Bangla Choty Golpo

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(০১)

 




দেশে অনেক উন্নতি হলেও কিছু গ্রাম আছে এখনও সেই সেকেলে রয়েছে গেছে। আমাদের পরিবার ঠিক তেমন। যদিও আমি সামান্য লেখা পড়া করেছি তবুও আমরা এখনও সেকেলে রয়ে গেছি। হ্যা আমার পরিবারের কথা বলছি। আমি আবির দাস। বর্তমান বয়স এই ২৩ বছর। আমার গুনধর বাবা রমেন দাস বয়স ৫৩ বছর।বাবাকে গুণধর কেন বললাম সেটা গল্পের শেষে বোঝা যাবে। আর আমার মা তনিমা দেবী বয়স এই ৪৫ বছর। তনিমা দাস না বলে কেন দেবী বললাম সেটা হয়ত গল্প ভালোভাবে পড়লে বুঝতে পারবেন।  



দেশে অনেক উন্নতি হলেও কিছু গ্রাম আছে এখনও সেই সেকেলে রয়েছে গেছে। আমাদের পরিবার ঠিক তেমন। যদিও আমি সামান্য লেখা পড়া করেছি তবুও আমরা এখনও সেকেলে রয়ে গেছি। হ্যা আমার পরিবারের কথা বলছি। আমি আবির দাস। বর্তমান বয়স এই ২৩ বছর। আমার গুনধর বাবা রমেন দাস বয়স ৫৩ বছর।বাবাকে গুণধর কেন বললাম সেটা গল্পের শেষে বোঝা যাবে। আর আমার মা তনিমা দেবী বয়স এই ৪৫ বছর। তনিমা দাস না বলে কেন দেবী বললাম সেটা হয়ত গল্প ভালোভাবে পড়লে বুঝতে পারবেন।  

আমাদের বাড়ি বাংলাদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামে যেখানে এখনও বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি। এখনও বিদ্যুৎ বিহিন গ্রাম। তবে আমাদের বাজারে এসে গেছে এখনও বাড়িতে কানেকশন দেয়নি দেবে অল্প দিনের মধ্যে দেবে নাম নথিভুক করেছে। আমাদের বড় টিনের ঘর, গরু আছে। মাঠে অনেক জমি আছে যাতে ধান ডাল তিল এসবের চাষ হয় ইদানিং বাদামেরও চাষ করি। আরথিক অবস্থা তেমন ভালো না একটা ছোট বোন আছে গত বছর ওর বিয়ে দিয়ে দিয়েছি। ওর নাম মলিনা দাস। ২১ বছর বয়স।ীক্টূ দুরেই বিয়ে হয়েছে আমাদের বাড়ি থেকে যেতে সময় লাগ দুইঘন্টা তাও ট্রেনে করে।
বাড়িতে এখন আমি বাবা আর মা, দাদু ঠাকুমা মারা গেছেন। বোণের বিয়ের পরে বাবা সব কাজ বাজ ছেরে দিয়েছেন। উনি এখন সারাদিন বাজারে আড্ডা দিয়ে তাস খেলে দিন পার করে দেন। প্রায় রাতে বাড়ি ফেরে অনেক রাতে আমি বেশীর ভাগ দিন বাবা কখন আসে টের পাইনা। সংসারের দিকে একদম খেয়াল দেয় না। মা প্রথমে বকা বকি করলেও এখন আর কিছু বলেনা। আর বলে কি লাভ মায়ের কথার কোন উত্তর দেয়না।
মা- বলল দেখ সামনে কত কাজ জমি গুলো চাষ করতে হবে কিন্তু কোন খেয়াল নেই তুই হাল না ধরলে আমি পারবোনা কিছুই করতে যদি বাবা তুই আমার সাথে কাজ করিস তো কিছু ফসল ফলাতে পারবো।
আমি- মা বাবাকে বাদ দাও তো আমি এখন থেকে তোমার সাথে চাষ করব। কেন আগেও তো করেছি তাইনা আমাকে ডাকলে না করছি তুমি বল।
মা- দেখ বাবা তুই আমার সব আশা ভরসা ওকে দিয়ে আর কিছু হবেনা মেয়েটা চলে জাবার পর থেকেই এমন হয়ে গেছে। একটু কাজ করবেনা আবার ধান বেঁচে টাকা নিয়ে জুয়া খেলবে। সারাদিন রাত তাস খেলে। শুধু খাওয়ার সময় আসবে আর কোন কাজ নেই তার। কি করব আমি।
আমি- ভেবনা তুমি, আমি তোমার সব কাজ করে দেবো বেকার আছি কোন কাজবাজ তো পেলাম না তাই ভাবছি এবার থেকে সম্পূর্ণ চাষি হয়ে যাবো।
মা- হ্যা সোন্‌ আমিও তাই তোকে বলব ভাবছি, আমার সাথে জমিতে গেলে কাজ করলে ভালো ফসল হবে তাতে আমাদের সব মিটে যাবে, এই বর্ষায় পাট চাষ করতে হবে, পাটের দাম ভালো, কি বলিস তুই।
আমি- হ্যা মা তাই করব আজকে থেকেই কাজে লেগে পড়ব। চলো আমিও যাবো তোমার সাথে এম্নিতেত তেমন যাওয়া হয়না আজকে থেকে আর ঘোরাফেরা করব না তোমার সাথে চাষ করব।
মা- সত্যি করবি তো বাবা লোকজন নিয়ে পারা যায়না অনেক খরচা হয়ে যায় এর থেকে আমরা মা ছেলে মিলে করলে ফসল ভালো হবে।
আমি- আচ্ছা মা তবে চলো খেয়ে দুজনে কাজে যাই আজকেই জমি চাষ করে ফেলবো, পালেদের ট্র্যাক্টর ঠিক করে আমি আসছি তুমি খাবার রেডি কর।
মা- হ্যা দেখ যদি পাওয়া যায় তবে আজকেই চাষ করে ফেলতে হবে।
আমি- আচ্ছা বলে গামছা পেচিয়ে বেড়িয়ে পড়লাম পাল বাড়ির উদ্দেশে। গিয়ে কথা বলে ঠিক করে নিলাম আজকেই যাবে যাওয়ার আগে আমাকে ডাক দেবে। আমি ঠিক করে বাড়ি ফেরার সময় ভাবতে লাগলাম মা তখন কি কথা বলল মা ছেলে মিলে চাষ করলে ফসল ভালো হবে।
এখানে একটু বলে নেই আমার মায়ের ব্যাপারে।
আমার মা তনিমা দাস, বয়স তো বলেছি এই ৪৫ বছর, গায়ের রং তেমন ফর্সা না হলেও, শ্যামলার মধ্যে দারুন দেখতে, আর সে হিসেবে আমার বোনটাও সুন্দরী হয়েছে তাই বাবা বিনা পসায় বোনের বিয়ে দিতে পেরেছে। বোন ছিল মায়ের অনুরূপ। মা আর মেয়ে একই রকম, তাইত আমার ভগ্নীপতি বোনকে দেখে আর দেরী করেনি, এক সপ্তাহের মধ্যে ওকে বিয়ে করে নিয়ে যায়। মনের কথা বলে নেই বহুদিন থেকেই আমি মাকে অনেকভাবে দেখি, সত্যি আমার মা যেমন রঙ্গে সুন্দরী না হলে বাকি সব মায়ের ভরপুর, আর এমনিতে আমি একটু বয়স্ক নারী কেন যে পছন্দ করি নিজেও জানিনা। আসলে আমার একটু বড় পাছা ভারী দুধ এইরকম মহিলা দেখলেই আমার দেহে আলাদা একটা উত্তেজনা আসে। পাড়ায় কিছু কাকিমা আছে যারা মায়ের মতন ফিগার, সময় পেলে তাদের সাথে কথা বলি আর তাদের বড় বড় দুধ দেখি। আর এর থেকেই একদিন আমি আমার মায়ের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পরি। এবং এ প্রায়, ৪ থেকে ৫ বছর ধরে। মায়ের ভেজা শরীর আমার দেখলে খুব উত্তেজনা হয়। কিন্তু এই কথা কাউকে বলতে পারিনা। কিন্তু মায়ের এই কথাটা বার বার আমার কানে বাজে মা ছেলে মিলে চাষ করলে ফসল ভালো হবে। জানিনা মা কি উদ্দেশ্য নিয়ে বলেছে, কিন্তু এই কথাটা বার বার আমার কানের মধ্যে বেজে ওঠে। বাবা আগেও মাকে তেমন সময় দিত না আমি দেখেছি সব সময় খিটখিটে স্বাভাবের আমার বাবা আর দুজনে খুব ঝগরাও হয়। কোন সময় হাসিখুশী দেখিনি আমি। বোনের বিয়ের পরে তো মোটেও না। এখন মাকে ঘরের এবং জমির কাজ করতে হয় আগে তাও বাবা জমিতে কাজ করত। কিন্তু এখন একদম দেখেনা। আমি একটু কাজ করতাম তাও তেমন না তবে এখন থেকে কাজ করতে হবে এই ভেবেই বাড়ি এসে মাকে বললাম মা খেতে দাও ওরা আসবে আমাকে ডেকে নিয়ে যাবে।
মা- আমাকে খেতে দিয়ে বলল একা পারবি তো। আমি সাথে যাবো কি। এক একা সব হয়।
আমি- হ্যা পারবো তুমি ভেবনা অনেক তো করলে এবার আমাকে করতে দাও। যখন তোমাকে লাগবে তখন তো তোমাকে যেতেই হবে।
মা- হ্যা তোর বাবা একদম করেনা, এখন থেকে তুই সব করবি, ওরে দিয়ে আর কোন কাজ হবেনা তোকে সব করতে হবে। এবার একটু আমারও দায়িত্ব নে তুই বাবা।
আমি- হ্যা মা বলে রেডি হয়ে বসলাম আর এমন সময় আমাকে পালবাবু ডাক দিল। আমি মাকে বললাম আমি গেলাম মা সব জমি চাষ করে বাড়ি ফিরবো বলে বেড়িয়ে গেলাম। ওদের সাথে থেকে পর পর তিনটে জমি চাষ করিয়ে নিলাম। সব শেষ করতে সন্ধ্যে হয়ে গেল। টাকা পেমেন্ট করে বাড়ি ফিরলাম। আর মাকে বললাম বাব্বা দাড়িয়ে থেকে চাষ করাতেও অনেক কষ্ট হয়।  
মা- আমাকে দেখেই এত সময় লাগল আমি ভাবলাম কি করছিস দেখেছিস তোর বাবা আজকে আর বাড়ি আসে নাই। এই সোনা সব জমি চাষ করেছিস তো। বীজ ফেলা যাবে তো ভালো চাষ দিয়েছে তো।  
আমি- হ্যা পাটের সব জমি চাষ হয়ে গেছে। নিচের ধানের জমি কালকে করে দেবে কম জমি নাকি। কালকে বীজ বুনে দিতে হবে দেখি রাতেই বাজারে যাবো বীজ কিনতে।
মা- হ্যা তাই কর আয় খেতে আয় আমি তোকে খেতে দিচ্ছি। পরিশ্রম শুরু করেছিস এবার ভালো করে খেতে হবে বাবা।
আমি- হ্যা মা বলে স্নান করে এসে খেয়ে নিয়ে বাজারে গেলাম। বাবাকে দেখতে পেলাম না। আমি বীজ কিনে নিয়ে বাড়ি আসলাম। মা রাতের রান্না করছে মায়ের পাশে বসলাম।
মা- বলল আজকে তোর অনেক কষ্ট হয়ে গেল তাইনা বাবা। কালকে আমি তোর সাথে যাবো বীজ বুনতে। এই চারপাশের কোদাল দিয়ে ঘারি দিয়েছিস তো, আল গুলো চওড়া আছে তো।
আমি- হ্যা সে তো যেতেই হবে না হলে একা একে বীজ বোনা যায়। আমি কি বসে ছিলাম সব করে রেখেছি আর আমাদের দুই জমির আল বেশ বড় রেখেছি কারন কাজ করে একটু সময় বসলে কোথায় বসব তাই, আগের থেকেও চওড়া রেখেছি ঘুমানো যাবে ওখানে।  
মা- আমি তোর সাথে থাকবো বাবা, বীজ বোনার সময় তোর বাবা তো যাবেনা তোকেই বুনতে হবে। তুই ভালো বুনতে পারবি তো। নতুন হাত তোর ভালো মতন আস্তে আস্তে বুনতে হয় কিন্তু।  
আমি- দেখে নেবে আমি কেমন পারি না দেখেই কেন অত ভাবছ।
মা- হ্যা আগে তো বুনেছিস তুই যা পারিস তাতেই হবে তোর বাবা যখন বুনবেনা। লোকটা কেন যে এমন হয়ে গেল কোন দিকে তার কোন খেয়াল নেই, বাড়িতে, আমি বাঃ তুই আছিস তার সে দিকে কোন রকম দায়িত্ব নেই।
আমি- বাদ দাও তো ওনার কথা আমাকে আমার মতন করতে দাও দেখবে সব ঠিক হয়ে যাবে। উনি যা করছে করুক আমি ভালো করে চাষ করব। আর তুমি বললে তুমি আমি মিলে চাষ করলে ভালো ফসল হবে। আমরা দুজনে মিলে চাষ করব।   




মা- হ্যা বাবা তোকেই চাষ করতে হবে ওকে দিয়ে আর হবেনা, এখন এমনিতেই কিছু পারেনা, না ঘরে না বাইরে। তুই বড় হয়েছিস তুই দায়িত্ব নিয়েছিস ভালো করে ঘরে বাইরে চাষ করবি। যাদের বাবা নেই তাড়াও তো মা নিয়ে থাকে তাইনা। তুই পারবিনা?

আমি- হ্যা মা পারবো তুমি আমাকে সব বুঝিয়ে দিও তবেই পারবো। তুমি তো বাবার সাথে বহুদিন চাষ করেছ এবার আমার সাথে করবে। আশাকরি মা ছেলে মিলে চাষ করলে ফসল ভালো হতে বাধ্য।
মা- একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেরে বলল, সোনা আমার যে থেকেও তুই ছাড়া আর কেউ নেই, এ জীবনটা খাটতে খাটতেই গেল, জীবনে সুখ কি জিনিস পেলাম না। তোর বাবার কোন খেয়াল আছে আমার ঘরে পরার কাপড় নেই, কবে কিনে দিতে বলেছি দিনে দুইবার বাজারে যায় তবুও একটা শাড়ি ব্লাউজ কিনে দেয়না। দেখ বলে বলল আমি ছেরা ব্লাউজ পরে আছি এই বলে মা আঁচল সরিয়ে ছেলেকে দেখাল। দ্যাখ কতটা ছিরে গেছে এ পরে লোকের মাঝে যাওয়া যায়, দুইবার সেলাই করেছি আবার ছিরে যায়। কাপড় পচে গেছে একদম।  
আমি- মায়ের ছেরা ব্লাউজের পাশ দিয়ে ফাঁকা জায়গাটা দেখলাম মায়ের রং শ্যামলা হলে স্তন দুটো যেমন বড় আর ফর্সা। আমি দেখে চমকে উঠলাম। মা এত সুন্দরী, আর বাবা মায়ের দিকে ধ্যান দেয়না। আমি মাকে বললাম মা আজকে তো আর হবেনা রাত হয়ে গেছে কালকে তোমাকে আমি কিনে দেবো বাবাকে আর বলতে হবেনা। সত্যি তো এ পরে লোকের সামনে যাওয়া যায় নাকি। আমার মায়ের কি কোন মান সম্মান নেই যে এই পরে তুমি জমিতে যাবে, আমি তোমাকে কিনে দেবো।   
মা- না না ওকে আর কিছু বলব না যদি পারিস তুই কিনে দিস না হলে এই ছেরা পরেই থাকবো। আমার আর কি মান সম্মান যাবে তোদের বাপ বেটার, আমি তো এই বাড়ির কাজের মহিলা তাইনা। আমার আর কি গুরুত্ব আছে বয়স তো কম হলনা আর কত দিনই বাঁচব।
আমি- মা অমন করে বলনা দয়া করে আমার জন্য তোমাকে বাঁচতে হবে, আমি তো সংসারের হাল ধরেছি নাকি, তবে এখন কেন চিন্তা করছ। েতদিন তো আমাকে বলনি, আজকে বললে এবার দ্যাখ আমি কি করি, তোমাকে কেন কাজের মহিলার মতন থাকতে হবে, তুমি এ বাড়ির সম্ভ্রম।
মা- দেখা যাবে কত তুমি পারো তোমার বাবাকে তো চেনোনা। সে নিজে কিছু করবেনা, কিন্তু কেউ কিছু করলে রাগ দেখাবে আর ভালো লাগেনা এই লোক্টার সাথে থাকতে। একটা গুনধর স্বামী আমার, পারেনা কিছুই কিন্তু কথা আছে।  
আমি- মা একটু সবুর কর সব ঠিক হয়ে যাবে, এইবারের ফসলটা করতে দাও তারপর আর ওনাকে কিছু জিজ্ঞেস করব না।
মা- দেখ যদি কিছু করতে পারো। আসো রান্না হয়ে গেছে খেয়ে ঘুমিয়ে পড়বে সকালে বীজ নিয়ে যেতে হবে জমিতে।
আমি- হ্যা সকালে আমরা দুজনে চলে যাবো রোদ ওঠার আগেই সব বীজ বুনিয়ে চলে আসবো ভোরের আলোয় শিশির থাকতে বনবো আমরা।
মা- হুম মালিকের তো কোন খবর নেই মাজ রাতে আসবে আবার আমাকে উঠে ওনাকে খাওয়াতে হবে পারিনা।
আমি- এরপর থেকে সব রেখে দেবে নিজে এসে নিয়ে খেয়ে নেবে তুমি উঠবেনা। যদি কিছু বলে আমাকে ডাকবে আমি ওনাকে বলব এসব চল্বেনা।
মা- না না দরকার নেই যেভাবে চলছে চলুক। তুই যখন দায়িত্ব নিয়েছিস আর কিছু বল্বনা ওকে।
এরপর আমরা দুজনে খেয়ে ঘুমাতে গেলাম। বিছানায় শুয়ে শুয়ে এক পলক মায়ের ব্লাউজের সে দৃশ্য মনে পরে গেল সত্যি আমার মা এত সেক্সি আর অমন সুন্দর বড় বড় দুটো দুধ আছে উফ ভেবেই আমার সারে ৭ ইঞ্চি বাঁড়া নিমিশে খাঁড়া হয়ে গেল। কিন্তু কি করব ভাবছি সত্যি মায়ের যেটুকু ঢাকা থাকে সেটুকুন খুব ফর্সা। তবে এই গ্রামের আমার মায়ের মতন স্বাস্থ শরীর ভালো মহিলা কম আছে সেদিক দিয়ে আমার গর্ব হয়। আমার মা এদিক দিয়ে অনেক সুন্দরী। তবেঁ রং অত ফর্সা না। কিন্তু রং কি সব, চাপা রঙের মধ্যেও মায়ের মতন সুন্দরী পাড়ার ফর্সা কাকিমাও না। শুধু ধবধবে ফর্সা আর কি না আছে ভালো ঠোঁট, না মুখশ্রী। কিন্তু আমার মা সেদিন থেকে সবার থেকে বেশী সুন্দরী। আমি ওনার ছেলে হিসেবে গর্ব করতেই পারি। মায়ের সত্ন আগে না দেখলেও মায়ের যে যৌবনবতী দেহ, আমি আড়াল থেকে দেখেছি সে কাউকে না বললে মনে মনে মাকে দেখে অনেক সুখ ভোগ করি আমি। মনে পড়ল পরশু দিনের কথা মা কে ঘরে না দেখে খাল পারে গেলাম মাকে খুজতে, আর তখন মা জল থেকে ডুব দিয়ে উপরে উঠছে, শাড়ি একদম গায়ের সাথে লেপটে আছে, মায়ের গভীর নাভিও বোঝা যাচ্ছিল, পা গুলোর সাথে শাড়ি লেগেছিল বলে আঃ কি অপরূপ লাগছিল। এইসব ভাবতে ভাবত্তে কখন যে বাঁড়া খেচা শুরু করে দিয়েছি, এক্সম মাকে ভেবে ভেবে মাল বেড়িয়ে গেল আমার। উফ মাকে ভেবে এত সুখ সত্যি যদি কাছে পাওয়া যায় কত সুখ হবে। এরপর মুছে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। 





Share:

0 comments:

Post a Comment

Xgossip. Bangla Choty Golpo

Tags

Xgossip— Bangla Choty Golpo. Powered by Blogger.

Ad Space

Featured post

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(১৫)

  পর্ব:১৫ বাবা- কি বলব বাবা তোকে, আসলে তোর মাকে বকা ঝকা করেছি তার কারন আছে তুই আমার ছেলে তোকে কি বলব সব তো খুলে বলা যায়না। আমি- কেন বাবা আমি...

Search This Blog

🔞 ১৮% সতর্কবার্তা

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন।

About Us

About Us
এই খানে পাবেন বিভিন্ন লেখকদের বিভিন্ন ক্যাটাগরির চটি গল্প।

Translate

Popular Posts

Popular Posts