 |
বেয়াই- বিয়ানলেখক:Ranaanar
--------------------- "কই লীনা, কুইক", সুনয়না দেবী বললেন। সুনয়না সেন, সেন ইনকর্পোরেশনের মালিক কাম সি.ই.ও. অরুন সেনের মা। সেন বাড়ীর সব থেকে সিনিয়র। সেন ইনকর্পোরেশনের ব্যবসা বহু জায়গায়। বিরাট টার্ন ওভার। অরুন ই সর্বময় কর্তা। অরুনের স্ত্রী ছিলেন রীনা সেন। কিন্তু রীনা মারা গেছে আজ ৭ বছর হল। অরুন আর রীনার একমাত্র মেয়ে সহেলী। কলেজ পাস করে এম.বি.এ. করে আপাতত ব্যবসায় মনোনীবেশের চেষ্টায় আছে। সহেলীর সাথে আমার পরিচয় কলেজে। ভিতর ভিতর প্রেম। ঠিকই আছে। আমার বাড়ীতে আমার মা বাবার ডিভোর্স হয়েছে বহুদিন। তারপর লীনাকে বিয়ে করেন। তারপর চাকরী সূত্রে এখন বিদেশে। গতবছর লীনাকেও ডিভোর্সের নোটিশ দিয়েছেন। আর এদেশে ফিরবেন বলে মনে হচ্ছে না। যাহোক এখন বাড়ীতে আমরা দুজন। লীনা আমার স্টেপ মাদার। ভালোই। লীনা বেশ সুন্দরী। ড্যাডের সাথে বয়সের তফাৎ আছে। যা হোক, আমিও চাকরী পেয়েছি বিরাট এক কোম্পানীতে। সহেলী আর আমি বিদেশেও চলে যেতে পারি। সেখানে সেন কোম্পানীর ব্যবসা সহেলী দেখবে। আমাদের বাড়ীতে বিয়ের কথা বলাতে। একদিন সুনয়না মানে সহেলীর ঠাকুমা ফোন করেন। লীনা গিয়ে দেখা করে সুনয়নার সাথে। বিরাট ব্যাপার ওদের। হোটেলে যেখানে দুজনের কথা হয় সেখানে সূনয়না অবশ্য আমার স্টেপমম লীনাকে বলেন যে ওদের কাছে আমরা নেহাতই তুচ্ছ। এবং সেটা ঘটনাও। সুনয়না: শোনো লীনা, আমি আর অরুন একদিন তোমার বাড়ী যাবো। লীনা: হ্যাঁ সুনয়না: তোমরা সেই অর্থে আমাদর সামনে কিছুই নয়। অতয়েব যেভাবে চালাবো চলতে হবে। রাজী? সুনয়নাদেবী, ভারী নাক উঁচু, গর্বিত একজন মহিলা। সুনয়না: আচ্ছা, তোমার তো বয়স রোহনের বাবার থেকে অনেকটা কম মনে হচ্ছে। লীনা: হ্যাঁ সুনয়না: টাকার জন্য বিয়ে করেছিলে। লীনা: বাড়ী থেকে দিয়েছিল। সুনয়না: বাড়ীর অবস্থা ভালো ছিলো না? লীনা: না সূনয়না: বুঝেছি। বেশ ছেলের বিয়ে। আমাদের কাছেও তোমরা নস্যি। বেশ যা বলবো। শুনতে হবে। লীনা রাজি হল। একদিন ঠিক হল যে সুনয়নাদেবী আর অরুন সেন আসবে। কথা বলতে। লীনার সাথে। আমি বাড়ীতে থাকতে পারব না সেটা আমি বলে দিয়েছিলাম। একদিন বিকেল আমাদের দোতলা বাড়ীর সামনে একটা গাড়ী এসে দাঁড়াল। সুনয়না আর অরুন সেন নামল। লীনা শাড়ী পরে গয়না পরে রেডি। আপ্যায়ন করে বসালো ঘরে। সুনয়না: শোন লীনা লীনা: হ্যাঁ বলুন। সুনয়না: এখানে আমরা তিনজনই আছি। লীনা: হ্যাঁ। সুনয়না: শোনো। সেজেছো সুন্দর । ভালো। কিন্তু অরুন একটু অন্যভাবে দেখতে চাইছে। লীনা কি বলবে বুঝতে পারছে না। সুনয়না: শোনো। ও ঘরে যাও যা পরে আছো ছাড়ো। গয়না গুলো পরে থাকো। পোশাক সব ছেড়ে এসে। আমার ছেলের কোলে বসো। তারপর কথা হবে। লীনা একটু অবাক। সুনয়না দেবী কি ওদের সামনে ল্যাংটো হয়ে আসতে বলছেন? লীনা একটু অবাক। সুনয়না: কই লীনা, কুইক।
লীনা সাময়িক এই ঘরে এসে আটকে গিয়েছিল। কি করবে ভাবছিল। এ তো এক মহা সমস্যা। কি করবে ভাবছে। এমনসময় সুনয়নার আদর্শ সুলভ গলা। বিচলিত করল লীনাকে। উপায় নেই। লীনা আর কি করে শাড়ী, ব্লাউজ ব্রেসিয়ার সায়া সব খূলে ল্যাংটো হয়ে দাঁড়ালো আয়নার সামনে।একটা লজ্জা গ্রাস করছে। কিন্তু কিছু করার নেই। ধীরে ধীরে মনটাকে শক্ত করে তৈরী হল লীনা পাশের ঘরে যাওয়ার জন্য। অরুন সেন আর তার মা সুনয়না বসে আছে সেখানে। লীনা আর দেরী করল না। আয়নায় দেখল নিজেকে। ৩৮-৩৪-৪০ ফিগার লীনার। বহু মেয়ের ইর্ষার কারণ। শুধু গয়নাগুলো পরে সম্পূর্ণ ল্যাংটো শরীরে লীনা এসে দাঁড়ালো দরজায়। সুময়না আর অরুন দুজনেই তাকালো। সুনয়না: বাঃ, গুড। এসো ভিতরে। হালকা লজ্জার আভা নিয়ে লীনা এলো ঘরে। এরকম অভিজ্ঞতা আগে কি কারো হয়েছে? ছেলের বিয়ে দিতে গিয়ে ছেলের বৌয়ের বাবা বা ঠাকুমা সামনে ল্যাংটো হতে হয়েছে ছেলের মাকে? জানে না লীনা। লীনা দাঁড়ালো। সুনয়না: কই এসো। লীনা এগিয়ে এলো। সুনয়না: অরুন অরুন বাঁ হাত বাড়িয়ে লীনার ডান হাতটা ধরল। লীনা যেন শক্ত। অরুন হাতটা ধরে টেনে এনে নিজের বাঁ পায়ের ওপর বসালো লীনাকে। ল্যাংটো লীনা একটু শক্ত। অরুন লীনার খোলা পিঠে হাত বোলাতে বোলাতে কোমরের কাছ অবধি নামল। লীনার দিকে তাকিয়ে। লীনার মুখে হালকা লজ্জার আভা। অরুনের বাঁ হাত লীনার কোমরে পাছার ওপর। ডানহাতটা লীনার থাইয়ের ওপর।
আমার স্টেপমম একটু শক্ত হয়ে আছে। সেটাই স্বাভাবিক। অরুন, সুনয়নার দিকে একবার তাকালো। সুনয়নাও দেখল। অরুন ডানহাতটা আস্তে আস্তে লীনার পেটের ওপর বোলাচ্ছে। সুন্দর ফ্ল্যাট পেট স্টেপমমের। সুনয়না: তা বলো লীনা, ছেলের বিয়েতে কি চাই? একবার ভাবলো মম। লীনা: না কি আর চাইব। কিছু না। সুনয়না: দ্যাট স লাইক আ গুড গার্ল। অরূন হাসল। অরুন আস্তে করে বাঁহাতটা পিছন দিয়ে ঘুরিয়ে সামনে এনে মমের বাঁ দিকের মাইয়ের বোঁটাটাতে আঙূল দিল। সুনয়না: অরুন অরুন: হ্যাঁ মা সুনয়না: তোমার বেয়ান কেমন? অরুন: লাভলী। সুনয়না: লীনা, বাথরুমটা কোথায়? লীনা: চলুন নিয়ে যাচ্ছি সুনয়না: না বলে দাও। যেতে হবে না। তুমি অরুনের কাছে থাকো। মম বলে দিল। সুনয়না চলে গেল। অরুন আরেকটু নিবিড়ভাবে জড়িয়ে ধরল লজ্জা অবনত মমকে। অরুন মমের গালে একটা চুমু খেল। অরুন: হুম। বলো সুন্দরী লীনা: কি বলুন অরুন ডানহাতের তর্জনীটা মমের গুদের ঠিক ওপরে নিয়ে এলো।
|
0 comments:
Post a Comment