Bangla Choty Golpo

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(০৭)

 



পর্ব:০৭


মা- এবার উঠে পর আর বাড়ি চলো রাত অনেক হয়েগেছে গরু সব বাইরে।

আমি- আস্তে আস্তে মায়ের উপর থেকে নামলাম। আর মাকে তুলে বসলাম। নিচ থেকে গামছা বের করে ছায়ার উপর যে মাল পড়েছে হাত দিয়ে বুঝে নিয়ে মুছে দিলাম তারপর বললাম মা এবার তুমি পরে নাও।
মা- একে একে ছায়া পরে নিয়ে ব্লাউজের হুক লাগিয়ে শাড়ি পরে নিল। আর আমি প্যান্ট পরে নিলাম। মা বলল চলো এবার বাড়ি যাই।
আমি- ধামা মাথায় নিয়ে দুজনে হাত ধরে বাড়ির দিকে যাচ্ছি তখন মাকে ধরে বললাম, মা সত্যি করে বল সুখ পেয়েছ।
মা- বলল যা করলাম আমাদের একদম ঠিক হয়নি, ঐ লোকটার উপর রাগ করেই আমার করতে হল, ভাবতে পারছিনা কি করলাম আমরা।
আমি- ধামা ফেলে দিয়ে মাকে জরিয়ে ধরে মা কি বলছ তুমি, আমি তোমাকে না পেলে আমি মরে যাবো তুমি আমার জীবনে প্রথম নারী জার সাথে আমি এই খেলা খেললাম, এখনও তোমার লজ্জা বাঃ দ্বিদ্ধা হচ্ছে।
মা- বাড়ি চলো উতলা হতে হবেনা, ভেবে চিন্তে আমাদের এগুতে হবে। ইচ্ছে থাকলেই সব সময় সব কিছু হয় না।
আমি- মায়ের ঠোঠে চুমু দিয়ে বললাম আমাকে তুমি নিরাশ করবেনা, আমি জোর করব না তুমি যখন দেবে তখনই হবে। আমি মায়ের হাত নিয়ে বাঁড়ায় ধরিয়ে দিয়ে দ্যাখ আবার কেমন দাড়িয়ে গেছে, প্যান্ট উচু করে রেখেছে।
মা- হাত দিয়ে একটা চাপ দিয়ে ঠিক আছে চলো বাড়ি যাই দেরী করা ঠিক হবেনা এখন। কালকে তো আবার জমিতে আসবো তখন ভাব্বো। এখন চলো বাড়ি যাই গিয়ে কত কাজ আমাদের মনে আছে গরু গুলো বাইরে রয়েছে তোমার বাবা যদি আগে চলে আসে কি হবে ভেবেছ একবার। আর একটা কথা এই বিষয়ে কোন রকম আলাপ বাড়িতে কোন সময় করবেনা। চলো এবার আর দেরী করা যাবেনা বলছি না তাড়াতাড়ি গিয়ে সব কাজ করে ফেলতে হবে।
আমি- আচ্ছা বলে মাকে ছেরে আবার ধামা মাথায় নিয়ে দুজনে যেতে লাগলাম। আর বাড়ি পৌছেও গেলাম।
মা- দরজার তালা খুলে ঘরে গিয়ে হারিকেন জালাও।
আমি- গরু ঘরে তুলতে গেলাম। গরু তুলে এসে মায়ের কাছে যেতেই ঘরের ঘরির দিকে তাকিয়ে দেখি রাত ৯ টা বাজে।
মা- বলল চলো গা হাত পা ধুয়ে আসি। এরপর এসে রান্না চাপাবো।
আমি- আচ্ছা বলে খালে গিয়ে গা হাত পা ধুয়ে এসে বসলাম মা রান্না করতে লাগল আমি পাশে বসা। মায়ের শুধু ভাত করতে হল তরকারী করাই ছিল।
এরমধ্যে বাবা গুন গুন করে যে আসছে সে বোঝা যাচ্ছে।
বাবা- এসেই কি হচ্ছে দুজনে মিলে, আমার ছেলেটাকে একদম মেয়ে বানিয়ে নিয়েছে, সব সময় আঁচলের নিচে রেখে দিয়েছে।
মা- বলল কি করব তোমাকে তো বেঁধে রাখতে পারিনি তাই দেখি ছেলে মায়ের আঁচলের নিচে থাকে কতদিন, তোমার ছেলে তো কতদিন আর থাকবে বউমা না আনা পর্যন্ত। এই বাবা যা না একটু ডিপের কল থেকে ঠান্ডা জল নিয়ে আয় আমি ভাত রেডি করি। যা গরম শরীর ঝালা পালা হয়ে গেছে গরমে আর ঘুয়াবো কি করে এত গরম হাত পাখা চালিয়ে গুমানো যায়।
বাবা- বলল এই ভালো কথা দুই একদিনের মধ্যে আমাদের লাইন দেবে। টাকা তো জমা দেওয়া আছে।
আমি- সত্যি বাবা তবে ভালো হবে বলে জপ্লের জগ নিয়ে জল আনতে চলে গেলাম। আর জল নিয়ে এসে আমি বাবা দুজনে খেতে বসলাম, এ বাড়িতে আবার মহিলারা এক সাথে খায় না। মা আমাদের ডাল ভাত দিল আর সাথে আছে কচুর লতি চিংড়ি মাছ দিয়ে।
বাবা- বলল আসলে কি জানো তুমি এত ভালো রান্না কর তোমার হাতের রান্না আলাদা যেখানেই যাই তোমার মতন রান্না পাই না। কিরে বাবা বল তো যেমন ডাল হয়েছে তেমন কচুর লতিও।
মা- বলল এ বাবা সূর্য আজকে কোনদিক দিয়ে উঠেছিল রে এতদিন পরে আজকে তোর বাবা আমার রান্নার প্রশংসা করছে।
বাবা- যা সত্যি তাই বলেছি, আচ্ছা তোমাদের পাট খেতের কি অবস্থা কেমন হয়েছে পাট। কতদুর কাজ হল। পাল বাবুর সাথে দেখা হয়েছিল আমাকে বলল তোমার ছেলে আর বউ তো কামাল করে দিয়েছে, মাঠের সেরা ফসল হবে এবার তোমাদের পাট।
আমি- বাবা আমাদের জমির পাট সেরা হয়েছে বিমল পাল বলছিল মা ছেলে মিলে যা করেছিস তোরা, খুব লম্বা আর গোটা গোটা হয়েছে, কি বলছে জানো একদম সোনালী আঁশ পাবি এবার তোরা।
বাবা- তাহলে তো একবার যেতে হবে দেখতে সকালে যাবি খেতে নিড়ানি হয়ে গেছে।
আমি- না একটা জমি বাকি আছে আমি আর মা কালকে দুইবেলা গেলে হয়ে যাবে। কালকে সকালে যে দুটো হয়ে গেছে ওতে সার দেবো, আর বিকেলে বাকিটাতে সার দেবো বুঝলে।
বাবা- আচ্ছা দেখিস বেশী যেন না হয় তবে কিন্তু হেলে যাবে। আর হ্যা উপরের জমিতে ধান দিবি তো।
আমি- হ্যা হ্যা চাষ দিয়ে দিয়েছি একটু শুকালে বীজ ফেলে দেবো।
বাবা- না না দেরী করতে হবে না বৃষ্টি আসবে খুব তাড়াতাড়ি তার আগে বীজ ফেলে এবার ডুবেও যেতে পারে। দোকানে টিভিতে খবর দেখছিলাম খুব বৃষ্টি হবে বলেছে। কালকেই বীজ ফেলে দে।


মা- বলল এইরকম একটু খোঁজ নিলেই হয় ও ছেলে মানুষ সব বোঝে। একটু দ্যাখ ছেলেটাকে, সব সময় বাজারে সময় কাটাও।


বাবা- ঠিক আছে দেখবো তুমি ভেবনা, কালকে বাবা তোর সাথে সকালে যাবো জমিতে বীজ বুনতে।
মা- বলল সে তোমার ছেলে তোমার থেকে ভালো বুনতে পারে, একবার আগে পাট দেখে নিয়ে তারপর বলবে কেমন বুনেছে। তবে ধান তো তুমি বুনে দিও। কি বলব তোমাকে একবারে যা বীজ বুনেছে, হয়েছেও দারুন। কেন সবাই প্রশংসা কেন করছে তুমি বুঝতে পারছ না।
বাবা- বলল আমার মা যখন ছিল মা আমার সাথে চাষ করতে যেত আমিও তখন ফলিয়েছি তুমি জানোনা। মায়ের আশীর্বাদ থাকলে সব ছেলেই করে পারে।
আমি- হ্যা বাবা মা সাথে থেকে আমাকে সব দিক দিয়ে সাহায্য করেছে না হলে আমি কি পারতাম। আর এতে তোমার অবদান রয়েছে তুমি গেলে এমনভাবে করতে পারতাম না তাইনা মা।
মা- বলল এতে আমার আর অবদান কি তুমি কাজ জানো আর গায়ে জোর আছে তাই তো ভালোভাবেই করতে পেড়েছ, আর তোমার এই কাজ দেখে আমি সবাচাইতে খুশী বেশী হয়েছি। তোমার বাবা তো চাষ করছেনা, তাই তুমি চাষ করো ভালো করে তাতেই আমাদেড় চলে যাবে। তোমার প্রথম কাজেই আমি সন্তুষ্ট। বাবাকে বলল তুমি একবার দেখে এস কত সুন্দর পাট হয়েছে আর একদিনে কত নিড়ানি দিয়েছে, ঘাসের একদম ডিবি করে দিয়েছে।
বাবা- গরবের শুরে বলল দেখতে হবেনা কার ছেলে এটা আমার ছেলে ভালো কাজ তো করতেই পারবে। তবুও যাবো আমি কালকে ধানের বীজ বুনে দেবো আর পাট দেখে আসবো। বাবা হাত ধুতে ধুতে বলল নাও এবার তুমি খেয়ে নাও আর ছেলেকে নিয়ে ঘরে আসো আমি আর আজকে যাবনা।
মা- সত্যি তো আসছি আমি খেয়ে আসছি তুমি না হয় বাইরে বস হাওয়া লাগবে। ঘরে গেলে আমি তোমাকে হাওয়া করে দেবো। যাও গিয়ে মোড়া নিয়ে বাইরে বস পুব দিকের খোলা জায়গায় আর আবার বিড়ি খেওনা যেন। তবে তোমার খবর আছে।
বাবা- আচ্ছা আচ্ছা খাবোনা তুমি যখন বলেছ। বলে বেড়িয়ে গেল।
মা- ভাত নিয়ে খেতে বসল।
আমি- মায়ের পাশে বসা। জিজ্ঞেস করলাম মা সত্যি বাবা আজকে এত ভালো হয়ে গেল কই সেই রাগ।
মা- তুই জল আনতে গেলে অনেক কিছু বলেছি তার জন্য এমন করছে।
আমি- তাই বল না হলে বাবার রুপ তো আমার দেখা আছে।
মা- আস্তে আর কিছু বলতে হবে কান বড় খাঁড়া তোর বাবার। চুপ করে বস আর কিছু বলতে হবেনা। এই বলে মা খেয়ে নিয়ে সব বাসন কোসোন নিয়ে ঘাটে গেল।
আমি- লম্ফ নিয়ে মায়ের সাথে গেলাম। সব ধোয়া হলে নিয়ে ঘরে এসে দরজা বন্ধ করে আমরা তিনজনে ঘরে গেলাম। বাবা মা ঘরের ভেতরে গেল আমি বারান্দায় ঘুমাতে গেলাম। সবার হাত পাখা আছে। হাওয়া করতে করতে ভাবতে লাগলাম কি আজকে হল। উফ এত সুখ মা আমাকে দিয়েছে ভাবতেই পারিনা। কিন্তু কিছু যে আর করার নেই এবার ঘুমাতে হবে। এবং হাওয়া করতে করতে ঘরের ভেতরে কাপ পাতলাম। প্রথমে শুনতে না পেলেও জানলার কাছে গিয়ে কান পাততে শুনতে পেলাম দুজনে রসের কথা বলছে। এরপর বাবা বলল এই সোনা পা ফাঁকা কর এবার ঢোকাই। আমি বুঝলাম এবার বাবা মায়ের খেলা শুরু হবে, তাই একদম চুপ করে কান পেতে শুনতে লাগলাম ওদের কথা। দেখতে তো পাচ্ছিনা তাই শুনছি ওদের কথা। বাবা বলছে আঃ সোনা একবারে ঢুকে গেল তো, কি গো মনে মনে কি তুমি চাছিলে কি। একদম রস ভর্তি। মা বলল বাজে কথা বলতে হবে মোটে কাছে আসোনা আজকে কি তোমার হল যে এত উৎসুক হয়ে উঠলে যা করছ করো ছেলে বাইরে ঘুমিয়েছে কিনা জানিনা। বাবা বলছে সত্যি আজকে চুদতে খুব আরাম লাগছে তোমাকে, একদম রস ভর্তি তোমার গুদে। আঃ সোনা তোমার দুধ আমাকে সব সময় পাগল্করে দ্য বলে চুক চুক করে চুষছে সে শব্দ হচ্ছে। মা বলল দ্যাখ এই গরমে ভালো লাগছেনা, তুমি তাড়াতাড়ি শেষ করো তো। নাও দাও ভালো করে। বাবা হ্যা সোনা দিচ্ছি বলে এবার যে ঠাপ শুরু করল প্রতি ঠাপের শব্দ আমি শুনতে পাচ্ছি। হঠাত কিছু সময় পরে আর কিছু শ্নতে পাচ্ছিনা। মা বলল নামো পারেনা করতে আসে তোমার তো হল আমার কি হল সেটা ভেবেছ তুমি, শুধু গরম করে দেয় আমাকে। বলে নাও ওদিকে ফিরে শুয়ে পরো আমাকে বিরক্ত করতে এস আর। এইসব শুনে আমি ঘুমিয়ে পড়লাম।  


চলবে........


Share:

0 comments:

Post a Comment

Xgossip. Bangla Choty Golpo

Tags

Xgossip— Bangla Choty Golpo. Powered by Blogger.

Ad Space

Featured post

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(১৫)

  পর্ব:১৫ বাবা- কি বলব বাবা তোকে, আসলে তোর মাকে বকা ঝকা করেছি তার কারন আছে তুই আমার ছেলে তোকে কি বলব সব তো খুলে বলা যায়না। আমি- কেন বাবা আমি...

Search This Blog

🔞 ১৮% সতর্কবার্তা

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন।

About Us

About Us
এই খানে পাবেন বিভিন্ন লেখকদের বিভিন্ন ক্যাটাগরির চটি গল্প।

Translate

Popular Posts

Popular Posts