পর্ব:০৫
ঈশা : ভাইয়া তোমাকে কে কল দিয়েছে ফোন বাজতেছে
বুলেট তার বোনকে আদর করতে করতে হুস নাই।
বুলেট : এই সময় আবার কে কল দিলো।
মাসিমার সাথে কথা বললাম। আম্মু বিকেলে আসবে আমাকে নিয়ে আসতে হবে।আমি মনে মনে ভাবলাম ঈশাকে চোদা সহজ হবে মা যতই হোক সে আমার আপন বোন। আম্মুর সাথে তো আরও কঠিন হবে কারণ মা ছেলের পবিত্র সম্পর্কে এসব সম্পর্ক হয় না।তবুও আমি চেষ্টা করবো।
আমি: ঈশা বোন দুপুর হয়ে গেছে যাও গোসল করে আসো।
ঈশা আর আমি গোসল করে এসে খাবার খেলাম।
তারপর ঈশার ঘরে বোনকে বুকে জড়িয়ে ধরে ঘুম দেওয়ার চেষ্টা করছি। বোনের নরম দুধের ও শরীরের উষ্ণতা পেয়ে আমার ঘুম চলে আসল।আমি ওর ঠোঁটে ও কপালে চুমু দিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম।
বিকেল বেলা ঈশা আমাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে দিল।বমি ফ্রেশ হয়ে আম্মুকে নিতে গেলাম আমার বাড়ি থেকে খালাম্মুর বাসায় যেতে ৩০ মিনিট লাগে।
আমার মাসিমা
আম্মুর থেকে ৭ বছরের ছোট। একটি মেয়ে আছে একদম কচি। ১০ম শ্রেণির ছাত্রী। খালু বিদেশ থাকে কফি শপে কাজ করে।
মাসিমার বাসায় পৌঁছানোর পর খালাম্মু বললো তোমরা মা বেটা বসো আমি নুডলস নিয়ে আসছি।আমি আম্মুকে রেখেই রান্না ঘরে গেলাম। গিয়ে খালাম্মুকে পেছন থেকে জরিয়ে ধরে আমার বাঁড়া দিয়ে চেপে ধরলাম।
এক হাত দিয়ে ঘাড়ের চুল গুলো সরিয়ে চুমু দিলাম ও এক হাত দিয়ে পাছার উপর হাত দিয়ে টিপতে লাগলাম।
মাসিমার নাম আঁচল।
আঁচল : উমম্ উম্ আহ্ আহ্হ্ বাবু ছাড়ো কী করছো ছাড়ো
আমি তোমার মাসিমা । তুমি আমার ছেলের মতো। সত্য বলতে আঁচলের খুব মজা লাগছে বুলেটের আদর পেয়ে।
বুলেট : মাসিমা তুমি এত সুন্দরী কেন তোমাকে দেখলেই আদর করতে ইচ্ছে করে।
আঁচল : ওরে আমার নাগর রে এতদিন আদর কই ছিল।
বুলেট : এত ভালোবাসা সব জমিয়ে রেখেছি তোমার জন্য।
তোমাকে আদর দেবার সময় এসে গেছে।
মাসিমা: তোর কী মাথা ঠিক আছে। কাকে কী বলছিস।আমি তোর মাসিমা। ভুলে গেছিস নাকি।
আমি: মাসিমা তোমার দুটি পায়ে ধরি প্লিজ আম্মুকে তুমি এসব বলো না।আমাকে মাফ করে দাও মাসি মা।
আঁচল মনে মনে খুশি হয় তার বোনের ছেলে কতটা লাজুক।
তারপর আমি রান্নাঘর থেকে বের হয়ে আম্মুর সাথে নাস্তা করলাম। নাস্তার পরে আম্মু ও আমি বাড়ির দিকে রওনা দিলাম। আম্মুকে বললাম
আমি: আম্মু চলো কোথাও ঘুরতে যাই।
আম্মু : কোথায় যাবি আগে বল
আমি: আমি এক নিরিবিলি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জায়গা চিনি সেখানে চলো।
আমি আম্মুকে একটা পতিত রিসোর্টে নিয়ে গেলাম। সেখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে যেন আম্মু মুগ্ধ হয়ে গেল।আশেপাশে প্রেমিক প্রেমিকারা সফট রোমান্স করছিল।আম্মু আমাকে বললো তুই এই জায়গা চিনলি কীভাবে?
আমি : আমার বন্ধু তার প্রেমিকা নিয়ে এখানে আসে মাঝেমধ্যে। ওর মাধ্যমে জানতে পেরেছি।
আম্মু : তোর বন্ধু জিএফ নিয়ে আসে আর তুই আমাকে নিয়ে এসেছিস।নিজের আম্মুকে।
আমি: আম্মু জানো আমার চোখে দেখা সবচেয়ে সুন্দরী ও পবিত্র মেয়ে তুমি।তুমি ছাড়া আমার আর কোনো মেয়ে ভালো লাগে না।আমি যখনই কোনো মেয়েকে পটানোর চেষ্টা করেছি তখনই তোমার মায়াবী চোখ দুটো রিদয়ে ভেসে ওঠে। আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি আম্মু। আমি তোমার জন্য আমার জীবনটাও দিয়ে দিতে দ্বিতীয় বার ভাববো না।
সাবিত্রী নিজের ছেলের মুখে তার প্রসংশা শুনে মুগ্ধ হয়ে গেল।
সাবিত্রী : ছেলের মুখে আঙুল দিয়ে বললো প্লিজ বাবু এমন কথা বলিস না
তুই ছাড়া আমার জীবনে আর কে আছে যে আমার খেয়াল রাখবে।
তোর আব্বু অনেক রাত হয়ে নেশা করে আসে পাগলের মতো ঘুমাই।আমার কোনো খেয়াল রাখে না।
আমি: আম্মুর বাম কাধে হাত রেখে ডান হাত দিয়ে ডান দুধের ওপর রেখে আম্মুর ঠোঁটের ওপর ঠোঁট রেখে চুমু দিতে থাকলাম।
আম্মু আমার হামলার জন্য মোটেও প্রস্তুতছিল না।তবুও সমান তালে সাড়া দিচ্ছিল।আমি আম্মুর দুধ টিপছিলাম। মায়ের দুধ গুলো ভিষণ গরম যা ব্লাউজ শাড়ি ভেদ করে বের হয়ে আসছিল।
আম্মুর ঠোঁট দুটো গোলাপি পাপড়ির মতো।নরম ও গরম।
আমি এবার আম্মুকে পাগলের মতো চুষতে শুরু করলাম।
এক হাত আম্মুর পাছায় ও এক হাত দিয়ে দুধের ওপর রাব করছি।
আম্মু : আহ্ আহহ্ উম্ উমম্ বাবু কী করছিস সোনা। পাগল করে দিবি নাকি নিজের মাকে।
আমি : আর শক্তি দিয়ে জড়িয়ে ধরলাম আম্মুকে। আম্মুর পাছার উপর হাত দিয়ে টিপতে লাগলাম।
আম্মু : আহহ্ আহহহহহ উমমম্ উমমম্ আমার আব্বা বাজান তুই কী করছিস আহহ্
সাবিত্রী নিজের ছেলের আদরের জন্য ঠিক মতো কথা বলতে পারছিল না।
বুলেট: আম্মু তুমি ভিষণ সেক্সি মাল তোমাকে শুধু আদর করতে ইচ্ছে করে। আজকে শাড়ী পরে তোমাকে খুব সুন্দরী লাগছে।
সাবিত্রীকে কেউ এভাবে আদর করে নি তাই এমন আদর পেয়ে গুদে রস থইথই করছিল।
বুলেট বাঁড়া মহারাজের সাথে আম্মুকে চেপে ধরে
আম্মু : আহহ্ আহ্ আহ্হ্ বাবু ছাড় কী করছো নিজের আম্মুকে আহহহহ আহ্ আহ্হ্ উম্ আহ্
বুলেট নিজের আম্মুর গুদের সাথে বাড়াটা ঘষতে লাগলো কাপড়ের ওপর দিয়েই।
আম্মু নিজের গুদের সাথে ঘর্ষণ খেয়ে
আম্মু : আহ্ আহ্হ্ উম্ আহ্ আহ্হ্ বাবু সোনা আহ আহহহ্
সাবিত্রী নিজেকে সংযত রাখতে পারছিল না। মনে হচ্ছিল এখানেই সব খুলে ছেলের বাঁড়া দিয়ে চোদা খেয়ে শান্ত হতে।
আম্মু : খানিকর ছেলে এখানেই সব করবি নাকি আহ্ আহ্হ্ চল বাসায় চল। তোর স্বভাব চরিত্র এত খারাপ কেন তোর সাথে আমি আর কোথাও ঘুরতে যাবো না।আমি আম্মুর রাগান্বিত কতা শুনে ছেড়ে দিলাম।আম্মু ও আমি দুজনেই হিপতেছিলাম।আমি মনে মনে এত তাড়াহুড়ো করে এমন করা ঠিক হয়নি সে তো আমার আম্মু।
আমি: সরি আম্মু প্লিজ আমাকে ক্ষমা দেন।আমার চোখ দুটো জল জল করছিল।
চলবে..... |
0 Comments