
ছেলের বিছানায়, তিন বন্ধুর ছায়া
by oneSickPuppy
আপডেট:০১
মেহনাজ আক্তার। বয়স চল্লিশের দোরগোড়ায়। ঢাকার কাছাকাছি একটা নিরিবিলি আবাসিক এলাকায় তাদের দোতলা বাড়িটা। খুব ফর্সা গায়ের রং, যেন দুধে আলতা মেশানো। তার শরীর অসম্ভব লাস্যময়ী — বিশেষ করে বুক দুটো অত্যন্ত ভারী। বড় বড় ঝুলন্ত দুধ যা হাঁটলেই দুলে দুলে ওঠে। চওড়া কোমর। ছেলেরা যাকে আদর্শ MILF বলে মনে করে, এক ছেলের মা মেহনাজ আদতে ঠিক তাই - খাঁটি বাঙালী MILF।
তার স্বামী আব্দুল হাকিম তিন বছর আগে স্ট্রোকে আক্রান্ত হলো। ডান পাশ পুরোপুরি পক্ষাঘাতগ্রস্ত। মুখের একদিক ঝুলে গেল, কথা জড়িয়ে যায়। এখন সে নিচতলার বড় ঘরে শয্যাশায়ী। মেহনাজ নিজে তার দেখাশোনা করে। সকালে গোসল করায়, খাবার মুখে তুলে দেয়, বিকেলে মালিশ করে, রাতে ঔষধ খাওয়ায়। ডাক্তার বললো, “পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।” সেই থেকে মেহনাজের জীবন একঘেয়ে দায়িত্বের চক্রে আটকে গেল।
জীবনটা খুব সুন্দর, সাজানো গোছানো ছিল। স্বামী, ছেলে, সংসার - এ নিয়ে মেহনাজের নিস্তরঙ্গ শান্ত সাবলীল জীবন ছিল। কিন্তু স্ট্রোকের পর সব বদলে গেল। শারীরিক সম্পর্ক তো দূরের কথা, সাধারণ আলিঙ্গনও আর হয় না। মেহনাজের শরীর তিন বছর ধরে সম্পূর্ণ অনাহারে। রাতে একা বিছানায় শুয়ে সে ছটফট করে।
তাদের একমাত্র ছেলে আদিল। ঢাকার এক রেসিডেন্সিয়াল কলেজে পড়ে, হোস্টেলে থাকে। আদিল চলে গেলে বাড়িটা আরও ফাঁকা লাগে।
সকালে তার দিন শুরু হয় একইভাবে। ফজরের নামাজ পড়ে উঠে স্বামীর ঘরে যায়। তার মুখ মোছে, ঔষধ খাওয়ায়, গোসল করায়। রান্নাঘরে ভাত বসায়, ডাল, মাছ-সবজি রান্না করে। দুপুরে স্বামীকে খাইয়ে নিজে খায়। বিকেলে কাপড় ধোয়, ঘর মোছে, বারান্দায় আর ছাদে গাছের পরিচর্যা করে। সন্ধ্যায় আবার মালিশ, রাতের খাবার। কিন্তু রাত গভীর হলে শরীর জ্বলে ওঠে।
স্বামী হাকিমের একাধিক ছোটোখাটো ব্যবসা ছিল, এছাড়া গ্রামে জমিজিরেত আছে যেখানে ধান, ফসল চাষ হয়, পুকুরে মাছ হয়। এসব বিভিন্ন উৎস থেকে মাসে কিছু আয় আসে - আগের মত উচ্চ-মধ্যবিত্ত লাইফস্টাইল না হলেও সংসারের সাধারণ খরচ উঠে আসে স্বাচ্ছন্দ্যে। স্বামীর পক্ষাঘাত হবার পরে মেহনাজরা খরচ বাঁচানোর জন্য আগের ফ্ল্যাট ছেড়ে শহরতলীর এই এলাকায় উঠেছে বছর তিনেক হলো। কলেজের এক বান্ধবী পল্লবী দাসের মাধ্যমে এই জায়গার খোঁজ পেয়েছিল মেহনাজ। পল্লবী একবার ওর বাসায় দেখা করতে এসে বলেছিল এই এলাকার ব্যাপারে; ভাড়া কম শুনে মেহনাজ আগ্রহ দেখিয়েছিল, পরে পল্লবীই ঠিক করে দিল একটা বাড়ীওয়ালা। এখানে বাড়ীভাড়া বেশ কম, আর শহরতলীতে হওয়ায় ভীড়ভাট্টাও কম, অনেক গাছগাছালী আর খোলা মাঠ আছে। তবে একটাই মনের মধ্যে খচখচ করছিল - এলাকাটা * অধ্যুষিৎ, বেশিরভাগই মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবার। বহু প্রজন্ম ধরে এখানে * রা বাস করছে। সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম স্বামী এখন অক্ষম, আর ছেলের পড়ালেখা শেষ করে চাকরীর বাজারে ঢুকতে আরও কয়েক বছর - তাই মেহনাজের রাজী না হয়ে উপায় ছিল না।
আপডেট:০২
মেহনাজ মানিয়ে নিলো নতুন জায়গায় এসে। আদিলও অল্প দিনেই বন্ধু জুটিয়ে ফেলল। আদিলের বন্ধুরা অর্জুন, রাহুল, মিঠুন আর অন্যরা প্রায়ই বাড়িতে আসত। যেকোনো অজুহাতে — “আন্টি, আদিলের বইটা”, “পানি খেতে এলাম”, “বলটা পড়ে গেছে”। আসলে তারা মেহনাজকে দেখতে আসত। তারা জানতো বাড়িতে মেহনাজ ব্রা পরে না। তার ভারী ঝুলন্ত দুধ হাঁটার সাথে দুলে ওঠে। মেহনাজও জানতো ছেলেরা তার বুকের দিকে তাকিয়ে থাকে। তবু সে ইচ্ছে করে ওড়না বা আঁচল দিয়ে ঢাকতে ভুলে যেত।
মেহনাজ তাদের জন্য সুস্বাদু স্ন্যাক্স বানিয়ে দিত। ছেলেরা প্রশংসা করতো, কিন্তু চোখ থাকতো তার দুধে।
আজও বিকেলে মেহনাজ বারান্দায় দাঁড়িয়ে অন্যমনস্কভাবে মাঠের দিকে তাকিয়ে সেই সব স্মৃতি মনে করছিল। তার পরনে হালকা কটনের নাইটী। গরমে সুতীর নাইটী পরে থাকা আরামদায়ক। নাইটীর পাতলা কাপড়ের ভিতর তার ভারী, ঝুলন্ত দুধ দুটো সামান্য নড়াচড়াতেই দুলছে।
ছেলেরা ক্রিকেট খেলছে। বিকেলের নরম আলোয় মাঠটা ছোট্ট একটা স্বপ্নের মতো লাগছিল। বাড়ির পাশের পুরনো জমিটা ঘাসে ঢাকা, কিনারায় কয়েকটা আম আর কাঁঠাল গাছ। মাঠের মাঝখানে তিন-চারটা ইট দিয়ে উইকেট বানানো। ছেলেদের হাতে পুরনো ব্যাট আর লাল বল। ছেলেদের চিৎকার, হাসি আর ব্যাটে বলের ঠকঠক শব্দে পুরো এলাকা মুখরিত। “আউট!”, “ছক্কা!”, “ক্যাচ ধর!” — তাদের তরুণ কণ্ঠস্বর বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে। ধুলো উড়ছে, ঘামে ভেজা শরীরগুলো সোনালি আলোয় চকচক করছে।
মেহনাজ বারান্দায় দাঁড়িয়ে অন্যমনস্কভাবে দেখছিল। তার ভারী দুধ দুটো নাইটগাউনের ভিতর নরমভাবে দুলছে। তার চোখ একটা পরিচিত মুখের ওপর আটকে গেল — অর্জুন। লম্বা, সরু কিন্তু শক্ত শরীর। সে শর্টস আর গেঞ্জি পরে দৌড়াচ্ছে, বল মারছে, হাসছে। গেঞ্জিটা ঘামে ভিজে শরীরের সাথে লেপটে আছে।
মেহনাজের মনে পড়ে গেল আদিলের কথা। কিছুদিন আগে আদিলও এই মাঠে খেলতো। বিকেল হলেই “আম্মু, বলটা দাও!” বলে চেঁচাতো। বেশি গরম পড়লে মেহনাজ তাদের জন্য ঠাণ্ডা বরফ দিয়ে লেবুর শরবত বানিয়ে নিয়ে যেত। আদিল আর তার বন্ধুরা খেলার ফাঁকে খেত। এখন আদিল হোস্টেলে। মাঠটা ফাঁকা লাগে। কিন্তু আজ অর্জুন, রাহুল, মিঠুন ও অন্যান্য ছেলেরা খেলছে। তাদের কিশোর শরীরের পেশি খেলছে, ঘাম ঝরছে। মেহনাজের চোখ অর্জুনের ওপর স্থির হয়ে রইল। তার লম্বা পা, চওড়া কাঁধ — সবকিছু তার নজর কেড়ে নিল।
একটা ছেলে ব্যাটিং করতে গিয়ে আউট হয়ে গেল, হর্ষধ্বণিতে মাঠ মুখরিত। এই ফাঁকে অর্জুন মাঠের এক কোণে চলে এল, মেহনাজদের বাড়ীর কাছে। চারদিক দেখে শর্টসের সামনের অংশটা নামিয়ে তার ধোনটা বের করলো।
মেহনাজের চোখ বড় হয়ে গেল। তার নিঃশ্বাস আটকে গেল।
অর্জুনের ধোনটা নরম অবস্থাতেও অবিশ্বাস্য। অন্তত নয় ইঞ্চি লম্বা, মোটা আর ভারী। চামড়ীদার, খতনাবিহীন। লম্বা চামড়ার আবরণটা ঢেকে রেখেছে শ্যামলা মাথাটা। কিন্তু তবু তার আকার দেখে মেহনাজের মুখ শুকিয়ে গেল। ধোনের গোড়াটা খুব মোটা, যেন তার আঙুল দিয়ে পুরোপুরি ঘেরা যাবে না। শরীরের দিকে ধীরে ধীরে সরু হয়ে এসেছে কিন্তু মাথার কাছে আবার ফুলে উঠেছে। নরম অবস্থাতেও এত ভারী আর লম্বা যে সে হাতে ধরে প্রস্রাব করছে। প্রস্রাবের শক্তিশালী ধারা বেরোচ্ছে, আর সেই ধোনটা হাতে ধরে অর্জুন দাঁড়িয়ে আছে।
তিন বছর ধরে কোনো পুরুষের ধোন দেখেনি মেহনাজ। তার স্বামীরটাও কখনো এত বড়, এত মোটা ছিল না। মেহনাজের শরীরের ভেতরটা হঠাৎ করে আগুন ধরে গেল। তার ভারী, ঝুলন্ত দুধ দুটো নাইটগাউনের ভিতর জোরে জোরে ওঠানামা করতে লাগলো। গুদের ভিতরটা চিনচিন করে উঠলো, যেন অনেকদিনের ঘুমন্ত খিদে হঠাৎ জেগে উঠেছে। সে অজান্তেই বারান্দার রেলিং আরও শক্ত করে চেপে ধরলো। তার মাথার ভিতরে নোংরা, লোভাতুর চিন্তার ঢেউ আছড়ে পড়তে লাগলো। সে ভাবলো, এত লম্বা আর মোটা ধোন যদি তার শুকনো গুদে ঢোকে, তাহলে কেমন লাগবে? তার ভেতরটা কি ফেটে যাবে? নাকি পুরোপুরি ভরে যাবে? চামড়ীদার এই বড় ধোনটা তার গুদের ভিতর ঠাপাতে ঠাপাতে কতদূর পর্যন্ত পৌঁছাবে? মেহনাজের গুদ ভিজতে শুরু করলো।
অর্জুন মাথা তুললো। সরাসরি বারান্দায় মেহনাজের চোখে চোখ পড়লো। সে প্রস্রাব থামালো না, বরং লজ্জাহীনভাবে মেহনাজের দিকে সরাসরি তাকিয়ে রইল। মেহনাজ ধরা পড়ে গিয়ে পালাবে কি? কেমন মূর্তির মত অবশ হয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে রইল। বন্ধুর মা তার পেশাব করা দেখছে বুঝতে পেরে অর্জুনের ধোন ধীরে ধীরে শক্ত হয়ে উঠতে লাগলো। নয় ইঞ্চির বেশি লম্বা, অসম্ভব মোটা, শিরা উঠে গেছে, চামড়া সরে গিয়ে কালচে মাথাটা বেরিয়ে এসেছে। পুরো ধোনটা এখন শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, যেন লোহার রড।
মেহনাজ আর সহ্য করতে পারলো না। সে ঘরের ভিতরে চলে গেলো। দেয়ালে হেলান দিয়ে বসে পড়লো। পা দুটো ছড়িয়ে দুই আঙুল গুদে ঢুকিয়ে জোরে চালাতে লাগলো।
“আহহ... ছেলেটার... এত বড়, মোটা ধোন... চামড়ীদার কি লম্বা বাড়া...”
তিন আঙুল ঢুকিয়ে দিলো। ভেজা শব্দে ঘর ভরে গেল। অন্য হাতে ভারী দুধ মুচড়াচ্ছে। স্মৃতিতে ভেসে উঠছে আদিলের বন্ধুরা যখন বাড়িতে আসতো, তারা কীভাবে তার ঝুলন্ত দুধের দিকে তাকিয়ে থাকতো।
“আআআহহহহ!”
তার গুদ সংকুচিত হয়ে পরিষ্কার রস ছিটকে পড়লো কার্পেটে। পা কাঁপছে। শরীর কুঁকড়ে গেলো। সে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগলো।
“খোদা... মাফ কর... আদিলের বন্ধুর এত বড় ধোন দেখে... আমি কী করলাম...”
কিন্তু কান্নার সাথে সাথে তার শরীরে অদ্ভুত শান্তি নেমে এলো। তিন বছর পর প্রথম তীব্র মুক্তি। সে মেঝেতে গুটিয়ে পড়ে রইলো আধঘণ্টা। শরীর থরথর করছে। তবে গুদটা একটু হালকা লাগছে। মনে হাজারো চিন্তা। পাড়ার লোক জানলে কী বলবে? তার ছেলে জানলে? স্বামী? আর অর্জুন — যে তাকে দেখেছে। সে কি কাউকে বলবে?
মেহনাজ তাদের জন্য সুস্বাদু স্ন্যাক্স বানিয়ে দিত। ছেলেরা প্রশংসা করতো, কিন্তু চোখ থাকতো তার দুধে।
আজও বিকেলে মেহনাজ বারান্দায় দাঁড়িয়ে অন্যমনস্কভাবে মাঠের দিকে তাকিয়ে সেই সব স্মৃতি মনে করছিল। তার পরনে হালকা কটনের নাইটী। গরমে সুতীর নাইটী পরে থাকা আরামদায়ক। নাইটীর পাতলা কাপড়ের ভিতর তার ভারী, ঝুলন্ত দুধ দুটো সামান্য নড়াচড়াতেই দুলছে।
ছেলেরা ক্রিকেট খেলছে। বিকেলের নরম আলোয় মাঠটা ছোট্ট একটা স্বপ্নের মতো লাগছিল। বাড়ির পাশের পুরনো জমিটা ঘাসে ঢাকা, কিনারায় কয়েকটা আম আর কাঁঠাল গাছ। মাঠের মাঝখানে তিন-চারটা ইট দিয়ে উইকেট বানানো। ছেলেদের হাতে পুরনো ব্যাট আর লাল বল। ছেলেদের চিৎকার, হাসি আর ব্যাটে বলের ঠকঠক শব্দে পুরো এলাকা মুখরিত। “আউট!”, “ছক্কা!”, “ক্যাচ ধর!” — তাদের তরুণ কণ্ঠস্বর বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে। ধুলো উড়ছে, ঘামে ভেজা শরীরগুলো সোনালি আলোয় চকচক করছে।
মেহনাজ বারান্দায় দাঁড়িয়ে অন্যমনস্কভাবে দেখছিল। তার ভারী দুধ দুটো নাইটগাউনের ভিতর নরমভাবে দুলছে। তার চোখ একটা পরিচিত মুখের ওপর আটকে গেল — অর্জুন। লম্বা, সরু কিন্তু শক্ত শরীর। সে শর্টস আর গেঞ্জি পরে দৌড়াচ্ছে, বল মারছে, হাসছে। গেঞ্জিটা ঘামে ভিজে শরীরের সাথে লেপটে আছে।
মেহনাজের মনে পড়ে গেল আদিলের কথা। কিছুদিন আগে আদিলও এই মাঠে খেলতো। বিকেল হলেই “আম্মু, বলটা দাও!” বলে চেঁচাতো। বেশি গরম পড়লে মেহনাজ তাদের জন্য ঠাণ্ডা বরফ দিয়ে লেবুর শরবত বানিয়ে নিয়ে যেত। আদিল আর তার বন্ধুরা খেলার ফাঁকে খেত। এখন আদিল হোস্টেলে। মাঠটা ফাঁকা লাগে। কিন্তু আজ অর্জুন, রাহুল, মিঠুন ও অন্যান্য ছেলেরা খেলছে। তাদের কিশোর শরীরের পেশি খেলছে, ঘাম ঝরছে। মেহনাজের চোখ অর্জুনের ওপর স্থির হয়ে রইল। তার লম্বা পা, চওড়া কাঁধ — সবকিছু তার নজর কেড়ে নিল।
একটা ছেলে ব্যাটিং করতে গিয়ে আউট হয়ে গেল, হর্ষধ্বণিতে মাঠ মুখরিত। এই ফাঁকে অর্জুন মাঠের এক কোণে চলে এল, মেহনাজদের বাড়ীর কাছে। চারদিক দেখে শর্টসের সামনের অংশটা নামিয়ে তার ধোনটা বের করলো।
মেহনাজের চোখ বড় হয়ে গেল। তার নিঃশ্বাস আটকে গেল।
অর্জুনের ধোনটা নরম অবস্থাতেও অবিশ্বাস্য। অন্তত নয় ইঞ্চি লম্বা, মোটা আর ভারী। চামড়ীদার, খতনাবিহীন। লম্বা চামড়ার আবরণটা ঢেকে রেখেছে শ্যামলা মাথাটা। কিন্তু তবু তার আকার দেখে মেহনাজের মুখ শুকিয়ে গেল। ধোনের গোড়াটা খুব মোটা, যেন তার আঙুল দিয়ে পুরোপুরি ঘেরা যাবে না। শরীরের দিকে ধীরে ধীরে সরু হয়ে এসেছে কিন্তু মাথার কাছে আবার ফুলে উঠেছে। নরম অবস্থাতেও এত ভারী আর লম্বা যে সে হাতে ধরে প্রস্রাব করছে। প্রস্রাবের শক্তিশালী ধারা বেরোচ্ছে, আর সেই ধোনটা হাতে ধরে অর্জুন দাঁড়িয়ে আছে।
তিন বছর ধরে কোনো পুরুষের ধোন দেখেনি মেহনাজ। তার স্বামীরটাও কখনো এত বড়, এত মোটা ছিল না। মেহনাজের শরীরের ভেতরটা হঠাৎ করে আগুন ধরে গেল। তার ভারী, ঝুলন্ত দুধ দুটো নাইটগাউনের ভিতর জোরে জোরে ওঠানামা করতে লাগলো। গুদের ভিতরটা চিনচিন করে উঠলো, যেন অনেকদিনের ঘুমন্ত খিদে হঠাৎ জেগে উঠেছে। সে অজান্তেই বারান্দার রেলিং আরও শক্ত করে চেপে ধরলো। তার মাথার ভিতরে নোংরা, লোভাতুর চিন্তার ঢেউ আছড়ে পড়তে লাগলো। সে ভাবলো, এত লম্বা আর মোটা ধোন যদি তার শুকনো গুদে ঢোকে, তাহলে কেমন লাগবে? তার ভেতরটা কি ফেটে যাবে? নাকি পুরোপুরি ভরে যাবে? চামড়ীদার এই বড় ধোনটা তার গুদের ভিতর ঠাপাতে ঠাপাতে কতদূর পর্যন্ত পৌঁছাবে? মেহনাজের গুদ ভিজতে শুরু করলো।
অর্জুন মাথা তুললো। সরাসরি বারান্দায় মেহনাজের চোখে চোখ পড়লো। সে প্রস্রাব থামালো না, বরং লজ্জাহীনভাবে মেহনাজের দিকে সরাসরি তাকিয়ে রইল। মেহনাজ ধরা পড়ে গিয়ে পালাবে কি? কেমন মূর্তির মত অবশ হয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে রইল। বন্ধুর মা তার পেশাব করা দেখছে বুঝতে পেরে অর্জুনের ধোন ধীরে ধীরে শক্ত হয়ে উঠতে লাগলো। নয় ইঞ্চির বেশি লম্বা, অসম্ভব মোটা, শিরা উঠে গেছে, চামড়া সরে গিয়ে কালচে মাথাটা বেরিয়ে এসেছে। পুরো ধোনটা এখন শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, যেন লোহার রড।
মেহনাজ আর সহ্য করতে পারলো না। সে ঘরের ভিতরে চলে গেলো। দেয়ালে হেলান দিয়ে বসে পড়লো। পা দুটো ছড়িয়ে দুই আঙুল গুদে ঢুকিয়ে জোরে চালাতে লাগলো।
“আহহ... ছেলেটার... এত বড়, মোটা ধোন... চামড়ীদার কি লম্বা বাড়া...”
তিন আঙুল ঢুকিয়ে দিলো। ভেজা শব্দে ঘর ভরে গেল। অন্য হাতে ভারী দুধ মুচড়াচ্ছে। স্মৃতিতে ভেসে উঠছে আদিলের বন্ধুরা যখন বাড়িতে আসতো, তারা কীভাবে তার ঝুলন্ত দুধের দিকে তাকিয়ে থাকতো।
“আআআহহহহ!”
তার গুদ সংকুচিত হয়ে পরিষ্কার রস ছিটকে পড়লো কার্পেটে। পা কাঁপছে। শরীর কুঁকড়ে গেলো। সে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগলো।
“খোদা... মাফ কর... আদিলের বন্ধুর এত বড় ধোন দেখে... আমি কী করলাম...”
কিন্তু কান্নার সাথে সাথে তার শরীরে অদ্ভুত শান্তি নেমে এলো। তিন বছর পর প্রথম তীব্র মুক্তি। সে মেঝেতে গুটিয়ে পড়ে রইলো আধঘণ্টা। শরীর থরথর করছে। তবে গুদটা একটু হালকা লাগছে। মনে হাজারো চিন্তা। পাড়ার লোক জানলে কী বলবে? তার ছেলে জানলে? স্বামী? আর অর্জুন — যে তাকে দেখেছে। সে কি কাউকে বলবে?
চলবে ...….
oneSickPuppy © All rights reserved. Redistribution is allowed with appropriate credit to the original author.






0 comments:
Post a Comment