Bangla Choty Golpo

প্রতিমার জীবন সংগ্রামের ইতিকথা(০৫)




 পঞ্চম ভাগ:-


বৃষ্টির শব্দ হোটেলের জানালার কাঁচের ওপর অবিরাম তাল পিটছিল। ঘরের ভেতর স্তিমিত আলো। বাতাসের আর্দ্রতা আর শরীরের ঘামে মিশে এক অদ্ভুত মাদকতা তৈরি হয়েছে। প্রতিমা বিছানায় শুয়ে আছেন, তার বুক দ্রুত ওঠানামা করছে। সৌম্য তার ওপর ঝুঁকে আছে, তার চোখের দৃষ্টিতে এখন আর কোনো দ্বিধা নেই, কেবল আছে এক আদিম, ক্ষুধার্ত তৃষ্ণা।
প্রতিমা কাঁপা গলায় বললেন, “তুই আমার কথা শুনবি না? থাম এবার, সৌম্য!”
সৌম্য কোনো উত্তর দিল না। তার চোখ দুটোতে এখন এক আদিম তৃষ্ণা, যা বছরের পর বছর জমা হয়ে পাহাড় সমান হয়েছে। সে শুধু তার শক্ত হাঁটু দিয়ে মায়ের দু’পা আরও প্রশস্ত করে দিল। প্রতিমার উরুর নিচে সৌম্যর হাঁটু চেপে বসল, ফলে প্রতিমার নরম উরু দুটো সৌম্যর পেশীবহুল উরুর ওপর লেপটে গেল।
প্রতিমা আর্তনাদ করে উঠলেন, “সৌম্য, পরে খুব আফসোস করবি বাবা। এটা ভুল... সব ভুল!”
সৌম্যর ঠোঁটে একটা ক্ষীণ হাসি ফুটে উঠল। সে তার লিঙ্গটা প্রতিমার যোনির ফাটলের পুরো দৈর্ঘ্য বরাবর উপর থেকে নিচে ঘষতে শুরু করল। চামড়ার সাথে চামড়ার সেই ঘর্ষণ প্রতিমার শিরদাঁড়া দিয়ে একটা বিদ্যুৎ তরঙ্গ পাঠিয়ে দিল। প্রতিমা চোখ বন্ধ করে নিলেন, কিন্তু তার শ্বাস এতই ভারী হয়ে এল যে তার সুডৌল স্তন দুটি তীব্রভাবে কাঁপতে লাগল।
সৌম্যর ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেল। সে তার মায়ের যোনির স্ফীত ঠোঁট দুটি আঙুল দিয়ে আলাদা করে দিল এবং তার বিশাল লিঙ্গটির মুণ্ডুটা ঠিক প্রবেশপথে চেপে ধরল। যোনির ভেতরকার উষ্ণতা তাকে চমকে দিল; মনে হলো যেন কোনো জ্বলন্ত স্টোভে সে তার অঙ্গটি রেখেছে।
সৌম্য এক ধাক্কায় ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করল, কিন্তু লিঙ্গের অস্বাভাবিক মোটা গড়ন বাধা হয়ে দাঁড়াল। প্রতিমার যোনি যেন এই লিঙ্গকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করছিল। সৌম্য আবার চাপ দিল। এক রাম ঠাপে প্রায় এক ইঞ্চি লিঙ্গ ভেতরে ঢুকে গেল।
“আআআহহ!”
প্রতিমা অসহ্য যন্ত্রণায় চিৎকার করে উঠলেন। তার দুই হাত মাথার উপরের বালিশটাকে জোরে চেপে ধরল। সৌম্যর প্রতিটি ঠাপে বিছানাটা কেঁপে উঠছিল, আর প্রতিমার শরীরটা প্রবলভাবে নড়ে উঠছিল। প্রতিবার যখন লিঙ্গটি ভেতরে প্রবেশ করছিল, প্রতিমার মুখ থেকে আর্তচিৎকার বেরিয়ে আসছিল।
তিনি শরীর ঝাঁকিয়ে উপরে সরে যাওয়ার চেষ্টা করলেন। এটি ছিল নিয়তি এড়ানোর শেষ চেষ্টা, এক শেষ লড়াই। কিন্তু সৌম্যর বাহু ছিল লোহার মতো শক্ত। সে প্রতিমাকে আর সুযোগ দিল না। এক প্রচণ্ড ধাক্কায় সে সমাজের সবচেয়ে পবিত্র বলে বিবেচিত সেই অদৃশ্য দেয়ালটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল।
লিঙ্গটি অর্ধেক পর্যন্ত ভেতরে ঢুকে গেল।
সৌম্য হঠাৎ থামল। সে লিঙ্গটি ধীরে ধীরে বাইরে টেনে আনল, তারপর এক ঝটকায় আরও কিছুটা গভীরে প্রবেশ করাল।
“হায় হায়! ওরে বাবা!”
প্রতিমা ছটফট করতে লাগলেন। তার উরু দুটো আরও ছড়িয়ে গেল। তার মনে হচ্ছিল যেন তার যোনিকে মাঝখান থেকে চিরে কেউ একটি গরম লোহার মোটা খুঁটি গেঁথে দিয়েছে। এত তীব্র ব্যথা তিনি কল্পনাও করেননি।
তিনি ফিসফিস করে উঠলেন, “উউউহহ মা... মরে গেলাম রে!”
সৌম্য কিছুক্ষণের জন্য স্থির হয়ে রইল। সে চোখ বন্ধ করল। এক অদ্ভুত স্বর্গীয় আনন্দের অনুভূতি তাকে আচ্ছন্ন করল। মায়ের গভীর এবং উষ্ণ যোনির দেয়ালগুলো তার লিঙ্গকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরেছে। ভেতরটা মখমলের মতো নরম, অথচ আগুনের মতো গরম।
সৌম্য চোখ খুলে প্রতিমার দিকে তাকালো। প্রতিমার উরু প্রসারিত, পা ভাঁজ করা। ছোট ছোট দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাসে তার বুক আর পেট কাঁপছে। সে তার বাহু দুটি উপরে তুলে বিছানার হেডবোর্ড ধরে রেখেছিল, যার ফলে তার স্তন দুটি উপরের দিকে টানটান হয়ে উঠেছে। বড় বড় নিপলগুলো যেন এক অদ্ভুত আমন্ত্রণ জানাচ্ছিল। বাতির হালকা আলোয় প্রতিমার ফর্সা নগ্ন শরীরটা ঘাম আর কামনায় চকচক করছিল।
সৌম্য একটু সামনের দিকে ঝুঁকল। তার উরু দুটোকে আরও উপরে তুলে মায়ের দুই পাশে হাত রাখল। সে বুঝল, এখন আর ফেরার পথ নেই। সে লিঙ্গটি আলতোভাবে ছাড়ল এবং পরক্ষণেই পরপর দুটি জোরালো ধাক্কা মারল।
এবার সৌম্যর সেই ভয়ংকর লিঙ্গটি যোনির বহু বছর ধরে নিস্তব্ধ থাকা মখমলি দেয়াল ভেদ করে সরাসরি জরায়ুর মুখে গিয়ে ধাক্কা দিল।
প্রতিমার সারা শরীর ধনুকের মতো কুঁকড়ে গেল। তার চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়ল।
“উইইই মা! মরে গেলাম! কত লম্বা আর মোটা তোর লিঙ্গ... হায়ইইই মা!”
সৌম্যর মনে হচ্ছিল সে তার লিঙ্গটি কোনো গরম মাখনের পাত্রে ডুবিয়ে দিয়েছে। প্রতিমার যোনি এত নরম, এত সংবেদনশীল যে প্রতিটি স্পন্দন সে অনুভব করতে পারছিল। সে আলতো করে প্রতিমার চোখের জল মুছে দিল। তার মনে হলো, এই মুহূর্তে ক্রোধ বা কামনার চেয়েও বেশি প্রয়োজন সোহাগ।
সে প্রতিমাকে আবার আদর করতে শুরু করল। তার মুখটা দুহাতে ধরে গভীর চুম্বনে মগ্ন হলো। ঠোঁট চুষতে লাগল, যেন প্রতিমার সবটুকু সত্তাকে সে শুষে নিতে চায়। তারপর তার মুখ নেমে এল সেই সুডৌল স্তনযুগলের দিকে। সে স্তন দুটোতে মুখ ডুবিয়ে দিল, নিপল নিয়ে খেলতে লাগল।
বেশ কিছুক্ষণ ধরে সে প্রতিমার শরীরের প্রতিটি অঙ্গ আলতোভাবে স্পর্শ করল। কখনো নাভিতে চুমু খেল, আর প্রতিমা হালকাভাবে চমকে উঠতেন। ধীরে ধীরে প্রতিমার সেই ভয়ংকর যন্ত্রণা কমতে শুরু করল। যন্ত্রণার জায়গাটা দখল করল এক অদ্ভুত শিহরণ। সেই তীব্র ব্যথা ধীরে ধীরে চরম আনন্দে রূপান্তরিত হতে লাগল।
প্রতিমার মুখ থেকে এবার গোঙানির শব্দ বের হতে লাগল, “আআআআহ... সোনা... হাআআআআয় আমার যোনি! কত লম্বা তোর লিঙ্গ বাবা... কত মোটা তোর লিঙ্গ!”
সৌম্য আর প্রতিমা একে অপরকে বাহু দিয়ে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। তারা একে অপরের চোখের দিকে তাকালো। এক মুহূর্তের স্তব্ধতা, তারপর দুজনের ঠোঁটে ফুটে উঠল এক নিষিদ্ধ হাসি। প্রতিমা হঠাৎ লজ্জা পেলেন এবং অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে নিলেন।
যন্ত্রণার রেশ চলে গেছে, এখন সেখানে রাজত্ব করছে তৃপ্তি। প্রতিমার যোনির ছোট্ট ছিদ্রটি এবার তিনগুণ বড় হয়ে ফেটে ছড়িয়ে গেছে, আর লিঙ্গের কিনারা বরাবর চামড়াটা রাবারের রিংয়ের মতো একদম আঁটসাঁট হয়ে লেগেছে।
প্রতিমা ধীরে ধীরে সৌম্যর কানে কাঁপতে কাঁপতে বললেন, “বাবা, তুই আজ আমাকে শেষ করে দিলি। জানিস কত বড় আর মোটা তোর লিঙ্গ? কত ভেতরে ঢুকে আছে আমার... আমার যোনি ফাটিয়ে দিয়েছিস তুই। নিজের মায়ের যোনিতে কেউ এভাবে লিঙ্গ ঢোকায়?”
সৌম্যর কণ্ঠে এক অদ্ভুত আত্মতৃপ্তি। সে ফিসফিস করে বলল, “তোমার কি জানা আছে, মা? এখনও পুরো লিঙ্গ তোমার যোনিতে ঢোকেনি। এখনও কিছুটা বাকি আছে।”
প্রতিমা চমকে উঠলেন, “কী? মানে?”
সৌম্য মৃদু হেসে বলল, “হুম, নিজেই দেখে নাও। ছুঁয়ে দেখো...”
প্রতিমা তার হাত নিচে নিয়ে গেলেন। তার আঙুল যখন যোনির মুখে স্পর্শ করল, তিনি অবাক হয়ে দেখলেন সত্যিই এক চতুর্থাংশ লিঙ্গ তখনও বাইরে রয়ে গেছে। বাকি অংশটা ভেতরে এমনভাবে গেঁথে আছে যে মনে হচ্ছে তারা এখন এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। লিঙ্গ আর যোনি উভয়েই প্রচণ্ড উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
প্রতিমা হাত সরিয়ে নিয়ে সৌম্যর কানে গোঙাতে গোঙাতে বললেন, “বাবা, তোর পুরো লিঙ্গ আমার যোনিতে ঢোকাস না। পুরোটা ঢোকালে আমি সত্যিই মরে যাবো।”
সৌম্যর চোখদুটো আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠল। সে প্রতিমার ঠোঁটে আবারও তার ঠোঁট রাখল এবং গভীর আবেগে বলল, “মা, আমি তোমার সাথে সম্পূর্ণ এক হতে চাই। কোনো বাধা ছাড়া, কোনো দূরত্ব ছাড়া।”
প্রতিমা আর বাধা দিলেন না। তিনি চোখ বন্ধ করে সৌম্যর শরীরের ভার অনুভব করলেন। বাইরের বৃষ্টি এখন আরও জোরে পড়ছে, আর ঘরের ভেতরে চলছে এক নিষিদ্ধ প্রেমের চরম বহিঃপ্রকাশ।
“তোর এই পাগলামি... এই নেশা... আমাকে কোথায় নিয়ে গেল রে সৌম্য!” প্রতিমা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন।
সৌম্যর ঠোঁটে তখনো সেই তৃপ্তির হাসি। সে ধীরে ধীরে গতি বাড়াতে শুরু করল। প্রতিটি ধাক্কায় প্রতিমার শরীর বিছানায় আরও গভীরে তলিয়ে যাচ্ছিল।
“আহহ... আরও... আরও ভেতরে... সৌম্য!” প্রতিমার কণ্ঠস্বর এখন আর আর্তনাদ নয়, বরং এক গভীর আকাঙ্ক্ষার আহ্বান।
সৌম্যর পেশীবহুল শরীর ঘামে ভিজে একাকার। সে প্রতিমার নিতম্ব শক্ত করে ধরে আরও গভীরে প্রবেশ করাল। প্রতিবার যখন সে ধাক্কা দিচ্ছিল, প্রতিমার মুখ থেকে অস্ফুট শব্দ বেরিয়ে আসছিল।
“তুমি কি জানো মা, আমি কতদিন ধরে এই মুহূর্তটার কথা ভেবেছি?” সৌম্যর শ্বাস দ্রুত।
প্রতিমা চোখ খুলে তার ছেলের দিকে তাকালেন। সেই চোখে এখন আর ঘৃণা নেই, আছে এক অদ্ভুত আত্মসমর্পণ। তিনি ফিসফিস করে বললেন, “আমি জানতাম না তুই আমাকে এভাবে ভালোবাসিস... এই ভালোবাসা তো পাপ, সৌম্য। মহাপাপ!”
সৌম্যর ঠোঁটে এক তাচ্ছিল্যের হাসি ফুটে উঠল। “পাপ যদি এই উষ্ণতা হয়, তবে আমি এই পাপের সাগরে ডুবে যেতে রাজি। তোমার এই শরীর, তোমার এই গন্ধ... আমার সারা জীবন শুধু এটাই চেয়েছি।”
প্রতিমা তার হাত দিয়ে সৌম্যর পিঠের পেশীগুলো চেপে ধরলেন। “তুই আমাকে পাগল করে দিলি রে। আমার ভেতরে তোর এই বিশালতা... আমি আর নিজেকে সামলাতে পারছি না।”
সৌম্যর গতি এখন আরও তীব্র। সে প্রতিমার উরু দুটো নিজের কাঁধের ওপর তুলে নিল। এই পজিশনে সে আরও গভীরে পৌঁছাতে পারছিল। প্রতিবার ধাক্কায় মনে হচ্ছিল জরায়ুর দেয়ালগুলো কাঁপছে।
“আআআহহ! সৌম্য! খুব জোরে হচ্ছে... উউউহহ!” প্রতিমা চিৎকার করে উঠলেন, কিন্তু এবার সেই চিৎকারে আনন্দের সুর ছিল।
সৌম্যর মনে হচ্ছিল সে এক মহাসমুদ্রের ঢেউয়ের সাথে লড়ছে। প্রতিমার যোনির ভেতরের চাপ আর উষ্ণতা তাকে উন্মাদ করে দিচ্ছিল। সে তার মুখ প্রতিমার গলায় চেপে ধরে চুষতে লাগল, আর নিচে তার লিঙ্গটি অবিরামভাবে ঠাপাতে থাকল।
“মা... তুমি শুধু আমার... শুধু আমার!” সৌম্যর কণ্ঠস্বর এখন কর্কশ, কামনায় ভরা।
প্রতিমা তার মাথা পেছন দিকে হেলিয়ে দিলেন। তার চোখ দুটো উল্টে যাচ্ছিল। তিনি অনুভব করতে পারছিলেন, তার ভেতরে এক আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরিত হতে চলেছে।
“হচ্ছে... হচ্ছে... সৌম্য... আমি আর পারছি না... আমি শেষ হয়ে যাচ্ছি!”
সৌম্যর ধাক্কায় এবার এক চূড়ান্ত ছন্দ তৈরি হলো। পচ্‌পচ্ শব্দে ঘরটা ভরে উঠল। প্রতিমার যোনি থেকে নিঃসৃত রস আর ঘামের সংমিশ্রণে শরীর দুটো পিছলে যাচ্ছিল, কিন্তু তাদের বাঁধন আরও শক্ত হচ্ছিল।
সৌম্যর লিঙ্গটি এখন প্রতিমার যোনির সবচেয়ে গভীরে পৌঁছে গেছে। সে আর কোনো জায়গা পেল না ঢোকার। সে প্রতিমার স্তন দুটোকে দুহাতে মুঠো করে টিপল এবং এক শেষ প্রচণ্ড ধাক্কায় নিজেকে প্রতিমার ভেতরে সম্পূর্ণভাবে বিলীন করে দিল।
“আআআআআহহহ!”
প্রতিমা এক তীব্র অর্গাজমে শরীর কাঁপিয়ে উঠলেন। তার সারা শরীর ধনুকের মতো বেঁকে গেল এবং এক মুহূর্তের জন্য তিনি নিস্পন্দ হয়ে পড়লেন। কিন্তু তাদের জীবনের ঝড় সবেমাত্র শুরু হয়েছে।

Share:

0 comments:

Post a Comment

Xgossip. Bangla Choty Golpo

Tags

Xgossip— Bangla Choty Golpo. Powered by Blogger.

Ad Space

Featured post

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(১৫)

  পর্ব:১৫ বাবা- কি বলব বাবা তোকে, আসলে তোর মাকে বকা ঝকা করেছি তার কারন আছে তুই আমার ছেলে তোকে কি বলব সব তো খুলে বলা যায়না। আমি- কেন বাবা আমি...

Search This Blog

🔞 ১৮% সতর্কবার্তা

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন।

About Us

About Us
এই খানে পাবেন বিভিন্ন লেখকদের বিভিন্ন ক্যাটাগরির চটি গল্প।

Translate

Popular Posts

Popular Posts