লেখক:momloverboy
অনেকদিন আগের ঘটনা, সেবার ঠিক হলো আমি আর আমার মা, বাবার সাথে আমার মামাবাড়ি যাব। আমার মামাবাড়ি গ্রামে, মামাদের বিজনেস আছে, খুব ই রিচ ফ্যামিলি। আমি তো খুব এক্সাইটেড অনেকদিন পর কলেজ ছুটিতে মামার বাড়ি যাব। মায়েদের প্যাকিং সব যখন তৈরি, হঠাৎ বাবা বলল যে, "আমি যেতে পারব না, অফিসের কাজ পড়ে গেছে, তোমরা ঘুরে এসো।" তাই সেই মতো আমরাও ট্রেনে চেপে বসলাম। যেতে যেতে আমার মাথায় মাকে চোদার প্ল্যান এল। একবার ভাবলাম না বাড়িতেই করা ভালো, বাইরে প্রবলেম হতে পারে। পরে ভাবলাম রিস্ক না নিলে এসবের মজা কোথায়, তাই আমি প্ল্যান বানানো শুরু করলাম। ঠিক সময়ে আমরা আমাদের গ্রামের স্টেশনে পৌঁছে গেলাম, মামা আমাদের রিসিভ করতে এল। মামাবাড়ি পৌঁছে মামা, মামী আর তাদের ছেলেমেয়েরা খুব আনন্দিত হলো আমাদের দেখে। প্রথম দুই দিন এইভাবেই কেটে গেল, তারপর একদিন সকালে বড়মামা বলল, "চল তোকে আমাদের নতুন তেল কল টা দেখিয়ে নিয়ে আসি।" আমি বললাম, "চল।" তেল কল টা বাড়ির থেকে ৩-৪ মিনিট হাঁটা পথে। গিয়ে দেখলাম বড় বড় মেশিনে সরষের তেল তৈরি হচ্ছে আর বড় বড় ড্রামে রাখা হচ্ছে। মামা আমায় সব ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখালো। আমি তখন দেখলাম একটা বড় হল ঘরের মতন যেটায় তেলের ড্রামগুলো রাখা হয়। মেঝেটা পরিষ্কার আর কোথাও তেলচিটে নেই কারণ তেল কলটা নতুন। আমার মাথায় তখনই বুদ্ধি এল মাকে এখানেই মারবো। আমি বাড়ি ফিরে রাতের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম। রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে আমি মায়ের ঘরে এলাম। মাকে ডাকতেই কিছুক্ষণ পর মা উঠে পড়ল। মা: কিরে তুই কিছু চাস নাকি? আমি: মা আমি তোমায় চাই। মা: তোর মাথা খারাপ হয়েছে? বাড়িতে ভর্তি লোক, সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে। আমি: এখানে না। মা: তাহলে? আমি: তুমি এসো না আমার সাথে। মা: আগে বল কোথায়? আমি: মামার নতুন তেল কল হয়েছে সেখানে। মা: না ঈশশ নোংরা জায়গা, আমি পারব না। আমি: মা প্লিজ চলো না, আচ্ছা তোমার পছন্দ না হলে চলে এসো। তারপর আমি মাকে তৈরি হতে বলে তেল কলের চাবি যে ড্রয়ারে থাকতো সেখান থেকে চুরি করলাম। দেখি মা একটা শাড়ি পরে দাঁড়িয়ে আছে। আমি মাকে নিয়ে পেছনের গেট দিয়ে বেরোলাম। রাস্তাটা অন্ধকার ছিল, আমি মায়ের হাত ধরে মোবাইলের ফ্ল্যাশ জ্বালিয়ে তেল কলের সামনে এলাম আর চাবি দিয়ে গেটটা খুললাম। আর সেই ঘরটায় নিয়ে গেলাম। দেখলাম ঘরটায় লাইটের ব্যবস্থা আছে, সুইচ অন করতেই একটা টিউব লাইট জ্বলে উঠলো। আমি: মা দেখো ঠিক আছে? মা: কিন্তু কোথায় করব? আমি: দাঁড়াও ব্যবস্থা করছি। আমি কয়েকটা প্লাস্টিক শিট আনলাম আর জায়গাটাই ভালো করে পেতে দিলাম। আমি: চলো মা শুরু করা যাক। মা: কি করছিস তুই, কেউ যদি চলে আসে? আমি: উফ কেন এত ভয় পাও বলতো? কেউ আসবে না, আমি গেটে তালা দিয়ে দিয়েছি। তারপর মাকে কিস করতে শুরু করলাম আর মা আমার জামা প্যান্ট খুলতে লাগলো। আমিও মায়ের কাপড় খুলিয়ে দিলাম। তারপর ভাবলাম আর একটু কিছু করা যাক। আমি একটা মগ দেখলাম আর ড্রাম থেকে কিছুটা সরষের তেল বের করলাম। মা: এটা নিয়ে কি করবি? আমি: তোমাকে তেল মাখাবো। মা: না ঈশশ একদম এসব করবি না।
আমি মায়ের কোনো কথা না শুনে পুরো মগটা গায়ে ঢেলে দিলাম। উফ কি লাগছিল মায়ের গায়ে। আমি মাকে চটকাতে শুরু করলাম আর মায়ের সারা গায়ে তেল লেগে গেল। খাঁটি সরষের তেলের ঝাঁঝ আর মায়ের ল্যাংটো শরীর, আমি আর কন্ট্রোল করতে পারছিলাম না। মাকে মাটিতে শুইয়ে চটকাতে শুরু করলাম। আমি আর মা তখন তেলে মাখামাখি। আমি মায়ের পা দুটো শক্ত করে ধরে তেল ঝরা গুদে ধোন ঢুকিয়ে দিলাম। একবারেই পুরোটা ঢুকে গেল। কিছুক্ষণ মিশনারি পজিশনে মারার পর মাকে কোলে নিলাম আর থাপ মারতে থাকলাম। মায়ের তেল মাখানো শরীর থেকে ঝাঁঝালো সরষের তেলের গন্ধ, উফ কি আর বলবো, মনে হলো আমি স্বর্গে আছি। সেদিন মায়ের ৫ বার চুত মেরেছিলাম। শেষে মা বলল: মা: তুই এতবার করতে পারিস জানতাম না তো। আমি: তোমাকে যা লাগে না, চাইলে এখনো আরও ৫ বার করতে পারি। তারপর আমি কয়েকটা খবরের কাগজ নিয়ে এলাম আর মায়ের আর আমার গায়ের তেলগুলো মুছে নিলাম। তবুও চ্যাটচ্যাট করছিল। আমি সব ঠিকঠাক করে গুছিয়ে তেল কলের তালা বন্ধ করে বাড়ি ফিরে এলাম। তারপর আমরা মামার বাড়ি ফেরে, আমরা যে যার ঘরে চলে গেলাম। পরদিন সকালে আমি মামাদের সাথে ওদের ধানের গোলায় গেলাম , চারি পাশে অনেক সুন্দর সুন্দর জায়গা ঘুরলাম , মা মামার বাড়িতেই ছিল ওখানের লোকজন দেড় সাথে গল্প করে সময় কাটাতে লাগলো। দুফুর বলা ওই 1 টা সময় আমি ফিরে এলাম , ওখানে মামাদের ছেলে মেয়ে রা ছিল ওদের সাথে খেলা করতে থাকলাম , মামী রা বললো যে স্নান করে খেয়ে নিতে , আমি ওদের বাথরুম এ গেলাম। বাথরুম টা বাড়ির বাইরে , মানে বাড়ির দালান তার বাইরে , আগেরকার দিনের বাড়ি তে যেমন হতো, আমি গিয়ে দেখি বাথরুম টা অনেক বড়, ভিতরে একটা টিউব কল আছে, আর একটা বিশাল বড় চৌবাচ্চা , প্রায়ই আমার কোমর সমান উঁচু , পরিষ্কার জল, আর প্রায় 8 ফুট মতো লম্বা হবে, আমি খুব মজা করে চান করলাম। ঘরে ফিরে দেখি মা মামী রা সব দুফুর এর খাবার এর আযোজন করছে , মামা রাও সব চলে এসেছে আমাকে দেখে মা বললো - কি রে এতক্ষন লাগে তোর স্নান করতে - অরে এত সুন্দর ঠান্ডা জল তাই একটু সময় লেগে গেল - তোর জন্য কতক্ষন বসে আছে সবাই বড়মামা আমার পশে বসেছিল আমি জিগেশ করলাম -মামা বাথরুম টা কি নতুন বানিয়েছো গো - হ্যাঁ রে, আগে তো সেই পুরোনো দিনের মতো ছিল , কুয়ো দিয়ে জল তুলে স্নান করতে হতো , এবার আমাদের তো কোনো সমস্যা নেই , তোর মামী দেড় তো আর হবে না তাতে, আর তোর বোন ও বড় হচ্ছে তাই পাকা পাকি ভাবেই বানিয়েদিয়েছি যাতে কোনো সমস্যা না হয়। আমি খেতে থাকলাম , সবাই গল্প হাসি ঠাট্টা করতে করতে খেতে তাকলো । তখন আমার মাথায় একটা প্ল্যান এলো , ভাবলাম দেখি মা কে রাজি করতে পারি কি না আজকে দুফুরে।
খাওয়া দাবার পাট চুকতে সবাই একটু ঘুমাতে চলে গেল , মামা রাও সবাই এই সময় বাড়ি তে ঘুমায় বিকেলের দিকে আবার কাজে যায়। এবার মা আমার ঘরে এলো দুফুরে ঘুমাতে, আমাকে আর মা কে একটা ঘর দিয়েছিলো ওরা আলাদা করে, মা এসে ঘরে দরজা বন্ধ করে খাটে এসে চুলের খোঁপা টা খুলে শুলো, আমি চেয়ার এ বসে ফোন ঘাঁটছিলাম , মা এর পাশে এসে মা কে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে বললাম - কি গো মা , তুমি তো আমাকে পাত্তাই দিচ্ছ না কাল থেকে। - সর, কাল যে করলি তুই , আমার তো ভয় ঘুম ই আসছিলো না ভাগ্গিস কেউ টের পারি নি , হলে কি হতো বল তো - আচ্ছা তুমি এত ভয় পাও কেন, আমি তো সব কিছু ঠিক করেই তোমাকে বলবো , আমি কি চাই যে আমাদের ব্যাপারে কেউ কিছু জানুক - ঠিক আছে ছাড় এখন, শুতে দে , কেউই শুনতে পেলে প্রব্লেম হবে। - মা শোনো না মা আমার দিকে ঘুরে শুলো - আবার কি হয়েছে তোর - তুমি মামাদের বাথরুম ই চৌবাচ্চা টা দেখেছো - হ্যাঁ কি হয়েছে আবার - মা , আমার খুব শখ তোমার সাথে ওটার ভিতরে গিয়ে করবো মা উঠে বসে পড়লো - তুই কি পাগল টাগল হয়ে গেছিস নাকি। - চলো না মা - সর তুই , বাড়ি ভর্তি লোক , কেউ যদি একবার জানতে পারে , লজ্জায় আমার মাথা কাটা যাবে আমি আর কখনো আস্তে পারবো আমার বাপের বাড়ি - মা কেউ জানবে না, এখন সবাই ঘুমাচ্ছ,আর বাথরুম তো বাড়ি র বাইরে এত আওয়াজ বন্ধ দরজা দিয়ে যাবে না , চলো না - না - মা প্লিজ, আমার এই শখ টা পূরণ করে দাও , কবে আবার আসতে পারবো জানি না, চলো না । মা কিছুক্ষন ব্যাজার মুখে বসে রইলো তারপর উঠে চুলে খোঁপা করতে থাকলো , আলনা থেকে গামছা দুটো নিলো - চল , আর কি ছেলের ইচ্ছা পূরণ করতে যে আর কি কি সহ্য করতে হবে কে জানে , চল আমি এক লাফে উঠে পড়লাম , ঘরে ফ্যান টা চালিয়ে রাখলাম যাতে পাশ দিয়ে গেলে কেউই সন্দেহ না করে যে ঘরে কেউ নেই। আমি যাওয়ার সময় পা টিপে টিপে গেলাম দেখলাম, সব ঘর থেকে নাক ডাকার আওয়াজ আসছে , মা সবার প্রথম এ বাথরুম এ ঢুকলো তারপর আমি কিচ্ছুক্ষন পর ঢুকলাম । ঢুকে দরজা টা দিয়ে আমি মা কে লিপকিস করলাম, মা ও আমাকে আটকালো না আমি মা এর ম্যাক্সি টা খুললাম , মা আমার প্যান্ট আর জামা টা খুলে রাখলো। তারপর প্রথম এ আমি নামলাম চৌবাচ্চায় , দেখলাম সত্যি প্রায় আমার হাটু পর্যন্ত জল ওটায়। এর পর মা এর হাত ধরে মা কে নামালাম, মার প্রায় কোমর পর্যন্ত জল । - কর কি করবি তাড়াতাই কর আমি চৌবাচ্চা এ লম্বা হয়ে শুয়ে পড়লাম - মা আমার ওপরে শোও মা আমার কাঁধে হাত দিয়ে শক্ত করে ধরে শুয়ে পড়লো আমার ওপরে, আমি মা এর পাছা আর কোমর টা দুই হাতে জড়িয়ে ধরে লিপকিস করতে শুরু করলাম। ও কি বলবো ঠান্ডা জল, নিস্তব্ধ দুফুর , গরম দুটো শরীর দুজন দুজন কে জড়িয়ে একে অন্যের জিভ নিয়ে খেলা করছে , আর তারা কেউ না মা আর তার নিজের ছেলে, তাও আবার মা এর বাপের বাড়ি তে । আমার ধোন বাবা তো শক্ত হয়ে টং , মা এর হাতে দিলাম , মা আমার ঠোঁট থেকে মুখ না সরিয়ে ওটা কে নিয়ে খেচতে থাকলো , কিছুক্ষন পর মা কে বললাম - মা , ওপরে বস মা আমার দিকে ঘুরে আমার অর্ধেক জলে ডোবা বাড়ার ওপরে নিজের চুত টা সেট করে উপর নিচে করতে থাকলো, আর সারা বাথরুম থপ থপ শব্দে ভরে গেল। - ও মা গো কি মজা লাগছে গো - তাই , কর বাবা তাড়াতাড়ি - হ্যাঁ মা করি করি উফফফ বন্ধু রা , আমার অধেক শরীর টা জলে ডোবা, কান দুটো জলের তলায়, আমার অর্ধেক জলে ডোবা বাড়ার ওপরে মা ওঠ বোস করছে , এতে যদি শরীর এর সুখ না বলে তাহলে আর কি আছে আমার জানা নেই, মা এরকম করতে থাকলো , একসময় দেখি মা এর স্পিড কমে আসছে। কিন্তু আমার হওয়ার নাম নেই। - কি রে হলো তোর - হলে তো বুজতে পড়তে মা - কর তাড়াতাড়ি আমি আর পারছি না আমি দেখলাম মা হাপাচ্ছে , আমি মা কে বললাম - মা doggy হতে পারবে ? - এখানে ??? দারা দেখছি মা উঠে দাঁড়ালো আমি মা এর নিচ থেকে বেরোলাম , মা doggy পোজিশন এ এলো দেখলাম মায়ের চুত টা জলের তলায় চলে গেছে , মা এর প্রায় চিবুকের কাছে জলের লেভেল , - মা রেডি তো - কর কর তাড়াতাড়ি আমি বাড়া টা মা এর জলে ডোবা চুত এ সেট করলাম আর ঠাপ মারা শুরু করলাম মা এর কোমর ধরে। ওরে বন্ধু রে , এ যে কি অভিজ্ঞতা বলে বোঝানো যাবে না, তোমরা যদি পারো একবার অন্তত ট্রাই করে দেখো । মা উহ্হঃ উমমম করতে থাকলো আর বাথরুম এর জলের ছপ্ ছপ্ ছপ্ ছপ্ শব্দর সাথে আমার থাই এর সাথে মা এর পোদের ধাক্কা র আওয়াজ , মা এর অর্ধেক পর্যন্ত জলে ডোবা শরীর , অর্ধেক পাছা আর পিঠ যেটা জলের ওপরে আছে তাতে জলের বিন্দুর যাওয়া আশা , এই দৃশ্য কেউই কোনোদিন কল্পনা করতে পারবে বলে আমি মনে করি না, আমি শেষের দিকে স্পিড বাড়িয়ে পুরো মাল টা মা এর চুত এ ঢাল্লাম , বাড়া টা চুত থেকে বার করার পর মার চুত থেকে আমার ঢালা মাল বের হয়ে জলে ভাসতে থাকলো । আমি মা কে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে উপরে তুললাম, মা র ও প্রায় পাগল পাগল অবস্থা , সে হাপাচ্ছে - ওরে বাবা রে কি করলি তুই এটা, আমার জীবনে প্রথম বার এরকম ভাবে কেউ করলো আমার সাথে - মজা পেলে তাহলে মা আমার ঘাড়ের ওপরে হাত দিয়ে আমাকে লিপকিস দিলো একটা লম্বা , তারপর বললো - সত্যি রে আমি আগে কোনোদিও এরকম মজা করি নি - তাই , তাহলে আর রাগ নেই তো মা মুচকি হেসে বললো -এবার চল অনেক টা টাইম হয়ে গেল আমি প্রথম এ চৌবাচ্চা থেকে বেরিয়ে মা কে বার করলাম , তারপর দুজন গা মুছে জামা কাপড় পড়লাম , প্রথম এ মা বেরোলো তার 5 মিনিট পর আমি বেরোলাম । দেখলাম এখনো সবাই ঘুমাচ্ছে কেউই ওঠে নি। আমরা চুপ চাপ আমাদের ঘরে ঢুকে দরজা দিয়ে দিলাম । তারপর মা কে কোলে তুলে খাটে ফেললাম - মা , এই বারের মামার বাড়ি আসা টা মনে থাকবে সারা জীবন - তাই না অস্বভ ছেলে আমার , নিজের মা এর বাড়িতে এসে মা এর সাথে এসব করলো - মজা পেলে না মা আমার কানের লতি তে কামড় দিয়ে - খুব
|
0 comments:
Post a Comment