গল্প: মায়ার চাদর( পর্ব:০১)

 


এই গল্পটি নিষিদ্ধ কাব্যে রচিত মা ও ছেলে, ভাই- বোনের যৌন মিলন আছে। তাই যারা অপছন্দ করেন তারা এড়িয়ে যান।

সব গুলো পর্বের লিঙ্ক



--------------


আমাদের পরিবারের সদস্য ৫ জন।



বাবা- সুজিত ব্যানার্জী। তিনি বাংলাদেশের 

নামকরা ডাক্তার হওয়ার তিনি খুব ব্যস্ত থাকেন।

রাত ১২-১ টার দিকে বাসায় আসেন আবার চলে যান।

তাও আবার রাতে এসে সকালে চলে যায়। বয়স ৪৮ বছর।



আম্মু : আমার সতী ও পবিত্র আম্মু সাবিত্রী ।

আম্মু খুব কামুক, ধার্মিক,সুন্দরী,

মায়বী চোখ, স্নিগ্ধ নরম হাত তার সবকিছুই আকর্ষণীয়।

 আম্মুর বয়স মাত্র ৩৮।
 
কিন্তু ফিগার দেখতে একদম ২৫-২৬ বয়সী পরীর মতো।

আম্মুর একটু গোলগাল লুচলুচে শরীর। ফিগার সাইজ ৩৬-৩২-৪০।


মেজ বোন : আমার মেজ বোনের নাম ঈশা ।

 সে শুধু আমার বোন কম বান্ধবী বেশি।

সব সময় আমারা হাসি মজা করে সময় কাটাই।বয়স ১৮ বছর।

আমরা খুব ফ্রী মাইন্ডে সব কথা শেয়ার করি।

সে ইন্টার ২য় বর্ষে পড়ে।


ছোট বোন : আমার ছোট বোন শীলা।দেখতে পরীর মতো সুন্দরী।

 আমি ওকে খুব ভালোবাসি।সে দেখতে ভীষণ মায়াবী।

বয়স মাত্র ** বছর। ৩ এ পড়ে।


আমি: আমার নাম বুলেট। আমি বর্তমানে অনার্স করছি।

বাঁড়ার সাইজ ৭ ইঞ্চি। বয়স ২০ বছর।



-----------------


প্রতিদিন আম্মু ভোর বেলা আমাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে তোলে।

কিন্তু আজকে খুব ভোরে সকাল সকাল আম্মু আমার

ঘরে লাইট জালিয়ে ঝাড়ু দিচ্ছিল।

ইদানীং খুব গরম পড়ায় আমি লুঙ্গি পড়ে ঘুমাই।

 তো আম্মু আমাকে ডাকছিল ঘুম থেকে উঠার জন্য।

আম্মু আমাকে বাবু নামে ডাকে।



আম্মু : বাবু ঘুম থেকে ওঠ তাড়াতাড়ি সাধু

বাবার দরবারে যাবো।তুই ওঠে ঈশাকে ডেকে তোল।



আম্মু ডেকে চলে গেল । আমি ঘুম থেকে উঠে

দেখি আমার বাঁড়া মহারাজ একদম দাড়িয়ে আছে।


লুঙ্গি নাই লেঙটা শুয়ে আছি। খুঁজে দেখি লুঙ্গি বিছানার পাশে নিচে পড়ে আছে। আমি তো হয়রান হয়ে গেলাম পরনে লুঙ্গি ছিল না তারপরেও আম্মু লুঙ্গি টা দিয়ে ঢেকে দেয়নি। আম্মু কী আমার বাঁড়াটা/ধনটা দেখেছে। হায় ভগবান কী থেকে কী হয়ে গেল । ব্রাশ করে গোসল করার পর ঈশার ঘরে গেলাম। আমি বোনকে আদর করে রাজকুমারী বলে ডাকি।


আমি : রাজকুমারী ওঠো সকাল হয়ে গেছে। ঈশা উপুড় হয়ে শুয়ে ছিল ওর পাছা দুটো উঁচু হয়ে ছিল।ঈশার পাছা দেখে আমার বাঁড়া মহারাজ টনক মেরে উঠলো।আমি মনে মনে হায় ভগবান এ কী হচ্ছে আমার সাথে, সকালে আম্মু আমার বাঁড়া দেখে ফেলেছে, এখন বোনের গোল গোল পাছা দেখে বাঁড়া খাড়া হয়ে গেলো।আমি সাহস করে ঈশার পাছাই ডান হাত দিয়ে আলতো করে ধরলাম।আমার শরিরে যেন কারেন্ট বয়ে গেল। উফফ কী নরম তুলতুলে তুলার চেয়েও নরম পাছা। ধরে নাড়িয়ে ওর কানের কাছে গিয়ে বললাম ঈশা কলিজা ওঠো। আম্মু আর আমি পূজো দিতে যাবো।


তারপর বোন চিত হয়ে গেল। ওর বুকের দিকে তাকিয়ে আমি হতভাগ উফফ কী সেক্সি দুধের ক্লিভেজ সাইজ।


ঈশা : ভাইয়া কী ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে দেখছো।তুমি রেডি হও আমি ফ্রেশ হচ্ছি।


আমি চলে গেলাম রেডি হতে, আমার ঘরে যাচ্ছি এমন সময় মনে হলো আম্মুকে রেডি হতে বলি।আম্মুর ঘরে ঢুকে দেখি আম্মু শাড়ী পরছে।






লাল রঙের শাড়ি পরছিলেন আম্মু। আম্মুর শাড়ী পরা দেখে আমি আমার ঘরে চলে যাচ্ছিলাম ওমনি আম্মু আমাকে ডাকল।


আম্মু : বাবু আমার ব্লাউজের ফিতে টা বেধে দে তো


আমি: আচ্ছা আম্মু দিচ্ছি বলে আমি ফিতা বাধতে লাগলাম।আম্মুর সেক্সি back/ পিঠ দেখে আমি ফিদা হয়ে গলাম।আমি আম্মুকে পেছনে কাছে টেনে খোলা পিঠে চুমি দিলাম।


আম্মু : উমম্ উমমম্ বাবু কী করছিস সোনা তাড়াতাড়ি বাধো।

আমি : হ্যা আম্মু হয়ে গেছে।আমি আম্মুকে দেখে খুব ভয় পেতাম তবে খুব বেশি না।

আম্মু : বাবা এত তাড়াতাড়ি বাধা হয়ে গেল।


আমি: দেখতে হবে না কার ছেলে আমার আম্মু সাবিত্রীর ছেলে । সব কিছুতেই এক্সপার্ট/ পারদর্শী।


আম্মু : সেটাতো মাঠে খেলার সময় দেখা যাবে কতক্ষণ টিকতে পারিস।


আমি: যদি আমি মাঠে খেলতে নামি মাঠের অবস্থা ঘায়েল হয়ে যাবে।


আম্মু :তাই নাকি


আমি: আচ্ছা আম্মু একটা কথা বলবো রাগ করবে না তো??


আম্মু : একটা কেনো হাজারটা বল আমি রাগ করবো না।


আমি আম্মুর একদম কাছাকাছি গিয়ে বললাম।

আম্মু তোমাকে আজ খুব সুন্দরী লাগছে একদম অপ্সরার মতো।আম্মু একটু মুচকি হাসি দিলো, মানে আম্মুর প্রসংশা করলে আম্মু খুশি হয়।


তারপর আমি আম্মুর গালে একটা লম্বা চুমু দিয়ে পালিয়ে যায়।


এই প্রথম কোনে মেয়েকে চুমু দিলাম তাও নিজের মাকে ভাবতেই যেন আমার বাঁড়া মহারাজ লাফাতে শুরু করল।


আমি নিজের মনে মনে বললাম

আজকে আমার সাথে কী হচ্ছে নিজের মাকে দেখে বাঁড়া খাড়া হয়ে যাচ্ছে এবং নিজের বোনের পোদ দেখে বাঁড়া খাড়া হয়ে যাচ্ছে।আমি বাথরুমে গিয়ে বাঁড়ায় ঠান্ডা পানি দিলাম। কিছুক্ষণের মধ্যে আমার বাঁড়া মহারাজ শান্ত হলো।আমি শার্ট প্যান্ট পরে রেডি হলাম।আমি আম্মুকে ডাকলাম আম্মু চলো যাই।


আম্মু : চল আজকে তোকে এমন জায়গায় নিয়ে যাবো আমি দেখিয়ে দিব তুই চালাবি।

আমি শুরুতেই বলেছি আম্মু বেশ ধার্মিক।আম্মুও আমাদেরকে সেভাবেই লালন পালন করেছেন।



ঈষা : আম্মু ভাইয়াকে শক্ত করে জরিয়ে ভালো করে যেও নইলে পড়ে যাবে।


আম্মু : ঠিক আছে


আম্মু বাইকে উঠে আমার পেটের নিচে ডান হাত দিয়ে শক্ত করে জরিয়ে বসল। আম্মুর ডান দিকের দুধটা আমার পিঠে ঠেকছিল। আম্মুর দুধের উষ্ণতা পেয়ে আমার হার্ট বিট বেড়ে যাচ্ছিল।


আম্মু : কি ব্যাপার তোর হার্ট বিট মনে হচ্ছে বেড়ে গেছে।


আমি : যখন কোনো সুন্দরী যুবতী মেয়ে কোনো ছেলের সাথে এভাবে বাইকে যাবে তখন ছেলেটার হার্ট বিট বাড়া টাই স্বাভাবিক।


আম্মু : বাবা আমার ছেলে তো দেখছি নিজের মায়ের প্রতি ফিদা হয়ে গেছে।


আমি: তুমি আমার ছোট থেকেই ক্রাশ আম্মু।


আম্মু : তাই। সামনে দেখে শুনে বাইক চালা।


কিছুক্ষণ পরে আমরা এক সাধু বাবার দরবারে গিয়ে পৌঁছালাম।সেখানে বেশ লম্বা ভিড়। আমি আম্মুেকে আমার সামনে দিলাম।


আমারা কিছুক্ষন পরে ভেতরে প্রবেশ করলাম। ঐ বিখ্যাত জায়গার পাশে একটি বড় বিল, সেখানে মহিলারা গোসল করছে।

আম্মু : তুই গোসল করে এসেছিস?

আমি : হমম। আপনি করেছেন আম্মু?

আম্মু : আমি এই বিলে পবিত্র হবো তাই গোসল করে আসি নি।

ঠিক আছে চলো তাহলে। আম্মুকে নিয়ে চলে গেলাম চেন্জিং রুমে। আম্মু একটা সুতি শাড়ি সেট সাথে নিয়ে এসেছিল।আম্মু সেগুলো পড়ে বিলে গোসল করতে নামলো আর আমি পাড়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম।আম্মু একটি ডুব দিলো মায়ের নাভি সহ পেট দেখা যাচ্ছিল।আমি যেন ফিদা হয়ে গেলাম কী সুন্দর নাভী আম্মুর।



উফফ কী সেক্সি নাভি।তারপর আম্মু উল্টো হলো এতে আম্মুর গোল গোল পাছার সাথে লেগে গিয়েছিল।




তারপর আম্মু পাড়ে উঠে আসল। পাড় থেকে আম্মু হেটে চেঞ্জিং রুমে গেল। আম্মুর লদলধে পাছার দোলানি দেখে আমার বাঁড়া মহারাজ শক্ত হয়ে গেল।


তারপর আম্মু আর আমি সাধু বাবার দরবারে গেলাম।


আমি মনে মনে ভাবছি আমার আম্মু কতো সতী সাবিত্রী। কতো পবিত্র আম্মুর মন কিন্তু কতটা বাজে নজর দিয়েছি আম্মুর দিকে।ভগবান মনে হয় আমাকে কখনো মাফ করবে না।

আমারতো নিজের আম্মুকে দেখলেই বাঁড়া মহারাজ উত্তেজিত হয়ে যায়। আমাদেরকে সাধু মশাই ডাকলো।সাধু বাবা মশাই আম্মুকে বললো এইটা কে তোমার,প্রেমিক না স্বামী। আম্মু আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসি দিচ্ছে।


আম্মু : এটা আমার ছেলে


সাধু মশাই : ওও রাগ করিও না মা, আজকাল অনেক তোমার বয়সি মেয়েরা অল্প বয়সী ছেলেদের সাথে প্রেম- বাসনায় লিপ্ত হচ্ছে। যাইহোক তোমার ছেলের রাহুকাল গণনা করে দেখলাম ও তোমাকে সবচেয়ে সুখী করবে।তোমাকে জান্নাতের সুখ দিবে।মাগো তোমার কষ্টের দিন ফুরিয়ে এসেছে।


আমি আম্মুকে বললাম

আমি : আম্মু চলেন বাসায় যায় বেলা অনেক হয়ে গেছে।

আম্মু : দাড়া একটু মন্দিরটা ঘুরে দেখি কত সুন্দর চারিদিকে তায় না।

আমি: একদম আমার আম্মুর মতো পবিত্র ও সুন্দর জায়গা।

আম্মু : চল ঐদিকে যায়।

বলে আম্মু আমার হাতটা ধরে হাটতে লাগলাম।

আম্মুর হাত ধরে হাটার সময় আমার হার্ট বিট বেড়ে যাচ্ছিল।সাথে আমার শৈশবের কথা মনে পড়ে গেল।

ছোটবেলায় আম্মুর হাত ধরে হেঁটেছি।

কিছুক্ষণ ঘুরাঘুরি করে আমরা বাড়ির দিকে রওনা দিলাম।



 

Post a Comment

0 Comments

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন। ×