গল্প: মায়ার চাদর (০৪)



পর্ব:০৪

------------------------



আমারা ফ্লোরে আসলাম আম্মু আমাকে খাবার দিল।

আমি: আব্বু আসবে কখন আম্মু

আম্মু : তোমার আব্বুর আসতে লেট হবে

আমি: আচ্ছা আম্মু গুড নাইট

আমি খাবার খেয়ে আমার ঘরে গিয়ে ঘুম দিলাম।



ঘুম থেকে চোখ খুলে দেখে আমি আবারও আশ্চর্য হয়ে

গেলাম। বেলা তখন সকাল ৮ টা। পরণের লুঙ্গি খুলে পড়ে

আছে আমার পাশে। আমার বাঁড়া মহারাজ দাড়িয়ে আছে।

আর আম্মু ঘর মুছা দিচ্ছে নেকড়ে আর পানি দিয়ে।


 
আম্মুর দুধ গুলো অর্ধেক বের হয়ে আছে।

 


আম্মুর দুধ দেখে আমার বাঁড়া মহারাজ টনক মেরে উঠল।


আম্মু আমার বাঁড়ার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিল।


 



আসলে সাবিত্রী কখনো তার ছেলের মতো এত সুন্দর বড়

বাঁড়া কখনো দেখেনি।তার স্বামীর বাড়া ৪ ইঞ্চি তাও

আবার চোদার সময় গুদে বাঁড়া ঢুকালে ২ মিনিটেই মাল

আউট হয়ে যায়।দীর্ঘ বিয়ের পর থেকে এখন পর্যন্ত সাবিত্রী

দেবীর কখনো অর্গাজম হয়েছে কীনা তাও ধোঁয়াশা।



সাবিত্রী নিজের পেটের ছেলের বাঁড়া দেখে তার গুদে কুট

কুট করতে লাগলো। তার গুদে মনে হচ্ছে যেন রসে ভিজে

জোয়ার এসেছে।সে নিজের গুদে আঙুল দিয়ে ঘুষতে

লাগলো।যেভাবে মেয়েরা হস্থমৈথুন করে।


 




যে তার ছেলে ঘুম থেকে উঠার ভাব তখন সে বাথরুমে

গেলো।মনে মনে ছি ভগবান এ আমার কী হয়েছে নিজের

ছেলের বাঁড়া দেখে মায়ের গুদে বান ডাকছে।সে একটু

জিরানোর পরে শান্তি পায় কিন্তু তার ছেলের বাঁড়া মন

থেকে মুছে ফেলতে পারছিল না। তারপরে আবার সে তার

ছেলের ঘরের দিকে গেল। গিয়ে দেখল তার ছেলে নিজের

আখাম্বা বাঁড়া নিয়ে হস্তমৈথুনে করছিল।



 


আর ছেলে কী যেন মনে মনে বীড় বীড় করে বলছিল।তার

ছেলে হাত মারছিল আর বলছিল আম্মু তোমাকে আমি

খুব ভালোবাসি আম্মু তুমি খুব খাসা মাল আম্মু। তার

ছেলের কথা শুনে সে মুচকি হাসি দিচ্ছিল। কারণ তার

ছেলে তার জন্য পাগল তাকে কত ভালোবাসে।

সাবিত্রী দেখেছিল তার ছেলের লম্বা বাড়া কীভাবে মাল

আউট হয়।


 
কিন্তু সে আশ্চর্য এত সময় হয়ে গেল কিন্তু তার ছেলের

মাল আউট হয় না।


 
সাবিত্রী দেবী নিজেকে সংযত করতে না পেরে গুদে আঙুল

দিয়ে লাড়তে লাগলো


 

বুলেট নিজের মাকে চুদতে অনুভব করে হাত মারছিল

 
সাবিত্রীর গুদ রসে ভিজে থই থই

 
কিছুক্ষণের মধ্যেই বুলেটের থকথকে মাল আউট হয়ে

যায়।


 
সাবিত্রী আম্মুরও মাল আউট হয়ে যায়।

 


সাবিত্রী দেবী নিজের ছেলের গরম থকথকে মাল দেখে

লোভ হচ্ছিল যদি সে তার ছেলের মাল গুলো চেটে খেতে

পারতো।


 
তার মনের সুপ্ত বাসনা অপূর্ণ রেখেই নিজের ঘরে গেল।

অন্যদিকে বুলেট নিজের আম্মুকে ভেবে হাত মেরে খুব

শান্তি পেল।

কিছুক্ষণ পরে আমি ফ্রেশ হয়ে এসে আম্মু আমাকে নাস্তা

দিল। আমি খেলাম।

আম্মু : বুলেট

আমি: হ্যা আম্মু বলো

আম্মু : শীলাকে স্কুলে রেখে আস।

আমি: ঠিক আছে আম্মু রেখে আসছি।

আমি ঘরে গিয়ে দেখলাম আমার ছোট বোন শীলাকে খুব

সুন্দরী লাগছিল। স্কুল ড্রেস পরেছিল বোন।



আমি আমার ছোট বোনের যাই করি না কেনো সে কাউকে

কিছু বলে না।আমি ছোট বোনকে স্কুলে রেখে আসলাম।


শীলাকে স্কুলে রেখে এসে আমি ফুটপাতে চা খাচ্ছিলাম।

তখনি ঈশা আমাকে কল দিলো!


ঈশা: ভাইয়া

আমি: হ্যা বেবি বলো

ঈশা: ভাইয়া বাসায় কেউ নাই। তোমার জন্য গিফট আছে

তাড়াতাড়ি বাসায় আসো।

আমি: আম্মু কোথায় গেলো

ঈশা : খালাম্মাদের বাসায় গেলো


আমি : তুই একটু ওয়েট কর আমি আসছি জান

আমি ওর জন্য চকলেট ডেইরি মিল্ক, ললিপপ, আইসক্রিম

নিলাম।


Screenshot-20260204-051902



আমি বাসায় আসলাম। এসে কলিং বেল বাজালাম।


ঈশা: কেমন লাগছে ভাইয়া আমাকে


আমি: সেক্সি মাল লাগছে তোকে উফফ্ আমার বোন


 


ঈশা এসে আমার কোলে উঠে গেল।

 
আমি ওকে কোলে নিয়ে দুই হাত দিয়ে বোনের পাছা টিপতে

লাগলাম।


 
ঈশা তার ভাইয়ের কাধে হাত রেখে ঠোঁটে চুমু দিতে

লাগল।


 

তারা একে অপরকে পাগলের মতো ঠোঁট চুষছিল সমান

তালে। আমি এবার জোর দিয়ে বোনের পাছায় টিপে

দিলাম।


 

ঈশা: আহ্হ আহ্ আহ্‌হ্ ভাইয়া আস্তে

ঈশার গলার আওয়াজ শুনে আমার বাঁড়া মহারাজ টনটনে

হয়ে গেল।

আমি বোনের ঠোঁট গুলো আরো জোরে চুষতে লাগলাম।


 
ওর নিচের ঠোঁটটা দাঁত দিয়ে টেনে ধরলাম।

 

ঈশা দেবী তার জিভে বের করলো আমি ওর জিভ চুষতে

লাগলাম।


 
কখনো কখনো তারা একে অপরের মুখে থুথু চালান করে

পাগলের মতো চুষতে থাকলে। লাগাতার এমন করার পর

বুলেট এবার ঈশার গলায় আদর করতে লাগলো।

প্রথমে সে গলায় চাটতে লাগলো।


 
যতই বুলেট তার বোনের গলা থেকে নিচের দিকে যাচ্ছিল

ততই ঈশার হার্ট বিট বেড়ে যাচ্ছিল।

ঈশা: আহ্ আহ্‌হ্ ভাইয়া আরো করো


 
 

বুলেট নিজের বোনের মুখ থেকে জীবনে প্রথম বার শুনে

অবাক হয়ে গেছে।

সে আরো ঈশার গলায় আদর করে চাটতে থাকলো।


 

ঈশা : আহ্ আহ্‌হ্ উমম্ উম্ আহ্ আহ্‌হ্ ভাইয়া আরো

করো


 
 



আরো কিছু সময় গলায় আদর করার পর বুলেট এবার

তার বোনের চেষ্টে চুমু খেয়ে নিচে ঈশার নাভিতে আদর

করতে লাগলো।


 



ঈশা তার ভাইয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছিল। আর

বুলেট নিজের বোনের সেক্সি নাকিতে জিভ দিয়ে চাটছিল।



ঈশা: আহ্হ ওহহ্ আহ্ ভাইয়া



কিছুক্ষন নাভিতে আদর করার পর বুলেট তার বোনের

দুধের দিকে উঠে আসল।



ঈশা মনে মনে ভাবছিল আজ তার আপন মায়ের পেটের

ভাই তার বুকের দুধ চুষবে। এগুলো ভাবতেই তার গুদে

কুট কুট করতে লাগলো।


ঐ মুহূর্তেই বুলেটের খালাম্মা তাকে কল দিল।

 

Post a Comment

0 Comments

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন। ×