Part:01
রান্নাঘরে চপিং বোর্ডের ওপর ছুরি চলার চটপট শব্দ—‘খট খট, খট খট’। প্রতিদিনের মতোই মিসেস শ্রাবণীর সকালটা শুরু হয় চেনা এক চিলতে ব্যস্ততা দিয়ে। সকালের নাস্তা তৈরি করা, এরপর ছেলেকে ঘুম থেকে জাগানো এ-ই তার প্রাত্যাহিক রুটিন
কুচানো পেঁয়াজগুলো একপাশে সরিয়ে রেখে তিনি একবার দেয়াল ঘড়ির দিকে তাকালেন। হ্যা, ছেলেকে ঘুম থেকে ডাকার সময় হয়ে গেছে বৈকি।তাই তার ঘরের দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকলেন তিনি। বিছানায় তখনো বাইরের জগৎ থেকে সম্পূর্ণ বেখবর হয়ে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে আছে রোহান; আরামের কম্বলটা একদম মাথার ওপর পর্যন্ত টানা। তিনি বিছানার পাশে গিয়ে দাঁড়ালেন এবং এক ঝটকায় তার মাথার ওপর থেকে কম্বলটা সরিয়ে দিলেন।
“এই রোহান! অনেক হয়েছে, এবার ওঠ তো দেখি!” একটু ভালোবেসে, কিছুটা ধমকের সুরে ডেকে উঠলেন মিসেস শ্রাবনী
তখনো তিনি জানতেন না, প্রতিদিনের এই অতি সাধারণ, চেনা সকালটাই তাঁদের জীবনের চাকা সম্পূর্ণ বদলে দিতে চলেছে। হ্যাঁ… ঠিক সেটাই ছিল সম্পূর্ণ অন্যরকম এক গল্পের সূচনা।
কম্বলটা এক ঝটকায় সরিয়ে দিতেই শ্রাবণী যা দেখলেন, তাতে তাঁর পুরো শরীর যেন জমে গেল।চিৎ হয়ে দু হাত দুদিকে ছড়িয়ে বেঘোরে ঘুমিয়ে আছে রোহান৷ তার এক হাতে মুঠো করে দুমড়ে মুচড়ে পাকানো একটা টিস্যু।পাজামাটা নামানো,অনাবৃত লিঙ্গটা পুরোপুরি উত্থিত হয়ে আছে৷ চরম অপ্রত্যাশিত ও বিব্রতকর এই দৃশ্য দেখে তিনি স্তব্ধ হয়ে তাকিয়ে রইলেন। মুহূর্তের জন্য তীব্র বিস্ময় আর লজ্জায় তাঁর চোখের মণি দুটো বড় বড় হয়ে উঠল; নিজের চোখকে যেন তিনি বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না!
পরক্ষণেই চরম অস্বস্তিতে পড়েও তিনি কোনোমতে নিজেকে সামলে নিলেন। কাঁপা হাতে—”ঝপ” করে কম্বলটা আবার রোহানের গায়ের ওপর টেনে দিলেন, যাতে দৃশ্যটা আড়াল করা যায়। তখন তাঁর বুকের ভেতর হৃৎপিণ্ডের গতি দ্বিগুণ হয়ে গেছে। তীব্র লজ্জায় লাল হয়ে তিনি এক মুহূর্তও আর সেখানে দাঁড়ালেন না। তড়িঘড়ি করে ঘরের দরজার দিকে পা বাড়িয়ে, প্রায় ছুটে বেরিয়ে যাওয়ার সময় কাঁপা গলায়, পেছন ফিরে না তাকিয়েই বলে উঠলেন, “না… নাস্তা তৈরি!”
মায়ের অমন আচমকা আওয়াজ আর কম্বলের ঝাপটায় রোহানের কাঁচা ঘুমটা ভেঙে গেল। সে চোখ ডলতে ডলতে, কিছুটা আড়মোড়া ভেঙে বিছানায় উঠে বসল। মায়ের এমন অদ্ভুত আচরণের কারণ বা ঠিক কী ঘটেছে তার কিছুই বুঝতে না পেরে সে কেবল ক্লান্ত গলায় বিড়বিড় করল, “উহ্…”
রোহানের ঘরের বাইরে এসে দেয়ালের সাথে পিঠ ঠেকিয়ে স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন শ্রাবণী। তাঁর পুরো মুখমণ্ডল তখন তীব্র লজ্জায় টকটকে লাল হয়ে উঠেছে, আর বুকের ভেতর হৃৎপিণ্ডের ধকধক শব্দটা যেন নিজের কানেই স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছিলেন , মনে মনে নিজেকে সামলানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছিলেন তিনি।
সিঁড়ি দিয়ে এক এক পা ফেলে নিচে নেমে যাওয়ার সময় তাঁর মাথায় কেবল ওই একটা দৃশ্যই অবিরাম ঘুরপাক খাচ্ছিল। ঘোর কাটার পর তিনি বুঝতে পারলেন—তাঁর ছেলে হয়তো নিজের ঘরে একা একা হস্তমৈথুন করছিল, আর সেই অবস্থাতেই কোনোভাবে ঘুমিয়ে পড়েছিল।
সিঁড়ির প্রতিটি ধাপে পা রাখার সময় শ্রাবণী মনে মনে ভেবে অবাক হচ্ছিলেন যে , ও ইতিমধ্যেই এমন একটা বয়সে পৌঁছে গেছে যেখানে ছেলেরা এই ধরণের কাজ করে…… তিনি নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করলেন যে, ছেলে বড় হচ্ছে—আজ হোক বা কাল, এমন একটা সময় আসবেই, এটাই তো স্বাভাবিক। কিন্তু যে বিষয়টা তাঁকে সবচেয়ে বেশি স্তব্ধ এবং চমকে দিয়েছিল, তা হলো রোহানের সেই গোপন অঙ্গটি…
মনের কোণে অবাধ্যভাবে ভেসে ওঠা সেই দৃশ্যটি শ্রাবণীকে এক অদ্ভুত ও গভীর হাহাকারে ফেলে দিল। আকার-আয়তনে কিছুটা তফাত থাকলেও, যতটুকু তিনি দেখেছেন—রোহানের সেই উত্তেজিত অঙ্গের গঠন হুবহু ওর বাবার মতোই ছিল! নিখুঁত সেই মিল দেখে তাঁর চোখ দুটো যেন কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছিল না। কোনো দিক থেকেই কোনো অমিল ছিল না সেখানে। এক চরম অস্বস্তি আর অজানা অনুভূতির দোলাচলে কাঁপতে কাঁপতে শ্রাবণী রান্নাঘরের দিকে এগিয়ে গেলেন।
খাবারের টেবিলে বসে রোহান বেশ নিশ্চিন্ত মনে সকালের নাস্তা খাচ্ছিল। সকালের সেই অপ্রস্তুতকর ঘটনা সম্পর্কে সে সম্পূর্ণ বেখবর। ওপাশে বসে চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে শ্রাবণী গভীর নজরে তাঁর ছেলের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। ছেলের খাওয়া দেখতে দেখতে তিনি মনে মনে ভাবছিলেন যে, গত বছর পর্যন্তও তাকে ছোট একটা বাচ্চাই ভাবতেন। কিন্তু অল্প অল্প করে বুঝতে পারছেন ও এখন সত্যিই একজন পুরুষে পরিণত হচ্ছে।
নাস্তা শেষ করে রোহান যখন স্কুলের ইউনিফর্ম আর কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে দরজার কাছে গিয়ে দাঁড়াল, শ্রাবণী তাঁকে বিদায় জানাতে এগিয়ে এলেন। হাত নেড়ে মৃদু হেসে তিনি বললেন, “সাবধানে যাস!” রোহানও দরজার দিকে পা বাড়িয়ে স্বাভাবিক গলায় জবাব দিল, “হুম, আসি তাহলে।”
খট করে দরজাটা বন্ধ হয়ে গেল। রোহান বাইরে চলে যেতেই ঘরের নীরবতায় মিসেস শ্রাবণী সম্পূর্ণ একা হয়ে পড়লেন। আর ঠিক তখনই, এতক্ষণ চেপে রাখা সমস্ত লজ্জা আর অস্বস্তি যেন এক ঝটকায় তাঁকে গ্রাস করল।
তীব্র এক অদ্ভুত অনুভূতিতে তাঁর দুই গাল টকটকে লাল হয়ে উঠল। নিজের বুকের ওপর হাত রেখে তিনি করিডোরের দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে দাঁড়িয়ে পড়লেন। তাঁর নিঃশ্বাস দ্রুত হয়ে আসছিল। আজ সারাটা দিন ধরে যখনই রোহানের সাথে তাঁর আর দশটা দিনের মতো সাধারণ কথাবার্তা হচ্ছিল, তাঁর মনে বারবার কেবল সকালের সেই দৃশ্যটাই ভেসে উঠছিল। কিছুতেই তিনি সেই চিন্তা মন থেকে সরাতে পারছিলেন না।
বর্তমানে তাঁর স্বামী বাইরের কোনো একটি দেশে কর্মরত আছেন; কর্মব্যস্ততার কারণে বছরে হাতে গোনা মাত্র কয়েকবারই তিনি বাড়ি ফিরে আসেন। স্মৃতির পাতায় ডুব দিয়ে শ্রাবণী মনে মনে ভাবছিলেন তাঁর ফেলে আসা দিনগুলোর কথা। তাঁর সাথে যখন প্রথম দেখা হয়েছিল, শ্রাবণী তখন ছিলেন কলেজে পড়া এক সরল, অবুঝ মেয়ে—বাইরের বাস্তব দুনিয়া কিংবা প্রাপ্তবয়স্কদের জগৎ সম্পর্কে যাঁর বিন্দুমাত্র ধারণাই ছিল না। তিনিই ছিলেন তাঁর জীবনের প্রথম পুরুষ, যিনি পরবর্তীতে তাঁর স্বামী হন এবং শারীরিক সম্পর্কের সমস্ত গোপন অলিগলি তাঁকে শিখিয়েছিলেন।
ধীরে ধীরে তাঁদের সেই সম্পর্ক এক চরম উন্মাদনাময় রূপ নিয়েছিল। সমস্ত রকমের শারীরিক অবস্থানে লিপ্ত হওয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরণের পোশাকে একে অপরকে কামোত্তেজিত করা—কোনো কিছুই বাদ ছিল না তাঁদের জীবনের সেই অধ্যায়ে। তীব্র আনন্দের সাগরে ডুবে থাকার জন্য নানারকম সেক্স টয় ব্যবহার করা, কিংবা রোমাঞ্চের নেশায় বুঁদ হয়ে চেনা গণ্ডির বাইরে বিভিন্ন বিচিত্র জায়গায় মেতে ওঠা… তাঁর স্বামী তাঁকে এক অদ্ভুত ও গভীর কামুকতায় দীক্ষিত করে তুলেছিলেন। আর ঠিক সেই উত্তাল, তীব্র শারীরিক মেলবন্ধনের দিনগুলোতেই তিনি তাঁর এই একমাত্র পুত্র—রোহানের জন্ম দিয়েছিলেন।
রোহানের জন্মের পরও তাঁর স্বামীর সাথে তাঁর সেই তীব্র শারীরিক সম্পর্কে কোনো পরিবর্তন আসেনি। কিন্তু একদিন, এক ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে মেতে থাকার সময় হঠাৎ করেই তাঁর স্বামী তীব্র যন্ত্রণায় নিজের কোমর চেপে ধরলেন। ঠিক সেই সময় থেকেই পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে গেল। কোমরের সেই দীর্ঘস্থায়ী যন্ত্রণার কারণে তিনি আর আগের মতো স্বাভাবিকভাবে মেলামেশা করতে পারতেন না। বাধ্য হয়ে মিলনের সময় শ্রাবণীকেই মূল ভূমিকা নিতে হতো, আর তাঁর স্বামীর ভূমিকা হয়ে পড়েছিল ভীষণ নিষ্ক্রিয়। ধীরে ধীরে তাঁর স্বামীর নিজস্ব কামশক্তি এতটাই কমে গিয়েছিল যে, তাঁদের সেই ঘনিষ্ঠ মুহূর্তগুলো একদম নিস্প্রাণ আর পড়েছিল।
এদিকে সন্তানকে বড় করে তোলার ব্যস্ততায়, শ্রাবণী নিজেও আস্তে আস্তে স্বামীর কাছে শারীরিক সম্পর্কের দাবি করা ছেড়ে দিয়েছিলেন। স্বামী-স্ত্রী হিসেবে তাঁদের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্কটা ভীষণ ভালো হলেও, তাঁদের দাম্পত্য জীবনটা ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ শারীরিক সম্পর্কহীন হয়ে পড়েছিল। তিনি ভেবেছিলেন, কোনো রকম উত্তাপ ছাড়াই তাঁদের এই শান্ত, নিস্তরঙ্গ বৈবাহিক জীবন হয়তো এভাবেই কেটে যাবে।
কিন্তু… আজ সকালের সেই একটি দৃশ্য সবকিছু ওলটপালট করে দিল। নিজের চোখের সামনে ছেলের সেই গোপনাঙ্গ যা হুবহু তাঁর স্বামীরটার মতোই দেখতে—তা দেখার পর, একজন নারী হিসেবে এতদিন ধরে মনের গভীরে চেপে রাখা তাঁর সমস্ত সুপ্ত যৌন লালসা আর তীব্র কামনা যেন হঠাৎ ঘুম ভেঙে জেগে উঠল। আর তার ওপর, তাঁর সামনে এখন আর কোনো অবুঝ শিশু নেই, বরং বীর্যপাতে সক্ষম এক পুরুষের উপস্থিতি… এই চরম ও নিষিদ্ধ সত্যটি শ্রাবণীর চোখের মণি দুটোকে স্তব্ধ করে দিল, আর তাঁকে এক অবর্ণনীয় অনুভূতির অতল গভীরে ছুঁড়ে দিল।
করিডোরে দাঁড়িয়ে শ্রাবণী অনুভব করলেন তাঁর বুকটা ভীষণ জোরে ধড়ফড় করছে। এক হাত বুকের ওপর আর অন্য হাত নিজের পেটের কাছে চেপে ধরলেন। তার শরীরের কেন্দ্রবিন্দুতে কেমন যেন একটা তীব্র, অচেনা আকুলতা মোচড় দিয়ে উঠছে…
বেসিনের সামনে গিয়ে পানির কলটা ছেড়ে হাত ধুতে ধুতে তিনি নিজের এই অবাধ্য অনুভূতিকে চেপে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করতে লাগলেন। নিজের মনকে শান্ত করতে মাথা নেড়ে বিড়বিড় করে উঠলেন, “না… আমার ছেলেটা এখন একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষে পরিণত হচ্ছে—কেবল এটা হঠাৎ সামনাসামনি দেখে আমি ভীষণ অবাক হয়েছি। হ্যাঁ, ঠিক তাই… অন্য কিছু হতেই পারে না, সবকিছু আগের মতোই স্বাভাবিক আছে।” মন থেকে সেই নিষিদ্ধ আর উত্তেজনাকর চিন্তাগুলো ঝেড়ে ফেলতে তিনি নিজেকে প্রতিদিনের চেনা গৃহস্থালির কাজে ব্যস্ত করে তুললেন। অন্য সব দিনের মতোই—কাপড় কাচা, ধোয়া বাসনকোসনগুলো যথাস্থানে গুছিয়ে রাখা, ভেজা কাপড়গুলো বাইরে শুকাতে দেওয়া, ঘরদোর হালকা ঝাড়পোঁছ করা… এবং সংসারের সমস্ত কাজ শেষ করে বরাবরের মতো অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া।যদিও এতকিছুর পরও মনকে পুরোপুরি শান্ত করতে পারছিলেন না……
অন্য সব দিনের মতোই সন্ধ্যা পর্যন্ত তাঁদের দুজনের মধ্যে সাধারণ কথাবার্তা ও যোগাযোগ চলল। রাতের খাবার তৈরি করার পর, রোহানকে সাথে নিয়ে তিনি একসাথে ডাইনিং টেবিলে বসে রাতের খাবার খেলেন। সব কিছুই আপাতদৃষ্টিতে ভীষণ স্বাভাবিক আর চেনা রুটিনেই কাটছিল। এরপর যখন রাত বাড়ল এবং দুজনের ঘুমানোর সময় হলো, তখন রোহান নিজের ঘরে যাওয়ার আগে বলল, “শুভ রাত্রি।” শ্রাবণীও মৃদু স্বরে জবাব দিলেন, “উম, শুভ রাত্রি।” বাইরে তখন নিঝুম রাত, চারপাশ সম্পূর্ণ নিস্তব্ধ। বিছানায় যাওয়ার আগে শ্রাবণী বাথরুমে গেলেন শাওয়ার নিতে। পানির কলটা ছেড়ে দিতেই ঝরঝর শব্দে পানি আছড়ে পড়তে লাগল তাঁর অনাবৃত শরীরের ওপর। ঝরনার শীতল জলের ঝাপটাও কিন্তু তাঁর মনের ভেতরের সেই অবাধ্য উত্তাপ, তীব্র লজ্জা আর সকালের সেই দৃশ্যপটকে কিছুতেই ধুয়ে মুছে সাফ করতে পারছিল না। পানির স্পর্শে চোখ দুটো বুজে আসতেই তিনি আবার এক অদ্ভুত, অবর্ণনীয় কামনার আবর্তে তলিয়ে যেতে লাগলেন…
রোহান ঘুমিয়ে পড়ার পর, শ্রাবণী আলমারির একদম পেছনের কোণ থেকে সেই বাক্সটি খুঁজে বের করলেন—যা তিনি প্রায় এক দশক ধরে স্পর্শও করেননি। হাতে সেই কৃত্রিম অঙ্গটি নিয়ে তিনি চরম বিস্ময় আর উত্তেজনার এক অদ্ভুত দোলাচলে মগ্ন হয়ে তাকিয়ে রইলেন। তাঁর পুরো মুখমণ্ডল তখন তীব্র লজ্জায় ও কামাবেশে লাল হয়ে উঠেছে। মনে মনে তিনি ভাবছিলেন, *“সত্যিই কি প্রায় দশটা বছর কেটে গেছে এটা শেষবার ব্যবহার করার পর…?”* দীর্ঘদিনের অবদমিত আকাঙ্ক্ষা আজ আর কোনো নৈতিক বাধা মানছিল না। বিছানায় শুয়ে, রাতের নিস্তব্ধতার মাঝে তিনি নিজেকে সেই গোপন আনন্দের সাগরে সঁপে দিলেন।
দীর্ঘদিন পর তাঁর অবদমিত শরীর যেন এক তীব্র ব্যাকুলতায় সেই কৃত্রিম অঙ্গটিকে অনায়াসে গ্রহণ করে নিল। একজন নারী হিসেবে তাঁর শরীরটা যে এই সুখের জন্য কতটা তৃষ্ণার্ত ছিল, তা প্রতি মুহূর্তের অনুভূতিতে স্পষ্ট হয়ে উঠছিল। বহু বছর পর আবার সেই চেনা উদ্দীপনা শরীরে প্রবেশ করতেই তার যোনীতে এক গভীর ও তীব্র সুড়সুড়িতে শিউরে উঠল। খেলনাটা নিজের শরীরের ভেতরে আনা-নেওয়া করার সময় ঘরের নিস্তব্ধতা ভেঙে এক কামুক শব্দ প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল, যা তিনি নিজের কানেই স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছিলেন।
কিন্তু তীব্র সুখে চোখ দুটো বুজে আসতেই এক অদ্ভুত এবং নিষিদ্ধ সত্যের মুখোমুখি হলেন শ্রাবণী। এই চরম আনন্দের মুহূর্তে তিনি কিন্তু তাঁর দূরপ্রবাসে থাকা স্বামীর কথা ভাবছিলেন না, কিংবা অন্য কোনো পুরুষের চেহারাও তাঁর মনে আসছিল না… তাঁর অবচেতনে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ভেসে উঠছিল কেবল তাঁর সকালে দেখা তার নিজের ছেলে রোহানের লিঙ্গটি!
আজ সকালে দেখা রোহানের সেই টানটান, উত্তেজিত অঙ্গের দৃশ্যটি তাঁর মনের মণিকোঠায় যেন চিরতরে গেঁথে গেছে। আকার-আয়তনে কিছুটা ছোট হলেও, দৃশ্যটা দেখে মনে হচ্ছিল ওটা যেন চরম কামোত্তেজনায় ফেটে পড়ার জন্য তৈরি হয়ে আছে। নিজের একমাত্র সন্তানকে নিয়ে এমন এক নিষিদ্ধ ও উত্তাল ফ্যান্টাসিতে মেতে উঠে, অপার্থিব এক তীব্র আবেশে কাঁপতে কাঁপতে তিনি খেলনাটি আরও দ্রুত নিজের শরীরে চালনা করতে লাগলেন…
নাইটগাউনটা বুকের কাছ থেকে একপাশে সরিয়ে একটা স্তনের বোটা মোচড়ানো শুরু করলেন। কামোত্তেজনার শিখরে আরোহণ করতে করতে শ্রাবণী যখন তাঁর চরম তৃপ্তির একেবারে কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই হঠাৎ তিনি এক অদ্ভুত বিষয় টের পেলেন। চরম আবেশে বুঁদ হয়ে থাকার মাঝেই তাঁর মনে হলো—বাইরে থেকে কেউ একজন দরজার ওপাশ থেকে নিস্তব্ধে উঁকি দিচ্ছে! ঝাপসা চোখে ঘরের দরজার দিকে তাকাতেই তাঁর হৃৎপিণ্ডটা যেন মুহূর্তের জন্য থমকে গেল। শোবার ঘরের দরজাটা সামান্য ফাঁক হয়ে ছিল। আর সেই সামান্য খোলা দরজার ওপাশে আবছা অন্ধকারে দাঁড়িয়ে থাকা অবয়বটিকে চিনে নিতে তাঁর এক সেকেন্ডও সময় লাগল না—সে আর কেউ নয়, স্বয়ং তাঁর নিজের ছেলে রোহান! এই গভীর রাতে সে দরজার ওপাশে দাঁড়িয়ে তাঁর এই চরম গোপন ও নিষিদ্ধ মুহূর্তটি লুকিয়ে দেখছিল! |
0 comments:
Post a Comment