Bangla Choty Golpo

কামদেবের রতি মন্থন(০১-০২)

Author:Fictionally Real


পর্ব:০১



 

এই গল্পের নায়ক আমার বন্ধু মেহেদী। বড়লোক বাপের বখে যাওয়া সন্তান। দামি পারফিউমের গন্ধ আর কাঁচা কামনার নেশা যেন ওর শরীরে মিলে মিশে একাকার হয়ে আছে। চেহারা আর ফিগারে মেহেদী যেন প্রাচীন কামদেবেরই আধুনিক আর বিষাক্ত এক সংস্করণ।
মেহেদীকে কেন কামদেব বলছি? তবে চলুন ওর চেহারা আর শারীরিক গঠণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানাই আপনাদের।
 
 
এইতো গতকালকেই মেহেদী, আমি আর ইরফান মিলে জিম করছিলাম। এক্সারসাইজ শেষে জিমের বড় মিররটার সামনে দাঁড়িয়ে মেহেদী পোজ দিতে শুরু করলো। আমি ঈর্ষান্বিত চোখে ওকে একবার মাপলাম। মেহেদী দাঁড়িয়ে আছে। ওর উচ্চতা ৫ ফুট ১১ ইঞ্চি। আমাদের বন্ধুদের গ্রুপে ও ই সবথেকে লম্বা। ওর স্লিম, অ্যাথলেটিক শরীরটা যেন একটা পারফেক্ট স্কাল্পচার। কাঁধ দুটো চওড়া। রেগুলার জিম করার কারণে বুকের ছাতিটাও বেশ চওড়া আর বলিষ্ঠ। কিন্তু, ওর মাসলগুলো বডিবিল্ডারদের মতোন ফোলা বা লৌহদন্ডের মতো শক্ত নয়। বরং, ওটা লিন আর টোনড। যেন প্রতিটা মাসল আলাদা আলাদাভাবে খোদাই করে তৈরী।
 
টপ ট্যাংকটা খুলে ফেলতেই মেহেদীর বুকটা পুরোপুরি উন্মুক্ত হয়ে গেলো। ওর চওড়া বুকের মাঝখান দিয়ে একটা পাতলা, সেক্সি লাইন নেমে গেছে সোজা নাভি পর্যন্ত। সেই লাইনটা যেন শরীরের মাঝ দিয়ে একটা লোভনীয় সরু গলি পথ তৈরি করেছে। ওর অ্যাবসগুলো সিক্স প্যাক না হলেও বেশ ভালোভাবেই ভিজিবল। শ্বাস নিলেই ওঠানামা করে। কোমরটা সরু। তারপর হঠাৎ করে থাই এর দিকে চওড়া হয়ে V শেপ তৈরি করেছে। জিন্স পরলে সেই V শেপটা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
 
লম্বা ছেলেদের পা সাধারণত চিকণ হয়। মেহেদীর ক্ষেত্রে কিন্তু এ কথাটা মোটেও সত্য নয়। কখনোই লেগ ডে মিস করেনা ও। বরং বলে, “এই কোমড়েই তো আসল খেলা বন্ধু। যে ছেলের কোর যত শক্ত, সে তত বড় সুপুরুষ।”
হ্যা, মেহেদী যে সুপুরুষ তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। ওর পা দুটো লম্বা, মাংসল আর শক্তিশালী। থাই দুটো মাসকুলার। জিন্সের কাপড়ের ভেতর দিয়েও বোঝা যায় ওদুটো কতটা শক্ত আর সুগঠিত। ও যখন হাঁটে, তখন থাইয়ের মাসলগুলো নড়ে চড়ে ওঠে। যেন প্রতি পদক্ষেপে ওর মাকলেজার শরীরটা ওর শক্তিশালী পৌরুষের জানান দেয়।
 
 
মাত্রই ব্যায়াম শেষ করে মেহেদীর শরীরটা এখন ঘামে চুপচুপে হয়ে আছে। ওর ঊর্ধাঙ্গের প্রতিটা ইঞ্চি চকচক করছে। হাতের মাংসপেশী আর বুকের মাসলগুলো আরও বেশি উদ্ধত আর লোভনীয় হয়ে উঠেছে। উফফফ… এই অবস্থায় ওকে যা গরম লাগছে না, সেটা বলে বোঝানো যাবে না। ভাগ্যিস তখন জিমে কোনো মেয়ে ছিলো নাম থাকলে মনে হয় চোখ দিয়েই ওকে গিলে খেতো ওরা।
 
আমি লক্ষ্য করলাম, মেহেদীর শক্ত, উঁচু বুকের ওপর থেকে এক ফোঁটা ঘাম ধীরে ধীরে গড়িয়ে পড়ছে। বুকের পাতলা লাইন বেয়ে নামতে নামতে ওটা ওর টানটান অ্যাবসের গভীর খাঁজগুলোকে ছুঁয়ে দিয়ে নাভির দিকে এগিয়ে গেলো। ঘামে ভেজা অ্যাবসের লাইনগুলো এখন রীতিমতো চকচক করছে। প্রত্যেকটা মাসলের কাটা দাগ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
 
 
ট্রাউজার টা ওর কোমর থেকে খানিকটা নিচে নামানো। আর সেখান থেকেই ওর গভীর V লাইনটা ছাপিয়ে পুরুষালি পিউবিক হেয়ারগুলো হালকা ভাবে উঁকি দিচ্ছে।
 
মেহেদী এবারে ওর ট্রাউজারের ফিতাটা নামাতে লাগলো। এই! করছে টা কি ছেলেটা! আমি ওকে থামতে বলবো, তার আগেই দেখলাম ও হাঁটু অব্দি ট্রাউজার টাকে নামিয়ে ফেলেছে। তারপর, আরও একটু নিচু হয়ে পা গলিয়ে ওটাকে একদম খুলে ফেলে দিলো মেহেদী। এখন ও শুধুমাত্র একটা টাইট কালো বক্সার পরে আছে। বক্সারটা ওর মোটা, ভারী থাই আর গোল, শক্ত নিতম্বের সাথে আষ্টেপৃষ্টে লেপ্টে আছে। বক্সারের কাপড়টা এতটাই টানটান হয়ে আছে যে ভিতরের মোটা, লম্বা আকৃতির যন্ত্রটা স্পষ্ট হয়ে ফুটে উঠেছে। আর সেই সাথে ঘামে ভিজে চকচক করছে ওর পুরো শরীর।
 
ও সামনে ঝুঁকে পানির বোতলটা তুলতে গেলে ওর বক্সারের কাপড়টা পিছন দিকে বেশ খানিকটা টান খেয়ে গেলো। এতে করে ওর নিতম্বের দুটো গোল, মাংসল অংশ প্রায় অর্ধেকটা বেরিয়ে এলো। ভিতরের গভীর খাঁজটা এখন বেশ স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। সামনের দিকে ঝুঁকতেই ওর V-শেপটা আরও গভীর, আরও তীক্ষ্ণ হয়ে উঠলো। মেহেদীকে এখন না রগরগে, গরম, লোভনীয় যৌন মেশিনের মতোন লাগছে। বুঝলাম কেন মেয়েরা এতো করে ওকে ছুতে যায়, ওর কাছে আসতে ছটফট করে।
 
মেহেদী সোজা হয়ে দাঁড়ালো। ওর লম্বা, শক্ত থাইয়ের মাসলগুলো টানটান হয়ে উঠলো। ও যখন হাত দিয়ে নিজের বুকটাকে মুছতে গেলো, তখন ওর বক্সারের সামনের অংশটা আরও টান খেয়ে গেলো। দেখলাম ভিতরের মোটা, ভারী লিঙ্গটা আধা-শক্ত অবস্থায় চাপ দিয়ে কাপড়টাকে উঁচু করে তুলে দিয়েছে।
উফফফফফ… সো ফাকিং হট… অবচেতন মনে আমার অসম চিন্তা দোলা দিলো। আমি যদি মেয়ে হতাম তাহলে বুঝি এমন মূর্তিমান কামদেবকে এই অবস্থায় দেখে ওর উপরে ঝাঁপিয়েই পড়তাম।
 
আমাকে একভাবে ওর দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে মেহেদী গলা নামিয়ে বলে উঠলো, “কিরে শালা, মেয়ে মানুষের মতো ওভাবে তাকিয়ে আছিস কেন?”
আমি তড়িঘড়ি করে চোখ সরিয়ে নিলাম। বললাম, “নে অনেক পোজ দেয়া হয়েছে। কাল প্রজেক্ট পেপার জমা দেয়ার শেষ দিন, মনে আছে? জলদি কর। রুমে ফিরে বাকি কাজ সারতে হবে।”
মেহেদী সম্ভবত প্রজেক্টের কথা ভুলেই গিয়েছিলো। হুট করে আমি মনে করিয়ে দেওয়ায় ও চট জদলি রেডি হতে লাগলো। বললো, “ভালো কথা মনে করিয়েছিস দোস্ত। নে চল যাওয়া যাক ….”


--------------------------

পর্ব:০২

-------------------------


দেখেছেন, এতোক্ষণ ধরে কত কথা বললাম, অথচ মেহেদীর চেহারার বর্ণনা টাই তো দিলাম না।

মেহেদীর মুখটা লম্বাটে আর ভয়ানক শার্প। জ’ লাইনটা এতো বেশি তীক্ষ্ণ আর ধারালো যে মনে হয় কোন শিল্পী যেন ছেনি দিয়ে সুনিপুণ হাতে ওর চেহারাটা খোদাই করে বানিয়েছে। ওর চোখের নিচে হালকা কালি, যেটা রাতের পর রাত জেগে পার্টি করা, মদ গেলা আর মেয়েদের সাথে অবাধ সঙ্গমের সাক্ষ্য বয়ে বেড়ায়।

মেহেদীর চোখ দুটো কালো, গভীর, টানা টানা। ছেলেদের চোখের এমন পটলচেরা ভাবকে ঠিক কি বলে জানি না। কিন্তু, যখন ও কোনো মেয়ের দিকে তাকায়, তখন সোজা চোখে চোখ রেখে তার শরীরের ভেতরটা অব্দি স্ক্যান করে ফেলে। ওর চোখে নেশা আছে, বিষ আছে, আর আছে এক অমোঘ আকর্ষণ, যা দেখলে মেয়েরা লিটারেলি পাগল হয়ে যায়। হয়তো তাদের গোপনাঙ্গও ভিজে চপচপে হয়ে যায়।

আমার খুব হিংসে হয় জানেন! কিভাবে একের পর এক সুন্দরী, যৌবনবতী, শরীরসর্বস্ব মেয়েদেরকে অবলীলায় ও নিজের সংগমসঙ্গিনী বানিয়ে ফেলে! তারপর বুক ফুলিয়ে, বিস্তারিতভাবে সেইসব মেয়েদেরকে ভোগ করবার রগরগে গল্প আমাকে এসে শোনায়।


মেহেদীর নাকটা সোজা, একটু লম্বাটে, একদম পারফেক্ট প্রপোর্শনের। নিচের ঠোঁটটা একটু পুরু, মোটা, তবে বেশ লোভনীয়। ওর ঠোঁট দুটো সবসময় কুটিল, বিদ্রূপাত্মক হাসির ভঙ্গিতে থাকে। নিয়মিত সিগারেট আর মদ্যপানের কারণে ঠোঁটের গোলাপি আভা হারিয়ে কালচে, ধূম্রাচ্ছন্ন হয়ে উঠেছে।
ও যখন হাসে, তখন ওর সাদা দাঁত আর কালচে ধূম্রাচ্ছন্ন ঠোঁটের বৈপরীত্য ওকে এতটা দাপুটে, বিপজ্জনক ও মাদকতাময় পুরুষে রূপান্তরিত করে, যে যেকোন মেয়ের শরীর তাতে গলে যায়, গুদের ভেতরটা যেন মোচড় দিয়ে ওঠে।

মেহেদীর গায়ের রং উজ্জ্বল তামাটে, যেন সূর্যের আলোয় ভেজা চকচকে তামা। নিজের ঘন কালো চুলগুলোকে ও এক্সপেন্সিভ হেয়ার স্টাইলিস্ট দিয়ে সবসময় পারফেক্ট শেইপে রাখে। আর সেই স্টাইল করা বেয়ার্ড ওর মুখশ্রীতে এমন এক রাফনেস লুক যোগ করেছে যেটা বাঘা বাঘা মেয়েদেরও প্যান্টি ভিজিয়ে দেয়।

তবে এসবের থেকেও একটা পুরুষ মানুষের জীবনে যে জিনিসটা সবথেকে বেশি ম্যাটার করে, সেটা যেন ওর একদম আলাদাই লেভেলের। ওর পেনিস। ওর Lund. ওর বাঁড়া। দু পায়ের ফাঁকে যেন আস্ত একটা ইলেক্ট্রিক পোল পোতা আছে ওর। আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, আমি কিভাবে এতোটা কনফিডেন্টলি ওর লাভ রড সম্পর্কে বলতে পারছি। উত্তরটা তবে দিয়েই দেই চলুন।







চলবে........
 

Share:

0 comments:

Post a Comment

Xgossip. Bangla Choty Golpo

Tags

Xgossip— Bangla Choty Golpo. Powered by Blogger.

Ad Space

Featured post

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(১৫)

  পর্ব:১৫ বাবা- কি বলব বাবা তোকে, আসলে তোর মাকে বকা ঝকা করেছি তার কারন আছে তুই আমার ছেলে তোকে কি বলব সব তো খুলে বলা যায়না। আমি- কেন বাবা আমি...

Search This Blog

🔞 ১৮% সতর্কবার্তা

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন।

About Us

About Us
এই খানে পাবেন বিভিন্ন লেখকদের বিভিন্ন ক্যাটাগরির চটি গল্প।

Translate

Popular Posts

Popular Posts