Bangla Choty Golpo

প্রতিমার জীবন সংগ্রামের ইতিকথা(০৭)




 সপ্তম ভাগ


বাইরে বৃষ্টির তাণ্ডব। হোটেলের জানলার কাঁচের ওপর জলের ধারাগুলো যেন পাগলের মতো দৌড়াচ্ছে। ঘরের ভেতরে অন্ধকার, শুধু জানলা দিয়ে আসা সামান্য আলোর রেখা আর বৃষ্টির একটানা শব্দ। সেই শব্দের সাথে মিশে গেছে শরীরের ঘর্ষণের শব্দ।
 সৌম্যর পেশীবহুল শরীর প্রতিমার নরম শরীরের ওপর চেপে বসে আছে। প্রতিবার যখন সে ধাক্কা দিচ্ছে, প্রতিমার পায়ের মলের শব্দ ঘরের দেওয়ালে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। সৌম্যর লিঙ্গ কখনও সোজা হয়ে যোনির গভীরে প্রবেশ করছে, আবার কখনও সে মাথাটা সামান্য বাঁকিয়ে যোনির মোলায়েম দেওয়ালগুলোতে ঘষছে।
 "আহ্... সৌম্য... উফ্!"
 প্রতিমার আর্তনাদ বৃষ্টির শব্দকেও ছাপিয়ে যাচ্ছে। সে ছটফট করছে, তার নখ সৌম্যর পিঠে বসে যাচ্ছে।
 "কেমন লাগছে মা? আমার এই লিঙ্গটা তোমার ভেতরে কেমন লাগছে?"
 সৌম্যর গলার স্বর এখন আর ছেলের মতো নেই, সেখানে মিশে আছে এক আদিম কামনার গর্জন। সে ধাক্কার গতি বাড়িয়ে দিল। ফচ ফচ, ঘচ ঘচ শব্দে ঘরটা ভরে উঠল। প্রতিমার যোনি থেকে নিঃসৃত রস এখন এত বেশি যে লিঙ্গটি ভেতরে ঢোকার সময় কোনো বাধা পাচ্ছে না, বরং পিচ্ছিল হয়ে দ্রুত ভেতরে-বাইরে হচ্ছে।
 "আমি... আমি আর পারছি না... খুব জোরে লাগছে... ওহ্ ভগবান!"
 প্রতিমা তার মাথাটা বালিশে চেপে ধরল। তার চোখ দুটো কামনায় বুঁদ হয়ে আছে।
 সৌম্য হঠাৎ একটু নিচু হলো। তার উষ্ণ নিঃশ্বাস প্রতিমার পেটে লাগছে। সে খুব আলতো করে মায়ের নাভিতে ঠোঁট রাখল। একটি গভীর চুম্বন। তারপর সে শরীরটা সামান্য সরিয়ে নিয়ে ধীর কিন্তু লম্বা টানে যোনি মর্দন করতে শুরু করল।
 সৌম্য নিচের দিকে তাকাল। দেখল তাদের দুই শরীর যেখানে মিশেছে, সেখানে কামরসে ভিজে চকচক করছে তার লিঙ্গ। সে একবার পুরোটা বের করে নিল, আর পরক্ষণেই এক প্রচণ্ড ঝাঁকি দিয়ে গোড়া পর্যন্ত ঢুকিয়ে দিল।
 "উউউহ্!"
 প্রতিমার পুরো শরীর ধনুকের মতো বেঁকে গেল। সে হাঁপাচ্ছে।
 "হে মা... উফ্ সৌম্য... তুই একটা জন্তু! আমাকে এভাবে মারিস না..."
 প্রতিমার কথাগুলো এখন আর নিষেধের নয়, বরং মুক্তি পাওয়ার জন্য আকুতি। তার যোনিতে তীব্র শিহরণ জাগল। সে হঠাৎ চিৎকার করে সৌম্যর গলা জড়িয়ে ধরল।
 "আহ বাবা! আমি শেষ হয়ে যাচ্ছি... হায় হায়! মা... ওহ দয়া করে আমাকে ছাড়... আমি আর পারছি না! আমি শেষ হয়ে যাচ্ছি... হায় আমার যোনি... ওহ বাবা!"
 প্রতিমা তার নিতম্ব দুটো জোরে উপরের দিকে ঠেলে দিল, যেন সে নিজেই লিঙ্গটিকে আরও গভীরে টেনে নিতে চাইছে। তার সারা শরীর কাঁপতে শুরু করল। বহু বছরের তৃষ্ণার্ত যোনি থেকে যেন গরম লাভা বেরিয়ে এল। সে চূড়ান্ত সুখের চূড়ায় পৌঁছে গেল।
 সৌম্য থামল না। সে অবিরাম ধাক্কা দিতে থাকল। প্রতিমার গালে, ঘাড়ে, ঠোঁটে আর কানের লতিতে একের পর এক চুমু খেতে লাগল সে। তার হাতগুলো প্রতিমার স্তনবৃন্তগুলোকে মর্দন করছে।
 "তুমি শুধু আমার, মা। শুধু আমার।"
 সৌম্যর ফিসফিসানি প্রতিমার কানে বিষের মতো মিশে যাচ্ছে। প্রতিমা চোখ বন্ধ করে কাঁপছে। তার যোনি সংকুচিত আর প্রসারিত হচ্ছে, যেন সে সৌম্যর লিঙ্গটিকে আঁকড়ে ধরে রাখতে চাইছে।
 বাইরে বৃষ্টি আরও প্রবল হলো। সৌম্যর গতি এখন কিছুটা মন্থর। সে প্রতিমার সাথে লতার মতো জড়িয়ে রইল। লিঙ্গের প্রবেশ আর নির্গমন এখন খুব আলতো।
 প্রতিমা ধীরে ধীরে চোখ খুলল। সে তার ছেলেকে আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। তার মনে হচ্ছে, এই নিষিদ্ধ সম্পর্কের সুখ পৃথিবীর সব নিয়মের চেয়ে বড়। সে সম্পূর্ণ তৃপ্ত।
 "সৌম্য... তুই আমাকে এমন জায়গায় নিয়ে গেলি যে আমি আর ফিরতে পারব না।"
 সৌম্যর চোখে এখন উন্মাদনা। সে আর স্থির থাকতে পারল না। প্রায় বেশ কিছুক্ষণ প্রচণ্ড জোরালো ধাক্কার পর সে এক শেষ, অত্যন্ত শক্তিশালী ধাক্কা মারল।
 "আআআহ্!"
 প্রতিমার মুখ থেকে তীব্র চিৎকার বেরিয়ে এল। তার সারা শরীর কেঁপে উঠল। সৌম্যর শরীরও কাঁপছে। সে গর্জন করে উঠল।
 "এখন থেকে তুমি শুধু আমার! শুধু আমার! তোমার যোনি ছাড়া আমি আর বাঁচতে পারব না! আআআহ্!"
 সৌম্যর অণ্ডকোষে জমা ঘন, গরম বীর্য দানা দানা হয়ে পিচকিরির মতো প্রতিমার যোনির গভীরে পড়তে লাগল। বীর্যের উষ্ণ ধারা যখন যোনিমুখে তীব্রভাবে আছড়ে পড়ল, প্রতিমা আবার কাঁপতে শুরু করল।
 "হায় হায়... ওহ্ বাবা... ভেতরে... সব ভেতরে দিয়ে দিলি!"
 প্রতিমার যোনি থেকেও রসের পিচকিরি ছুটে পড়ল। লিঙ্গটি গোড়া পর্যন্ত প্রবেশ করে আছে। প্রতিমার যোনি শক্ত হয়ে সংকুচিত আর প্রসারিত হচ্ছে। সে যেন এক অদ্ভুত আবেশে বেহুঁশ হয়ে তার ছেলেকে চুমু খেতে খেতে জড়িয়ে ধরল।
 সৌম্যর শরীর তখনও কাঁপছে। পুরো লিঙ্গ যোনির ভেতরে ডুবে আছে। সে অনুভব করতে পারছে কীভাবে বীর্যের মোটা ধারা প্রতিমার গভীরে ছড়িয়ে পড়ছে। প্রতিমার যোনি এখন বীর্যে কানায় কানায় পূর্ণ।
 "আহ্... খুব গরম... সৌম্য, তোর বীর্য এত গরম কেন?"
 প্রতিমা অস্ফুট স্বরে বলল। বীর্য বাইরে বেরিয়ে তার নিতম্বের খাঁজে প্রবাহিত হতে লাগল। সেই ঘন আর উষ্ণ অনুভূতিতে প্রতিমা আবার শিউরে উঠল। যোনি রস আর বীর্যের মিশ্রিত একটি ধারা প্রবাহিত হয়ে বিছানা পেরিয়ে নিচের মেঝেতে গিয়ে পড়ল।
 সৌম্য চোখ বন্ধ করে হাঁপাতে লাগল। সে লিঙ্গটি গোড়া পর্যন্ত ঢুকিয়ে শেষবারের মতো কয়েকবার ঝাঁকি দিল। তারপর সে হাঁপাতে হাঁপাতে প্রতিমার শরীরের ওপর ঢলে পড়ল।
 প্রতিমা অচেতন প্রায়, কিন্তু তার বাহুগুলো ছেলের শরীরকে জাপটে ধরে আছে। সে বেহুঁশ অবস্থায় সৌম্যর চুলে আঙুল বোলাচ্ছে, তাকে আদর করছে।
 লিঙ্গটি এখন কিছুটা শিথিল হয়ে এসেছে, কিন্তু তখনও অর্ধেকটা ভেতরে। প্রতিমা তার দুই পা ছেলের কোমরে আড়াআড়ি করে জড়িয়ে রেখেছে।
 "সৌম্য..."
 প্রতিমা খুব হালকা করে ডাকল।
 "বলো মা।"
 সৌম্যর গলার স্বর এখন শান্ত, কিন্তু তৃপ্তির।
 "আমরা কি খুব বড় পাপ করলাম? আর তুই আমার যোনির ভিতরে বীর্যপাত করলি কেন? এটা অনেক বড় পাপ"
 সৌম্যর মুখটা প্রতিমার ঘাড়ের কাছে। সে সেখানে একটি নরম চুমু খেল।
 "পাপ কি হয় যখন দুজন মানুষ একে অপরকে এত গভীরভাবে ভালোবাসে? তুমি কি এখন অপরাধবোধ অনুভব করছো? আর আমি চাই আমাদের এই মিলনের কোনো চিহ্ন থাকুক।"
 প্রতিমা কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল। তারপর সে সৌম্যর পিঠে হাত বুলিয়ে বলল, "না। এটা ঠিক হল না, কিছু দূর্ঘটনা ঘটলে তখন কাউকে মুখ দেখাতে পারবো না। এই সুখ... এই তৃপ্তি... আমি জীবনে কখনও পাইনি। সুবীরের সাথেও এমনটা হয়নি। কিন্তু তবুও এটা ভালোবাসা নয়, কামনা ও আকর্ষণ মাত্র।"
 সৌম্য একটু হেসে তার মাথা তুলল। প্রতিমার মুখে এখন এক অদ্ভুত প্রশান্তি।
 "যা হয় হোক, আমি আছি তোমার সঙ্গে, কোনো ভয় নেই তোমার, এখন থেকে তুমি শুধু আমার।"
 প্রতিমা চোখ বন্ধ করে মাথা নাড়ল। "হ্যাঁ, আমি শুধু তোর। তোর এই বিশাল কামনার কাছে আমি আত্মসমর্পণ করেছি।"
 সৌম্যর ঠোঁটে এক তৃপ্তির হাসি। সে আবার প্রতিমার ঠোঁটে ঠোঁট রাখল। বাইরে বৃষ্টি থামেনি, বরং আরও প্রবল হয়ে উঠেছে। সেই বৃষ্টির শব্দের সাথে মিশে আছে দুই নিষিদ্ধ প্রেমিকের দীর্ঘশ্বাস।
 "আমি তোমাকে কখনও ছেড়ে যাব না, মা। তোমার এই শরীর, তোমার এই যোনি... এখন আমার সাম্রাজ্য।"
 সৌম্যর হাত প্রতিমার স্তনে। সে আলতো করে নিপলগুলো টিপছে। বীর্য তখনও তাদের শরীরের মাঝখানে ভিজে হয়ে আছে।
 "এখন ঘুমিয়ে পড়ো। আমি তোমাকে জড়িয়েই রাখব।"
 প্রতিমা চোখ বুজল। তার মনে হচ্ছে, পৃথিবীর সব বাধা, সব নিয়ম এখন এই হোটেলের ঘরের বাইরে। এখানে শুধু সে আর তার ছেলে—দুটি শরীর, একটি তৃষ্ণা।
 সৌম্যর শ্বাস এখন স্বাভাবিক হয়ে আসছে। সে অনুভব করল প্রতিমার হৃদস্পন্দন তার বুকের সাথে তাল মিলিয়ে চলছে। সে মনে মনে ভাবল, এই মুহূর্তটি যেন অনন্তকাল ধরে চলে।
 "সৌম্য, তুই কি সত্যিই আমাকে এত ভালোবাসিস?"
 প্রতিমা ঘুমের ঘোরেই ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল।
 সৌম্যর কণ্ঠস্বর গম্ভীর হয়ে এল, "ভালোবাসা শব্দটা খুব ছোট মা। আমি তোমাকে পূজা করি। তোমার শরীর আমার কাছে মন্দির।"
 প্রতিমা আর কিছু বলল না। সে শুধু সৌম্যর আলিঙ্গনকে আরও শক্ত করল। বীর্যের উষ্ণতা আর বৃষ্টির শীতলতা মিলেমিশে একাকার হয়ে গেল সেই অন্ধকারে।
 কিছুক্ষণ পর প্রতিমা আবার নড়ে উঠল। সে অনুভব করল লিঙ্গটি আরও শিথিল হয়ে এসেছে।
 "বের করে নে সোনা... খুব ভিজে হয়ে আছে সব।"
 সৌম্য আলতো করে লিঙ্গটি বের করে নিল। যোনি থেকে বীর্য আর রসের মিশ্রিত সাদাটে তরল স্রোতের মতো বেরিয়ে এল। সৌম্যর লিঙ্গটি এখন ভিজে এবং চকচকে।
 সে হাত দিয়ে সেই তরলটুকু মুছে নিল আর প্রতিমার কপালে একটি গভীর চুমু দিল।
 "আজ রাতে আমরা শুধু একে অপরের। কোনো চিন্তা নেই, কোনো ভয় নেই।"
 প্রতিমা হাসল। সেই হাসিতে ছিল এক নিষিদ্ধ সম্পর্কের প্রতি বিশাদ ও চিন্তা, এই পথ খুব কঠিন, কিন্তু এই সুখের কাছে সবকিছুই কেতুচ্ছ।
 সৌম্য তাকে আরও কাছে টেনে নিল। তাদের শরীরগুলো ঘাম আর কামরসে লেপটে ছিল। বৃষ্টির শব্দ এখন একটা লোরির মতো শোনাচ্ছে, যা তাদের গভীর ঘুমের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
 "শুভ রাত্রি, আমার রানি।"
 অন্ধকার ঘরে শুধু শোনা যাচ্ছিল তাদের দুজনের ছন্দময় নিঃশ্বাস। নিষিদ্ধ ভালোবাসার এক চরম তৃপ্তির পর তারা ডুবে গেল গভীর ঘুমে, যেখানে কোনো সমাজ নেই, কোনো নিয়ম নেই—আছে শুধু শরীর আর আত্মার এক আদিম মিলন।
Share:

0 comments:

Post a Comment

Xgossip. Bangla Choty Golpo

Tags

Xgossip— Bangla Choty Golpo. Powered by Blogger.

Ad Space

Featured post

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(১৫)

  পর্ব:১৫ বাবা- কি বলব বাবা তোকে, আসলে তোর মাকে বকা ঝকা করেছি তার কারন আছে তুই আমার ছেলে তোকে কি বলব সব তো খুলে বলা যায়না। আমি- কেন বাবা আমি...

Search This Blog

🔞 ১৮% সতর্কবার্তা

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন।

About Us

About Us
এই খানে পাবেন বিভিন্ন লেখকদের বিভিন্ন ক্যাটাগরির চটি গল্প।

Translate

Popular Posts

Popular Posts