Bangla Choty Golpo

গল্প:রাগী মায়ের রাগ মোচন(১৪)





পর্ব:১৪




বিছানার ওপর তখন এক থমথমে উত্তেজনা। মায়ের সেই মাখন-শুভ্র আর মাংসল শরীরের ওপর আমি পাহাড়ের মতো চেপে বসে আছি। মায়ের সেই দোর্দণ্ড প্রতাপী চোখদুটো তখনো কামনার নেশায় আর শাসনের আভিজাত্যে জ্বলজ্বল করছিল। আমি তাঁর বুকের ওপর মুখ ঘষতে ঘষতে হঠাৎ থেমে গেলাম। বিছানার ওপর তখন এক ভারী নিস্তব্ধতা। আমি আলতো করে মায়ের পা দুটো ছুঁয়ে সম্মানের সাথে অনুমতি চাইলাম—যে, আরেকবার কি তাঁর ওই পবিত্র আশ্রয়টুকু পাওয়া যাবে? আমার কথায় মা এক রহস্যময় হাসি দিলেন, কিন্তু নিজেকে বিছানা থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে উঠে দাঁড়ালেন। তাঁর দুধে-আলতা বরণ শরীরে তখনো আমার আগের বারের বীর্যের দাগ চিকচিক করছিল।
মা শাড়ির আঁচলটা গায়ে জড়িয়ে নিয়ে ধমকের সুরে বললেন, "কী রে কুলাঙ্গার, খচ্চরের মতো একবার রস ঢেলে আবার সেখানেই করবি নাকি? ওগুলো একটু ধুয়ে আসতে দে। আর তুই এভাবে হাঁ করে বসে আছিস কেন? যা, তুইও ধুয়ে আয়।"
আমি মায়ের পিছন পিছন বাথরুমের দিকে এগোলাম। জলের ঝাপটায় শরীরের আড়ষ্টতা কাটলেও মনের তৃষ্ণা তখনো মেটেনি। ধোয়াধুয়ি শেষে ঘরে ফিরে আসতেই দেখলাম মা জানলার ভারী পর্দাগুলো এক এক করে সরিয়ে দিচ্ছেন। দুপুরের তপ্ত রোদ ঘরে আসতেই ভেতরের সেই ভ্যাপসা আর আদিম কামনার গন্ধটা যেন আরও তীব্র হয়ে উঠল। ঘরটা তখন আমাদের নিষিদ্ধ মিলনের রসের গন্ধে গমগম করছে।

মা যখন জানলার পর্দাগুলো সরিয়ে দিলেন, বিকেলের মরা রোদের এক চিলতে আভা তাঁর মাখন-শুভ্র পিঠের ওপর এসে পড়ল। মা ধীর পায়ে গিয়ে শয়নকক্ষের দরজাটা পুরোপুরি খুলে দিলেন। বাইরে কেউ নেই, তবু এই খোলা দরজার সামনে মায়ের নগ্নপ্রায় শরীরটা প্রদর্শন করা যেন এক অদ্ভুত পৈশাচিক সাহসের পরিচয়।
মা ধীরপায়ে বিছানায় এসে হেলান দিয়ে বসলেন। তাঁর শাড়ির আঁচলটা কাঁধ থেকে খসে পড়েছে। তিনি শাড়িটা সজোরে হাঁটু থেকে আরও ওপরে কোমর পর্যন্ত টেনে তুললেন। এতে তাঁর সেই হাতির পিলারের মতো বিশাল আর মসৃণ ঊরু দুটো পুরোপুরি উন্মুক্ত হয়ে পড়ল। মা তাঁর পা দুটো একটু ফাঁক করে বসলেন, আর সেই ফাঁক দিয়ে উঁকি দিচ্ছে তাঁর সেই রসে টইটম্বুর আর মাংসল গুদ।
আমি যখন তাঁর পায়ের কাছে গিয়ে বসলাম, মা আমার চোখের দিকে সরাসরি তাকালেন।
মা: "কী রে কুলাঙ্গার? শরীর তো ধুয়ে এলি, কিন্তু তোর চোখের ওই জানোয়ারি তেজ তো এখনো কমল না। সত্যি বল তো, আমার শরীরটা নিয়ে তোর মাথায় আর কী কী পৈশাচিক চিন্তা ঘুরছে?"

আমি মায়ের সেই নধর ঊরুর ওপর হাত রেখে বললাম, "মা, তোমার এই রূপের সামনে ফিজিক্স-কেমিস্ট্রির সব সূত্র আজ অর্থহীন। দরজা খোলা রেখে তুমি যেভাবে বিছানায় বসে আছ, তাতে আমার মনে হচ্ছে তুমি যেন এক সম্রাজ্ঞী, আর আমি তোমার একনিষ্ঠ দাস।"


মায়ের ঠোঁটের কোণে এক পৈশাচিক তৃপ্তির হাসি ফুটে উঠল। তিনি আমার চুলের মুঠিটা টেনে ধরে মুখটা তাঁর সেই তপ্ত আর পিচ্ছিল ভোদাটার একদম কাছে নিয়ে গেলেন।
মা: "দাস? তুই তো এক নম্বরের হারামজাদা! তুই চাস জয়া রায়ের এই শাসনের দুর্গ ভেঙে চুরমার করতে। দেখছিস তো, দরজাটা খোলাই আছে—যেকোনো সময় কেউ চলে আসতে পারে। এই ভয়ের মধ্যেই তো তোর আসল মজা, তাই না? আয় শুয়োরের বাচ্চা, তোর ওই আদিম তৃষ্ণাটা আজ এই মাতৃ গুদে নিভিয়ে যা।"
( আমাদের বাড়ির সদর দরজার চাবি সবার কাছে থাকে.। তাই বাহির থেকে পরিবারের যে কেউ খুলে ঘরে ঢুকেতে পারে । তবে কেউ ঢোকেনা। সবাই গেটেই নক করে...)


আমি যখন মায়ের সেই রসে ভেজা আর টকটকে লাল ভোদার ঠোঁট দুটোর ওপর আঙুল বোলালাম, দেখলাম ধোয়ার পরেও সেখান থেকে লকলক করে স্বচ্ছ কামরস চুঁইয়ে পড়ছে। তাঁর সেই বিশাল ও ভারী স্তনজোড়া তখন প্রতিটি নিঃশ্বাসের সাথে প্রবল বেগে ওঠানামা করছিল। মায়ের গায়ের সেই চন্দন আর কামরসের মিশ্র গন্ধটা আমার নাকে ধাক্কা দিতেই আমি উন্মাদ হয়ে গেলাম।
আমি মায়ের সেই মাংসল ঊরু দুটো সজোরে আরও দুদিকে ছড়িয়ে দিলাম। মায়ের সেই প্রকাণ্ড পাছার ভারে বিছানার গদিটা আরও নিচে ডেবে গেল। মা তখন তাঁর এক পা আমার কাঁধের ওপর তুলে দিলেন।
মা: "উফ্... আজ কি ছিঁড়ে ফেলবি আমাকে? নে, আর সময় নষ্ট করিস না। এই খোলা দরজার সামনে দাঁড়িয়ে তোর ওই পড়াশোনার সবটুকু জেদ আজ আমার এই পিচ্ছিল গর্তের দেওয়ালে আছড়ে ফেল। দেখা তোর জানোয়ারি তেজ কতটা গভীরে পৌঁছাতে পারে!"

মায়ের অনুমতি পাওয়া মাত্রই আমার আর কোনো সংবরণ থাকল না। তাঁর পিচ্ছিল আর কামরসে ভেজা পথে আমার সাড়ে সাত ইঞ্চির দণ্ডটা বসিয়ে সজোরে এক রাজকীয় ধাক্কা দিলাম। মায়ের সেই আঁটসাঁট মাংসের দেওয়াল চিরে আমি এক নিমেষে জরায়ুর গভীরে পৌঁছে গেলাম।
মা সজোরে একটা আর্তনাদ করে উঠলেন, তাঁর মাখন-শুভ্র শরীরটা উত্তেজনায় থরথর করে কাঁপতে লাগল।
মা: "উফ্... জানোয়ার! হারামজাদা! আজ সত্যিই মেরে ফেলবি আমাকে? ওহ্... "
মায়ের পৈশাচিক গালি আর খোলা দরজা দিয়ে আসা বাতাসের রোমাঞ্চ আমাকে উন্মাদ করে দিল। আমি আর কথা না বাড়িয়ে কোমরের গতি বাড়িয়ে দিলাম। প্রতিটি ধাক্কায় মায়ের প্রকাণ্ড আর চওড়া পাছাটা বিছানার সাথে পিষ্ট হতে লাগল। মিনিট দশেকের সেই ঝোড়ো তাণ্ডব শেষে অনুভব করলাম বীর্যের তপ্ত স্রোতধারা জরায়ুর গভীরতম কোণে আছড়ে পড়ছে। মা এক দীর্ঘ গোঙানি দিয়ে নিস্তেজ হয়ে এলিয়ে পড়লেন।
কিছুক্ষণ ওভাবেই মায়ের বিশাল ও ভারী শরীরের ওপর শুয়ে থেকে নিজেকে সামলে নিলাম। মা হাঁপাতে হাঁপাতে আমার কপালে একটা চুমু খেয়ে ফিসফিস করে বললেন:
মা: "সাবাস কুলাঙ্গার! আজকের পাওনা মিটে গেল। এবার যা, নিজের ঘরে গিয়ে পড়তে বোস।"

আমি বিছানা থেকে নেমে নিজের কাপড় গুছিয়ে নিলাম। মায়ের তৃপ্ত আর শাসানি মেশানো চাহনি মনে গেঁথে নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে নিজের রুমের দিকে রওনা হলাম। মনে মনে শুধু একটাই লক্ষ্য—ইউনিভার্সিটিতে চান্স পেয়ে মায়ের পাছার অন্দরমহল জয় করা।




দুপুরের সেই রাজকীয় যুদ্ধের ক্লান্তি যেন এক গভীর অবসাদ হয়ে আমার চোখের পাতায় নেমে এল। পড়ার টেবিলে বসলেও মাথায় তখনো মায়ের সেই বিশাল ও ভারী শরীরের মাদকতা আর কানের কাছে তাঁর 'হারামজাদা' ডাকটা প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। বইটা একপাশে সরিয়ে রেখে আমি বিছানায় গা এলিয়ে দিলাম। মনে শুধু একটাই প্রতিজ্ঞা—বিকেলে উঠেই মায়ের 'পাছার রহস্য' জয়ের প্রস্তুতিতে ডুব দেব।






বিকেল গড়িয়ে যখন সন্ধ্যা নামল, বাড়ির বাকি সবাই ততক্ষণে ফিরে এসেছে। জয়া রায় তাঁর সেই দোর্দণ্ড প্রতাপী শাসকের রূপে আবার ফিরে গেছেন। তিনি আমার ঘরের দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলেন। তাঁর হাতে এক গ্লাস গরম দুধ আর দুটো সেদ্ধ ডিম। রোদের তেজ কমে গেলেও মায়ের গায়ের সেই পরিচিত চন্দন আর ঘামের তীব্র ঘ্রাণটা আমার ঘুম কেড়ে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল।
মা: "কী রে কুলাঙ্গার? দুপুর থেকে ঘুমিয়েই কি জীবন পার করে দিবি? ওঠ! ইউনিভার্সিটি কি তোর এই ঘুমের সুযোগে তোর পকেটে ঢুকে যাবে?"

মায়ের জারি খেয়ে আমি উঠে বসতেই তিনি ডিমের খোসাটা ছাড়িয়ে আমার মুখের সামনে ধরলেন। আমি ডিমটা হাতে নিয়ে কামড় দিতেই আমার অন্য হাতটা অবলীলায় তাঁর শাড়ির ওপর দিয়ে সেই মাংসল আর নধর ঊরুর ওপর রাখলাম। তবে, হাতটা শাড়ির ভাঁজে না ঢুকিয়ে বরং শাড়ির ওপর দিয়েই তাঁর সেই বিশাল আর চওড়া পাছার ওপর সজোরে চেপে ধরলাম।
মা আমাকে বাধা দিলেন না, বরং গ্লাসটা আমার ঠোঁটের কাছে এগিয়ে দিলেন। আমি দুধের চুমুক দিচ্ছি আর আমার হাতের তালু দিয়ে তাঁর সেই ভারী নিতম্বের মাংসগুলো কচলানো শুরু করলাম। শাড়ির খসখসে কাপড়ের নিচ দিয়েও তাঁর শরীরের সেই তপ্ত ওম আর মাংসের থরথরানি পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছিল।
মা: "কী রে কুলাঙ্গার? খাবি নাকি এভাবে এখানে ওখানে হাত চালাবি? খাওয়ার সময়ও তোর নজর কি কেবল মায়ের শরীরের খাঁজেই আটকে থাকবে, জানোয়ার? নে, তাড়াতাড়ি শেষ কর।"

আমি মায়ের শাড়ির প্রথম ভাঁজটা সরালাম। আমার আঙুলের ডগাগুলো কাপড়ের সেই স্তরগুলো অতিক্রম করে আরও ভেতরে ঢুকতে লাগল। মা তখন নির্বিকার মুখে আমাকে ডিমের টুকরো খাইয়ে দিচ্ছিলেন, কিন্তু আমার হাতের স্পর্শ যখন তাঁর মাংসল আর নধর ঊরুর ওপর গিয়ে ঠেকল, তাঁর চোখের পলক একবার নড়ে উঠল। আমি থামলাম না; শাড়ির প্রতিটি ভাঁজ অত্যন্ত কৌশলে আর শ্রদ্ধার সাথে সরিয়ে আমি এগোতে থাকলাম সেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের দিকে।
মায়ের আঙুল যখন শেষ ডিমের টুকরোটা আমার মুখে তুলে দিল, ঠিক তখনই আমার হাতটা তাঁর সেই তপ্ত আর রসে টইটম্বুর গুদখানার ঠিক ওপরে গিয়ে পৌঁছাল। ধোয়ার পরেও তাঁর সেই কাম-অরণ্য থেকে এক আদিম উষ্ণতা বেরিয়ে আসছিল। মা তখন গ্লাসটা একপাশে রেখে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলো।

মা: "খাওয়া তো শেষ হলো কুলাঙ্গার, এবার হাত সরা। আমাকে রান্নাঘরের দিকটা দেখতে হবে, অনেক কাজ পড়ে আছে।"
কিন্তু আমি মায়ের সেই বিশাল ও ভারী শরীরটাকে বিছানায় সজোরে চেপে ধরে বসিয়ে রাখলাম। আমার হাতের তালু এখন সরাসরি তাঁর সেই পিচ্ছিল আর মাংসল ভোদার ঠোঁট দুটোর ওপর চেপে বসেছে। মা আমার এই অবাধ্যতায় এক মুহূর্তের জন্য থমকে গেলেন, তাঁর সেই রাজকীয় চোখ দুটোতে রাগের বদলে এক পৈশাচিক প্রশ্রয় ফুটে উঠল।
আমি: "এত তাড়াতাড়ি কোথায় যাচ্ছ মা? একটু তো বসো। এখনই আমি পড়তে বসবো।"
মা আমার কথা শুনে দাঁতে দাঁত চিপে আমার চুলগুলো আবার খামচে ধরলেন। আমি আমার আঙুলগুলো দিয়ে তাঁর সেই রসে ভেজা খাঁজটার ভেতরে একটু চাপ দিতেই মা এক দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন। তাঁর শরীরটা আবার সেই দুপুরের মতো উত্তেজনায় থরথর করে কাঁপতে লাগল।
মা: "উফ্... জানোয়ার! হারামজাদা! তুই কি আজ আমাকে মেরেই ফেলবি? আমার ফেলে আসা কাজগুলো কি তোর বাপ এসে করবে? ওহ্... কী করছিস রে শুয়োরের বাচ্চা... উফ্..."
মা মুখে গালি দিলেও তাঁর সেই প্রকাণ্ড আর চওড়া পাছাটা বিছানার সাথে আরও লেপ্টে দিলেন। আমি মিনিট খানেক ধরে তাঁর সেই পিচ্ছিল আর মাংসল গুদখানাটা প্রাণভরে হাত দিয়ে মন্থন করলাম। প্রতিটি চিমটিতে আর চাপে মা শিউরে উঠছিলেন। যখন দেখলাম মায়ের চোখ দুটো কামনায় একদম বুজে এসেছে, তখন আমি সজোরে তাঁর সেই মাংসল নিতম্বে একটা শেষ চাপ দিয়ে হাতটা সরিয়ে নিলাম।
মা এক লহমায় চোখ খুলে আমার দিকে তাকালেন। তাঁর সেই দোর্দণ্ড প্রতাপী চাউনিতে এখন এক পৈশাচিক তৃপ্তি। তিনি উঠে দাঁড়িয়ে শাড়িটা ঠিক করতে করতে বললেন:
মা: "নে, তোর ওই জানোয়ারি খায়েশ তো মিটলো! এবার যদি পড়ার টেবিলে তোকে কলম না চালাতে দেখি, তবে তোর ওই আঙুলগুলো আমিই ভেঙে দেব। "
মা ঘর থেকে বেরিয়ে যেতেই তাঁর সেই প্রকাণ্ড পাছার দুলুনি আমার চোখে নেশার মতো লেগে রইল।


পড়ার টেবিলে যখন বসলাম, তখন হাতের আঙুলে লেগে থাকা সেই তপ্ত ঘ্রাণটা বারবার আমার নাকে ধাক্কা দিচ্ছিল। কলম দিয়ে ফিজিক্সের জটিল সমীকরণগুলো সমাধান করছি ঠিকই, কিন্তু চোখের সামনে ভেসে উঠছে মায়ের সেই পিলারের মতো বিশাল আর মসৃণ ঊরু দুটোর দৃশ্য। শাড়ির প্রতিটি ভাঁজ সরিয়ে যখন আমি তাঁর সেই রসে টইটম্বুর আর মাংসল ভোদার ওপর হাত রেখেছিলাম, সেই শিহরণটা এখনো আমার মেরুদণ্ড দিয়ে বয়ে যাচ্ছে।


আমি জানি, এই পড়ার টেবিলে নিজেকে প্রমাণ করতে না পারলে তাঁর ওই প্রকাণ্ড আর চওড়া পাছার ওপর রাজত্ব করার স্বপ্ন পূরণ হবে না। প্রতিটি অংক মেলাচ্ছি আর ভাবছি—এটাই সেই চাবিকাঠি যা দিয়ে আমি মায়ের আভিজাত্যের সবটুকু বর্ম ভেঙে চুরমার করে দেব।



মাঝরাতে একবার গলাটা শুকিয়ে আসতেই আমি চেয়ার ছেড়ে উঠলাম। ঘর থেকে বেরিয়ে রান্নাঘরের দিকে যাওয়ার পথে মায়ের সেই বন্ধ ঘরের দরজার সামনে আমি একবার থামলাম। নিস্তব্ধ রাতে ভেতর থেকে তাঁর সেই ভারী নিঃশ্বাসের শব্দ শোনা যাচ্ছিল। আমি স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম।

মায়ের বন্ধ দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আমি এক মুহূর্ত স্থির হয়ে রইলাম। বাড়ির বাকি সবাই তখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, চারপাশটা একেবারে নিঝুম। আমার হৃৎপিণ্ডটা বুকের ভেতর হাতুড়ি পেটার মতো শব্দ করছে। বিকেলের সেই হাতের স্পর্শ আর পড়ার জেদ যেন এখন আমার শরীরের প্রতিটি কোষে এক পৈশাচিক সাহস হিসেবে জেঁকে বসেছে।
আমি খুব সাবধানে, যেন বিন্দুমাত্র শব্দ না হয়, দরজার হাতলটা ঘুরিয়ে ভেতরে পা রাখলাম। ঘরটা আধা-অন্ধকার, শুধু জানলা দিয়ে আসা চাঁদের মৃদু আলোয় ভেতরের দৃশ্যটা স্পষ্ট হয়ে উঠল। বিছানায় মা অঘোরে ঘুমোচ্ছেন। শাড়িটা তাঁর শরীর থেকে একদম আলুথালু হয়ে খসে পড়েছে। তাঁর সেই মাখন-শুভ্র আর মাংসল শরীরের অনেকটা অংশই এখন অনাবৃত। তাঁর বুকটা প্রতিটি নিঃশ্বাসের সাথে ভারীভাবে ওঠানামা করছে, আর সেই বিশাল ও পুষ্ট স্তনজোড়া যেন অন্ধকারের মাঝেও রাজকীয়ভাবে জেগে আছে।
আমি পা টিপে টিপে বিছানার একদম কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম। মায়ের সেই প্রকাণ্ড আর চওড়া পাছার একাংশ শাড়ির নিচ থেকে উঁকি দিচ্ছে, যা দেখে আমার গলার নলি শুকিয়ে এল। আমি তাঁর মাথার কাছে গিয়ে বসলাম। ঘুমের ঘোরে মায়ের কপালে চুলের কয়েকটা গোছা অবিন্যস্ত হয়ে পড়ে ছিল। আমি খুব আলতো করে তাঁর চুলে হাত রাখলাম। চন্দনের সেই মায়াবী ঘ্রাণ আর কামরসের সেই পুরনো গন্ধটা আমার নাকে ধাক্কা দিতেই আমার দণ্ডটা আবার লুঙ্গির ভেতরে সজোরে জেগে উঠল।
আমি ঝুঁকে পড়ে মায়ের কানের কাছে ফিসফিস করে ডাকলাম, "মা..."
মা ঘুমের ঘোরে একবার নড়ে উঠলেন। এতেই তাঁর মাংসল ঊরু দুটো একটু ফাঁক হয়ে গেল।




আমি যখন হাতটা শাড়ির ভাঁজহীন পেটের ওপর দিয়ে নিচে নামিয়ে সেই তপ্ত কাম-গহ্বরের কাছে নিয়ে গেলাম, ঠিক তখনই মা আমার কবজিটা শক্ত করে ধরে ফেললেন। অন্ধকারে তাঁর চোখ দুটো জ্বলজ্বল করছিল। তিনি এক ঝটকায় আমার হাতটা সরিয়ে দিয়ে বিছানায় উঠে বসলেন। শাড়িটা কোনোরকম গায়ে জড়িয়ে নিয়ে তিনি শাসনের সুরে গর্জে উঠলেন।
মা: "কী রে কুলাঙ্গার? নিজের ভবিষ্যৎ কি তুই এই শরীরের ভাঁজেই বিসর্জন দিবি? ভুলে গেছিস আর মাত্র চারটে দিন পর তোর জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটির ভর্তি পরীক্ষা?"

মায়ের গলার সেই তীক্ষ্ণ স্বর শুনে আমার সব নেশা মুহূর্তেই কেটে গেল। তিনি বিছানা থেকে নেমে আমার সামনে এসে দাঁড়ালেন। তাঁর সেই দোর্দণ্ড প্রতাপী ছায়াটা আমার ওপর পড়তেই আমি মাথা নিচু করে ফেললাম।
মা: "তোর লজ্জা বলতে কিছু নেই রে? দু'একবার প্রশ্রয় দিয়েছি বলে ভেবেছিস সারাটা দিন-রাত এভাবেই চলবে? মনে রাখিস, জাহাঙ্গীরনগরের ওই লাল মাটির ক্যাম্পাসে যদি নিজের জায়গা করে নিতে না পারিস, তবে এই ঘর আর এই শরীরের দরজা চিরকালের জন্য তোর সামনে বন্ধ হয়ে যাবে। যা এখন! এক মুহূর্তও এখানে দাঁড়িয়ে সময় নষ্ট করবি না।"




আমাকে বের করে দেওয়ার আগে, মা নিজের দিকে টেনে নিয়ে আমার হাত দুটো সজোরে তাঁর সেই প্রকাণ্ড আর ভারী পাছার ওপর চেপে ধরলেন। শাড়ির ওপর দিয়েই আমি তাঁর সেই মাংসল পাহাড়ের তীব্র উষ্ণতা আর দৃঢ়তা অনুভব করলাম। মা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে এক পৈশাচিক অথচ শাসনের হাসি দিলেন।

মা: "এই যে এই মাংসের পাহাড়টা দেখছিস—এটা জয় করার যোগ্যতা সবার থাকে না রে কুলাঙ্গার। একবার চিপে দেখে নে এর তেজ কতটা, কারণ আগামী চার দিন এর ধারেকাছে ঘেঁষার অনুমতিও তুই পাবি না।"

আমি দুহাতে মায়ের চওড়া নিতম্বের দুই পাশ সজোরে টিপে ধরলাম। মা যন্ত্রণায় একবার ঠোঁট কামড়ে ধরলেন, কিন্তু হাত সরালেন না। কিছুক্ষণ ওভাবে আমাকে তাঁর শরীরের সেই নিষিদ্ধ স্বাদ নিতে দিয়ে তিনি এক ঝটকায় আমাকে দরজার দিকে ঠেলে দিলেন।

মা: "তোর তো শুধু ফিজিক্স নিয়ে পড়ে থাকলে চলবে না। জাহাঙ্গীরনগরে ম্যাথ আর আইকিউ-তেও তোকে তুখোড় হতে হবে। সারা রাত জেগে ম্যাথের ওই জটিল ক্যালকুলাস আর আইকিউ-এর প্যাঁচগুলো শেষ কর। যেদিন জাহাঙ্গীরনগরের রেজাল্ট হাতে নিয়ে বলবি যে তুই সফল হয়েছিস, সেদিন আমি নিজে তোকে ডেকে সবটুকু পাওনা মিটিয়ে দেব।"

মা দরজার কাছে দাঁড়িয়ে তাঁর শাড়িটা একবার ঠিক করে নিলেন। তাঁর চোখে তখন সেই একই রুক্ষ শাসন, যা আমাকে মনে করিয়ে দিল যে সামনে মস্ত বড় এক পরীক্ষা।
মা: "তার আগে যদি তোকে আমার ঘরের আশেপাশে দেখি, তবে তোর ওই জানোয়ারি তেজ আমি চড় দিয়ে নামিয়ে দেব! যা, এখনই পড়তে বস আর ম্যাথের ওই চ্যাপ্টারগুলো শেষ কর!"
মায়ের এই কঠোর জারি আর অমোঘ পুরস্কারের লোভ আমাকে উন্মাদ করে দিল। আমি নিজের রুমে ফিরে এসে সরাসরি ম্যাথ বইটা টেনে নিলাম।

জাহাঙ্গীরনগরের সেই লাল মাটির ক্যাম্পাসে জায়গা করে নিতেই হবে—এই জেদ নিয়ে আমি গভীর রাতে পড়াশোনার সাগরে ডুব দিলাম।



জাহাঙ্গীরনগর আমাকে ক্রাক করতেই হবে...!!







এরপর.....




এরপর কি হলো তা জানতে হলে বেশি বেশি লাইক এবং রেপুটেশন দিয়ে সঙ্গেই থাকবেন।

সঙ্গে থাকার জন্য সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।




 

Share:

0 comments:

Post a Comment

Xgossip. Bangla Choty Golpo

Tags

Xgossip— Bangla Choty Golpo. Powered by Blogger.

Ad Space

Featured post

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(১৫)

  পর্ব:১৫ বাবা- কি বলব বাবা তোকে, আসলে তোর মাকে বকা ঝকা করেছি তার কারন আছে তুই আমার ছেলে তোকে কি বলব সব তো খুলে বলা যায়না। আমি- কেন বাবা আমি...

Search This Blog

🔞 ১৮% সতর্কবার্তা

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন।

About Us

About Us
এই খানে পাবেন বিভিন্ন লেখকদের বিভিন্ন ক্যাটাগরির চটি গল্প।

Translate

Popular Posts

Popular Posts