সকালে মায়ের ডাকে ঘুম ভাঙ্গল, দুজনে বীজ নিয়ে জমিতে গেলাম। মা সব ধামায় বীজ রেডি করে দিল আমি আস্তে আস্তে সব বুনে শেষ করলাম। এরপর মাকে বললাম তুমি যাও ট্র্যাক্টর আসবে আমি মই দিয়ে তবেঁ বাড়ি ফিরবো। গিয়ে রান্না কর।
মা- তবে আমি যাই তুই সব সেরে তবেঁ বাড়ি আসিস কেমন। এই বলে মা ধামা কোমরে নিয়ে যেতে লাগল।
আমি- আচ্ছা মা তাই না করলে হবে বৃষ্টি আসার আগে এইকাজ গুলো শেষ করতে হবে কাল বৈশাখী আসলে সব নষ্ট হয়ে যাবে।
মা-আচ্ছা বলে চলে যাচ্ছে।
আমি- মায়ের দিকে তাকিয়ে রইলাম, মা হাঁটছে কি সুন্দর মায়ের পাছার দুই পাশ থল থল করে কাঁপছে। মা এত পরিশ্রম করে তবুও দেহের গড়ন দেখার মতন। জতদুর পর্যন্ত মাকে দেখা যাচ্ছিল আমি এক দৃষ্টে মায়ের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। এরপর আমি ট্রাক্টরের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম। একটু বেলা করে এল এবং সব জমি মই দিয়ে বাড়ি ফিরলাম ১২ টার সময়। স্নান করে খেয়ে নিয়ে বিকেল হতেই বাজারে যাবো তাই মায়ের কাছে গেলাম। মাকে বললাম এবার বল কি কি আনবো।
মা- তোর কাছে আর টাকা আছে যে তুই বাজারে যাবি।
আমি- আছে মা আছে তোমাকে দেওয়ার মতন টাকা আছে।
মা- তবে আপাতত একটা ব্লাউজ আর একটা শাড়ি আর ছায়া নিয়ে আয়, পাট উঠলে পরে কিনে দিস এখন এতেই হবে।
আমি- কেন ডাল তো পেকে গেছে উঠলেই বেঁচে তোমাকে আরো কিনে দেবো, বাবাকে আর বল্বনা, বাঃ জানাবোনা।
মা- তবে যা তাড়াতাড়ি নিয়ে আয়, আর তুই একটা প্যান্ট আনিস কাজ করার জন্য।
আমি- সে তো আনবো কিন্তু মাপ কি সে তো বললে না। আর প্যান্টের থেকে গামছা পরে কাজ করতে ভালো লাগে।
মা- ঐজে রোদে দেওয়া আছে ছেরা ব্লাউজটা ওটা নিয়ে যা ওর থেকে একটু বড় আনবি, ওটা বড্ড টাইট হয়।
আমি- আর ছায়া ওর মাপ কি।‘
মা- ওর মাপ লাগেনা বড় দেখে আনবি তাহলেই হবে।
আমি- আচ্ছা বলে মায়ের ব্লাউজটা একটা প্লাস্টিকে ভরে নিয়ে গেলাম। সোজা একটা দোকানে গেলাম। গিয়ে বললাম এইযে এর থেকে এক্ সাইজ বড় দিন একটা ব্লাউজ আর ছায়া।
দোকানদার- ব্লাউজটা হাতে নিয়ে ফিতা দিয়ে মাপ দিয়ে বলল এই ৩৬ সাইজের বড়টা দে এটা ৩৫ আছে। কি রঙের নেবেন লাল তোঃ এই বলে আমার হাতে পুরানো ব্লাউজটা দিল।
আমি- হ্যা হ্যা লাল দিন। বলে ব্লাউজটা ঘুরিয়ে দেখতে লাগলাম দুই জায়গায় ছেরা তবে বাটী দুটো বেশ বড়, তবে ছেরা হলেও মায়ের ব্লাউজটা বেশ পরিস্কার। ওরা সাথে সাথে একটা ছায়া আর ব্লাউজ দিল লাল রঙের। তারপর অন্য দোকান থেকে একটা শাড়ি নিলাম বাড়িতে পড়া বেশী দামের না। আমার কাছে টাকাও তেমন নেই। এরপর আমার জন্য একটা বারমুন্ডা নিলাম। মা ঠীকই বলেছে জমিতে কাজ করতে গেলে লুঙ্গি পরে হয়না তাই প্যান্ট নিলাম। এরপর বাড়ি ফিরে এলাম সন্ধ্যের মধ্যে।
মা- আমাকে দেখে বলল এনেছিস কই দেখি। বলে হাত থেকে ব্যাগ নিয়ে দুটোই দেখে নিল। ও লাল এনেছিস, যাক ভালই হয়েছে। কালকে পড়ব। এখন পড়া যাবেনা, তোর বাপ দেখলেই আবার কি বলে বসে কে জানে নিজে তো কিনে দেবেনা কিন্তু তুই এনেছিস শুনলেই তেলে বেগুনে জ্বলে উঠবে দরকার নেই কালকে স্নান করেই পড়ব।
আমি- কিছু না বলে ব্যাগ রেখে চলে গেলাম গরু ঘরে, সব গরু ঘরে তুলে রাখলাম। এরপর হাত পা ধুয়ে মায়ের কাছে এসে বসলাম। আর বললাম একবার পরে দেখতে পারতে ছোট বড় হলে আজকেই পালটে আনতে পারতাম।
মা- তবে তুই একটু হাড়ির কাছে বস আর জাল দে আমি পরে দেখে আসি।
আমি- আচ্ছা বলে মায়ের রান্না করতে লাগলাম। কিছুখন পরে মা ফিরে এল। আমি দেখেই জিজ্ঞেস করলাম। কি মা মাপের হয়েছে নাকি পাল্টাতে হবে।
মা- না একদম ঠিক মতন হয়েছে মাপের সাইজ আর পাল্টাতে হবেনা। একবারেই তো তুই মাপের আনতে পেরেছিস। আর ছায়াও ভালো মতন কোমরে এটেছে ছোট হয় নাই। এই কত দাম নিল।
আমি- দাম দিয়ে তোমার কি হবে, পছন্দ হয়েছে তোমার তাই বল। এই প্রথম তোমাকে কিছু কিনে দিলাম, আজ যে কি গর্ব লাগছে।
মা- বাব্বা আমার ছেলে বড় হয়ে গেছে, তুই জানিস তো আমি লাল পছন্দ করি তাই এনেছিস আর জিনিস্টাও আছে সুতীর তাই খুব পছন্দ হয়েছে, সব সময় পরার জন্য এমন কাপড়ের জিনিস দরকার। কোথাও গেলে একটু ভালো কিনতে হয়।
আমি- ভেবনা ডাল তুলে নেই ওর টাকা দিয়ে তোমাকে দামী একটা ডিজাইন করা ব্লাউজ কিনে দেবো। তখন তোমাকে নিয়ে যাবো পছন্দ করে কিনবে। কিন্তু মা আমাকে দেখালে না।
মা- এমনিতেই তো কালকে পড়লে দেখতে পাবি এখন দেখার কি আছে। কিরে কি ভাবছিস তুই।
আমি- না না ভাবছি তোমাকে এই ব্লাউজে কেমন লাগবে কল্পনা করছিলাম। কালকে ছেরা দেখে আমার খুব খারাপ লেগেছিল, সত্যি বলছি, আমি থাকতে তুমি ছেরা ব্লাউজ পরে থাকবে। চাষ যখন শুরু করেছি তোমার কোন অভাব রাখবো না।
মা- যাক আমার ছেলে বুঝেছে মায়ের কষ্ট, জীবনে তো তোমার বাবা আমাকে দুঃখ ছাড়া কিছুই দিল না, তবুও ছেলে মাকে তো বুঝেছে।
আমি- মা আমি থাকতে তোমাকে আর দুঃখ করতে হবেনা, এখন থেকে তোমার সুখের পালা, তোমার কোন দুঃখ আমি দেখতে পারবোনা। বাবা সত্যি ইদানিং কেমন হয়েগেছে তাই তুমি চিন্তা করবেনা, তোমার ছেলে তোমার সব আশা পূরণ করবে। বাবাকে আমি বুঝিয়ে দেবো যে আমি তোমার পাশে আছি, সরব্দা। এখন থেকে তোমার আর ভাবনা নেই, তোমার সব ভাবনা আমার। একের পর এক ফস্ল হবে আর আমি তোমার সব অভাব পূরণ করব।
এইভাবেই আমাদের দিন কাটতে লাগল, সারাদিন মায়ের কাছে কাছে থাকি, মায়ের সব কাজ করে দেই। দেখতে দেখতে দিন কুরিক কেটে গেল। পাট গাছ বড় হচ্ছে এদিকে আবার ফাকে ফাকে মুগ ডাল তুলতে লাগলাম। দিন রাত আমাদের মা ছেলের খাটুনি চলছে ফসল ঘরে তোলার জন্য। ডাল তুলে নিলাম আর আবার ওই জমিতে চাষ দিলাম। এই করতে করতে একমাস পার হয়ে গেল। এখন পাট গাছ অনেক বড় হয়েছে। নিড়ানি দিতে হবে মাকে বলতে।
মা- বলল চলো আমি আর তুই দুজনেই নিরিয়ে ফেলবো জন নিতে হবেনা। টাকা খরচা করতে হবে না, ঐ টাকা দিয়ে কিছু কেনা যাবে।
আমি- হেঁসে বললাম হ্যা মা তাই হবে বেকার জন নিয়ে টাকা খরচা করে লাভ নেই। ঐ টাকা দিয়ে আমি আমার মাকে সাজাবো। তোমাকে আর গরীবের মতন থাকতে হবেনা।
মা- দেখলি গত একমাসে একদিন তোর বাবা খোজ নিয়েছে আমরা কি করছি, ওদিকে আবার রাগ দেখায়। সত্যি বাবা আমি আর পারছিনা এই লোক্টাকে নিয়ে কি যে করব। আগে কিন্তু এমন ছিল না, কি যে লোকটার হয়েছে আমি জানিনা। একদম উদাসীন। যাক তবুও তুই দায়ীত্ব নিয়েছেন বলে রক্ষা না হলে আমাকে এখনও ওই ছেরা ব্লাউজ পরেই থাকতে হত।
আমি- মা যা বলে বলুক মুখ বুঝে শুনে যাও উত্তর দিতে হবেনা। তবে দেখবে আর কোন ঝামেলা হবেনা।
মা- দিন দিন যা বলে যাচ্ছে আমি সইতে পারিনা। অনেক আজেবাজে কথা বলে আমাকে। তোর সামনে বলেনা কিন্তু মাঝে মাঝে আমার জীবনটা অতিষ্ঠ করে ফেলে। এমন এমন কথা বলে যে আমি আকাশ থেকে পরি, কিন্তু তোর সামনে কিছুই বলেনা।
আমি- চুপ করে থাকো তুমি এরপর কিছু বললে বলবে আমাকে বলতে সব দোষ আমার উপর দিয়ে দেবে, যে সব কিছু আমি করছি।
মা- রাগ তো তোর উপরে, তুই কেন এত কিছু করছিস তারজন্য। আমাকে বলছিল ছেলেকে কি যাদু করেছ তুমি, সব সময় তোমার কাছে থাকে আমার খোজ নেয়না। সব কথা তোকে বলতেও পারিনা।
মা- তবে আমি যাই তুই সব সেরে তবেঁ বাড়ি আসিস কেমন। এই বলে মা ধামা কোমরে নিয়ে যেতে লাগল।
আমি- আচ্ছা মা তাই না করলে হবে বৃষ্টি আসার আগে এইকাজ গুলো শেষ করতে হবে কাল বৈশাখী আসলে সব নষ্ট হয়ে যাবে।
মা-আচ্ছা বলে চলে যাচ্ছে।
আমি- মায়ের দিকে তাকিয়ে রইলাম, মা হাঁটছে কি সুন্দর মায়ের পাছার দুই পাশ থল থল করে কাঁপছে। মা এত পরিশ্রম করে তবুও দেহের গড়ন দেখার মতন। জতদুর পর্যন্ত মাকে দেখা যাচ্ছিল আমি এক দৃষ্টে মায়ের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। এরপর আমি ট্রাক্টরের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম। একটু বেলা করে এল এবং সব জমি মই দিয়ে বাড়ি ফিরলাম ১২ টার সময়। স্নান করে খেয়ে নিয়ে বিকেল হতেই বাজারে যাবো তাই মায়ের কাছে গেলাম। মাকে বললাম এবার বল কি কি আনবো।
মা- তোর কাছে আর টাকা আছে যে তুই বাজারে যাবি।
আমি- আছে মা আছে তোমাকে দেওয়ার মতন টাকা আছে।
মা- তবে আপাতত একটা ব্লাউজ আর একটা শাড়ি আর ছায়া নিয়ে আয়, পাট উঠলে পরে কিনে দিস এখন এতেই হবে।
আমি- কেন ডাল তো পেকে গেছে উঠলেই বেঁচে তোমাকে আরো কিনে দেবো, বাবাকে আর বল্বনা, বাঃ জানাবোনা।
মা- তবে যা তাড়াতাড়ি নিয়ে আয়, আর তুই একটা প্যান্ট আনিস কাজ করার জন্য।
আমি- সে তো আনবো কিন্তু মাপ কি সে তো বললে না। আর প্যান্টের থেকে গামছা পরে কাজ করতে ভালো লাগে।
মা- ঐজে রোদে দেওয়া আছে ছেরা ব্লাউজটা ওটা নিয়ে যা ওর থেকে একটু বড় আনবি, ওটা বড্ড টাইট হয়।
আমি- আর ছায়া ওর মাপ কি।‘
মা- ওর মাপ লাগেনা বড় দেখে আনবি তাহলেই হবে।
আমি- আচ্ছা বলে মায়ের ব্লাউজটা একটা প্লাস্টিকে ভরে নিয়ে গেলাম। সোজা একটা দোকানে গেলাম। গিয়ে বললাম এইযে এর থেকে এক্ সাইজ বড় দিন একটা ব্লাউজ আর ছায়া।
দোকানদার- ব্লাউজটা হাতে নিয়ে ফিতা দিয়ে মাপ দিয়ে বলল এই ৩৬ সাইজের বড়টা দে এটা ৩৫ আছে। কি রঙের নেবেন লাল তোঃ এই বলে আমার হাতে পুরানো ব্লাউজটা দিল।
আমি- হ্যা হ্যা লাল দিন। বলে ব্লাউজটা ঘুরিয়ে দেখতে লাগলাম দুই জায়গায় ছেরা তবে বাটী দুটো বেশ বড়, তবে ছেরা হলেও মায়ের ব্লাউজটা বেশ পরিস্কার। ওরা সাথে সাথে একটা ছায়া আর ব্লাউজ দিল লাল রঙের। তারপর অন্য দোকান থেকে একটা শাড়ি নিলাম বাড়িতে পড়া বেশী দামের না। আমার কাছে টাকাও তেমন নেই। এরপর আমার জন্য একটা বারমুন্ডা নিলাম। মা ঠীকই বলেছে জমিতে কাজ করতে গেলে লুঙ্গি পরে হয়না তাই প্যান্ট নিলাম। এরপর বাড়ি ফিরে এলাম সন্ধ্যের মধ্যে।
মা- আমাকে দেখে বলল এনেছিস কই দেখি। বলে হাত থেকে ব্যাগ নিয়ে দুটোই দেখে নিল। ও লাল এনেছিস, যাক ভালই হয়েছে। কালকে পড়ব। এখন পড়া যাবেনা, তোর বাপ দেখলেই আবার কি বলে বসে কে জানে নিজে তো কিনে দেবেনা কিন্তু তুই এনেছিস শুনলেই তেলে বেগুনে জ্বলে উঠবে দরকার নেই কালকে স্নান করেই পড়ব।
আমি- কিছু না বলে ব্যাগ রেখে চলে গেলাম গরু ঘরে, সব গরু ঘরে তুলে রাখলাম। এরপর হাত পা ধুয়ে মায়ের কাছে এসে বসলাম। আর বললাম একবার পরে দেখতে পারতে ছোট বড় হলে আজকেই পালটে আনতে পারতাম।
মা- তবে তুই একটু হাড়ির কাছে বস আর জাল দে আমি পরে দেখে আসি।
আমি- আচ্ছা বলে মায়ের রান্না করতে লাগলাম। কিছুখন পরে মা ফিরে এল। আমি দেখেই জিজ্ঞেস করলাম। কি মা মাপের হয়েছে নাকি পাল্টাতে হবে।
মা- না একদম ঠিক মতন হয়েছে মাপের সাইজ আর পাল্টাতে হবেনা। একবারেই তো তুই মাপের আনতে পেরেছিস। আর ছায়াও ভালো মতন কোমরে এটেছে ছোট হয় নাই। এই কত দাম নিল।
আমি- দাম দিয়ে তোমার কি হবে, পছন্দ হয়েছে তোমার তাই বল। এই প্রথম তোমাকে কিছু কিনে দিলাম, আজ যে কি গর্ব লাগছে।
মা- বাব্বা আমার ছেলে বড় হয়ে গেছে, তুই জানিস তো আমি লাল পছন্দ করি তাই এনেছিস আর জিনিস্টাও আছে সুতীর তাই খুব পছন্দ হয়েছে, সব সময় পরার জন্য এমন কাপড়ের জিনিস দরকার। কোথাও গেলে একটু ভালো কিনতে হয়।
আমি- ভেবনা ডাল তুলে নেই ওর টাকা দিয়ে তোমাকে দামী একটা ডিজাইন করা ব্লাউজ কিনে দেবো। তখন তোমাকে নিয়ে যাবো পছন্দ করে কিনবে। কিন্তু মা আমাকে দেখালে না।
মা- এমনিতেই তো কালকে পড়লে দেখতে পাবি এখন দেখার কি আছে। কিরে কি ভাবছিস তুই।
আমি- না না ভাবছি তোমাকে এই ব্লাউজে কেমন লাগবে কল্পনা করছিলাম। কালকে ছেরা দেখে আমার খুব খারাপ লেগেছিল, সত্যি বলছি, আমি থাকতে তুমি ছেরা ব্লাউজ পরে থাকবে। চাষ যখন শুরু করেছি তোমার কোন অভাব রাখবো না।
মা- যাক আমার ছেলে বুঝেছে মায়ের কষ্ট, জীবনে তো তোমার বাবা আমাকে দুঃখ ছাড়া কিছুই দিল না, তবুও ছেলে মাকে তো বুঝেছে।
আমি- মা আমি থাকতে তোমাকে আর দুঃখ করতে হবেনা, এখন থেকে তোমার সুখের পালা, তোমার কোন দুঃখ আমি দেখতে পারবোনা। বাবা সত্যি ইদানিং কেমন হয়েগেছে তাই তুমি চিন্তা করবেনা, তোমার ছেলে তোমার সব আশা পূরণ করবে। বাবাকে আমি বুঝিয়ে দেবো যে আমি তোমার পাশে আছি, সরব্দা। এখন থেকে তোমার আর ভাবনা নেই, তোমার সব ভাবনা আমার। একের পর এক ফস্ল হবে আর আমি তোমার সব অভাব পূরণ করব।
এইভাবেই আমাদের দিন কাটতে লাগল, সারাদিন মায়ের কাছে কাছে থাকি, মায়ের সব কাজ করে দেই। দেখতে দেখতে দিন কুরিক কেটে গেল। পাট গাছ বড় হচ্ছে এদিকে আবার ফাকে ফাকে মুগ ডাল তুলতে লাগলাম। দিন রাত আমাদের মা ছেলের খাটুনি চলছে ফসল ঘরে তোলার জন্য। ডাল তুলে নিলাম আর আবার ওই জমিতে চাষ দিলাম। এই করতে করতে একমাস পার হয়ে গেল। এখন পাট গাছ অনেক বড় হয়েছে। নিড়ানি দিতে হবে মাকে বলতে।
মা- বলল চলো আমি আর তুই দুজনেই নিরিয়ে ফেলবো জন নিতে হবেনা। টাকা খরচা করতে হবে না, ঐ টাকা দিয়ে কিছু কেনা যাবে।
আমি- হেঁসে বললাম হ্যা মা তাই হবে বেকার জন নিয়ে টাকা খরচা করে লাভ নেই। ঐ টাকা দিয়ে আমি আমার মাকে সাজাবো। তোমাকে আর গরীবের মতন থাকতে হবেনা।
মা- দেখলি গত একমাসে একদিন তোর বাবা খোজ নিয়েছে আমরা কি করছি, ওদিকে আবার রাগ দেখায়। সত্যি বাবা আমি আর পারছিনা এই লোক্টাকে নিয়ে কি যে করব। আগে কিন্তু এমন ছিল না, কি যে লোকটার হয়েছে আমি জানিনা। একদম উদাসীন। যাক তবুও তুই দায়ীত্ব নিয়েছেন বলে রক্ষা না হলে আমাকে এখনও ওই ছেরা ব্লাউজ পরেই থাকতে হত।
আমি- মা যা বলে বলুক মুখ বুঝে শুনে যাও উত্তর দিতে হবেনা। তবে দেখবে আর কোন ঝামেলা হবেনা।
মা- দিন দিন যা বলে যাচ্ছে আমি সইতে পারিনা। অনেক আজেবাজে কথা বলে আমাকে। তোর সামনে বলেনা কিন্তু মাঝে মাঝে আমার জীবনটা অতিষ্ঠ করে ফেলে। এমন এমন কথা বলে যে আমি আকাশ থেকে পরি, কিন্তু তোর সামনে কিছুই বলেনা।
আমি- চুপ করে থাকো তুমি এরপর কিছু বললে বলবে আমাকে বলতে সব দোষ আমার উপর দিয়ে দেবে, যে সব কিছু আমি করছি।
মা- রাগ তো তোর উপরে, তুই কেন এত কিছু করছিস তারজন্য। আমাকে বলছিল ছেলেকে কি যাদু করেছ তুমি, সব সময় তোমার কাছে থাকে আমার খোজ নেয়না। সব কথা তোকে বলতেও পারিনা।
আমি- কি বলে তোমাকে আমাকে বলতো।
মা- থাক এখন না পরে বলব। তার থেকে চল আজকে পাট খেতে যাই নিড়ানি দিতে থাকি তিন চারদিন লাগবে তাইনা।
আমি- হ্যা তা তো লাগবেই, তিনটে জমি কতটা বীজ বুনেছি তোমার মনে নেই। তুমি তো চারা গজালে জাওনি তাইনা। এখন বেশ বড় হয়েছে। দিন ১০ শেকের মধ্যে গেলে দুই জমির মাজখানে দাঁড়ালে লোকজন দেখা যাবেনা।
মা- বলিস কি এত বড় হয়ে গেছে একবারও নিড়ানি দেওয়া হয় নাই। এতবড় হয়ে গেল গাছ, ভাবতেই পারিনাই আমি।
আমি- তা কেন পর পর তিন চারদিন আমি করেছিনা, তোমাকে বলিনি বললে তো তুমি চলে যেতে তাই। অত রোদে তোমাকে নিয়ে যাবো তাই বলিনি।
মা- বলল একা একা রোদে পুড়ে কাজ করলি আমাকে বললি না।ডাল গুলো একা একা করলি। আমাকে কি আর কাজ করতে দিবিনা। ডাল তো বিক্রি করলি। তোর বাবা জিজ্ঞেস করছিল সব ডাল বেঁচে দিয়েছিস। টাকার কথা বলছিল তোর বাবা।
আমি- কেন উনি কি ফলিয়েছে যে টাকার খোঁজ নিচ্ছে, কাজ করব আমরা আর উনি টাকা নিয়ে ফুর্তি করবে নাকি না সে হবেনা। তোমার কি লাগবে বলো তোমাকে কিনে দেবো বলছিলাম।
মা- না বাবা দরকার নেই, যদিও মাঝে জামাই বাড়ি যেতে হবে, ওদের ওখানে অমাবতীতে বড় মেলা হয় আমাকে যেতে বলেছে তোর বাবা আর আমি যাবো ঠিক করেছি। এই মাসের শেশেই আমাবতী, তখন যাবো। এই পাট কতদিনে কাটবি।
আমি- তবেঁ চলো তোমাকে আগে কিনে দেই তারপর দেখা যাবে। আর হ্যা বাবাকে বলতে হবেনা, বাবা বেড়িয়ে গেলে আমরা দুজনে আমাদের উপজেলার বাজারে যাবো ওখান থেকে তোমার পছন্দের শাড়ি ব্লাউজ আর যা লাগে কিনে দেবো, নতুন শাড়ি সব কিছু পরে জামাই বাড়ি যাবে। আমার বোন যেমন সুন্দরী তার মা তুমি তোমাকে একটু সেজে গুজে না গেলে হয়। পাট কাটবো আমাবতীর পরে তোমরা ঘুরে আসার পরে।
মা- তুই যে কি বলিস তোর বাবা অনেক আজে বাজে বলবে কি করব আমি। যদি দেখে তুই আবার আমাকে শাড়ি কাপড় কিনে দিয়েছিস তো রেগে যাবে খুব।
আমি- আরে তুমি আজকেই চলো তোমাকে সুন্দর করে সাজিয়ে জামাই বাড়ি পাঠাবো, সাথে বাবাকে কিনে দেবো যদিও সময় আছে। এখোও বেশ কিছুদিন বাকি, ভাবছ কেন। আজকেই যাবো আমরা দুজনে বাবা জানতে পারবেনা। উনি তো চলে গেছেন। আমরা দুপুরের পরে চলে যাবো উনি বের হলে পরে কি বল মা।
মা- আচ্ছা তুই যখন বলছিস তবে যাবো আমরা। কার না নতুন শাড়ি নিতে ইচ্ছে করে। আর যদি ছেলে কিনে দেয় তো না নিয়ে পারি আমি।
আমি- এইত আমার মা বলে বললাম এখন আমি একটু জমি থেকে ঘুরে আসি দুপুরের রান্না তুমি করো কেমন।
মা- আচ্ছা বাবা তবে যা তুই ঘুরে আয়।
আমি- ফিরে এসে মায়ের পাশে বসতেই।
মা- এই পাট কেমন হয়েছে।
আমি- দারুন মা আমাদের ক্ষেত সেরা হয়েছে বিমল পাল বলছিল মা ছেলে তো ভালই জমিয়ে দিয়েছিস চাষ। সব সময় মতন করেছিস তোরা। এবার তোদের পাট সেরা হবে। সবার থেকে বড় হয়ে গেছে। দারুন লম্বা হয়েছে মা, ডগা গুলো লক লক করছে, দুই আলের মাজে বসলে বাইরে থেকে দেখা যায়না, এত বড় হয়েছে তবেঁ জং হয়েছে নিড়ানি দিতে হবে বলছিলাম না তোমাকে।
মা- যা স্নান করে আয় আমি খাবার রেডি করি তোর বাবা তো এলনা এখনও, সময় মতন খেতেও আসবেনা। জানিস ছোট বেলা আমার বাবার বাড়ির সামনে পাট হত আমারা গিয়ে ওই খেতে লুকোচুরি খেলতাম।
আমি- মা আমাদের পাট ক্ষেত মনে হয় তেমন হয়েছে কেউ লুকিয়ে পড়লে খুঁজে পাওয়া যাবেনা বুঝলে।
মা- যা বাবা এবার স্নান করে আয় আমার হয়ে গেছে প্রায় তুই আসতে আসতে হয়ে যাবে। এই লুঙ্গি নিয়ে যা সব সময় প্যান্ট পরে থাকিস না এই গরমে, লুঙ্গি খোলামেলা গরম কম লাগে।
আমি- আচ্ছা মায়ের কথা মেনেই চলব বলে সোজা চলে গেলাম স্নান করতে এবং স্নান করে ফিরে এলাম লুঙ্গি পরে, স্নান করার সময় বার বার মায়ের লুকোচুরির কথা মনে পড়ল, যদি আমি আর মা কাজ করতে গিয়ে লুকোচুরি করতে পারি ভালই হবে। যত ভাবছি আর বাঁড়া একদম দাড়িয়ে যাচ্ছে নিচু হচ্ছে না। যাক হোক লুঙ্গি পড়লেও বাঁড়া দাড়িয়ে আছে সেই অবস্থায় স্নান করে এসে মায়ের পাশে বসলাম, লুঙ্গি পড়া মা তখনো ডাল ফোটাচ্ছিল, হাত দিয়ে ডালের ভেতরে নারা দিচ্ছে আর এদিকে শাড়ি সরে গিয়ে ডানদিকের স্তন্টা বেড়িয়ে আছে। উফ কত সুন্দর লাগছে আমার মাকে দেখতে। আমি যেমন মায়ের স্তন দেখছি এদিকে আবার মা আমার খাঁড়া বাঁড়াও দেখে ফেলেছে তাই একটু মুস্কি হাসিও দিল।
মা- বলল ওই দ্যাখ তোর বাবা এসে গেছে যা গিয়ে বস আমি ভাত নিয়ে আসছি।
আমি- বাবাকে বললাম এস বলে দুজনে খেতে বসলাম, আর মা আমাদের খেতে দিচ্ছিলো।
বাবা- বলল কিরে কি খবর চাষবাস করছিস ডাল বিক্রি করলি, আমাকে কিছু টাকা দে। বেশী দিতে হবেনা হাজার খানেক দিলেই হবে।
আমি- এখন হবেনা সার বীজ কিনতে হবে, এইসব কেনার পরে দেবো।
বাবা- আচ্ছা তাই দিস।
আমি- তুমি খেয়ে কি আবার চলে যাবে।
বাবা- হ্যা কাজ আছে।
মা- বলল ছেলেটা এত খাটছে একদিনের জন্য তো জমিতে যেতে পারো। ও একা একা সব করছে আমাকেও ডাকেনা তুমি এমন কেন গো।
বাবা- ছেলে বড় হয়েছে এখন ওর দেখার পালা আমি ব করেছি এতদিন এখন ও দেখুক আর তোমাদের জিনিস তোমরা দেখ আমি পারবোনা, দুবেলা দুটো খেতে দিও তাতেই হবে বাকি সব তোমাদের। এই বলে বাবা খেয়ে উঠে চলে গেলন।
মা- বলল দেখলি কি বলল তোমাদের জিনিস তোমরা করো, সব আমাদের তো টাকা চায় কেন লোকটা একদম উচ্ছন্নে গেছে যাক গে আমার খাওয়া হয়ে উঠি পরি কি বল। খেয়ে উঠে বলল কি যাবি তো নাকি। ফিরে এসে গরু বাঁধতে হবে তার আগে বেলায় ফিরে আসতে হবে।
আমি- হ্যা আমরা ভ্যানে যাবো আবার ভ্যানে আসবো। তুমি রেডি হও। এরপর দুজনে ঘর বন্ধ করে বেড়িয়ে পড়লাম উপজেলা বাজারে উদ্দেশ্যে। মা সাধারন একটা শাড়ি পড়েছে, তবে ওই লাল ব্লাউজটা পড়েছে। পায়ে একটা হাওয়াই চপ্পল।
মা- আমার সাথে রাস্তার দিকে যেতে যেতে বলল তোর আনা শাড়ি ব্লাউজ পড়লাম, নতুন তো অসবিধা নেই। এই তোর বাবা আবার দেখবে না তো। যদি দেখে আমি শাড়ি পরে তোর সাথে যাচ্ছি কি বলে কে জানে।
আমি- আরে না উনি এখন তাসে তুরুক দিচ্ছে। আমরা কোথায় যাচ্ছি সে দেখার ওনার সময় আছে বাজারের পেছনে গাছ তলায় অসে তাস খেলে সব সময়।
মা- কিরে শাড়ি পড়া ঠিক আছে তো। ভালো লাগছে আমাকে।
আমি- হ্যা মা দারুন লাগছে তোমাকে। মানিয়েছে শাড়ি ব্লাউজ কম দামী হলেও। ইস যদি একটু ঠোঁট টা লাল করতে আরো ভালো লাগত। কি বলব মা এই শারিতেই যা লাগছেনা তোমাকে কেউ আমার মা বল্বেনা বুঝলে, মনে হয় নতুন বউ যাচ্ছে।
মা- তবে আমার সাথে কে যাচ্ছে দেওর নাকি। এই আবার হেঁসে দিল। তুই আমার ছেলে এর থেকে বড় প্রমান আর কিছু নেই সব মা তার ছেলের সাথে নির্ভয়ে থাকে।
আমি- যাক আমার মা আমার উপর ভরসা করে।
মা- থাক এখন না পরে বলব। তার থেকে চল আজকে পাট খেতে যাই নিড়ানি দিতে থাকি তিন চারদিন লাগবে তাইনা।
আমি- হ্যা তা তো লাগবেই, তিনটে জমি কতটা বীজ বুনেছি তোমার মনে নেই। তুমি তো চারা গজালে জাওনি তাইনা। এখন বেশ বড় হয়েছে। দিন ১০ শেকের মধ্যে গেলে দুই জমির মাজখানে দাঁড়ালে লোকজন দেখা যাবেনা।
মা- বলিস কি এত বড় হয়ে গেছে একবারও নিড়ানি দেওয়া হয় নাই। এতবড় হয়ে গেল গাছ, ভাবতেই পারিনাই আমি।
আমি- তা কেন পর পর তিন চারদিন আমি করেছিনা, তোমাকে বলিনি বললে তো তুমি চলে যেতে তাই। অত রোদে তোমাকে নিয়ে যাবো তাই বলিনি।
মা- বলল একা একা রোদে পুড়ে কাজ করলি আমাকে বললি না।ডাল গুলো একা একা করলি। আমাকে কি আর কাজ করতে দিবিনা। ডাল তো বিক্রি করলি। তোর বাবা জিজ্ঞেস করছিল সব ডাল বেঁচে দিয়েছিস। টাকার কথা বলছিল তোর বাবা।
আমি- কেন উনি কি ফলিয়েছে যে টাকার খোঁজ নিচ্ছে, কাজ করব আমরা আর উনি টাকা নিয়ে ফুর্তি করবে নাকি না সে হবেনা। তোমার কি লাগবে বলো তোমাকে কিনে দেবো বলছিলাম।
মা- না বাবা দরকার নেই, যদিও মাঝে জামাই বাড়ি যেতে হবে, ওদের ওখানে অমাবতীতে বড় মেলা হয় আমাকে যেতে বলেছে তোর বাবা আর আমি যাবো ঠিক করেছি। এই মাসের শেশেই আমাবতী, তখন যাবো। এই পাট কতদিনে কাটবি।
আমি- তবেঁ চলো তোমাকে আগে কিনে দেই তারপর দেখা যাবে। আর হ্যা বাবাকে বলতে হবেনা, বাবা বেড়িয়ে গেলে আমরা দুজনে আমাদের উপজেলার বাজারে যাবো ওখান থেকে তোমার পছন্দের শাড়ি ব্লাউজ আর যা লাগে কিনে দেবো, নতুন শাড়ি সব কিছু পরে জামাই বাড়ি যাবে। আমার বোন যেমন সুন্দরী তার মা তুমি তোমাকে একটু সেজে গুজে না গেলে হয়। পাট কাটবো আমাবতীর পরে তোমরা ঘুরে আসার পরে।
মা- তুই যে কি বলিস তোর বাবা অনেক আজে বাজে বলবে কি করব আমি। যদি দেখে তুই আবার আমাকে শাড়ি কাপড় কিনে দিয়েছিস তো রেগে যাবে খুব।
আমি- আরে তুমি আজকেই চলো তোমাকে সুন্দর করে সাজিয়ে জামাই বাড়ি পাঠাবো, সাথে বাবাকে কিনে দেবো যদিও সময় আছে। এখোও বেশ কিছুদিন বাকি, ভাবছ কেন। আজকেই যাবো আমরা দুজনে বাবা জানতে পারবেনা। উনি তো চলে গেছেন। আমরা দুপুরের পরে চলে যাবো উনি বের হলে পরে কি বল মা।
মা- আচ্ছা তুই যখন বলছিস তবে যাবো আমরা। কার না নতুন শাড়ি নিতে ইচ্ছে করে। আর যদি ছেলে কিনে দেয় তো না নিয়ে পারি আমি।
আমি- এইত আমার মা বলে বললাম এখন আমি একটু জমি থেকে ঘুরে আসি দুপুরের রান্না তুমি করো কেমন।
মা- আচ্ছা বাবা তবে যা তুই ঘুরে আয়।
আমি- ফিরে এসে মায়ের পাশে বসতেই।
মা- এই পাট কেমন হয়েছে।
আমি- দারুন মা আমাদের ক্ষেত সেরা হয়েছে বিমল পাল বলছিল মা ছেলে তো ভালই জমিয়ে দিয়েছিস চাষ। সব সময় মতন করেছিস তোরা। এবার তোদের পাট সেরা হবে। সবার থেকে বড় হয়ে গেছে। দারুন লম্বা হয়েছে মা, ডগা গুলো লক লক করছে, দুই আলের মাজে বসলে বাইরে থেকে দেখা যায়না, এত বড় হয়েছে তবেঁ জং হয়েছে নিড়ানি দিতে হবে বলছিলাম না তোমাকে।
মা- যা স্নান করে আয় আমি খাবার রেডি করি তোর বাবা তো এলনা এখনও, সময় মতন খেতেও আসবেনা। জানিস ছোট বেলা আমার বাবার বাড়ির সামনে পাট হত আমারা গিয়ে ওই খেতে লুকোচুরি খেলতাম।
আমি- মা আমাদের পাট ক্ষেত মনে হয় তেমন হয়েছে কেউ লুকিয়ে পড়লে খুঁজে পাওয়া যাবেনা বুঝলে।
মা- যা বাবা এবার স্নান করে আয় আমার হয়ে গেছে প্রায় তুই আসতে আসতে হয়ে যাবে। এই লুঙ্গি নিয়ে যা সব সময় প্যান্ট পরে থাকিস না এই গরমে, লুঙ্গি খোলামেলা গরম কম লাগে।
আমি- আচ্ছা মায়ের কথা মেনেই চলব বলে সোজা চলে গেলাম স্নান করতে এবং স্নান করে ফিরে এলাম লুঙ্গি পরে, স্নান করার সময় বার বার মায়ের লুকোচুরির কথা মনে পড়ল, যদি আমি আর মা কাজ করতে গিয়ে লুকোচুরি করতে পারি ভালই হবে। যত ভাবছি আর বাঁড়া একদম দাড়িয়ে যাচ্ছে নিচু হচ্ছে না। যাক হোক লুঙ্গি পড়লেও বাঁড়া দাড়িয়ে আছে সেই অবস্থায় স্নান করে এসে মায়ের পাশে বসলাম, লুঙ্গি পড়া মা তখনো ডাল ফোটাচ্ছিল, হাত দিয়ে ডালের ভেতরে নারা দিচ্ছে আর এদিকে শাড়ি সরে গিয়ে ডানদিকের স্তন্টা বেড়িয়ে আছে। উফ কত সুন্দর লাগছে আমার মাকে দেখতে। আমি যেমন মায়ের স্তন দেখছি এদিকে আবার মা আমার খাঁড়া বাঁড়াও দেখে ফেলেছে তাই একটু মুস্কি হাসিও দিল।
মা- বলল ওই দ্যাখ তোর বাবা এসে গেছে যা গিয়ে বস আমি ভাত নিয়ে আসছি।
আমি- বাবাকে বললাম এস বলে দুজনে খেতে বসলাম, আর মা আমাদের খেতে দিচ্ছিলো।
বাবা- বলল কিরে কি খবর চাষবাস করছিস ডাল বিক্রি করলি, আমাকে কিছু টাকা দে। বেশী দিতে হবেনা হাজার খানেক দিলেই হবে।
আমি- এখন হবেনা সার বীজ কিনতে হবে, এইসব কেনার পরে দেবো।
বাবা- আচ্ছা তাই দিস।
আমি- তুমি খেয়ে কি আবার চলে যাবে।
বাবা- হ্যা কাজ আছে।
মা- বলল ছেলেটা এত খাটছে একদিনের জন্য তো জমিতে যেতে পারো। ও একা একা সব করছে আমাকেও ডাকেনা তুমি এমন কেন গো।
বাবা- ছেলে বড় হয়েছে এখন ওর দেখার পালা আমি ব করেছি এতদিন এখন ও দেখুক আর তোমাদের জিনিস তোমরা দেখ আমি পারবোনা, দুবেলা দুটো খেতে দিও তাতেই হবে বাকি সব তোমাদের। এই বলে বাবা খেয়ে উঠে চলে গেলন।
মা- বলল দেখলি কি বলল তোমাদের জিনিস তোমরা করো, সব আমাদের তো টাকা চায় কেন লোকটা একদম উচ্ছন্নে গেছে যাক গে আমার খাওয়া হয়ে উঠি পরি কি বল। খেয়ে উঠে বলল কি যাবি তো নাকি। ফিরে এসে গরু বাঁধতে হবে তার আগে বেলায় ফিরে আসতে হবে।
আমি- হ্যা আমরা ভ্যানে যাবো আবার ভ্যানে আসবো। তুমি রেডি হও। এরপর দুজনে ঘর বন্ধ করে বেড়িয়ে পড়লাম উপজেলা বাজারে উদ্দেশ্যে। মা সাধারন একটা শাড়ি পড়েছে, তবে ওই লাল ব্লাউজটা পড়েছে। পায়ে একটা হাওয়াই চপ্পল।
মা- আমার সাথে রাস্তার দিকে যেতে যেতে বলল তোর আনা শাড়ি ব্লাউজ পড়লাম, নতুন তো অসবিধা নেই। এই তোর বাবা আবার দেখবে না তো। যদি দেখে আমি শাড়ি পরে তোর সাথে যাচ্ছি কি বলে কে জানে।
আমি- আরে না উনি এখন তাসে তুরুক দিচ্ছে। আমরা কোথায় যাচ্ছি সে দেখার ওনার সময় আছে বাজারের পেছনে গাছ তলায় অসে তাস খেলে সব সময়।
মা- কিরে শাড়ি পড়া ঠিক আছে তো। ভালো লাগছে আমাকে।
আমি- হ্যা মা দারুন লাগছে তোমাকে। মানিয়েছে শাড়ি ব্লাউজ কম দামী হলেও। ইস যদি একটু ঠোঁট টা লাল করতে আরো ভালো লাগত। কি বলব মা এই শারিতেই যা লাগছেনা তোমাকে কেউ আমার মা বল্বেনা বুঝলে, মনে হয় নতুন বউ যাচ্ছে।
মা- তবে আমার সাথে কে যাচ্ছে দেওর নাকি। এই আবার হেঁসে দিল। তুই আমার ছেলে এর থেকে বড় প্রমান আর কিছু নেই সব মা তার ছেলের সাথে নির্ভয়ে থাকে।
আমি- যাক আমার মা আমার উপর ভরসা করে।







0 comments:
Post a Comment