![]() |
এই গল্পটি নিষিদ্ধ কাব্যে রচিত মা ও ছেলে, ভাই- বোনের যৌন মিলন আছে। তাই যারা অপছন্দ করেন তারা এড়িয়ে যান। -------------- আমাদের পরিবারের সদস্য ৫ জন।
|
আমি : হ্যা আম্মু হয়ে গেছে।আমি আম্মুকে দেখে খুব ভয় পেতাম তবে খুব বেশি না।
আম্মু : বাবা এত তাড়াতাড়ি বাধা হয়ে গেল।
আমি: দেখতে হবে না কার ছেলে আমার আম্মু সাবিত্রীর ছেলে । সব কিছুতেই এক্সপার্ট/ পারদর্শী।
আম্মু : সেটাতো মাঠে খেলার সময় দেখা যাবে কতক্ষণ টিকতে পারিস।
আমি: যদি আমি মাঠে খেলতে নামি মাঠের অবস্থা ঘায়েল হয়ে যাবে।
আম্মু :তাই নাকি
আমি: আচ্ছা আম্মু একটা কথা বলবো রাগ করবে না তো??
আম্মু : একটা কেনো হাজারটা বল আমি রাগ করবো না।
আমি আম্মুর একদম কাছাকাছি গিয়ে বললাম।
আম্মু তোমাকে আজ খুব সুন্দরী লাগছে একদম অপ্সরার মতো।আম্মু একটু মুচকি হাসি দিলো, মানে আম্মুর প্রসংশা করলে আম্মু খুশি হয়।
তারপর আমি আম্মুর গালে একটা লম্বা চুমু দিয়ে পালিয়ে যায়।
এই প্রথম কোনে মেয়েকে চুমু দিলাম তাও নিজের মাকে ভাবতেই যেন আমার বাঁড়া মহারাজ লাফাতে শুরু করল।
আমি নিজের মনে মনে বললাম
আজকে আমার সাথে কী হচ্ছে নিজের মাকে দেখে বাঁড়া খাড়া হয়ে যাচ্ছে এবং নিজের বোনের পোদ দেখে বাঁড়া খাড়া হয়ে যাচ্ছে।আমি বাথরুমে গিয়ে বাঁড়ায় ঠান্ডা পানি দিলাম। কিছুক্ষণের মধ্যে আমার বাঁড়া মহারাজ শান্ত হলো।আমি শার্ট প্যান্ট পরে রেডি হলাম।আমি আম্মুকে ডাকলাম আম্মু চলো যাই।
আম্মু : চল আজকে তোকে এমন জায়গায় নিয়ে যাবো আমি দেখিয়ে দিব তুই চালাবি।
আমি শুরুতেই বলেছি আম্মু বেশ ধার্মিক।আম্মুও আমাদেরকে সেভাবেই লালন পালন করেছেন।
ঈষা : আম্মু ভাইয়াকে শক্ত করে জরিয়ে ভালো করে যেও নইলে পড়ে যাবে।
আম্মু : ঠিক আছে
আম্মু বাইকে উঠে আমার পেটের নিচে ডান হাত দিয়ে শক্ত করে জরিয়ে বসল। আম্মুর ডান দিকের দুধটা আমার পিঠে ঠেকছিল। আম্মুর দুধের উষ্ণতা পেয়ে আমার হার্ট বিট বেড়ে যাচ্ছিল।
আম্মু : কি ব্যাপার তোর হার্ট বিট মনে হচ্ছে বেড়ে গেছে।
আমি : যখন কোনো সুন্দরী যুবতী মেয়ে কোনো ছেলের সাথে এভাবে বাইকে যাবে তখন ছেলেটার হার্ট বিট বাড়া টাই স্বাভাবিক।
আম্মু : বাবা আমার ছেলে তো দেখছি নিজের মায়ের প্রতি ফিদা হয়ে গেছে।
আমি: তুমি আমার ছোট থেকেই ক্রাশ আম্মু।
আম্মু : তাই। সামনে দেখে শুনে বাইক চালা।
কিছুক্ষণ পরে আমরা এক সাধু বাবার দরবারে গিয়ে পৌঁছালাম।সেখানে বেশ লম্বা ভিড়। আমি আম্মুেকে আমার সামনে দিলাম।
আমারা কিছুক্ষন পরে ভেতরে প্রবেশ করলাম। ঐ বিখ্যাত জায়গার পাশে একটি বড় বিল, সেখানে মহিলারা গোসল করছে।
আম্মু : তুই গোসল করে এসেছিস?
আমি : হমম। আপনি করেছেন আম্মু?
আম্মু : আমি এই বিলে পবিত্র হবো তাই গোসল করে আসি নি।
ঠিক আছে চলো তাহলে। আম্মুকে নিয়ে চলে গেলাম চেন্জিং রুমে। আম্মু একটা সুতি শাড়ি সেট সাথে নিয়ে এসেছিল।আম্মু সেগুলো পড়ে বিলে গোসল করতে নামলো আর আমি পাড়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম।আম্মু একটি ডুব দিলো মায়ের নাভি সহ পেট দেখা যাচ্ছিল।আমি যেন ফিদা হয়ে গেলাম কী সুন্দর নাভী আম্মুর।
আমি নিজের মনে মনে বললাম
আজকে আমার সাথে কী হচ্ছে নিজের মাকে দেখে বাঁড়া খাড়া হয়ে যাচ্ছে এবং নিজের বোনের পোদ দেখে বাঁড়া খাড়া হয়ে যাচ্ছে।আমি বাথরুমে গিয়ে বাঁড়ায় ঠান্ডা পানি দিলাম। কিছুক্ষণের মধ্যে আমার বাঁড়া মহারাজ শান্ত হলো।আমি শার্ট প্যান্ট পরে রেডি হলাম।আমি আম্মুকে ডাকলাম আম্মু চলো যাই।
আম্মু : চল আজকে তোকে এমন জায়গায় নিয়ে যাবো আমি দেখিয়ে দিব তুই চালাবি।
আমি শুরুতেই বলেছি আম্মু বেশ ধার্মিক।আম্মুও আমাদেরকে সেভাবেই লালন পালন করেছেন।
ঈষা : আম্মু ভাইয়াকে শক্ত করে জরিয়ে ভালো করে যেও নইলে পড়ে যাবে।
আম্মু : ঠিক আছে
আম্মু বাইকে উঠে আমার পেটের নিচে ডান হাত দিয়ে শক্ত করে জরিয়ে বসল। আম্মুর ডান দিকের দুধটা আমার পিঠে ঠেকছিল। আম্মুর দুধের উষ্ণতা পেয়ে আমার হার্ট বিট বেড়ে যাচ্ছিল।
আম্মু : কি ব্যাপার তোর হার্ট বিট মনে হচ্ছে বেড়ে গেছে।
আমি : যখন কোনো সুন্দরী যুবতী মেয়ে কোনো ছেলের সাথে এভাবে বাইকে যাবে তখন ছেলেটার হার্ট বিট বাড়া টাই স্বাভাবিক।
আম্মু : বাবা আমার ছেলে তো দেখছি নিজের মায়ের প্রতি ফিদা হয়ে গেছে।
আমি: তুমি আমার ছোট থেকেই ক্রাশ আম্মু।
আম্মু : তাই। সামনে দেখে শুনে বাইক চালা।
কিছুক্ষণ পরে আমরা এক সাধু বাবার দরবারে গিয়ে পৌঁছালাম।সেখানে বেশ লম্বা ভিড়। আমি আম্মুেকে আমার সামনে দিলাম।
আমারা কিছুক্ষন পরে ভেতরে প্রবেশ করলাম। ঐ বিখ্যাত জায়গার পাশে একটি বড় বিল, সেখানে মহিলারা গোসল করছে।
আম্মু : তুই গোসল করে এসেছিস?
আমি : হমম। আপনি করেছেন আম্মু?
আম্মু : আমি এই বিলে পবিত্র হবো তাই গোসল করে আসি নি।
ঠিক আছে চলো তাহলে। আম্মুকে নিয়ে চলে গেলাম চেন্জিং রুমে। আম্মু একটা সুতি শাড়ি সেট সাথে নিয়ে এসেছিল।আম্মু সেগুলো পড়ে বিলে গোসল করতে নামলো আর আমি পাড়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম।আম্মু একটি ডুব দিলো মায়ের নাভি সহ পেট দেখা যাচ্ছিল।আমি যেন ফিদা হয়ে গেলাম কী সুন্দর নাভী আম্মুর।
উফফ কী সেক্সি নাভি।তারপর আম্মু উল্টো হলো এতে আম্মুর গোল গোল পাছার সাথে লেগে গিয়েছিল।
তারপর আম্মু পাড়ে উঠে আসল। পাড় থেকে আম্মু হেটে চেঞ্জিং রুমে গেল। আম্মুর লদলধে পাছার দোলানি দেখে আমার বাঁড়া মহারাজ শক্ত হয়ে গেল।
তারপর আম্মু আর আমি সাধু বাবার দরবারে গেলাম।
আমি মনে মনে ভাবছি আমার আম্মু কতো সতী সাবিত্রী। কতো পবিত্র আম্মুর মন কিন্তু কতটা বাজে নজর দিয়েছি আম্মুর দিকে।ভগবান মনে হয় আমাকে কখনো মাফ করবে না।
আমারতো নিজের আম্মুকে দেখলেই বাঁড়া মহারাজ উত্তেজিত হয়ে যায়। আমাদেরকে সাধু মশাই ডাকলো।সাধু বাবা মশাই আম্মুকে বললো এইটা কে তোমার,প্রেমিক না স্বামী। আম্মু আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসি দিচ্ছে।
আম্মু : এটা আমার ছেলে
সাধু মশাই : ওও রাগ করিও না মা, আজকাল অনেক তোমার বয়সি মেয়েরা অল্প বয়সী ছেলেদের সাথে প্রেম- বাসনায় লিপ্ত হচ্ছে। যাইহোক তোমার ছেলের রাহুকাল গণনা করে দেখলাম ও তোমাকে সবচেয়ে সুখী করবে।তোমাকে জান্নাতের সুখ দিবে।মাগো তোমার কষ্টের দিন ফুরিয়ে এসেছে।
আমি আম্মুকে বললাম
আমি : আম্মু চলেন বাসায় যায় বেলা অনেক হয়ে গেছে।
আম্মু : দাড়া একটু মন্দিরটা ঘুরে দেখি কত সুন্দর চারিদিকে তায় না।
আমি: একদম আমার আম্মুর মতো পবিত্র ও সুন্দর জায়গা।
আম্মু : চল ঐদিকে যায়।
বলে আম্মু আমার হাতটা ধরে হাটতে লাগলাম।
আম্মুর হাত ধরে হাটার সময় আমার হার্ট বিট বেড়ে যাচ্ছিল।সাথে আমার শৈশবের কথা মনে পড়ে গেল।
ছোটবেলায় আম্মুর হাত ধরে হেঁটেছি।
কিছুক্ষণ ঘুরাঘুরি করে আমরা বাড়ির দিকে রওনা দিলাম।
তারপর আম্মু আর আমি সাধু বাবার দরবারে গেলাম।
আমি মনে মনে ভাবছি আমার আম্মু কতো সতী সাবিত্রী। কতো পবিত্র আম্মুর মন কিন্তু কতটা বাজে নজর দিয়েছি আম্মুর দিকে।ভগবান মনে হয় আমাকে কখনো মাফ করবে না।
আমারতো নিজের আম্মুকে দেখলেই বাঁড়া মহারাজ উত্তেজিত হয়ে যায়। আমাদেরকে সাধু মশাই ডাকলো।সাধু বাবা মশাই আম্মুকে বললো এইটা কে তোমার,প্রেমিক না স্বামী। আম্মু আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসি দিচ্ছে।
আম্মু : এটা আমার ছেলে
সাধু মশাই : ওও রাগ করিও না মা, আজকাল অনেক তোমার বয়সি মেয়েরা অল্প বয়সী ছেলেদের সাথে প্রেম- বাসনায় লিপ্ত হচ্ছে। যাইহোক তোমার ছেলের রাহুকাল গণনা করে দেখলাম ও তোমাকে সবচেয়ে সুখী করবে।তোমাকে জান্নাতের সুখ দিবে।মাগো তোমার কষ্টের দিন ফুরিয়ে এসেছে।
আমি আম্মুকে বললাম
আমি : আম্মু চলেন বাসায় যায় বেলা অনেক হয়ে গেছে।
আম্মু : দাড়া একটু মন্দিরটা ঘুরে দেখি কত সুন্দর চারিদিকে তায় না।
আমি: একদম আমার আম্মুর মতো পবিত্র ও সুন্দর জায়গা।
আম্মু : চল ঐদিকে যায়।
বলে আম্মু আমার হাতটা ধরে হাটতে লাগলাম।
আম্মুর হাত ধরে হাটার সময় আমার হার্ট বিট বেড়ে যাচ্ছিল।সাথে আমার শৈশবের কথা মনে পড়ে গেল।
ছোটবেলায় আম্মুর হাত ধরে হেঁটেছি।
কিছুক্ষণ ঘুরাঘুরি করে আমরা বাড়ির দিকে রওনা দিলাম।

0 Comments