Bangla Choty Golpo

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(০৩)

 




মা- একগাল হেঁসে দিয়ে বলল তুই তো ভালই জানিস মেয়েদের ব্যাপারে। মাকে এইভাবে কেউ সাজায় যে তুই সাজাচ্ছিস তুই সাজাবি বউমাকে।

আমি- ধুর ধুর পরের মেয়ে সাজিয়ে লাভ কি, আমার মাকে আমি সাজাবো।
মা- একদম বাপের মতন কথা বললি এটা, পরের মেয়ে তো আমিও তোর বাবা কি আমাকে বিয়ে করে এনে সাজিয়ে রাখেনি এখন না হয় আমি তার কাছে বোঝা হয়ে গেছি, তুই বিয়ে করে বউমাকে অনেক আদর যত্ন করবি।
আমি- না না আমি ওই কোলে পা দেবো না মায়ের সাথে ভালই আছি, আমার আর বউ লাগবেনা। বাবা যা করে করুক আমিয়ার তুমি ফস্ল ফলাবো আর দুজনে মস্তি করে থাকবো। এই দ্যাখ বউ থাকলে তোমাকে নিয়ে এভাবে বের হতে পারতাম, তখন তার অনেক বাত্না হত।
মা- না তোর সাথে কথা বলে পারা যাবেনা ভ্যান ডাক তুই গিয়ে আবার ফিরতে হবে।  
আমি- একটা ভ্যাব ডাকলাম এবং উঠে পড়লাম দুজনে যেতে যেতে পাটের গল্প করতে লাগলাম এবং পৌছেও গেলাম,  . ভ্যানয়ালা। সোজা একটা বড় দোকানে ঢুকলাম। আর বললাম মায়ের জন্য শাড়ি ব্লাউজ দেখানোর জন্য।   
দোকানদার- মায়ের সামনে অনেক গুলো শাড়ি বের করে দিল দেখুন।
মা- বলল আমি কি দেখবো তুই দেখে পছন্দ করে দে।
আমি- হাতে নিয়ে একটা পাতলা ফিনফিনে সুন্দর সিফন শাড়ি পছন্দ করে বললাম মা এটা নেবে তোমাকে দারুন লাগবে। বেশ সুন্দর আর ভালই ছাপা আছে, এবং খুব উজ্জ্বল
মা- আমার কানের কাছে মুখ এনে বলল তোর পছন্দ এটা তবে দে তুই কিনে।
আমি- শাড়িটা সরিয়ে রেখে বললাম এর ম্যাচিং ব্লাউজ দিন।
দোকানদার- একটা ম্যাচিং করা  ব্লাউজ বের করে বলল এটা ম্যাচিং হবে দারুন লাগবে আপনার ফিগার ভালো তো এটা নিন আর ব্রা কেমন দেবো।
আমি- আগ বাড়িয়ে বললাম ভালো দেখে দিন, লাল রঙের। সাইজ ৩৬ বড়।
দোকানদার- কয়েকটা বের করে দিল
আমি- হাতে নিয়ে দেখে সুন্দর একটা রিবন দেওয়া পছন্দ করলাম।
দোকানদার- বলল লাল ব্লাউজের নিচে সাদা ব্রা মানায় ভালো ভেবে দেখেন। দরকার হলে দুটো নিন তারপর পরে বলবেন কোনটা মানায়।
আমি- তবে একটা লাল আরেকটা সাদা দিন দুটো নেই।
মা- একদম চুপ করে আছে।
আমি- বললাম এক জোড়া ছায়া দিন। পরে বললাম আরেকটা ব্রা দিন আর একটা ব্লাউজ দিন নরমাল বাড়িতে পরার জন্য। আর একটা শাড়ি নরমাল। এইসব নিয়ে বের হলাম। বেড়িয়ে বললাম মা এবার চটি নিতে হবে, জামাইবারি যাবে ভালো চটির দরকার।
মা- একবার একটু মুস্কি হেঁসে বলল তুমি যে কি সব কিনে দিচ্ছ তোমার বাবা দেখলে যে কি বলবে। সব তো নতুন বউর মতন কিনে দিলে তুমি।
আমি- কি বলবে নিজের বউকে কিছু কিনে দেয়না, ছেলে দিয়েছে বলবে। সত্যি মা তোমাকে দেখতে যা লাগবেনা। তুমি হবে আমাদের গ্রামের সেরা সুন্দরী, দেখবে বাবা তোমাকে দেখলে পাগল হয়ে যাবে।
মা- আমার সাথে হাটতে হাটতে বলল সে আর দেখেনা সোনা, ওসব বলে লাভ নেই। তুমি পছন্দ করে দিলে বলে নিলাম না হলে এ আমি নিতাম না।
আমি- বাদ দাও তো এবার একটা ভালো চটি কিনে দেবো তোমাকে চামড়ার। এই বলে দোকানে ঢুকে মায়ের পায়ে আমি পড়িয়ে দিয়ে চটি পছন্দ করলাম সামান্য হিল আছে। মাকে বললাম দারুন লাগবে তোমার পায়ে মা। চটি পড়ানোর সময় দেখলাম এত কাজ করে মা তবুও পা দুটো একদম লক্ষ্মীর পায়ের মতন। আঙ্গুল গুলো খুব সুন্দর।  
মা- হুম বলে নিয়ে নিল। আর বলল চলো বাড়ি যাই। না না তুমি নেবেনা। চলো এবার তোমার কিনে নিয়ে বাড়ি যাই বলে নিজেই আমাকে একটা দোকানে টেনে নিয়ে গিয়ে পছন্দ করে একটা গেঞ্জি কিনে দিল। আর বলল তোমার বাবার জন্য নেবে কি।
আমি- হ্যা বলে বাবার জন্য জামা আর প্যান্টের পিস নিলাম। 
মা- চলো এবার আগেই বাড়ি যাই।
আমি- চলো মা বলে দুজনে আবার ভ্যান ধরে বাড়ির দিকে রওয়ানা দিলাম। আর সোজা ঘরে চলে এলাম।
মা- বলল কত কষ্ট করে কয়টা টাকা জমিয়েছিলে সব তো আজকে খরচা হয়ে গেল।
আমি- আবার পাট বেঁচে অনেক পাবো আশা করি অত ভাবছ কেন এখন তোমার ছেলে হাল ধরেছে। তুমি এই গুলো একটু পরে দেখবেনা।
মা- পরে এখন না রাতে তোমাকে পরে দেখাবো কেমন হল। কালকে আবার কত কষ্ট করতে হবে এইভাবে টাকা উরানো ঠিক হল।
আমি- মা আমি গরু বেঁধে আসছি তুমি তোমার কাজ কর। কিন্তু রাতে বাবা চলে এসেছে তাড়াতাড়ি তাই আর মাকে ঐ শাড়িতে দেখা হলনা।



মা- বলল সকালে কি জমিতে যেতে হবে তোমার বাবা চলে গেছে।   

আমি- মা তুমি তো আমার জন্য কম করনি তাই ভাবলাম মাকে একটু বিশ্রাম দেই। তুমি বাড়িতেই থাকো, আমি একা একা করতে পারবো।
মা- আমাকে বাড়ি রেখে যাও আর তোমার বাবা একা পেয়ে আমাকে যা ইচ্ছে তাই বলুক, না না আমিও যাবো তোর সাথে। অল্পদিনে কাজ মিটে যাবে। আজকে চল যাই আমার রান্না হয়ে গেছে তোর বাবাবা তো বেড়িয়ে গেছে বাজারে। আর একটা নেশা শিখেছে সারাদিন চা খাবে আর কোন কাজ নেই। খাবার রেখে যাচ্ছি যদি আসে এই ঘর থেকে খেয়ে যাবে।
আমি- তবে চলো যাই বলে দুজনে রেডি হয়ে বের হলাম। হাতে নিড়ানি আর ধামা নিয়ে বের হলাম। নিজেদের খেতের বেতের ধামা, সব নোঙরা এই ধামায় তুলে ফেলতে হয়।
মা- হ্যা আয় বলে কোমরে শাড়ি পেচিয়ে হাতে নিড়ানি নিয়ে সামনে যাচ্ছে আর আমি পেছনে যাচ্ছি।
আমি- মায়ের পেছনে ছিলাম বলে দেখতে পেলাম, মায়ের হাটা। মা হাঁটছে দুই পাছা দুলছে, অনেক ভারী আমার মায়ের পাছা। সেই লাল ব্লাউজটা পড়েছে, যদিও সামান্য রং চটেছে তবুও নতুন লাগছে। শাড়ি প্যাচ দেওয়া হলেও মায়ের পিঠ খানিক্টা দেখা যাচ্ছে। এই বারে জমিতে কম গেছে বলে রং ভালই আছে তবুও শাড়ি একটু নামতেই দেখলাম বেশ ফর্সা। আসলে আমার মা শ্যামলা হলেও বেশ ফর্সা ছিল এটা দেখেই বোঝা যায়। গ্রাম্য বাড়ির বউ তাই এমন হয়েছে। আমি যত মায়ের পাছার দুলনি দেখছি ততই আমার বাঁড়া তিড়িং বিরিং করে লাফাতে শুরু করেছে। যত মাকে দেখছি তত আমার বাঁড়া লাফাচ্ছে উফ কি সেক্সি আমার মা কিন্তু এ তো কোনদিন হবার না তবু ভেবে তো মজা পাই। এরপর জমিতে পৌছে গিয়ে আমি গামছা পরে নিয়ে কাজে লেগে পড়লাম আর এদিকে মাও লেগে পড়ল। আমি একদিকে আর মা অন্যদিকে। প্রায় ঘন্টা দুয়েক কাজ হয়ে গেছে। মায়ের কথা ভাবছি আর কাজ করছি। আমার বাঁড়া আর নরম হয়নাই গামছার মধ্যে সোজা হয়ে আছে। আমি নিড়ানি দিয়ে যাচ্ছি।
মা- আমার সামনে এসে উরি বাবা কোমর ব্যাথা হয়ে গেছে আর পারা যায়না। তুই এখনও কাজ করে যাচ্ছিস।
আমি- হ্যা শেষ করে যাবো এই জমিটা, তুমি বিশ্রাম নাও এই জন্য আসতে বারন করেছিলাম। কিন্তু মায়ের দিকে তাকাতে বুঝলাম আমার গামছার নিচের অংশ পরে গেছে আর আমার খাঁড়া বাঁড়া বেড়িয়ে আছে। লজ্জায় তাড়াতাড়ি গামছা ঠিক করে নিলাম। কিন্তু শেষ রক্ষা কি হল, মা যা দেখার দেখে নিয়েছে। ইস কি লজ্জার ব্যাপার হয়ে গেল।
মা- বলল উঠে আয় ওই গাছ তলায় গিয়ে একটু বসে জিরিয়ে নিয়ে আবার কাজ করবি জল এনেছি জল খেয়ে নে।
আমি- হ্যা মা ভালো কাজ করেছ চলো বলে দাড়িয়ে মায়ের সাথে যেতে লাগলাম। গিয়ে বসে দুজনে জল খেলাম আর বলতে লাগলাম অনেক কাজ করে ফেলেছি মা।
মা- আঁচল নিয়ে এসে আমার গা মুছিয়ে দিয়ে ইস কেমন ঘেমে গেছিস এত কাজ করতে পারিস তুই। তবে যা বলিস না কেন দারুন বুনেছিস পাট, একদম মাপের হয়েছে, তুই বুনলে ফসল ভালো হবে।
আমি- হ্যা মা নিড়ানি হয়ে গেলে সার দেবো দেখবে তর তর করে গাছ বাড়বে। তবে মা আমি কি একা করেছি নাকি তুমি সাথে আছ বলেই এমন সুন্দর পাট জন্মেছে।
মা- বলল তুই কতটা করেছিস আমি তো তোর অরধেক না। আমি তোর সমান করতে পারলে প্রায় হয়ে যেত তাইনা। তোর নিরানিটা অনেক ভালো দেখলাম তো। তুই ভালো চালাতে পারিস আর পারবিও। আমার বয়স হয়ে গেছে বসে সেভাবে পারিনা। মোটা হয়ে গেছিনা। আগে তোর বাবার থেকে বেশী কাজ করতাম।
আমি- কি যে বল মা একই নিড়ানি, আসলে আমার দম আছে এখন তোমার বয়স হয়েছে বললে না সেই জন্যে তবুও কম করেছ কিসে, অনেক করেছ।
মা- বলল তোর নিরানিটা নতুন তো ধার আছে, আর এটা তোর বাবার এতে ধার নেই।
আমি মনে ভাবলাম মা কি বলছে বাবার নিড়ানি আর আমার নিড়ানি বুঝতে পারলাম। কি বলতে চাইছে মা। তারপর বললাম বাবার ও বয়স হয়ে গেছে তাই ওনার নিরানিও বুড়ো হয়ে গেছে। কিন্তু আমি তো জানি সেদিন একসাথে এই দুটো কিনেছি। মা কি তবে দারথক ভাষায় কথা বলছে।
মা- আমার নিরানিটা হাতে নিয়ে বলল অনেক ধার এটায় খোচা দিলেও ঢুকে যাবে।
আমি- বললাম তবে তুমি এটা নাও আমাকে ওটা দাও। দেখবে এটা দিও আমি কাজ করতে পারবো।
মা- হ্যা তোর নিড়ানিটা দিয়েই আমার কাজ হবে, তোর বাবারটায় ধার নেই।
আমি- বললাম ঠিক আছে তবে তুমি এটা নাও আমি ঐটা দিয়ে বাকি কাজ করছি। আজ থেকে এটা তোমার আর ঐটা আমার।
মা- না আর বসে থেকে লাভ নেই চল বাকি কাজটা করে নেই। এখন থেকে এটা দিয়েই আমার কাজ হবে।
আমি- বললাম শুধু নিড়ানি কেন তুমি যা চাইবে আমি তোমাকে দেবো মা। আরো কিছু যদি লাগে মা আমাকে বলবে আমি তোমাকে দেবো।
মা- সত্যি বলছি তো আমাকে দিবি তুই কালকে যেমন শাড়ি ছায়া ব্লাউজ আর ব্রা কিনে দিয়েছিস, আবার কবে কি কিনে দিবি।
আমি- বললাম তুমি পরেই দেখালে না আমাকে তো কিনে দেবো কি করে আগে দেখি আমার মাকে কেমন লাগে দেখতে। এই বলে আর দেরী না করে কাজে লেগে পড়লাম। বেলা তিনটে বেজে গেল শেষ করতে আরো দুই দিন আসতে হবে।
মা- বলল পাট গাছ অনেক বড় হয়ে গেছে বসে থাকলে দেখা যায়না। তারারাতি সার দিলে আরো বড় হবে দেখবি এক সপ্তাহের মধ্যে মাথা সমান হয়ে যাবে। কালকে আসার সময় সার নিয়ে আসবি এই জমিতে ষাঁড় বুনলে এটা আগে বড় হবে। এখন চল বাড়ি যাই।
আমি- হ্যা চলো বাড়ি যাই। দুজনে বাড়ি গিয়ে স্নান করে খেতে বসলাম। বাবাও এল খেয়ে বাবা মা ঘরে গেল আর আমি একটু রাস্তায় বেরাতে গেলাম। বাড়ি ফিরতেই দেখি বাবা মা তুমুল কথা কাটাকাটি হচ্ছে। আমাকে দেখেই দুজনে চুপ হয়ে গেল। এরপর বাবা বেড়িয়ে গেল।
মা- চোখ ম্মুছতে মুছতে বলল আমার আর বাঁচতে ইচ্ছে করেনা বাবা। ঐ লোকের সাথে আর বাঁচতে ইচ্ছে করেনা।




Share:

0 comments:

Post a Comment

Xgossip. Bangla Choty Golpo

Tags

Xgossip— Bangla Choty Golpo. Powered by Blogger.

Ad Space

Featured post

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(১৫)

  পর্ব:১৫ বাবা- কি বলব বাবা তোকে, আসলে তোর মাকে বকা ঝকা করেছি তার কারন আছে তুই আমার ছেলে তোকে কি বলব সব তো খুলে বলা যায়না। আমি- কেন বাবা আমি...

Search This Blog

🔞 ১৮% সতর্কবার্তা

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন।

About Us

About Us
এই খানে পাবেন বিভিন্ন লেখকদের বিভিন্ন ক্যাটাগরির চটি গল্প।

Translate

Popular Posts

Popular Posts