পর্ব:০৩
রাতের আঁধার নামলে আমাদের পরদাদার আমলের সেই বিশাল ঠাকুরঘরটা এক অলৌকিক রূপ নেয়। ধূপ আর চন্দনের গন্ধে বাতাস ভারী হয়ে থাকে। মা জয়া রায় যখন পুজোর থালা হাতে ঠাকুরঘরে ঢুকলেন, তখন তাঁর সেই গাম্ভীর্য যেন এই মন্দিরের গাম্ভীর্যকেও ছাড়িয়ে গেল।মায়ের পরনে ছিল একটা ধবধবে সাদা গরদ শাড়ি, যার লাল পাড়টা তাঁর গায়ের উজ্জ্বল শ্যামলা রঙে আগুনের মতো জ্বলছিল। মা যখন উবু হয়ে প্রদীপ জ্বালানোর জন্য বসলেন, তখন তাঁর সেই বিশাল ও চওড়া পাছা শাড়ির ভাঁজে একদম টানটান হয়ে বিছিয়ে রইল। তাঁর শরীরের সেই প্রকাণ্ড আর পুষ্ট অবয়বটা মেঝের ওপর এক বিশাল ছায়া ফেলছিল। প্রদীপের প্রথম আলোটা যখন মায়ের মুখের ওপর পড়ল, তখন তাঁর সেই তীক্ষ্ণ নাসা আর আয়ত চোখ দুটোতে এক স্বর্গীয় তেজ ফুটে উঠল।মা যখন নিপুণ হাতে দেশলাই জ্বালিয়ে প্রদীপের সলতেগুলো ছোঁয়াচ্ছিলেন, তখন তাঁর সেই ডাগর ও ভারী দুধ দুটো ব্লাউজের ভেতর প্রবল চাপে ফুলে উঠছিল। শাড়ির আঁচলটা কাঁধ থেকে সামান্য ঢিলে হয়ে ঝুলছিল, আর মায়ের প্রতিটি নিশ্বাসের সাথে সেই বিশাল বক্ষদেশটা ওঠানামা করছিল। প্রদীপের শিখায় মায়ের ফর্সা তলপেটের একাংশ যখন চকচক করে উঠল, তখন আমার বুকের ভেতর তৃষ্ণার এক নতুন ঢেউ খেলে গেল।পুজো দিতে দিতে মা যখন মন্ত্র পড়ছিলেন, তাঁর সেই শান্ত অথচ গম্ভীর কণ্ঠস্বর ঠাকুরঘরের প্রতিধ্বনিতে মিশে এক নেশার মতো কাজ করছিল। মা যখন হাত তুলে বিগ্রহের পায়ে ফুল দিচ্ছিলেন, তখন তাঁর সেই মসৃণ উরু দুটোর ভারি গড়ন শাড়ির নিচে আবছাভাবে ফুটে উঠছিল। তাঁর আলতা রাঙানো পায়ের পাতা আর সেই রাজকীয় শরীরের দুলুনি—সব মিলিয়ে মা যেন একাধারে পরম আরাধ্যা দেবী আর এক মোহময়ী সম্রাজ্ঞী।আমি ঠাকুরঘরের দরজার অন্ধকার কোণে দাঁড়িয়ে অপলক চোখে মায়ের এই মূর্তির দিকে তাকিয়ে রইলাম। মায়ের ওই বিশাল পাছা, তাঁর ভারী ও পুষ্ট স্তন আর সেই তীক্ষ্ণ ব্যক্তিত্বের সংমিশ্রণ আমাকে এক অজানা মোহের গভীরে তলিয়ে দিচ্ছিল। মা যখন আরতি শেষ করে শঙ্খ বাজালেন, তখন তাঁর সেই সুডৌল বাহু আর বুক ফুলে ওঠার দৃশ্যটা আমার মনে সারাজীবনের জন্য গেঁথে রইল।আমি বুঝতে পারলাম, এই বড় * বাড়ির আসল অধিশ্বরী কেবল মা-ই নন, তাঁর এই প্রলয়ংকরী রূপের সুধাই এই দালানের প্রতিটি ইটে প্রাণ সঞ্চার করে।ঠাকুরঘরের সামনে থেকে সরে আসার পর আমি যখন নিজের পড়ার টেবিলে বসলাম, তখন ফিজিক্সের জটিল অংকের বদলে আমার চোখের পাতায় ভাসছিল ঠাকুরঘরের সেই রগরগে কল্পনা।আমি ভাবছিলাম, মা যখন প্রদীপ জ্বালতে বসলেন, তখন তাঁর সেই রাজকীয় শরীরটা শাড়ির ভাঁজে কতটাই না মোহময় দেখাচ্ছিলো! কিন্তু পরক্ষণেই মনে হলো—মায়ের সেই তীক্ষ্ণ নাসা আর আয়ত চোখের আগুনের কথা। তিনি যদি আমার মনের এই নিষিদ্ধ ভাবনার এক বিন্দুও আঁচ করতে পারেন, তবে এই বিশাল দালানে আমার রক্ষা নেই।মায়ের ওই বিশাল ও পুষ্ট দুধের ভার আর চওড়া পাছার যে বর্ণনা আমি মনে মনে সাজাচ্ছিলাম, তা আসলে তাঁর দাপুটে ব্যক্তিত্বেরই একটা অংশ। মা যখন গম্ভীর স্বরে নিচে থেকে কাউকে ডাক দেন, তখন তাঁর শরীরের প্রতিটি অঙ্গের মধ্যে এক ধরণের তেজ কাজ করে। আমি কল্পনায় দেখছিলাম, মা যেন একাধারে দেবী আর সম্রাজ্ঞী, যাঁর কাছে যাওয়া মানেই ভস্ম হয়ে যাওয়া। অথচ ওই আগুনের প্রতিই আমার তৃষ্ণাটা সবচেয়ে বেশি।আমি জানি, মা কক্ষনোই এভাবে ধরা দেবেন না। তাঁর ওই ফর্সা উরু আর মসৃণ তলপেট দেখার যে সুযোগ আমি আধো-ঘুমে পেয়েছিলাম, তা যেন কোনো নিষিদ্ধ প্রসাদ। কল্পনাতে আমি হয়তো মাকে ওই ঠাকুরঘরের মেঝেতে শুইয়ে দিচ্ছি, কিন্তু বাস্তবে মা যখন আমার ঘরের সামনে দিয়ে গম্ভীর হয়ে হেঁটে যান, তাঁর পায়ের আলতা রাঙানো পদচিহ্ন দেখে আমার মাথা এমনিতেই শ্রদ্ধায় আর ভয়ে নত হয়ে আসে।মায়ের এই রূপ আর রাগের যে অজেয় দেয়াল, সেটাই তো আমার এই আকাঙ্ক্ষাকে আরও বেশি উসকে দেয়। তিনি যত বেশি দুর্ভেদ্য, তাঁর ওই রাজকীয় শরীরের সুধা পান করার কল্পনাটা ততই রগরগে আর তৃষ্ণার্ত হয়ে ধরা দেয় আমার কাছে।এরপর বিকেলের গুমোট গরমে সারা বাড়ি যখন ঝিমোচ্ছিল, তখন মা জয়া রায়ের গম্ভীর ডাক আমার তন্দ্রা ছুটিয়ে দিল। "অজয়, একবার এ ঘরে আয় তো!" মায়ের গলার সেই পরিচিত তীক্ষ্ণতা আর রাজকীয় হুকুমের সুর শুনে আমি এক মুহূর্ত দেরি না করে তাঁর ঘরের দিকে পা বাড়ালাম।ঘরে ঢুকতেই এক অদ্ভুত দৃশ্য আমার চোখে পড়ল। মা খাটের ওপর আমাদের বড় আলমারিটার পাল্লা খুলে দাঁড়িয়ে আছেন। গুমোট গরমে তাঁর ফর্সা কপালটা ঘামে বিন্দু বিন্দু হয়ে চিকচিক করছে। মা যখন হাত উঁচিয়ে ওপরের তাক থেকে একটা ভারী সুটকেস নামানোর চেষ্টা করছিলেন, তাঁর সেই টানটান শরীরের প্রতিটি ভাঁজ আমার চোখের সামনে প্রলয়ংকরী হয়ে ধরা দিল। শাড়ির আঁচলটা কোমরে শক্ত করে গোঁজা, যার ফলে তাঁর সেই প্রকাণ্ড আর চওড়া পাছার বিশাল অবয়বটা শাড়ির কাপড়ে একদম ফেটে বেরোতে চাইছে।মা আমাকে দেখে বিরক্তির সুরে বললেন, "কী দেখছিস অমন হাঁ করে? হাতটা লাগা, এটা নামাতে পারছি না।"আমি মায়ের একদম গা ঘেঁষে দাঁড়ালাম। সুটকেসটা ধরার জন্য হাত বাড়াতেই আমার হাতের সাথে মায়ের ফর্সা হাতের স্পর্শ হলো। মায়ের শরীরের সেই পরিচিত চন্দনের সুবাস আর ঘামের এক তীব্র মাদকতাময় ঘ্রাণ আমার নাকে এসে ধাক্কা দিল। ওপরের দিকে হাত উঁচিয়ে থাকার কারণে মায়ের ব্লাউজটা বগলের নিচ থেকে একদম টানটান হয়ে ওপরে উঠে গেছে। বগলের জায়গাটা অনেকটা ঘামিয়ে গোল একটা গাড় রং তৈরি করেছে। হয়তো এই ঘাম থেকেই একটা মন মাতানো ঘ্রাণ আসছে..!ব্লাউজের হাতাটা মায়ের পুষ্ট ও ফর্সা বাহুর গভীরে কামড়ে বসে আছে, আর ঠিক ওপাশেই তাঁর সেই বিশাল ও ডাগর দুধের একটা বড় অংশ প্রায় উন্মুক্ত হওয়ার উপক্রম হয়েছে। মায়ের প্রতিটি ভারি নিশ্বাসের সাথে সেই প্রশস্ত বক্ষদেশটা আমার বাহুতে আলতো করে ঘষা খাচ্ছিল।আমি যখন সুটকেসটা ধরলাম, মা তখন আরও একটু কাছে ঘেঁষে এলেন আমাকে সাহায্য করতে। তাঁর সেই শরীরের তপ্ত উত্তাপ আমি স্পষ্ট অনুভব করছিলাম। মা যখন নিচু হয়ে সুটকেসটা মেঝের ওপর রাখলেন, তাঁর শাড়ির পাড়টা সামান্য সরে গেল। আমি দেখলাম, ঝোঁকার কারণে তাঁর সেই মসৃণ আর ফর্সা তলপেটটা শাড়ির নিচ থেকে একদম স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। গভীর নাভির চারপাশের সেই নিটোল ফর্সা ত্বক দেখে আমার তৃষ্ণা যেন কয়েক গুণ বেড়ে গেল। মায়ের ওই পুষ্ট পেটের ভাঁজগুলো যেন কোনো শিল্পীর নিপুণ হাতে গড়া ভাস্কর্য।মা সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে তাঁর শাড়ির আঁচলটা ঠিক করতে করতে আমার দিকে একটা তীক্ষ্ণ চাউনি দিলেন। তাঁর সেই আয়ত চোখের মণি দুটো যেন আমার মনের ভেতরের সব রগরগে কল্পনা এক নিমিষেই পড়ে ফেলল। মা তাঁর এক হাত দিয়ে ঘাড়ের অবিন্যস্ত চুলগুলো সরাতে সরাতে গম্ভীর গলায় বললেন, "কী রে? হাত-পা কি অবশ হয়ে গেল নাকি? সুটকেসটা ওদিকে সরিয়ে রাখ।"মা যখন নির্দেশটা দিচ্ছিলেন, তখন তাঁর সেই ভারী স্তনদুটো তাঁর দাপুটে গলার স্বরের সাথে তাল মিলিয়ে থরথর করে কাঁপছিল। আমি সুটকেসটা সরালাম ঠিকই, কিন্তু আমার চোখ তখন আটকে ছিল মায়ের সেই রাজকীয় পিঠের দিকে, যেখানে শাড়িটা সটান হয়ে তাঁর চওড়া পাছার গভীর ভাঁজটাকে আরও মোহময় করে তুলেছে। মায়ের ওই দীর্ঘ ও সুডৌল পায়ের আলতা রাঙানো পদচিহ্নগুলো মেঝের ওপর যেন এক অমোঘ দাপটের স্বাক্ষর রাখছিল।মায়ের এই শাসনের রূপটা যেমন ভয়ংকর, তাঁর এই শরীরী আভিজাত্য তেমনই তৃষ্ণার্ত করে তোলে। আমি বুঝতে পারলাম, মা যতই গম্ভীর আর রাগী হোন না কেন, তাঁর এই প্রলয়ংকরী রূপের টানেই আমি বারবার তাঁর কাছে ফিরে আসতে বাধ্য হই। মা তখন আলমারির ভেতর থেকে কিছু পুরনো কাগজ সরাচ্ছিলেন, আর আমি আড়ালে দাঁড়িয়ে তাঁর সেই বিশাল শরীরের প্রতিটি দুলুনি আর ওই সুগম্ভীর লাবণ্যের সুধা দুচোখ ভরে পান করছিলাম।সন্ধ্যার পর পরদাদার আমলের সেই বিশাল দালানটা যখন প্রদীপের আলোয় মায়াবী হয়ে ওঠে, মা তখন তাঁর ঘরের আয়নার সামনে বসে নিজেকে গুছিয়ে নিচ্ছিলেন। আজ এক দূর সম্পর্কের আত্মীয়ের বাড়িতে বিয়ের নিমন্ত্রণ। মা জয়া রায় যখন তৈরি হন, তখন তাঁর সেই দাপুটে ব্যক্তিত্বের সাথে এক রাজকীয় আভিজাত্য যুক্ত হয়, যা এই বাড়ির যে কাউকেই বিমোহিত করার জন্য যথেষ্ট।হঠাৎ ভেতর থেকে মায়ের গম্ভীর ডাক এল, "অজয়, শোন তো এদিকে! এই সোনার হারটার হুকটা বোধহয় আটকে গেছে, একটু ঠিক করে দিয়ে যা।"আমি যখন ঘরের ভেতর ঢুকলাম, মায়ের সেই মোহময়ী রূপ দেখে আমার পা দুটো যেন মেঝের সাথে আটকে গেল। মা তখন আয়নার দিকে পিঠ করে বসে আছেন। তাঁর পরনে একটা গাঢ় মেরুন রঙের কাতান শাড়ি, যা তাঁর ধবধবে ফর্সা গায়ের রঙের সাথে এক অপূর্ব বৈপরীত্য তৈরি করেছে। ব্লাউজটা পিঠের দিকে বেশ অনেকটা গভীর কাটা, যেখান দিয়ে তাঁর সুডৌল আর মসৃণ পিঠের একাংশ একদম উন্মুক্ত হয়ে আছে।আমি কম্পিত হাতে মায়ের কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম। মা তাঁর সেই বিশাল ও পুষ্ট দুধের ভার সামলে নিয়ে আয়নার দিকে তাকিয়ে শান্ত অথচ গম্ভীর স্বরে বললেন, "কী রে, দাঁড়িয়ে আছিস কেন? তাড়াতাড়ি কর, দেরি হয়ে যাচ্ছে।"আমি যখন মায়ের গলার হুকটা লাগাতে ঝুঁকলাম, তাঁর শরীরের সেই উগ্র চন্দনের সুবাস আর গায়ের তপ্ত উত্তাপ আমাকে আচ্ছন্ন করে ফেলল। আমার আঙুলগুলো যখন মায়ের সেই মখমলের মতো মসৃণ ঘাড়ের ত্বকে লাগল, তখন আমি অনুভব করলাম মা সামান্য কেঁপে উঠলেন। কিন্তু তাঁর সেই গম্ভীর ব্যক্তিত্বে কোনো বিকার নেই। আমার একদম সামনেই তখন তাঁর সেই চওড়া আর প্রকাণ্ড পাছা বিছানার ওপর ছড়িয়ে আছে, শাড়ির ভাঁজে যা এক বিশাল পাহাড়ের মতো মনে হচ্ছিল।হুকটা লাগাতে গিয়ে আমার হাতটা বারবার কেঁপে যাচ্ছিল। মা তখন আয়নায় আমার চোখের দিকে স্থিরভাবে তাকিয়ে ছিলেন। আয়নার প্রতিফলন থেকেই আমি দেখতে পাচ্ছিলাম, শাড়ির নিচ দিয়ে মায়ের সেই উন্নত ও ভারী স্তনদুটো কেমন প্রবলভাবে ওঠানামা করছে। ব্লাউজের কাপড়টা সেই চাপের কাছে যেন হার মানতে চাইছে। ঠিক সেই মুহূর্তে মা একটু নড়ে বসতেই তাঁর শাড়ির আঁচলটা কাঁধ থেকে খসে পড়ল।আঁচলটা খসে পড়তেই তাঁর সেই মসৃণ ফর্সা তলপেট আর নাভির ওপরের অংশটা আমার চোখের সামনে একদম উন্মুক্ত হয়ে গেল। কুঁচকানো শাড়ির ফাঁক দিয়ে সেই উজ্জ্বল ত্বকের আভা যেন পুরো ঘরটাকে আলোকিত করে দিচ্ছিল। মা নিজের হাত দিয়ে আঁচলটা টেনে নিতে গিয়ে তাঁর হাতের কনুইটা আমার বুকে আলতো করে ঠেকল। মায়ের সেই মাংসল হাতের স্পর্শে আমার সারা শরীরে বিদ্যুৎ বয়ে গেল।মা আয়নায় আমার দিকে একবার তাকিয়ে খুব নিচু স্বরে বললেন, "হাতটা অত কাঁপছে কেন তোর? ভয়ের তো কিছু নেই।"মায়ের গলায় সেই চিরচেনা গাম্ভীর্য, কিন্তু তাঁর ওই শান্ত ভঙ্গি আর চোখের রহস্যময় চাউনি আমাকে এক আদিম তৃষ্ণার দিকে ঠেলে দিচ্ছিল। আমি হুকটা লাগিয়ে দিয়ে যখন সরে আসছি, তখন দেখলাম মা উঠে দাঁড়ালেন। তিনি যখন হাঁটতে শুরু করলেন, তাঁর সেই বিশাল শরীরের দুলুনি আর শাড়ির নিচে প্রকাণ্ড পাছার ছন্দময় নড়াচড়া এই বড় দালানের গাম্ভীর্যের সাথে এক অদ্ভুত সমীকরণ তৈরি করল।ঘরের লক্ষীরা বেড়িয়ে যেতেই বাড়িতে এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা। বাবা সেই গম্ভীর মুখে বৈঠকখানায় বসে পুরনো ডায়েরি আর কিছু ফাইলপত্র নিয়ে গভীর মনোযোগে ডুবে আছেন। তাঁর উপস্থিতিতে বাড়ির বাতাস এমনিতেই ভারী হয়ে থাকে, তার ওপর আজ মা জয়া রায় বাড়িতে নেই—এই বিশাল দালানটা যেন এক প্রাণহীন কংক্রিটের খাঁচা মনে হচ্ছে।তাঁর উপস্থিতিতে বাড়ির বাতাস এমনিতেই ভারী হয়ে থাকে, তার ওপর আজ মা জয়া রায় বাড়িতে নেই—এই বিশাল দালানটা যেন এক প্রাণহীন কংক্রিটের খাঁচা মনে হচ্ছে।মা, সীতা আর দিদা বেরোনোর সময় পুরো বাড়িতে একটা সাজ সাজ রব পড়েছিল। মা যখন সেই মেরুন কাতান শাড়িটা পরে তৈরি হয়ে ঘর থেকে বেরোলেন, তাঁর সেই প্রকাণ্ড আর চওড়া পাছার রাজকীয় দুলুনি আর ওই বিশাল পুষ্ট দুধের ভারি মেজাজটা পুরো ঘরটাকে মায়াবী করে তুলেছিল। কিন্তু এখন তাঁরা চলে যাওয়ার পর বাড়ির প্রতিটি কোণ যেন হাহাকার করছে।আমি নিজের পড়ার টেবিলে বসে আছি, কিন্তু ফিজিক্সের বইয়ের পাতায় কেবল মায়ের সেই বিদায়বেলার ছবিটা ভাসছে। মা বেরোনোর ঠিক আগে বাবার কাছে এসে খুব নিচু স্বরে কিন্তু তীক্ষ্ণ গলায় কিছু নির্দেশ দিয়ে গেলেন—সংসারের খুটিনাটি, আমাদের রাতের খাবার, সবকিছু। বাবা কেবল মাথা নেড়ে সায় দিলেন, তাঁর সেই গম্ভীর চাউনি একবারের জন্যও আলগা হলো না।বাবার ওই গাম্ভীর্যের সামনে আমার কথা বলার সাহস নেই। আমি জানালার গ্রিল ধরে বাইরের অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে আছি। মনে মনে ভাবছি, নিমন্ত্রণ বাড়িতে মা যখন ওই আভিজাত্য নিয়ে ঢুকবেন, তখন সবার নজর নিশ্চয়ই তাঁর ওই প্রলয়ংকরী রূপের ওপর গিয়ে থমকে যাবে। তাঁর ওই চওড়া অবয়ব আর দীর্ঘ পায়ের আলতার ছোঁয়া তখন অন্য কোনো পরিবেশে দাপট ছড়াবে।বাড়ির ভেতরে এখন কেবল ঘড়ির টিকটিক শব্দ আর বাবার ফাইলের পাতা ওল্টানোর খসখস আওয়াজ। বাবা মাঝে মাঝে গলা পরিষ্কার করার জন্য যে আওয়াজ করছেন, তাতেই আমার বুকটা কেঁপে উঠছে। মায়ের অনুপস্থিতিতে বাবার এই অতি-গাম্ভীর্য যেন বাড়ির পরিবেশকে আরও বেশি দমবন্ধ করে দিচ্ছে। আমার কেবলই মনে হচ্ছে, মা কখন ফিরবেন? কখন তাঁর সেই শাড়ির খসখস শব্দ আর গহনার ঝনঝনানি এই মৃতপ্রায় বাড়িটাকে আবার জীবন্ত করে তুলবে?মায়ের সেই রাগী শাসন আর তাঁর শরীরের ওই রাজকীয় সুধার যে তৃষ্ণা আমার ভেতরে আছে, বাবার এই গম্ভীর উপস্থিতিতে তা যেন আরও রগরগে এক গোপন যন্ত্রণায় রূপ নিয়েছে। আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি সেই মুহূর্তের জন্য, যখন মা ফিরে এসে আবার তাঁর ওই রাজকীয় দাপটে এই দালানের প্রতিটি ইটে প্রাণ সঞ্চার করবেন।রাত প্রায় এগারোটা। বাইরে ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক আর ভেতরে বাবার গম্ভীর নিস্তব্ধতা ভেঙে বাড়ির গেটে রিকশার শব্দ শোনা গেল। মা, দিদা আর সীতা ফিরেছে। সীতা দিদার সাথে শোয়ার জন্য চলে গেল। বাবা তখন ড্রয়িংরুমেই ঝিমোচ্ছিলেন, মা ঘরে ঢুকতেই বাবা কোনো কথা না বলে নিজের ঘরের দিকে চলে গেলেন। মা কিন্তু ড্রয়িংরুমে না থেমে সোজা নিজের শোবার ঘরে ঢুকলেন। বাড়িতে অনেকগুলো রুম থাকাতে বাবা মা আলাদা রুমেই শোয়। আমি পা টিপে টিপে মায়ের দরজার সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম।মা তখন ভীষণ ক্লান্ত। গুমোট গরমে আর বিয়ের বাড়ির ভিড়ে তাঁর সেই উজ্জ্বল তামাটে গায়ের রঙে ঘাম জবজব করছে। মা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে একটা দীর্ঘ নিশ্বাস ফেললেন। তাঁর সেই বিশাল ও পুষ্ট দুধ দুটো ব্লাউজের ভেতর তখন প্রবল চাপে হাপরের মতো ওঠানামা করছে। মা আলস্য ভেঙে হাত দুটো ওপরে তুলতেই মেরুন কাতান শাড়িটা তাঁর শরীরের সাথে একদম সেঁটে গেল, আর তাঁর সেই প্রকাণ্ড ও চওড়া পাছার রাজকীয় ভাঁজটা আয়নায় দ্বিগুণ প্রকট হয়ে ধরা দিল।মা আমাকে দরজায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেও আজ বকলেন না। বরং খুব ক্লান্ত অথচ গম্ভীর স্বরে বললেন, "অজয়, ভেতরে আয় তো। এই গয়নাগুলো খুলতে পারছি না, শরীরটা বড্ড ভার লাগছে।"আমি ভেতরে ঢুকতেই মা আমার দিকে পিঠ ফিরিয়ে বসলেন। একে একে কানের দুল আর হাতের বালাগুলো খুললেন। তারপর হাত বাড়িয়ে গলার সেই ভারী সোনার হারটা খোলার চেষ্টা করতে গিয়ে মা একটু হাঁপিয়ে উঠলেন। মা খুব স্বাভাবিকভাবেই শাড়ির আঁচলটা কাঁধ থেকে একদম নামিয়ে দিলেন। ব্লাউজের পিঠের ফিতাটা ঢিলে হয়ে যেতেই মায়ের সেই ধবধবে ফর্সা আর প্রশস্ত পিঠটা আমার চোখের সামনে উন্মুক্ত হয়ে গেল।আমি যখন হারের হুকটা খোলার জন্য একদম কাছে ঝুঁকলাম, তখন মায়ের শরীরের সেই উগ্র সুবাস আর গরম ঘামের এক অদ্ভুত ঝাঁঝালো ঘ্রাণ আমাকে পাগল করে দিচ্ছিল। আমার আঙুল যখন মায়ের সেই মখমলের মতো মসৃণ ঘাড়ের নিচে স্পর্শ করল, তখন দেখলাম মায়ের শরীরের প্রতিটি লোমকূপ যেন শিহরিত হয়ে উঠেছে। মা হাতটা পেছনের দিকে নিয়ে এসে নিজের তলপেটের ওপর রাখলেন। শাড়িটা কোমরের কাছ থেকে আলগা হয়ে যাওয়ার কারণে মায়ের সেই মসৃণ ও ফর্সা পেট আর নাভির গভীর অংশটা আয়নায় একদম স্পষ্টভাবে ধরা দিচ্ছিল।গরম আর ক্লান্তিতে মা এবার একটু অসংবৃত হয়ে পড়লেন। তিনি আমার সামনেই খুব অবলীলায় ব্লাউজের ওপরের হুক দুটো খুলে দিলেন। মুহূর্তের মধ্যে তাঁর সেই বিশাল ও ভারী স্তনদুটো হাফ ছেড়ে যেন ব্লাউজের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসতে চাইল। মা যখন তাঁর সেই ফর্সা ও পুষ্ট হাত দিয়ে বুকের ওপর জমে থাকা ঘাম মুছছিলেন, তখন তাঁর প্রতিটি নড়াচড়ায় শরীরের সেই বিশাল অবয়বটা এক রগরগে ছন্দের জন্ম দিচ্ছিল।মা হঠাৎ ঘুরে বসলেন। তাঁর সেই তীক্ষ্ণ নাসা আর আয়ত চোখে এখন এক অদ্ভুত ক্লান্তি আর নেশা মেশানো গাম্ভীর্য। মা নিজের শাড়ির কুঁচিটা একটু আলগা করে শাড়ি আর ছায়াটা টেনে দিলে, অমনি তাঁর সেই ধবধবে ফর্সা সুডৌল হাঁটু দুটোর নিচের অংশটা একদম সামনে বেরিয়ে এল। মা তাঁর এক পা অন্য পায়ের ওপর তুলে দিয়ে খুব ধীর স্বরে বললেন, "পা দুটো বড্ড টাটকাচ্ছে রে অজয়, একটু টিপে দিবি?"মায়ের সেই গম্ভীর কণ্ঠের অনুরোধ আর তাঁর ওই প্রলয়ংকরী শরীরের রাজকীয় রূপের সামনে আমার মাথা তখন ভোঁ ভোঁ করছিল। আমি যখন মায়ের সেই ফর্সা ও ভারি উরুর ওপর হাত রাখলাম, তখন আমার মনে হলো—এই দাপুটে সম্রাজ্ঞী আজ কেবল ক্লান্ত নন, তিনি তাঁর সমস্ত মহিমা নিয়ে আমার তৃষ্ণার কাছে সমর্পণ করার এক মায়াবী হাতছানি দিচ্ছেন।আমার হাত দুটো ভয়ে আর উত্তেজনায় কাঁপছিল। মা খাটের ওপর শরীরটা এলিয়ে দিয়েছেন, তাঁর সেই প্রকাণ্ড আর চওড়া পাছা বিছানার চাদরের ওপর এক বিশাল রাজকীয় অবয়ব তৈরি করে ছড়িয়ে আছে। মা তাঁর শাড়িটা হাঁটু পর্যন্ত তুলে দিলেন, যাতে তাঁর সেই মার্বেল পাথরের মতো মসৃণ আর পুষ্ট উরু দুটো একদম উন্মুক্ত হয়ে পড়ল।আমি প্রথম যখন মায়ের সেই তপ্ত আর ফর্সা উরুর ওপর হাতের তালু রাখলাম, তখন আমার মনে হলো আমি কোনো আগ্নেয়গিরির ওপর হাত রেখেছি। মায়ের সেই মাংসল আর মজবুত উরু দুটোর স্পর্শে আমার সারা শরীরে বিদ্যুতের ঝিলিক খেলে গেল। আমি যখন ধীরে ধীরে চাপ দিতে শুরু করলাম, মা এক দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলে চোখ দুটো বুজলেন। তাঁর সেই তীক্ষ্ণ গাম্ভীর্য তখন ক্লান্তির কাছে হার মেনে এক মায়াবী প্রশান্তিতে রূপ নিয়েছে।মা তৃপ্তিতে খুব ধীর স্বরে বিড়বিড় করে বললেন, "উহ্... আরাম লাগছে রে অজয়। পা দুটো আজ একদম পাথর হয়ে গিয়েছিল।"মায়ের কথা বলার সময় তাঁর সেই বিশাল ও ভারী স্তনদুটো ব্লাউজের খোলা হুকের আড়াল থেকে ছটফট করে ওঠানামা করছিল। আমি যখন মায়ের হাঁটুর ওপর থেকে তাঁর সেই ফর্সা উরু বেয়ে ওপরের দিকে হাত চালাচ্ছিলাম, তখন আমার আঙুলগুলো বারবার তাঁর শাড়ির সেই কুঁচকানো প্রান্ত আর তাঁর মসৃণ তলপেটের কিনারায় গিয়ে ঠেকছিল। মায়ের সেই দুধে-আলতা গায়ের রঙের জেল্লা প্রদীপের মৃদু আলোয় যেন গলানো সোনার মতো চিকচিক করছিল।মা তখন একদম শিথিল। তাঁর পায়ের আলতা রাঙানো পাতাগুলো আমার কোলের ওপর রাখা। আমি যখন তাঁর পায়ের আঙুল থেকে শুরু করে সেই সুডৌল হাঁটু পর্যন্ত টিপে দিচ্ছিলাম, মা তখন ঘুমের ঘোরেই একটু নড়ে বসলেন। এতে তাঁর সেই বিশাল শরীরের ভারি ভঙ্গিটা আরও বেশি উন্মুক্ত হয়ে পড়ল। মায়ের সেই প্রশান্ত মুখচ্ছবি আর তাঁর শরীরের সেই চন্দনের সুবাস আমাকে এক আদিম মোহের চূড়ায় নিয়ে যাচ্ছিল।আমি যখন মায়ের সেই মসৃণ আর ফর্সা উরুর ওপর গভীর মনোযোগ দিয়ে হাত চালাচ্ছিলাম, তখন আমার চোখ দুটো যেন মায়ের শরীরের প্রতিটি ভাঁজ গোগ্রাসে গিলছিল।আমার দৃষ্টি তখন একদম স্থির হয়ে আছে তাঁর সেই উরুর ওপরের অংশের দিকে, যেখানে শাড়ির বাঁধনটা একদম আলগা হয়ে গেছে।ঠিক সেই মুহূর্তে মা হঠাৎ তাঁর সেই বড় বড় আয়ত চোখ দুটো মেলে তাকালেন।আমার বুকের ভেতরটা যেন মুহূর্তের জন্য থেমে গেল। আমি ধরা পড়ে গেছি! আমার সেই তৃষ্ণার্ত, লোলুপ দৃষ্টি তখন সরাসরি মায়ের সেই উন্মুক্ত লাবণ্যের ওপর আটকে আছে। আমি ভেবেছিলাম এখনই হয়তো মায়ের সেই চিরচেনা গর্জন শুরু হবে, তাঁর সেই তীক্ষ্ণ শাসনে এই বড় বাড়িটা কেঁপে উঠবে। কিন্তু না, মা আজ অন্যরকম।মা স্থির চোখে কয়েক সেকেন্ড আমার দিকে তাকিয়ে রইলেন। তাঁর সেই প্রখর দৃষ্টিতে যেন আমার মনের ভেতরের প্রতিটি নিষিদ্ধ আকাঙ্ক্ষা ধরা পড়ে গেল। কিন্তু ক্লান্তিতে আর বিয়ের বাড়ির শ্রান্তিতে মায়ের সেই রাগী মেজাজটা আজ কোথায় যেন হারিয়ে গেছে। তাঁর সেই উজ্জ্বল তামাটে মুখমণ্ডলে রাগের বদলে ফুটে উঠল এক অদ্ভুত বিষণ্ণতা আর প্রশান্তি।মা কোনো কথা বললেন না, আমাকে শাসন করার মতো শক্তিটুকুও যেন তাঁর নেই। তিনি শুধু দেখলেন তাঁর ছেলে আজ তাঁর এই রাজকীয় শরীরের মোহে কতটা আচ্ছন্ন। মা একটা দীর্ঘ নিশ্বাস ছাড়লেন, আর তারপর এক রহস্যময় ক্লান্তিতে আবার নিজের চোখ দুটো বুজে নিলেন। তাঁর সেই আধখোলা ঠোঁট দিয়ে শুধু একটা অস্ফুট শব্দ বেরোল— "হয়েছে, থাক এখন... যা নিজের ঘরে যা।"মা যখন চোখ বন্ধ করলেন, তাঁর সেই বিশাল শরীরের অবয়বটা বিছানায় আরও শিথিল হয়ে পড়ল। আমি বুঝতে পারলাম, মা সব জেনেও আজ যেন আমাকে এক অলিখিত অনুমতি দিয়ে দিলেন তাঁর ওই মোহময়ী রূপকে দুচোখ ভরে দেখে নেওয়ার। মায়ের সেই প্রশান্ত অথচ গম্ভীর মুখের দিকে তাকিয়ে আমার মনে হলো—এই বিশাল দালানের সম্রাজ্ঞী আজ যেন স্বেচ্ছায় তাঁর আভিজাত্যের বর্মটা খুলে রেখেছেন।আমি ধীর পায়ে ঘর থেকে বেরিয়ে এলাম, কিন্তু আমার মনের চোখে তখনও ভাসছে মায়ের সেই বন্ধ চোখের পল্লব আর তাঁর সেই ফর্সা উরু ও স্তনের প্রলয়ংকরী প্রতিচ্ছবি।এরপর.....এরপর কি হলো তা জানতে হলে বেশি বেশি লাইক এবং রেপুটেশন দিয়ে সঙ্গেই থাকবেন।সঙ্গে থাকার জন্য সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ। বি:দ্র: দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আশানুরূপ লাইক ও রেপুটেশন না পেলে গল্পের পর্ব আসতে লেট হবে....!!
|
0 comments:
Post a Comment