Bangla Choty Golpo

গল্প: একাকীত্বের শেষ সীমানা (মা - ছেলে) (পর্ব:০৭)


লেখক:Masranga


চ্যাপ্টার ৭ – দাবানল


পরের দিন সকাল। রাতটা কেটেছে অস্থিরতায়, যেন ঘুম আর জেগে থাকার মাঝামাঝি একটা অবস্থায়। রাহাত তার ঘরে শুয়ে শুয়ে গত রাতের সেই মুহূর্তগুলো ভাবছিল। মায়ের নরম শরীর তার বুকে চেপে ধরা, তার ঠোঁটের উষ্ণতা, তার বুকে ছোঁয়ার সেই অনুভূতি যা তার সারা শরীরে এখনো জ্বলজ্বল করছে। চোখ বন্ধ করলেই মায়ের চোখের সেই লজ্জা মিশ্রিত আনন্দ ভেসে উঠছে। “মা... তুমি আমার,” মনে মনে বলল সে, তার ঠোঁটের কোণে একটা হাসি। ওদিকে শিউলি স্বামীর পাশে শুয়ে ছিলেন, তার শরীরটা এখনো গরম, যেন রাহাতের ছোঁয়া লেগে আছে। মনটা ছেলের কাছে, তার ঘরে, যা যা ঘটেছে সব প্রতিটা মুহূর্ত যেন চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছেন। এসব ভেবে লজ্জায় তার গাল গরম হয়ে উঠছে। আব্দুর রহমানের নিঃশ্বাসের শব্দ শুনতে শুনতে তিনি অনেকক্ষণ জেগে রইলেন, ঘুম এল ভোরের দিকে।


সব পর্বের লিঙ্ক




সকালের আলো জানালা দিয়ে ঢুকছে, হালকা সোনালি রশ্মি ঘরকে নরম করে তুলেছে। বাইরে পাখির ডাক, দূরে রাস্তার হালকা শব্দ। আফতাবনগরের স্বাভাবিক সকাল। রাহাত ঘুম থেকে উঠল ধীরে ধীরে। তার শরীরটা অদ্ভুত ফ্রেশ লাগছে, যেন নতুন একটা শক্তি পেয়েছে, গত রাতের সেই আদর তার শরীরে নতুন প্রাণ দিয়েছে। সে বিছানা থেকে উঠে স্ট্রেচ করল, হাত দুটো উপরে তুলে গভীর শ্বাস নিল। মুখে হালকা হাসি, চোখে একটা চকচকে ভাব। আয়নায় নিজেকে দেখল। চুল উশকোখুশকো, কিন্তু মুখে একটা নতুন আভা। বাথরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে এল, টি-শার্ট আর প্যান্ট পরে রান্নাঘরের দিকে গেল। রান্নাঘর থেকে পরোটার গন্ধ ভেসে আসছে, সবজির ঝাঁজ, চায়ের সুবাস। সব মিলে একটা ঘরোয়া উষ্ণতা।

শিউলি রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে পরোটা ভাজছেন, তার শাড়ির আঁচল কাঁধে জড়ানো, চুল বাঁধা। তার মুখে একটা হালকা লালচে ভাব। আব্দুর রহমান টেবিলে বসে খাচ্ছেন, খবরের কাগজ হাতে। রাহাত ঢুকতেই শিউলির চোখ তার দিকে উঠল, চোখাচোখি হতেই দুজনের মুখে লজ্জার হাসি, শিউলি চোখ নামিয়ে নিলেন।

“শুভ সকাল বাবা,” রাহাত হেসে বলল, চেয়ার টেনে বসল।


আরো পড়ুন....
বাংলা রোমান্টিক গল্প 


আব্দুর রহমান কাগজ থেকে মাথা তুলে তার দিকে তাকালেন, তারপর হাত বাড়িয়ে রাহাতের কপালে হাত রাখলেন। 
“ঘুম ভালো হয়েছে? জ্বর তো কমেছে দেখছি, কোনো গরম নেই। চেহারাও ফ্রেশ লাগছে। আজ কলেজ যাবি নাকি আরেকদিন বিশ্রাম নিবি?”

রাহাত হেসে বলল, 
“হ্যাঁ বাবা, যাব। ফ্রেশ লাগছে আজ খুব। জ্বরটা পুরোপুরি চলে গেছে।”

শিউলি ট্রে নিয়ে এলেন। গরম পরোটা, সবজির তরকারি, ডিমের ভাজি, আর চা। তার হাতটা একটু কাঁপছে, রাহাতের সাথে চোখ পড়তেই তার গাল লাল হয়ে উঠল, চোখ নামিয়ে রাখলেন ট্রে। 
“নাশতা খা। গরম আছে। আর চা-টা খেয়ে নে, ঠান্ডা হয়ে যাবে।”

রাহাত হেসে বলল, 
“ধন্যবাদ মা। তুমি বসো না, একসাথে খাই।”

শিউলি হালকা হেসে বললেন, 
“না রে, আমি পরে খাব। তুই খা।”

আব্দুর রহমান তার প্লেট শেষ করে উঠলেন, চায়ে চুমুক দিয়ে বললেন, 
“আজ অফিসে একটু তাড়াতাড়ি যেতে হবে। সন্ধ্যায় ফিরব, দেরি হবে না। রাহাত, কলেজ থেকে ফিরে বিশ্রাম নিস, আর বৃষ্টি হলে ভিজিস না আবার।”

আব্দুর রহমান ব্যাগ নিয়ে দরজার কাছে দাঁড়ালেন, তারপর রাহাতের দিকে তাকিয়ে বললেন, 
“জলদি চলে আসিস আজকে কলেজ থেকে, কলেজের পরে বাইরে আড্ডা দেওয়ার দরকার নাই।”

“ঠিক আছে বাবা,” রাহাত বলল।

দরজা বন্ধ হতেই ফ্ল্যাটটা নীরব হয়ে গেল। শিউলি প্লেট গোছাতে গোছাতে রাহাতের দিকে তাকালেন, তার চোখে লজ্জা। রাহাত উঠে তার কাছে গেল, তার হাত ধরে আস্তে করে বলল, 
“মা... গত রাতটা... অসাধারণ ছিল।”


আরো পড়ুন...

বাংলা থ্রিলার গল্প 




শিউলি লজ্জায় চোখ নামিয়ে বললেন, 
“চুপ কর পাগল! এসব কথা এখন বলিস না। নাশতা শেষ কর।”

রাহাত হেসে তার গালে হালকা একটা চুমু খেল। আলতো, কিন্তু উষ্ণ। শিউলির শরীর কেঁপে উঠল, তার গাল আরও লাল হয়ে গেল। 
“এই পাগল! যা কলেজে যা।”

রাহাত দুষ্টু হেসে বলল, 
“মিস করব তোমাকে সারাদিন।”

শিউলি হাসলেন, তার চোখে একটা মিষ্টি লজ্জা। 
“আমিও তোকে মিস করব খুব। সাবধানে যা, আর কলেজে মন দিয়ে ক্লাস করিস।”

রাহাত তার হাত চেপে ধরে বলল, 
“সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে কী দিবে?”

শিউলি চোখ বড় করে বললেন, 
“শুনিসনি তোর বাবা আসবে জলদি?”

“তাহলে রাতে আসবে রুমে?”

শিউলি চোখ নামিয়ে ফিসফিস করে বললেন, 
“দেখা যাবে। এখন যা।”

রাহাত হেসে ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে গেল, তার মনে মায়ের ছোঁয়া লেগে রইল, আর একটা নতুন দিনের উত্তেজনা। শিউলি দরজা বন্ধ করে দাঁড়িয়ে রইলেন, তার বুকটা ধুকধুক করছে। “এটা কী হচ্ছে আমাদের সাথে?” মনে মনে বললেন, কিন্তু তার ঠোঁটে একটা গোপন হাসি।

কলেজে পৌঁছে রাহাত ক্লাসে বসল। প্রফেসর রুবায়াত লেকচার দিচ্ছেন, তার গলায় সেই চেনা গম্ভীরতা, বোর্ডে সমীকরণ লিখছেন। কিন্তু রাহাতের মনটা মায়ের কাছে। গত রাতের সেই নরম ছোঁয়া, তার ঠোঁটের উষ্ণতা, তার বুকে হাত বুলানোর অনুভূতি। ক্লাস চলছে, কিন্তু সে অন্যমনস্ক, নোট নিতে গিয়ে লাইন ভুল হয়ে যাচ্ছে, কলমটা হাতে ঘুরছে। মায়ের মুখ ভেসে উঠছে বারবার, তার লজ্জার হাসি, তার ফিসফিস কথা। “আজ রাতে আবার...” মনে মনে ভাবল সে, তার ঠোঁটে হালকা হাসি।

টিফিন টাইমে সে ক্যান্টিনে গেল, একটা স্যান্ডউইচ আর চা নিয়ে এক কোণায় একা বসল। চারদিকে গুঞ্জন, হাসির শব্দ। সেখানে কাশফিয়া। ক্লাসের সুন্দরীদের একজন, মেয়েটাকে তার এতদিন ভালোই লাগত, চটপটে, বাবলি, হাসিখুশি একটা মেয়ে, সবসময় তার গ্রুপ নিয়ে হাসাহাসি করে। তার টেবিলের কাছে এসে দাঁড়াল, তার চোখে দুষ্টু চকচকে ভাব।

“হাই রাহাত!” কাশফিয়া হেসে বলল, তার হাসিতে একটা হালকা আগ্রহ ঝকঝক করছে। “বসতে পারি প্লিজ?”

রাহাত চমকে তাকাল, হেসে বলল, 
“হ্যাঁ, অবশ্যই। বস। কেমন আছিস?”



আরো পড়ুন...

গল্প: অঘটনঘটন পটিয়সী 



কাশফিয়া তার সামনের চেয়ারে বসল, তার হাতে একটা জুসের গ্লাস, চুলটা একপাশে ঝাঁকিয়ে। 
“সুপার ভালো রে! আর তুই দুদিন কলেজে আসিসনি কেন? ক্লাসে তো তোকে দেখিনি একদম। কে যেন বলছিল তুই অসুস্থ!”

রাহাত হালকা হেসে বলল, 
“হুম, একটু। এখন ঠিক আছি। তুই কেমন আছিস? তোর তো বিশাল গ্রুপ, বাকিরা কোথায়?”

কাশফিয়া চোখ বড় করে হেসে বলল, 
“ওরে বাবা, কী হয়েছিল তোর? সিরিয়াস কিছু নাকি? ডাক্তার দেখিয়েছিস?”

রাহাত কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলল, 
“এই হালকা জ্বর। বৃষ্টিতে ভিজছিলাম, তারপর থেকে শরীর খারাপ। কিন্তু এখন ঠিক আছি, মেডিসিন খেয়ে ঠিক হয়ে গেছে। তোর কী খবর? ক্লাস কেমন চলছে?”

কাশফিয়া হেসে বলল, 
“আরে, আমার তো ওই একই অবস্থা। পার্টি, চিল, এত টেনশন নাই লাইফে রে! তুই তো ভালো ছাত্র, সবসময় সামনে বসে নোট নিস, আমি পেছন থেকে লক্ষ্য করি সবসময়। তোর নোটস তো খুব ভালো হয় রে, তাই না? শেয়ার করবি প্লিজ? আমার ম্যাথের অবস্থা খুব খারাপ, একদিন আমাকে একটু দেখিয়ে দে না!”

রাহাত হাসল। 
“হ্যাঁ, কেন না। যদি দরকার হয়, বল।”

কাশফিয়া দুষ্টু হেসে বলল, 
“ম্যাথে আমি একদম ফেল রে! চল না, কোনোদিন লাইব্রেরিতে একসাথে পড়ি। আমি তোর থেকে শিখব, কী বলিস?”

রাহাত ভাবল একটু। 
“আচ্ছা, দেখা যাবে। কালকের ক্লাসের পর যদি ফ্রি থাকি। তুই কী খাচ্ছিস? আমার স্যান্ডউইচ আছে, শেয়ার করবি? এটা টেস্টি, চেষ্টা কর।”

কাশফিয়া তার প্লেট থেকে একটা ফলের টুকরো তুলে বলল, 
“এই নে, খা! ফ্রেশ ফ্রেশ। আর হ্যাঁ, কাল লাইব্রেরিতে চল প্লিজ! তোর সাথে কথা বলতে ভালো লাগছে রে। তুই তো শান্ত টাইপ, কিন্তু ইন্টারেস্টিং আছিস! আচ্ছা তোর হবি কী? পড়াশোনা ছাড়া কী করিস বল তো?”

রাহাত হেসে নিল। 
“ধন্যবাদ। তুইও তো ফান। আমার হবি বই পড়া, আর কখনো ক্রিকেট খেলা। আচ্ছা বললি না তো, তোর ফ্রেন্ডরা কোথায়? সবসময় তো গ্রুপে থাকিস, আজ একা কেন?”

কাশফিয়া হাসল, চোখ মিটমিট করে। 
“আজ তারা অন্য টেবিলে। আমি তোকে দেখে চলে এলাম রে। জাস্ট... কথা বলতে ইচ্ছে করল! তোর সাথে তো কখনো প্রপার কথা হয়নি, তারপর শুনলাম তুই অসুস্থ তাই ভাবলাম যাই ছেলেটাকে জ্বালাতন করে আসি।” বলেই জোরে জোরে হাসতে থাকল কাশফিয়া।

কথা চলল। ক্লাস, নোটস, কলেজের গসিপ, হালকা মজার গল্প। হঠাৎ কাশফিয়া হেসে বলল, 
“আরে, তোকে একটা ফানি ইনসিডেন্ট বলি শোন! গতকাল প্রফেসর রহমানের ক্লাসে কী হয়েছে জানিস? তিনি লেকচার দিচ্ছিলেন, হঠাৎ করে তার মাথার উইগটা খুলে পড়ে গেল মাটিতে! মানে, সবাই হতভম্ব! প্রফেসর নিজেও প্রথমে বুঝতে পারেননি, তারপর দেখলেন তার মাথায় চুল নেই, শুধু টাক! সবাই হাসিতে ফেটে পড়ল, কিন্তু কেউ কিছু বলতে পারল না। প্রফেসর লজ্জায় লাল হয়ে উইগটা তুলে মাথায় পরলেন, আর বললেন, ‘এটা... এটা আমার গোপন অস্ত্র, কিন্তু আজ তোমরা সবাই জেনে গেলে!’ তারপর ক্লাসটা শেষ করে দিলেন। আমরা তো হাসতে হাসতে মরে যাচ্ছিলাম রে!”

রাহাত হেসে ফেলল। 
“হা হা হা, সত্যি ফানি! আমারও একটা আছে। গত মাসে, আমাদের গ্রুপের বায়োলজির প্র্যাকটিক্যালে, রাকিব ক্লাসে ঘুমিয়ে পড়েছিল। প্রফেসর বললেন, ‘এই রাকিব, উঠো, তোমার ডিসেকশন করতে হবে।’ রাকিব ঘুমের মধ্যে বলে উঠল, ‘মা, আরেকটু ঘুমাই... চা দাও না।’ সবাই হাসিতে ফেটে পড়ল। প্রফেসরও হেসে বললেন, ‘তোমার মা তো এখানে নেই, কিন্তু তোমার ফ্রগটা তো এখানে অপেক্ষা করছে।’ রাকিব লজ্জায় লাল হয়ে উঠে বসল!”

কাশফিয়া হাসতে হাসতে বলল, 
“ওরে বাবা! এটা তো আরও ফানি রে! তুই তো কখনো বলিস না এসব। তোর মতো শান্ত ছেলে এসব স্টোরি জানিস? আরও আছে?”

রাহাত হাসল। 
“আরও আছে, কিন্তু পরে বলব। এই ছেলে তুই তো গার্লফ্রেন্ড নিয়ে ঘুরিস না, তাই না? মানে... শুধু জিজ্ঞাসা করলাম। কোনোদিন মুভি দেখতে যেতে পারি, ফ্রেন্ডস হিসেবে। যদি তুই ফ্রি থাকিস। লাস্ট উইকেন্ডে একটা মুভি দেখলাম, ‘স্পাইডারম্যান’। তোর দেখা হয়েছে?”

রাহাত চুপ করে রইল একটু, মায়ের মুখটা আবার মনে পড়ল, তার সাথে গত রাতের মুহূর্ত, কিন্তু হাসল। 
“না, দেখিনি। দেখা যাবে। এখন চল, ক্লাস শুরু হবে। টিফিন টাইম শেষ হয়ে যাবে।”

কথোপকথনটা চলল প্রায় আধা ঘণ্টা। হালকা, ন্যাচারাল, কাশফিয়ার যে রাহাতকে ভালো লেগেছে সেই হিন্টগুলো যথেষ্ট স্পষ্ট। শেষে কাশফিয়া বলল, 
“আচ্ছা, তোর নাম্বার দে না রে। যদি নোটস দরকার হয়, মেসেজ করব। আর কাল লাইব্রেরির প্ল্যানটা কনফার্ম করিস দয়া করে!”

রাহাত হেসে তার নাম্বার দিল, আর কাশফিয়ার নাম্বার নিল। 
“আচ্ছা, পরে আবার কথা হবে।”

কাশফিয়া হাসল। 
“হ্যাঁ, যত্ন নে। আর জ্বর যেন না ফিরে আসে, বৃষ্টিতে আর ভিজিস না!”

ঘরটা নীরব, শুধু দূরের রাস্তায় গাড়ির হালকা শব্দ আর জানালার পর্দায় হাওয়ার নরম নড়াচড়া। শিউলি বসার ঘরের সোফায় বসে আছেন, হাতে মোবাইল, কিন্তু চোখটা জানালার দিকে। রাহাত কলেজে গেছে অনেকক্ষণ, কিন্তু তার ছোঁয়া যেন এখনো ত্বকে লেগে আছে। গত রাতের সেই মুহূর্তগুলো। ছেলের হাতের উষ্ণতা, তার ঠোঁটের চাপ, তার শরীরের কাঁপুনি। সব যেন চোখের সামনে ঘুরছে। তিনি চোখ বন্ধ করলেন, তার বুকটা ধুকধুক করতে লাগল। “এটা কী করছি আমি?” মনে মনে বললেন। “এই পথটা কি ঠিক? নাকি ভুলের গভীরে ডুবে যাচ্ছি?”

তিনি চোখ বন্ধ করলেন, যেন অন্ধকারে নিজেকে লুকিয়ে ফেলতে চান। আর কয়েক বছর পরে কি এই শরীর আর জাগবে? এই মন আর এমন করে কাঁপবে কারো ছোঁয়ায়? এই গরম টান, এই ভেজা অনুভূতি, এই তীব্র শিহরন। সব কি মিলিয়ে যাবে সময়ের স্রোতে? তিনি হাত দিয়ে নিজের গাল ছুঁলেন, তারপর গলা, বুক। যেন নিজের শরীরকে আবার চিনতে চাইছেন। এতদিন এই শরীরটা শুধু সংসারের জন্য ছিল, ছেলের জন্য, স্বামীর জন্য। কিন্তু নিজের জন্য কিছু করেনি কখনো।

তারপর মনে পড়ল বাইরের জগতের কথা। যখন চাকরি করতেন তখন কত পুরুষ তো তাকে দেখেছে এত বছরে। অফিসে যাওয়ার সময় বাসে, বাজারে, পাড়ার রাস্তায়, এমনকি দূর সম্পর্কের আত্মীয়দের বাড়িতে। কত চোখের ইঙ্গিত, কত হাসির ছোঁয়া, কত কথার মাঝে লুকোনো প্রস্তাব। একজন সহকর্মী ছিল অফিসে অনেক বছর আগে। তার চোখে সেই তীব্র দৃষ্টি, ফাইল দেওয়ার সময় হাতের ছোঁয়া একটু বেশি লম্বা করে রাখা। বাজারে এক দোকানদার, যে সবসময় তার জন্য সেরা ফল তুলে রাখত, কথায় কথায় বলত, “ভাবি, আপনার মতো সুন্দরী কম দেখেছি।” এমনকি পাড়ার এক যুবক, যে সাইকেলে যাওয়ার সময় পিছনে ফিরে তাকাত, তার চোখে একটা অদ্ভুত ক্ষুধা। কতবার ফোন নম্বর চাওয়া হয়েছে, কতবার “কোথাও এক কাপ চা খাবেন?” বলে প্রস্তাব এসেছে। কিন্তু তিনি কখনো সাড়া দেননি। কখনো পা বাড়াননি সেই পথে। সমাজের ভয়ে। কী বলবে লোকে? “ওই বউটা...” এই কথা শুনলে সংসারটা ভেঙে যাবে। দায়িত্ববোধের ভয়ে। ছেলের মুখের দিকে তাকালে কী বলবে? স্বামীর বিশ্বাস ভাঙলে কী হবে? না, তিনি সবসময় পিছিয়ে এসেছেন, চোখ নামিয়ে হেসে এড়িয়ে গেছেন, মনে মনে বলেছেন, “এটা ঠিক না।” কিন্তু এখন? রাহাতের সাথে এই সম্পর্ক। এটাও তো একই পথ, আরও গভীর, আরও নিষিদ্ধ। তবু কেন থামতে পারছেন না? কারণ এটা বাইরের কোনো পুরুষ নয়। এটা তার নিজের ছেলে, তার রক্তমাংস। এই সম্পর্কে একটা অদ্ভুত নিরাপত্তা আছে, যেন এটা গোপন থাকবেই। কিন্তু সত্যি কি থাকবে?

তার শ্বাস ভারী হয়ে উঠল। তার হাত অজান্তে নিজের বুকে গেল, যেন রাহাতের ছোঁয়া খুঁজছে। “আমি কি সত্যি এতদিন নিজেকে ঠকিয়েছি?” ভাবলেন তিনি। তার চোখ বন্ধ হয়ে গেল আবার, আর মনে একটা সিদ্ধান্ত জন্ম নিল। যাই হোক, এখন থামব না। এই যৌবনের শেষ আগুনটা জ্বলতে দাও।

তার চোখে জল চিকচিক করছে, কিন্তু তার মধ্যে একটা অদ্ভুত সুখ।

রাহাতকে খুব মনে পড়ছে এই মুহূর্তে। তিনি মোবাইল তুলে নিলেন, ফেসবুকে গেলেন। রাহাতের প্রোফাইল খুললেন। তার ছবি, কলেজের গ্রুপ ফটো, তার হাসি। অনেকক্ষণ ধরে দেখতে লাগলেন, তার চোখে একটা গভীর আকাঙ্ক্ষা। “আমার ছেলে... আমার...” মনে মনে বললেন। ঠিক তখন মোবাইলটা কেঁপে উঠল। হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ।

রাহাতের থেকে: 
“আমার জিএফ কী করছে একা একা?”

শিউলি দেখে হেসে ফেললেন। তার বুকটা ধুকধুক করল, গাল গরম হয়ে উঠল। রিপ্লাই দিলেন: 
“? বিএফ-এর কথা ভাবছি সারাক্ষণ।”

রাহাত: 
“কী ভাবছ? মিস করছি তোমাকে।”

শিউলি: 
“আমিও। ক্লাস কর।”

রাহাত: 
“ইচ্ছে করছে না। তোমার ছবি পাঠাও না।”

শিউলি: 
“? পাগল। ছবি কেন?”

রাহাত: 
“তোমার মুখ দেখব। আমার জিএফ-এর।”

শিউলি: 
“আজ স্কার্ট পরে আছি। লং টপস। ছবি পাঠাব না।”

রাহাত: 
“উফ! ইচ্ছে করছে ছুঁতে। কলেজ থেকে ফিরে জড়িয়ে ধরব।”

শিউলি: 
“? চুপ কর। লোকজন আছে তোর চারপাশে।”

রাহাত: 
“কাশফিয়া নামে একটা মেয়ে আজ খুব কাছে কাছে ঘুরছে। আমাকে পছন্দ করে মনে হয়। কিন্তু আমার মন তো তোমার কাছে।”

শিউলির মনটা ধাক্কা খেল। কাশফিয়া? কলেজের মেয়ে, রাহাতের বয়সী, যুবতী, সুন্দরী। তার চেয়ে অনেক ছোট, অনেক ফ্রেশ। তার মনে একটা ঝড় উঠল। জেলাসি, মন খারাপ, ভয় মিশিয়ে। “কাশফিয়া...” মনে মনে বললেন, তার বুকটা চাপা লাগছে। ছেলেটা কলেজে, তার বয়সী মেয়েরা তার চারপাশে। তারা তো যৌবনের পুরো ফুলে, হাসিখুশি, ফ্রি। আর তিনি? বয়স্ক, মা, সংসারের মানুষ। রাহাত কেন তার সাথে থাকবে? একদিন কি কাশফিয়ার মতো কারো দিকে টান অনুভব করবে? তার চেয়ে অনেক ভালো ম্যাচ তো। তার চোখে জল চলে এল, মনটা ভারী হয়ে গেল। “আমি কি সত্যি তার জন্য ঠিক?” ভাবলেন। কিন্তু রাহাতের পরের কথা পড়ে তার মনটা আবার হালকা হল।

শিউলি: 
“কাশফিয়া? সুন্দরী?”

রাহাত: 
“হ্যাঁ। কিন্তু তোমার মতো না। তুমি আমার।”

শিউলি: 
“❤️ ভালো লাগছে। কিন্তু সাবধান।”

রাহাত: 
“তুমি কী করছ এখন? ঘরের কাজ?”

শিউলি: 
“হ্যাঁ। তোর জন্য সিঙ্গারা বানিয়েছি। ফিরে আয়।”

রাহাত: 
“আসব। চুমু খাব ফিরে। গালে, গলায়।”

শিউলি: 
“? থাম পাগল।”

রাহাত: 
“আর একটা বলো। তোমার ব্রা কী কালার আজ?”

শিউলি: 
“? লাল। এখন চুপ।”

রাহাত: 
“উফ! ইচ্ছে করছে দেখতে।”

শিউলি: 
“না। খবরদার।”

রাহাত: 
“আজ রাতে আসবে আমার ঘরে?”

শিউলি: 
“দেখি। তোর বাবা যদি ঘুমায়।”

রাহাত: 
“প্লিজ। মিস করব।”

শিউলি: 
“আচ্ছা। কিন্তু শুধু কথা।”

রাহাত: 
“প্রমিস। চুমু তো দেব।”

শিউলি: 
“? হ্যাঁ। এখন যা।”

রাহাত: 
“লাভ ইউ জিএফ।”

শিউলি: 
“লাভ ইউ বিএফ।”

এভাবে ২৫-৩০টা মেসেজ চলল। দুষ্টুমি, লজ্জা, ভালোবাসা মিশিয়ে। শিউলির মুখে হাসি লেগে রইল, কিন্তু বুকটা কাঁপছে। তার শরীরে একটা গরম টান, যেন এই কথাগুলো তার চাপা আকাঙ্ক্ষাকে আরও জাগিয়ে তুলছে।

বিকেল পাঁচটার দিকে রাহাত বাড়ি ফিরল। দরজা খুলতেই শিউলিকে জড়িয়ে ধরল, গালে চুমু খেল, তারপর গলায়। শিউলি লজ্জায় বললেন, 
“এই যা নোংরা ছেলে! কাপড়-চোপড় ছেড়ে ফ্রেশ হয়ে আয়। আমি তোর জন্য সিঙ্গারা বানিয়েছি, চা রেডি।”

রাহাত হেসে বলল, 
“উম্মাহ! তুমি সেরা জিএফ।”

সে ফ্রেশ হয়ে এল। দুজনে বারান্দায় গেলেন। চা আর সিঙ্গারা নিয়ে। সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত হয়ে এলো, চাঁদের আলো হালকা করে পড়ছে, হাওয়া বইছে। রাহাত সিঙ্গারা খেতে খেতে বলল, 
“মা, চলো রুমে যাই। এখানে ভালো লাগছে না।”

শিউলি তার দুষ্টু ইঙ্গিত বুঝে হেসে বললেন, 
“ঘরে যেতে হবে না। এখানেই থাক।” তিনি অন্যদিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলেন।

রাহাত অনেক রিকোয়েস্ট করল। 
“প্লিজ মা, শুধু একটু। একা একা বসে কথা বলব।”

শেষে শিউলি রাজি হলেন, কিন্তু শর্ত দিলেন: 
“জড়িয়ে ধরা আর চুমু ছাড়া কিছু না। প্রমিস কর।”

রাহাত প্রমিস করল। দুজনে রাহাতের রুমে গেলেন। শিউলি স্কার্ট আর লং টপস পরে আছেন। স্কার্টটা লম্বা, টপসটা নরম সুতির কাপড়ের। রাহাত দরজা বন্ধ করে তার পাশে বসল। হাত ধরল, তারপর কাছে টেনে জড়িয়ে ধরল। শিউলির শরীর কেঁপে উঠল। রাহাত তার গালে চুমু খেল, তারপর ঠোঁটে। হালকা, কিন্তু গভীর। শিউলি চোখ বন্ধ করলেন, তার ঠোঁটে সাড়া দিলেন। চুমুটা লম্বা হলো, রাহাতের হাত তার পিঠে বুলোচ্ছে, কোমরে। শিউলির স্কার্টের উপর দিয়ে তার হাত পায়ে বুলাতে লাগল, ধীরে ধীরে উপরে উঠছে। শিউলি থামিয়ে দিলেন, 
“না রাহাত... শর্ত মনে আছে?”

রাহাত হেসে বলল, 
“হ্যাঁ। কিন্তু ... ছুঁতে ইচ্ছে করে।”

শিউলি লজ্জায় তার বুকে মুখ লুকালেন। দুজনে জড়িয়ে ধরে বসে রইলেন, ফিসফিস করে কথা বলছেন। দুষ্টুমি, ভালোবাসা। রাহাত তার গলায় চুমু খেল, কানে ফিসফিস করল, 
“তোমার গায়ের গন্ধটা পাগল করে দেয়।”

শিউলি হেসে বললেন, 
“থাম পাগল।”

হঠাৎ দরজায় নক। আব্দুর রহমানের গলা: 
“রাহাত? বাড়ি ফিরেছিস?”

শিউলি চমকে উঠলেন, দ্রুত উঠে দাঁড়ালেন। 
“বাবা আজ তাড়াতাড়ি ফিরেছে।”

রাহাত দরজা খুলল। আব্দুর রহমান ঢুকলেন। 
“কেমন আছিস?”

রাহাত বলল, 
“ভালো আছি বাবা।”

ডিনারের আগে রাহাত শিউলিকে একা পেয়ে ফিসফিস করে বলল, 
“বাবা এসে গেল বলে বেশি কিছু করতে পারলাম না। রাতে রুমে আসতে হবে তোমাকে।”

শিউলি লজ্জায় মাথা নাড়লেন। 
“দেখি।”

রাতে ডিনার শেষ। আব্দুর রহমান টিভি দেখছেন। রাহাত তার রুমে গিয়ে শুয়ে আছে। রাত ১১টা বাজে, কিন্তু শিউলি আসছে না। রাহাত হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করল: 
“কোথায় জিএফ? আসছ না কেন?”

শিউলি রিপ্লাই দিলেন: 
“তোর বাবা ঘুমায়নি। একটু পরে।”

রাত ১২টার দিকে দরজায় হালকা নক। শিউলি ঢুকলেন। নাইটি পরে, চুল খোলা। রাহাত উঠে বসল, তার হাত ধরে কাছে টানল। 
“অবশেষে এলে।”

শিউলি দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলেন। দরজা আস্তে করে বন্ধ করে দিলেন, যেন একটা গোপন জগতে প্রবেশ করছেন। ঘরে হালকা অন্ধকার। জানালা দিয়ে চাঁদের রূপালি আলো পড়ছে বিছানায়, রাহাতের মুখে একটা ছায়া ফেলেছে। রাহাত বিছানায় বসে ছিল। তাকে দেখে উঠে দাঁড়াল। তার চোখে তীব্র ক্ষুধা, তার শ্বাস ভারী। শিউলি নাইটি পরে আছেন। হালকা সুতির, গলা একটু খোলা, তার বুকের খাঁজ হালকা দেখা যাচ্ছে। চুল খোলা, ছড়ানো কাঁধে। তার শরীরে গত রাতের ছোঁয়া এখনো লেগে আছে। তার নিচে একটা গরম টান। তিনি ফিসফিস করে বললেন, 
“চুপ। বাবা ঘুমিয়ে গেছে। কিন্তু শুধু কথা বলব আর কিছু না।”

রাহাত কাছে এসে তার হাত ধরল। আস্তে করে টেনে তার বুকে নিয়ে নিল। চেপে ধরল জোরে, যেন আর ছাড়বে না। তার হাত কোমর জড়িয়ে ধরল। তার ঠোঁটে ঠোঁট রাখল। গভীর, লম্বা, তীব্র চুমু। তার জিভ শিউলির ঠোঁটের ফাঁকে ঢুকে গেল। তার ঠোঁট চুষতে লাগল ক্ষুধার্তভাবে। জিভ দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে তার মুখের ভেতর অন্বেষণ করতে লাগল। শিউলির শরীর গরম হয়ে উঠল প্রবলভাবে। তার নাইটির নিচে তার বুক দুটো শক্ত হয়ে উঠছে। নিপলগুলো টনটন করে দাঁড়িয়ে গেছে, কাপড়ে ঘষা খাচ্ছে। তার নিচে প্যান্টি ভিজতে শুরু করেছে ইতোমধ্যে। একটা গরম ভেজা অনুভূতি তার যোনিতে ছড়িয়ে পড়ছে। রাহাত তার নাইটির উপর দিয়ে হাত বুলাতে লাগল। পিঠে নিচে নেমে কোমরে। তারপর নিতম্বে জোরে চেপে ধরল। আঙুল দিয়ে নরম মাংস চাপতে লাগল। ফিসফিস করে বলল, 
“শুধু কথা? দাঁড়াও দেখো কী করি তোমাকে?”

শিউলি কাঁপতে কাঁপতে বললেন, 
“না রাহাত... প্লিজ। ভালো হচ্ছে না কিন্তু... ওহহ... থাম...” তার গলা থেকে চাপা শব্দ বেরোচ্ছে। তার হাত রাহাতের পিঠে চেপে ধরেছে। নখ দিয়ে আঁচড় দিচ্ছে।

কিন্তু রাহাত যেন পাগল হয়ে গেছে। সে আরও জোরে জড়িয়ে ধরল। পাগলের মতো চুমু খেতে লাগল। কপালে, গালে, গলায় নেমে এল। তার ঠোঁট গলার নরম ত্বকে চেপে চুষতে লাগল। দাঁত দিয়ে হালকা কামড় দিল। তার হাত নাইটির উপর দিয়ে বুকে উঠে এল। জোরে চেপে ধরল বুক জোড়া। নাইটির পাতলা কাপড়ে তার নিপলগুলো ঘষা খাচ্ছে। শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে। শিউলির মুখ থেকে চাপা আর্তনাদ বেরোল। 
“আহহ... রাহাত... না...” তার শরীর কাঁপছে তীব্রভাবে। তার যোনি থেকে গরম রস বেরোচ্ছে। প্যান্টি ভিজে চপচপে হয়ে গেছে। রাহাত তার নাইটির গলা নিচে টেনে গলায় আরও গভীরে চুমু খেতে লাগল। তার শ্বাস গরম তার ত্বকে পড়ছে।

রাহাত তার নাইটির বোতাম খুলতে শুরু করল। ধীরে ধীরে, একটা একটা করে। তার হাত কাঁপছে উত্তেজনায়। প্রথম বোতাম খুলতেই তার বুকের গভীর খাঁজ দেখা গেল। ব্রার ফাঁক দিয়ে নরম ত্বক ঝকঝক করছে চাঁদের আলোয়। দ্বিতীয় বোতামে তার ব্রা দেখা গেল। লাল, তার বুকের আকার চেপে রেখেছে। শিউলি তার হাত ধরে ফেললেন। ফিসফিস করে বললেন, 
“না রাহাত... এটা না... প্লিজ...”

রাহাত চোখে তীব্র ক্ষুধা রেখে বলল, 
“প্লিজ মা... একবার... তোমার বুক দেখতে চাই... ছুঁতে চাই... এত নরম...”

শিউলি মাথা নাড়লেন। তার চোখে ভয় আর লজ্জা। 
“না... করেছি না... এটা ঠিক না...”

রাহাত আবার বলল, 
“প্লিজ মা... শুধু একটু...”

শিউলি তার চোখে সেই পাগলামি দেখে কাঁপলেন। তার শরীর তার বলছে হ্যাঁ। তার যোনি থেকে রস বেরোচ্ছে প্রবলভাবে। 
“তাহলে আমি চলে যাব...” ফিসফিস করে বললেন।

রাহাত থমকে গিয়ে বলল, 
“আচ্ছা... উপর দিয়ে... প্লিজ...”

শিউলি অনেকক্ষণ চুপ করে রইলেন। তার শ্বাস ভারী। তার নিচে গরম ভেজা অনুভূতি তীব্র। তারপর আস্তে করে বললেন, 
“আচ্ছা... কিন্তু আস্তে... আর বেশি না...”

রাহাতের হাত কাঁপছে। সে নাইটির উপর দিয়ে তার মায়ের বাঁ বুকে হাত রাখল। আস্তে চাপ দিল। তারপর জোরে চেপে ধরল। “আহ... কী নরম... কত বড়...” ফিসফিস করে বলল সে। তার আঙুল নাইটির কাপড়ে বুকের গোলাকার আকার অনুভব করছে। নিপলের শক্ত অংশটা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চাপ দিচ্ছে। শিউলির শরীর তীব্রভাবে কেঁপে উঠল। তার মুখ থেকে চাপা আর্তনাদ বেরোল। 
“ওহহ... রাহাত... আস্তে...” তার নিচে রস বেরোচ্ছে প্রবলভাবে। তার পা দুটো চেপে ধরল একে অপরকে। তার যোনি স্পন্দিত হচ্ছে। রাহাত দুহাতে বুক জোড়া চেপে ধরল। মাপতে লাগল। টিপতে লাগল। আর তার ঠোঁটে চুমু খেতে লাগল তীব্রভাবে। জিভ মিশিয়ে, চুষতে চুষতে। শিউলির হাত তার চুলে ঢুকে গেল। টানছে। তার নখ তার ঘাড়ে আঁচড় দিচ্ছে।

রাহাত এবার সাহস করে নাইটির গলা দিয়ে হাত ভেতরে ঢোকাল। আস্তে। তার আঙুল গলার ফাঁক দিয়ে ঢুকে তার খোলা বুকে ছুঁয়ে গেল। গরম, নরম ত্বক। ব্রার উপর দিয়ে। তার আঙুল ব্রার ফাঁক দিয়ে ঢুকে নিপলে লাগল। শক্ত, টনটন করছে। সে নিপলটা আঙুলে চেপে ধরল। ঘুরিয়ে দিল। হালকা টান দিল। শিউলির শরীর তীব্রভাবে কেঁপে উঠল। তার মুখ থেকে চাপা চিৎকার বেরিয়ে এল। 
“আহহহ... রাহাত... না... ওহহ...” তার যোনি থেকে গরম রস বেরিয়ে প্যান্টি ভিজিয়ে পায়ে নেমে আসছে। তার শরীর স্পন্দিত হচ্ছে। তার মনে শুধু একটা চাহিদা। রাহাতকে নিতে, তার ভেতরে ঢুকিয়ে নিতে। সে বুঝতে পারলেন, আর একটু হলে তিনি নিজেকে সমর্পণ করে দেবেন। তার পা দুটো রাহাতের কোমরে জড়িয়ে যাবে। তার নাইটি খুলে যাবে। কিন্তু বাড়িতে তার স্বামী আছে, ঘুমিয়ে। যদি একটা শব্দ হয়। যদি জেগে ওঠে। যদি দরজা খুলে দেখে... সব শেষ হয়ে যাবে। ছেলের ভবিষ্যত ধ্বংস। তার সংসার ভেঙে যাবে। সমাজের চোখে অপমান। সব যেন চোখের সামনে ভেসে উঠল। তার মনে একটা তীব্র ভয় জেগে উঠল। তার চোখে জল চলে এল।

তিনি হঠাৎ রাহাতকে জোরে সরিয়ে দিলেন। তার হাত ভেতর থেকে বের করে ফেললেন। 
“না... না রাহাত!” ফিসফিস করে বললেন, গলা কাঁপছে, চোখে জল। “এটা আর না... আমি...”

রাহাত চমকে গেল। তার চোখে হতাশা আর তীব্র ক্ষুধা। 
“মা... প্লিজ... আরেকটু...”

শিউলি দ্রুত উঠে দাঁড়ালেন। নাইটি ঠিক করলেন। তার হাত কাঁপছে। তার শরীর এখনো স্পন্দিত। 
“না। বাবা আছে বাড়িতে। যদি কিছু হয়... সব শেষ। তুই বুঝিস না? আমাদের সব শেষ হয়ে যাবে...” তার গলায় ভয়, যন্ত্রণা, আর চাপা কান্না। তিনি রাহাতের দিকে তাকালেন একবার। তার চোখে সেই পাগলামি দেখে তার শরীর আবার কেঁপে উঠল। তার নিচে এখনো গরম ভেজা। তিনি দ্রুত দরজার দিকে গেলেন। দরজা খুলে বেরিয়ে গেলেন। পিছনে ফিরে তাকালেন না। তার পায়ে কাঁপুনি। তার শরীরে এখনো রাহাতের ছোঁয়া জ্বলছ।




ঘরে রাহাত একা বসে রইল। তার শরীরে উত্তেজনা এখনো জ্বলছে। তার হাতে মায়ের বুকের নরমতা, নিপলের শক্ত অনুভূতি লেগে আছে। তার লিঙ্গ শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, ব্যথা করছে। সে বিছানায় শুয়ে পড়ল। তার মনে হতাশা আর তীব্র আকাঙ্ক্ষা মিশে। 
“মা... তুমি আমার... একদিন পুরোপুরি...” ফিসফিস করে বলল সে।

শিউলি নিজের ঘরে ফিরে এলেন। স্বামীর পাশে শুয়ে পড়লেন। তার শরীর এখনো কাঁপছে। তার নাইটি ভিজে গেছে নিচে। তার যোনি থেকে রস বেরোচ্ছে এখনো। তার চোখে জল গড়িয়ে পড়ল। লজ্জা, ভয়, আর চাপা ক্ষুধার। 
“স্বামী ঘরে আর আমি কী করতে যাচ্ছিলাম?” ভাবলেন তিনি। কিন্তু তার ভেতরে সেই আগুন নেভেনি। আরও প্রবলভাবে জ্বলে উঠছে।

রাত গভীর হল। ফ্ল্যাটের ভেতরটা যেন আরও নিবিড় হয়ে উঠল। দুটো ঘরের মাঝে দেওয়ালটা পাতলা লাগছে। যেন তাদের শ্বাসের শব্দ একে অপরের কানে পৌঁছে যাচ্ছে। শিউলি বিছানায় শুয়ে আছেন। চোখ বন্ধ। কিন্তু ঘুম নেই। তার শরীরে এখনো রাহাতের ছোঁয়ার জ্বালা। তার নিচে ভেজা উষ্ণতা। রাহাত তার ঘরে। বিছানায় ছটফট করছে। তার হাতে মায়ের বুকের নরমতা লেগে আছে। তার মনে একটা অদম্য ক্ষুধা। এই নিষিদ্ধ টানটা যেন তাদের দুজনকে একটা অদৃশ্য সুতোয় বেঁধে রেখেছে। সমাজের চোখে পাপ। কিন্তু তাদের ভেতরে একটা অদ্ভুত সত্য। রাতের নীরবতায় এই গোপন আগুন জ্বলছে। থামবে না। শুধু আরও গভীরে, আরও তীব্র হয়ে উঠবে। যতদিন না সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়।




চলবে......

 

Share:

0 comments:

Post a Comment

Xgossip. Bangla Choty Golpo

Tags

Xgossip— Bangla Choty Golpo. Powered by Blogger.

Ad Space

Featured post

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(১৫)

  পর্ব:১৫ বাবা- কি বলব বাবা তোকে, আসলে তোর মাকে বকা ঝকা করেছি তার কারন আছে তুই আমার ছেলে তোকে কি বলব সব তো খুলে বলা যায়না। আমি- কেন বাবা আমি...

Search This Blog

🔞 ১৮% সতর্কবার্তা

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন।

About Us

About Us
এই খানে পাবেন বিভিন্ন লেখকদের বিভিন্ন ক্যাটাগরির চটি গল্প।

Translate

Popular Posts

Popular Posts