Bangla Choty Golpo

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(০৫)

 





আমি- ওসব কথা বাদ দাও কার মনে কি আছে সে কি দেখে বোঝা যায় তার থেকে বাবাকে উচিৎ শিক্ষা দিতে হবে। এটাই আমার ভাবনা। বাবা এটা ভেবে বলতে পারে তুমি কল্পনা করেছ কোনদিন।

মা- না সে কোনদিন ভাবি নাই অন্য কাউকে নিয়ে বললে মনে হয় এমন কষ্ট আমার হত না এমন কষ্ট না করেই কত অপবাদ দিয়ে দিল।
আমি- মনে মনে ভাবলাম মা বার বার বলছে না করেই এমন অপবাদ, মা কেন বার বার এই কথা বলছে মা কি চায়, একটু বাজিয়ে দেখবো নাকি অপবাদ তো পেয়েই গেছে। আমি তাই বললাম মা বাবা যখন একবার ভেবেছে তারমানে তার মনের মধ্যে এটা গেথে আছে যে তোমার আমার মধ্যে একটা আলাদা সম্পর্ক আছে, কি তাইনা।
মা- হ্যা সে তো এটা ধরেই নিয়েছে না হলে এমন কথা বলতে পারে। বার বার একদম কাঁচা ভাষায় বলেছে। যে কথা সচার আচার কেউ বলেনা। কিছু বল চুপ করে থাকিস না আমি যে সহ্য করতে পারছিন অনেক সাহস নিয়ে তোকে বললাম ওকে বোঝাতে হবে আমরা না করে কেন এমন অপবাদ নেব। কিরে কিছু কি বল্বিনা আমার ধৈর্যর বাধ ভেঙ্গে গেছে বাবা। তুই কি করতে চাস, সব সময় বলিস মা তোমার সাথে আছি তবে কিছু বল্বিনা।
আমি- হ্যা মা আমরা না করে কেন অপবাদ নেব, এর প্রতিবাদ করতে হবে।
মা- না করেই তো অপবাদ নিয়ে দিয়ে দিয়েছে, আর কি বাকি আছে তার বদ্ধ ধারনা এমন কিছু আমাদের মধ্যে হয়েছে। এর কি কোন সমাধান নেই। কেন অকারনে এই অপবাদ নেব। না করে। কিরে বল আমাদের দুইজনকে মিলে এর প্রতিবাদ করতে হবে।
আমি- মা একটা কথা বলব তুমি জিজ্ঞেস করছিলনা যে আমি ভেবেছি কিনা।
মা- হ্যা জিজ্ঞেস তো করেছিলাম তুই কোন উত্তর দিস নি, কি বলবি বল। প্রতিবাদ করবি তো তোর বাবার।
আমি- না মা আমরা আর প্রতিবাদ করব না এখন উনি উলটো প্রতিবাদ করবে।
মা- কি করে কি করবি ভেবেছস কিছুই।
আমি- হ্যা না করে কেন অপবাদ নেব, নিতে হলে অন্যভাবে নিতে হবে।
মা- কিভাবে নিবি সেটা তো বলবি।
আমি- বলছিলাম কি অপবাদ তো বাবা দিয়েই দিয়েছে তাই না, আর বাকি কি আছে সে তো ধরেই নিয়েছে এসব হচ্ছে তাইনা।
মা- হ্যা সে তো বলেছে গ্যারান্টি তোমাদের মধ্যে সব হচ্ছে আমি সব বুঝতে পারি। কিন্তু আমরা তো করিনাই তাইনা তবে কেন মানবো।
আমি- বললাম মানা না মানা সেটা আমাদের ব্যাপার কিন্তু সে তো গ্যারান্টি দিয়ে বলেছে এসব হচ্ছে। তো কি করব তুমি বল।
মা- আমি কি বলব যা বলার তুই বলবি তারজন্য তো তোকে এই ফাকা জায়গায় বসে বললাম। পাট চাষ শুরু দিয়েই সে বলেছে।
আমি- বললাম না করে কে অপবাদ নেব তুমি বল।
মা- সে তো আমিও বলছি কিন্তু কি হবে।
আমি- যদি তোমার আপত্তি না থাকে তবে বলতে পারি।
মা- না কিসের আপত্তি তুই বল কি করে এর সমাধান করবি যাতে সে আর না বলে। ওকে চরম শাস্তি দিতে হবে এটা আমি চাই তারজন্য যা করা লাগে আমি করব। তুই আমাকে বল এখান থেকেই এর একটা বিহিত বের করে তবেই বাড়ি যাবো।
আমি- বললাম না করে কেন অপবাদ নেব, নিতে হলে না হয় বলে চুপ করে গেলাম।
মা- কিরে কি হল বলতে গিয়েও বলছিস না বলনা আমাকে। নিতে হলে না হয় বলে চেপে গেলি।
আমি- বলছিলাম যে যখন অপবাদ পেয়েই গেছি, তবে আর থেমে থাকে কি লাভ।
মা- মানে কি বলছিস তুই খুলে বল তো আমাকে।
আমি- বলছিলাম বাবা যখন সন্দেহ করেছে সে করেই যাবে, তাই যদি আমরা বলেই চুপ।
মা- না আর পারিনা বলনা কি করতে চাষ তুই।
আমি- না এবার খোলাখুলি বলেই ফেলি, যদি তুমি রাজি থাকো, তবে করেই এই অপবাদ নেব, না করে কেন নেব। তবে সব তোমার উপর নির্ভর করছে আমি জোর করব না।
মা- কি বলছিস তুই তারমানে মনে মনে তুই এটা কল্পনা করতি তাইত।
আমি- আমি হ্যা মা সত্যি বলছি তোমাকে আমি অনেক ভালোবাসি, আমি তোমাকে ছাড়া অন্য কিছু কল্পনাও করতে পারিনা। তোমার কথা ভেবে নিড়ানি দেওয়ার সময় তুমি দেখনি আমার কি অবস্থা হয়েছিল।
মা- তারমানে তোর বাবা ঠিকই ধরেছে। এ আমি কি শুনছি কি করব আমি। আমি তখনই ভেবেছিলাম তুই আমাকে ইচ্ছে করেই দেখিয়েছিলি। 
আমি- দ্যাখ মা বাবা তোমাকে ভালো না বাস্লেও আমি আমার মাকে ভালোবাসি। আর এটা হবে বাবার উপজুক্ত জবাব। না করে কেন অপবাদ নেব। যদি নিতে হয় করেই নেব এটাই আমি বলতে চেয়েছি। এখন সব তোমার হাতে।
মা- চুপচাপ বসে আছে কিছুই বলছেনা।
আমি- কি হল কিছু বলবে তুমি, না হলে বাড়ি যাই, আমি সুজোগ নেবনা, তুমি না দিলে।
মা- এবার শান্ত গলায় বলল বাবা কেন বুঝিস না, এসব মা ছেলেতে হয়না তোর বাবা বলেছে বলেই আমরা এইসব করব। একবার ভাব তুই আমার ছেলে তোকে আমি গর্ভে ধরেছি সে বাজে কথা বলতে পারে তাই বলে আমরা এইসব করতে পারি। আমার মনে হয় তুই যা বলছিস সব ভুল।
আমি- আস্তে আস্তে উঠে দাঁড়ালাম আর বললাম তবে বাড়ি চলো অন্ধকার হয়ে গেছে তো বাড়ি গিয়ে গরু গুলকে ঘরে তুলে আলো জালাই। তবে একথা বলতে পারি, তোমাকে আমি সুখী করতে পারবো, যদি সুযোগ দাও তো। ছেলে হয়েছি তো কি হয়েছে আমি তো পুরুষ আর তুমি নারী, দুজন নারী পুরুশে এসব করা যায় মা ছেলে না ভেবে। আমরা করি নাই বাবা ধরে নিয়েছে আমরা করছি, একবার ভালো তোমাকে নিশ্চয় একদম বাজে কথায় বলেছে যে তুমি আমার সাথে চোদাচুদি করেছ। না হলে এই বলেছে তুই ছেলের সাথে চোদাস।
মা- তখনো চুপ করে বসে আছে।
আমি- মায়ের হাত ধরে টেনে তুলে বললাম ঠিক আছে বাড়ি চলো, এসব নিয়ে ভাবতে হবেনা এই কথা যা হয়েছে আমাদের মধ্যে গোপন থাকবে আমি কাউকে প্রকাশ করব না। তুমি নিশ্চিন্তে বাড়ি চলো।
মা- কি শোনালি তুই বাবা তুই আমার পেটে জন্মেছিস। আমি জানিনা এসব আদৌ হয় কিনা। এসব করা যায় আমি কোনদিন শুনিনাই।  
আমি- মা দুজনার মত থাকলেই করা যায়, আমার যে কি অবস্থা তোমাকে বলতে পেরে কি বলব। তোমার সত্যি কি ইচ্ছে করেনা, বাবা তো তোমাকে সময় দেয়না, দ্যাখ আমি দিলে আশাকরি, অনেকবেশী সুখ পাবে তুমি দেখেছ তো। এই বলে মাকে বুকের সাথে চেপে ধরলাম আর বললাম এবার বল কি করবে ছেলের সাথে। একবার করে দ্যাখ কেমন পারি আমি তারপর যদি ভালো না লাগে আমি তোমাকে বিরক্ত করব না।
মা- আমি মা হয়ে কি করে এইসব করব আমার বিবেকে বাধে সত্যি বলছি।। এ যে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ সম্পর্ক। আপন মা ছেলে এসব করা যায়না বাবা। এ যে মহাপাপ করা হবে।  
আমি- এবার মায়ের দুধে চাপ দিয়ে বললাম সেদিন তোমার ছেরা ব্লাউজের ভেতরে এই দুধ দেখেই আমি পাগল হয়ে গেছিলাম, এত বড় আর সুন্দর, সেদিন তোমাকে ভেবে আমি মাল ফেলেছি তুমি হয়ত জানোনা, দ্যাখ কেউ জানবেনা, এসব তোমার আর আমার মধ্যে গোপোণ থাকবে। কেউ কোনদিন জান্তেও পারবেনা আর বুঝতেও পারবেনা।
মা- আমাকে জরিয়ে ধরে জানিনা কি করব। এসব তো ভাবাও পাপ, আর তুমি বলছ কি।
আমি- মা বাবা যে পাপ করে যাচ্ছে, সে তো তোমাকে সময় দেয়না আবার তোমাকে আমাকে নিয়ে এইসব বলে তার কি কোন পাপ নেই, সে যদি পাপ করে চলতে পারে তুমি কেন পারবেনা, তুমিও পারবে আর আমিও পারবো। আমি তোমাকে সুখী করব মা, অনেক অনেক বেশী সুখী করব, বাবা যা দেয়নাই আমি তোমাকে দেবো, সব দিক দিয়ে তোমাকে সুখী করতে চাই, তুমি একবারের জন্য রাজি হয়ে যাও। তোমার সব দায়িত্ব এখন থেকে আমার। আমি এই বলে মায়ের দুধের বোটায় হালকা চাপ দিতে লাগলাম।
মা- শুধু বলল আমার মন মানছে না। এসব মা ছেলে হয়না করা যায়না। এতবড় পাপ আমি কি করে করব।
আমি- মায়ের কানের কাছে মুখ নিয়ে বললাম, মা এসব আজকাল খুব বেশী হয়, তুমি গ্রামের বলে খবর দেখতে পাও না, কিন্তু এখন বিদেশে বিসেশ করে জাপানে এগুলো বৈধ। জাপানে মা ছেলে সব সময় করে। আর আমি ছোট চটী বই পড়েছি তাতেও মা ছেলে অনেক করে।
মা- উফ ভাবতেই পারিনা আমি কি করব।
আমি- মা আর ভেবে লাভ নেই সময় নষ্ট হচ্ছে তার থেকে এস দুজনে সুখ করে বাড়ি যাই, কেউ জানবেনা। একবার হ্যা বল মা। এই বলে মায়ের না হাত তা আমার গামছার ভেতরে বাঁড়ায় ধরিয়ে দিলাম দ্যাখ তোমার ছেলের কি অবস্থা।
মা- আমার বুকের ভেতরে মাথা গুজে ডুকরে কেঁদে উঠল আর বলল আমি কি করব জানিনা। আমি কিছুই ভাবতে পারছিনা।
আমি- কপট রাগ দেখিয়ে তাহলে চলো, বাড়ি যাই এসব বাদ চাষ করছি এই থাক বলে মাকে ছারিয়ে দিলাম। এবং ধামা মাথায় নিলাম আর বললাম এস বাড়ি যাই রাত হয়ে গেছে গরু গুলো গোয়ালে বাঁধা, ওদের কষ্ট দিয়ে লাভ নেই। না করে আমার অপবাদ নিয়েই বাঁচতে হবে যখন তখন আর এই রাতে ফাঁকা মাঠে প্যাচাল পেরে লাভ নেই। এই বলে হাটা শুরু করলাম।



Share:

0 comments:

Post a Comment

Xgossip. Bangla Choty Golpo

Tags

Xgossip— Bangla Choty Golpo. Powered by Blogger.

Ad Space

Featured post

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(১৫)

  পর্ব:১৫ বাবা- কি বলব বাবা তোকে, আসলে তোর মাকে বকা ঝকা করেছি তার কারন আছে তুই আমার ছেলে তোকে কি বলব সব তো খুলে বলা যায়না। আমি- কেন বাবা আমি...

Search This Blog

🔞 ১৮% সতর্কবার্তা

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন।

About Us

About Us
এই খানে পাবেন বিভিন্ন লেখকদের বিভিন্ন ক্যাটাগরির চটি গল্প।

Translate

Popular Posts

Popular Posts