গল্প : মায়ার চাদর (পর্ব :০২)


লেখক: Incest everShow
পর্ব :০২

-------------------------


সাধু বাবার কথা আমার মাথায় কিছুই ঢুকলো না। আমি

কীভাবে আম্মুকে জান্নাতের সুখ দিবো।আমি আম্মুকে

নিয়ে বাসায় আসলাম।


সব গুলো পর্বের লিঙ্ক


আম্মু : বাবু দেখতো কয়টা বাজে

আমি: ১১টা বাজে।আম্মু তুমি রান্না করো আমি একটু

রেস্ট নিই।

আম্মু : আচ্ছা

আমি আমার রুমে গিয়ে চেঞ্জ করে হাত মুখ ধুয়ে ফ্রেশ

হলাম। শুধু লুঙ্গি পরলাম জামা গায়ে দিলাম না বেশ

গরম লাগছে। তারপর ঈশার ঘরে গেলাম দেখি সে কি

করছে।

আমি : আমার কলিজাটা কী করছে।

ঈশা : এইতো ভাইয়া তেমন কিছু না। বান্ধবীর সাথে

হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলছি। আসো বসো ভাইয়া আমার

পাশে।দাঁড়া আমি দরজা লক্ করে আসি।

তারপর আমি দরজা লক্ করে ঈশার কোলে মাথা রেখে

শুয়ে পড়লাম।বোনের নরম রানের ওপর মাথা রেখে যেন

মনে হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে আরামদায়ক জায়গায়

মাথা রেখেছি।

ঈশা: জানো ভাইয়া

আমি : হুম বল আমি শুনছি।

ঈশা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছিল।

ঈশা: কিছুদিন আগে একটা ছেলে আমাকে প্রপোজ

করেছিল।

আমি : তুই একসেপ্ট করেছিলি।

ঈশা : হম্ম করেছিলাম। কিন্তু বেশিদিন টিকে নি।

আমি : কেন??

ঈশা: ছেলেটা অনেক ব্যায়াদব ছিল।

আমি: তুই কীভাবে বুঝলি যে ওই ছেলে ব্যায়াদব ।

ঈশা: তুমি তো প্রতিদিন আমাকে কোচিং-এ রেখে আস

আবার নিয়ে আস। একদিন তোমাকে দেখে বলছে এইটা

কে।আমি বলেছি ওইটা আমার বড় ভাই।তখন সে একটু

রেগে তোমার কয়টা লাগে। আমি ওকে বল্লাম আরে তুমি

ভুল বুঝতেছো।সে বললো তোমার একটা দিয়ে হয় না

তুমি যাকে ভাই বলছো ওরতো আমার থেকে বেশি দম

আছে,ওই ছেলে আমার থেকে বেশি শক্তিশালী।

তোমাকে বিছানায় আমার থেকে বেশি সুখ দিবে।

আমি: তারপর কী হয়েছিল

ঈশা: ওর কথা শুনে আমার মাথা গরম হয়ে গিয়েছিল।

আমি ওর সাথে সেদিনই ব্রেকাপ করে দিয়েছি।

আমি: রুমডেট করেছিলি। ঈশা বললো না ভাইয়া।

ঈশা: ভাইয়া তোমার কোনো গার্লফ্রেন্ড আছে কী?

আমি: না রে কলিজা আজ পর্যন্ত কোনো প্রেম করি নি।

ঈশা: কেনো করো নি ভাইয়া।

আমি : আমাকে আসলে কোনো মেয়ে পছন্দ করে না।



ঈশা: আনাড়ির মতো কথা বলো না ভাইয়া।তোর মতো

সুন্দর ছেলে আমি কখনো দেখিনি। কতো হ্যান্ডসাম তুমি

মাসকুলার ফিগার,তুমি যদি আমার নিজের আপন ভাই

না হতে জমিয়ে প্রেম করতাম আমরা।




আমি : বোনের কথা শোনার পরে আমার বাঁড়া মহারাজ

শক্ত হয়ে গেল। শালী বলে কী?? আমি বললাম তুইও তো

কতো সুন্দরী সেক্সি রসালো ঠোঁট দুটো, নরম তুলতুলে

গাল,রেশমী কালো চুল, মায়াবী চোখ দেখতে যেন স্বর্গের

অপ্সরাদের মতো সুন্দরী। তুই আমার নিজের বোন

হওয়া সত্বেও তোর মায়ায় জড়িয়ে যায়।মনে হয় যেন

তোর সাথে পুরো জীবনটা কাটিয়ে দিই।

ঈশা : এই জন্যেই কী তুমি ঈষা রাজকুমারী বলে ডাক।

আমি: হুমম রে বোন


ঈশা দেবী : তুমি আমাকে এতো ভালোবাসো ভাইয়া।

সারাজীবন তুমি আমার সাথে কাটাতে চাও।

আমি: আমি তোকে খুব ভালোবসি জান। আমি ওকে

বিছানা থেকে উঠিয়ে ওর কাছাকাছি গিয়ে ওর কপালে

চুমু দিলাম। ঈশা তার ভাইয়ের চেহারার দিকে তাকিয়ে

কত মাসুম লাগছে তার ভাইকে সে নিজেকে সামলাতে না

পেরে বুলেটির ঠোঁটে কিশ করে দেয়।


couple kiss
এর আগেও তারা একে অপরকে চুমি দিয়েছে কিন্তু এখন

যা ছিল তা আপন মায়ের পেটের ভাই বোনের

ভালোবাসার পবিত্র সম্পর্ক।

দুজনেই চোখ বন্ধ করে একে অপরকে লিপ kiss দিয়েই

যাচ্ছিল।


make out kissing




তারা একে অপরকে পাগলের মতো চুমু খাচ্ছিল যেন

তাদের দুনিয়ার কোনো হুস নাই।


love you kissing

প্রয়া ৫ মিনিটের মতো সময় ধরে নিজেদের চোখ বন্ধ

করে আমিত ও ঈশা একে অপরকে চুমু দিচ্ছিল।কারণ

দুজনের জন্যই এমনটা প্রথমবার কোনো হোস ছিল না।


mulder and scully the x files

৫ মিনিট পরে আমিতের কান্ডজ্ঞান ফিরে আসল।

তারা একে অপরের দিকে তাকিয়ে দেখছিল।

ঈশা : ভাইয়া আমরা কী এগুলো ঠিক করছি??

আমি : আমার চোখের দিকে তাকাও সোনা।


darthmall74 1149201


এই পৃথিবীতে ভাই আর বোনের সম্পর্কের পরে ২য়

কোনো পবিত্র সম্পর্ক নেই।তাই আমরা যা করছি তা

কখনোই ভুল নয়। দেখেছো ১ টা বেজে গেছে তোমার

সাথে ২ ঘন্টা সময় চোখের পলকে চলে গেছে।

প্রিয় মানুষের সাথে থাকলে সময় কোন দিক দিয়ে যায়

টের পাওয়ায় যায় না।

তখনই আম্মু আমাকে ডাক দিল।

আম্মু : বাবু কী করছিস তোরা দুই ভাই বোন দরজা লক্

করে?


আমি : কিছু না আম্মু।



আম্মু : আম্মু তোর হুশ জ্ঞান কোথায় গেছে। শীলাকে

স্কুল থেকে আনতে হবে না যা তাড়াতাড়ি নিয়ে আয়

মেয়েটাকে,

বাইরে কতো গরম জলদি যা বাবু।

আমি : যাচ্ছি আম্মু

আমাদের বাসা থেকে শীলার স্কুল ১৫ মিনিট সময়

লাগে,বাইক নিয়ে গেলে।আমি বাইক নিয়ে রওনা দিলাম

শীলার স্কুলের দিকে।

আমি স্কুলে গিয়ে পৌঁছানোর সাথে সাথে শীলা আমাকে

জড়িয়ে ধরলো।

শীলা : ভাইয়াহ্

আমি: আমার কলিজা বলে আমি শীলার পাছায় হাত

দিয়ে ওকে কোলে তুলে নিলাম। তারপর বাইকেরওপর

বসিয়ে দিলাম।

শীলা: ভাইয়াহ আমি আইসক্রিম খাবো।

আমি : চলো একটি সামনে কিনে দিবো নি।

শীলা : ঠিক আছে



আমি : ওকে আইসক্রিম খাওয়াইলাম।তারপর আমি

ওকে নিয়ে বাসায় আসলাম। আমাদের বাড়ি ৫ তলা।

আমরা ওপরে থাকি।আমাদের বাড়ি শহর ছেড়ে একটু

লোকাল সাইডে।বাড়িতে লিফট থাকার পরেও আমি

শীলাকে কোলে করে ওর দুটো পাছায় হাত দিয়ে টিপতে

লাগলাম আর সিড়ি হয়ে উঠতে লাগলাম।আমার বাঁড়া

মহারাজ টনক মেরে শক্ত হয়ে গেল। আহ আহ আমার

ছোট বোনের নরম পাছা।




তারপর আমি শীলাকে কোলে করে আম্মার কাছে

গেলাম।

আমি : আম্মু এই নাও তোমার মেয়ে

আম্মু : তুই যা ফ্রেশ হয়ে আয় খেতে দিচ্ছি।

আমি ফ্রেশ হতে গেলাম , মুখ হাত ধুয়ে ফ্রেশ হলাম।

আমার আজকে কী হয়েছে নিজের জন্মদায়িনী

আম্মুকে দেখে, ঈশা এমনকি ছোট বোন শীলার

 পাছায় হাত দিলে আমার বাঁড়া খাড়া হয়ে যাচ্ছে। কী

হয়েছে আমার।


চলবে............ 

 

Post a Comment

0 Comments

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন। ×