিয়েছিস আজকে আবার না হয় রাতে দেবো তোর বাবার আসার আগে। এখন কোন রকম চান্স নেওয়া যাবেনা বুঝলি।
আমি- দ্যাখ ইচ্ছে তো খুব করছিল কিন্তু ঐযে বলেছি আমি তোমাকে সারজিবনের জন্য চাই একদিনে শেষ করতে চাইনা।
মা- হ্যা এভাবে আমাদের চলতে হবে, তোমার বাবাকে সামলে নিয়ে চলতে হবে। সময় সুযোগ বুঝে করতে হবে আমাদের।
আমি- ঠিক আছে মা আর না হলে আমাদের তো ক্ষেত আছে তাইনা। পাটের পরে ধান হবে সেখানেও হবে এরপর জল এলে নৌকা, নৌকা নিয়ে যাবো আমাদের মাঠে কে আটকাবে।
মা- আমার সোনা ছেলে অনেক বুদ্ধি আছে তোমার। নাও সোনা এবার জল নিয়ে আসো আবার গরম পড়েছে আজকেও মনে হয় ঝার বৃষ্টি হবে। তোমার বাবা এখন খুব তাড়াতাড়ি চলে আসবে ফাকে তুমি গরুগুলোকে খাবার দিয়ে স্নান করে এস।
আমি- আচ্ছা বলে বেড়িয়ে গেলাম গরু ঘরে খর দিয়ে জল ওদের দিলাম। তারপর নিজেই স্নান করতে গেলাম। স্নান করছি এমন সময় বাবা আসলো আর বাবাও আমার সাথে স্নান করতে নামল।
বাবা- বলল কিরে তোর মাকে তো খুব খুশী লাগছে কারন কি রে।
আমি- না মানে সকালে জমি থেকে এসে মাকে বলতেই মা খুব খুশী আমি প্রথমবার ফসলের চাষ করছি তো, মা বলল বাবা তোর ফস্লটা ভালো হলেই আমি খুব খুশী। তাছাড়া তুমি বলতেই মাংস নিয়ে এলে তারজন্য হতে পারে।
বাবা- হবে যেভাবে চেস্টা করেছিস তাতে ভালো ফসল হবে, মাকে নিয়ে করছিস তো, না হয়ে পারে। তোর মা আসলে লক্ষ্মী ওর ছোঁয়া যে পাবে তার ভালো হবেই। তোর মা আসার পর থেকেই তো আমাকে এইভাবে সাথ দিয়ে গেছে তাই আমার কোন অসবিধা হয়নি। এখন আর আমার ভালো লাগেনা, আসলে কি জানিস তোর মাকে তো কষ্ট ছাড়া কিছুই দিতে পারিনি আমি। তুই তবুও তো শাড়ি এবং অনেক কিছু কিনে দিয়েছিস, তোর মা এত খুশী হয়েছে কি বলব, সত্যি বলছি বাবা আমি এমনি রাগ দেখালেও সত্যি আমিও খুশী হয়েছি তুই তোর মাকে খুশী করতে পেরেছিস।
আমি- বললাম আমি দিতাম নাকি তুমি তো দাও না, মা অনেক অভিযোগ করছে আমার কাছে তারপর আমি কিনে দিয়েছি।
বাবা- ভালো করেছিস, তুই দিবি না তো কে দেবে। তুই ওর ছেলে তোর প্রতি ওর একটা আবদার আছে ভালো করেছিস বাবা, যা লাগে এখন থেকে তুই সব দিবি। আমি আর কিছুই সেরকম দিতে পারবো না সব তোকেই দিতে হবে বুঝি, যা চায় তি তুই তোর মাকে দিস, আমি কিছু বলব না।  
আমি- বাবা তবে তোমার উপরে কিন্তু মায়ের খুব রাগ, কেন এমন করেছ তুমি। মাকে একটু সময় তো দিতে পারো। গত একমাস ধরে না হয় আমি মায়ের সাথে সবসময় কাজ করি এর আগে তো আমিও বেড়িয়ে যেতাম, মা ঘরে বাড়িতে একা একা থাকত, এরফলে মায়ের মন বিষিয়ে উঠেছিল। এখন আমি সাথে থাকি বলে মা একটু নরম হয়েছে। তাছাড়া তুমি নাকি মাকে অকারনে গালাগালিও করেছ। এসন তোমার করা কি ঠিক।




Share:

0 comments:

Post a Comment

Xgossip. Bangla Choty Golpo

Tags

Xgossip— Bangla Choty Golpo. Powered by Blogger.

Ad Space

Featured post

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(১৫)

  পর্ব:১৫ বাবা- কি বলব বাবা তোকে, আসলে তোর মাকে বকা ঝকা করেছি তার কারন আছে তুই আমার ছেলে তোকে কি বলব সব তো খুলে বলা যায়না। আমি- কেন বাবা আমি...

Search This Blog

🔞 ১৮% সতর্কবার্তা

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন।

About Us

About Us
এই খানে পাবেন বিভিন্ন লেখকদের বিভিন্ন ক্যাটাগরির চটি গল্প।

Translate

Popular Posts

Popular Posts