Bangla Choty Golpo

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(০৯)

 




পর্ব:০৯




মা- বলল সার যখন বোনা হয়ে গেছে তাহলে বস্তায় ঘাস ভরে নেই তারপর বাড়ি চলো। সন্ধ্যে হয়ে গেছে দ্যাখ সবাই চলেও গেছে। আকাশে কেমন মেঘ জমেছে তাড়াতাড়ি বাড়ি যাওয়া ভালো ঝর উঠতে পারে। আজকে কালকের মতন হাওয়াও নেই।

আমি- মা কালকের ঘটনা বাবা কি কিছু বুঝতে পেরেছে, রাতে তো তোমরা ভালই শব্দ করেছ।
মা- আমি তার বউ সে চাইলে না করতে পারি, তবে না সে কিছুই বোঝে নাই।
আমি- মা সুখ পেয়েছ বাবার কাছে। সত্যি বলবে। এই বলে মাকে দাড়াতে বলে বস্তা পেতে দিলাম ঘাসের উপরে সুন্দর করে। এখনও আলো আছে।
মা- ঠিক আছে কোন সমস্যা নেই। তারমতন সে করে গেছে।
আমি- মাকে বললাম বসো পাশে বসো।
মা- না দেরী করে এখন লাভ কি বাড়ি যাবনা। গিয়ে গরু তুলতে হবেনা। রান্না করতে হবে।
আমি- মায়ের হাত ধরে সত্যি মা আর দেবেনা আমাকে। এমন করো না মা। আমি তবে সত্যি মরে যাবো। এই দ্যাখ হাওয়া দিচ্ছে। তবে ঝরের হাওয়া না এমনিতেই হাওয়া দিচ্ছে। শরীর কেমন এক ঝটকায় ঠাণ্ডা হয়ে গেল।
মা- বলল কি দেবো এসব ভালো না একদম এসব ঠিক না, কালকে রাগের মাথায় করে ফেলেছি আর করা ঠিক হবেনা। তোমার বাবা কবে যেনে যাবে তখন কি হবে। তুমি কি ভাবছ সে মেনে নেবে। কোনদিন না। তাই আমাদের আগে থেকেই সাবধান হওয়া উচিৎ।  
আমি- মা আমরা তো সাবধানেই করব তাইনা, এরজন্য তো তোমাকে বাড়িতে বসে বলিনাই।
মা- না আমি পারবোনা তুমি আমার পেটে জন্মেছ আর যা করা যাক তোমার সাথে করা যাবেনা। আপন ছেলের সাথে কালকে করে ফেলেছি আর করতে পারবোনা। একবার ভাবো তোমার জন্ম আমি দিয়েছি। কি করে এসব করা যায়, কালকে তোমার বাবার কথার উপরে যা করার করে ফেলেছি। আমি আর এসব করতে পারবোনা।
আমি- মা একবার করাও যা একশো বার করাও তাই। সত্যি আমি তোমাকে সুখ দিতে পারিনি মনে হয়।
মা- না তা নয় তুমি কেন বুঝতে পারছ না, এ করা যায়না। তুমি আমার ছেলে, এটা একবার বুঝতে চেষ্টা কর বাবা।
আমি- তখন উঠে ওইদিকে অলে গেলাম প্রসাবের ভান করে। জমির চারপাশ ঘুরে এলাম। তারপর আবার মায়ের কাছে এসে বললাম দেখি উঠে দাড়াও বস্তায় ঘাস ভরে নেই। অন্ধকার হয়ে গেছে।
মা- সাথে সারথে উঠে দাঁড়ালো।
আমি- নিজে হাতে বস্তা নিয়ে ঘাস গুলো ভরে নিলাম এরপর মুখ বেঁধে নিয়ে মাথায় তুলে নিলাম আর বললাম চলো তুমি ধামা আর সারের বস্তা নিয়ে। এক মিনিটো দাঁড়ালাম সোজা চলে এলাম। মা আসছে কিনা সেদিকেও তাকালাম না। সোজা এসে বাড়ি ঢুকলাম।
মা- আমার পেছন পেছন এসে বাবা এত তাড়াতাড়ি চলে আসলি আমার ভয় করছিলো।
আমি- কোন উত্তর দিলাম না। গরু তুলে নিলাম ঘরে রেখে এরপর হাত মুখ ধুয়ে এসে ঘরে বসলাম। পাখা দিয়ে নিজেকে হাওয়া করে যাচ্ছি গরম খুব লাগছে।
মা- আমাকে ডাক দিল কি করছিস এদিকে আয়।
আমি- কি করব মায়ের কাছে গেলাম আর বললাম হ্যা বলো।
মা- আমাকে বলল এখানে বস ঘরে একা একা আর আমিও এদিকে একা একা।
আমি- বললাম কোন কাজ আছে আমি ধামার বাধন ছিরে গেছে সেগুলো বেত দিয়ে বেঁধে রাখছি। তুমি রান্না করো।
মা- ও কাজ করছিস তুই।
আমি- হ্যা কাজ ছাড়া থাকা যায়। বলে চলে এলাম। এরপর সত্যি ধামা বাঁধতে বসলাম। আর ভাবতে লাগলাম মা এইভাবে আমাকে ঠকাতে পারল।  
বাবা- ঘরে ঢুকে কিরে কি করছিস তোর মা একা একা বসে আছে।
আমি- এইযে ধামার বাধন খুলে গেছে তাই বেঁধে রাখছি।
বাবা- কিরে সার বুনতে পেরেছিস।
আমি- হ্যা জমিতে সার দিয়েছি, আকাশ মেঘলা বাবা তুমি ঠিক বলেছ বৃষ্টি আসবে মনে হয়। সকালে জমিতে সার বুনতে গেছিলাম কেউ জানেনা। (সাথে আমার সেই কেনা চটি বইটা নিয়ে গেছিলাম পরে মাল ফেলে এসেছিলাম। এসব মনে মনে বললাম কেউ শুনতে পেলনা। যদিও প্লাস্টকের মধ্যে ভরে রেখে এসেছি, ভেবে ছিলাম মাকে দেবো, কিন্তু সে আর মনে হয় কিছু হবেনা। )
বাবা- যাক অল্প বৃষ্টি হলে সমস্যা হবেনা। নে বেঁধে রেখে ওই ঘরে আয়। খেতে হবে খিদে পেয়েছে।
আমি- আচ্ছা আসছি যাও। বলে ধামা বেঁধে রেখে রান্না ঘরে গেলাম। বাবার সাথে খেয়ে নিলাম। তারপর বাবা আর মা মিলে সব করে ঘরে এল। যে জার ঘরে ঘুমাতে গেলাম।
সকালে বাবা বলল জমিতে তো যাওয়ার নেই তবুও একবার গিয়ে দেখে আসিস, কি অবস্থা। গরু বের করে ওই ঘাস দিস কাঁচা ঘাস খেলে ভালো দুধহবে।
এভাবে তিন দিন কেটে গেল। মায়ের সাথে সেভাবে আর কথা বলিনা দরকার ছাড়া। কি বলব মা যে আমার মন ভেঙ্গে দিয়েছি এক রাতও ঘুমাতে পারিনা আমি, কি করে বাঁচব।
ওইদিন সকালে বাবা বলল কিরে ধান গজিয়েছে কি গেছিলি।
আমি- না আজকে যাচ্ছি দেখে আসবো, আর পাট নিয়ে তোমাকে ভাবতে হবেনা। এই তিনদিনে একবারের জন্য মায়ের সাথে এই ব্যাপারে কোন কথা হল না। সকালে জমিতে গেলাম ভালই ধান গজিয়েছে। আর পাট সে তো দেখার মতন। কিন্তু মনে যে শান্তি নেই। মা মনে হয় ঠিক করে নিয়েছে সে আর আমার সাথে করবেনা।
আমিও ঠিক করেছি সে না বললে আমিও আর বলব না। যত কষ্ট হোক। চুপচাপ থাকতে লাগলাম। আরো ৭ দিন পেরিয়ে গেল, জমিত গেলাম ধান গাছ বেশ বাড়ছে। এবার আর বৃষ্টি হলে সমস্যা হবেনা ফিরে বাবাকে বললাম সেই কথা। বাবাকে বললাম এখন তো কাজ নেই একটু বোনের বাড়ি আমি বেড়িয়ে আসি। দুইদিন থাকবো।
বাবা- যাবি যখন যা বেড়িয়ে আয় আমাকে তোর বোন বার বার বলে গেছে যাওয়ার জন্য।
মা- না এখন দরকার নেই, ও বললে হবে কাজ নেই পাট খেতে যেতে হবে কালকে আমি গেছিলাম, বৃষ্টি নামবে জমিতে যদি জল জমে সব পাট নষ্ট হয়ে যাবে, এখনও কচি পাট গাছ এখন যাওয়া যাবেনা। যদি যেতে হয় পাট তুলে তারপর যাবে। আর জামাইয়ের একটা কাকাত বোন আছে ওর মা আমাকে বলেছিল, ছেলের বিয়ে দেবেন না। ওই মেয়ে আমি আনবো না। তাই ওকে যেতে দেবনা। মেয়েটাও ছুক ছুক করে তুমি জানো। আমার ছেলের সাথে ওই মেয়ে মানাবেনা। দরকার নেই।
বাবা- কিরে কিছু আছে নাকি ওই মেয়ের সাথে।
আমি- বাবা তুমি যে কি বল আমি ওর সাথে একদিন মাত্র কথা বলেছি তারপর তো দেখাই হয়নাই। মায়ের যত আজে বাজে চিন্তা। ঠিক আছে যাবনা।
বাবা- বলল কিন্তু ছেলের তো বিয়ে দিতে হবে কি বল।
মা- সে তো দিতেই হবে তবে একবার মাত্র পাট বুনেছে আর তো বুনতে পারে নাই, আরো দুই একবছর বুনুক তারপর দেখা যাবে এত সকালে না। বয়স কত সবে ২৩ এত আগে ভেবে লাভ নেই। এক বছরে কি বোজা যায় কত বড় চাষি হল।  
বাবা- বলল দ্যাখ তোমাদের মা ছেলের ব্যাপার, তোমরা কি করবে। আমার তো নাতি পুতির সখ জাগে নাকি।
আমি- ধুর যত আজে বাজে কথা বলে ওখান থেকে চলে এলাম। মা রান্না করছিল বাবা পাশে বসা। আমি গরুকে খাবার দিয়ে ভালো করে বেঁধে রেখে স্নান করে এলাম। এসে দেখি মা নেই।
বাবা- বলল তোর মা স্নান করতে গেছে আসুক আমাদের খেতে দেবে।
আমি- বাবা তুমি জামাকাপড় এনেছ।
বাবা- না মজুরি দেওয়া হয় নাই তো আর জাওয়াও হয় নাই।
আমি- ঘর থেকে এনে বাবাকে টাকা দিলাম আর বললাম আজকে নিয়ে আসবে। এরমধ্যে মা মাথায় গামছা পেচিয়ে আধ ভেজা হয়ে আসলো।আমি মায়ের দিকে এক দৃষ্টে তাকিয়ে ছিলাম কি দেখতে, এ লাল ব্লাউজ পড়েছে আর ভেতরে ব্রা নেই, দুধ দুটো তবুও খাঁড়া হয়ে আছে। ভেজা পিঠটা উফ কি যে সেক্সি লাগছে, আর চুলে গামছা পেঁচানো, মোটা হয়ে আছে দারুন লাগছে মুখে মনে হয় সাবান দিয়েছে, চক চক করছে। এরপর মা যখন গামছা খুলে চুল ঝাড়তে লাগল দুধ দুটো কেমন লাফাচ্ছিল, দেখেই আমার অবস্থ খারাপ।
মা- চুল ঝেরে গামছা শাড়ি ব্লাউজ আমার হাতে দিয়ে বলল সোনা একটু রোদে দিয়ে আয় আমি খাবার রেডি করছি দ্যাখ তো তোর বাবা খাওয়ার জন্য বসে আছে।
আমি- সব গুলো হাতে নিয়ে সোজা পুরবপাশের খোলা জায়গায় তারে শুকাতে দিতে গেলাম। একে একে আগে সগারি তারপর মায়ের ছায়া ধরে দেখে নাকে শুকে নিয়ে রোদে দিলাম। তারপর এদিকে তাকিয়ে দেখি বাবা মা ঘরে ভেতরে গেছে তাই ব্লুয়াজটা ভালো করে দুধের বাটিতে হাত দিয়ে ইস এই ব্লাউজের কি সৌভাগ্য যে মায়ের দুধ দুটো এতায় ঢেকে রাখে। সেদিন রাতে অনেক চুষেছি মায়ের বড় দুধ দুটো, আর কি পাবোনা কোনদিন। এইসব ভেবে আসতে আসতে টান করে রোদে দিলাম। তারপর ফিরে এলাম।
মা- আয় আয় এত দেরী করলি তোর বাবার তো খাওয়া হয়ে গেল প্রায়। বস তুই।
আমি- খেতে বসলাম সত্যি বলতে কি এখন খুব কষ্ট হয় মায়ের সামনে থাকতে কিন্তু কি করব। খেতে শুরু করলাম।  
বাবা- খেয়ে উঠে এই আমি গেলাম তোমরা থাকো। বলে বাবা বেড়িয়ে গেল।
আমি-বাবা চলে যেতে আমিও কোন মতে খাওয়া শেষ করে বললাম আমিও যাবো একটু বাজারের দিকে।
মা- একটু রাগের শুরেই বলল না যেতে হবেনা, এখানে থাকো তুমি জমিতে যাবনা। জমিতে যেতে হবে।
আমি- না আমি গেছিলাম সকালে যেতে হবেনা। চিন্তা করতে হবেনা বৃষ্টি নামলে আমি দেখবো তোমাকে দেখতে হবেনা। পাট যখন আমি বুনেছি ওর দেখার দায়ীত্ব আমার। তোমাকে ভাবতে হবেনা।  
মা- কেঁদে দিয়ে বলল না আমি আর বাঁচতে চাইনা, এইভাবে বাচা যায়, যেমন বাপ তেমন ছেলে, সত্যি বলছি তোরা দুজনে যদি এমন করিস আমি সত্যি তোদের ছেরে চলে যাবো যেদিকে দুচোখ যায়।
আমি- দ্যাখ মা তুমি রাগের কথা বলছ, আমি কি তোমাকে একবারের জন্য বিরক্ত করেছি। তুমি যা আমাকে বুঝিয়েছ আমি বুঝেছি বলেই আর তোমাকে একবারের জন্য বিরক্ত করি নাই। প্রায় তো ১২ দিন হয়ে গেল। আজকের রাত পার হলে ১২ দিন হবে আর এইভাবে ১২ বছর যাবে তুমি ভেবনা। তোমার ইচ্ছের বিরুদ্ধে আমি কিছুই করবনা। তাতে আমার যত কষ্ট হোক।
মা- ঠিক আছে তাই হবে তবে এখন যেতে হবেনা চল আমরা জমি দেখে আসি। তোর বাবা কিন্তু আমাকে বার বার বলেছে ছেলের কি কিছু হয়েছে কেমন মন মরা হয়ে বসে থাকে। সেই আগের মতন হাসিখুশী নেই। তোর বাবার চোখ এড়াতে আমরা পেরেছি কেন বুঝিস না তুই।  


চলবে..........

 

Share:

0 comments:

Post a Comment

Xgossip. Bangla Choty Golpo

Tags

Xgossip— Bangla Choty Golpo. Powered by Blogger.

Ad Space

Featured post

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(১৫)

  পর্ব:১৫ বাবা- কি বলব বাবা তোকে, আসলে তোর মাকে বকা ঝকা করেছি তার কারন আছে তুই আমার ছেলে তোকে কি বলব সব তো খুলে বলা যায়না। আমি- কেন বাবা আমি...

Search This Blog

🔞 ১৮% সতর্কবার্তা

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন।

About Us

About Us
এই খানে পাবেন বিভিন্ন লেখকদের বিভিন্ন ক্যাটাগরির চটি গল্প।

Translate

Popular Posts

Popular Posts