![]() |
লেখক: নিলা৬০অধ্যায় ১: ফিরে আসা----------------------ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বাইরে বর্ষাকালের সন্ধ্যা নেমে এসেছিল। আকাশে মেঘের গর্জন, আর মাটিতে জমে থাকা বৃষ্টির জলে ছোটাছুটি করছে হাজারো মানুষ। রাহিম হাসান তার বড় কালো ট্রলি ব্যাগ হেঁচড়ে টার্মিনাল দুইয়ের বাইরে বের হলেন। পাঁচ বছর পর দেশে ফিরছেন তিনি। লন্ডনের কঠিন শীত আর ক্যারিয়ারের ব্যস্ততা ছেড়ে এই বর্ষার সন্ধ্যায় ফিরে আসা তাকে অদ্ভুতভাবে নাড়া দিচ্ছে। "ভাইয়া!" একটি মিষ্টি কণ্ঠস্বর ভিড়ের মাঝ থেকে ভেসে এল। রাহিম মাথা তুলে তাকালেন। ভিড়ের মাঝে একটি মেয়ে সাদা সালোয়ার কামিজে দাঁড়িয়ে আছে। চুলগুলো ভেজা বাতাসে উড়ছে, হাতে একটি ছাতা, কিন্তু মুখে হাসি যেন সব অন্ধকার দূর করে দিচ্ছে। রাহিমের হৃৎপিণ্ড এক ধাক্কা খেল। আয়েশা। তার সৎ বোন। না, ঠিক বোন নয়—মায়ের বোনের স্বামীর ভাইয়ের মেয়ে, অর্থাৎ চাচাতো বোনের মতো, কিন্তু পরিবারে সবাই তাকে বোনের মতোই দেখে। কিন্তু যে মেয়েটি দাঁড়িয়ে আছে, সে আর সেই ছোট্ট আয়েশা নেই। পাঁচ বছর আগে যখন রাহিম বিদেশ যান, তখন আয়েশা কলেজে ভর্তি হয়েছিল। এখন সে পাঁচ বছর পরে একবারে পরিণত নারী। তার সাদা পোশাকের নিচে বাঁকানো কোমরের রেখা, কাঁধের উপর পড়া কালো চুলের ভার, আর সেই চোখ—যেন কোনো কবির কল্পনার চেয়েও সুন্দর। "আয়েশা?" রাহিমের গলায় কিছুটা হেসে উঠল। "এতো দেরি করলে কেন? আমি দুই ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছি!" আয়েশা ছাতা নিয়ে এগিয়ে এল। তার পায়ের নূপুরের আওয়াজ মিশে গেল বিমানবন্দরের কোলাহলে। রাহিম তার সামনে দাঁড়ালেন। পাঁচ বছর আগের সেই কিশোরীর সাথে এখনকার এই নারীর কোনো মিল খুঁজে পাচ্ছিলেন না তিনি। আয়েশার চোখে এখন এক অদ্ভুত জ্যোতি, ঠোঁটে এক গভীর লালিমা। বৃষ্টির বাতাসে তার গায়ে ব্যবহৃত আতরের গন্ধ রাহিমের নাকে এল—যেন জুঁই ফুলের সাথে মিশানো কোনো পুরোনো স্মৃতি। "তুমি... এতো বড় হয়ে গেছ?" রাহিম বললেন কণ্ঠরোদ করে। "ভাইয়া, মানুষ বড় হয়ই," আয়েশা হাসল, তার দুটি চোখ মুগ্ধতায় ঝলমল করল, "চলো, গাড়ি পার্কিংয়ে। বাবা আর চাচা আসতে পারেননি, মিটিং ছিল। তাই আমাকে পাঠিয়েছে।" রাহিম তার ব্যাগ নিয়ে হাঁটতে শুরু করলেন। আয়েশা তার পাশে, ছাতাটি দুজনের মাঝে ধরে হাঁটছে। প্রায়শই তাদের কাঁধে কাঁধ লাগছে। প্রতিবার স্পর্শে রাহিমের শরীরে এক অদ্ভুত শিহরণ বয়ে যাচ্ছে। তিনি নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করছেন—এটা তার বোন, ছোটবেলা থেকে একসাথে বড় হওয়া মেয়ে, কিন্তু মন যেন কিছুতেই শুনতে চাইছে না। গাড়িতে উঠলেন তারা। আয়েশা ড্রাইভিং সিটে বসল। রাহিম যাত্রী আসনে। গাড়ি স্টার্ট দিতেই এসি চালু হলো। আয়েশার কামিজের হালকা কাপড়ে তার বক্ষের উন্মেষ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। রাহিম চোখ সরিয়ে নিলেন জানালার দিকে, কিন্তু জানালায় বৃষ্টির ফোঁটায় আয়েশার ছায়াপথই দেখতে পাচ্ছিলেন তিনি। "লন্ডন কেমন ছিল?" আয়েশা জিজ্ঞেস করল, গিয়ার বদলাতে বদলাতে। "ঠিক আছে। কাজে ব্যস্ত থাকতাম। একটা সফটওয়্যার কোম্পানিতে জয়েন করেছিলাম," রাহিম উত্তর দিলেন, "তুমি কেমন আছো? ইউনিভার্সিটি শেষ করেছো?" "হ্যাঁ, ইংরেজি সাহিত্যে মাস্টার্স শেষ। এখন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করি," আয়েশা বলল, তার কণ্ঠে একটা গর্বের সুর, "আর ভাইয়া... আমি বিয়ে করিনি এখনো।" শেষ কথাটা বলতে বলতে আয়েশার গালে একটা লালিমা এল। রাহিম বুঝতে পারলেন—মেয়েটি হয়তো ইচ্ছা করেই এই কথাটা বলেছে। কেন? সে বুঝতে পারছিলেন না। রাত সাড়ে নয়টায় তারা বনানীর বাড়িতে পৌঁছাল। দুইতলা বাড়িটি রাহিমের বাবার। নিচতলায় চাচা-ফুপুরা থাকেন, উপরতলায় রাহিমের পরিবার। আয়েশার বাবা-মা থাকেন মোহাম্মদপুরে, কিন্তু প্রায়ই এখানে আসেন, বিশেষ করে রাহিমের মা আয়েশাকে নিজের মেয়ের মতোই ভালোবাসেন। বাড়িতে ঢুকতেই রাহিমের মা ছুটে এলেন। "আমার ছেলে!" বলে জড়িয়ে ধরলেন। তারপর বাবা এলেন, চাচা-ফুপু এলেন। সবাই মিলে রাতের খাবার খেলেন। আয়েশা রাহিমের পাশেই বসেছিল। টেবিলের নিচে প্রায়শই তাদের পায়ের স্পর্শ হচ্ছিল। প্রতিবারই রাহিম দেখলেন, আয়েশা কিছু বলছে না, বরং চোখ নামিয়ে একটু হাসছে। খাওয়া শেষে সবাই নিচতলায় বসে গল্প করতে লাগলেন। রাহিম বারান্দায় দাঁড়ালেন, বাইরের বৃষ্টি দেখছিলেন। হঠাৎ পেছন থেকে একটা কণ্ঠস্বর এল, "একা একা কী করছো ভাইয়া?" রাহিম ঘুরে দাঁড়ালেন। আয়েশা দুটি কাপ চায়ের হাতে দাঁড়িয়ে আছে। "মা চা পাঠিয়েছেন," সে বলল, "তোমার জন্য বিশেষ করে দুধ চা, তুমি তো ঠাণ্ডায় থাকো এখন।" রাহিম চা নিলেন। তাদের হাতের স্পর্শ হলো। আয়েশার হাতটা গরম, নরম। রাহিমের মনে হলো—যেন স্পর্শ করলেন কোনো শিশিরভেজা পাতাকে। "ছাদে যাওয়া যায়?" আয়েশা হঠাৎ জিজ্ঞেস করল, "বৃষ্টি কমেছে। আমি তোমাকে কিছু দেখাতে চাই।" রাহিম রাজি হলেন। তারা দুজন সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠলেন। ছাদে একটা ছোট ঘর আছে, সেখানে পুরোনো জিনিসপত্র রাখা হয়। কিন্তে ছাদের ওপর খোলা জায়গায় দাঁড়ালে পুরো বনানীর আকাশ দেখা যায়। বৃষ্টি প্রায় থেমে গেছে। শুধু হালকা বৃষ্টিস্নাত বাতাস বইছে। আয়েশা ছাদের রেলিং ধরে দাঁড়াল। তার পেছনে শহরের আলো, সেই আলোয় তার চুলের কোমর দেখা যাচ্ছে। রাহিম তার পাশে এসে দাঁড়ালেন। "কী দেখাবে?" রাহিম জিজ্ঞেস করলেন। আয়েশা ঘুরে তাকালো তার দিকে। তার চোখে কোনো আলো নেই, শুধু গভীর অন্ধকার আর কিছু একটা অজানা আবেগ। "তোমাকে," সে ফিসফিস করে বলল, "তোমাকে দেখাতে চাই। পাঁচ বছর পর।" রাহিমের গলা শুকিয়ে গেল। "আমি তো এখানেই আছি," তিনি বললেন। "না," আয়েশা মাথা নাড়ল, "তুমি অনেক দূরে ছিলে। শুধু শরীরে নয়, মনেও। আমি জানি, তুমি আমাকে ভুলে গিয়েছিলে।" "ভুলিনি," রাহিম অজান্তেই বলে ফেললেন, "কখনো ভুলিনি।" তারা দুজনে চুপ করে দাঁড়িয়ে রইলেন। দূরে কোথাও একটা মসজিদের আজান ভেসে এল। রাত গভীর হচ্ছে। আয়েশা হঠাৎ রাহিমের হাত ধরল। "চলো," সে বলল, "নিচে যাই। ফুপু ডাকছেন।" সেই রাতে রাহিম তার ঘরে শুয়ে পড়লেন, কিন্তু ঘুম আসছিল না। তার মনে হচ্ছিল—আয়েশার হাতের স্পর্শ এখনো তার হাতে লেগে আছে। সেই নরম, উষ্ণ স্পর্শ। অধ্যায় ২: অনুভূতির জাগরণ পরদিন সকালে রাহিম ঘুম থেকে উঠলেন। সূর্যের আলো জানালা দিয়ে ঘরে ঢুকছে। তিনি ফ্রেশ হয়ে নিচতলায় গেলেন। ডাইনিং টেবিলে সবাই বসে নাস্তা করছেন। আয়েশাও সেখানে আছে। সে আজ হালকা গোলাপি শাড়ি পরেছে, চুল খোলা। রাহিমকে দেখে সে একটু হাসল, চোখ নামিয়ে নিল। "রাহিম, তুমি আজ থেকে অফিসে যাওয়া শুরু করো," বাবা বললেন, "আমার বন্ধুর কোম্পানিতে তোমার চাকরির ব্যবস্থা করেছি। আজ ইন্টারভিউ।" "ঠিক আছে বাবা," রাহিম বললেন। নাস্তা শেষে রাহিম বের হওয়ার জন্য প্রস্তুত হলেন। আয়েশা হঠাৎ বলল, "ভাইয়া, আমি আজকেও বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবো না। ছুটি নিয়েছি। যদি চাও, আমি তোমাকে গাড়িতে করে অফিসে পৌঁছে দিতে পারি।" রাহিম রাজি হলেন। গাড়িতে করে যাওয়ার পথে আয়েশা বলল, "বিকেলে ফ্রি থাকবে?" "হ্যাঁ, কেন?" "গুলশানে একটা ক্যাফে আছে। সেখানে যেতে চাই। তুমি আমার সাথে যাবে?" রাহিম রাজি হলেন। বিকেলে তিনি বাসায় ফিরে ফ্রেশ হয়ে গাড়ি নিয়ে বের হলেন। আয়েশা তাকে গুলশানের সেই ক্যাফেতে পৌঁছে দিল। সেটি ছিল একটি ছাদক্যাফে, নিচে শহরের ব্যস্ততা, আর উপরে শান্তি। তারা একটি কোণের টেবিলে বসল। আয়েশা কফি অর্ডার করল, রাহিম চা। সূর্য ডুবতে শুরু করেছে। আকাশ লাল হচ্ছে। "ভাইয়া," আয়েশা হঠাৎ বলল, "তুমি জানো, পাঁচ বছর ধরে আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করেছি?" রাহিম চমকে তাকালেন। "কী বলছো?" "আমি জানি, এটা শোনা উচিত নয়। কিন্তু আমি আর লুকাতে পারছি না," আয়েশার চোখে জল জমল, "ছোটবেলা থেকে তোমাকে আমি অন্যরকম ভাবতাম। তুমি যখন বিদেশ চলে গেলে, তখন বুঝতে পারি—আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচব না।" রাহিম হতবাক হয়ে বসে রইলেন। তার হাত কাঁপছে। "আয়েশা... তুমি..." "আমি জানি, আমরা পরিবারে ভাই-বোনের মতো। কিন্তু রক্তের সম্পর্ক নেই আমাদের। তুমি আমার মামার ছেলে নও। তুমি আমার ফুফুর ছেলে। আমাদের বিয়ে হতে পারে ধর্মীয়ভাবে, আইনগতভাবেও," আয়েশা কাঁপা কণ্ঠে বলল, "আর আমি তোমাকে ভালোবাসি। শুধু বোনের মতো নয়। একজন নারী হিসেবে।" রাহিম কিছু বলতে পারছিলেন না। তার মনে হচ্ছিল—যেন পাঁচ বছরের নিজেকে আবিষ্কার করছেন তিনি। সত্যি তো, তিনিও কি আয়েশাকে ভাই-বোনের চোখে দেখেছেন? নাকি সবসময়ই তার মনে একটা অজানা আকাঙ্ক্ষা ছিল? "আমি... আমি জানি নে কী বলব," রাহিম ঢোক গেলে বললেন। "কিছু বলতে হবে না," আয়েশা হাত বাড়িয়ে রাহিমের হাত ধরল, "শুধু বলো, তুমি কি আমাকে কোনোদিন ভালোবাসতে পারবে?" রাহিম আয়েশার দিকে তাকালেন। মেয়েটির চোখে এতো আবেগ, এতো ভালোবাসা—তিনি আর নিজেকে সংবরণ করতে পারলেন না। "আমিও," তিনি ধীরে ধীরে বললেন, "আমিও তোমাকে ভালোবাসি। কিন্তু এটা... এটা ঠিক হবে?" "ভালোবাসা কখনো ভুল হয় না, ভাইয়া," আয়েশা হাসল, কিন্তু সেই হাসিতে কাঁপুনি ছিল। তারা সন্ধ্যা পর্যন্ত ক্যাফেতে বসে কথা বলল। নিজেদের অনুভূতির কথা শেয়ার করল। কীভাবে পাঁচ বছরে আয়েশা রাহিমের জন্য অপেক্ষা করেছে, কীভাবে রাহিম লন্ডনে থাকতে থাকতে আয়েশার কথা ভেবেছেন। বাড়ি ফেরার পথে গাড়িতে আয়েশা মাথা রেখেছিল রাহিমের কাঁধে। কেউ কিছু বলেনি। কিন্তু দুজনের মনেই একটা ভয় কাজ করছিল—পরিবার কী বলবে? অধ্যায় ৩: নিষিদ্ধ রাত তিন দিন পরে একটা ঘটনা ঘটল। রাতে বাড়িতে একটি অনুষ্ঠান ছিল—ফুপুর জন্মদিন। সবাই নিচতলায় ছিলেন। খাওয়া-দাওয়া, গানবাজনা চলছিল। রাহিম তার ঘরে বসে কাজ করছিলেন। হঠাৎ দরজায় টোকা পড়ল। রাহিম দরজা খুললেন। আয়েশা দাঁড়িয়ে আছে। সে আজ হালকা নীল রঙের সালোয়ার কামিজ পরেছে, চুল খোলা। তার চোখে এক অদ্ভুত উন্মাদনা দেখা যাচ্ছে। "কী হয়েছে?" রাহিম জিজ্ঞেস করলেন। "ভাইয়া... আমি আর পারছি না," আয়েশা ফিসফিস করে বলল, "তোমাকে চাই। এখনই।" রাহিমের হৃৎস্পন্দন বেড়ে গেল। "আয়েশা, এখন না... সবাই নিচে..." "সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে। আমি দেখে এসেছি," আয়েশা ঘরে ঢুকে পড়ল, দরজা বন্ধ করে দিল, "আমি জানি এটা ভুল। কিন্তু আমি তোমাকে ছাড়া আর এক মুহূর্তও থাকতে পারব না।" আয়েশা এগিয়ে এল। রাহিম পিছিয়ে গেলেন বিছানার দিকে। "আয়েশা..." "চুপ," আয়েশা তার ঠোঁটে আঙুল রাখল, "কিছু বলো না। শুধু আমাকে জড়িয়ে ধরো।" রাহিম আর নিজেকে সংবরণ করতে পারলেন না। তিনি আয়েশাকে জড়িয়ে ধরলেন। তাদের শরীর মিশে গেল। আয়েশার নরম বক্ষ রাহিমের বুকে চেপে গেল। রাহিম তার মুখ তুলে আয়েশার ঠোঁটে চুমু দিলেন। প্রথমে হালকা, তারপর গভীর, আক্রোশে ভরা। আয়েশা কাঁপতে লাগল। তার হাত রাহিমের চুলের মাঝে ঢুকে গেল। তারা একে অপরকে শ্বাস প্রশ্বাসে ভরিয়ে তুলল। রাহিম আয়েশাকে বিছানায় শায়িত করলেন। তারপর তার উপর শুয়ে পড়লেন। "ভাইয়া..." আয়েশা ফিসফিস করে বলল, "আস্তে... কেউ যেন না শোনে।" রাহিম আয়েশার কামিজের বোতাম খুলতে লাগলেন। একটা, দুটো, তিনটে। কামিজ খুলে গেল। ভেতরে একটি সাদা ব্রা। রাহিম সেটিও খুলে দিলেন। আয়েশার স্তন দুটি বেরিয়ে এল—গোলাকার, তন্ময়, যেন দুটি পাকা আম। রাহিম সেগুলো হাতে নিলেন, তারপর মুখে নিলেন। আয়েশা কামার্ত স্বরে কেঁপে উঠল। তার হাত রাহিমের মাথায় বোলাতে লাগল। "ভাইয়া... ভালো লাগছে..." রাহিম আয়েশার সালোয়ারের দড়ি খুলতে লাগলেন। সাদা সালোয়ারটি সরিয়ে দিলেন। এখন আয়েশা শুধু একটি সাদা প্যান্টিতে শুয়ে আছে। রাহিম সেটিও সরিয়ে দিলেন। আয়েশার শরীরের সৌন্দর্যে রাহিম মুগ্ধ হয়ে গেলেন। তার গোলাপি বক্ষ, সরু কোমর, তারপর নিচে—গোপনাঙ্গ যেন একটা ফাটল ফুল, ভেজা, আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। "তুমি সুন্দর," রাহিম ফিসফিস করে বললেন। আয়েশা লজ্জায় চোখ বন্ধ করল। রাহিম নিজের পোশাক খুলতে লাগলেন। শার্ট, প্যান্ট—এখন তিনি শুধু অন্তর্বাসে। তার শরীরে পেশীর খাঁজ, আর সেই অন্তর্বাসের নিচে একটা শক্ত স্তম্ভ দাঁড়িয়ে আছে। আয়েশা চোখ বন্ধ করেই হাত বাড়াল। সে রাহিমের অন্তর্বাস সরিয়ে দিল। তার শক্ত লিঙ্গটি বেরিয়ে এল—বড়, কালো, শিরাশিরা। আয়েশা হাত দিয়ে সেটা ছুঁয়ে দেখল। গরম, শক্ত, কাঁপছে। "এতো বড়..." আয়েশা ফিসফিস করে বলল। রাহিম আয়েশার দুই পা ফাঁকা করে দিলেন। মেয়েটির যোনি দেখতে পাচ্ছেন—গোলাপি, ভেজা, অপেক্ষায় আছে। রাহিম ধীরে ধীরে তার লিঙ্গ সেই প্রবেশদ্বারে রাখলেন। "ঢোকাও ভাইয়া..." আয়েশা কাঁপা কণ্ঠে বলল, "আমি তোমার।" রাহিম একটা ধাক্কা দিলেন। তার লিঙ্গ আয়েশার ভেতর ঢুকে গেল। আয়েশা বালিশ কামড়ে কান্নার মতো শব্দ করল। ব্যথা পেয়েছে। রাহিম থেমে গেলেন। "যাও... চালিয়ে যাও..." আয়েশা বলল। রাহিম ধীরে ধীরে ঠাপাতে লাগলেন। প্রথমে ধীরে, তারপর দ্রুত। আয়েশার যোনি তার লিঙ্গকে চেপে ধরছে, গরম, স্যাঁতসেঁতে। আয়েশা তার পিঠে নখ বসিয়ে দিল। দুজনে একসাথে ছন্দে উঠানামা করতে লাগল। "ভাইয়া... ভাইয়া..." আয়েশা আবেগে ডাকছিল। রাহিম জোরে জোরে ধাক্কা দিতে লাগলেন। বিছানা কাঁপছে। আয়েশার স্তন দুটি দুলছে। রাহিম এক হাতে সেগুলো চাপছেন, অন্য হাতে কোমর ধরে ঠাপাচ্ছেন। প্রায় দশ মিনিট পর আয়েশা শরীর শক্ত করে কেঁপে উঠল। সে চরমে পৌঁছেছে। রাহিমও টের পেলেন—তার বীর্যস্ফোটন হতে চলেছে। তিনি শেষ কয়েকটা ধাক্কা দিলেন, তারপর গভীরে ঢুকে আয়েশার ভেতরেই ছেড়ে দিলেন তার গরম বীর্য। আয়েশা কেঁপে কেঁপে উঠল। রাহিম তার উপর শুয়ে পড়লেন, ঘামতে ঘামতে। তারপর তিনি আয়েশার কপালে চুমু দিলেন। "আমি তোমাকে বিয়ে করব আয়েশা," রাহিম শপথ করলেন, "যতই নিষিদ্ধ হোক।" আয়েশা তার বুকে মাথা রাখল, "আমি তোমার... চিরকাল।" অধ্যায় ৪: গোপন মিলন তারপর থেকে প্রতিরাতে তাদের গোপন সাক্ষাৎ হতে লাগল। কখনো রাহিমের ঘরে, কখনো আয়েশার ঘরে, কখনো ছাদের ঘরে। তারা একে অপরের শরীর আবিষ্কার করতে লাগল। এক রাতে ছাদের ঘরে তারা মিলিত হল। সেদিন চাঁদ উঠেছিল। চাঁদের আলোয় আয়েশার শরীর দুধের মতো সাদা দেখাচ্ছিল। রাহিম তাকে দেয়ালে ঠেসে ধরে পেছন থেকে প্রবেশ করলেন। আয়েশা দুই হাত দেয়ালে ধরে কাঁপছিল, আর রাহিম তার কোমর ধরে জোরে জোরে ঠাপাচ্ছিলেন। "ভাইয়া... দ্রুত... আরও দ্রুত..." আয়েশা চাঁদের দিকে তাকিয়ে বলছিল। রাহিম তার চুল ধরে টেনে তার গলায় চুমু দিলেন। তারপর আরও গভীরে, আরও জোরে ঠাপাতে লাগলেন। আয়েশার যোনি তার লিঙ্গকে চুষছিল, আর রাহিম বীর্যস্ফোটনের কাছাকাছি ছিলেন। শেষ পর্যন্ত রাহিম আয়েশার ভেতরেই ছেড়ে দিলেন। তারপন তাকে ঘুরিয়ে ধরে বিছানায় শুয়ে দিলেন। আয়েশা তার বুকে মাথা রাখল। "আমরা কি পাপ করছি?" আয়েশা হঠাৎ জিজ্ঞেস করল। "না," রাহিম বললেন, "আমরা ভালোবাসা করছি।" আরেকদিন বিকেলে, বাড়িতে কেউ নেই। রাহিম আয়েশাকে বাগানের পেছনে ডেকে নিলেন। সেখানে একটি পুরোনো গোডাউন আছে। ভেতরে অন্ধকার। রাহিম আয়েশাকে দেয়ালে ঠেসে ধরে তার স্কার্ট তুলে দিলেন। আয়েশা কিছু বলার আগেই রাহিম তার ভেজা যোনিতে প্রবেশ করলেন। "এখানে না... কেউ দেখে ফেলবে..." আয়েশা কাঁপছিল। "কেউ নেই," রাহিম তার ঠোঁট চুষতে চুষতে ঠাপাচ্ছিলেন। সেদিন দ্রুত শেষ হল। রাহিম আয়েশার ভেতরে ছেড়ে দিলেন, তারপর তাকে সাজিয়ে দিলেন। বাইরে বের হওয়ার সময় আয়েশার গাল লাল, চোখে এক অদ্ভুত তৃপ্তি। তারা বিভিন্ন ভঙ্গিতে মিলিত হল। কখনো আয়েশা রাহিমের উপর উঠে নিজেই নড়াচড়া করল, কখনো পাশ ফিরে শুয়ে পড়ল। রাহিম আয়েশার শরীরের প্রতিটি অঙ্গ ভালোবেসে চুমু দিল—পা থেকে শুরু করে কোমর, বক্ষ, ঠোঁট। এক রাতে রাহিম আয়েশার পায়ের আঙুল চুষতে লাগলেন। আয়েশা হেসে উঠল, "কী করছো?" "তোমাকে ভালোবাসছি," রাহিম বললেন, তারপর ধীরে ধীরে উপরে উঠতে লাগলেন—গোছায়, হাঁটুতে, জঙ্ঘায়, তারপর গোপনাঙ্গে। জিহ্বা দিয়ে আয়েশাকে আনন্দ দিলেন। আয়েশা কাঁপতে কাঁপতে চরমে পৌঁছাল। "তোমাকে ছাড়া আমি মরে যাবো," আয়েশা কেঁদে ফেলল। "মরব না," রাহিম তাকে জড়িয়ে ধরলেন, "বাঁচব একসাথে।" অধ্যায় ৫: সংঘাতের বীজ কিন্তু গোপন ভালোবাসা বেশিদিন গোপন থাকে না। একদিন সকালে রাহিমের মা হঠাৎ ছেলের ঘরে ঢুকলেন। রাহিম ঘুমাচ্ছিলেন। বিছানায় একটি লাল চুড়ি পড়ে ছিল—আয়েশার চুড়ি। মা চুড়ি হাতে তুলে নিলেন। তিনি চিনতে পারলেন—এটা আয়েশার। কেন ছেলের বিছানায় আয়েশার চুড়ি? মা কিছু বললেন না সেদিন। কিন্তু তিনি পর্যবেক্ষণ করতে লাগলেন। দেখলেন, রাহিম আর আয়েশা যখনি দেখা করে, তখনি অন্যরকম আচরণ করে। চোখাচোখি হয়, হাসি হয়, কখনো কখনো হাতের স্পর্শ হয়। আরেকদিন ফুপু—আয়েশার মা—তাদের দেখে ফেললেন। রাতে ছাদে রাহিম আয়েশাকে জড়িয়ে ধরে ছিল। ফুপু সিঁড়িতে উঠছিলেন—তিনি দেখে ফেললেন। ফুপু নিচে গিয়ে রাহিমের মাকে ডাকলেন। দুই বোন মিলে কথা বললেন। "ওরা কী করছে দেখেছো?" ফুপু কাঁদছিলেন, "আমার মেয়ে আর তোমার ছেলে... এটা কী হচ্ছে?" রাহিমের মা হতবাক হয়ে গেলেন। তিনি বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। কিন্তু সব প্রমাণ তো সামনে। পরদিন সকালে পুরো পরিবার জমায়েত হল নিচতলায়। রাহিমের বাবা, মা, আয়েশার বাবা-মা, আর চাচা-ফুপু—সবাই উপস্থিত। রাহিমকে ডাকা হল। আয়েশাকেও ডাকা হল। "তোমরা কী করছো?" রাহিমের বাবা গম্ভীর কণ্ঠে জিজ্ঞেস করলেন। রাহিম চুপ করে দাঁড়িয়ে রইলেন। আয়েশাও চুপ। "বলো!" চাচা চিৎকার করলেন, "আমরা দেখেছি। ছাদে, তোমাদের ঘরে... তোমরা কী করছো?" আয়েশার মা কাঁদতে লাগলেন, "আমার মেয়ে... তুমি আমার ভাইয়ের ছেলে... এটা কী হচ্ছে?" রাহিম গভীর শ্বাস নিলেন। তারপর তিনি বললেন, "আমরা ভালোবাসি একে অপরকে।" বাড়িতে হাহাকার পড়ে গেল। "ভালোবাসা? এটা কোনো ভালোবাসা?" চাচা চিৎকার করলেন, "এটা পাপ! তোমরা ভাই-বোন!" "না," আয়েশা হঠাৎ মাথা তুলে বলল, "আমরা ভাই-বোন নই। আমরা চাচাতো-ফুফাতো। ' এটা জায়েজ। আর আমরা প্রাপ্তবয়স্ক। আমরা একে অপরকে ভালোবাসি।" "চুপ!" ফুপু চিৎকার করলেন, "লজ্জা হয় না? পরিবারের মান-সম্মান কী হবে? সমাজ কী বলবে?" "সমাজের চেয়ে আমাদের ভালোবাসা বড়," রাহিম বললেন, "আমরা বিয়ে করতে চাই।" "বিয়ে?" বাবা হতবাক, "তোমরা বিয়ে? অসম্ভব!" অধ্যায় ৬: প্রতিরোধ তারপর শুরু হলো সংঘাত। রাহিমের বাবা তাকে বাড়ি থেকে বের করে দিতে চাইলেন। আয়েশার মা তাকে অন্য জায়গায় পাঠাতে চাইলেন। কিন্তু দুজনেই অটল ছিল। রাহিম বললেন, "আমি চাকরি করি, নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারি। আমি আয়েশাকে নিয়ে চলে যাব যদি লাগে।" আয়েশা বলল, "আমি মরে যাবো, কিন্তু অন্য কাউকে বিয়ে করব না।" দুই পরিবারের মধ্যে টানাপোড়েন চলতে লাগল। কেউ কেউ রাজি হতে শুরু করল—চাচা বললেন, "দেখো, রক্তের সম্পর্ক নেই। ' চাচাতো-ফুফাতো বিয়ে জায়েজ। হয়তো..." "কী হয়তো?" ফুপু কাঁদছিলেন, "আমার মেয়ে আমার ভাইয়ের ছেলের বউ হবে? আমি কী মুখে সমাজে দাঁড়াব?" "সমাজের চেয়ে সন্তানের সুখ বড়," রাহিমের মা শেষ পর্যন্ত বললেন, "আমি দেখেছি, রাহিম আয়েশা ছাড়া বাঁচবে না। আয়েশাও তাই। তারা বড় হয়েছে, বুঝবে নিজেরা।" দীর্ঘ এক মাস ধরে আলোচনা চলল। কখনো ঝগড়া, কখনো কান্না। রাহিম আর আয়েশা তাদের ঘরে বন্দি হয়ে রইল। তবু তারা গোপনে দেখা করত। ছাদে, বাগানে—যেখানে সুযোগ পেত। এক রাতে ছাদে দাঁড়িয়ে আয়েশা বলল, "যদি মেনে না নেয়?" "নিয়ে নিতে হবে," রাহিম বললেন, "আমি তোমাকে ছাড়ব না।" শেষ পর্যন্ত চাচা রাজি হলেন। তিনি বললেন, "ঠিক আছে। তবে এক শর্তে—এটা গোপন রাখতে হবে। বড় বিয়ে করা যাবে না। কাছের কয়েকজনকে ডাকব।" রাহিম আর আয়েশা রাজি হল। তাদের কাছে বিয়ে বড় কথা, অনুষ্ঠান নয়। অধ্যায় ৭: বন্ধন বিয়ের দিন নির্ধারিত হল। একটি শুক্রবার। আয়েশা লাল বেনারসি শাড়ি পরল। তার গায়ে হালকা গহনা। চোখে কাজল, কপালে টিপ। সে যেন এক অপ্সরী। রাহিম শেরওয়ানি পরলেন। দাড়ি কেটে, চুল সাজিয়ে। তিনি যেন এক রাজপুত্র। কাছের কয়েকজন আত্মীয়-স্বজন এলেন। একজন কাজি ডাকা হল। রাহিম আয়েশাকে কবুল বললেন। আয়েশাও কবুল বলল। তাদের বিয়ে হয়ে গেল। আইনি, ধর্মীয়—সব দিক থেকে বৈধ। রাতে তাদের বিশেষ ঘর তৈরি করা হল—নিচতলায় একটি কক্ষ। সেখানে লাল বালিশ, লাল চাদর। সাজানো ফুল। মোমবাতি জ্বলছে। আয়েশা বিছানায় বসে আছে। রাহিম ঘরে ঢুকলেন। দরজা বন্ধ করলেন। এখন তারা স্বামী-স্ত্রী। আর কোনো গোপনীয়তা নেই, কোনো ভয় নেই। রাহিম আয়েশার কাছে এলেন। তার মাথার ঘোমটা সরিয়ে দিলেন। "এখন তুমি আমার স্ত্রী," তিনি বললেন, "চিরকালের।" আয়েশা উঠে দাঁড়াল। সে রাহিমের শেরওয়ানির বোতাম খুলতে লাগল। একটা, দুটো—শরীর বেরিয়ে এল। তারপর রাহিম নিজেই বাকি পোশাক খুলে ফেললেন। আয়েশা তার শাড়ি খুলল। পেটিকোট, ব্লাউজ—সব খুলে ফেলল। এখন সে নগ্ন, রাহিমও নগ্ন। রাহিম আয়েশাকে জড়িয়ে ধরলেন। এবার কোনো তাড়া নেই, কোনো ভয় নেই। তারা ধীরে ধীরে বিছানায় শুয়ে পড়লেন। "আজ থেকে আমরা এক," রাহিম বললেন। "এক," আয়েশা হাসল। রাহিম আয়েশার শরীরে চুমু দিতে লাগলেন—কপালে, চোখে, ঠোঁটে, গলায়, বক্ষে। তারপর নিচে নেমে গেলেন। আয়েশা কাঁপতে লাগল। রাহিম তার দুই পা ফাঁকা করে দিলেন। এবার ধীরে, আলতো করে তার ভেতরে প্রবেশ করলেন। আয়েশা কোনো ব্যথা পেল না—শুধু আনন্দ। তারা ধীরে ধীরে ছন্দে উঠানামা করতে লাগল। রাত গভীর হল। বাইরে চাঁদ উঠেছে। ভেতরে তাদের শরীরের গন্ধ, ঘাম, আর ভালোবাসা মিশে আছে। "আমি তোমাকে ভালোবাসি," রাহিম ঠাপাতে ঠাপাতে বললেন। "আমিও," আয়েশা কাঁদতে কাঁদতে বলল, "চিরকাল।" তারা একসাথে চরমে পৌঁছালেন। রাহিম আয়েশার ভেতরে তার বীর্য ঢেলে দিলেন। তারপর তাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে রইলেন। "আর কোনো নিষিদ্ধতা নেই," আয়েশা ফিসফিস করে বলল। "না," রাহিম বললেন, "শুধু ভালোবাসা। চিরকালের।" সমাপ্তি তারপর দিনের আলো ফুটল। রাহিম আর আয়েশা এক বিছানায় শুয়ে ছিল। তাদের হাত হাতে ধরা। রাহিমের বুকে আয়েশার মাথা। বাইরে থেকে রাহিমের মায়ের ডাক এল, "উঠেছো? নাস্তা রেডি।" রাহিম হাসলেন। আয়েশাও হাসল। "আসছি মা," রাহিম বললেন। তারা উঠে ফ্রেশ হল। পরে নিচে গিয়ে দেখল, পুরো পরিবার বসে আছে। কেউ কেউ এখনো মুখ কালো করে আছে, কিন্তু সবাই মেনে নিয়েছে। চাচা বললেন, "ভালো থেকো। সুখী হও।" ফুপু চুপ করে বসে ছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি আয়েশার হাত ধরে বললেন, "সুখী হও মা।" রাহিম আর আয়েশা একে অপরের দিকে তাকালেন। তাদের চোখে জল। কিন্তু সেটা সুখের জল। তারা জানে, তাদের ভালোবাসা নিষিদ্ধ ছিল, কিন্তু সত্যি ছিল। আর সত্যি ভালোবাসা কখনো হারায় না। বাইরে সূর্য উঠছে। নতুন দিন শুরু। তাদের নতুন জীবন শুরু—স্বামী-স্ত্রী হিসেবে, ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে। আয়েশা রাহিমের হাত ধরে বারান্দায় দাঁড়াল। সকালের বাতাস তাদের মুখে লাগছে। "তোমাকে ভালোবাসি," আয়েশা বলল। "আমিও," রাহিম বললেন। তারা একসাথে নতুন জীবনের পথে হাঁটতে শুরু করলেন—হাতে হাত ধরে, মনে মন মিলিয়ে, চিরকালের জন্য। |







0 comments:
Post a Comment