![]() |
পর্ব:০৪দ্বিতীয় আগুনপরের দিন সকালে মেহনাজের শরীর এখনো কালকের ঘটনায় থরথর করছিল। আদিলের বিছানায় অর্জুনের সাথে যা হয়েছে, তার স্মৃতি মনে পড়লেই তার গুদ কিলবিল করে উঠছে। সে নাইটগাউন পরে ঘরের কাজ করছিল। ভারী দুধ দুটো নাইটগাউনের ভিতর দুলছে। স্বামীকে খাইয়ে দিয়ে সে রান্নাঘরে বাসন ধুচ্ছিল, এমন সময় ডোরবেল বাজলো। মেহনাজের বুকের ভিতর একটা অদ্ভুত অনুভূতি হলো। সে ভাবলো অর্জুন আবার এসেছে, ওকে নিতে। দরজা খুলতেই দেখে... না অর্জুন না, ওর ছেলের আরেক বন্ধু রাহুল দাঁড়িয়ে। লম্বা, চিকন কিন্তু শক্ত শরীর। গায়ে টাইট টি-শার্ট আর শর্টস। তার চোখ সরাসরি মেহনাজের বুকের দিকে চলে গেল। নির্লজ্জের মত মেহনাজের দুধের দিকে তাকিয়ে হাসি দিলো ছেলেটা। “আন্টি, সরি। কাল খেলতে গিয়ে আমাদের বলটা বোধ হয় তোমার ছাদে পড়ে গেছে। একটু খুঁজে দেখে নিতে পারি?” মেহনাজ হাসলো। সে জানে এটা ডাঁহা মিথ্যা। বোকাচোদাটা এসেছে তাকে লাগাতে। অর্জুনের মতোই গাণ্ডু ছেলেটার সব বুদ্ধি বাড়ার ডগায়, তাই লেইম এক্সকিউজ দিয়ে ঘরের দরজা খুলিয়েছে। কিন্তু সে অভিনয় করলো। “ও, আচ্ছা, তাই নাকি? চলো, উপরে যাই। দেখি কোথায় আছে।” দুজনে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠলো। মেহনাজ সামনে হাঁটছে, গতকালও ঠিক এভাবে অর্জুনকে নিয়ে গিয়েছিল ও। তার নাইটগাউনের নিচ থেকে নিতম্ব দুলছে। রাহুল পেছন থেকে তার ঝুলন্ত দুধ আর পাছার দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে হাঁটছে। বারান্দায় এসে মেহনাজ দাঁড়াল। রাহুল পাশে দাঁড়িয়ে খোঁজার ভান করছে। কিন্তু তার চোখ মেহনাজের শরীর থেকে সরছে না। “আন্টি, তোমার বাড়িটা খুব সুন্দর। আদিল তো হোস্টেলে চলে গেছে... তুমি একা একা কেমন থাকো?” রাহুল মামুলি প্রশ্ন করলো। মেহনাজ সোজা হয়ে দাঁড়ালো। তার ভারী দুধ দুটো নাইটগাউনের ভিতর স্পষ্ট দুলে উঠলো। “কী আর করবো, রাহুল? স্বামী শয্যাশায়ী, ছেলে হোস্টেলে। একা একাই দিন কাটে। তবে তোমরা ছেলেরা মাঝে মাঝে এসে দেখা করো, তখন ভালো লাগে।” রাহুল হাসলো। তার চোখ মেহনাজের বুকের ওপর স্থির। “আমরা তো তোমার কাছে আসতে পছন্দ করি, আন্টি। তোমার হাতের রান্না খেতে, আর তোমাকে দেখতেও। তুমি তো খুব সুন্দর করে কথা বলো।” মেহনাজ লজ্জা পেয়ে হাসলো। সে জানে রাহুল কী বলতে চাইছে। তার চোখও একবার রাহুলের শর্টসের সামনের দিকে চলে গেল। সেখানে একটা স্পষ্ট তাঁবু তৈরি হয়েছে। সে দ্রুত চোখ সরিয়ে নিল। “তোমরা ছেলেরা খুব তাড়াতাড়ি বড় হয়ে গেছো। আগে তো ছোট ছিলে, এখন তো দেখি সবাই লম্বা হয়ে গেছো। আর অনেক বড়ও... একদম ফুল সাইয...” মেহনাজ ইচ্ছে করে দ্ব্যর্থক কথা বললো। রাহুলের চোখ চকচক করে উঠলো। সে কাছে এগিয়ে এলো। “হ্যাঁ আন্টি, আমরা বড় হয়েছি, লম্বাও হয়েছি। সব দিক দিয়েই। তুমি তো এখনো আগের মতই যুবতীর মতো আছো। তোমার এই নাইটগাউনটায় তোমাকে খুব সুন্দর মানিয়েছে।” মেহনাজের গাল লাল হয়ে গেল। “রাহুল, তুমি এসব বলো কেন? মনে রেখ, আমি তোমার বন্ধুর মা।” রাহুল হাসলো। তার চোখ এখনো মেহনাজের ভারী দুধের ওপর। “বন্ধুর মা হলে কী হয়েছে? তুমি তো খুব সুন্দর। পাড়ার লোকেরা তোমাকে দেখলে সবাইই বলে আদিলের আম্মুটা খুব হট।” মেহনাজ হেসে ফেললো। তার চোখ আবার রাহুলের শর্টসের দিকে চলে গেল। সে দেখতে পেলো ধোনটা আরও শক্ত হয়ে উঠেছে। “ধ্যাৎ! তোমরা ছেলেরা এখন সবকিছুতেই হট খুঁজো। আমার বয়স তো হয়েছে।” রাহুল কাছে আরও সরে এলো। তার গলা নামিয়ে বললো, “বয়সে কী আসে যায়, আন্টি? তোমার ফিগার তো এখনো অনেক তরুণীদের চেয়ে ভালো। অনেক জায়গাগুলো তো...” তার চোখ সরাসরি মেহনাজের দুধের দিকে। মেহনাজ লজ্জায় মাথা নিচু করলো কিন্তু তার শরীর গরম হয়ে উঠছে। “রাহুল... তুমি খুব দুষ্টু হয়ে গেছো। আগে তো এমন কথা বলতে না।” রাহুল হাসতে হাসতে বললো, “আগে তো ছোট ছিলাম। এখন তো বুঝি কোন জিনিস সুন্দর। আন্টি, তুমি যখন হাঁটো, যখন কাজ করো, তোমার লদলদে... মানে তোমার শরীরটা খুব সুন্দর দুলে ওঠে। দেখতে খুব ভালো লাগে।” মেহনাজ তার চোখে চোখ রেখে বললো, “তোমারও তো শরীর খুব শক্ত হয়েছে। খেলাধুলা করো বলে।” দুজনের মধ্যে এখন চোখাচোখি। বাতাসে যেন বিদ্যুৎ খেলছে। রাহুল তার হাতটা আস্তে আস্তে মেহনাজের কোমরের কাছে নিয়ে গেল। “আন্টি, বলটা আসলে কোথাও পড়েনি। আমি তোমাকে দেখতে এসেছি। অর্জুন কাল এসেছিল, তাই না?” মেহনাজ চমকে উঠলো। কিন্তু সে অস্বীকার করলো না। তার গলা নরম হয়ে গেল। “হ্যাঁ... এসেছিল তো। তুমিও কি... একই কারণে এসেছো?” রাহুল হাসলো। তার হাত এখন মেহনাজের কোমরে। “হ্যাঁ আন্টি। আমিও তোমার কাছে এসেছি। তোমার এই সুন্দর শরীর দেখতে, তোমার সাথে কথা বলতে। তুমি কি আমাকে পছন্দ করো না?” মেহনাজ তার চোখ থেকে চোখ সরিয়ে নিল না। তার গলায় একটা নরম সুর। “রাহুল... তুমি খুব হ্যাণ্ডসাম ছেলে। কিন্তু আমি তোমার মায়ের বয়সী...” রাহুল তার কানের কাছে মুখ নিয়ে বললো, “মায়ের বয়সী হলে কী হয়েছে? মায়েদেরও তো শখ আহ্লাদ থাকে। আর আমি মায়ের বয়সী মেয়েদের পছন্দ করি। আমার তোমাকে খুব ভালো লাগে।” মেহনাজের শ্বাস ভারী হয়ে গেল। সে ফিসফিস করে বললো, “তোমার... তোমার ওটা... অনেক বড় মনে হয়...” রাহুল হেসে তার কোমর জড়িয়ে ধরলো। “দেখবে আন্টি? আমারটা অর্জুনের চেয়ে মোটা। তোমরা মুসলিম মহিলারা তো মোটা জিনিস বেশি পছন্দ করো। সামলাতে পারবে তো?” মেহনাজ লজ্জায় মাথা নিচু করলো কিন্তু তার শরীর রাহুলের দিকে ঝুঁকে পড়লো। বাতাসে তীব্র যৌন উত্তেজনা। |







0 comments:
Post a Comment