লেখক:nila60পর্ব:০২
বিয়ের পর তিন মাস কেটে গেল। তিন মাস—যেন এক পলকে। রাহিম আর আয়েশার নতুন জীবন শুরু হয়েছিল গুলশানের একটি অভিজাত অ্যাপার্টমেন্টে। বাড়িটি ছিল বারো তলা ভবনের নবম তলায়, তিন বেডরুমের, বড় বারান্দা, যেখান থেকে পুরো ঢাকা শহরের আলো দেখা যায়। রাহিম তার নতুন চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন—একটি বহুজাতিক কোম্পানিতে মার্কেটিং হেড হিসেবে। আয়েশা বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি ছেড়ে দিয়ে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে লেকচারার পদে যোগ দিয়েছিল।
প্রথম দুই মাস ছিল স্বর্গীয়। সকালে ঘুম থেকে উঠে দুজনের নাস্তা, তারপর রাহিম অফিসে চলে যাওয়া, বিকেলে ফিরে আসা, রাতে একসাথে ডিনার, তারপর শয়নকক্ষে প্রেম—সবই ছিল স্বাভাবিক, সুন্দর। পরিবারের সবাই মেনে নিয়েছিল তাদের বিয়ে। ফুপু আর চাচা এখন তাদের বাড়িতে নিয়মিত আসেন। মা-বাবাও গর্বিত ছেলের নতুন সংসার দেখে।
কিন্তু তৃতীয় মাস থেকে কিছু একটা পরিবর্তন হতে শুরু করল আয়েশার মধ্যে। প্রথমে এতো সূক্ষ্ম ছিল যে রাহিম খেয়াল করেননি। আয়েশা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে প্রায়ই ইন্টারনেটে কিছু একটা দেখত—রাহিম জানতেন না কী। মাঝে মাঝে রাতে যখন তারা মিলিত হত, আয়েশা চোখ বন্ধ করে কল্পনা করত—কী কল্পনা করত সে?
এক রাতে, বৃষ্টির শব্দে ভরা এক সেপ্টেম্বরের রাতে, যখন বাইরে বজ্রপাত হচ্ছিল, রাহিম আর আয়েশা তাদের মাস্টার বেডরুমে শুয়ে ছিল। বড় বেড, সাদা চাদর, আর আয়েশা রাহিমের বুকে মাথা রেখে শুনছিল তার হৃৎস্পন্দন। রাহিম আয়েশার চুলে হাত বুলাচ্ছিলেন—লম্বা, কালো, রেশমি চুল।
"স্বামীজি," আয়েশা হঠাৎ ফিসফিস করে বলল, "তোমার কি মনে হয় আমরা যথেষ্ট উত্তেজিত?"
রাহিম চমকে তাকালেন, "কী বলছো? আমি তো সবসময় তোমাকে চাই।"
"না, আমি অন্য কথা বলছি," আয়েশা উঠে বসল। বাতি নিভানো, শুধু বারান্দার আলো এসে পড়ছে তার মুখে। সে যেন এক অপরিচিতা—চোখে এক অদ্ভুত জ্যোতি, "আমি কিছুদিন ধরে অন্য রকম সব কল্পনা করছি।"
"কী কল্পনা?"
আয়েশা রাহিমের কানে মুখ এনে বলল, "আমি কল্পনা করি... আমি অন্য কারো সাথে... আর তুমি দেখছো। অথবা... আমাকে কেউ দেখছে আমাদের করতে।"
রাহিমের শরীরে এক ধাক্কা লাগল। প্রথমে অস্বস্তি হল—তার স্ত্রী অন্য পুরুষের কথা ভাবছে? কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে তিনি টের পেলেন তার লিঙ্গ অদ্ভুতভাবে শক্ত হয়ে উঠছে। তিনি নিজেই অবাক হলেন এই প্রতিক্রিয়ায়।
"তুমি... সিরিয়াস?" রাহিম কণ্ঠরোদ করে জিজ্ঞেস করলেন।
আয়েশা লজ্জায় মুখ লুকাল, কিন্তু তার শ্বাসপ্রশ্বাস দ্রুত হল, "আমি জানি এটা অদ্ভুত। কিন্তু যখন কল্পনা করি তোমার সামনে আমি অন্য কারো... তখন আমি অসাধারণ উত্তেজিত হই। আর তুমি? তুমি কি রাগ করছো?"
রাহিম চুপ করে রইলেন কিছুক্ষণ। তার মনে হাজারো চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছে—ধর্ম, সমাজ, সংসার—কিন্তু তার শরীর বলছে অন্য কথা। তার লিঙ্শ তার প্যান্টের নিচে কাঁপছে।
"আমি... আমি জানি না," রাহিম সত্যি বললেন, "কিন্তু যদি তুমি সত্যি চাও... যদি এটা তোমাকে সুখী করে..."
আয়েশা রাহিমের ঠোঁটে চুমু দিল, "তুমি সেরা স্বামী। কিন্তু আমি চাই তুমি আমাকে... শেয়ার করো। অন্য পুরুষের সাথে। আর দেখো আমাকে।"
সেই রাতে তাদের মিলন ছিল ভিন্ন। আয়েশা কল্পনা করছিল অন্য কাউকে, আর রাহিম সেটা টের পাচ্ছিলেন। যখন তিনি আয়েশার ভেতরে ছিলেন, আয়েশা চোখ বন্ধ করে বলছিল, "জোরে... আরও জোরে... আমাকে ভরে দাও..."
রাহিম বুঝতে পারছিলেন, আয়েশা কল্পনা করছে অন্য কাউকে। কিন্তু বিচিত্রভাবে, এতে তার উত্তেজনা বাড়ছিল, কমছিল না।
পরদিন থেকে আয়েশার আচরণে পরিবর্তন হল। সে আরও সাহসী পোশাক পরতে শুরু করল—ঘরে থাকতে গভীর কাটা নাইটি, কখনো কখনো রান্নাঘরে শুধু ব্রা আন্ডারওয়্যারে। রাহিম বুঝতে পারছিলেন, তার স্ত্রী এখন এক নতুন যৌনতা আবিষ্কার করেছে।
"আমি চাই তুমি আমাকে অন্য পুরুষের কাছে উপস্থাপন করো," একদিন সকালে নাস্তার টেবিলে আয়েশা বলল, "আমি চাই তোমার বন্ধুরা আমাকে দেখে ইচ্ছা করুক।"
রাহিমের হাত কাঁপছিল কফির কাপে, "তুমি নিশ্চিত?"
"হ্যাঁ," আয়েশা তার পা টেবিলের নিচে রাহিমের পায়ে ছুঁয়ে দিল, "আমি তোমার হটওয়াইফ হতে চাই। আর তুমি আমার কাকোল্ড স্বামী।"
অধ্যায় ৯: প্রথম টুইস্ট—আরমানের আগমন
অক্টোবরের এক সন্ধ্যায় আয়েশা তার পুরোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধু আরমানের কথা রাহিমকে বলল। আরমান—তিন বছর ধরে লন্ডনে ছিল, এখন ঢাকায় ফিরেছে একটি বহুজাতিক কোম্পানিতে কান্ট্রি হেড হিসেবে। সে এখনো অবিবাহিত, সুদর্শন, আর বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকতে আয়েশার প্রতি আগ্রহ ছিল তার—যা আয়েশা কখনো রাহিমকে বলেনি।
"আমি তাকে ডিনারে ডেকেছি শনিবারে," আয়েশা রাহিমকে বলল, সে সেদিন ইচ্ছে করেই খুব সেক্সি একটা কালো গাউন পরেছিল যা তার কোমরের বাঁক দেখাচ্ছিল, "তুমি রাজি তো?"
রাহিম জানতেন এটা শুরু। তিনি মাথা নাড়লেন, "আমি রাজি।"
শনিবার এল। আয়েশা সারাদিন প্রস্তুতি নিল। সে পার্লারে গেল, ফেসিয়াল করালো, বডি স্পা করালো, চুল স্ট্রেটনিং করালো। বিকেলে ফিরে সে রাহিমের সামনে দাঁড়াল—সে পরেছিল একটা লাল বেনারসি শাড়ি, কিন্তু ব্লাউজটা ছিল অসাধারণ গভীর কাটা—পিঠে প্রায় কোমর পর্যন্ত খোলা, সামনে ডেকলেটেজ এতো গভীর যে তার স্তনের উপরের অংশ প্রায় দেখা যাচ্ছিল। শাড়িটাও এমনভাবে পরা যে তার নাভি দেখা যাচ্ছে।
"তুমি... সুন্দর দেখাচ্ছো," রাহিম কণ্ঠরোদ করে বললেন। তার লিঙ্গ ইতোমধ্যে শক্ত হয়ে আছে।
"আরমানের জন্য," আয়েশা ঠোঁটে লিপস্টিক লাগাতে লাগাতে বলল, "আমি চাই সে আমাকে দেখে পাগল হয়ে যাক।"
সন্ধ্যা সাতটায় দরজায় কলিং বেল বাজল। রাহিম দরজা খুললেন। সামনে দাঁড়িয়ে ছিল আরমান—ছয় ফুট দুই ইঞ্চি লম্বা, চওড়া কাঁধ, কালো স্যুট, দাড়ি কাটা মুখ, আর চোখে এক অদ্ভুত আত্মবিশ্বাস। সে হাসল, দাঁত দেখা গেল, "রাহিম ভাই? আমি আরমান। আয়েশার বন্ধু।"
রাহিম হাত বাড়ালেন। হাত মিলল—আরমানের হাতটা শক্তিশালী, গরম। রাহিম বুঝতে পারলেন, এই পুরুষটি তার স্ত্রীকে নিয়ে যেতে পারলে নিয়ে যাবে—শারীরিকভাবে।
"আয়েশা! তোমার বন্ধু এসেছে," রাহিম ডাকলেন।
আয়েশা বারান্দা থেকে এলেন। সে হাঁটছিল এমনভাবে যেন ক্যাটওয়াকে মডেল। শাড়ির আঁচল তার কাঁধ পড়ে পড়ে যাচ্ছে। আরমানের চোখ আয়েশার দিকে গেল—আর সেখানেই আটকে গেল। তার চোখ প্রথমে আয়েশার মুখে গেল, তারপর নেমে এল গলায়, তারপর স্তনে—যেখানে শাড়ির ভাঁজে সেই দুটি গোলাকার ফলার উন্মেষ স্পষ্ট, তারপর কোমরে, তারপর নাভিতে।
"আরমান!" আয়েশা একটু ঝুঁকে অভিবাদন জানাল—ঝোঁকার সময় তার ব্লাউজের ভেতরটা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠল, "কতদিন পর!"
"তুমি... পরিবর্তিত," আরমান কণ্ঠরোদ করে বলল, তার চোখ আয়েশার বুকেই ছিল।
"পরিণত হয়েছি," আয়েশা হাসল, "আসো, ডাইনিং এ যাই। রাহিম আজ রান্না করেছে—তোমার জন্য বিশেষ কিছু।"
ডাইনিং টেবিলে তিনজন বসল। আয়েশা ইচ্ছে করে আরমানের পাশে বসল, রাহিমের বিপরীতে। টেবিলের নিচে রাহিম দেখলেন, আয়েশার পা আরমানের পায়ের কাছে গেল—আরমান সেটা টের পেয়ে একটু হাসল, কিন্তু কিছু বলল না।
খাবার খাওয়ার সময় আয়েশা প্রায়ই এগিয়ে যাচ্ছিল—আরমানের কাঁধে হাত দিচ্ছিল, তার প্লেটে খাবার দিচ্ছিল। একবার সে হাত বাড়াতে গিয়ে ইচ্ছে করে তার স্তন আরমানের বাহুতে ছুঁয়ে দিল। আরমানের শরীর শক্ত হল, রাহিম দেখলেন তার প্যান্টের নিচে একটা উত্থান তৈরি হচ্ছে।
"তুমি লন্ডনে কী করছিলে?" রাহিম জিজ্ঞেস করলেন, কণ্ঠ শুকিয়ে।
"জব," আরমান উত্তর দিল, কিন্তু তার চোখ আয়েশার দিকে, "কিন্তু এখন বুঝতে পারছি দেশে ফেরা উচিত ছিল আগেই।"
"কেন?" আয়েশা চোখ কটকট করে জিজ্ঞেস করল।
"কারণ এখানে এতো সুন্দর জিনিস আছে যা আমি মিস করছিলাম," আরমান সরাসরি বলল, তার দৃষ্টি আয়েশার ঠোঁটে।
রাহিম বুঝতে পারছিলেন, এটা একটা খেলা। আর তিনি এই খেলার একজন দর্শক হতে চান।
রাত দশটায় আরমান চলে যাওয়ার সময় হল। দরজায় দাঁড়িয়ে সে আয়েশার হাত ধরে বলল, "আবার আসবো?"
"অবশ্যই," আয়েশা বলল, "আমরা দুজনেই চাইবো।"
দরজা বন্ধ হলে রাহিম আয়েশাকে জড়িয়ে ধরলেন। তার লিঙ্গ শক্ত, তার শ্বাস দ্রুত, "কেমন লাগল?"
আয়েশা ঘুরে তার কানে কামড় দিল, "তার চোখ দেখেছো? সে আমাকে খেতে চায়। আর তার প্যান্টের তলায়... তোমার চেয়ে অনেক বড় মনে হলো।"
রাহিম কেঁপে উঠলেন, "তুমি কি..."
"হ্যাঁ," আয়েশা তার হাত নিজের শাড়ির ভেতরে নিয়ে গেল—সে ভেজা, "আমি চাই তাকে। তোমার সামনে।"
অধ্যায় ১০: প্রথম গোপন মিলন—দর্শনের উত্তেজনা
পরবর্তী সপ্তাহে রাহিম নিজেই পরিকল্পনা করলেন। তিনি আরমানকে ফোন করে ডিনারে ডাকলেন—বিশেষভাবে। তিনি বললেন, "আয়েশা অনেক একা থাকে। তুমি এলে ভালো লাগবে।"
শুক্রবার রাতে আরমান এল। এবার আয়েশা পরেছিল কালো লেহেঙ্গা—পাকিস্তানি স্টাইল, কিন্তু ব্লাউজটা ছিল অত্যন্ত ছোট, কাঁধ খোলা, পিঠ পুরো খোলা, সামনে গভীর কাট। তার নাভি দেখা যাচ্ছে, আর পেটের উপরের অংশ।
রাহিম ইচ্ছে করে ওয়াইন এনেছিলেন—তিনি নিজে "বেশি" খেলেন। আসলে তিনি অভিনয় করছিলেন। তিনি চাইছিলেন অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার ভান করতে, যাতে আয়েশা আরমানের সাথে একা থাকে।
রাত সাড়ে দশটায় রাহিম সোফায় শুয়ে পড়লেন, ঘোর লাগার ভঙ্গি করে। "আমি... ঘুমাচ্ছি..." বলে চোখ বন্ধ করলেন। কিন্তু তার এক চোখ অল্প ফাঁকা রাখলেন।
আয়েশা আরমানের দিকে তাকালো। আরমান বুঝতে পারল—এটা একটা সংকেত। "তোমার স্বামী?" সে ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল।
"ঘুমিয়ে পড়েছে," আয়েশা উঠে দাঁড়াল, "আসো, বেডরুমে যাই।"
আরমান উঠে দাঁড়াল। সে ছয় ফুটের পুরুষ, আয়েশা পাঁচ ফুট চার—তারা যেন দুই ভিন্ন জগতের মানুষ। আরমান আয়েশার কোমরে হাত রাখল, তারপর তাকে ঘরের দিকে নিয়ে গেল।
রাহিম চোখ খুলল। তার হৃৎস্পন্দন বন্দুকের গুলির মতো কাচ্ছে। তিনি উঠে দাঁড়ালেন, নিঃশব্দে বেডরুমের দিকে গেলেন। দরজা একটু ফাঁকা—আয়েশা ইচ্ছে করে ফাঁকা রেখেছিল।
ভেতরে দৃশ্যটা ছিল অবিশ্বাস্য। আরমান আয়েশাকে দেয়ালে ঠেসে ধরে তার গভীর কাট ব্লাউজের ভেতর হাত ঢুকিয়েছে। আয়েশার মুখে একটা কামার্ত হাসি, চোখ বন্ধ। আরমান তার ঠোঁটে চুমু খাচ্ছে—গভীর, আক্রোশে ভরা চুমু, যেন রাহিমকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে।
"তুমি... সুন্দর," আরমান ফিসফিস করে বলল, "আমি তোমাকে চেয়েছিলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে।"
"এখন পেয়েছো," আয়েশা তার শার্টের বোতাম খুলতে লাগল, "আমার স্বামীর সামনে।"
আরমান ঘুরে তাকালো—সে জানত রাহিম দেখছে। সে হাসল, একটা বিজয়ী হাসি। তারপর সে আয়েশাকে ঘুরিয়ে দিল। আয়েশা দেয়ালে হাত দিয়ে দাঁড়াল, পিঠ আরমানের দিকে। আরমান তার লেহেঙ্গার কোমরবন্ধ খুলে দিল। লেহেঙ্গা পড়ে গেল। এখন আয়েশা শুধু একটি কালো লেসের প্যান্টি আর সেই ছোট ব্লাউজে।
আরমান তার প্যান্টি নিচে নামিয়ে দিল—আয়েশার গোলাপি যোনি বেরিয়ে এল, ভেজা, অপেক্ষায় আছে। আরমান নিজের প্যান্ট খুলল। তার লিঙ্গ বেরিয়ে এল—রাহিমের চেয়ে প্রায় দেড়গুণ লম্বা, আর অনেক মোটা। কালো, শিরাশিরা, শক্ত।
আয়েশা ঘুরে তাকালো, তার চোখে আশ্চর্য, "ও মাই গড... এতো বড়..."
"তোমার স্বামীর চেয়ে বড়?" আরমান অহংকার করে বলল।
"অনেক বড়," আয়েশা হাঁটু গেড়ে বসল, সে সেই বিশাল লিঙ্গটি হাতে নিল, তারপর মুখে নিল।
রাহিম দরজার ফাঁক দিয়ে দেখছিলেন। তার নিজের হাত নিজের লিঙ্গে—তিনি মাস্টারবেট করছিলেন। তিনি লজ্জা পাচ্ছিলেন, কিন্তু উত্তেজনা তাকে পাগল করে তুলছিল।
ভেতরে আয়েশা আরমানের লিঙ্গ চুষছিল—জোরে জোরে, লালা দিয়ে ভিজিয়ে। আরমান তার মাথা ধরে ঠেলছিল, নিজের লিঙ্গ গলায় পর্যন্ত ঢুকাচ্ছিল। আয়েশা কাশছিল, কিন্তু থামছিল না।
"চলো বিছানায়," আরমান তাকে তুলে নিল।
তারা বিছানায় শুয়ে পড়ল। আরমান আয়েশার ব্লাউজ খুলে ফেলল। তার স্তন দুটি বেরিয়ে এল—বড়, গোলাকার, তন্ময়। আরমান সেগুলো চুষতে লাগল, কামড়াতে লাগল। আয়েশা কাঁপছিল, "জোরে... আরও জোরে..."
আরমান তার দুই পা ফাঁকা করে দিল। তারপর সেই বিশাল লিঙ্গটি আয়েশার প্রবেশদ্বারে রাখল। এক ঝটকায় ঢুকিয়ে দিল।
আয়েশা চিৎকার করে উঠল, "আআআহ্! ফেটে যাচ্ছে... জোরে চোদো আরমান!"
আরমান ঠাপাতে শুরু করল—প্রথমে ধীরে, তারপর দ্রুত। বিছানা কাঁপছিল। আয়েশার স্তন দুলছিল। আরমান তার এক পা কাঁধে তুলে নিল, আরও গভীরে ঠাপাচ্ছিল।
"তোমার স্বামী দেখছে," আরমান ফিসফিস করে বলল, "সে দেখছে আমি তোমাকে কীভাবে চুদছি।"
"হ্যাঁ... দেখুক..." আয়েশা কাঁদতে কাঁদতে বলল, "দেখুক তার স্ত্রীকে বড় লিঙ্গ কেমন ভোগ করে... তোমারটা অনেক বড়... অনেক ভালো..."
রাহিম বাইরে দাঁড়িয়ে কেঁপে কেঁপে মালিশ করছিলেন। তিনি শুনতে পাচ্ছিলেন—আয়েশা কখনো তার সাথে এভাবে চিৎকার করেনি। আরমানের কাছে সে পাগল, নির্লজ্জ।
আরমান আয়েশাকে ঘুরিয়ে ডগি স্টাইলে করল। পেছন থেকে ঢুকিয়ে দিল। আয়েশা বালিষ কামড়ে চিৎকার করছিল, "আআআহ্! গভীরে... আরও গভীরে... ভরে দাও আমাকে..."
আরমান জোরে জোরে ঠাপাচ্ছিল। তার পাছার পেশী শক্ত হচ্ছিল, ঘামছিল। আয়েশাও ঘামছিল, তার চুল এলোমেলো। রাহিম দেখলেন, আরমানের লিঙ্গ বের হয়ে আবার ঢুকছে—ভেজা, চকচকে।
পনেরো মিনিট পর আরমান শেষ করতে চলল। সে আয়েশাকে শুয়িয়ে দিল, তারপর তার উপর উঠে জোরে জোরে ঠাপাতে লাগল। আয়েশা তার পিঠে নখ বসিয়ে দিল, "বের করো না... ভেতরেই দাও... আমার স্বামী দেখুক..."
আরমান এক শেষ ধাক্কা দিয়ে গভীরে ঢুকে আয়েশার ভেতরে প্রচুর বীর্য ঢেলে দিল। আয়েশা শরীর শক্ত করে কেঁপে উঠল—সে চরমে পৌঁছেছে।
আরমান শুয়ে পড়ল আয়েশার উপর। তারা একে অপরকে চুমু খাচ্ছিল। কিছুক্ষণ পর আরমান উঠে পোশাক পরতে লাগল। "আমি চলি," সে বলল, "তোমার স্বামী জানলে?"
"সে জানে," আয়েশা হাসল, "এটাই তো মজা।"
আরমান চলে গেল। রাহিম ঘরে ঢুকলেন। তিনি দেখলেন আয়েশা বিছানায় শুয়ে আছে, পা দুটো ফাঁকা, তার যোনি থেকে আরমানের সাদা বীর্য পড়ছে। গোপনাঙ্গ লাল, ফুলে আছে, ভেজা।
"দেখলে?" আয়েশা তাকে ডাকল, "এসো... এসো পরিষ্কার করো..."
রাহিম বিছানায় হাঁটু গেড়ে বসলেন। তিনি আয়েশার যোনিতে মুখ নামালেন। সেই মিশ্রিত গন্ধ—আয়েশার আর আরমানের—তাকে পাগল করে তুলল। তিনি চেটে চেটে পরিষ্কার করতে লাগলেন। আয়েশা তার মাথায় হাত রাখল।
"দেখলে স্বামীজি?" আয়েশা কাঁপা কণ্ঠে বলল, "তোমার স্ত্রীকে অন্য পুরুষ কেমন ভরে দিল? তুমি কি এটাই চেয়েছিলে?"
রাহিম মুখ তুললেন। তার চোখে জল, কিন্তু লিঙ্গ শক্ত, "হ্যাঁ... আমি তোমার কাকোল্ড স্বামী হতে চাই।"
আয়েশা তাকে জড়িয়ে ধরল, "তাহলে তৈরি হও... এটা শুধু শুরু।"
অধ্যায় ১১: হটওয়াইফের পরিণতি
তারপর থেকে আয়েশা পুরোপুরি হটওয়াইফ হয়ে উঠল। রাহিমের অনুমতি নিয়ে, কখনো তার পরিকল্পনায়, সে বিভিন্ন পুরুষের সাথে দেখা করতে লাগল।
প্রথম ছিল তার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় প্রধান—পঞ্চাশোর্ধ্ব, বিয়ে করা, কিন্তু ক্ষমতাশালী। আয়েশা তার অফিসে গেল। রাহিম বাইরে গাড়িতে বসে অপেক্ষা করল। দুই ঘণ্টা পর আয়েশা বের হল—চুল এলোমেলো, গাল লাল, চোখে এক অদ্ভুত তৃপ্তি। "সে তার টেবিলেই নিয়েছিল," আয়েশা রাহিমকে বলল, "তুমি যদি দেখতে..."
দ্বিতীয় ছিল তাদের বিল্ডিংর জিমের ট্রেইনার—রাহান, ছাব্বিশ বছর বয়সী, শরীরচর্চায় নেশাগ্রস্ত। আয়েশা জিমে যাওয়া শুরু করল। একদিন রাহিম লুকিয়ে দেখল—ওজন রুমে, রাহান আয়েশাকে বেঞ্চে শুইয়ে তার স্পোর্টস ব্রা খুলে তার স্তন চুষছে, হাত নিচে ঢুকিয়েছে।
তৃতীয় ছিল একজন বিদেশি—আমেরিকান, রাহিমের কোম্পানির পার্টনার। হোটেলে এক রাত। রাহিম ভিডিও কলে দেখল—আয়েশা সেই সাদা পুরুষের কাছে নিজেকে সমর্পণ করছে, তার বিশাল লিঙ্গ নিয়ে খেলা করছে।
প্রতিবার রাহিম হয় লুকিয়ে দেখত, নয়তো ভিডিও কলে লাইভ দেখত, নয়তো পরে "পরিষ্কার" করত। আয়েশা প্রতিবার তাকে অপমান করত—তুলনা করত অন্য পুরুষের সাথে, বলত রাহিমেরটা ছোট, দুর্বল, অক্ষম।
কিন্তু এই অপমান রাহিমকে আরও উত্তেজিত করত। তিনি আসক্ত হয়ে পড়লেন এই লজ্জা ও উত্তেজনায়।
ডিসেম্বরে একদিন আয়েশা সবচেয়ে বড় চমক দিল। সে রাহিমকে বলল, "আজ তুমি শুধু দেখবে। কিছু করবে না। আমি দুজনকে ডেকেছি।"
"দুজন?" রাহিম অবাক হলেন।
"হ্যাঁ," আয়েশার চোখে এক উন্মাদনা, "আমি চাই দুজনে একসাথে। আর তুমি বাঁধা থাকবে।"
সন্ধ্যায় দুজন পুরুষ এল—একজন ছিল আরমান, আরেকজন ছিল তার বন্ধু সোহেল, আরও বড় শরীর, আরও কালো। রাহিমকে একটি চেয়ারে বেঁধে রাখা হল—হাত পা বাঁধা, চোখ খোলা, মুখে কাপড় নেই, কিন্তু সে চুপ থাকার শর্তে।
আয়েশা তাদের সামনে নাচতে লাগল—স্ট্রিপটিজ। সে ধীরে ধীরে তার পোশাক খুলতে লাগল। প্রথমে শাড়ি, তারপর ব্লাউজ, তারপর ব্রা—এখন সে শুধু প্যান্টিতে। তারপর সেটাও খুলে ফেলল। সে সম্পূর্ণ নগ্ন, দুই পুরুষের সামনে, তার স্বামী বাঁধা।
আরমান আর সোহেল তাকে ঘিরে ধরল। চার হাত তার শরীরে ঘুরছে—একজন স্তন চুষছে, আরেকজন যোনিতে আঙুল ঢুকাচ্ছে। আয়েশা কাঁদছিল, কিন্তু সুখের কান্না।
"দেখো রাহিম," আয়েশা তার দিকে তাকিয়ে বলল, "দেখো তোমার স্ত্রীকে দুজনে কেমন ভোগ করছে। তুমি কি এতো পারো? না পারো। তুমি তো ছোট লিঙ্গের কাকোল্ড।"
রাহিম কাঁদছিলেন, কিন্তু তার লিঙ্গ শক্ত। তিনি চাইছিলেন নিজেকে মুক্ত করে আয়েশার কাছে যেতে, কিন্তু বাঁধন শক্ত।
আরমান আয়েশাকে সোফায় শুইয়ে দিল। সোহেল তার মুখে তার লিঙ্গ ঢুকাল—বিশাল, কালো, মোটা। আরমান তার পা তুলে নিচে তার যোনিতে ঢুকাল। দুজনে একসাথে ঠাপাতে লাগল—একজন উপরে, একজন নিচে।
আয়েশা চিৎকার করছিল, "আআআহ্! দুজনে... দুজনে ভরে দিচ্ছে... দেখো স্বামী... তোমার স্ত্রীকে দুজনে মিলে ভরে দিচ্ছে!"
রাহিমের মুখ দিয়ে শুধু কামার্ত শব্দ বের হচ্ছিল। সে দেখছিল তার স্ত্রী দুই বিশাল পুরুষের মাঝে—একজন তার মুখ চুদছে, আরেকজন যোনি। আয়েশার শরীর দুলছিল, সে চরমে ছিল।
আধ ঘণ্টা পর দুজনে একসাথে আয়েশার ভেতরে বীর্য ঢেলে দিল—একজন মুখে, একজন যোনিতে। আয়েশা গেলে গেলে কেঁপে উঠল, তারপর শান্ত হল।
দুজন চলে গেল। রাহিমকে ছেড়ে দেওয়া হল। তিনি এগিয়ে এলেন। আয়েশা শুয়ে আছে—মুখে আর যোনিতে দুই পুরুষের বীর্য। সে ক্লান্ত, কিন্তু তৃপ্ত।
"পরিষ্কার করো," আয়েশা আদেশ দিল।
রাহিম মাথা নিচু করে তার স্ত্রীর শরীর চেটে পরিষ্কার করতে লাগলেন। তিনি আর কখনো আয়েশাকে একা পেতেন না—কিন্তু এই নতুন সম্পর্ক তাদের দুজনকে আরও গভীরভাবে বেঁধে ফেলেছিল। এটা ছিল এক অদ্ভুত বন্ধন—অপমান, লজ্জা, আর অসাধারণ যৌন উত্তেজনার।
সমাপ্তির ইঙ্গিত: চিরকালের গোপনীয়তা
বছর কেটে গেল। রাহিম আর আয়েশার সংসার এখন পুরোপুরি এক অন্য রূপ নিয়েছে। বাইরের দুনিয়ায় তারা স্বাভাবিক স্বামী-স্ত্রী—অফিস, বাড়ি, পরিবার, অনুষ্ঠান। কিন্তু চার দেয়ালের ভেতরে, আর নির্দিষ্ট কিছু হোটেল রুমে, তাদের জীবন ভিন্ন।
আয়েশা এখন পুরোপুরি একজন অভিজ্ঞ হটওয়াইফ। সে তার স্বামীর সামনে অন্য পুরুষদের কাছে নিজেকে সমর্পণ করে আরও বেশি উন্মাদ হয়ে উঠেছে। সে জানে কীভাবে একসাথে দুজনকে সামলাতে হয়, কীভাবে রাহিমকে অপমান করতে হয় যাতে সে উত্তেজিত হয়। সে বিভিন্ন পুরুষের সাথে সখ্য গড়ে তুলেছে—কখনো ডাক্তার, কখনো বস, কখনো অজানা।
রাহিম এই লজ্জা ও উত্তেজনায় আসক্ত হয়ে পড়েছে। তিনি এখন একজন পূর্ণাঙ্গ কাকোল্ড। তিনি আর আয়েশাকে স্পর্শ করেন না সেভাবে—শুধু "পরিষ্কার" করেন পরে। কখনো কখনো আয়েশা তাকে চেইরে বেঁধে রেখে অন্য পুরুষের সাথে মিলিত হয়, আর তিনি দেখেন।
পরিবার এখনো কিছু জানে না। মা-বাবা ভাবেন তাদের ছেলে আর বউ খুব সুখী। ফুপু ভাবেন মেয়ে ভাগ্যবতী। কেউ জানে না রাতে কী হয়—কেউ জানে না যে আয়েশা প্রায়শই বাড়ি ফেরে অন্য পুরুষের বীর্য নিয়ে, যে রাহিম তাকে পরিষ্কার করে, যে তাদের বিছানায় প্রায়ই তিনজন বা চারজন শোয়।
রাহিম আর আয়েশা তাদের এই গোপন জীবন চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের ভালোবাসা আরও গভীর হয়েছে—এক অদ্ভুত, বিকৃত, কিন্তু তাদের কাছে সত্যি ভালোবাসায়। আয়েশা তার স্বামীর সামনে অন্য পুরুষদের কাছে নিজেকে সমর্পণ করে আরও বেশি নারী হয়ে উঠেছে, আর রাহিম এই লজ্জা ও উত্তেজনায় নিজের পরিচয় খুঁজে পেয়েছে।
এক রাতে, আরেকটি "পরিষ্কার"-এর পর, আয়েশা রাহিমের বুকে মাথা রাখল। বাইরে শীতের কুয়াশা। ভেতরে গরম। আয়েশার শরীরে এখনো সেই রাতের অতিথির গন্ধ।
"তুমি কি সুখী?" আয়েশা জিজ্ঞেস করল।
রাহিম মাথা নাড়লেন, "হ্যাঁ। তুমি?"
"অনেক," আয়েশা চুমু দিল, "তোমার মতো স্বামী পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। যে আমাকে মুক্তি দেয়।"
"আর আমি তোমার মতো স্ত্রী পেয়েছি," রাহিম বললেন, "যে আমাকে এই স্বর্গের দরজা দেখিয়েছে।"
তারা হাসল। বাইরে সূর্য উঠছে। নতুন দিন, নতুন রাত, নতুন পুরুষ—কিন্তু একই ভালোবাসা। এক নিষিদ্ধ, গোপন, কিন্তু তাদের কাছে পবিত্র ভালোবাসা।
তারা জানে, এই জীবন চিরকাল চলবে। আয়েশা বড় হবে, রাহিম বৃদ্ধ হবেন, কিন্তু এই খেলা চলবে—যেখানে স্ত্রী অন্যের, কিন্তু ভালোবাসা সবার।
|
0 comments:
Post a Comment