 |
পর্ব:১১
মা- কষিয়ে একটা চড় দিল আমার গালে। তারপর নিজেই কাঁদতে শুরু করে দিল। সব তোর বাবার জন্য হল এইসব না হলে এসব কোনদিন হত না যত নষ্টের গোঁড়া ঐ লোকটা, আমার জীবনটা ধ্বংস করে দিয়েছে। ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা করেছি যাতে এর থেকে বেড়িয়ে আসটে পারি কিন্তু কি হল আমার। আমি জীবন যুদ্ধে হেরে গেলাম।
আমি- মায়ের উপর রাগ করব কি উলটো মাকে শান্তনা দিলাম, কিছু হয়নি মা আর হবেনা, আমি তোমাকে বলছি চিন্তা করনা কিছুই আর হবেনা। চলো বাড়ি যাই আমি সব চিরতরে ভুলে যাবো তোমাকে কথা দিচ্ছি। তোমাকে আমি দুঃখ দিতে পারবোনা মা। তুমি যেভাবে বলবে আমি সেইভাবে চলব আবার তোমাকে কথা দিচ্ছি। আমাকে তুমি ক্ষমা করে দাও। সব দোষ আমার না তোমার না বাবার। মা- হয়েছে তোমার বলা, অনেক বড় হয়ে গেছ তুমি আমি ভেবেছিলাম কিন্তু না তুমি এখনও বাচ্চা আছো। আমি- মা আমাকে ক্ষমা করে দাও সব অন্যায় আমার, এই বলে বসে পরে মায়ের পা জরিয়ে ধরলাম। মা তোমাকে আমি অনেকভালোবাসি, তোমাকে আমি হারাতে পারবোনা আর তোমাকে ছাড়া আমি বেচেও থাকতে পারবোনা। তুমি আমাকে যা ভুল করেছি তারজন্য ক্ষমা করে দাও মা। মা- আমার দুই বাহুতে ধরে উপরে তুলে নিয়ে বলল, ছেলে যত অপরাধ করুক সকল বাবা তাকে ক্ষমা করে দেয়, কিন্তু এই অপরাধ তো তুমি একা করনি তোমার সাথে আমিও করেছি। আমি এবং তুমি সমান অপরাধী। আর এর আসল কালপ্রিট তোমার বাবা। সেই আমাদের এইসব করতে বাধ্য করেছে তাইনা। বিচার ওর হওয়া উচিৎ তারজন্য কেন আমরা কষ্ট পাবো। আমি- মায়ের পেছনে হাত দিয়ে তবে এবার বাড়ি চলো মা। একদম অন্ধকার হয়ে গেছে। এখানে আর তোমার সাথে কোনদিন আসবোনা। এই শেষ যা কাজ আমি একা করব তোমাকে আর আসতে হবেনা। আমি জানি মা তুমি তোমার বিবেকের সাথে যুদ্ধ করেছ এই কয়দিন। আগে না বুঝলেও এখন বুঝতে পেরেছি, কি ঝর বয়ে গেছে তোমার উপর দিয়ে, তবে আমার উপরে ভরসা করতে পারো এই কথা কোনদিন ফাস হবেনা। মা- অনেক কষ্ট দিয়েছি আমি আমার এই একমাত্র ছেলেকে আর পারবোনা এই বলে আমাকে বুকে টেনে নিল আর জরিয়ে ধরল। এত ধৈর্য তোমার। তুমি তোমার বাবার সম্পূর্ণ বিপরীত। আমি যে তোমাকে ছাড়া বাঁচতে পারবোনা বাবা। এই বলে আমার মুখ তুলে নিয়ে সোজা ঠোঁটে ঠোঁট লাগিয়ে দিল। আমি তোমার ভালোবাসা চাই সোনা, মাকে তুমি মনের মতন করে ভালোবাসো। আমি- মায়ের এই ব্যবহার দেখে চমকে উঠলাম, নিজেকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। সত্যি মা এই কথা বলছে। তবে প্রতিদানে মাকে চুমুতে ভরিয়ে দিলাম। মা- আমাকে চুমুতে ভরিয়ে দিয়ে বলল সোনা আমার ভুল হয়ে গেছে তোমাকে এই কয়দিন দূরে রেখে এবার মাকে তুমি শান্ত কর সোনা। দাও গামছা বিচিয়ে দাও। আমি- মাকে ছেরে তাড়াতাড়ি গামছা খুলে পেতে দিলাম জমানো ঘাসের উপরে। মা- দাড়িয়ে দাড়িয়ে শাড়ি এবং ব্লাউজ সব খুলে দিচ্ছে। আমি- মায়ের ছায়ার গিট খুলে দিয়ে ছায়া পা দিয়ে বের করে নিলাম। মা- শাড়ি ধরে বলল এই নাও ধর ভাঁজ করে পেতে দাও। আমি- মায়ের শাড়ি ধরে ভাঁজ করে গামছার উপরে পেতে দিলাম তারপর ছায়া নিয়ে তার উপর পেতে দিলাম। মা- দাড়িয়েই আমার গেঞ্জি খুলে দিল তারপর হ্যাফ প্যান্ট নিজেই খুলে দিল। আমি- পায়ের থেকে প্যান্ট বের নিলামা র ফেলে দিয়েই মাকে জরিয়ে ধরলাম। এখনো পুরো অন্ধকার হয়নি ভালোই দেখা যাচ্ছে। আমি মায়ের ঠোঁটে চুমু দিয়ে দুধের বোটা দুটো দুই হাতের আঙ্গুল দিয়ে টিপে দিতে লাগলাম। মা- আমার বাঁড়া এখাতে ধরে মুন্ডিতে নখ দিয়ে খোচা দিয়ে বলল কত বড় একখানা বানিয়েছে। উঃ কি শক্ত হয়ে যায় তোমার এটা। এই বলে খিঁচে দিতে লাগল। আমি- মাকে জরিয়ে ধরে বললাম সব তোমার জন্য মা। তুমি এত সেক্সি আর রসালো, তোমাকে দেখলেই আমার দাড়িয়ে যায়। মা- বাঁড়া টেনে নিয়ে গুদের মুখে ঘষতে শুরু করল। আমি- মায়ের বোটায় চুষে দিতে দিতে হাত দিয়ে মায়ের পাছা ধরে বাঁড়া মায়ের দুই পায়ের মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়ে ঠাপ দিতে লাগলাম। মা- আমার মাথা ধরে তুলে সোনা এবার দাও তুমি। এই বলে ঠোটে চকাম করে একটা চুমু দিল। আসো বলে মা নিজেই আমাদের পাতা বিছানায় বসে পড়ল। আমি- আস্তে আস্তে মায়ের পা ধরে দুই পায়ের মাঝে ঢুকে গেলাম। মা- একটু উচু হয়ে আমার হাত ধরে বলল দাও এবার। আমি- হুম বলে একগাদা থুথু নিয়ে বাঁড়ায় লাগিয়ে, মায়ের কামানো গুদের মুখে বাড়া ঘসে ঘসে আস্তে করে চাপ দিলাম। মা- আঃ করে উঠে বলল আঃ সোনা যাচ্ছে দাও তুমি। আমি- আস্তে আস্তে চাপ দিয়ে বাঁড়ার অর্ধেকের বেশী ঢুকিয়ে দিলাম। মা- আমাকে টেনে বুকের উপর চেপে ধরে আঃ সোনা দাও এবার তুমি দাও সবতা ধুকিয়ে দাও উফ কি বড় আর কত শক্ত। আমি- জোরে একটা ঠাপ দিয়ে সব বাঁড়া মায়ের গুদে ভরে দিলাম। মা- আহা আমার সোনারে উরি সোনা এবার সব ঢুকেছে উরি সোনা দাও সোনা দাও দাও। আমি- মা এই ১২ দিন কত কষ্ট পেয়েছি আজকে সেই কষ্টের অবসান হল বলেই মাকে চুমু দিয়ে পচ পচ করে চুদতে শুরু করলাম। মা- হ্যা সোনা আমিও অনেক কষ্ট পেয়েছি কিন্তু মনে অনেক ভয় ছিল কি হবে তারজন্য তোমার থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছিলাম কিন্তু আর হবেনা বাবা। এখন থেকে তোমার মা শুধুই তোমার। এই সোনা দুধ একটু চুষে দাও দ্যাখ কেমন শক্ত হয়ে গেছে। আমি- একটু উঠে মায়ের একটা দুধের বোটা নিয়ে চো চো করে চুষে দিতেই মা- ছট ফট করতে লাগল উই আঃহ সোনা উহ আহ সোনা আহ আউচ সোনা গো আমার দাও দাও চুষে চুষে জোরে জোরে দাও তুমি। আমি- উম মা বলে এবার ওই দুধ ছেরে দিয়ে অপর দুধটা মুখে নিয়ে চো চো করে টান দিলাম। মা- মা দিয়ে আমার কোমর জরিয়ে ধরে তোল ঠাপ দিতে লাগল, উরি সোনা উরি আঃ আঃ হ্যা জোরে জোরে দুধ চুষে দাও।
চলবে.......... |
0 comments:
Post a Comment