 |
পর্ব:০৮
সকালে বাবা ডাকল চল জমিতে ধানের বীজ নিয়ে।
আমি- উঠে মুখ ধুয়ে ধানের বীজ নিয়ে জমিতে গেলাম বাবা সব জমিতে ধান বুনে দিল। বাবা বললাম তুমি এবার যাও বাকিটা আমি করে নেবো মই দিতে হবে দিয়ে দেবো ওদের ডেকে। বাবা- না এখন বাড়ি চল খেয়ে আসবি আবার পাট খেতে জাবিনা। আমি- হ্যা যেতে তো হবে তুমি যা শোনালে আগে শেষ না করলে হবে। আজকেই কাজ শেষ করে সার দিয়ে দেবো। চলো তাহলে বলেদুজনে বাড়ি গেলাম। মা- আমাদের খেতে দিয়ে বলল কিরে এই রোদে যাবি জমিতে নাকি বিকেলে যাবি। আমি- না না এই বেলায় অর্ধেক শেষ করে রাখবো তোমার যেতে হবেনা আমি একা পারবো। বাবা তুমি যাও তোমার বাজারে আর তোমাকে যেতে হবেনা। এই বলে আমি একা বেড়িয়ে গেলাম, জমিতে মই দিতে বললাম ওদের আর ওরা দিয়েও দিল এরপর আমি পাটের জমিতে গেলাম। যেখানে বসে কালকে মাকে চুদেছি সেখানে আগে গেলাম। ঘাস গুলো চিপ্সে গেছে আর আমার হাটুর দাগ হয়ে আছে আলের দুইপাশে। দেখে একটু হাসি পেল কালকে এইভাবে এখানে মাকে চুদেছি। তারপর আমি কাজে লেগে পড়লাম। খুব গরম আশে পাশের জমিতে অনেকেই কাজ করছে। প্রায় ঘন্টা দুয়েক ভালো মতন কাজ করলাম তবে তাতে অর্ধেক কাজ হয় নাই। কিন্তু আর পারা যাচ্ছে না। তাই উঠে বাড়ির দিকে রওয়ানা দিলাম। বাড়ি পৌছে দেখি বাবা মা দুজনে বসে আছে। আমি বাবার পাশে বসতেই। মা- পাখা নিয়ে এসে আমাকে হাওয়া করতে করতে জিজ্ঞেস করল মই দিয়েছিস। আমি- হ্যা মই দিয়ে প্রায় হাফ জমি নিড়ানি দিয়ে এসেছি। মা- বাবাকে বলল জানো এবার একটা ভালো নিড়ানি পেয়েছে ও, খুব ভালো আমার ডবল কাজ হয় ওটায়। তোমার একটা ওর একটা কিনেছে সেটা দিয়ে কাজ করে ও। বাবা- বলল আমার নিড়ানি কই ছিল দুটোই এইবার কিনেছে। একটা ভালো বেঁধেছে। মা- তাই হবে কিন্তু খুব ভালো কাজ হয়। এই বাবা আমি বিকেলে তোর সাথে যাবো, আমি কাজ করে দিলে তুই সার বুনতে পারবি। বাবা- বলল এই সার কিন্তু সন্ধ্যে বেলা বুনবি, বেলা থাকতে না। এরপরে শিশির পড়লে সার নরম হয়ে গলে যাবে। সার হয় খুব সকালে বুনতে হয় না হলে সন্ধ্যের দিকে এটা মনে রাখবি। মা- বলল হ্যা আমি থাকবো তোর সাথে, আমি না থাকলে একা একা পারবিনা। বাবা- হ্যা বস্তা খুলে ধামায় ভরে দিলে ভালো হবে কষ্ট কম হবে। আমি যাবো নাকি। মা- না তোমার যেতে হবেনা ঐ জমি তিনটে ও করছে ওকেই করতে দাও। বাবা- ঠিক আছে তবে তাই করো তোমরা। আমি এমনিতেও বিকেলে আসরে যাবো। মা- কিরে ঘাস গুলো একজায়গায় রেখে এসেছিস তো নাকি আবার জমির ভেতরে রয়েছে। আমি- না না একজায়গায় রেখে এসেছি আর শুকিয়েও গেছে দেখবে গিয়ে। বিকেলের গুলো গরুর জন্য নিয়ে আসবো খেতে পারবে। মা- নে বাবা এবার সান করে আয় আমি তোদের খেতে দেই। এরপর স্নান করে তিনজনে খেয়ে একটু বসলাম। তিনটে বাজতেই বাবা বলল তোরা যাবি এখন জমিতে গেলে যা তবে সন্ধার মধ্যে শেষ করতে পারবি, আমি যাচ্ছি বাজারে। আমি- বাবা দাড়াও মা বাবাকে ঐ প্যান্ট আর শার্টের পিস দাও বানাতে দেবে বাজারে। জামাইবারি যাবে কি পুরানো জামা প্যান্ট পরে। মা- ঘর থেকে জ্যামা প্যান্টের পিস এনে বাবার হাতে দিয়ে দ্যাখ ছেলে কত ভাবে তোমার জন্য নিয়ে যাও বানাতে দাও তুমি। আমরাও বের হব গরুকে খাবার দিয়ে। এই বলে নিজেই গরুর কাছে গিয়ে মাসলায় খাবার দিতেগেল। বাবা- বলল কবে এনেছিস এই গুলো। আর হ্যা একটা বস্তা নিয়ে জাস ঘাস গুলো বস্তায় ভরে নিয়ে আসিস গরুর জন্য। ধামায় আর কতটা ধরবে। মা- বলল সেদিন তো আমার গুলো দেখেই রেগে গেছিলে নিজেরটা দেখনি একদিনেই এনেছে। মজুরির টাকা ছেলে দেবে ভাবতে হবেনা তোমার। বাবা- একগাল হাসি দিয়ে আচ্ছা তবে জীবনের কাছে বানাতে দিচ্ছি আমি। বলে হাতে ব্যাগ নিয়ে চলে গেল। মা- ঘরে গিয়ে একটু পরে হাতে একটা বড় চটের বস্তা নিয়ে বের হল। আর দরজায় তালা দিয়ে দিল। কিন্তু আজকে ঠোঁট লাল করে বেড়িয়েছে। আমরা দুজনে যাচ্ছি জমির দিকে। পাশে লোক যাচ্ছিল তাই কোন কথা হল না। সোজা জমিতে পৌছে গেলাম গিয়ে মাথা থেকে আরের বস্তা নামিয়ে রাখলাম।। দেরী করলাম না কাজে লেগে পড়লাম আমি একদিকে আর মা একদিকে। দুজনে পুরো দমে কাজ করতে লাগলাম। বেলা থাকতেই কাজ শেষ করে ফেললাম। তারপর ঘাস গুলো এনে একজায়গায় জরো করলাম তারপর ঐখানে গিয়ে বসলাম।একে একে পাশের জমির লোক বাড়ির দিকে যাচ্ছে আর বলছে কিরে জাবিনা। আমি- হ্যা যাবো সার দেবো তারপর। তোমরা যাও আমি আর মা সার বুনে তারপর যাবো। বলেই উঠে পরে সার বস্তা থেকে বের করে নিয়ে ধামা নিয়ে আমি আগের দিনের জমিতে বুনতে লাগলাম। এরপর আবার পরের জমিতেও বুনতে লাগলাম। সময় তো কম লাগেনা। শেষ জমিটায় সার বুনতে বুনতে সন্ধ্যে হয়ে গেল। মাঠ পুরো ফাঁকা। কাউকে দেখতে পাচ্ছিনা। আমরা দুজন ছাড়া। আমি ধামা নিয়ে এসে মায়ের কাছে দাড়াতে বললাম মা সত্যি তুমি আজকে লিপস্টিক পরে এসেছ। মা- বলল এখন দেখলে তুমি। আমি- না দেখেছি তুমি যখন বের হয়েছ তখন। বলার সুযোগ পেলাম কই। লোক ছিল তারপর তো কাজে লেগে পড়লাম। দারুন লাগছিল মা তোমাকে।
চলবে........ |
0 comments:
Post a Comment