Bangla Choty Golpo

গল্প: রাগী মায়ের রাগ মোচন(০৫)



পর্ব:০৫






পরদিন সকালে যখন রোদটা জানালার গ্রিল গলে আমার পড়ার টেবিলে আছড়ে পড়ল, গত রাতের সেই অবাস্তব আর রগরগে মুহূর্তগুলো যেন এক কুয়াশার মতো মিলিয়ে গেল। পুরো বাড়ি আবার তাঁর পুরনো ছন্দে ফিরেছে। ঠাকুরঘর থেকে দিদার মন্ত্রপাঠের শব্দ আর রান্নাঘর থেকে মায়ের সেই চেনা হুকুমের সুর ভেসে আসছে।
আমি স্নান সেরে একদম ফ্রেশ হয়ে ফিজিক্সের বড় মোটা বইটা খুলে বসলাম। কালকের সেই জেদ বা অনশনের কোনো চিহ্ন আজ আমার শরীরে নেই, বরং মনে এক অদ্ভুত প্রশান্তি। আমি জানি, মা জয়া রায়ের ওই রাজকীয় আভিজাত্য যেমন অটল, তাঁর মাতৃত্বের গভীরে লুকিয়ে থাকা সেই বিশেষ মুহূর্তটাও কেবল আমারই একার সম্পদ হয়ে রইল।
বাবা বৈঠকখানায় বসে গম্ভীরভাবে খবরের কাগজ পড়ছেন। সীতা ওর পড়ার ঘরে জোরে জোরে নামতা পড়ছে। ঠিক তখনই মা জয়া রায় আমার ঘরে ঢুকলেন। পরনে তাঁর কড়কড়ে ইস্ত্রি করা একটা নীল সুতির শাড়ি, কপালে নিখুঁত লাল সিঁদুরের টিপ। আর এক হাতে ছিল চায়ের কাপ আর অন্য হাতে ভাঁজ করা একটা ল্যাভেন্ডার রঙের ব্রা। বোধহয় আলমারি গোছাতে গিয়ে ওটা হাতে রয়ে গিয়েছিল। মায়ের সেই প্রলয়ংকরী ব্যক্তিত্বে কাল রাতের সেই সমর্পণের এক বিন্দু চিহ্নও অবশিষ্ট নেই।
মা আমার পাশে এসে দাঁড়ালেন। তাঁর সেই বিশাল ও ভারী স্তনদুটো শাড়ির নিচ থেকে এক দাপুটে আভিজাত্য ছড়িয়ে দিচ্ছে। মা আমার খাতার ওপর ঝুঁকে পড়ে দেখলেন আমি মনোযোগ দিয়ে ইকুয়েশনগুলো সাজাচ্ছি কি না। মায়ের সেই চন্দনের সুবাস আর গায়ের সেই পরিচিত তপ্ত উত্তাপ আমাকে আবার ছুঁয়ে গেল।
মা খুব গম্ভীর আর ধারালো স্বরে বললেন, "এই তো চাই। কালকের মতো জেদ যেন আর কোনোদিন মাথায় না ঢোকে। পড়াশোনায় ফাঁকি দিলে কিন্তু এবার আর শুধু চাটি নয়, বাবার হাতে তুলে দেব।"
মা টেবিলের ওপর চায়ের কাপটা রেখে খুব কড়া গলায় বললেন, "পড়াশোনায় মন দে। আজ যেন কোনো ফাঁকি না দেখি।"
মায়ের সেই দাপুটে ব্যক্তিত্ব আর তাঁর হাতের ওই অন্তর্বাসটা দেখে আমার ভেতরে এক নিষিদ্ধ কৌতূহল চাড়া দিয়ে উঠল। কাল রাতের সেই শ্বেতশুভ্র উন্মুক্ত রূপটা দেখার পর আমার সাহস যেন অনেকটা বেড়ে গেছে। আমি খাতা থেকে কলমটা সরিয়ে সরাসরি মায়ের সেই তীক্ষ্ণ চোখের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, "মা, একটা কথা জিজ্ঞেস করব?
-" কী?"
" তোমার এই ব্রার সাইজ কত?"
মায়ের সেই আয়ত চোখ দুটো মুহূর্তের মধ্যে যেন আগুনের গোল্লা হয়ে উঠল। তিনি হাতের কাপটা এমনভাবে টেবিলে রাখলেন যে মনে হলো ওটা ফেটে যাবে। তাঁর সেই বিশাল ও ভারী স্তনদুটো রাগের চোটে ব্লাউজের ভেতর তখন প্রবলভাবে ওঠানামা করছে। মায়ের কপালে রাগের শিরগুলো জেগে উঠল, আর তাঁর সেই শাসনমাখা মুখটা রক্তবর্ণ হয়ে গেল।
"তোর সাহস তো কম নয় অজয়! কাল রাতের ওইটুকু প্রশ্রয় পেয়ে তুই এখন ধরাকে সরা জ্ঞান করছিস?" মায়ের গলার স্বরটা একটা চাপা গর্জনের মতো শোনাল। তিনি এক পা আমার দিকে এগিয়ে এলেন, তাঁর সেই রাজকীয় শরীরের দাপটে আমি যেন চেয়ারের সাথে মিশে গেলাম। "নিজের মায়ের অন্তর্বাস নিয়ে প্রশ্ন করতে তোর জিব ছিঁড়ে গেল না? এই শিক্ষাই কি দিচ্ছি আমি তোকে?"
মা তাঁর হাতের ওই ভাঁজ করা কাপড়টা সজোরে মুঠো করে ধরলেন। তাঁর সেই প্রলয়ংকরী রাগের সামনে দাঁড়িয়ে আমার নিশ্বাস বন্ধ হওয়ার উপক্রম হলো। মনে হলো এখনই হয়তো তিনি সেই পরিচিত চাটি বা শাসনের চাবুক বের করবেন। কিন্তু মা আজ অন্যভাবে তাঁর আভিজাত্য বজায় রাখলেন।
তিনি ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য দরজার দিকে পা বাড়ালেন। তাঁর সেই চওড়া পাছার দুলুনি আর আলতা রাঙানো পায়ের ধুপধাপ শব্দে পুরো দালানটা যেন কাঁপছিল। কিন্তু দরজার ঠিক চৌকাঠে দাঁড়িয়ে তিনি হঠাৎ থামলেন। পেছন ফিরে না তাকিয়েই, এক অমোঘ ঘৃণা আর প্রলয়ংকরী গাম্ভীর্য নিয়ে খুব কড়া স্বরে বললেন, "৪০ ডি (40D)! এবার নিশ্চয়ই তোর তৃষ্ণা মিটেছে? এই শেষবার বলে গেলাম, এরপর যদি এমন বেয়াদবি করিস, তবে আমি নিজের হাতে তোর বিষের ব্যবস্থা করব।"
মা হনহন করে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। আমি সেই নিস্তব্ধ ঘরে স্তব্ধ হয়ে বসে রইলাম। মায়ের সেই তীক্ষ্ণ গলার স্বর আর তাঁর শরীরের সেই দানবীয় মাপটা আমার মাথার ভেতর এক রগরগে ঝংকার তুলে দিল। মা আবার সেই সম্রাজ্ঞীর সিংহাসনে ফিরে গেছেন, কিন্তু আমার জন্য রেখে গেছেন তাঁর সেই অজেয় আভিজাত্যের এক চূড়ান্ত মাপকাঠি।

বিকেলের দিকে জানালার পর্দাগুলো টানা ছিল, তাই ঘরটা আধো-অন্ধকার হয়ে আছে। মা জয়া রায় তাঁর ড্রেসিং টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে শাড়িটা ঠিক করছিলেন। গরমে তাঁর নীল সুতির শাড়িটা পিঠের দিকে লেপ্টে আছে, আর ওপরের তাকে রাখা ভারী গয়নার বাক্সটা নামাতে গিয়ে তিনি বেশ হিমশিম খাচ্ছেন। হঠাৎ মা তাঁর সেই গম্ভীর আর ভারী গলায় ডাক দিলেন, "অজয়, একবার এদিকে আয় তো!"
আমি যখন মায়ের ঘরে ঢুকলাম, দেখলাম মা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। তাঁর সেই প্রকাণ্ড আর চওড়া পাছার রাজকীয় অবয়বটা আয়নায় প্রতিফলিত হয়ে পুরো ঘরটাকে যেন আচ্ছন্ন করে রেখেছে। মা আমার দিকে না তাকিয়েই আয়নার দিকে তাকিয়ে বললেন, "এই ওপরের তাক থেকে গয়নার বড় বাক্সটা নামিয়ে দে তো, হাত পৌঁছাচ্ছে না। আর এই ব্লাউজের পেছনের হুকটা বোধহয় আটকে গেছে, একটু ছাড়িয়ে দে।"
আমি যখন মায়ের ঠিক পেছনে গিয়ে দাঁড়ালাম, তাঁর শরীরের সেই উগ্র চন্দনের সুবাস আর ঘামের তপ্ত একটা ঝাঁঝালো ঘ্রাণ আমার নাকে এসে আছড়ে পড়ল। আমি হাত বাড়িয়ে ওপরের বাক্সটা নামাতে গিয়ে অনুভব করলাম মায়ের সেই বিশাল ও ভারী স্তনদুটো তাঁর নিশ্বাসের সাথে সাথে আমার পিঠে আলতো করে ঘষা খাচ্ছে। আমার শরীরটা তখন পাথরের মতো শক্ত হয়ে গেল।
বাক্সটা নামিয়ে রাখার পর আমি যখন মায়ের ব্লাউজের হুকটা ছাড়াতে তাঁর পিঠের কাছে হাত রাখলাম, আমার আঙুলগুলো মায়ের সেই ফর্সা আর মসৃণ চামড়া স্পর্শ করল। ব্লাউজটা ঘামে ভিজে থাকায় হুকটা সত্যিই আটকে গিয়েছিল। আমি যখন একটু নিচু হয়ে সেটা ছাড়ানোর চেষ্টা করছিলাম, আয়নায় দেখলাম মায়ের সেই ৪০ ডি (40D) সাইজের বক্ষদেশ ব্লাউজের ভেতর থেকে কেমন প্রবলভাবে ফুলে ফেঁপে উঠছে।
মা আয়নায় আমার চোখের দিকে স্থিরভাবে তাকিয়ে ছিলেন। তাঁর সেই প্রলয়ংকরী আর তীক্ষ্ণ চাউনি দেখে মনে হচ্ছিল তিনি আমার মনের প্রতিটি রগরগে চিন্তা পড়তে পারছেন। মা খুব নিচু আর গম্ভীর স্বরে বললেন, "হাত কাঁপছে কেন তোর? মন কি আবার পড়াশোনা ছেড়ে অন্য কোথাও ঘুরে বেড়াচ্ছে?"
মায়ের সেই রহস্যময় কথা শুনে আমার বুকের ভেতরটা ধক করে উঠল। আমি হুকটা ছাড়িয়ে দেওয়ার পর মা যখন শাড়ির আঁচলটা ঠিক করতে শরীরটা একটু ঘোরালেন, তাঁর সেই বিশাল শরীরের একটা ধাক্কা আমার গায়ে লাগল। মা সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে তাঁর সেই সম্রাজ্ঞীর মতো ভঙ্গিতে আমার দিকে ফিরলেন। তাঁর সেই ডাগর চোখের দৃষ্টিতে তখন শাসনের বদলে এক অদ্ভুত দাপট।
মা খুব ধীর স্বরে বললেন, "হয়েছে, এবার যা। আর শোন, বাইরের মানুষগুলো যা দেখে, তার চেয়ে ঘরের ভেতরের সত্যগুলো অনেক বেশি গভীর হয়। সেটা মনে রাখিস।"
মা যখন তাঁর গয়নার বাক্সটা নিয়ে খাটের ওপর বসলেন, তাঁর সেই পুষ্ট উরু আর ভারী শরীরের ভারে বিছানাটা সামান্য ডেবে গেল। আমি ধীর পায়ে ঘর থেকে বেরিয়ে এলাম, কিন্তু আমার আঙুলের ডগায় তখনও লেগে ছিল মায়ের সেই তপ্ত চামড়ার ছোঁয়া আর কানে বাজছিল তাঁর সেই অমোঘ সতর্কবাণী।

রাত তখন গভীর। আমি পড়ার টেবিলে ফিজিক্সের ইকুয়েশন নিয়ে বসে থাকলেও মাথার ভেতর তখন সকালের সেই ৪০ ডি (40D) সাইজের উত্তরটা হাতুড়ি পেটাচ্ছিল। ঠিক তখনই মা জয়া রায় ঘরে ঢুকলেন। হাতে সেই গ্লাস ভর্তি দুধ। তাঁর পরনে এখন সাধারণ একটা সুতির নাইটি, কিন্তু তাঁর গাম্ভীর্য তাতে একবিন্দুও কমেনি।
মা টেবিলের ওপর গ্লাসটা রাখতে গিয়ে আমার খাতার ওপর নজর দিলেন। আমি দেখলাম, মা যখন একটু ঝুঁকছেন, তাঁর সেই বিশাল ও ভারী স্তনদুটো নাইটির আড়ালে এক প্রলয়ংকরী অবয়ব তৈরি করছে। ঘরের নিস্তব্ধতায় মায়ের নিশ্বাসের শব্দও যেন আজ খুব ভারী শোনাচ্ছিল।
আমি খুব নিচু স্বরে, ভয়ের সাথে সাহস মিশিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, "মা, তুমি যে সকালে ওভাবে উত্তরটা দিলে... ওটা কি সত্যিই রাগ থেকে বলেছ?"
মা সোজা হয়ে দাঁড়ালেন। তাঁর সেই প্রকাণ্ড আর রাজকীয় শরীরের ছায়াটা আমার ওপর এসে পড়ল। মা কোনো রহস্যময় হাসি দিলেন না, বরং তাঁর সেই আয়ত চোখের চাউনি আরও কঠোর হয়ে উঠল। তিনি খুব ঠান্ডা কিন্তু ধারালো গলায় বললেন, "তোর কি মনে হয় আমি তোর সাথে ইয়ার্কি করছি, অজয়? ওই মাপটা তোকে বলেছি কারণ তুই বেয়াদবি করে ওটা জানতে চেয়েছিস। তোকে তোর ধৃষ্টতার সীমাটা বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ওটা বলা।"
মায়ের সেই প্রলয়ংকরী ব্যক্তিত্বে কোনো মোলায়েম ভাব ছিল না। তিনি আমার খুব কাছে এসে দাঁড়ালেন, তাঁর গায়ের সেই চন্দনের তীব্র ঘ্রাণ আর শরীরের তপ্ত আঁচ আমাকে একদম কুঁকড়ে দিচ্ছিল। মা আমার চোখের দিকে সরাসরি তাকিয়ে এক অমোঘ নির্দেশের সুরে বললেন, "সংখ্যাটা মাথায় গেঁথে রাখিস শুধু এটা বোঝার জন্য যে, এই শরীরটা যেমন তোর মা’র, তেমনই এই শরীরটার শাসন করার ক্ষমতাও তোর কল্পনার বাইরে। যা দেখেছিস বা যা শুনেছিস, সেটাকে পুঁজি করে যদি কোনো আজেবাজে স্বপ্ন দেখার চেষ্টা করিস, তবে মনে রাখিস আমি জয়া রায়—তোর জন্মদাত্রী হওয়ার পাশাপাশি তোর ধ্বংসের কারণও হতে পারি।"
মায়ের সেই কঠোর গাম্ভীর্য আর তাঁর ওই অজেয় আভিজাত্য ঘরটাকে যেন এক নিষিদ্ধ থমথমে পরিবেশে ভরিয়ে দিল। তিনি আর এক মুহূর্তও দাঁড়ালেন না। তাঁর সেই প্রকাণ্ড আর চওড়া পাছার দুলুনি আর নাইটির খসখস শব্দ তুলে তিনি যখন ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন, আমি বুঝলাম মা কোনোভাবেই তাঁর শাসনের বর্মটা আলগা করতে রাজি নন। তাঁর প্রতিটি কথা ছিল এক একটা সতর্কবার্তা।
গত রাতের ওই রহস্যময় উত্তরের পর আজ সকালে মা আবার সেই পুরনো লৌহমানবী।
সকালে ঘুম ভাঙল মায়ের সেই তীক্ষ্ণ আর ভারী কণ্ঠস্বরে। মা ড্রয়িংরুমে দাঁড়িয়ে বাবার সাথে কথা বলছিলেন, তাঁর গলার স্বর শুনে মনেই হলো না কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি আমার ঘরে অতটা রহস্যময় ভঙ্গিতে কথা বলে গেছেন। আমি ড্রয়িংরুমে যেতেই দেখলাম মা তাঁর সেই নীল পাড়ের শাড়িটা পরে একদম তৈরি।
মা আমার দিকে একবার তাকালেন—বরফশীতল সেই দৃষ্টি। যেন কাল রাতের ওই ঘটনা বা সেই রহস্যময় হাসি কোনোদিন ছিলই না। মা গম্ভীর গলায় বললেন, "অজয়, ড্রয়িংরুমের এই ভারি সোফাগুলো সরাতে হবে। আজ ঘর মোছার লোক আসবে। তুই তোর বাবাকে একটু সাহায্য কর।"
আমি যখন সোফা সরাতে গেলাম, মা পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় তাঁর শাড়ির আঁচলটা আমার কাঁধে একটু ঘষে গেল। মায়ের সেই বিশাল শরীরের রাজকীয় দুলুনি আর তাঁর সেই অজেয় ব্যক্তিত্ব আমাকে বুঝিয়ে দিল যে তিনি এক চুলও নতি স্বীকার করবেন না। মা উল্টে বাবাকে বললেন, "অজয়কে বেশি প্রশ্রয় দিও না, ওর চোখের চাহনি আমার একদম ভালো লাগছে না আজ কাল। পড়াশোনায় মন না বসলে একদম হোস্টেলে পাঠিয়ে দাও।"
বাবার সামনে মায়ের এই সরাসরি আক্রমণ আর আমাকে অপমান করার ভঙ্গিটা আমাকে একদম দুমড়ে দিল। আমি বুঝলাম, মা তাঁর শাসনের চাবুকটা আরও শক্ত করে ধরছেন যাতে আমি আমার সীমানা ভুলে না যাই। দুপুরে খাওয়ার সময়ও মা আমার থালায় ভাত দেওয়ার সময় একবারও চোখের দিকে তাকালেন না। তাঁর সেই প্রকাণ্ড আর চওড়া পাছার দুলুনি নিয়ে তিনি যখন রান্নাঘরে ঢুকে গেলেন।

বিকেলের দিকে মা যখন ঠাকুরঘরে প্রদীপ দিচ্ছিলেন, আমি দরজার আড়ালে গিয়ে দাঁড়ালাম। মা প্রদীপটা রেখে সোজা হয়ে দাঁড়াতেই তাঁর সেই ৪০ ডি (40D) সাইজের বক্ষদেশের রাজকীয় অবয়বটা শাড়ির ওপর দিয়ে একদম টানটান হয়ে ফুটে উঠল। আমি একটু সাহস করে কাছে যেতেই মা ঘুরে দাঁড়ালেন। তাঁর সেই প্রলয়ংকরী চোখ দুটো দিয়ে যেন আমাকে পুড়িয়ে দেবেন।
মা খুব নিচু কিন্তু ফলার মতো ধারালো স্বরে বললেন, "এখানে কী করছিস? ওই নিষিদ্ধ কথাগুলো কি মাথা থেকে বেরোয়নি এখনও? মনে রাখিস অজয়, আমি তোর মা। যা এখান থেকে, নয়তো তোর বাবার কাছে যেতে আমার এক মিনিট সময় লাগবে না।"
মায়ের সেই প্রচণ্ড জেদ আর শাসনের দেয়ালটা দেখে আমি বুঝলাম, জয়া রায়কে জয় করা অত সহজ নয়। তিনি যেমন আগলে রাখতে জানেন, তেমনই জানেন কীভাবে নিজের আভিজাত্য দিয়ে কাউকে পিষে দিতে হয়। আমি মাথা নিচু করে চলে এলাম, আর মা আবার প্রদীপের দিকে মনোযোগ দিলেন—যেন আমি তাঁর জীবনে কোনো অস্তিত্বই রাখি না।




এর কয়েকদিন পরে , বাড়িতে এক বড় পারিবারিক অনুষ্ঠানের আয়োজন চলছে। আত্মীয়-স্বজনে বাড়ি গিজগিজ করার কথা, কিন্তু রান্নার তদারকি আর শেষ মুহূর্তের গোছগাছের জন্য মা আর আমিই কেবল সাতসকালে বাড়িতে একা রয়ে গেছি। বাবা আর বাকিরা বাজারের কেনাকাটা আর আত্মীয়দের এগিয়ে আনতে স্টেশনে গেছেন।
পুরো বাড়ি এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতায় ঘেরা, শুধু রান্নাঘর থেকে মায়ের কাজের শব্দ আসছে। আমি ড্রয়িংরুমে বসে পড়ার ভান করছিলাম, কিন্তু আমার কান ছিল মায়ের সেই ভারী পদধ্বনির দিকে। মা জয়া রায় আজ এক তপ্ত লাল রঙের শাড়ি পরেছেন, যার পাড়টা সোনালী জরির কাজ করা। সকালে স্নান সেরে বেরোনোর পর তাঁর সেই ডাগর চোখের কাজল আর ভিজে চুলের চন্দনের সুবাস পুরো বাড়িতে এক মাদকতা ছড়িয়ে দিয়েছে।
হঠাৎ রান্নাঘর থেকে মায়ের গম্ভীর ডাক এল, "অজয়, একবার ভেতরে আয় তো! এই গ্যাস সিলিন্ডারটা শেষ হয়ে গেল মনে হয়, ওটা পাল্টে দিয়ে যা।"
আমি রান্নাঘরে যেতেই এক ভ্যাপসা গরম আর রান্নার মশলার গন্ধে আমার দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হলো। মা চুলার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। গরমে তাঁর সেই লাল শাড়িটা পিঠের দিকে এবং মসৃণ তলপেটের কাছে ঘামে ভিজে একদম সেঁটে আছে। মা যখন সিলিন্ডারের দিকে হাত বাড়ালেন, তাঁর শাড়ির আঁচলটা কাঁধ থেকে একটু নিচে নেমে এসেছে, যাতে তাঁর সেই বিশাল ও ভারী স্তনদুটোর অনেকটা অংশ ব্লাউজের হুকের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করে ফুটে উঠেছে।
আমি সিলিন্ডারটা ঠিক করার জন্য যখন মায়ের একদম পাশে গিয়ে বসলাম, মায়ের সেই পুষ্ট উরু আর শাড়ির লাল রঙের উজ্জ্বলতা আমার চোখে ধাঁধা লাগিয়ে দিল। সিলিন্ডারটা পাল্টানোর সময় আমার হাতটা একবার ভুল করে মায়ের পাছার ওপর লাগলো। মায়ের শরীরটা মুহূর্তের জন্য কেঁপে উঠল, কিন্তু তিনি তাঁর সেই প্রলয়ংকরী গাম্ভীর্য এক চুলও হারালেন না।
মা ওপর থেকে এক অমোঘ নির্দেশের সুরে বললেন, "হাত সাবধানে চালা। অকারণে এদিক-ওদিক হাত পড়ছে কেন তোর?"
মায়ের সেই তীক্ষ্ণ আর ধারালো গলার স্বরে আমি একটু কুঁকড়ে গেলাম। সিলিন্ডারটা ঠিক করে যখন আমি সোজা হয়ে দাঁড়ালাম, মা তখন তাঁর সেই রাজকীয় আর বিশাল শরীরের সমস্ত ভার নিয়ে আমার একদম সামনে দাঁড়িয়ে। রান্নাঘরের সেই অল্প জায়গায় আমাদের দূরত্ব এখন মাত্র কয়েক ইঞ্চি। মায়ের সেই তপ্ত নিশ্বাস আমার গলায় এসে লাগছে, আর তাঁর সেই ৪০ ডি (40D) সাইজের বক্ষদেশ যেন এক প্রলয়ংকরী দেয়ালের মতো আমার সামনে দাঁড়িয়ে।
মা হঠাৎ আমার কলারটা চেপে ধরলেন। তাঁর সেই ফর্সা ও পুষ্ট হাতের ছোঁয়ায় আমি থরথর করে কাঁপছিলাম। মা খুব নিচু আর গম্ভীর স্বরে বললেন, "বাড়িতে কেউ নেই বলে কি তোর সাহস বেড়ে গেছে? তোর ওই লোলুপ দৃষ্টি আমি সব খেয়াল করছি। আর দিন দিন তোর সাহস দেখে আমি অবাক হচ্ছি! আমাকে দেখলে তোর বাপও ভয় পা, আর তুই?"
মায়ের সেই রহস্যময় আর দাপুটে চাউনিতে আজ যেন শাসনের সাথে এক অদ্ভুত আগুনের ঝিলিক ছিল। তিনি আমার কলারটা ঝটকা দিয়ে ছেড়ে দিয়ে বললেন, "যা এখান থেকে! ড্রয়িংরুমের আলমারির ওপর থেকে রুপোর থালাগুলো বের করে রাখ। কাজ না থাকলে মাথায় ওই সব নোংরা চিন্তাই আসে।"
মা আবার চুলার দিকে ফিরে গেলেন। তাঁর সেই প্রকাণ্ড আর চওড়া পাছার রাজকীয় দুলুনি আর শাড়ির খসখস শব্দে রান্নাঘরটা যেন এক নিষিদ্ধ থমথমে পরিবেশে ভরে উঠল। আমি বেরিয়ে আসছিলাম, কিন্তু দরজার কাছে গিয়ে একবার পেছন ফিরে তাকালাম। দেখলাম মা তাঁর হাতের খুন্তিটা নামিয়ে রেখে লম্বা একটা নিশ্বাস নিলেন—যেন আমার উপস্থিতি তাঁকে শাসনের বর্মটা ধরে রাখতে বাধ্য করছিল।





আমি যখন ড্রয়িংরুমের সেই সেগুন কাঠের উঁচু আলমারিটার পাল্লা খুললাম, আমার বুকের ভেতর তখন একটা চাপা উত্তেজনা কাজ করছিল। আলমারির একদম ওপরের তাকে রাখা রুপোর ভারী থালাগুলো বের করার জন্য আমি হাত বাড়ালাম। ঠিক তখনই পেছনে সেই পরিচিত গম্ভীর পদধ্বনি আর চন্দনের উগ্র সুবাস আমাকে জানান দিল যে মা জয়া রায় আমার ঠিক পেছনে এসে দাঁড়িয়েছেন।
আলমারি আর মায়ের সেই বিশাল ও ভারী শরীরের মাঝখানে আমি প্রায় বন্দি হয়ে গেলাম। মা যখন ওপরের তাকের দিকে হাত বাড়ালেন, তাঁর ভিজে চুলের ঠান্ডা জলের দু-একটা ফোঁটা আমার ঘাড়ে পড়তেই সারা শরীর শিরশির করে উঠল। মায়ের সেই লাল শাড়ির খসখসে আঁচলটা আমার কাঁধ স্পর্শ করে এক মাদকতা তৈরি করছিল।

মা খুব কড়া আর ভারী গলায় বললেন, "সর তো দেখি, ওগুলো অনেকটা ওপরে। তুই একবারে নামাতে গেলে হাত থেকে ফেলে দিবি।"
মায়ের সেই প্রকাণ্ড আর চওড়া পাছার রাজকীয় অবয়বটা এখন আমার শরীরের একদম কাছাকাছি। আমি ওপরের দিকে হাত বাড়িয়ে একটা ভারী থালা ধরেও নামালাম না। সাহসের সবটুকু সঞ্চয় করে আমি খুব নিচু আর ধরা গলায় বললাম, "মা, সব কাজ তো আমিই করছি... বদলে আমার একটা আবদার কি রাখবে না?"
মা আমার ঠিক পেছনে পাথরের মতো স্থির হয়ে গেলেন। তাঁর তপ্ত নিশ্বাসের ঝাপটা আমার ঘাড়ে এসে লাগছিল। কয়েক সেকেন্ডের সেই অসহ্য নিস্তব্ধতা যেন ঘরটাকে আরও গুমোট করে দিল। মা তাঁর সেই প্রলয়ংকরী গলার স্বর নামিয়ে খুব নিচু আর ধারালো স্বরে বললেন, "কিসের আবদার? নিজের মায়ের কাছে কাজের পারিশ্রমিক চাইছিস? কী চাস তুই?"
আমি সরাসরি মায়ের সেই ৪০ ডি (40D) সাইজের বক্ষদেশের দিকে তাকালাম, যা ব্লাউজের টানটান আবরণে এক উত্তাল সাগরের মতো ফুলে ফেঁপে উঠছিল। আমি অস্ফুট স্বরে বললাম, "শুধু একবার... ওই বিশাল আর সাদা শুভ্র দুধ দুটো আমি একটু হাত দিয়ে ধরতে চাই।"

ঘরের বাতাস যেন এক মুহূর্তে জমে পাথর হয়ে গেল। আমি ভেবেছিলাম মা হয়তো এখনই সেই রুপোর থালা দিয়েই আমার মাথায় আঘাত করবেন কিংবা চিৎকার করে বাড়ি মাথায় করবেন। কিন্তু না। মা জয়া রায় কেবল স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন। তাঁর বুকটা তখন প্রবল উত্তেজনায় আর রাগে দ্রুত ওঠানামা করছিল।

ঘরের নিস্তব্ধতায় কেবল তাঁর সেই তপ্ত আর ভারী নিশ্বাসের শব্দ শোনা যাচ্ছিল।
মা ধীরে ধীরে আলমারি থেকে হাত নামিয়ে আনলেন। তিনি আমার দিকে না ফিরেও তাঁর সেই রাজকীয় আর প্রকাণ্ড শরীরের দাপট দিয়ে আমাকে যেন দেয়ালের সাথে পিষে দিচ্ছিলেন। কয়েক সেকেন্ড পর মা খুব ধীরগতিতে আমার দিকে ঘুরলেন। তাঁর সেই তীক্ষ্ণ নাসা আর আয়ত চোখ দুটো এখন রাগে রক্তবর্ণ হয়ে উঠেছে, কিন্তু মুখটা পাথরের মতো স্থির।
মা খুব নিচু, কিন্তু হাড়কাঁপানো এক গম্ভীর স্বরে বললেন, "তোর জিভটা কি সত্যিই অনেক বড় হয়ে গেছে অজয়? যে শরীর তোকে জন্ম দিয়েছে, সেই শরীর নিয়েই আজ তুই দরদাম করতে শুরু করলি?"
মায়ের সেই প্রলয়ংকরী গলার স্বরে কোনো আর্তনাদ ছিল না, ছিল এক অমোঘ ঘৃণা। তিনি এক পা আমার দিকে এগিয়ে এলেন। তাঁর সেই ৪০ ডি (40D) সাইজের বক্ষদেশের উত্তাপ আমি এখন নিজের বুকে অনুভব করতে পারছি। মা আমার কলারটা খুব শক্ত করে মুঠো করে ধরলেন, তাঁর আঙুলের গাঁটগুলো সাদা হয়ে উঠেছিল।

"চাস তুই ধরতে? দেখ তবে তোর শয়তানি কতদূর যায়।" মা রাগে কাঁপতে কাঁপতে আমার হাতটা খপ করে ধরলেন এবং সজোরে তাঁর সেই বিশাল ও ভারী স্তনদুটোর ওপর চেপে ধরলেন। শাড়ির শক্ত ইস্ত্রি করা আবরণের নিচ থেকেও মায়ের সেই মাংসল পিণ্ডের কাঠিন্য আর প্রচণ্ড উত্তাপ আমার হাতের তালুতে বিদ্যুতের মতো আছড়ে পড়ল। কিন্তু মায়ের চোখে তখন কোনো সমর্পণ ছিল না, ছিল এক চরম অবজ্ঞা।
মা আমার চোখের দিকে সরাসরি তাকিয়ে দাঁতে দাঁত চিপে বললেন, "ধরেছিস তো? এবার কি তোর ভেতরের জানোয়ারটা শান্তি পেয়েছে? মনে রাখিস অজয়, এই স্পর্শের পর আমার ওপর তোর কোনো অধিকার আর বাকি রইল না। আজ থেকে তুই আমার কাছে মৃত।"
মা এক ঝটকায় আমার হাতটা সরিয়ে দিয়ে আমাকে দূরে ঠেলে দিলেন। তাঁর সেই প্রকাণ্ড আর চওড়া পাছার রাজকীয় অবয়ব নিয়ে তিনি যখন হন্তদন্ত হয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন, তাঁর লাল শাড়ির আঁচলটা বাতাসে একটা চাবুকের মতো শব্দ তুলে গেল। আমি রুপোর থালাটা হাতে নিয়ে সেই জনমানবহীন ড্রয়িংরুমে একা দাঁড়িয়ে রইলাম—মায়ের শরীরের সেই তপ্ত ছোঁয়াটা আমার হাতের তালুতে জ্বলছিল ঠিকই, কিন্তু তাঁর সেই ঘৃণামাখা চাউনি আমার কলিজাটা যেন ছিঁড়ে দিয়ে গেল।

এরপর.....



এরপর কি হলো তা জানতে হলে বেশি বেশি লাইক এবং রেপুটেশন দিয়ে সঙ্গেই থাকবেন।

সঙ্গে থাকার জন্য সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।


 

Share:

0 comments:

Post a Comment

Xgossip. Bangla Choty Golpo

Tags

Xgossip— Bangla Choty Golpo. Powered by Blogger.

Ad Space

Featured post

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(১৫)

  পর্ব:১৫ বাবা- কি বলব বাবা তোকে, আসলে তোর মাকে বকা ঝকা করেছি তার কারন আছে তুই আমার ছেলে তোকে কি বলব সব তো খুলে বলা যায়না। আমি- কেন বাবা আমি...

Search This Blog

🔞 ১৮% সতর্কবার্তা

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন।

About Us

About Us
এই খানে পাবেন বিভিন্ন লেখকদের বিভিন্ন ক্যাটাগরির চটি গল্প।

Translate

Popular Posts

Popular Posts