গল্প: সরি আব্বাজান (পর্ব:০৪)

 

লেখক: সাইফুল ইসলাম সজিব 

পর্বঃ- ০৪


------------------


- সাজু বললো, দারোগা সাহেব আমার

মনে হচ্ছে যে লিমন এগুলো করছে না।

আপনি কি লিমনের বন্ধু তৌহিদকে

 ছেড়ে দিয়েছেন নাকি

আপনার হেফাজতে আছে? 

- আমার কাছে আছে।


সাজু ভাই সিরিজের সব গুলো গল্প দেখতে ক্লিক করুন
 

- তাকে আটকে রাখুন,

নিশ্চয়ই তৌহিদ কোনকিছু লুকাচ্ছে কারণ একটা

অদৃশ্য মেঘ চোখের সামনে ঘুরছে। 

- দেখুন সেটা হয়তো সম্ভব না,

 উপরমহল থেকে সকাল বেলা কল

এসেছে তাই তৌহিদকে ছেড়ে দিতে হবে। 

- মানে..? তৌহিদের উপরে লোক আছে? 


- হ্যাঁ, তার এক আঙ্কেলের সঙ্গে এমপি সাহেবের খুব ভালো সম্পর্ক

 আছে তাই এমপি সাহেবের সুপারিশে ছাড়তে হবে। 

- নিশ্চয়ই কোন ঝামেলা আছে, নাহলে তো এমন ছোট্ট বিষয় নিয়ে

এমপি সাহেবের মাথাব্যথা হবার কোন কারণ নেই। 

- আরেকটা কথা সাজু সাহেব। 

- জ্বি বলেন।  

- আপনাকে আর এই মামলার বিষয়ে এদিকে আসতে হবে না,

আমরা সবাই লিমনকে ধরার চেষ্টা করছি। 

- কিন্তু কেন? 

- এখানে কোন রহস্য নেই, সকাল বেলা আমরা অর্ডার পেয়েছি

যে লিমনকে যেকোনো মূল্যে ধরে ফেলতে হবে।

কারণ নিজের মা-বাবার জন্য সে এখন হিংস্র মরিয়া হয়ে গেছে,

 সেজন্য তাকে এই মুহূর্তে থামানো দরকার। 

- আপনি কি লিমনের বাবার কাছে একটা

পুতুল ছিল সেই বিষয় কিছু জানেন? 

- কিসের পুতুল? 

- স্বর্নের পুতুল। 

- না জানতাম না, কিন্তু লিমনের

চিঠিতে পুতুলের কথা উল্লেখ করা

হয়েছে, ঘটনা কি? 



- আমিও সঠিক জানিনা তবে সত্যি সত্যি যদি লিমনের

 বাবার কাছে স্বর্নের পুতুল থাকে তাহলে সেটা তিনি কোথায়

পেলেন সেটা আগে জানতে হবে আমাদের।

 তারপর সেই পুতুল এখন কোথায় আছে,

আর তার সঙ্গে লিমনের নিজের জীবনের কোন

 বিপদ আছে নাকি সেটা বের করতে হবে। 

- কিন্তু আপনাকে তো এখন এসবের

মধ্যে থেকে দুরে থাকতে বলা হয়েছে। 



- এটা অন্যায়, আমি আমার নিজের মতো কাজ

করে যাবো সেখানে বেআইনীভাবে

 কেউ কিছু যদি বলে তবে মানবো কেন? 



- সেটা আপনার ইচ্ছে তবে আমাদের কাছ থেকে আপনি

কোন তথ্য বা সাহায্য পাবেন না। 

- আপনাদের কাছ থেকে না পেতে

 পারি কিন্তু যদি আপনার কাছে চাই? 


- মানে? 


- মানে হচ্ছে সমগ্র পুলিশের সাহায্য দরকার

 নেই শুধু আপনার সহোযোগিতা কামনা করছি।

 আশা করি আপনি আমার অনুরোধ রাখবেন,

কারণ আপনার মধ্যে আমি সততা দেখেছি। 



- হাহাহা, পুলিশের আবার সততা? 

- আমি ব্যক্তিগতভাবে আপনার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে

চাই এবং এই মামলার রহস্য বের করতে চাই। 


- আমি চেষ্টা করবো আপনাকে সাহায্য করতে,

কিন্তু একটা পরামর্শ দেবো? 


- জ্বি বলেন। 



- এখানে অনেক বড় রাজনৈতিক নেতাদের দল জড়িত আছে,

তারা কিন্তু যেকোনো সময় যেকোন কিছু করতে পারে।

আপনি নিজের জীবন ঝুঁকিতে না

ফেললে আপনার জন্য মঙ্গল হবে। 



- আমার কাজই এসব নিয়ে থাকা,

নিজের জীবন নিয়ে মায়া করে বেঁচে

থাকার চেয়ে স্বাধীনভাবে

কোনকিছু লড়াই করে বাঁচার মধ্যে আনন্দ আছে। 



- বুঝতে পারছি সাজু সাহেব, আচ্ছা বাদ দেন তো এসব কথা।

আপনার যখন যা দরকার সবকিছুই

 আমাকে বলবেন আমি আপনাকে সাহায্য

করতে আপ্রাণ চেষ্টা করবো।

- অনেক অনেক ধন্যবাদ স্যার।

 

মোবাইলে কথা বলা শেষ করে সাজু ভাই আবার

 বুড়ো লোকটার দিকে তাকিয়ে বললো, 



- লিমন তো আরেকটা খুন করেছে,

বাজারের সেই শাহজাহান নামের লোকটাকে। 


- বলো কি? 


- দারোগা সাহেব তো সেটাই বলেন,

কিন্তু লিমন এটা করে ভুল করছে।

কারণ সে যেহেতু মা-বাবার

 খুনের জন্য দায়ী লোকদের চিনতে পেরেছে

তখন তার উচিত ছিল আইনের আশ্রয় নেয়া। 



- আমিও বুঝতে পারছি না। 


- আপনি কি আমাকে সেই পুতুলের রহস্যের কি কি

কারণ আছে সেটা বলবেন? 

- সেটা বলার জন্য আমি এসেছি। 

- একটু তাড়াতাড়ি বলবেন প্লিজ, আমি খুব অসুস্থ

আমার বসতে কষ্ট হচ্ছে। 

- ঠিক আছে সংক্ষিপ্ত করে বলি। 


মাসখানেক হবে, লিমনের বাবা সুন্দরবন গেছিল খাঁটি মধুর জন্য।

সেখানে যারা সচারাচর জঙ্গল থেকে মধু সংগ্রহ করে

 তাদের কাছ থেকে খাঁটি মধু কেনার জন্য গেল।

একটা লোকের সঙ্গে আমাদের পিরোজপুরে পরিচয় হয়েছে তার,

 তিনি এখানে মধু বিক্রি করতে এসেছিলেন।

কিন্তু মধু বিক্রি যখন শেষ ঠিক

সেই সময় তার সঙ্গে দেখা হয়েছে লিমনের বাবার।

 তারপর সেই লোকটা বলেন যে তার

বাড়িতে গেলে বা কিছুদিন পরে সে আবার মধু নিয়ে আসবে।

লিমনের বাবা তখন তার ফোন নাম্বার রেখে

 দিয়েছিল এবং নিজেই সশরীরে গিয়ে মধু আনবে

সেটাও জানিয়ে দিল। তারপর যখন সেই লোকটার

বাড়িতে গেল তখন সেই লোকটার বাচ্চা

মেয়েটির হাতে একটা পুতুল দেখতে পায়।

ফাজলামো করে সে ওই বাচ্চার হাত দিয়ে পুতুলটা নিয়েছিল,

কিন্তু সেটা ধরার পরে হাতের অনুভবে কেমন খটকা লাগলো। 


লিমনের বাবা একসময় স্বর্নের কারিগর ছিল জানো তো তুমি? 

- না, জানতাম না। 


- প্রায় পনের বছর সে কারিগর ছিল তাই সেই

 স্বর্নের পুতুল ধরে কেমন যেন অনুভূত হচ্ছে।

 সে তখন ওই লোকটার কাছে জিজ্ঞেস করে পুতুলটা কোথায় পেয়েছে তারা?

" লোকটা বলে যে, তিনি নাকি জঙ্গলের মধ্যে

পেয়েছেন তারপর লুঙ্গির ভাজে নিয়ে এসে মেয়েকে দিয়েছেন।

 " তখন সেই লোকটাকে বলে লিমনের বাবা

পুতুলটা নিজের সঙ্গে করে নিয়ে আসে।

তারপর পিরোজপুর এসে নিজের পরিচিত পুরনো

এক বন্ধুর কাছে গিয়ে সেটা পরীক্ষা করে।

 আর সেটাই ছিল তার চরম একটা ভুল। 

- চরম ভুল কেন? 

- কারণ সে যেহেতু কারিগর ছিল

 তাই চাইলেই নিজের ঘরে বসে পরীক্ষা করতে পারতো।

কিন্তু যখন প্রমাণিত হয়েছে যে ওটক খাঁটি স্বর্ন তখন তার

 সেই স্বর্নকার বন্ধুর মনে শয়তানী আরম্ভ হয়ে গেল। 

- কিরকম? 

- এতবড় একটা স্বর্নের পুতুল দেখে যে কেউ তো লোভে পরতে পারে,

 স্বাভাবিক। 

- তারপর? 

- লিমনের বাবা তখন তার বন্ধুর কাছে সেই মধু

বিক্রেতার কথা বলে দেয়। এটা ছিল দ্বিতীয় ভুল কিন্তু বিশ্বস্ত বন্ধু তাই

বলতে দ্বিধা করে নাই। সেই বন্ধু তখন পরদিনই মধু

বিক্রেতার কাছে চলে গেল কারণ যেখানে ওটা পাওয়া

গেছে সেখানে গিয়ে আরও সন্ধান করার জন্য। 

- তারপর? 

- মধু বিক্রেতা তখন কৌতুহলী হয়ে গেল আর বারবার কাহিনি

জানতে চাইল।

 তখন তিনি সেই পুতুলটা যে স্বর্নের পুতুল সেটা তাকে বলে দেয়। 

- হায় আল্লাহ... 

- তখন মধু বিক্রেতা চলে এলো লিমনদের গ্রামের

বাড়িতে এবং খুঁজে বের করলো তাদের বাড়ি।

কিন্তু লিমনের বাবা পুতুলের কথা অস্বীকার

 করেন এবং তাকে চলে যেতে বলে।

তখন লোকটা গিয়ে সরাসরি চেয়ারম্যান

সাহেবের কাছে সবকিছু খুলে বলে।

এবার আরেক লোভীর জিহবা চকচক করা শুরু করেছে,

তিনি তখন লিমনের বাবাকে বাজারে ডেকে পাঠালেন।

 এবং এই খুন হওয়া শাহজাহান বেপারীর হোটেলে বসে

সবকিছু তাকে জিজ্ঞেস করে।

আস্তে আস্তে কথাটা ছড়িয়ে গেল দু

একজন বড় বড় মানুষের কাছে।

 আর তারা ভিন্ন ভিন্ন সময়ে রাতের আধারে দেখা করতে আসতো।

কেউ কেউ হুমকি দিতো আবার কেউ বা

ছলেবলে কৌশলে কথা বের করতে চাইতেন।  

- এসব নিয়ে তিনি টেনশন করতেন? 

- হ্যাঁ, একদিন আমার কাছে গিয়ে

বিস্তারিত সব খুলে বলে, আর পুতুলটা আমাকে দেখায়।

তখন সে বলেছিল তার বিপদের কথা, তাকে যেকোনো

মুহূর্তে কিছু করে ফেলতে পারে সেই কথা। 

- তাহলে তো লিমনের বাবাও লোভী মানুষ কারণ

তিনি এটা একা একা হজম করতে চায়। 

- হ্যাঁ ঠিক, আমি তাকে সেটাই বোঝাতে চেষ্টা

করছি কিন্তু সে আমাকে ভুল বুঝে চলে আসে।


তারপর এর মাত্র তিনদিনের মাথায় এমন

একটা মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে গেল। 

- সেই পুতুল কোথায়? কেউ জানে? 

- এখন পর্যন্ত না, লিমনের বাবা সেটা নিজে মনে হয় লুকিয়ে রেখেছে। 

- এই সমস্ত ঘটনা পুলিশের কাছে না বলে কেন আমাকে বলতে

এসেছেন, জানতে পারি? 

- পুলিশের উপর বিশ্বাস নেই,

 আর তোমার বিষয় যখন জানলাম যে তুমি

মোটামুটি বড়লোক বাবার সন্তান।

তোমার বাবা লন্ডনে থাকে আর তাছাড়া তুমি গোয়েন্দা,

 তাই বলতে ইচ্ছে করছিল।

হয়তো সেই খুনের রহস্য উন্মোচন করতে পারবে,

তার তোমাকে সেই পুতুলের রহস্য নিয়ে এগোতে হবে। 

- সেটাই তো বুঝতে পারছি না। 

- আমি এখন আসি, বেলা প্রায় দুপুর পেরিয়ে গেল। 

- না না দুপুরে খাওয়াদাওয়া করে যান। 

- না, আমি চলে যাবো কিন্তু অবশ্যই

আবারও তোমার সঙ্গে দেখা হবে। 

- ঠিক আছে। 


★★


এখন থেকে সবসময় সবার আগে

 আমার এই ব্যক্তিগত পেইজেই গল্প পোস্ট করা হবে।

তাই যারা যারা পড়তে ইচ্ছুক

কিন্তু পেইজে এড নেই তারা এড হতে পারেন। 

পেইজ মোঃ সাইফুল ইসলাম 


★★


লিমনের যখন ফিরেছে তখন সে একটা বন্ধ রুমে বন্দী,

সম্পুর্ণ নতুন স্থান। এমন ঘরের মধ্যে সে কীভাবে

এসেছে সেটাই তো বুঝতে পারছে না।

বিছানার পাশে একটা চেয়ারে লাল

 গেঞ্জি পরে একটা লোক বসে আছে।

তাকে চোখ মেলে

যখন নড়াচড়া করতে দেখলো তখন শরীর

ঝাড়া দিয়ে বললো:-

- ডাক্তারের কথা তাহলে মিলে গেছে। 

- কে আপনি? আর আমি এখানে কেন? 

- আমি কে সেটা তোমার না জানলেও চলবে,

তবে তুমি এখানে আছো কারণ তোমাকে

 এখন পুলিশের লোকজন হন্যে হয়ে খুঁজচ্ছে। 

- পুলিশ? আমাকে..? কিন্তু কেন? 



- মনির ও শাহজাহান নামের হোটেল মালিককে খুন করার

অপরাধে তুমি এখন মোস্ট ওয়ান্টেড আসামী। 



- আমি কখন খুন করেছি? সেদিন রাতে আমি তো ঘুমিয়ে ছিলাম,

তারপর তো কিছু মনে নেই। 

- হাহাহা, তোমাকে অজ্ঞান করে রাখা হয়েছিল

কারণ তোমার স্থানে অন্য কেউ খুন করবে।

আর সেই খুনের দায় পরবে তোমার উপর,

তারপর হতে তুমি হবে নিরুপায়।

এবং সেই নিরুপায় জীবন থেকে বাঁচতে হলে

 তোমাকে আমাদের বসের কথা মেনে চলতে হবে। 

- বসসস? বস কে? 

- সেটা তো বলা যাবে না,

আমাকে যতটুকু বলতে বলা হয়েছে ততটুকু বললাম।

তোমার মা-বাবার মৃত্যুর জন্য দায়ী লোকদের মধ্যে দুজন

অলরেডি কবরে চলে গেছে।

 তোমার অবর্তমানে আমাদের বস নিজেই

অন্য কাউকে দিয়ে কাজটা করেছেন। 

- তাতে আপনার বসের লাভ কি? 



- তোমার বাবার কাছে একটা স্বর্নের ছিল,

তিনি সেটা কোথায় রেখে দিয়েছে সেটা জানতে হবে। 

- স্বর্নের পুতুল?
 

- হ্যাঁ। 


এমন সময় একটা মেয়ে রুমের মধ্যে প্রবেশ করলো,

তার হাতে ট্রে তে চায়ের কাপ নাস্তার ব্যবস্থা আছে।

 লোকটা তখন মেয়েটার দিকে তাকিয়ে বললো:- 

- আমি একটু বসের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলে আসি,

তুমি ততক্ষণে একে নাস্তা করতে দাও।

 আর ভয় নেই আমি

দরজার বাইরে আছি, যদি সে পালাতে চায় তাহলে...

লোকটা বেরিয়ে গেল, মেয়েটা লিমনের দিকে তাকিয়ে বললো:- 

- আমার নাম নাসরিন জাহান, তোমার নাম কি? 

- কে আপনি? 

- হিহিহিহি, এটা আবার কারো নাম হয় নাকি? 

- একদম হাসবেন না, আপনি কে?

আমাকে কেন এখানে আটক করা হয়েছে? 

- আমি জানি না, তবে আপনাকে দিয়ে

খারাপ কাজ করানো হবে এতটুকু জানি। 

- আমার অপরাধ? 


- আপনার কোন অপরাধ নেই কিন্তু

এরা যা করে সবকিছুই অপরাধ। 

এমন সময় লাল গেঞ্জি পরা লোকটা রুমে ঢুকে

 মোবাইল এগিয়ে দিয়ে বললো:- 


- বসের সঙ্গে কথা বলো। 

লিমন মোবাইল কানের কাছে নিয়ে

 অপরপ্রান্তের কণ্ঠ শুনে চমকে গেল।

বিস্মিত হয়ে বললোঃ-

- কাকা আপনি...?


সঙ্গে সঙ্গে মোবাইলের লাইনটা কেটে গেল। 


★★


সন্ধ্যার খানিকটা পর লিমনদের গ্রামের মধ্যে প্রবেশ করলো সাজু ভাই।

 তার সঙ্গে আছে তাদের গ্রামের একটা ছোটভাই যার নাম রাজু,

রাজুর অনেক সখ সে সাজুর সঙ্গে যেকোনো

একটা মামলার সময় সঙ্গী হবে। যেহেতু এই মামলার মধ্যে

রকি বা সজীব এখনো কেউ সঙ্গে নেই তাই

রাজুকে নিয়ে আজকে এসেছে। 



নিজের বাইক না নিয়ে সাজু ভাই এসেছে

কারণ বাইক আনলে সমস্যা হতে পারে।

 লিমনদের বাড়ি গিয়ে সে গোপনে আস্তে

 আস্তে বাগানের মধ্যে প্রবেশ করলো।

চারিদিকে তখন এশার আজান দিচ্ছে,

বেশ কিছুক্ষণ পর সাজু সেখান থেকে বের হবার জন্য উঠে দাঁড়াল।

কিন্তু এখানে আসার কোন কারণ বুঝতে পারলো না রাজু।

 হঠাৎ করে সেই অন্ধকার বাগানের মধ্যে কারো কথার শব্দ শুনতে পেল। 



কিছুক্ষণ মনোযোগ দিয়ে শোনার পরে

হঠাৎ করে সেই ফিসফিস করে কথা

বলতে থাকা স্থান থেকে একটা জোরে কাশি বের হলো। 



আর সেই কাশির শব্দ শুনেই সাজু বিড়বিড় করে বললো "

চেয়ারম্যান সাহেব? " 

চলবে...? 





মেলা মেলা ধন্যবাদ। 

.

 

 

Post a Comment

0 Comments

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন। ×