Bangla Choty Golpo

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(০৪)

 



আমি- কি হয়েছে মা।

মা- না না কিছু না এমনি তোর শুনতে হবেনা।
আমি- কেন মা এমন কি হল যে আমাকে বলতে পারবেনা, আমাকে বল এমন কি হল বাবা কি বাজে কথা কিছু বলেছে।
মা- না থাক একদিন বলব সময় আসুক দেখি ও আর কি কি বলতে পারে তারপর একবারে তোকে বলব ৫ টা বাজে যাবি নাকি আবার জমিতে দুই ঘন্টা কাজ করা যাবে।
আমি- না না আজকে আর যাবনা কালকে যাবো সকাল বিকাল দুই বেলা তবে শেষ করতে পারবো। আজকে অনেক কষ্ট হয়ে গেছে আগে ফিরে এসে আবার গেলে ভালো হত কালকে দুইবেলা যাবো। তার থেকে সার নিয়ে আসি।
মা- তবে তাই যা আর ঐ লোক্টাকে টাকা দিয়ে আসিস না হলে আমাদের রক্ষা নেই।
আমি- আচ্ছা বলে বাজারে গিয়ে আগে বাবাকে খুঁজে টাকা দিলাম এবং সার কিনে বাড়ি ফরলাম সন্ধ্যের পরে। মা সব করে রেখেছে। মাকে বললাম খুব সকালে আমি যাবো তুমি পরে খাবার নিয়ে যাবে তারপর এগারোটার মধ্যে বাড়ি আসবো। আবার বিকেলে যাবো।
মা- ঠিক আছে তাই করিস আয় খেতে দেই সকালে অনেক পরিশ্রম ক্রএছিস এবার ঘুমা।
আমি- হ্যা মা বলে খেয়ে সত্যি আমি বিছানায় ঘুমাতে গেলাম। বিছানায় গেলেই মাকে মনে পরে, যা দেখছি কি হবে আমাদের কথা বাত্রা তো ভালই হচ্ছে জানিনা, মাকে পাবোকিনা, কিন্তু আমার যে চাই, আমার মা শুধু আমার তাকে যে আমার করতেই হবে, এইসব ভেবে ভেবে আবার মাল ফেললাম এবং ঘুমালাম।
খুব সকালে উঠে আমি জমিতে গেলাম। দুটো নিড়ানি নিয়ে এবং আমি মা যেটা দিয়ে কালকে কাজ করতে পারছিলনা সেটা দিয়ে অনেক কাজ করে ফেললাম। প্রায় একটা জমি শেষ করে ফেলেছি। মা ১০ স টা নাগাদ খাবার নিয়ে এল আর গাছ তলায় গিয়ে বসলাম মায়ের হাতেই খেলাম। এরপর বাকি কাজ আমি আর মা করে বাড়ি ফিরলাম। দুপুরে বাবা এলেও কোন কথা হলনা। মা বাবা দুজনেই মুখ ভার। সারে তিনটে বাজতেই আমি রেডি হলাম। মনে হল বাড়িতে কিছু একটা হয়েছে। মাকে বললাম মা আমি জমিতে যাচ্ছি। তোমার যেতে হবেনা বাড়িতেই থাকো।  
মা- বলল আমি যাবো তোর সাথে কথা আছে আমার।
আমি- চলো তাহলে বলে দুজনে জমিতে গেলাম গিয়ে কাজে লাগলাম। বাকি জমিটা সন্ধ্যে মধ্যে সেশ করব মা। এই বলে কাজে লেগে পড়লাম দেখতে দেখতে সন্ধ্যে হয়ে গেল। একটু কাজ বাকি আছে। সূর্য ডুবতে ডুবতে কাজ শেষ করে ফেললাম। আমি ধামায় করে সব জঙ্গল একটা আলের উপর এনে ডিবি দিলাম। একদম একটা বিছানার মতন হয়ে গেল। এরপর আমাদের দুই জমির মাজখানে বসলাম একটু তখনো, আলো আছে তবে সূর্য ডুবে গেছে। আমি মাকে বললাম কি কথা আছে বলছিলে এখন বলো। সন্ধ্যে হয়ে আসছে ভালই হাওয়া দিচ্ছে এখানে বসেই শুনি তোমার কথা।
মা- তোকে কি বলব, সেদিন তোর বাবা আমাকে যা বলেছে শুধু তোর মুখ চেয়ে আমি বেঁচে আছি না হলে জেদিকে দুচোখ যেত চলে যেতাম।
আমি- কেন মা কি হয়েছে। কি বলেছে বাবা তোমাকে এমন কি হল, বেশ কিছুদিন ধরেই শুনছি তোমার এই কোলাহল এর কারন কি।
মা- তোকে কি বলব যেদিন থেকে তুই জমির কাজের দিকে মন দিয়েছিস তারপর থেকেই আমাকে সব সময় অপমান করা ছাড়া ওর কোন কাজ নেই। তুই আমার সাথে সব সময় থাকিস এটায় ওর জলন হয়ে। সেদিন টাকা চেয়েছে দিস নি ভাবছে আমি তোকে বারন করেছি তাই নিয়েও আজে বাজে কথা বলেছে। যে সব কথা বলে সেটা আমি মা হয়ে তোকে বলতে পারিনা।
আমি- কেন কারন কি কিছু কি তুমি বুঝতে পারছ। টাকা দেই নাই সেটা তো দিয়ে দিয়েছি তারপরও তোমাকে আজে বাজে কথা বলে কেন মা এমন কি করলাম আমরা।   
মা- কি বলব তোকে ঐ শাড়ি ছায়া ব্লাউজ আর ব্রা দেখেছে তারপর আমাকে অনেক আজে বাজে নোংরা কথা বলেছে যা তোকে বলতে পারিনা। দেখলিনা তুই বাড়ি ঢুকতেই থেমে গেছিল। এই অপমান আমি সহ্য করতে পারছিনা বাবা। কিছু না করে এমন অপবাদ। তোর বাবা আমাকে সন্দেহ করেছে কে আমাকে ওইসব দিয়েছে। আমি নাকি পর পুরুষের সাথে মেলামেশা করি এই সব বলেছে তারপর আরো যা বলেছে কি বলব তোকে।  
আমি- কেন তুমি বলি আমি কিনে দিয়েছি। আর কি কি বলেছে।
মা- সে বলতে তো আরো রেগে যায় আর যা বলেছে কি বলব তোকে। সব চাইতে নোংরা কথা আমাকে বলেছে। আমি কি করব এই লোকের সাথে থাকবো একদম থাকা জায়নারে বাবা। তুই আমাকে বাচা। কিছু করবেনা আবার অপবাদ দেবে। এমন অপবাদ যা কোনদিন আমি ভাবিনি এইসব কথা তোর বাবা বলতে পারে ওর বিচার করা উচিৎ এমন কেন বলল। কিন্তু কে করবে ওর বিচার তেমন কেউ নেই, ওকে উচিৎ শিক্ষা দেওয়া দরকার।
আমি- মা সে তো বুঝলাম কিন্তু কি এমন বলেছে যে তোমার মনে এত কষ্ট আমাকে বলবে সেগুলো। তা হলেই না আমি প্রতিবাদ করতে পারি। দেখ তেমন যদি হয় আমি তোমাকে নিয়ে এখনা থেকে চলে যাবো থাকবে উনি ওনার মতন। কিন্তু আমাকে তো তুমি বলবে। কার সম্নন্ধে বলেছে।
মা- প্রথমে অন্য কারো কথা বললেও পরে সব তোকে নিয়েই বলেছে।
আমি- আচ্ছা দ্যাখ কেউ তো নেই আমাকে তুমি বল শুনি বাবা কি এমন তোমাকে বলেছে। এই সময় এই মাঠে আমি আর তুমি ছাড়া কেউ নেই। তাই তুমি মন খুলে আমাকে বলতে পারো। কি এমন কথা যে আমি বাড়ি ফিরতেই বাবা চুপ করে গেল। যা তোমাকে বলেছে আমাকে দেখে থেমে গেল এর কারন কি।
মা- বুঝিস না তুই এখন বড় হয়েছিস তাই ভয় পায়, আমাকে বলেছে আবার এইসব নিয়ে যেন ওর সাথে আলোচনা না করি। ওর সাথে মানে তোর সাথে। আমাকে অপবাদ দেবে আবার ভয় পায় তোকে।
আমি- মা আসলে তোমার কথা আমি বুঝতে পারছিনা অন্ধকার হয়ে গেল এভাবে কতক্ষণ কি আলোচনা হবে, তুমি আমাকে বল প্রয়োজনে আমি বাবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। তাই নিলে তো তুমি খুশী হবে। এইজন্যি কি কালকে তুমি জমিতে আসতে চেয়েছিলে।
মা- হ্যা ঠিক এই কারনেই তোকে বলব বলে বাড়িতে তো বলা যায়না আবার কে শুনে ফেলবে তারজন্য ফাঁকা জায়গায় বসে বলব বলে ঠিক করেছি।
আমি- তবে এখন বল ফাঁকা মাঠ আমি আর তুমি ছাড়া কেউ নেই চেচিয়েও বললেও কেউ শুনবেনা। কি এমন বাবা বলেছে যে তোমার এত রাগ হচ্ছে।
মা- কি করে বলব তুই আমার ছেলে তোকে নিয়ে এমন কথা কোন বাবা বলতে পারে আমি কল্পনাও করিনি।
আমি- আরে তুমি না বললে আমি তো কিছুই বুঝতে পারছিনা এমন কি বলেছে বাবা। কোন গপন কথা আমি কোন অন্যায় করেছি বাঃ তুমি কোন অন্যায় করেছ সেসব কিছু।
মা- হ্যা আমি বাঃ তুই কোন অন্যায় না করেই বিশাল বড় অপরাধী।



আমি- আর আর দেরি করনা তো তোমার কথা শুনতে পারলাম না ঘাম একদম শুকিয়ে গেছে বাড়ি গিয়ে গরু ঘরে তুলতে হবে দেরী হয়ে যাবেনা। ওদের মশায় খাবে।

মা- কি করে আমি বলি এমন কথা আর কাউকে বলতেও পারবোনা কোনদিন।
আমি- দ্যাখ মা না বললে আমি কিন্তু বুঝতেও পারছিনা বাবা এমন কি বলেছে তাই তুমি বলে ফেল বলছি তো কেউ নেই আর কেউ শুন্তেও পাবেনা এখানে বলে ফেল। ওই কাপড় চোপড় কিনে দিয়েছি তার জন্য নাকি আরো কিছু।
মা- হ্যা আগেও বলত কিন্তু ঐ কাপড় দেখার পরে যে এইসব বলবে ভাবতেই পারিনাই।
আমি- বললাম দ্যাখ তুমি যদি না বলতে পারো তবে বাড়ি চলো পরে মনে সাহস হলে আমাকে বলবে, একদম অন্ধকার হয়ে গেল। এটা ফাঁকা বলে আলো একটু দেখা যাচ্ছে। কি বলবে তুমি বলনা মা কি এমন বলেছে।
মা- প্রথমে বলেছে আমি নাকি অন্য কোন পুরুষের সাথে মেলামেশা করি আর পরে যা বলেছে উফ ভাবতেই পারিনা, এই অপবাদ দেবে সে।
আমি- কি এমন পরে বলেছে তুমি বলে ফেল তো আমি তোমার সাথে আছি ভেবনা মা।
মা- এবার মাথা নিচু করে বলল, কি বলেছে জানিস উফ কি করে মুখে আনি, তবুও তোকে বলব এখন।
আমি- কি বলেছে আমাকে আর তোমাকে নিয়ে। বাজে কথা কি।
মা- হ্যা একদম সীমা ছাড়া কথা বাত্রা।
আমি- কি বলেছ বলে ফেলেত আর ভালো লাগছেনা আমার।
মা- উঃ ভাগবান এমন কথা সে বলেছে বাবা আমি নাকি তোর সাথে দৈহিক সম্পর্ক করি এমন কথা বলেছে নিজের ছেলের সমন্ধে এমন কোন বাবা বলতে পারে। বলেছে ছেলের সাথে মাঠে যাও আর জঙ্গলে বসে দুইজনে খেলে আসো তাইনা এইভাবে ছেলেকে বসে নিয়ে নিয়েছ তুমি আমি বুঝিনা। য়ারো বাজে ভাষায় বলেছে, যা মুখে আনা যায়না। আমি কি করব বল এই অপবাদ মানা যায়। মা ছেলের সম্পর্ক কলঙ্কিত করছি নাকি সেই কথা বলেছে। আরো অনেক গালাগাল দিয়েছে যা মুখে আনা যায়না।
আমি- একদম চুপ করে বসে রইলাম বাবা এমন কথা মাকে বলেছে, মাথা কাজ করছিল না। চুপকরে বসে আছি।
মা- বলল কিরে শুনলি তো কি বলেছে এবার আমাকে বল আমার কি করা উচিৎ ওর সাথে আমি আর থাকবোনা। না করে এমন অপবাদ নেওয়া যায়। যদি করতাম তবে না হয় শুনে চুপ থাকতাম, কিন্তু আমি তোর বাবা ছাড়া কারো সাথে কোনদিন সেভাবে কথা পর্যন্ত বলিনা। এমন কি মেয়ের শ্বশুর এলেও না। আর আজ আমাকে এই কথা শুনতে হল কিরে চুপ করে থাকবি কিছু বলবি না। এর বিচার করতে পারবি। নিজে এদিক ওদিক কি করে আসে কে জানে সেই অপবাদ আমাকে দিল তাই নিজের ছেলেকে নিয়ে এসব তো কোনদিন আমি কল্পনাও করিনি।
আমি- এবার মুখ খুললাম আর বললাম মা ওনাকে উচিৎ শিক্ষা দিতে হবে, না হলে হবেনা ভেবেছিলাম যাক কাজ বাজ করছেনা আমি হাল ধরি তারজন্য এইসব তোমাকে শুনতে হল কিছু না করে। খুব বাজে কথা তোমাকে বলেছে, মা ছেলের পবিত্র সম্পক নিয়ে উনি কথা বলেছে।
মা- তাহলে তুই একবার ভাব আমি কি করে এই কথা সহ্য করে আছি, কিছু করতাম তাহলে বললে না হয় মানা যেত। তুই এবার বল কি করবি এর বিচার করতে পারবি।
আমি- হ্যা যেভাবে হোক ওনার বিচার করতে হবে, ওনাকে উচিৎ শিক্ষা দিতে হবে, না হলে উনি আরো পেয়ে বসবেন। আর এভাবে মুখ বুঝে থাকা যাবেনা। সব বাজে বাজে কাঁচা কথা তোমাকে বলেছে তাই না, সে আমি বুঝেছিলাম তোমাকে কিছু বলেছে কিন্তু এই কথা সে আমি ভাবি নাই।
মা- তবে বাবা যা করবি সাবধানে করবি, লোক জানাজানি হলে সমাজে মুখ দেখাতে পারবো। সবাই জানলে বলবে এটা সতিও হতে পারে স্বামী কি না দেখে বলছে তাই বলবে। তাই যা করবি সাবধানে চুপিসারে। না করে এই অপবাদ আর যদি সত্যি কিছু করতাম তো আমাদের মেরে ফেলত।
আমি- মা আর পারবেনা, ওনার ক্ষমতা সেশ এবার যা করার আমরা করব। এমনিতে তো বাড়িই থাকেনা, তোমার সাথে তো কখনো ভালো ব্যবহার করেনা দেখেছি।
মা- সে তুই আজকে বলছিস কয়েক বছর ধরে এইরকম ব্যবহার করে আসছে, তা তুই কি ভাবছিস কি করবি। এমন অপবাদ না করে ভাবা যায় তুই বল। কি ভাবছিস তুই কি করবি।
আমি- বললাম আমার মাথায় একটা বুদ্ধি এসেছে না করেই যখন এমন অপবাদ পেয়ে গেছি আমরা।
মা- হ্যা একদম তাই, তাও তপকে নিয়ে অন্য কাউকে নিয়ে বললেও মানান যেত। এই কথা মেনে নেওয়া যায়। যা নিয়ে একবারের জন্য আমি ভাবি নাই, তুই কি ভেবেছিস এমন কথা।
আমি- আবার চুপ করে বসলাম কিছুই বললাম না মনে মনে ভাবলাম তুমি না ভাব্লেও মা আমি অনেকদিন ধরে যে তোমাকে চেয়েছি সেটা তো বলা যাবেনা।
মা- কি হল চুপ করে গেলি আবার, বল আমাকে তুই এমন কিছু ভেবেছিস। তোর বাবা এমন কথা বলবে। এমন কিছু হতে পারে।








Share:

0 comments:

Post a Comment

Xgossip. Bangla Choty Golpo

Tags

Xgossip— Bangla Choty Golpo. Powered by Blogger.

Ad Space

Featured post

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(১৫)

  পর্ব:১৫ বাবা- কি বলব বাবা তোকে, আসলে তোর মাকে বকা ঝকা করেছি তার কারন আছে তুই আমার ছেলে তোকে কি বলব সব তো খুলে বলা যায়না। আমি- কেন বাবা আমি...

Search This Blog

🔞 ১৮% সতর্কবার্তা

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন।

About Us

About Us
এই খানে পাবেন বিভিন্ন লেখকদের বিভিন্ন ক্যাটাগরির চটি গল্প।

Translate

Popular Posts

Popular Posts