লেখক: momloverboy
হ্যালো বন্ধু রা , কেমন আছো তোমরা সবাই , আমি আবার এসেছি আরো একটা গল্প নিয়ে, তোমরা তো জানো আমার আর আমার মা এর সম্পর্কের ব্যাপারে, আমাদের সেই বিয়ে হওয়ার পর বেশ ভালোই দিন কাটছিলো আমাদের দুজনের,আমিও মা কে সবার আড়ালে মা না বলে বৌ বলে ডাকতাম, মা ও ওগো হা গো বলে ডাকতাম , এসব নিয়ে আমাদের ফাঁকা ঘরে অনেক ইয়ার্কি ও হতো তো যাই হোক , একদিন পর্ন search করতে করতে একটা porn দেখতে পেলাম দেখলাম পর্নস্টার এর পাছায় একটা লম্বা গোল মতো জিনিস ঢোকানো আর জিনিস টা অনেকক্ষন থাকার পর পাছার ফুটো টা বড়ো হয়ে যায় আমি ভাবলাম ভালো জিনিস তো আমিও তো আমার মা এর পাছায় বাড়া ঢোকাতে ভালোবাসি কিন্তু টেইট থাকার জন্য অসুবিধা হয় আর মার ও খুব লাগে তাই ভাবলাম যে এই রকম একটা বাট প্লাগ কিনতে হবে তাই অনেক খুঁজে একটা অনলাইন সেক্স সোপ থেকে একটা বাট প্লাগ পেলাম অনেক দাম কিন্তু রিভিউ দেখে মনে হলে জিনিস টা ভালো তাই অর্ডার করে দিলাম এদিকে তখন আমার 2nd ইয়ার এর রেজাল্ট বেরিয়েছে কলেজের খুব ভালো রেজাল্ট করায় বাড়ির সবাই খুশি মা তো ভীষণ খুশি হয়েছে কারণ 1st ইয়ার চলার সময় আমি পড়াশুনা না করে শুধু মা কে চুদতাম তাই মা এর টেনশন ছিল যে 1st ইয়ার এর রেজাল্ট খারাপ হবে কিন্তু তা না হওয়ায় মা খুব অবাক ও আবার খুশি ও একদিন আমি Facebook এ চ্যাট করছি মা বললো -কিরে সারাদিন মোবাইল নিয়ে কি করছিস ? পড়াশুনা কর এবার -করবো তুমি চিন্তা করছো কেন মা - না চিন্তা করবো না , যদি একটু পড়াশুনা করতো ছেলে টা সারা দিনে -আক্কাহ মা আগে তুমি বোলো আমার 1st ইয়ার এর রেজাল্ট এ তুমি কুশি হও নি ? -(আমার দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে তারপর হাসতে হাসতে ) ও 2nd ইয়ার এই ভালো রেজাল্ট করলেই হলো -করেছি তো ,এবার করবো তুমি যা টেনশন করতে -করবো না , আগের বছর সারা টা কখন তুই আমের সাথে কি যে করেছিস ,উফফ বাবা পারিস ও তুই -(মা এর কানের কাছে কান দিয়ে ) এই বছর ও করবো মা কিছু না বলে রান্না ঘরে চলে গেল ,আমিও মা এর পেছন পেছন রান্না ঘরে গেলাম -আচ্ছা মা তুমি তো আমাকে কোনো গিফট দিলে না -কি গিফট -এই যে আমি সারা বছর না পড়ে ও ভালো রেজাল্ট করলাম -(আমার দিকে আর চোখে তাকিয়ে হাসতে হাসতে ) কি গিফট চাই তোর আবার ? আমি মা কে জড়িয়ে ধরে বললাম -তোমাকে -আমি জানি তো তোর সবসময় এই সব ই মাথায় ঘোরে -আমি সত্যি বলছি মা প্লিজ না বোলো না -আবার আমাকে নিয়ে কি পাগলামি করবি তুই -আগে বোলো তুমি না করবে না -না আগে বল কি করবি ,ওই আগের বারের মতো আমি কিন্তু ওই সব জামা কাপড় পড়তে পারবো না (আমি মা কে গোয়া এ রিসোর্ট এ ঘুরতে নিয়ে গেয়ে বিকিনি পরিয়ে ছিলাম - সে গল্প বলবো অন্যদিন ) -আচ্ছা ওসব কিছু করবো না ,অন্য কিছু করবো -(রান্না করতে করতে থেমে গেয়ে আমার দিকে তাকিয়ে )আবার তোর মাথায় কি পাগলামির ভূত চেপেছে? -না আগে বলো তুমি না বলবে না -আমি কিন্তু ওসব ছোট ছোট জামা কাপড় পড়ে লোকের সামনে যেতে পারবো না - ওসব কিচ্ছু করতে হবে না , আগে বলো তুমি রাজি কি না -(কিচ্ছুক্ষন ভাবার পর ) আচ্ছা ঠিক আছে আমি অপেক্ষা করেত থাকলাম যে কবে বাট প্লাগ টা ডেলিভারি দেয় প্রায় 7-8 দিন পর ফেডেক্স এ আমার প্রোডাক্ট এলো ,মা তখন বাড়ি ছিল না আমি প্যাকেজে ওপেন করে জিনিস টা দেখলাম পুরো টা মেটাল এর সাথেই আবার একটা ইন্সট্রাকশন ও দেয়া যে কিভাবে কি করতে হবে আমি ভাবলাম আজ এটার উদ্বোধন করবো মা এর পাছার ফুটোয় ঢুকিয়ে মা কিছুক্ষন পর বাড়ি ফিরলো দেখি হাতে বাজার এর ব্যাগ -উফফ কি ভিড় বাজার এ আর কি গরম ,উফফ আর পাড়া যায় না -মা বাবা কবে ফিরবে গো ? -(মা শাড়ী অচল দিয়ে ঘাম মুছতে মুছতে ) কেন রে কি হয়েছে ? -বলো না -পরশু দিন কেন ?
এই কথা বলার পর মা কিছুক্ষন আমার দিকে তাকালো তারপর তোয়ালে নিয়ে বাথরুম এ চলে গেল আমি আমার রুম এ গিয়ে বাটপ্লাগ টা বার করলাম আর তাতে লুব্রিক্যান্ট লাগলাম যাতে সেটা ভালোভাবে লুব্রিকেটেড হয় আর ইসিলি মা এর পাছার ফুটোয় ঢোকে মা কিছুক্ষন পর স্নান করে বাইরে এসে বেডরুম এ গেল ,আমিও ভেতরে ঢুকলাম দেখি মা তোয়ালে গায়ে দিয়ে দাঁড়িয়ে চুল করাচ্ছে আমাকে দেখে মা তোয়ালে টা খুলে ফেললো আর মা এর সুন্দর ফ্রেশ শরীর টা দেখে আমার বাড়া দাঁড়িয়ে গেল কিন্তু আমি নিজেকে কন্ট্রোল করলাম কারণ আজ কিছু করা যাবে না চুল আঁচড়ানো হলে মা একটা হাত খোঁপা করলো -কিরে আয় কি করবি কর -তুমি শোও আমি আসছি আমি আমার রুম থেকে বাটপ্লাগ টা নিয়ে এলাম -এরকম ভাবে না চিৎ হয়ে শোও -তুই কি আবার আমার পাছায় করবি নাকি , উফফফ আর পারা যায় না। আমি মার আছে গেয়ে মার পাছার ফুটোয় ভালো করে লুব্রিক্যান্ট লাগালাম তারপর বাটপ্লাগ টা কে আসতে আসতে নিয়ে ঢোকেতে থাকলাম
-উফফফফ আহ্হ্হঃ উহহহ্হঃ লাগছে ছাড়। -একটু লাগবে মা এক্ষুনি সব ঠিক হয় যাবে আমি আস্তে আস্তে করে পুরো ৬ ইঞ্চি র বাটপ্লাগ টা মার পাছায় ঢুকিয়ে দিলাম ,মা বালিশ এ মুখ গুঁজে শুয়েছিল । আমি কাজ সেরে সামনে এসে দাঁড়ালাম। আমাকে সামনে দেখে বললো -কিরে তুই এখানে ,তাহলে আমার পাছায় এখনো ব্যাথা করছে কেন ,কি করলি তুই !!!!!!! -কিচ্ছু না একটা স্পেশাল জিনিস ঢোকালাম ,তোমাকে স্পেশাল ভাবে চুদবো বলে। -কি ঢুকেছিস তুই ,এক্ষুনি বার কর ,উফফ আমার খুব লাগছে -না ,আজ আর বার করবো না তো আজ সারাদিন ওটা ওখানেই থাকবে কাল বারকরবো। -না না তুই এক্ষুনি বার কর আমার প্রচন্ড কষ্ট হচ্ছে আমি মা আর মুখ টা হাতে নিয়ে বললাম -মা আমার জন্য আজকের দিনটা একটু কষ্ট করতে পারবি না ,প্লিজ
মা আর কিছু না বলে মুখ ফিরিয়ে নিলো ,আমি দেখলাম মার সুন্দর বড়ো পরিষ্কার পাছা টার ফাঁকে একটা বড়ো fake ডায়মন্ড লাগানো কি সেক্সি যে দেখতে লাগছিলো বলে বোঝাতে পারবো না আমি ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলাম লাঞ্চ খাবার টাইম হয়ে গ্যাছে -চলো মা লাঞ্চ করি মার রাগ মনে হলো একটু কমেছে , উঠেই বসতে বসতে বললো -চল তারপর দারিয়ে একটা নাইটি পড়ে রান্নাঘরের দিকে যেতে থাকলো ,আর তখন আমি নোটিশ করলাম যে মা কেমন অদ্ভুত ভাবে হাটছে পাছাটা একটু বেন্ড করে পা দুটো একটু ফাক করে কিন্তু সত্তি বলতে খুব সেক্সি দেখতে লাগছিলো মার এই হাটা টা মা খাবার গুলো এনে টেবিল এ সাজাতে লাগলো আর আমি মার হাঁটাচলা দেখতে থাকলাম।
-এই খেতে আই আমি টেবিল এ গিয়ে বসলাম মা আমাকে খাবার বেড়ে দিয়ে , নিজে নিয়ে বসতে গেল চেয়ার এ -উউউউউউউউউ মাআআআআ আঃহ্হ্হঃ -কি হলো মা ! -কি আবার হবে কি সব ঢুকিয়ে রেখেছিস আমার পাছায় ,বসতে গেলাম আরো যেন ভেতরেই ঢুকে গেল মা টেবিলের উপর ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে রইলো -দাড়াও আমি আসছি আমি বেডরুম থেকে একটা নরম বালিশ নিয়ে চেয়ার টার উপরে রাখলাম -এবার বস আর লাগবে না মা আমার দিকে একবার তাকিয়ে বসলো আমরা লাঞ্চ খেতে শুরু করলাম আমি খেতে খেতে মার মুখের দিকে মাঝে মেঝেয় তাকিয়ে দেখছিলাম দেখলাম মার কষ্ট হচ্ছে কিন্তু মুখে কিছু না বলে খেয়ে যাচ্ছে, প্লেট ধোয়ার সময় আমি বললাম -তোমায় কিছু করতে হবে না আমি করছি মা উঠে গিয়ে মুখ হাত ধুয়ে সোফায় বসে TV দেখতে থাকলো কিছুক্ষন পর আমি দেখলাম মা বাথরুম যাচ্ছে -কি গো মা কি হলো বাথরুম যাচ্ছ কেন -আমার টয়লেট পেয়েছে আমি আর মা নরমালি বাড়ি থাকলে টয়লেট করার সময় বাথরুমের দরজা লক করি না আমি বাথরুম এ গেলাম
দেখি মা নিচে বসে টয়লেট করছে আর বাটপ্লাগ টা একটু একটু করে বাইরে বেরিয়ে আসছে -কি রে এখানেও চলে এসেছিস , যা বাইরে যা মা টয়লেট করা হলে বাইরে এলো --একটু দাড়াও মা -কি হলো আবার আমি মার ম্যাক্সি টা তুলে বাটপ্লাগ টাকে ঠিকভাবে ভিতরে ঢুকিয়ে দিলাম ,মা আমার দিকে একবার তাকিয়ে কিছু না বলে ড্রয়িং রুম এ চলেগেলো আমি ড্রয়িং রুম এ এসে মা কে বললাম -মা টয়লেট পেলে দাঁড়িয়ে করো -উফফফফফ কি যন্ত্রনা আর পারা যায় না তারপর কাছেও না বলে tv দেখতে থাকলো ,তারপর রাত হলে আমরা ডিনার করে আমরা শুতে গেলাম রাত কটা হবে জানি না দেখি মা আমায় ডাকছে -কি হলো মা ? -এই আমার না পটি পেয়েছে আমি ভাবলাম যা আমার পুরো প্ল্যান টা মাটি হয়ে যাবে। তারপর ভাবলাম না মা কে আর একটু যন্ত্রনা দেয়া দরকার -না পটি করতে যাবে না -কি বলছিস তুই ,আমার খুব জোরে পেয়েছে আর পারছি না -কিচ্ছু হবে না চেপে শুয়ে থাকো কাল সকালে যখন ওটা বারকরবো তখন যাবে -(কাঁদো কাঁদো মুখ করে ) প্লিজ তুই এরকম করিস না আমি পটটি করে এসার পর তুই আবার ওটা আমায় পরিয়ে দিস -না তুমি যাবে না বললাম তো মা আর কিছু না বলে আমার দিক থেকে অন্য দিকে মুখ ফিরিয়ে শুয়ে রইলো ,পরদিন 7 টা আমার ঘুম বাংলো দেখি মা ঘুমাচ্ছে আমি আসতে করে নেমে ফ্রেশ হয়ে নিয়ে ,বেডরুম এ এলাম দেখি মা ঘুম থেকে উঠে পড়েছে -কিরে কোথায় ছিলি তুই -বাথরুম গেছিলাম ফ্রেশ হতে -তাড়াতাড়ি বার কর আমার পাছার থেকে ওটা আমি মা কে পাস ফিরিয়ে বাটপ্লাগ টা বার করে নিলাম ,আর মা সঙ্গে সঙ্গে বাথরুম এ চলে গেল কিছুক্ষন পর ফ্রেশ হয়ে খাবার টেবিল এ এলো ,আমি বসে পেপার পড়ছিলাম -কি ঢুকিয়ে ছিলি তুই আমার পাছায় ? আমি বাটপ্লাগ টা মা কে দেখলাম -কি এটা? -এটাকে বাটপ্লাগ বলে -কোথাথেকে পেলি তুই এটা -কিনেছি তোমার জন্য -কাল সারাদিন আমার কি কষ্ট হয়েছে তুই জানিস আমি মা কে জরিয়ে ধরে একটা চুমু খেলাম বললাম -আমি জানি মা ,কিন্তু আমার জন্য তুমি একটু কষ্ট করতে পারবে না মা ,তাছাড়া কাল কিন্তু ওটা লাগানোর পর তুমি যে ভাবে হাটঁছিলে উফফ কি সেক্সি লাগছিলো তোমায় দেখতে বলে বোঝাতে পারবো এবার মার মুখে হাসি ফুটলো -(আমার কান মুলে দিয়ে )অস্বভ ছেলে একটা ,মার সম্মন্দে এই সব কথা বলতে লজ্জাও করে না -(আমি মা কে জড়িয়ে ধরে বললাম ) করে না কারণ সবার সামনে তুমি আমার মা ,আর সবার আড়ালে তুমি আমার বৌ ,গার্লফ্রেইন্ড,হট বম্বশেল আর বাকি সব -যা অস্বভ বলে আমাকে ঠেলে রান্না ঘরে চলে গেল -কিরে ব্রেকফাস্ট করবি তো -হয় ,কিন্তু মা আমি কিন্তু ব্রেকফাস্ট টা করার পর মিষ্টি খাবো -মিষ্টি ! মিষ্টি তো নেই রে ঘরে আমি রান্না ঘরে গিয়ে মা কে পেছন দিকথেকে জড়িয়ে ধরে বললাম -এই তো আমার মিস্টি -(হাসতে হাসতে ) সর অস্বভ একটা তারপর আমরা ব্রেকফাস্ট করে বেডরুম এ গেলাম মা ম্যাক্সি টা খুলে আগের রাতের বিনুনি করা চুল টা খুলে চুল আচড়াতে লাগলো আমি ছোট করে বাটপ্লাগ টা কে ভালো করে পরিষ্কার করে নিয়ে এলাম বেডরুম এ এসে দেখি মা শুয়ে আছে আমার হাতে বাটপ্লাগ টা দেখে মা বললো - কিরে আবার ওটাকে নিয়ে এসেছিস কেন -তোমাকে আবার জ্বালাবো বলে -তুই আবার ওটা আমার পাছায় ঢোকাবি -হা -না ,একদম না -মা প্লিজ ,একবার প্লিজ -উফফ আর পারা যায় না ,এ তো কোনো কথা শুনবে না ,বাজে ছেলে একটা এই বলে মা পেছন ফিরে শুলো আমি বাটপ্লাগ এ লুব্রিক্যান্ট লাগিয়ে maar পাছায় ঢুকিয়ে দিলাম ,আমি নোটিশ করলাম মার পাছার ফুটো টা অনেকটা বড়ো হয়ে গ্যাছে তাই এবার ঢোকানোর সময় মা আর যেকোনো কষ্ট হলো না জিনিস টা ইসিলি ভেতরে ঢুকে গেল আমি মা কে সিধে করে শোয়ালাম আর নিজে প্যান্ট খুলে ফেললাম -তুই কি এখন এই অবস্থায় আমায় করবি নাকি -ঠিক ধরেছো ,একদম ই তাই -না প্লিজ তুই করিস না আমি মোর যাবো -কিচ্ছু হবে না মার কিছু না বলে চুপ করে শুয়ে থাকলো আমি মার চুত চাটতে শুরু করলাম ,মার চুত টা খুব ভালো লাগছিলো দেখতে,পরিষ্কার শেভড চুত টার নিচের বাটপ্লাগ আর ডায়মন্ড টা কিছুক্ষন চুত চোষার পর যখন দেখলাম আমার বাড়া টা খাড়া হয়ে গ্যাছে আমি মা কে মিশনারি পজিশন এ এনে মার চুত এ বাড়া ঢোকালাম -উহ্হ্হঃষুফ্ফ্ফ্ফ্ফ্ফ্ফ আসতে কর লাগছে -কিহলো মা -খুব লাগছে -একটু লাগবেই এক্ষুনি ঠিক হয়ে যাবে আমি বাড়া ঢোকানোর সময় ফীল করলাম মার চুত টা একটু টাইট হয়েগেছে বাটপ্লাগ টা ঢোকানোর জন্য ,আমার খুব মজা লাগছিলো টেইট চুত এ বাড়া ঢোকাতে ওহ কি বলবো আলাদাই ফিলিং হচ্ছিলো আমি প্রথমে আস্তে আস্তে করলাম কিছুক্ষন, তারপর স্পিড বাড়ালাম মা ও আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে জোরে জোরে চেচাতে থাকলো তারপর যখন দেখলাম আমার হবে তখন আমি বাড়া তা চুত এর বাইরে এনে চুত এর ওপরে মাল ফেললাম -হয়েছে শান্তি তোর , বারকর ওটা এবার -আচ্ছা করছি আগে চলো স্নান করে আসি আমি আর মা এক সাথে স্নান করলাম ওই বাটপ্লাগ লাগানো অবস্থায় তারপর লাঞ্চ হলো তারপর সন্ধের দিকে মা কে বললাম -মা চলো বাটপ্লাগ টা খুলি -উফফ বাবা শান্তি ,কি যে কষ্ট হয়েছে আজ সারাদিন আমার আমি মা কে বেডরুম এ নিয়ে গেলাম মা ম্যাক্সি খুলে আমার দিকে পাছা টা করে শুলো আমি আস্তে আস্তে করে বাটপ্লাগ টা বাইরে বার করে নিলাম প্যান্ট খুলে আমার বাড়া এত মা এর পাছার ফুটোয় সেট করলাম -কি করছিস তুই -যার জন্য এত কষ্ট করলাম তোমাকে দিয়ে সেটা করব না -মানে -আমি বাটপ্লাগ টা ওখানে দিয়েছিলাম ই যাতে তোমার পাছার ফুটো টা বোরো হয়ে যাই আর আমার ইসিলি তোমার পাছায় আমার বাড়া ঢোকাতে পারি তাই। -মানে তুই এখন আমার পাছা চুদবি ? -হা -না ,আমার খুব লাগবে -কিচ্ছু লাগবে না দ্যাখো -আমি কথা না বারিয়ে একটু লুব্রিক্যান্ট নিজের বাড়ায় লাগলাম আর একটু মার পাছার ফুটোয় আঙ্গুল ঢুকিয়ে লাগিয়ে দিলাম আমি নোটিশ করলাম আমি মা এর পাছায় আঙ্গুল ঢোকানোর পর ও মা একটু ও চেচালো না তারপর আমি আর সময় নষ্ট না করে নিজের বাড়া টা মা এর পাছার ফুটোয় সেট করে হালকা করে পুশ করলাম স্মুথ ভাবে আমার বাড়ার অর্ধেকটা ঢুকে গেল আর মা একটুও চেচালো না -কি গো মা কেমন লাগছে ? -উমমমমম খুব একটা লাগছে না কিন্তু -তাহলে কোনো এত কষ্ট দিলাম এবার বুজলে তো -আচ্ছা আর কথা না বলে যা করবিi কর তাড়াতাড়ি আমাকে আবার ডিনার বানাতে হবে আমি আস্তে আস্তে আমার পুরো বাড়া টা মা এর পাছার ফুটোয় ঢুকিয়ে দিলাম মা আস্তে আস্তে উফফফ উমমমম করতে থাকলো আর কোমর নাচিয়ে পাছা টা কে আরো উঁচু করে আমার বাড়ার সাথে লাগিয়ে দিতে থাকলো আমি বুঝলাম মা যতোই মুখে না বলুক ভালোই এনজয় করছে 15-16 min পর আমি স্পিড বাড়ালাম আর পুরো মাল টা মা এর পাছায় ভিতরে ফেললাম। -ওওওঃ আজ হাব্বি এনজয় করলাম -হা আমাকে কষ্ট দিয়ে তো তুই এনজয় করিস -কোনো মা তোমার ভালো লাগছিলো না -(সোজা হয়ে উঠে বসতে বসতে ) না -মা সত্তি বলো না , ভালো লাগে নি তোমার ? মা কোনো কিছু না পরেই খাট থেকে নেমে বাথরুম এর দিকে যেতে লাগলো হাত দিয়ে কোমর অবধি লম্বা চুলের খোঁপা করতে করতে ,আমি মা এর হার্ট shape এর পাছা টা কে দেখছিলাম হাঁটার সাথে সাথে কি সুন্দর ভাবে ওঠা দুলছে আর আমার ফেলা মাল মা এর পাছার ফুটো দিয়ে গড়িয়ে পড়ছে ,মা বাথরুম ই ঢোকার আগে আমার দিকে তাকেই আকবর হাসলো আর জীব ভাঙলো আমি বুঝলাম মা ও খুব এনজয় করেছে আজ মুখে নাই বলুক আমি ও ল্যাংটো অবস্থায় বাথরুম এর কাছে গেলাম দেখি দরজা খোলা মা শাওয়ার খুলে স্নান করছে আর মা এর সারা গা দিয়ে জল চুঁয়ে পড়ছে এই দেখে আমার বাড়া তো আবার শক্তও হয়ে গেল | -কিরে আবার কি চাই ? আমি কিছু না বলে শুধু মা কে দেখতে থাকলাম -হুমম বুঝেছি কি চাই আমি কিছু না করে দাঁড়িয়ে রইলাম -আই ভেতরে আই মা এই কথা বলার পর আমার তো আর আনন্দের শেষ রইলো না আমি ভেতরে ঢুকতে যাচ্ছি এই সময় মা বললো -আসার আগে তোর ওই বাটপ্লাগ টা নিয়ে আসিস তো ,তোর বাবা তো কালকে আসবে আমাকে ph করেছিল তারপর কি কি হলো সেটা আরেক গল্প।
......সমাপ্ত......
|
0 comments:
Post a Comment