অষ্টম ভাগ
ভোরের আলো হোটেলের জানালার ফাঁক গলে এসে পড়ল ঘরের মেঝেতে। বাইরের বৃষ্টি থেমে গেছে। বাতাসের সাথে ভেসে আসছে ভেজা মাটির সোঁদা গন্ধ আর সমুদ্রের ঢেউয়ের একটানা গর্জন। প্রতিমা একটু নড়ে উঠল। তার শরীরে একটা পাতলা চাদর জড়ানো, কিন্তু ঘুমের ঘোরে শরীরটা অনেকটা উন্মুক্ত হয়ে পড়েছে।
সৌম্য চোখ মেলল। তার দৃষ্টি সরাসরি গিয়ে পড়ল মায়ের শরীরের ওপর। গত রাতের সেই স্মৃতিগুলো তার মস্তিষ্কে বিদ্যুতের মতো খেলে গেল। প্রতিমা পাশ ফিরে ঘুমিয়ে আছে। চাদরটা নিতম্বের নিচে নেমে গেছে, পিঠের মসৃণ বাঁক আর কোমরের সরু অংশটি সকালের আলোয় এক অদ্ভুত আভা ছড়াচ্ছে। তার ত্বক সোনালি, স্বচ্ছ। বালিশে চাপা পড়ে থাকা স্তন দুটোর নিপলগুলো গত রাতের উত্তেজনার চিহ্ন বহন করে এখনও কিছুটা ফুলে আছে।
সৌম্যর পেটের ওপর তার লিঙ্গ শক্ত হয়ে চেপে বসল। রক্তস্রোত দ্রুত বইতে শুরু করল তার যৌনাঙ্গে। সে ধীরে ধীরে চাদরটা আরও সরিয়ে দিল। প্রতিমার যোনি—ফোলা, লালচে, আর গত রাতের কামরসে ভেজা—সৌম্যর চোখে এক নিষিদ্ধ আমন্ত্রণ। তার শ্বাস ভারী হয়ে এল। সে মায়ের কাঁধে আলতো করে হাত রাখল।
"মা, জাগো।"
প্রতিমা ধীরে ধীরে চোখ খুলল। ঝাপসা দৃষ্টি পরিষ্কার হতেই সে দেখল ছেলের চোখ তার নগ্ন শরীরের ওপর স্থির। তার বুকের ভেতরটা এক মুহূর্তের জন্য কেঁপে উঠল। গত রাতের সেই চরম মুহূর্তগুলো তার মনে অপরাধবোধের পাহাড় তৈরি করেছে। সে সৌম্যর হাতটা সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করল।
সৌম্য হাত সরাল না, বরং আরও শক্ত করে ধরল। তার কণ্ঠে এখন লালসা আর ভালোবাসার এক অদ্ভুত মিশ্রণ।
"মা, সকালের আলোয় তুমি এত সুন্দর লাগছে।"
প্রতিমা মাথা নেড়ে দূরে সরে যাওয়ার চেষ্টা করল। তার কণ্ঠস্বর কাঁপছিল।
"সৌম্য, না... দয়া করে। আমি পারছি না। গত রাতে যা হয়েছে, তারপর আমার মনে খুব অশান্তি হচ্ছে। এটা ঠিক নয়, সৌম্য। আমরা যা করছি, তা পাপ।"
সৌম্যর হাত পিঠ বেয়ে নিচে নেমে এল। কোমরের খাঁজে আঙুলগুলো চেপে ধরল সে।
"পাপ কি ভালোবাসা হতে পারে না মা? তোমাকে এভাবে দেখছি, আমার ভেতরটা যেন পুড়ে যাচ্ছে। তুমি কি বুঝতে পারছ না আমি তোমাকে কতটা চাই?"
সে প্রতিমার গালে একটি গভীর চুমু খেল, তারপর ঠোঁটে। প্রতিমা প্রথমে চমকে উঠল, শরীরটা শক্ত হয়ে গেল। কিন্তু সৌম্যর জিভ যখন তার ঠোঁটের সীমানা পেরিয়ে ভেতরে প্রবেশ করল, প্রতিমার প্রতিরোধ ভেঙে পড়ল। সে অনিচ্ছাসত্ত্বেও ঠোঁট খুলে দিল। এক দীর্ঘ, মিষ্টি চুম্বন, যেখানে সময়ের গতি থমকে গেল।
সৌম্য এক ঝটকায় চাদরটা পুরোপুরি সরিয়ে ফেলল। প্রতিমা এখন সম্পূর্ণ উলঙ্গ। সকালের উজ্জ্বল আলো তার শরীরের প্রতিটি ভাঁড়কে স্পষ্ট করে তুলল। সৌম্য তার মুখ নামিয়ে স্তনের বোঁটায় জিভ বুলিয়ে দিল।
"আহ্! সৌম্য... এখনই আবার? সারারাত করেও শান্তি হয়নি?"
প্রতিমার হাত সৌম্যর মাথায় গিয়ে ঠেকল, কিন্তু সেই স্পর্শে বাধা ছিল না। বরং সে যেন অবচেতন মনেই তাকে আরও কাছে টেনে নিচ্ছিল। সৌম্যর মনে এখন কেবল তৃষ্ণা। সে প্রতিমার শরীরের ওপরে উঠে এল। তার দুই পা জোর করে আলাদা করে দিল।
প্রতিমা আর বাধা দিল না। সে চোখ বন্ধ করে নিল। চোখের কোণে জমে থাকা জল গাল বেয়ে গড়িয়ে পড়ল।
সৌম্য তার লম্বা, মোটা লিঙ্গের মাথাটি যোনির মুখে ঠেকিয়ে এক প্রচণ্ড ধাক্কায় পুরোটা ভেতরে ঢুকিয়ে দিল।
প্রতিমা নিঃশব্দে কেঁপে উঠল। যোনি এখনও গত রাতের রসে ভেজা, তাই লিঙ্গটি খুব সহজেই গভীরে প্রবেশ করল। সৌম্য প্রথমে ধীরে শুরু করল, কিন্তু উত্তেজনার তীব্রতা তাকে পাগল করে দিচ্ছিল। সে দ্রুত গতিতে ধাক্কা মারতে শুরু করল। যোনির ভেতরের নরম দেওয়ালগুলোতে লিঙ্গের মাথা ঘষা খাচ্ছিল।
প্রতিমার শরীর কাঁপছিল। তার মনে হচ্ছিল সে এই শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সে কেবল একটি পুতুলের মতো পড়ে আছে, যাকে তার ছেলে এখন নির্মমভাবে ভোগ করছে। সৌম্যর নিঃশ্বাস ভারী হয়ে এল। সে প্রতিমার মুখের দিকে তাকালো। চোখ বন্ধ, গাল বেয়ে জল গড়াচ্ছে।
"মা, তুমি কাঁদছো কেন?"
সৌম্য প্রশ্ন করল, কিন্তু তার ধাক্কা থামল না। বরং সে আরও জোরে, আরও গভীরে আঘাত করতে লাগল। প্রতিমা নিজের ঠোঁট কামড়ে ধরল, যাতে আর্তনাদ বাইরে বেরিয়ে না আসে।
এক ঘণ্টা ধরে এই খেলা চলল। সৌম্য তার মাকে চুদছে, আর প্রতিমা নিষ্ক্রিয়। শরীর সাড়া দিচ্ছে, যোনি থেকে রস বেরোচ্ছে, কিন্তু মনে কোনো আনন্দ নেই। সেখানে কেবল অপরাধবোধ আর এক গভীর বেদনা।
সৌম্য যখন চরম সীমায় পৌঁছালো, সে এক চিৎকার দিয়ে তার সমস্ত বীর্য যোনির গভীরে ছাড়ল। হাঁপাতে হাঁপাতে সে প্রতিমার শরীরের ওপর ঢলে পড়ল। কিছুক্ষণ পর সে অনুভব করল, প্রতিমার শরীর কাঁপছে। সে মাথা তুলে দেখল প্রতিমা ফুঁপিয়ে কাঁদছে, মুখ লুকানোর চেষ্টা করছে।
সৌম্যর বুকটা যেন ফেটে গেল। সে দ্রুত লিঙ্গ বের করে তার মায়ের পাশে শুয়ে তাকে জড়িয়ে ধরল। প্রতিমা তার বাহুতে মুখ গুঁজে আরও জোরে কেঁদে উঠল। সৌম্য তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিল, আঙুল দিয়ে চোখ মুছে দিল।
"মা, আমি দুঃখিত। আমি জানি তুমি চাওনি। কিন্তু আমি পাগলের মতো ভালোবাসি তোমাকে। তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচতে পারব না।"
প্রতিমা চোখ মুছে সৌম্যর দিকে তাকালো। তার চোখে জল আর ভালোবাসার এক অদ্ভুত সংঘাত।
"আমার ভালো লাগছে না, সৌম্য। আমরা খুব বড় ভুল করছি। কিন্তু কেন আমি তোমাকে থামাতে পারছি না? কেন আমার শরীর তোমার কাছে আত্মসমর্পণ করে?"
সৌম্য তার ঠোঁটে একটি আলতো চুমু খেয়ে বলল,
"কারণ তুমি আমাকে ভালোবাসো মা। আর আমিও তোমাকে। আমরা একে অপরের পরিপূরক। এই ভালোবাসা সমাজের চোখে নিষিদ্ধ হতে পারে, কিন্তু আমাদের কাছে এটা সত্যি। আমি প্রতিজ্ঞা করছি—আমি আর কখনো তোমাকে জোর করব না। তুমি রাজি না হলে, আমি অনন্তকাল অপেক্ষা করব।"
কিন্তু ভবিষ্যতে সৌম্য তার মাকে দেওয়া কথা রাখবে না।
প্রতিমা তার দিকে তাকিয়ে ম্লান হাসল।
"ঠিক আছে বাবা। কিন্তু এখন আমাকে একটু সময় দাও। এই সম্পর্কের অর্থ, এই পাপের ভার... সব বুঝতে আমার সময় লাগবে।"
সৌম্য তার হাত ধরে নিজের বুকের ওপর রাখল।
"আমি অপেক্ষা করব মা। যতদিন লাগে, আমি তোমার পাশে থাকব।"
তারা অনেকক্ষণ চুপ করে শুয়ে রইল। সৌম্য তার মায়ের পিঠে আলতো মালিশ করে দিচ্ছিল। প্রতিমা ধীরে ধীরে শান্ত হলো। জানালার বাইরে সূর্য এখন আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। এক নতুন দিনের শুরু, যা তাদের জীবনের সংজ্ঞা চিরতরে বদলে দিল।
সৌম্যর হাত যখন প্রতিমার পিঠে চলছিল, সে হঠাৎ জিজ্ঞেস করল,
"মা, তুমি কি সত্যিই মনে করো এটা পাপ?"
প্রতিমা দীর্ঘশ্বাস ফেলে জানালার বাইরের আকাশের দিকে তাকালো।
"সৌম্য, সমাজ যাকে পাপ বলে, তা হয়তো পাপ। কিন্তু আমার ভেতর যে যুদ্ধ চলছে, তার বিচার কে করবে? আমি তোমার মা, আর তুমি আমার সন্তান। এই সম্পর্কের বাইরে আমরা কোনোদিন চিন্তা করিনি। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে যা হচ্ছে, তা আমার কল্পনাকেও ছাড়িয়ে গেছে।"
সৌম্য তার আলিঙ্গন আরও শক্ত করল।
"সমাজ কেবল নিয়ম জানে মা, ভালোবাসা জানে না। সুবীর বাবার কথা মনে আছে? তিনি তোমাকে ভালোবেসেছিলেন, কিন্তু তোমার পরিবার তা মেনে নেয়নি। তুমি সেই কষ্টটা জানো। আমি চাই না তুমি আর কোনোদিন একা থাকো।"
প্রতিমা তার ছেলের বুকে মাথা রাখল।
"সুবীরের কথা মনে পড়লে আজও কষ্ট হয়। কিন্তু তুমি তার রক্ত, সৌম্য। তুমি তার প্রতিচ্ছবি। আমি যখন তোমার চোখের দিকে তাকাই, আমি সুবীরকেও দেখতে পাই। হয়তো সেই কারণেই আমি তোমাকে আটকাতে পারছি না।"
সৌম্য তার চুলে নাক গুঁজে নিঃশ্বাস নিল।
"তাহলে এই সম্পর্কটাকে মেনে নাও মা। আমরা দূরে কোথাও চলে যাব। যেখানে কেউ আমাদের চিনবে না, যেখানে আমরা শুধু নিজেদের মতো করে বাঁচব।"
প্রতিমা একটু হাসল, তবে সেই হাসিতে বিষণ্ণতা ছিল।
"এত সহজ নয় সবকিছু। আমাদের একটা জীবন আছে, একটা পরিচয় আছে। কিন্তু আমি স্বীকার করছি, তোমার স্পর্শ আমাকে এমন এক অনুভূতি দেয় যা আমি আগে কখনও পাইনি। তা কেবল শরীরী সুখ নয়, এক অদ্ভুত নির্ভরতা।"
সৌম্য তার মুখ তুলে প্রতিমার চোখের দিকে তাকালো।
"আমি তোমাকে পৃথিবীর সব সুখ দেব মা। আমি শুধু চাই তুমি আমার হও। পুরোপুরি আমার।"
প্রতিমা তার গাল ছুঁয়ে বলল,
"এটা সম্ভব নয়, আমরা মা - ছেলে। আমাদের এই সম্পর্ক সমাজ মেনে নেবেন না। এই নিষিদ্ধ পথে হাঁটতে গেলে আমাদের অনেক মূল্য চোকাতে হবে।"
সৌম্য আত্মবিশ্বাসের সাথে বলল,
"আমি সব মূল্য দিতে প্রস্তুত। শুধু তুমি আমার পাশে থেকো।"
প্রতিমা তার বুকে মুখ গুঁজে ফিসফিস করে বলল,
"আমি আছি বাবা। তবে মা হিসেবে।"
সৌম্য তার কপালে চুমু খেল।
"ঠিক আছে মা। আমাদের এই ভালোবাসা হবে আমাদের একান্ত গোপন স্বর্গ। আমি এই ভালোবাসা আমার মনের এক লুকিয়ে রাখবো, যতদিন না তুমি এই ভালোবাসাকে স্বীকৃতি দাও।"
বাইরে সমুদ্রের ঢেউগুলো এখন আরও জোরে আছড়ে পড়ছে সৈকতে। ঘরের ভেতরে নীরবতা বিরাজ করছে, তবে সেই নীরবতার মাঝে এক গভীর প্রতিশ্রুতি জন্ম নিয়েছে। তারা জানত, সামনের পথটা মসৃণ নয়, তবে একে অপরের উষ্ণতায় তারা এখন সমস্ত ভয় জয় করতে প্রস্তুত।
সৌম্য আলতো করে প্রতিমার হাত ধরে বলল,
"এখন একটু বিশ্রাম নাও। আমি তোমার জন্য কফি নিয়ে আসছি।"
প্রতিমা করুন মুখে বলল,
"না, দরকার নেই।"
সৌম্য হাসল। সে তার মায়ের শরীরের প্রতিটি ভাঁজ যেন এখন নতুন করে চিনতে শুরু করেছে। এই নিষিদ্ধ প্রেমের নেশা তাকে অন্ধ করে দিয়েছে, আর প্রতিমা সেই অন্ধকারের মাঝে এক আলোকবর্তিকা হয়ে তার পাশে দাঁড়িয়ে আছে।
তারা জানালার বাইরে তাকালো। আকাশটা এখন পরিষ্কার নীল। সমুদ্রের নীল জলরাশি দিগন্তের সাথে মিশে গেছে। ঠিক যেমন তারা দুজন এখন একে অপরের সাথে মিশে গেছে—অবিচ্ছেদ্য, নিষিদ্ধ এবং চিরন্তন।
প্রতিমা হঠাৎ জিজ্ঞেস করল,
"সৌম্য, তুমি কি সত্যিই আমাকে ভালোবাসো, নাকি এটা কেবল তোমার যৌবনের উত্তেজনা?"
সৌম্যর মুখ গম্ভীর হলো। সে প্রতিমার হাতটি নিজের হৃদপিণ্ডের ওপর রাখল।
"অনুভব করো মা। এই স্পন্দন কি কেবল উত্তেজনার? আমি যখন তোমাকে দেখি, আমার মনে হয় আমার পুরো অস্তিত্ব তোমার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। এই টান কেবল শরীরের নয়, আত্মার।"
প্রতিমা চোখ বন্ধ করল। সে অনুভব করতে পারল সৌম্যর হৃদপিণ্ডের দ্রুত গতি। সে বুঝতে পারল, এই ছেলেটি তার জন্য সত্যিই পাগল।
"আমি হয়তো তোমার ভালোবাসার যোগ্য নই, সৌম্য। আমি একজন মা, আমার উচিত ছিল তোমাকে সঠিক পথ দেখানো।"
সৌম্য তার কথা মাঝপথে থামিয়ে দিল।
"সঠিক পথ কোনটা মা? যেখানে আমরা একে অপরকে দূরে ঠেলে দেব? যেখানে তুমি সারা জীবন একাকীত্বে পুড়বে? আমার কাছে সঠিক পথ সেটাই, যেখানে আমি তোমাকে সুখী দেখতে পাই।"
প্রতিমা তার দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
"তুমি খুব জেদি হয়েছ, সৌম্য। ঠিক তোমার বাবার মতো।"
সৌম্য হাসল।
"জেদটাই তো আমাকে তোমার কাছে ফিরিয়ে এনেছে।"
তারা আবার চুপ হয়ে গেল। তবে এই নীরবতা আর ভারাক্রান্ত ছিল না। সেখানে ছিল এক অদ্ভুত শান্তি। জানালার বাইরে সূর্য এখন মধ্যগগনে। নতুন দিনটি তাদের জন্য এক নতুন পরীক্ষার সূচনা করল, তবে তারা প্রস্তুত ছিল সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে।
প্রতিমা ধীরে ধীরে উঠে বসল। তার শরীর এখনও কিছুটা অবসন্ন, কিন্তু মনে এক অদ্ভুত হালকা ভাব। সে সৌম্যর দিকে তাকিয়ে বলল,
"চলো, এবার তৈরি হই। আমাদের এখান থেকে ফিরতে হবে।"
সৌম্য তার হাত ধরে টেনে আবার বিছানায় শুইয়ে দিল। তার চোখে আবার সেই চেনা লালসা।
"এখনই কেন ফিরতে হবে মা? আমাদের হাতে এখনও সময় আছে।"
প্রতিমা এবার আর বাধা দিল না।
"তুমি সত্যিই এক রাক্ষস, সৌম্য।"
সৌম্য তার ঠোঁটে চুমু খেয়ে ফিসফিস করে বলল,
"শুধুমাত্র তোমার জন্য।"
সকালবেলার সেই আলো এখন ঘরের প্রতিটি কোণকে আলোকিত করেছে। তাদের নিষিদ্ধ প্রেম এখন সেই আলোর সাথে মিশে এক নতুন রূপ নিল। তারা জানত, পৃথিবীর চোখে তারা অপরাধী, কিন্তু নিজেদের চোখে তারা ছিল একে অপরের একমাত্র আশ্রয়।
সৌম্যর ঠোঁট যখন প্রতিমার গলায় নেমে এল, প্রতিমা চোখ বন্ধ করে এক দীর্ঘশ্বাস ফেলল। সে বুঝতে পারল, সে এখন আর কেবল মা নয়, সে এখন সৌম্যর প্রেমিকা, তার আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রবিন্দু। আর এই পরিবর্তনটিই তাকে এক অদ্ভুত তৃপ্তি দিল।
বাইরে সমুদ্রের গর্জন আর ভেজা মাটির গন্ধ তাদের এই মুহূর্তটিকে আরও গাঢ় করে তুলল। তারা একে অপরের মাঝে হারিয়ে গেল, ভুলে গেল সমাজ, ভুলে গেল নিয়ম, আর ভুলে গেল সমস্ত পাপের সংজ্ঞা। সেখানে কেবল ছিল দুটি শরীর আর এক নিষিদ্ধ তৃষ্ণা।
বিকালে সমুদ্রের নোনা বাতাস প্রতিমার মুখে আছড়ে পড়ছিল। যখন প্রতিমা হোটেলের বারান্দার রেলিংয়ে শক্ত করে ধরে দাঁড়িয়ে ছিল, আঙুলের ছাপ সাদা হয়ে গেছে চাপের চোটে। সামনে দিগন্ত বিস্তৃত নীল জলরাশি, কিন্তু তার চোখের সামনে ভেসে উঠছিল কালচে মেঘের ঘনঘটা। গত রাতের ও আজ ভোরের স্মৃতিগুলো সেই মেঘের মতো তাকে গ্রাস করে নিচ্ছে। সৌম্যর হাতের সেই উষ্ণ স্পর্শ, তার শরীরের প্রতিটি ভাঁজে ছড়িয়ে পড়া সেই তীব্র লালসা—সবই যেন এক দুঃস্বপ্নের মতো।
সে ফিসফিস করে নিজেকেই বলল, "আমি যদি ওকে জোর করে এখানে ঘুরতে না নিয়ে আসতাম... হয়তো এসব হতো না।"
একটু থেমে সে দীর্ঘশ্বাস ফেলল। সমুদ্রের ঢেউগুলো তীরের বালিতে আছড়ে পড়ছে, ঠিক যেমন তার ভেতরে অপরাধবোধের ঢেউগুলো আছড়ে পড়ছে।
"এই পাপ, এই অনাচার—সব আমারই দোষ। আমিই ওকে এই সুযোগ করে দিলাম।"
চোখের কোণে জল জমেছিল। সে দ্রুত হাত দিয়ে তা মুছে ফেলল। ঠিক সেই মুহূর্তে পেছন থেকে ভেসে এল পরিচিত পায়ের শব্দ। ভারী পদক্ষেপ, আত্মবিশ্বাসী চাল। প্রতিমা জানত কে আসছে।
সৌম্য বারান্দায় এসে দাঁড়াল। তার শরীর থেকে ভেসে আসছিল হালকা পারফিউম আর পুরুষালি ঘামের মিশ্র এক গন্ধ। সে আলতো করে প্রতিমার কাঁধে হাত রাখল।
"মা, এখানে একা কেন? ভিতরে এসো, বাতাসে ঠাণ্ডা লাগবে।"
সৌম্যর কণ্ঠস্বরটি ছিল মধুর, যেন ভালোবাসায় মোড়ানো। কিন্তু প্রতিমা সেই মধুরতার নিচে লুকিয়ে থাকা ক্ষুধার্ত নেকড়েটিকে চিনতে পারে। সে দ্রুত কাঁধ ঝাকিয়ে সৌম্যর হাত সরিয়ে দিল।
"আমি ঠিক আছি। তুমি ভিতরে যাও। আমি একটু একা থাকতে চাই।"
সৌম্য সরলো না। সে প্রতিমার পাশে এসে দাঁড়াল, দুজনের কাঁধ প্রায় স্পর্শ করে আছে। সে সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে একটা রহস্যময় হাসি হাসল।
"মা, তুমি কি এখনও গত রাতের কথা ভাবছো?"
প্রতিমা চমকে তাকালো তার দিকে। সৌম্যর চোখে এখন আর সেই ছোট ছেলের সরলতা নেই, সেখানে এখন এক অধিকারবোধ।
"আমি বলেছিলাম না, আর জোর করবো না? কিন্তু তুমি কি জানো, তোমাকে ছাড়া আমার শান্তি নেই? এই শরীর, এই মন—সবই তো তোমার জন্য পাগল।"
সৌম্যর হাত এবার প্রতিমার কোমরে গিয়ে জড়ালো। সে আলতো করে তাকে নিজের দিকে টেনে নিল। প্রতিমার শরীরটা এক মুহূর্তের জন্য কেঁপে উঠল। সে চাইছিল নিজেকে দূরে সরিয়ে নিতে, কিন্তু অদ্ভুত এক বিশ্বাসঘাতকতা করল তার শরীর। সৌম্যর দেহের উত্তাপ তাকে যেন চুম্বকের মতো আকর্ষণ করছে।
"সৌম্য, না! দয়া করে এসব আর করিস না। আমি আর পারছি না," প্রতিমা ফিসফিস করে বলল। তার কণ্ঠে অনুনয় ছিল, কিন্তু সেই অনুনয়ের ভেতরেই লুকিয়ে ছিল এক গভীর দুর্বলতা। "এই পাপের বোঝা আমি আর ঘাড়ে নিতে পারছি না। আমরা কী করছি এটা?"
সৌম্য তার মুখ ঘুরিয়ে প্রতিমার চোখের দিকে তাকালো। তার দৃষ্টি ছিল তীব্র, যেন প্রতিমার আত্মার ভেতরে ঢুকে পড়ছে।
"মা, পাপ বলে কিছু নেই যদি আমরা একে অপরের সুখ চাই। সমাজ কী বলে, ধর্ম কী বলে, তা আমরা কি গুরুত্ব দেব? তুমি কি চাও না আমি সুখী থাকি বা তুমি সুখে থাকো?"
প্রতিমা কথা খুঁজে পেল না। সৌম্যর ঠোঁট ধীরে ধীরে এগিয়ে এল। প্রথমে খুব নরমভাবে ছুঁয়ে দিল সে প্রতিমার নরম ঠোঁটকে। প্রতিমা চোখ বন্ধ করল। তারপর হঠাৎ আক্রমণাত্মক হয়ে উঠল সেই চুম্বন। সৌম্যর জিভ ঠেলে ভেতরে ঢুকে পড়ল, প্রতিমার মুখের ভেতরের প্রতিটি কোণ দখল করে নিল।
প্রতিমা একবার চেষ্টা করল তাকে ঠেলে দিতে, কিন্তু তার হাতগুলো যেন শক্তি হারিয়ে ফেলল। সৌম্যর চুম্বনের তীব্রতায় তার সমস্ত সংকল্প মোমের মতো গলে গেল। অনিচ্ছাসত্ত্বেও তার হাত দুটো সৌম্যর ঘাড় জড়িয়ে ধরল। জিভের এই লড়াইয়ে প্রতিমা হার মানল। সে বুঝতে পারল, তার মন যতটা ঘৃণা করছে, তার শরীর ততটাই আত্মসমর্পণ করছে।
সৌম্য তাকে এক ঝটকায় কোলে তুলে নিল। তাদের দুজনের দেহের তাপমাত্রা যেন এক হয়ে গেল। সে তাকে নিয়ে গেল বিছানার দিকে। বারান্দার দরজাটা খোলা রয়ে গেল; সমুদ্রের গর্জন আর বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ ভেতরে ঢুকে পড়ছিল। কিন্তু প্রতিমার কানে এখন শুধু শোনা যাচ্ছিল তার নিজের হৃদপিণ্ডের দ্রুত স্পন্দন আর সৌম্যর ভারী নিঃশ্বাস।
সৌম্য তাকে ধীরে ধীরে বিছানায় শুইয়ে দিল। তার আঙুলগুলো প্রতিমার পোশাকের বোতামে খেলতে লাগল। তারপর সৌম্য প্রতিমার শাড়ি, ব্লাউজ ও বাকি অস্ত্রগুলো খুলে ঘরের কোণে ছুঁড়ে ফেলে দিলো। প্রতিমা আর বাধা দিল না। সে শুধু চোখ বন্ধ করে নিজেকে সমর্পণ করল। তার মন চিৎকার করে বলছিল 'থামো', কিন্তু তার শরীর অনেক আগেই সাড়া দিয়ে ফেলেছে।
সৌম্য যখন তার স্তনের বোঁটায় মুখ দিল, প্রতিমার পিঠ ধনুকের মতো শক্ত হয়ে উঠল। তার মুখ থেকে একটি মৃদু আর্তনাদ বেরিয়ে এল।
"মা, তুমি এত সুন্দর... জানো তুমি কতটা সুন্দর?"
সৌম্যর জিভ বৃত্তাকারে ঘুরছে বোঁটার চারপাশে। প্রতিমার স্তনদুগুলা উত্তেজনায় শক্ত হয়ে উঠেছে। সে অনুভব করতে পারল তার পায়ের মাঝখানে আর্দ্রতা বাড়ছে। নিজের লজ্জা লুকাতে সে চাদরটা টেনে ধরতে চাইল, কিন্তু সৌম্য তার হাত দুটো ধরে মাথার ওপরে চেপে ধরল।
সৌম্য তার পোশাক পুরোপুরি খুলে ফেলল। যখন সে নিজের লিঙ্গ বের করল—সেই বিশাল দণ্ড —প্রতিমার চোখ ছলছল করে উঠল। সে সেই দানবীয় আকারের সামনে নিজেকে খুব ছোট আর অসহায় মনে করল।
"সৌম্য, তুমি কথা দিয়েছিলে... তুমি বলেছিলে আর করবে না..."
সৌম্য তার মুখে একটি গভীর চুমু খেয়ে ফিসফিস করে বলল, "আমি কথা রাখিনি, মা। কারণ তোমাকে ছাড়া আমি থাকতে পারি না। তুমি কি আমাকে ক্ষমা করবে?"
প্রতিমা কোনো উত্তর দিল না। সে শুধু চোখ বন্ধ করে নিল। সে জানত ক্ষমা শব্দটা এখানে অর্থহীন।
সৌম্য তার পা দুটো আলাদা করল। লিঙ্গের মাথাটা যোনির মুখে ঘষতে লাগল সে। ভেজা, গরম, প্রস্তুত। তারপর এক প্রচণ্ড ধাক্কায় পুরোটা ভেতরে ঢুকিয়ে দিল।
"আআআহ্!"
প্রতিমার কণ্ঠ থেকে একটি চাপা আর্তনাদ বেরিয়ে এল। শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে গেল। কিন্তু সৌম্য থামল না। সে ধীরে ধীরে নড়াচড়া শুরু করল। প্রতিমার নিতম্ব নিজের দিকে টেনে নিচ্ছে সে, যেন আরও গভীরে প্রবেশ করতে চায়।
প্রথম কয়েক মিনিট প্রতিমা নিষ্ক্রিয় পড়ে রইল। সে শুধু অনুভব করছিল তার ভেতরে একটি বিশাল স্তম্ভের ওঠানামা। তার শরীর সৌম্যর ধাক্কায় দুলছিল। কিন্তু যখন সৌম্য তার আঙুল দিয়ে ক্লিটোরিসে আলতো করে বুলাতে শুরু করল, প্রতিমার নিতম্ব অনিচ্ছায় নড়ে উঠল।
সে নিজেকে থামানোর চেষ্টা করল, কিন্তু শরীর বিদ্রোহ করল। সে অনুভব করল তার যোনি সংকুচিত হয়ে সৌম্যর লিঙ্গকে আরও শক্ত করে আঁকড়ে ধরছে।
"মা, তোমার কেমন লাগছে? বলো আমাকে, কেমন লাগছে?"
সৌম্যর কণ্ঠে মায়া আর লালসার এক অদ্ভুত মিশ্রণ। প্রতিমা চোখ খুলে সৌম্যর দিকে তাকালো। এখন আর তার চোখে সেই ভয়ার্ত পুতুলের ছাপ নেই, সেখানে ফুটে উঠেছে লালসার এক ঝিলিক।
"আমি... আমি জানি না," সে ফিসফিস করে বলল।
এই কথাটিই ছিল সৌম্যর জন্য সবুজ সংকেত। সে আরও জোরে ঠাপ মারা শুরু করল। প্রতিমার যোনি থেকে চিকচিক করে রস বেরোচ্ছে, বিছানার চাদর ভিজে যাচ্ছে। তাদের দেহের ঘর্ষণ থেকে এক ধরনের শব্দ তৈরি হচ্ছিল—ফচ ফচ, ঘচ ঘচ।
সৌম্য তাকে বিভিন্ন পজিশনে নিল। প্রথমে মিশনারি পজিশনে গভীরভাবে ঠাপাতে থাকল সে। প্রতিমার মুখ থেকে গোঙানির শব্দ বের হতে লাগল। তারপর সে প্রতিমাকে উল্টে দিল—ডগি স্টাইলে। পেছন থেকে যখন সে জোরে ধাক্কা মারছিল, প্রতিমার স্তনদুটো লাফাচ্ছিল।
"সৌম্য... উফফ... আর পারছি না... খুব গভীরে লাগছে!"
প্রতিমা এবার নিজেই নড়াচড়া করতে শুরু করল। তার হাত সৌম্যর কাঁধে শক্ত হয়ে চেপে বসেছে, মাথা পেছনে ফেলে সে আর্তনাদ করছে। কিন্তু সেই আর্তনাদে এখন আর অপরাধবোধ নেই, আছে শুধু এক আদিম মুক্তি।
কিছুক্ষণ পর, সৌম্য যখন চরমে পৌঁছালো, সে প্রতিমার ভেতরে প্রচণ্ড পরিমাণে বীর্য ছাড়ল। যেন তার সমস্ত ভালোবাসা, সমস্ত লালসা একবারে উজাড় করে দিচ্ছে।
প্রতিমা কেঁপে কেঁপে উঠল। তার নিজের চূড়ান্ত মুহূর্ত এসে গেল। শরীরে বিদ্যুতের মতো এক শিহরণ খেলে গেল। সে জোরে চিৎকার করে উঠল, তার যোনির পেশীগুলো শক্ত হয়ে সৌম্যর লিঙ্গকে চেপে ধরল।
তারা দুজনে ঘর্মাক্ত দেহে একে অপরকে জড়িয়ে শুয়ে রইল। ঘরের ভেতর তখন সমুদ্রের নোনা গন্ধ আর তাদের দেহের ঘামের গন্ধ মিশে একাকার হয়ে গেছে। সমুদ্রের ঢেউগুলো তখনও আছড়ে পড়ছে, কিন্তু প্রতিমার মনে আবার সেই অপরাধবোধ ফিরে এসেছে।
সে সৌম্যর বুকে মাথা রেখে ফিসফিস করে বলল, "তোকে আমি কী দিয়ে থামাবো, সৌম্য? আমি তো নিজেকেও থামাতে পারছি না।"
সৌম্য তার চুলে হাত বুলিয়ে দিল। তার নিঃশ্বাস তখনো ভারী।
"তুই কথা দিয়েছিলি... কিন্তু তোর চোখে যখন সেই লালসা দেখি, আমি নিজেকে ভুলে যাই। আমি জানি এটা ভুল, কিন্তু এই সুখ... এই সুখ আমাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।"
সৌম্য একটু হেসে তার কপালে চুমু খেল।
"মা, আমি জানি আমি ভুল করছি। কিন্তু তুমি কি সত্যিই চাও আমি থামি? তুমি যদি এখন বলো যে তোমার আমাকে কোনো প্রয়োজন নেই, আমি আজই কথা রাখবো। আমি আর কখনো তোমাকে ছোঁবো না।"
প্রতিমা চুপ করে রইল। অনেকক্ষণ নীরবতা। তার মন বলছিল, 'বলো তাই, এই পাপ থেকে মুক্তি চাও'। কিন্তু তার হৃদয় আর শরীর চিৎকার করে বলছিল উল্টোটা। সে অনুভব করতে পারছিল তার শরীর এখনও সৌম্যর স্পর্শ চাইছে।
শেষ পর্যন্ত সে মাথা নিচু করে খুব মৃদু স্বরে বলল, "আমি পারছি না সৌম্য। আমি বলতে পারছি না যে আমার প্রয়োজন নেই।"
সৌম্য তাকে আরও জোরে জড়িয়ে ধরল। তার কণ্ঠে এক অদ্ভুত তৃপ্তি।
"তাহলে তুমিও থামতে চাও না। তাহলে আমিও থামবো না। আমরা এই সম্পর্কের অর্থ খুঁজে বের করবো, একসঙ্গে। সমাজ আমাদের ঘৃণা করুক, তাতে আমার কিছু যায় আসে না।"
প্রতিমা আর কিছু বলল না। সে শুধু সৌম্যর বাহুতে মুখ গুঁজে চোখ বন্ধ করল। সে শুনতে পাচ্ছিল সৌম্যর নিয়মিত নিঃশ্বাসের শব্দ। সৌম্যর মন তখনও অস্থির ছিল। সে জানত এই নিষিদ্ধ পথের শেষ কোথায়, কিন্তু সেই পরিণতির কথা ভাবার সাহস তার এখন নেই।
বারান্দা দিয়ে আসা সমুদ্রের হাওয়া তাদের ঘর্মাক্ত শরীরকে শীতল করছিল। প্রতিমার অপরাধবোধ কমেনি, কিন্তু সে এক অদ্ভুত শান্তি খুঁজে পাচ্ছিল তার ছেলের বাহুতে—অন্তত এই মুহূর্তের জন্য।
পরবর্তী দুই দিন তাদের জীবন যেন এক স্বপ্নের মতো কাটল। সেই হোটেলের রুমটি হয়ে উঠল তাদের গোপন স্বর্গ। সেখানে কোনো নিয়ম ছিল না, কোনো সামাজিক বাধা ছিল না। শুধু ছিল দুই শরীরের আদিম টান আর একে অপরকে পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা। প্রতিমা আর নিজেকে বাধা দিল না; সে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে সঁপে দিল সৌম্যর লালসার কাছে।
দুই দিন পর, যখন তাদের চলে যাওয়ার সময় এল, প্রতিমা একবার শেষবার সমুদ্রের দিকে তাকালো। ঢেউগুলো আগের মতোই আছড়ে পড়ছিল, কিন্তু প্রতিমার ভেতরের মেঘগুলো এখন আর কালো নয়, বরং এক রহস্যময় ধূসর রঙ ধারণ করেছে।
তারা যখন বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিল, গাড়ির জানলা দিয়ে আসা বাতাস প্রতিমার মনে করিয়ে দিচ্ছিল যে তারা এখন আর আগের মতো নেই। তারা এমন এক সীমারেখা অতিক্রম করেছে, যেখান থেকে ফেরার কোনো পথ নেই। প্রতিমা সৌম্যর দিকে তাকালো; সৌম্যর চোখে সেই একই লালসা, কিন্তু তার সাথে মিশে ছিল এক গভীর অধিকারবোধ।
প্রতিমা জানত, বাড়ি ফিরে সব কিছু আগের মতো মনে হবে, কিন্তু তাদের দুজনের ভেতরে এক গোপন আগ্নেয়গিরি জ্বলতে থাকবে, যা যেকোনো মুহূর্তে আবার বিস্ফোরিত হতে পারে। সে শুধু চোখ বন্ধ করল এবং সৌম্যর হাতের উষ্ণতা অনুভব করল, যা তার আঙুলগুলোকে শক্ত করে ধরে রেখেছিল।
সৌম্য চোখ মেলল। তার দৃষ্টি সরাসরি গিয়ে পড়ল মায়ের শরীরের ওপর। গত রাতের সেই স্মৃতিগুলো তার মস্তিষ্কে বিদ্যুতের মতো খেলে গেল। প্রতিমা পাশ ফিরে ঘুমিয়ে আছে। চাদরটা নিতম্বের নিচে নেমে গেছে, পিঠের মসৃণ বাঁক আর কোমরের সরু অংশটি সকালের আলোয় এক অদ্ভুত আভা ছড়াচ্ছে। তার ত্বক সোনালি, স্বচ্ছ। বালিশে চাপা পড়ে থাকা স্তন দুটোর নিপলগুলো গত রাতের উত্তেজনার চিহ্ন বহন করে এখনও কিছুটা ফুলে আছে।
সৌম্যর পেটের ওপর তার লিঙ্গ শক্ত হয়ে চেপে বসল। রক্তস্রোত দ্রুত বইতে শুরু করল তার যৌনাঙ্গে। সে ধীরে ধীরে চাদরটা আরও সরিয়ে দিল। প্রতিমার যোনি—ফোলা, লালচে, আর গত রাতের কামরসে ভেজা—সৌম্যর চোখে এক নিষিদ্ধ আমন্ত্রণ। তার শ্বাস ভারী হয়ে এল। সে মায়ের কাঁধে আলতো করে হাত রাখল।
"মা, জাগো।"
প্রতিমা ধীরে ধীরে চোখ খুলল। ঝাপসা দৃষ্টি পরিষ্কার হতেই সে দেখল ছেলের চোখ তার নগ্ন শরীরের ওপর স্থির। তার বুকের ভেতরটা এক মুহূর্তের জন্য কেঁপে উঠল। গত রাতের সেই চরম মুহূর্তগুলো তার মনে অপরাধবোধের পাহাড় তৈরি করেছে। সে সৌম্যর হাতটা সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করল।
সৌম্য হাত সরাল না, বরং আরও শক্ত করে ধরল। তার কণ্ঠে এখন লালসা আর ভালোবাসার এক অদ্ভুত মিশ্রণ।
"মা, সকালের আলোয় তুমি এত সুন্দর লাগছে।"
প্রতিমা মাথা নেড়ে দূরে সরে যাওয়ার চেষ্টা করল। তার কণ্ঠস্বর কাঁপছিল।
"সৌম্য, না... দয়া করে। আমি পারছি না। গত রাতে যা হয়েছে, তারপর আমার মনে খুব অশান্তি হচ্ছে। এটা ঠিক নয়, সৌম্য। আমরা যা করছি, তা পাপ।"
সৌম্যর হাত পিঠ বেয়ে নিচে নেমে এল। কোমরের খাঁজে আঙুলগুলো চেপে ধরল সে।
"পাপ কি ভালোবাসা হতে পারে না মা? তোমাকে এভাবে দেখছি, আমার ভেতরটা যেন পুড়ে যাচ্ছে। তুমি কি বুঝতে পারছ না আমি তোমাকে কতটা চাই?"
সে প্রতিমার গালে একটি গভীর চুমু খেল, তারপর ঠোঁটে। প্রতিমা প্রথমে চমকে উঠল, শরীরটা শক্ত হয়ে গেল। কিন্তু সৌম্যর জিভ যখন তার ঠোঁটের সীমানা পেরিয়ে ভেতরে প্রবেশ করল, প্রতিমার প্রতিরোধ ভেঙে পড়ল। সে অনিচ্ছাসত্ত্বেও ঠোঁট খুলে দিল। এক দীর্ঘ, মিষ্টি চুম্বন, যেখানে সময়ের গতি থমকে গেল।
সৌম্য এক ঝটকায় চাদরটা পুরোপুরি সরিয়ে ফেলল। প্রতিমা এখন সম্পূর্ণ উলঙ্গ। সকালের উজ্জ্বল আলো তার শরীরের প্রতিটি ভাঁড়কে স্পষ্ট করে তুলল। সৌম্য তার মুখ নামিয়ে স্তনের বোঁটায় জিভ বুলিয়ে দিল।
"আহ্! সৌম্য... এখনই আবার? সারারাত করেও শান্তি হয়নি?"
প্রতিমার হাত সৌম্যর মাথায় গিয়ে ঠেকল, কিন্তু সেই স্পর্শে বাধা ছিল না। বরং সে যেন অবচেতন মনেই তাকে আরও কাছে টেনে নিচ্ছিল। সৌম্যর মনে এখন কেবল তৃষ্ণা। সে প্রতিমার শরীরের ওপরে উঠে এল। তার দুই পা জোর করে আলাদা করে দিল।
প্রতিমা আর বাধা দিল না। সে চোখ বন্ধ করে নিল। চোখের কোণে জমে থাকা জল গাল বেয়ে গড়িয়ে পড়ল।
সৌম্য তার লম্বা, মোটা লিঙ্গের মাথাটি যোনির মুখে ঠেকিয়ে এক প্রচণ্ড ধাক্কায় পুরোটা ভেতরে ঢুকিয়ে দিল।
প্রতিমা নিঃশব্দে কেঁপে উঠল। যোনি এখনও গত রাতের রসে ভেজা, তাই লিঙ্গটি খুব সহজেই গভীরে প্রবেশ করল। সৌম্য প্রথমে ধীরে শুরু করল, কিন্তু উত্তেজনার তীব্রতা তাকে পাগল করে দিচ্ছিল। সে দ্রুত গতিতে ধাক্কা মারতে শুরু করল। যোনির ভেতরের নরম দেওয়ালগুলোতে লিঙ্গের মাথা ঘষা খাচ্ছিল।
প্রতিমার শরীর কাঁপছিল। তার মনে হচ্ছিল সে এই শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সে কেবল একটি পুতুলের মতো পড়ে আছে, যাকে তার ছেলে এখন নির্মমভাবে ভোগ করছে। সৌম্যর নিঃশ্বাস ভারী হয়ে এল। সে প্রতিমার মুখের দিকে তাকালো। চোখ বন্ধ, গাল বেয়ে জল গড়াচ্ছে।
"মা, তুমি কাঁদছো কেন?"
সৌম্য প্রশ্ন করল, কিন্তু তার ধাক্কা থামল না। বরং সে আরও জোরে, আরও গভীরে আঘাত করতে লাগল। প্রতিমা নিজের ঠোঁট কামড়ে ধরল, যাতে আর্তনাদ বাইরে বেরিয়ে না আসে।
এক ঘণ্টা ধরে এই খেলা চলল। সৌম্য তার মাকে চুদছে, আর প্রতিমা নিষ্ক্রিয়। শরীর সাড়া দিচ্ছে, যোনি থেকে রস বেরোচ্ছে, কিন্তু মনে কোনো আনন্দ নেই। সেখানে কেবল অপরাধবোধ আর এক গভীর বেদনা।
সৌম্য যখন চরম সীমায় পৌঁছালো, সে এক চিৎকার দিয়ে তার সমস্ত বীর্য যোনির গভীরে ছাড়ল। হাঁপাতে হাঁপাতে সে প্রতিমার শরীরের ওপর ঢলে পড়ল। কিছুক্ষণ পর সে অনুভব করল, প্রতিমার শরীর কাঁপছে। সে মাথা তুলে দেখল প্রতিমা ফুঁপিয়ে কাঁদছে, মুখ লুকানোর চেষ্টা করছে।
সৌম্যর বুকটা যেন ফেটে গেল। সে দ্রুত লিঙ্গ বের করে তার মায়ের পাশে শুয়ে তাকে জড়িয়ে ধরল। প্রতিমা তার বাহুতে মুখ গুঁজে আরও জোরে কেঁদে উঠল। সৌম্য তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিল, আঙুল দিয়ে চোখ মুছে দিল।
"মা, আমি দুঃখিত। আমি জানি তুমি চাওনি। কিন্তু আমি পাগলের মতো ভালোবাসি তোমাকে। তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচতে পারব না।"
প্রতিমা চোখ মুছে সৌম্যর দিকে তাকালো। তার চোখে জল আর ভালোবাসার এক অদ্ভুত সংঘাত।
"আমার ভালো লাগছে না, সৌম্য। আমরা খুব বড় ভুল করছি। কিন্তু কেন আমি তোমাকে থামাতে পারছি না? কেন আমার শরীর তোমার কাছে আত্মসমর্পণ করে?"
সৌম্য তার ঠোঁটে একটি আলতো চুমু খেয়ে বলল,
"কারণ তুমি আমাকে ভালোবাসো মা। আর আমিও তোমাকে। আমরা একে অপরের পরিপূরক। এই ভালোবাসা সমাজের চোখে নিষিদ্ধ হতে পারে, কিন্তু আমাদের কাছে এটা সত্যি। আমি প্রতিজ্ঞা করছি—আমি আর কখনো তোমাকে জোর করব না। তুমি রাজি না হলে, আমি অনন্তকাল অপেক্ষা করব।"
কিন্তু ভবিষ্যতে সৌম্য তার মাকে দেওয়া কথা রাখবে না।
প্রতিমা তার দিকে তাকিয়ে ম্লান হাসল।
"ঠিক আছে বাবা। কিন্তু এখন আমাকে একটু সময় দাও। এই সম্পর্কের অর্থ, এই পাপের ভার... সব বুঝতে আমার সময় লাগবে।"
সৌম্য তার হাত ধরে নিজের বুকের ওপর রাখল।
"আমি অপেক্ষা করব মা। যতদিন লাগে, আমি তোমার পাশে থাকব।"
তারা অনেকক্ষণ চুপ করে শুয়ে রইল। সৌম্য তার মায়ের পিঠে আলতো মালিশ করে দিচ্ছিল। প্রতিমা ধীরে ধীরে শান্ত হলো। জানালার বাইরে সূর্য এখন আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। এক নতুন দিনের শুরু, যা তাদের জীবনের সংজ্ঞা চিরতরে বদলে দিল।
সৌম্যর হাত যখন প্রতিমার পিঠে চলছিল, সে হঠাৎ জিজ্ঞেস করল,
"মা, তুমি কি সত্যিই মনে করো এটা পাপ?"
প্রতিমা দীর্ঘশ্বাস ফেলে জানালার বাইরের আকাশের দিকে তাকালো।
"সৌম্য, সমাজ যাকে পাপ বলে, তা হয়তো পাপ। কিন্তু আমার ভেতর যে যুদ্ধ চলছে, তার বিচার কে করবে? আমি তোমার মা, আর তুমি আমার সন্তান। এই সম্পর্কের বাইরে আমরা কোনোদিন চিন্তা করিনি। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে যা হচ্ছে, তা আমার কল্পনাকেও ছাড়িয়ে গেছে।"
সৌম্য তার আলিঙ্গন আরও শক্ত করল।
"সমাজ কেবল নিয়ম জানে মা, ভালোবাসা জানে না। সুবীর বাবার কথা মনে আছে? তিনি তোমাকে ভালোবেসেছিলেন, কিন্তু তোমার পরিবার তা মেনে নেয়নি। তুমি সেই কষ্টটা জানো। আমি চাই না তুমি আর কোনোদিন একা থাকো।"
প্রতিমা তার ছেলের বুকে মাথা রাখল।
"সুবীরের কথা মনে পড়লে আজও কষ্ট হয়। কিন্তু তুমি তার রক্ত, সৌম্য। তুমি তার প্রতিচ্ছবি। আমি যখন তোমার চোখের দিকে তাকাই, আমি সুবীরকেও দেখতে পাই। হয়তো সেই কারণেই আমি তোমাকে আটকাতে পারছি না।"
সৌম্য তার চুলে নাক গুঁজে নিঃশ্বাস নিল।
"তাহলে এই সম্পর্কটাকে মেনে নাও মা। আমরা দূরে কোথাও চলে যাব। যেখানে কেউ আমাদের চিনবে না, যেখানে আমরা শুধু নিজেদের মতো করে বাঁচব।"
প্রতিমা একটু হাসল, তবে সেই হাসিতে বিষণ্ণতা ছিল।
"এত সহজ নয় সবকিছু। আমাদের একটা জীবন আছে, একটা পরিচয় আছে। কিন্তু আমি স্বীকার করছি, তোমার স্পর্শ আমাকে এমন এক অনুভূতি দেয় যা আমি আগে কখনও পাইনি। তা কেবল শরীরী সুখ নয়, এক অদ্ভুত নির্ভরতা।"
সৌম্য তার মুখ তুলে প্রতিমার চোখের দিকে তাকালো।
"আমি তোমাকে পৃথিবীর সব সুখ দেব মা। আমি শুধু চাই তুমি আমার হও। পুরোপুরি আমার।"
প্রতিমা তার গাল ছুঁয়ে বলল,
"এটা সম্ভব নয়, আমরা মা - ছেলে। আমাদের এই সম্পর্ক সমাজ মেনে নেবেন না। এই নিষিদ্ধ পথে হাঁটতে গেলে আমাদের অনেক মূল্য চোকাতে হবে।"
সৌম্য আত্মবিশ্বাসের সাথে বলল,
"আমি সব মূল্য দিতে প্রস্তুত। শুধু তুমি আমার পাশে থেকো।"
প্রতিমা তার বুকে মুখ গুঁজে ফিসফিস করে বলল,
"আমি আছি বাবা। তবে মা হিসেবে।"
সৌম্য তার কপালে চুমু খেল।
"ঠিক আছে মা। আমাদের এই ভালোবাসা হবে আমাদের একান্ত গোপন স্বর্গ। আমি এই ভালোবাসা আমার মনের এক লুকিয়ে রাখবো, যতদিন না তুমি এই ভালোবাসাকে স্বীকৃতি দাও।"
বাইরে সমুদ্রের ঢেউগুলো এখন আরও জোরে আছড়ে পড়ছে সৈকতে। ঘরের ভেতরে নীরবতা বিরাজ করছে, তবে সেই নীরবতার মাঝে এক গভীর প্রতিশ্রুতি জন্ম নিয়েছে। তারা জানত, সামনের পথটা মসৃণ নয়, তবে একে অপরের উষ্ণতায় তারা এখন সমস্ত ভয় জয় করতে প্রস্তুত।
সৌম্য আলতো করে প্রতিমার হাত ধরে বলল,
"এখন একটু বিশ্রাম নাও। আমি তোমার জন্য কফি নিয়ে আসছি।"
প্রতিমা করুন মুখে বলল,
"না, দরকার নেই।"
সৌম্য হাসল। সে তার মায়ের শরীরের প্রতিটি ভাঁজ যেন এখন নতুন করে চিনতে শুরু করেছে। এই নিষিদ্ধ প্রেমের নেশা তাকে অন্ধ করে দিয়েছে, আর প্রতিমা সেই অন্ধকারের মাঝে এক আলোকবর্তিকা হয়ে তার পাশে দাঁড়িয়ে আছে।
তারা জানালার বাইরে তাকালো। আকাশটা এখন পরিষ্কার নীল। সমুদ্রের নীল জলরাশি দিগন্তের সাথে মিশে গেছে। ঠিক যেমন তারা দুজন এখন একে অপরের সাথে মিশে গেছে—অবিচ্ছেদ্য, নিষিদ্ধ এবং চিরন্তন।
প্রতিমা হঠাৎ জিজ্ঞেস করল,
"সৌম্য, তুমি কি সত্যিই আমাকে ভালোবাসো, নাকি এটা কেবল তোমার যৌবনের উত্তেজনা?"
সৌম্যর মুখ গম্ভীর হলো। সে প্রতিমার হাতটি নিজের হৃদপিণ্ডের ওপর রাখল।
"অনুভব করো মা। এই স্পন্দন কি কেবল উত্তেজনার? আমি যখন তোমাকে দেখি, আমার মনে হয় আমার পুরো অস্তিত্ব তোমার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। এই টান কেবল শরীরের নয়, আত্মার।"
প্রতিমা চোখ বন্ধ করল। সে অনুভব করতে পারল সৌম্যর হৃদপিণ্ডের দ্রুত গতি। সে বুঝতে পারল, এই ছেলেটি তার জন্য সত্যিই পাগল।
"আমি হয়তো তোমার ভালোবাসার যোগ্য নই, সৌম্য। আমি একজন মা, আমার উচিত ছিল তোমাকে সঠিক পথ দেখানো।"
সৌম্য তার কথা মাঝপথে থামিয়ে দিল।
"সঠিক পথ কোনটা মা? যেখানে আমরা একে অপরকে দূরে ঠেলে দেব? যেখানে তুমি সারা জীবন একাকীত্বে পুড়বে? আমার কাছে সঠিক পথ সেটাই, যেখানে আমি তোমাকে সুখী দেখতে পাই।"
প্রতিমা তার দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
"তুমি খুব জেদি হয়েছ, সৌম্য। ঠিক তোমার বাবার মতো।"
সৌম্য হাসল।
"জেদটাই তো আমাকে তোমার কাছে ফিরিয়ে এনেছে।"
তারা আবার চুপ হয়ে গেল। তবে এই নীরবতা আর ভারাক্রান্ত ছিল না। সেখানে ছিল এক অদ্ভুত শান্তি। জানালার বাইরে সূর্য এখন মধ্যগগনে। নতুন দিনটি তাদের জন্য এক নতুন পরীক্ষার সূচনা করল, তবে তারা প্রস্তুত ছিল সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে।
প্রতিমা ধীরে ধীরে উঠে বসল। তার শরীর এখনও কিছুটা অবসন্ন, কিন্তু মনে এক অদ্ভুত হালকা ভাব। সে সৌম্যর দিকে তাকিয়ে বলল,
"চলো, এবার তৈরি হই। আমাদের এখান থেকে ফিরতে হবে।"
সৌম্য তার হাত ধরে টেনে আবার বিছানায় শুইয়ে দিল। তার চোখে আবার সেই চেনা লালসা।
"এখনই কেন ফিরতে হবে মা? আমাদের হাতে এখনও সময় আছে।"
প্রতিমা এবার আর বাধা দিল না।
"তুমি সত্যিই এক রাক্ষস, সৌম্য।"
সৌম্য তার ঠোঁটে চুমু খেয়ে ফিসফিস করে বলল,
"শুধুমাত্র তোমার জন্য।"
সকালবেলার সেই আলো এখন ঘরের প্রতিটি কোণকে আলোকিত করেছে। তাদের নিষিদ্ধ প্রেম এখন সেই আলোর সাথে মিশে এক নতুন রূপ নিল। তারা জানত, পৃথিবীর চোখে তারা অপরাধী, কিন্তু নিজেদের চোখে তারা ছিল একে অপরের একমাত্র আশ্রয়।
সৌম্যর ঠোঁট যখন প্রতিমার গলায় নেমে এল, প্রতিমা চোখ বন্ধ করে এক দীর্ঘশ্বাস ফেলল। সে বুঝতে পারল, সে এখন আর কেবল মা নয়, সে এখন সৌম্যর প্রেমিকা, তার আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রবিন্দু। আর এই পরিবর্তনটিই তাকে এক অদ্ভুত তৃপ্তি দিল।
বাইরে সমুদ্রের গর্জন আর ভেজা মাটির গন্ধ তাদের এই মুহূর্তটিকে আরও গাঢ় করে তুলল। তারা একে অপরের মাঝে হারিয়ে গেল, ভুলে গেল সমাজ, ভুলে গেল নিয়ম, আর ভুলে গেল সমস্ত পাপের সংজ্ঞা। সেখানে কেবল ছিল দুটি শরীর আর এক নিষিদ্ধ তৃষ্ণা।
বিকালে সমুদ্রের নোনা বাতাস প্রতিমার মুখে আছড়ে পড়ছিল। যখন প্রতিমা হোটেলের বারান্দার রেলিংয়ে শক্ত করে ধরে দাঁড়িয়ে ছিল, আঙুলের ছাপ সাদা হয়ে গেছে চাপের চোটে। সামনে দিগন্ত বিস্তৃত নীল জলরাশি, কিন্তু তার চোখের সামনে ভেসে উঠছিল কালচে মেঘের ঘনঘটা। গত রাতের ও আজ ভোরের স্মৃতিগুলো সেই মেঘের মতো তাকে গ্রাস করে নিচ্ছে। সৌম্যর হাতের সেই উষ্ণ স্পর্শ, তার শরীরের প্রতিটি ভাঁজে ছড়িয়ে পড়া সেই তীব্র লালসা—সবই যেন এক দুঃস্বপ্নের মতো।
সে ফিসফিস করে নিজেকেই বলল, "আমি যদি ওকে জোর করে এখানে ঘুরতে না নিয়ে আসতাম... হয়তো এসব হতো না।"
একটু থেমে সে দীর্ঘশ্বাস ফেলল। সমুদ্রের ঢেউগুলো তীরের বালিতে আছড়ে পড়ছে, ঠিক যেমন তার ভেতরে অপরাধবোধের ঢেউগুলো আছড়ে পড়ছে।
"এই পাপ, এই অনাচার—সব আমারই দোষ। আমিই ওকে এই সুযোগ করে দিলাম।"
চোখের কোণে জল জমেছিল। সে দ্রুত হাত দিয়ে তা মুছে ফেলল। ঠিক সেই মুহূর্তে পেছন থেকে ভেসে এল পরিচিত পায়ের শব্দ। ভারী পদক্ষেপ, আত্মবিশ্বাসী চাল। প্রতিমা জানত কে আসছে।
সৌম্য বারান্দায় এসে দাঁড়াল। তার শরীর থেকে ভেসে আসছিল হালকা পারফিউম আর পুরুষালি ঘামের মিশ্র এক গন্ধ। সে আলতো করে প্রতিমার কাঁধে হাত রাখল।
"মা, এখানে একা কেন? ভিতরে এসো, বাতাসে ঠাণ্ডা লাগবে।"
সৌম্যর কণ্ঠস্বরটি ছিল মধুর, যেন ভালোবাসায় মোড়ানো। কিন্তু প্রতিমা সেই মধুরতার নিচে লুকিয়ে থাকা ক্ষুধার্ত নেকড়েটিকে চিনতে পারে। সে দ্রুত কাঁধ ঝাকিয়ে সৌম্যর হাত সরিয়ে দিল।
"আমি ঠিক আছি। তুমি ভিতরে যাও। আমি একটু একা থাকতে চাই।"
সৌম্য সরলো না। সে প্রতিমার পাশে এসে দাঁড়াল, দুজনের কাঁধ প্রায় স্পর্শ করে আছে। সে সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে একটা রহস্যময় হাসি হাসল।
"মা, তুমি কি এখনও গত রাতের কথা ভাবছো?"
প্রতিমা চমকে তাকালো তার দিকে। সৌম্যর চোখে এখন আর সেই ছোট ছেলের সরলতা নেই, সেখানে এখন এক অধিকারবোধ।
"আমি বলেছিলাম না, আর জোর করবো না? কিন্তু তুমি কি জানো, তোমাকে ছাড়া আমার শান্তি নেই? এই শরীর, এই মন—সবই তো তোমার জন্য পাগল।"
সৌম্যর হাত এবার প্রতিমার কোমরে গিয়ে জড়ালো। সে আলতো করে তাকে নিজের দিকে টেনে নিল। প্রতিমার শরীরটা এক মুহূর্তের জন্য কেঁপে উঠল। সে চাইছিল নিজেকে দূরে সরিয়ে নিতে, কিন্তু অদ্ভুত এক বিশ্বাসঘাতকতা করল তার শরীর। সৌম্যর দেহের উত্তাপ তাকে যেন চুম্বকের মতো আকর্ষণ করছে।
"সৌম্য, না! দয়া করে এসব আর করিস না। আমি আর পারছি না," প্রতিমা ফিসফিস করে বলল। তার কণ্ঠে অনুনয় ছিল, কিন্তু সেই অনুনয়ের ভেতরেই লুকিয়ে ছিল এক গভীর দুর্বলতা। "এই পাপের বোঝা আমি আর ঘাড়ে নিতে পারছি না। আমরা কী করছি এটা?"
সৌম্য তার মুখ ঘুরিয়ে প্রতিমার চোখের দিকে তাকালো। তার দৃষ্টি ছিল তীব্র, যেন প্রতিমার আত্মার ভেতরে ঢুকে পড়ছে।
"মা, পাপ বলে কিছু নেই যদি আমরা একে অপরের সুখ চাই। সমাজ কী বলে, ধর্ম কী বলে, তা আমরা কি গুরুত্ব দেব? তুমি কি চাও না আমি সুখী থাকি বা তুমি সুখে থাকো?"
প্রতিমা কথা খুঁজে পেল না। সৌম্যর ঠোঁট ধীরে ধীরে এগিয়ে এল। প্রথমে খুব নরমভাবে ছুঁয়ে দিল সে প্রতিমার নরম ঠোঁটকে। প্রতিমা চোখ বন্ধ করল। তারপর হঠাৎ আক্রমণাত্মক হয়ে উঠল সেই চুম্বন। সৌম্যর জিভ ঠেলে ভেতরে ঢুকে পড়ল, প্রতিমার মুখের ভেতরের প্রতিটি কোণ দখল করে নিল।
প্রতিমা একবার চেষ্টা করল তাকে ঠেলে দিতে, কিন্তু তার হাতগুলো যেন শক্তি হারিয়ে ফেলল। সৌম্যর চুম্বনের তীব্রতায় তার সমস্ত সংকল্প মোমের মতো গলে গেল। অনিচ্ছাসত্ত্বেও তার হাত দুটো সৌম্যর ঘাড় জড়িয়ে ধরল। জিভের এই লড়াইয়ে প্রতিমা হার মানল। সে বুঝতে পারল, তার মন যতটা ঘৃণা করছে, তার শরীর ততটাই আত্মসমর্পণ করছে।
সৌম্য তাকে এক ঝটকায় কোলে তুলে নিল। তাদের দুজনের দেহের তাপমাত্রা যেন এক হয়ে গেল। সে তাকে নিয়ে গেল বিছানার দিকে। বারান্দার দরজাটা খোলা রয়ে গেল; সমুদ্রের গর্জন আর বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ ভেতরে ঢুকে পড়ছিল। কিন্তু প্রতিমার কানে এখন শুধু শোনা যাচ্ছিল তার নিজের হৃদপিণ্ডের দ্রুত স্পন্দন আর সৌম্যর ভারী নিঃশ্বাস।
সৌম্য তাকে ধীরে ধীরে বিছানায় শুইয়ে দিল। তার আঙুলগুলো প্রতিমার পোশাকের বোতামে খেলতে লাগল। তারপর সৌম্য প্রতিমার শাড়ি, ব্লাউজ ও বাকি অস্ত্রগুলো খুলে ঘরের কোণে ছুঁড়ে ফেলে দিলো। প্রতিমা আর বাধা দিল না। সে শুধু চোখ বন্ধ করে নিজেকে সমর্পণ করল। তার মন চিৎকার করে বলছিল 'থামো', কিন্তু তার শরীর অনেক আগেই সাড়া দিয়ে ফেলেছে।
সৌম্য যখন তার স্তনের বোঁটায় মুখ দিল, প্রতিমার পিঠ ধনুকের মতো শক্ত হয়ে উঠল। তার মুখ থেকে একটি মৃদু আর্তনাদ বেরিয়ে এল।
"মা, তুমি এত সুন্দর... জানো তুমি কতটা সুন্দর?"
সৌম্যর জিভ বৃত্তাকারে ঘুরছে বোঁটার চারপাশে। প্রতিমার স্তনদুগুলা উত্তেজনায় শক্ত হয়ে উঠেছে। সে অনুভব করতে পারল তার পায়ের মাঝখানে আর্দ্রতা বাড়ছে। নিজের লজ্জা লুকাতে সে চাদরটা টেনে ধরতে চাইল, কিন্তু সৌম্য তার হাত দুটো ধরে মাথার ওপরে চেপে ধরল।
সৌম্য তার পোশাক পুরোপুরি খুলে ফেলল। যখন সে নিজের লিঙ্গ বের করল—সেই বিশাল দণ্ড —প্রতিমার চোখ ছলছল করে উঠল। সে সেই দানবীয় আকারের সামনে নিজেকে খুব ছোট আর অসহায় মনে করল।
"সৌম্য, তুমি কথা দিয়েছিলে... তুমি বলেছিলে আর করবে না..."
সৌম্য তার মুখে একটি গভীর চুমু খেয়ে ফিসফিস করে বলল, "আমি কথা রাখিনি, মা। কারণ তোমাকে ছাড়া আমি থাকতে পারি না। তুমি কি আমাকে ক্ষমা করবে?"
প্রতিমা কোনো উত্তর দিল না। সে শুধু চোখ বন্ধ করে নিল। সে জানত ক্ষমা শব্দটা এখানে অর্থহীন।
সৌম্য তার পা দুটো আলাদা করল। লিঙ্গের মাথাটা যোনির মুখে ঘষতে লাগল সে। ভেজা, গরম, প্রস্তুত। তারপর এক প্রচণ্ড ধাক্কায় পুরোটা ভেতরে ঢুকিয়ে দিল।
"আআআহ্!"
প্রতিমার কণ্ঠ থেকে একটি চাপা আর্তনাদ বেরিয়ে এল। শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে গেল। কিন্তু সৌম্য থামল না। সে ধীরে ধীরে নড়াচড়া শুরু করল। প্রতিমার নিতম্ব নিজের দিকে টেনে নিচ্ছে সে, যেন আরও গভীরে প্রবেশ করতে চায়।
প্রথম কয়েক মিনিট প্রতিমা নিষ্ক্রিয় পড়ে রইল। সে শুধু অনুভব করছিল তার ভেতরে একটি বিশাল স্তম্ভের ওঠানামা। তার শরীর সৌম্যর ধাক্কায় দুলছিল। কিন্তু যখন সৌম্য তার আঙুল দিয়ে ক্লিটোরিসে আলতো করে বুলাতে শুরু করল, প্রতিমার নিতম্ব অনিচ্ছায় নড়ে উঠল।
সে নিজেকে থামানোর চেষ্টা করল, কিন্তু শরীর বিদ্রোহ করল। সে অনুভব করল তার যোনি সংকুচিত হয়ে সৌম্যর লিঙ্গকে আরও শক্ত করে আঁকড়ে ধরছে।
"মা, তোমার কেমন লাগছে? বলো আমাকে, কেমন লাগছে?"
সৌম্যর কণ্ঠে মায়া আর লালসার এক অদ্ভুত মিশ্রণ। প্রতিমা চোখ খুলে সৌম্যর দিকে তাকালো। এখন আর তার চোখে সেই ভয়ার্ত পুতুলের ছাপ নেই, সেখানে ফুটে উঠেছে লালসার এক ঝিলিক।
"আমি... আমি জানি না," সে ফিসফিস করে বলল।
এই কথাটিই ছিল সৌম্যর জন্য সবুজ সংকেত। সে আরও জোরে ঠাপ মারা শুরু করল। প্রতিমার যোনি থেকে চিকচিক করে রস বেরোচ্ছে, বিছানার চাদর ভিজে যাচ্ছে। তাদের দেহের ঘর্ষণ থেকে এক ধরনের শব্দ তৈরি হচ্ছিল—ফচ ফচ, ঘচ ঘচ।
সৌম্য তাকে বিভিন্ন পজিশনে নিল। প্রথমে মিশনারি পজিশনে গভীরভাবে ঠাপাতে থাকল সে। প্রতিমার মুখ থেকে গোঙানির শব্দ বের হতে লাগল। তারপর সে প্রতিমাকে উল্টে দিল—ডগি স্টাইলে। পেছন থেকে যখন সে জোরে ধাক্কা মারছিল, প্রতিমার স্তনদুটো লাফাচ্ছিল।
"সৌম্য... উফফ... আর পারছি না... খুব গভীরে লাগছে!"
প্রতিমা এবার নিজেই নড়াচড়া করতে শুরু করল। তার হাত সৌম্যর কাঁধে শক্ত হয়ে চেপে বসেছে, মাথা পেছনে ফেলে সে আর্তনাদ করছে। কিন্তু সেই আর্তনাদে এখন আর অপরাধবোধ নেই, আছে শুধু এক আদিম মুক্তি।
কিছুক্ষণ পর, সৌম্য যখন চরমে পৌঁছালো, সে প্রতিমার ভেতরে প্রচণ্ড পরিমাণে বীর্য ছাড়ল। যেন তার সমস্ত ভালোবাসা, সমস্ত লালসা একবারে উজাড় করে দিচ্ছে।
প্রতিমা কেঁপে কেঁপে উঠল। তার নিজের চূড়ান্ত মুহূর্ত এসে গেল। শরীরে বিদ্যুতের মতো এক শিহরণ খেলে গেল। সে জোরে চিৎকার করে উঠল, তার যোনির পেশীগুলো শক্ত হয়ে সৌম্যর লিঙ্গকে চেপে ধরল।
তারা দুজনে ঘর্মাক্ত দেহে একে অপরকে জড়িয়ে শুয়ে রইল। ঘরের ভেতর তখন সমুদ্রের নোনা গন্ধ আর তাদের দেহের ঘামের গন্ধ মিশে একাকার হয়ে গেছে। সমুদ্রের ঢেউগুলো তখনও আছড়ে পড়ছে, কিন্তু প্রতিমার মনে আবার সেই অপরাধবোধ ফিরে এসেছে।
সে সৌম্যর বুকে মাথা রেখে ফিসফিস করে বলল, "তোকে আমি কী দিয়ে থামাবো, সৌম্য? আমি তো নিজেকেও থামাতে পারছি না।"
সৌম্য তার চুলে হাত বুলিয়ে দিল। তার নিঃশ্বাস তখনো ভারী।
"তুই কথা দিয়েছিলি... কিন্তু তোর চোখে যখন সেই লালসা দেখি, আমি নিজেকে ভুলে যাই। আমি জানি এটা ভুল, কিন্তু এই সুখ... এই সুখ আমাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।"
সৌম্য একটু হেসে তার কপালে চুমু খেল।
"মা, আমি জানি আমি ভুল করছি। কিন্তু তুমি কি সত্যিই চাও আমি থামি? তুমি যদি এখন বলো যে তোমার আমাকে কোনো প্রয়োজন নেই, আমি আজই কথা রাখবো। আমি আর কখনো তোমাকে ছোঁবো না।"
প্রতিমা চুপ করে রইল। অনেকক্ষণ নীরবতা। তার মন বলছিল, 'বলো তাই, এই পাপ থেকে মুক্তি চাও'। কিন্তু তার হৃদয় আর শরীর চিৎকার করে বলছিল উল্টোটা। সে অনুভব করতে পারছিল তার শরীর এখনও সৌম্যর স্পর্শ চাইছে।
শেষ পর্যন্ত সে মাথা নিচু করে খুব মৃদু স্বরে বলল, "আমি পারছি না সৌম্য। আমি বলতে পারছি না যে আমার প্রয়োজন নেই।"
সৌম্য তাকে আরও জোরে জড়িয়ে ধরল। তার কণ্ঠে এক অদ্ভুত তৃপ্তি।
"তাহলে তুমিও থামতে চাও না। তাহলে আমিও থামবো না। আমরা এই সম্পর্কের অর্থ খুঁজে বের করবো, একসঙ্গে। সমাজ আমাদের ঘৃণা করুক, তাতে আমার কিছু যায় আসে না।"
প্রতিমা আর কিছু বলল না। সে শুধু সৌম্যর বাহুতে মুখ গুঁজে চোখ বন্ধ করল। সে শুনতে পাচ্ছিল সৌম্যর নিয়মিত নিঃশ্বাসের শব্দ। সৌম্যর মন তখনও অস্থির ছিল। সে জানত এই নিষিদ্ধ পথের শেষ কোথায়, কিন্তু সেই পরিণতির কথা ভাবার সাহস তার এখন নেই।
বারান্দা দিয়ে আসা সমুদ্রের হাওয়া তাদের ঘর্মাক্ত শরীরকে শীতল করছিল। প্রতিমার অপরাধবোধ কমেনি, কিন্তু সে এক অদ্ভুত শান্তি খুঁজে পাচ্ছিল তার ছেলের বাহুতে—অন্তত এই মুহূর্তের জন্য।
পরবর্তী দুই দিন তাদের জীবন যেন এক স্বপ্নের মতো কাটল। সেই হোটেলের রুমটি হয়ে উঠল তাদের গোপন স্বর্গ। সেখানে কোনো নিয়ম ছিল না, কোনো সামাজিক বাধা ছিল না। শুধু ছিল দুই শরীরের আদিম টান আর একে অপরকে পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা। প্রতিমা আর নিজেকে বাধা দিল না; সে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে সঁপে দিল সৌম্যর লালসার কাছে।
দুই দিন পর, যখন তাদের চলে যাওয়ার সময় এল, প্রতিমা একবার শেষবার সমুদ্রের দিকে তাকালো। ঢেউগুলো আগের মতোই আছড়ে পড়ছিল, কিন্তু প্রতিমার ভেতরের মেঘগুলো এখন আর কালো নয়, বরং এক রহস্যময় ধূসর রঙ ধারণ করেছে।
তারা যখন বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিল, গাড়ির জানলা দিয়ে আসা বাতাস প্রতিমার মনে করিয়ে দিচ্ছিল যে তারা এখন আর আগের মতো নেই। তারা এমন এক সীমারেখা অতিক্রম করেছে, যেখান থেকে ফেরার কোনো পথ নেই। প্রতিমা সৌম্যর দিকে তাকালো; সৌম্যর চোখে সেই একই লালসা, কিন্তু তার সাথে মিশে ছিল এক গভীর অধিকারবোধ।
প্রতিমা জানত, বাড়ি ফিরে সব কিছু আগের মতো মনে হবে, কিন্তু তাদের দুজনের ভেতরে এক গোপন আগ্নেয়গিরি জ্বলতে থাকবে, যা যেকোনো মুহূর্তে আবার বিস্ফোরিত হতে পারে। সে শুধু চোখ বন্ধ করল এবং সৌম্যর হাতের উষ্ণতা অনুভব করল, যা তার আঙুলগুলোকে শক্ত করে ধরে রেখেছিল।







0 comments:
Post a Comment