পর্ব - ০৮ লেখা - আসফিয়া রহমান
-------------------- “আপনার একটা সম্পর্ক আছে, শুভ্র।
আপনি কি জানেন, আমি সেটা জানি...?”
শুভ্রর মুখে থেকে হাসিটা মিলিয়ে গেল ধীরে। বাতাসটা থেমে
গিয়ে গুমোট আবহাওয়া তৈরি হলো মুহূর্তেই। আকাশে তখন
কেবলই দৃশ্যমান হয়েছে শুকতারা।
কিছুক্ষণ নীরব থাকার পর শুভ্র ধীরে ধীরে বলল,
“হ্যাঁ, আছে... তবে ছিল বললেই ভালো হবে হয়তো। কিছু
সম্পর্ক থাকে না? শুধু টিকে থাকার নামেই বেঁচে আছে?
আদতে তাতে প্রাণ থাকে না, অনিন্দিতা। আপনি কি কখনো
এমন কোনো সম্পর্কের ভেতরে থেকে নিঃশ্বাস নেওয়ার চেষ্টা
করেছেন, যেখানে প্রতিটি নিঃশ্বাসই শ্বাসরুদ্ধ করে?”
অনিন্দিতা চুপ। বুকের ভেতরে কোথাও যেন একটা কাঁটা বিঁধে
গেল তীব্রভাবে। তবু নিজেকে শক্ত করল ও,
“তার মানে এই নয় যে, আপনি অন্য কারো সাথে নতুন সম্পর্ক
শুরু করতে চাইবেন, শুভ্র। ভালোবাসা একটা দায়িত্বও বটে।”
শুভ্র এবার অনিন্দিতার একদম সম্মুখে এসে দাঁড়ালো। গভীর
চোখদুটোয় যেন অনুরোধের সঙ্গে মিশে আছে তীব্র যন্ত্রণা,
“দায়িত্ব আমি বুঝি, নন্দিতা। কিন্তু ভালোবাসা যদি কেবল
দায়িত্বের খাতায় থেকে যায়, তবে সেটা ভালোবাসা নয়,
বন্দিত্ব।”
অনিন্দিতা কিছু বলতে পারল না। মৃদু বাতাসে সারা শরীরে
একটা অদ্ভুত কাঁপুনি ছড়িয়ে পড়েছে ওর। খোলা চুলগুলো
অবাধ্যভাবে উড়ে এসে মুখ ঢেকে দিচ্ছে বারবার। শুভ্রর দৃষ্টি
একদৃষ্টে থেমে আছে সেখানে।
দুজনের মাঝে কিছুক্ষণের জন্য নেমে এলো কঠিন নিস্তব্ধতা।
তারপর সেই কঠিন নিস্তব্ধতা ভেঙে শুভ্রর ফিসফিসে কাতর
কন্ঠস্বর ভেসে এলো আবার, "আমায় আপনি ফিরিয়ে দেবেন,
মেঘফুল?"
অনিন্দিতা নিঃশব্দে চোখ তুলল।
আকাশে তখন গোধূলির শেষ আলো মিলিয়ে গিয়ে ছড়িয়ে
পড়েছে রাতের গাঢ় নীল অন্ধকার। দূর থেকে নাম না জানা
কোনো এক পাখির হঠাৎ ডাকের শব্দ থেমে থাকা
নিস্তব্ধতাটাকে আরও ভারী করে তুলল আচমকাই।
“ফিরিয়ে দেব?” মৃদু স্বরে জিজ্ঞেস করল অনিন্দিতা, “কাকে
ফিরিয়ে দেব আমি, শুভ্র? আপনাকে… না আপনার বলা
কথাগুলোকে?”
শুভ্র কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল, চোখদুটোয় অব্যক্ত ক্লান্তি নিয়ে।
“দুটোই যদি আমার অংশ হয়, তাহলে কাকে বাঁচাবেন,
নন্দিতা?”
অনিন্দিতা দৃষ্টি সরিয়ে নিল ওর চোখ থেকে। বুকের ভেতর
অদ্ভুত আকর্ষণের এক তীব্র টান তৈরি হচ্ছে, কিন্তু... এটা হতে
দেওয়া যাবে না।
“সবকিছুর একটা সীমা আছে, শুভ্র,” অনিন্দিতার কণ্ঠস্বর
প্রায় নিঃশব্দ, “সেই সীমা পেরিয়ে গেলে ভালোবাসাও অন্যায়
হয়ে যায়।”
শুভ্রর আশ্চর্য হয়ে তাকালো এবার, “ভালোবাসা কখনও
অন্যায় হতে পারে, নন্দিতা?”
অনিন্দিতা থেমে গেল। কণ্ঠস্বর আটকে গেল গলায়। তারপর
ধীরে ধীরে বলল, “যখন সেটা কাউকে আঘাত দেয়… তখন
পারে।”
এক মুহূর্তেই শুভ্রর চোখের ভেতর জ্বলজ্বল করতে থাকা
আশার আলোটা নিভে গেল ধপ করে। ওর মুখে ছায়া পড়ল
তীব্র অন্ধকারের, কোনো প্রতিবাদ এলো না ভেতর থেকে।
অনিন্দিতা মানুষটার নত মুখটায় চেয়ে মৃদু কাঁপা কণ্ঠে
জিজ্ঞেস করল, “আপনি কী চাইছেন, শুভ্র?”
শুভ্র আরো দুকদম এগিয়ে এসে মাঝের সব দূরত্ব ঘুচিয়ে
ফেলল। যতটা কাছে এসে দাঁড়ালে সামনে থাকা মানুষটার
হৃদস্পন্দনের শব্দ শোনা যায় স্পষ্ট, ঠিক ততটা কাছে এসে
দাঁড়ালো। অনিন্দিতার হৃদস্পন্দন আরো দ্রুত হয়ে উঠলো।
নাহ! এমন চলতে থাকলে অনিন্দিতা শক্ত থাকবে কী করে?
"আপনাকে। এই গোটা আপনি-টাকে চাইছি মেঘফুল। আমার
চোখের দিকে ভালো করে তাকিয়ে দেখুন তো, সেখানে
আপনার জন্য নিখাদ ভালোবাসা ছাড়া দ্বিতীয় কোন অনুভূতি
দেখতে পান কিনা?"
অনিন্দিতা ওই গভীর, ব্যাকুল চোখদুটোতে দৃষ্টি মেলানোর
সাহস করে উঠতে পারল না। মাথা নিচু করে রইল।
"আমার দিকে তাকান, নন্দিতা।"
শুভ্রর কণ্ঠটা যেন গরম নিঃশ্বাসের মতো আলতো করে ছুঁয়ে
গেল অনিন্দিতার কানের পাশটা। শিরদাঁড়া বেয়ে অজানা
অনুভূতি নেমে যেতেই থরথর করে কেঁপে উঠল মেয়েটা।
"আ-আপনি জানেন না, আপনি কি চাইছেন, শুভ্র..."
অনিন্দিতার কণ্ঠস্বর কাঁপছে।
শুধু ঠোঁটে মৃদু হাসি ফুটল, সেই হাসিতে খুশি নয়, তীব্র বেদনা
মেশানো। "আমি জানি, অনিন্দিতা। আমি জেনেবুঝেই
আপনাকে চাইছি..."
অনিন্দিতা ধীরে ধীরে বলল, "শুভ্র, আপনি সত্যিটা বুঝতে
পারছেন না। সত্যিটা হলো— আপনি এমন এক জায়গায়
দাঁড়িয়ে আছেন, যেখান থেকে কোনো পথই সোজা নয়।
একদিকে প্রতিশ্রুতি, অন্যদিকে অনুভূতি। আমি চাই না
আপনি কাউকে ভেঙেচুরে দিয়ে আমার কাছে আসুন...”
শুভ্র আহত দৃষ্টি মেলে চাইল পাষাণ মানবীর মুখপানে। যেন
দৃষ্টির ভেতর দিয়ে মানবী-টিকে বুঝিয়ে দিতে চাইছে, এই
কথাগুলো ও শুনতে চায় না, মানতেও চায় না।
"আপনার কাছে আমার অনুভূতির কোন দাম নেই,
অনিন্দিতা?"
অনিন্দিতা চোখ তুলে তাকাতে পারল না।
“শুভ্র…” অনিন্দিতা ধীরে ধীরে বলল, গলা ভারী হয়ে এসেছে
ওর, “দামের প্রশ্ন নয় এটা… প্রশ্নটা পরিস্থিতির।”
শুভ্র মৃদু হেসে মাথা নাড়ল, “পরিস্থিতি?” ওর গলায় ব্যথা
মেশানো তাচ্ছিল্যের সুর, “যখন কাউকে হারানোর ভয়টাই
জীবনের একটা অংশ হয়ে যায়, তখন পরিস্থিতি নামের এই
অজুহাতটা শুধু দূরত্বকে বৈধতা দেয়, অনিন্দিতা।”
"হয়তোবা তাই..."
শুভ্র নিজের ডান হাতটা বুকের বাঁ পাশে ঠেকালো, "আপনি
বড্ড পাষাণ মেঘফুল। আমি যদি বলি, আপনার এই কঠিন
কঠিন কথাগুলো এই জায়গাটায় তীব্র চিনচিনে ব্যথা তৈরি
করছে, আপনি বুঝবেন সেটা?"
অনিন্দিতা নিচের ঠোঁটটা কামড়ে ধরল দাঁতের সাহায্যে।
বুকের ভেতরটা কেমন জানি মোচড় দিয়ে উঠল, চোখের
কোণে জমে উঠল অচেনা উষ্ণতা, অনিন্দিতা ফাঁকা ঢোঁকের
সাথে তড়িৎ গিলে ফেলল সেটা।
শুভ্র অনিন্দিতার দিকে তাকালো। তাকিয়েই যেন হুট করে
বুঝে ফেলল মেয়েটার মনের অব্যক্ত কথাগুলো। শুভ্র আলতো
করে মেয়েটার হাত ধরল। হাতটা উঁচু করে ঠোঁটের কাছে এনে
আলতো করে চুমু খেলো উল্টোপিঠে। অনিন্দিতা কেঁপে উঠে
হাতটা ছাড়িয়ে নিতে চাইল।
"কী করছেন শুভ্র!"
শুভ্র মেয়েটার হাত ছাড়লো না। নিজের আরেক হাত মেয়েলি
সরু কোমরে গলিয়ে দিয়ে এক ঝটকায় মেয়েটাকে মিশিয়ে
নিল বুকের সাথে। বিস্ময়ে অনিন্দিতার চোখ বৃহৎ আকার
ধারণ করলো।
"শু-শুভ্র! এসব কী ধরনের অসভ্যতা? ছাড়ুন আমাকে..."
শুভ্র ছাড়লো না। তার বদলে হাতের বাঁধন দৃঢ় করল মেয়েলি
সরু কোমরে, "আপনার মনে আমার জন্য একটুও জায়গা
নেই, মেঘফুল?"
"শুভ্র প্লিজ! কেউ চলে আসলে ব্যাপারটা খুবই বাজে হবে।
প্লিজ ছাড়ুন..." ছটফটিয়ে উঠলো অনিন্দিতা।
"আমার প্রশ্নের উত্তর দিন আগে।" শীতল দৃষ্টিতে তাকালো
শুভ্র।
"শুভ্র প্লিজ...!" অনিন্দিতা হাজার ছটফট করেও পুরুষালি
শক্ত হাতের বাঁধন থেকে নিজেকে ছাড়াতে অপারগ।
"না। আমার উত্তর চাই আগে।"
"আশ্চর্য! আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে আমি বাধ্য নই!"
"বাধ্য! অবশ্যই বাধ্য! অন্তত এই মুহূর্তে তো অবশ্যই..."
অনিন্দিতা শুভ্রর বুকে দুই হাত রেখে ঠেলে সরাতে চাইল
ওকে, "আমি কিন্তু সবাইকে ডাকবো! ছাড়ুন আমাকে..."
শুভ্র হাসলো, "বাসায় কেউ নেই, বোকাফুল! আন্টি বাইরে
গেছে আম্মুর সাথে।"
অনিন্দিতা চোখ বড় বড় করে তাকালো, "আপনি..."
“উত্তর দিন, মেঘফুল,” অনিন্দিতাকে পাত্তা না দিয়ে শুভ্র
ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল, “একটুও জায়গা নেই আমার
জন্য?”
অনিন্দিতা হাল ছেড়ে দিল এবার। অস্বীকার করলে এই
শক্তপোক্ত হাতের বাঁধন থেকে ছাড়া পাওয়ার আসলেই কোন
সম্ভাবনা নেই বলে বোধ হচ্ছে! ও অন্যদিকে তাকিয়ে চোখ বন্ধ
করে ফেলল। চারদিক নিস্তব্ধ। ওর কণ্ঠস্বর প্রায় নিঃশ্বাসের
মতো ক্ষীণ শোনালো,
“সামান্য, খুব সামান্য একটু আছে…”
আচমকাই শুভ্রর হাতের বাঁধন ঢিলে হয়ে এলো। অনিন্দিতা
সুযোগ বুঝে কেটে পড়তে চাইল সেই ফাঁকে। তবে, সেগুড়ে
বালি! মেয়েটা ফাঁকতালে কেটে পড়বার ফন্দি আটতেই শুভ্রর
হাতের বাঁধন আগের চেয়ে শক্ত হলো দ্বিগুণ।
"কোথায় পালাচ্ছো, বোকাফুল?"
অনিন্দিতা চোখ বন্ধ করে ফেলল তড়িৎ। নাহ! এই লোক
দেখি ভারী বজ্জাত! ভাবনা বেশি দূর অগ্রসর হবার আগেই
হঠাৎ করে কেঁপে উঠে শুভ্রর টি-শার্টটা মুঠো করে ধরল
অনিন্দিতা। এলোমেলো চুলগুলো কানের পেছনে ঠেলে দিয়ে
বাঁ গালে ঠোঁট ছুঁইয়েছে বজ্জাত লোকটা। অনিন্দিতার
গালদুটো গরম হয়ে উঠল সহসাই।
শুভ্রর ঠোঁটজুড়ে তখন মৃদু হাসির রেশ,
“আরো পালাতে চাইবে?"
অনিন্দিতা তাকাতে পারলো না মানুষটার চোখে। বেয়াদব
হৃদপিন্ডটা সেই কখন থেকে ঢাকের মতো বাজছে, থামার
কোনো নাম-গন্ধই নেই!
"প্লিজ ছাড়ুন, শুভ্র! আম্মু... খুঁজবে আমাকে। সেই কখন..
ছাদে এসেছি..." অনিন্দিতার কথাগুলো স্পষ্ট নয়। লজ্জায়
গলা দিয়ে যেন শব্দ বের হচ্ছে না মেয়েটার। পুরো কথাটার
টুকরো টুকরো অংশ শুনতে পেল শুভ্র। মেয়েটার অবস্থা
পুরোপুরি উপলব্ধি করতে না পারলেও খানিকটা যেন বুঝল।
শক্তপোক্ত হাতের বাঁধন ঢিলে করে আস্তে আস্তে সামান্য
বাড়িয়ে দিল দূরত্বটা, কিন্তু চোখদুটো এখনও স্থির লজ্জাবতীর
ন্যায় নুয়ে পড়া মেয়েটার মুখপানে।
এতক্ষণ পর দৃঢ় বাঁধন থেকে ছাড়া পেয়ে অনিন্দিতা যেন হাফ
ছেড়ে বাঁচল। বুক ফুলিয়ে বড় করে নিঃশ্বাস টানলো মেয়েটা।
এতক্ষণ যেন অক্সিজেনের ঘাটতি হয়েছিল ফুসফুসে। দম
আটকে আটকে আসছিল একটু পরপর।
মেয়েটার কাণ্ড দেখে শুভ্র হাসি চাপল। অনিন্দিতা নত মুখে
আস্তে করে শুধালো, "আমি যাই..."
শুভ্র কিছু বলল না। ঠোঁটের কোণে মৃদু হাসি টেনে গভীর
দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল মেয়েটার নত মুখপানে। শুভ্র কিছু বলছে
না দেখে অনিন্দিতা মাথা তুলে এক পলক চাইলো। ওই গভীর
দৃষ্টিতে চোখ পড়তেই তড়িৎগতিতে চোখ ফিরিয়ে হাঁটা দিল
সিঁড়ির দিকে।
ছাদের দরজা পেরিয়ে সিঁড়িতে পা দেওয়ার ঠিক আগে,
অনিন্দিতা থামল একবার। পেছন ফিরব ফিরব করেও ফিরল
না। লম্বা একটা দম নিয়ে নিঃশ্বাস ফেলল, তারপর ফিরে না
তাকিয়েই নিঃশব্দে মিলিয়ে গেল অন্ধকারের ভেতর।
শুভ্র অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইল খোলা দরজাটার দিকে।
হাওয়ায় এখনো ভাসছে অনিন্দিতার চুলের মিষ্টি গন্ধ।
সুবাসটুকু বুকভরে অনেকটা টেনে নিয়ে শুভ্র অন্ধকার
আকাশে স্থির করল দৃষ্টি। সঙ্গে সঙ্গেই ওর চোখের সামনে
ভেসে উঠলো কিয়ৎক্ষণ আগের দৃশ্য — অনিন্দিতার গাল
ছোঁয়া সেই ক্ষণিক স্পর্শ, মেয়েটার বিস্মিত চোখ, তারপর
লজ্জায় নুয়ে পড়া মুখটা।
শুভ্রর ঠোঁটজুড়ে আপনাআপনি পরিতৃপ্তির হাসি ফুটল।
অনুভূত হলো সত্যিকারের প্রেমে পড়ার অনুভূতি। অকারণেই
চিল্লিয়ে চিল্লিয়ে পুরো এলাকাবাসীকে জানাতে ইচ্ছে করছে,
'অনিন্দিতা' নামের একটা মিষ্টি 'মেঘফুল' ওর ব্যক্তিগত শখের
নারী। এরকম অনুভূতি তমার সাথে সম্পর্কে থাকাকালে
কখনোই অনুভব হয়নি ওর। অনুভব হবে কী করে!
সম্পর্কটাতে তো কখনো প্রাণ ছিল না। হুজুগের বশে
ভালোবাসা স্বীকার করার দায়বদ্ধতা পালনের খেলা চলছিল
কেবল। আজ ওর নিজেকে মুক্ত অনুভব হচ্ছে। বিশাল
আকাশের মুক্ত বিহঙ্গ।
শুভ্র হালকা বোধ করল। এতদিন ধরে নিজের ভেতর জমিয়ে
রাখা আবেগগুলো, দায়বদ্ধতার চাপ, পুরোনো সীমাবদ্ধতা—
সমস্ত কিছু যেন বিলীন হয়ে গেল দমকা হাওয়ায়। বাকি
থাকল শুধু নিখাদ ভালোবাসা, কোনো শর্ত, কোনো বাধা,
কোনো দ্বিধা ছাড়াই তা বিস্তর ডালপালা ছড়াবে বুকের ভেতর।
To be continued...
কেমন লাগলো জানিও প্রিয়রা... 🖤 |
0 Comments