আপডেট:০৩
---------------------
পরের দিন সকালে মেহনাজ আবার তার নিয়মিত কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়লো। স্বামীকে গোসল করিয়ে খাইয়ে দিয়ে রান্নাঘরে ঢুকলো। আজ পরনে শুধু একটা হালকা গোলাপী রঙের নাইটগাউন। ব্রা না পরায় তার ভারী, ঝুলন্ত দুধ দুটো নাইটগাউনের কাপড়ে স্পষ্ট ফুটে আছে। কাজ করতে করতে দুধ দুটো দুলছে। সে ঘর মুছছে, কাপড় গুছাচ্ছে, বাসন ধুচ্ছে। মাথায় এখনো গতকালের সেই দৃশ্য ঘুরছে — অর্জুনের মোটা, চামড়ীদার ধোন।
হঠাৎ ডোরবেল বাজলো।
মেহনাজের বুকের ভিতর ধক করে উঠলো। সে দ্রুত দরজার কাছে গেলো। দরজা খুলতেই অর্জুন দাঁড়িয়ে আছে। গায়ে টাইট গেঞ্জি আর শর্টস। তার চওড়া কাঁধ আর শক্ত বাহু স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।
“আন্টি, সরি। কাল সন্ধ্যায় খেলতে এসে আমাদের লাল টেপ বলটা তোমার বারান্দায় পড়ে গিয়েছিল। একটু খুঁজে নিতে পারি?”
মেহনাজ জানে এটা মিথ্যা। কাল কোনো বল বারান্দায় পড়েনি। অর্জুন এসেছে তাকে দেখতে। তার চোখের লোভাতুর দৃষ্টি স্পষ্ট। তবু সে অভিনয় করলো।
“ও, আচ্ছা। চলো, উপরে যাই। দেখি কোথায় পড়েছে।”
দুজনে সিঁড়ি বেয়ে উপরের বারান্দায় গেলো। মেহনাজ সামনে হাঁটছে। তার নাইটগাউনের নিচ থেকে নিতম্ব দুলছে। অর্জুন পেছন থেকে তার ঝুলন্ত দুধ আর পাছার দিকে তাকিয়ে আছে।
বারান্দায় এসে মেহনাজ চেয়ারের নিচে আর আশেপাশে খুঁজতে লাগলো। সে নিচু হয়ে দেখছে। নাইটগাউনটা উঠে গেছে। তার গোল, নরম, ফর্সা পাছা প্রায় পুরোপুরি বেরিয়ে পড়েছে। শুধু পাতলা প্যান্টি দিয়ে ঢাকা।
অর্জুন আর সহ্য করতে পারলো না। সে পেছন থেকে এগিয়ে এসে এক হাত দিয়ে মেহনাজের নরম, গোল পাছায় শক্ত করে চেপে ধরলো। তার আঙুলগুলো পাছার মাংসে ঢুকে গেল।
মেহনাজ চমকে উঠে সোজা হয়ে দাঁড়ালো। কিন্তু অর্জুন তার দুই হাত ধরে মাথার ওপর তুলে বারান্দার দেয়ালে চেপে ধরল। “অর্জুন! কী করছো তুমি! ছাড়ো... এটা কী অসভ্যতা!”
অর্জুন হাসলো। তার হাত সরালো না। বরং আরও জোরে চেপে ধরে পাছার গোলাকার মাংস মুঠো করে মালিশ করতে লাগলো। “আন্টি, কাল বারান্দায় দাঁড়িয়ে আমার ধোন দেখে তোমার চোখ তো আর সরছিল না। এখন লজ্জা দেখাচ্ছো? আদিলের বন্ধুর বাড়া দেখে খুব খিদে পেয়ে গেছে তোমার না?”
মেহনাজের মুখ লাল হয়ে গেল। সে পেছনে হাত দিয়ে অর্জুনের হাত সরানোর চেষ্টা করলো, কিন্তু তার শরীরে জোর নেই। “আমি... আমি কিছু দেখিনি। তুমি ভুল দেখেছো। ছাড়ো অর্জুন, এটা ঠিক না... আমি তোমার বন্ধুর মা...”
অর্জুন তার কানের খুব কাছে মুখ নিয়ে গরম নিঃশ্বাস ফেললো। তার অন্য হাতটা মেহনাজের কোমরের ওপর দিয়ে সামনে এগিয়ে গেল। “ভুল? আন্টি, তোমার চোখ তো আমার ধোনের দিকে সেঁটে ছিল। জানো, আমার ধোনটা অন্তত নয় ইঞ্চি লম্বা। খুব মোটা। চামড়ীদার। নরম অবস্থাতেও এত ভারী যে হাতে ধরতে কষ্ট হয়। শক্ত হলে তো তোমার গুদ ফাটিয়ে দেবে। তিন বছর ধরে তোমার স্বামী তো কিছুই করতে পারে না। এখন এই মোটা ধোন চাইছে না তোমার শুকনো গুদ?”
মেহনাজের শরীর কেঁপে উঠলো। তার গুদের ভিতরটা হঠাৎ করে চিনচিন করে উঠলো। সে পা চেপে দাঁড়িয়ে রইলো। “অর্জুন... থামো... এসব কথা বলো না... আমি... আমি ভালো মেয়ে... আদিলের মা... তুমি তার বন্ধু...”
অর্জুন হাসতে হাসতে তার পাছায় চড় মেরে দিল। তারপর আঙুল দিয়ে প্যান্টির ওপর দিয়ে গুদের ফাঁকটা ঘষতে লাগলো। “ভালো মেয়ে? আন্টি, ভালো মেয়েরা জানালায় দাঁড়িয়ে ছেলের বন্ধুর ধোন দেখে নিজের গুদে আঙুল ঢোকায় না। আমি দেখেছি। তোমার গুদ এখন ভিজে গেছে, তাই না? বলো, আদিলের মাগী আম্মু, আমার এই বড় চামড়ীদার ধোনটা তোমার ভোদায় ঢুকাতে চাও?”
মেহনাজের গলা শুকিয়ে গেল। তার পা কাঁপছে। সে ফিসফিস করে বললো, “না... না অর্জুন... এটা পাপ... আদিল জানলে কী ভাববে? তোমার বাবা-মা... পাড়ার লোক... ছাড়ো আমাকে...”
কিন্তু তার গুদ থেকে রস গড়িয়ে প্যান্টি ভিজিয়ে দিচ্ছে। অর্জুনের আঙুলের ছোঁয়ায় তার শরীর বিশ্বাসঘাতকতা করছে।
অর্জুন তার কানে কানে আরও নোংরা করে বললো, “পাপ? আন্টি, পাপ তো তখন হবে যদি তুমি এরকম একটা খাসা বাড়া পেয়েও গুদে না নিয়ে ছেড়ে দেবে। আমার ধোনটা দেখো, কাল যেটা দেখেছিলে। এটা তোমার স্বামীর চেয়ে অনেক বড়। মোটা মাথাটা ঢুকলে তোমার গুদের দেওয়াল ফেটে যাবে। চামড়াটা সরিয়ে দিলে কালচে মাথাটা তোমার গোলাপী গুদের ভিতর ঘষবে। বলো আদিলের ছিনাল মা, চাও না এই ধোন?”
মেহনাজের চোখে পানি এসে গেল। সে কাঁপা গলায় বললো, “অর্জুন... প্লিজ... আমাকে লজ্জা দিও না... আমি অনেকদিন... অনেকদিন একা... কিন্তু এসব ঠিক না... তুমি আমার ছেলের বন্ধু...”
অর্জুন তার নাইটগাউনের ওপর দিয়ে ভারী দুধ চেপে ধরলো। আঙুল দিয়ে বোঁটা টিপতে টিপতে বললো, “একা? তিন বছর ধরে শুকিয়ে আছো আন্টি। তোমার এই ভারী দুধ দুটো কেউ চুষে না, তোমার গুদ কেউ ভরে না। আমার ধোন ঠিক তোমার মত লদলদে মুল্লীর ভোদার জন্যই তৈরি। খুব মোটা, খুব লম্বা। তোমার গুদে ঢুকিয়ে দিলে তুমি চিৎকার করে কাঁদবে। কিন্তু থামতে বলবে না। বলো, আদিলের রেণ্ডি আম্মু, চাও তো?”
মেহনাজের শরীর আর নিয়ন্ত্রণে নেই। তার গুদ থেকে রস ঝরছে। সে কাঁপতে কাঁপতে বললো, “আমি... আমি জানি না... অর্জুন... তুমি এত বিশ্রী ভাষায় কথা বলছো... এসব নোংরা কথা... ছাড়ো...”
অর্জুন তার পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে তার ঘাড়ে চুমু খেতে খেতে বললো, “নোংরা? তুমি তো নোংরা চাও আন্টি। তোমার গুদ তো এখন পানি ঝরাচ্ছে। আমার ধোনটা হাতে নিয়ে দেখো। গরম, শক্ত, মোটা। তোমার আঙুল মিলবে না। এটা ঢুকিয়ে তোমাকে চোদলে তুমি স্বামীর নামও ভুলে যাবে। বলো, চাও। আদিলের মাগী আম্মু, বলো আমার ধোন চাও।”
মেহনাজ ফিসফিস করে কাঁদতে কাঁদতে বললো, “অর্জুন... আমি তোমার মায়ের বয়সী... এসব গুণাহ... প্লিজ...”
কিন্তু তার শরীর অর্জুনের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। অর্জুন তার প্যান্টির ওপর দিয়ে গুদ ঘষতে ঘষতে আরও জোরে বললো, “গুণাহ? গুণাহ হলো তুমি তিন বছর ধরে শুকিয়ে থাকা। আমি তোমাকে ভরে দেবো। আমার বড় ধোন দিয়ে তোমার গুদ ভরে দেবো। চামড়ীদার মাথাটা ঢুকিয়ে তোমাকে পাগল করে দেবো। আদিলের ছিনাল মা, শুধু বলো — হ্যাঁ।”
মেহনাজ আর কথা বলতে পারলো না। তার শরীর কাঁপছে, গুদ ভিজে একাকার। সে শুধু ফিসফিস করে বললো, “অর্জুন... তুমি... খুব খারাপ...”
অর্জুন হাসলো। তার হাত আরও সাহসী হয়ে উঠলো।
|
0 comments:
Post a Comment