গল্প: সাজু ভাই পর্ব:০৪




সাজু ভাই সিরিজ নম্বর:০১

লেখক : সাইফুল ইসলাম সজীব 

পর্ব:০৪ 






ভয়ে থথ করে কাঁপছি, অন্ধকারের মধ্যে যে দেখছে সেদিকে মনে হচ্ছে কেউ। নিশ্চিন্ত শব্দ নিজের কানে পাকে, ঘরের মধ্যে দেওয়াল ঘড়ির কাঁটার ভয়ংকর শব্দ। মনে মনে ভাব যে এক লাফ দিয়ে হাতপা বন্ধ করে দেবো কিন্তু নড়াতে পারি না। বিপদের মধ্যে পরলাম? 


বহুকষ্ট বিছানা থেকে বসলাম, মশারী পার্টি ধরে ধরে বের হলাম। খাট থেকে উত্তর নিঃশব্দে পা টিপে কাছে কাছে পেতে। জোর করে চাপিয়ে দিয়ে ধুম করে আপনাকে বন্ধ করে দিয়েছি। মনের মধ্যে থেকে মনে মনে কিছু আতঙ্ক তো রয়ে গেছে। 


ফারজানা গেল? সে কি আমাকে আসতে পারে? ভালোটা এই দারোগার সঙ্গে শুধু সকাল থেকে ফারজানার বিষয় মাথার মধ্যে নেই, যদি আসতো তাহলে অবশ্যই বলতাম।  


অন্ধকারে শীতাম, বিছানায় শুয়ে ঘুমের মধ্যে হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করছে না। একবার যদি ঘুম আসতো তাহলে এমন ভয়ঙ্কর রাত্রি মুক্তি পেতাম থেকে। কিন্তু অপেক্ষার রাত কখনো সহজে পরবাহিত হতে চায় না। 


ঠকঠক হচ্ছে, আমি ঠকবার ভয়ে কোপ চুপসে গিয়ে বিছানার সঙ্গে মিশে গেছি। কে? ফারজানা হার? যে আসে অসুক আমি না চুপচাপ বাব রবো, বাবা বের করে কলে কল মোবাইল। শুধু মুখ দিয়ে শব্দ না ভয়ে, তাই কল বের করা হচ্ছে সে বা মা যদি আসে। 


কিন্তু রি করলো না, পথের দিকে এগিয়ে কে শব্দ করে যাচ্ছে। অনেক পরে খুব করে কেউ ডাকছে


আমি চুপচাপ বা আছি, গাঁয়ে পানি পরে যাচ্ছে সামনের দিকে মা-বার আমার সামনে দাঁড়াতে গিয়ে সামনে ভালো। এতটা ভয়ে আমি কখনো পরিনি, মনে হচ্ছে আমারও সময় ফুরিয়ে গেছে। সকল দিনের আগাম মাসের ইমাম আমার শোক সংবাদ প্রচার করবে। 


জানাতে জানালার কেউ ডাকছে। আপনার কাছে আমার রুটি কিছু বর্ননা করা। একই শহর তাই আমার রুমে ঘরের দিকে। একটা দিয়ে রুমে নিয়ে যাওয়া যায়, ভেতরে ঢুকে যায় বাইরের দিক দিয়ে। একটা আছে আকাশের বাতাসের আশায়, এখন সেই তথ্য জানানোর নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। 


- রুহি ফার্জানা, আমি বন্ধ করেছ কেন? খুব ভয় করছে। 


- আমি চুপচাপ। 


- তুমি কি ঘুমিয়ে গেছ? প্লিজ দ্রুত করো, বাহিরে গা ছমছম করছে। 


- আমি বলেছি, তুমি বাহিরে কেন গিয়েছ? তুমি নিশ্চয়ই এই খুনগুলা করছো তাই না ফারজানা? আপনি তার জন্য আজ প্রতিশোধে এসেছেন। 


- কি বলছো রুহি? দেখো আমি বুঝতে পারলাম যে, আমি এখন এই ঘটনার জন্য ভয় পেয়েছি। আমি মোবাইলে কথা বলার জন্য বাহিরে বের হতে, প্লিজ রুহি বিশ্বাস করো আমাকে। 


- মোবাইলে কি ঘরের মধ্যে কথা বলা যায় তাই না? না না না, আমি কিছু খুলবো না, তুমি খুব খারাপ মেয়ে। 


- এমন করে অবিশ্বাস করো না রুহি, তাই বলে বিশ্বাস করা। হায়া আল্লাহ। 


- তুমি আমার বাহিরে খুলতে পারবো না, খবরের কথা বলে তুমি আমাকে খুলে দেবে। তারপর ভিতরে ব্যবহারে খুলবে আমাকে, আমি খুলবো না। 


- ওয়েল খুলতে চাইলে আমি তো পারতাম তাহলে বাহিরে বেরোনো প্রশ্নটি কেন? 


- নিশ্চয়ই অস্ত্র আনতে যাচ্ছে, কারণ তখন বাবার সঙ্গে অস্ত্র আনতে পারো না। 


- আল কি বলছো রুহি?


ঠিকই কিছু, আমি কিছু বলতে পারি না। 


- ঠিক আছে তাহলে আমি পরবর্তী সময়ে। 


- - - -


বাহিরে এখন নিঃশব্দ, খুলে গেছে? ভাল সে এখন খুঁজে পাবে? আর ফারজানা কি এত কিছু করছে? 


নিস্তব্ধ রাতের অন্ধকারে প্রশ্ন জমা হচ্ছে মাথার মধ্যে, রাতে আমার মৃত্যু খুব গভীরে দেখতে গভীর কতটা ভয় নিয়ে আলোচনা এখন আলোচনায় এসেছে। এমন জীবন ও মানুষের থাকে? যে জীবন এ এখন আতঙ্ক সেই জীবন কেউ কি করে? 


ভয়ে আরঙ্কে কখন ঘুমিয়ে পরে জানতে না, সকাল সকাল সকাল আধাক্কা গেল এবং চিৎকার সকাল ঘুম ভেঙ্গে গেল। ভেন্টিলেটের আধভাঙ্গার ফাঁক দিয়ে বাহিরের আলো ঘরভর্তি হয়ে গেছে। পরক্ষণেই বাহিরে খুব চেচামেচি শুনতে পাচ্ছি, আরে এত মানুষের আওয়াজ কেন? 


দ্রুত করে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া মা, ফুফু আর প্রতিবেশী ৭/৮ জন মহিলা পাস করেছে। কেন জানি আলোচনা আছে না, কিন্তু আমার কথাটা স্তব্ধ হলাম। 


- রুহি ঠিক আছো? 


- আমি মাকে ধরে ধরে কান্না করে, আমি ঠিক আছি। সময় পাড়ি বন্ধ করে নাহলে ফারজানা আমাকে মেরে ফেলো। 


মা হাত দিয়ে আমাকে পেটি তার মুখের ধরতে ধরেছে-


- ফারজানা মেরে ফেলো কি? 


- মা জানো? রাতের রাত ফার্জানা পথ বাহিরে বের হয়ে গেছে নিশ্চয়ই সে কিছু করতে হয়েছিল। 


- কি দুস? ফারজানা কিভাবে বের হয়ে গেল? আপনার জানাস ফারজানার লাশ পাওয়া গেছে আমাদের বাগান? 


আমি দেখতে পাইছি ফার্জানা রাত খুন হয়েছে? তারমানে আমার জন্য মারা গেল? আমি যদি ঘরের ভিতরে ভিতরে আনতাম তাহলে সে প্রবেশ করতো? 


- মা তো, সকাল বেলা আমাদের শরীরে তোর মধ্যে হতেহট্টগোল হচ্ছে। তোকে অনেকক্ষণ ধরে ডাকছি কিন্তু তোর কানে ডাকে না মনে হয়। 


আমি পথ থেকে বের হয়ে বাগানের দিকে ছুটে গিয়েছি ফারজানা। গলার ওড়না দিয়ে ফাস দিয়ে তাকে খুন করা হয়েছে, যে মেয়ে রাতে আমার সঙ্গে ঘুমাতে চাই এখন কবরের জন্য তৈরি হচ্ছে। 


এর মধ্যে অনেক মানুষ হাজির হয়েছে, আমি সমস্যা নেই কখন ঘুমিয়ে পরেছি তাই সতর্ক ভাঙ্গে। দারোগা সাহেব নিজেই নিজের কাছে পেয়েছেন, ফরজানার বাবা বিমর্ষের পক্ষে আর আমার কান্না করে জানা হচ্ছে। মহিলারা শান্ত করার চেষ্টা করছে, আমার দিকে কি এক কৌতুহল নিয়ে পুলিশ তাকে। উল্টো একজন ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে, তাদের মধ্যে আমার দিকে বারবার তাকাচ্ছে আর ফারজানার লাশটা দেখেছে। 


এমন সময় একজন কনস্টেবল একটা ভ্যানগাড়ি নিয়ে এলো এবং ফারজানা প্রাণহীন দেহটা ধরে উঠলো। ব্যক্তিগত শিকার হয়ে গেল ফারজানা, তবে তার পিছনে আমার নিজেরও এখন অনেক মনে হচ্ছে। 


মৃতদেহ নিয়ে বারবার পরে দাড়ি ভিড় গেল, বললেন সাঈদ আমাকে সেই উল্টো চিকিত্সকের সঙ্গে শিখেছেন। 
যে লোকটা বারবার তাকাচ্ছে লোকটা সাজু ভাই এবং আমার দিকে সেই লোকটা দেখা যাচ্ছে গোয়েন্দা হাসান। 


আমরা ঘরে ঘরে এসেলাম, বাবা মা এবং আরো বসলাম। হাসান সাহেব আমাকে উদ্দেশ্য করে বললেন;-


- আমি সকাল থেকে যতটুকু জানতে চাইছি তাতে ফারজানার থাকার কথা ছিল কিন্তু আপনি যদি আপনাকে খুঁজে না পেয়ে যেতে পারেন, তাহলে আপনি ঘুমিয়ে থাকেন, আর ফার্জাকে পাওয়া যায় বাগানের মধ্যে প্রকৃতির ঘুমিয়ে আছে। আপনি ঘুমিয়ে ছিলেন, কিন্তু আপনার ঘুম ভেঙ্গে গেল আর সে চিরনিদ্রায় শপট হয়ে গেছে। এই বিষয়ে আপনার মন্তব্য কি? 


- আমি ভিত হয়েছি, তারপর ঢোঁক গিলে বলে, আমরা মনে মনে ঘুমিয়ে পড়লেও ঘুম থেকে ঘুমিয়ে পড়লে মনে হয় ফারজানা বিছানার মধ্যে নেই। আমি আর তাকে দেখা না, আমি ভয় পেয়ে কারণ গেল আসি ফার্জা আমাকে খুলবে। তাই দ্রুত বন্ধ করা। 


- এটা কোন কথা? সেই মেয়ে তোমাকে পরে কি আর ডাকে না? 


- হ্যাঁ ডেকেছিল কিন্তু আমি খুলিনি। 


- কেন? 


- টেলিফোন যে আশা ও খুন করতে চায়, কিন্তু এখন তো জানতে ফারজানা খুশি হয়েছে। 


- কিন্তু আমি অন্য কিছু মনে করছি। 


- মানে? 


- ফারজানাকে আপনি খুন করেছেন? 


- মানে...? 


দারোগা সাহেব সহ উপস্থিত নড়চড়ে, মানুষ এখন নতুন কিছু কৌতূহল দেখতে দেখতে। সাজু নির্ ভাইবিঘ্নে ভাই আছে, দারোগা সাহেবের দিকে তার দিকে:-


- বাংলা কবিতা কি বলেছেন? 


- হাসান সাহেব বললেন, দারোগা শাহের দিকে আমাদের লাভ নেই মিস রুহি। আমি ঠিক যেভাবে প্রশ্ন করি সেভাবে সামনের দিকে প্লিজ, আপনার এখন সম্পুর্ণ সন্দেহ হচ্ছে। 


- বাবা দিতে, কিন্তু কেন? আমার মেয়ের জীবন ভয় কান্না করছে আর আপনি সেখানে উও তাকে বাধ্য করবেন? 


- জ্বলি আঙ্কেল, আপনি রাগ করুন, রাত্রি আমার মধ্যে ছিল কিন্তু সকাল একজনের লাশ পাওয়া গেল। আর পথে তোমার মেয়ে বন্ধ করে নিশ্চিন্ত ঘুমিয়ে ছিল রুমের মধ্যে। 


- তাই বলে... 


- আঙ্কেল জাতীয়, মোটামুটি যাচ্ছে বা মোটামুটি কথায় তোমার মেয়ে ফারজানাকে নিয়ে বের হয়েছে। এবং সুযোগ সুবিধা পিছন থেকে ওড়না দিয়ে বন্ধুরা বন্ধ করে দিয়েছে। 


- আমি চিৎকার দিয়ে, চুপ করুন। আলবাজে কথা বলবেন না দয়া করে, আমি কেন খুলতে পারব? আমি তো সাবধানে ভয়ে প্রহর গুনে। (কথা বলতে আমার প্রতিবাদ হচ্ছে, কান্না মনে আসতে চাচ্ছে। 


- হাসান সাহেব বললেন, উত্তেজিত হচ্ছে কেন? আমি তো আমার পক্ষ থেকে আপনাকে প্রচার করি না কিন্তু এক নম্বরে সন্দেহের স্থান। 


- বিশ্বাস করুন আমি কিছু করি, ফার্জানা তো বারবার খুলতে খুলতে কিন্তু আমি তাকে খুনি কাছ থেকে। 


- আপনার এখন এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চাই না, ফারজানার ময়নাতদন্তের বক্তব্যের সাথে আমি বাকি কথা বলি। মনে মনে প্রশ্ন জামে তাই অনেকগুলো আমার কাছে খুঁজে পাওয়া গেছে, কারণ উন্মোচন হবে আশা করি। তাই আপনি যদি বাড়িতে থাকেন তবে আমি আপনার সাথে দেখা করতে পারি। 


- দারো বললেন, রুহি তুমি কোন কিছু গোপন করার চেষ্টা করবে না কিন্তু আমাদের খুব হবে। যা কিছু জানাবে এবং পরবর্তী সময়ে জানবে, আমাদের কথা বলবে। 


- ঠিক আছে কিছু, কিন্তু বিশ্বাস করুন আমি করি না, আমার এত সত্ত্ব নেই। 


এমন সময় ঘরের মধ্যে আসতে পারুল আপা দেখতে, বোরকা পরিহিতের মধ্যে আসতে যাচ্ছেন। তিনি সাজু ভাইয়ের দিকে এগিয়ে যান;-


- অনেক কষ্ট করার জন্য লোকটার খুঁজে বের করেছি। 


- সাজু ভাই বললেন, কোই জান? 


- দারোগা বললেন, কিসের ঠিকানা? 


- জু ভাই বললো, আপনার সাউকের ই একটা কথা বলেছে যে আমাদের বাই ইঞ্জিনের মধ্যে কি হচ্ছে। তাই তাকে সকাল বেলা আমি বলে যে সকালের মধ্যে ভালো বাইক ঠিক করতে পারার কেউ আছে? এত কষ্ট করে মেকানি কার্ড যোগাড় করবে কিন্তু জানতাম না। 


পারুল আপা তার ভেনিটি ব্যাগ থেকে একটা কাজ বের করা সাজুয়ের ভাইয়ের হাতে। তখন তার ব্যাবস্থার পরে গেলেন, সাহাবাদের কাছ থেকে স্বাগত জানাতে বললেন:-


- "দ্রুতগামী" বাসে করে তোমায় এই আসা যায়, তাই না? 


- দারোগা বললেন, জ্বি হ্যাঁ। 


- আমি সাজুকে বলে শক্তি যে ঢাকায় বাইক তারপর "দ্রুতগামী" বাসে লক্ষণ দেখায়। কিন্তু সাজু বললো "বাইক নিয়ে চলো তাহলে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হবে"


গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে গেল, পরে তারা মেনে দাঁড়াল। উপস্থিত থাকবে নিয়ে আসবে দারোগা সাহেবকে। যাবার সময় জু ভাই আমাকে বললো, "ভালো থেকো, তুমি এমন পরিস্থিতিতে তোমার সাথে দেখা করতে তাই কিছু বলতে পারি না।"


- - - - 


ক্যাডেন অমনি করা হয়েছে, আর কেউ আসে নাই নম্বর দিন। মা-বাবা আরও বেশি চিন্তার মধ্যে পরে গেল, আমিও ভয়ানক চিন্তা করছি। শেষ পর্যন্ত আমাকে খুনের অপবাদ দিয়ে গেল? 


মাগরিবের আজানের সাথে গা ছম করা শুরু করেছে, বাবা ঠিক আছে। আমি মা-বাবার সঙ্গে শক্তি, ফারজানার লাশ দাফন করা হয়েছে আসরের দিকে। 


সম্মুখে আবারও সেই অন্ধকার রাত্রি। তাই রাতের খাওয়ালাম আমার সঙ্গে ঘুমাতে তুমি, আতঙ্কিত মনে কিছুক্ষণ আফস আর হাহুতাশ করে মাকে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে পরার চেষ্টা। 


শেষ রাতের দিকে হঠাত করে মি নাড়াচড়া করছি এবং ঘুম ভেঙ্গে গেল। মানুষের জন্য মা বিছানা ছেড়ে চলে যাচ্ছে, এবং যখন দেখবে ভিতরে প্রবেশ না বাহিরে যখন খুলছে তখন আমি বলেছি, 


- কোন যাও মা? 


- আপনি জেগেছিস? চিন্তা করিস না, জজ্জুদ নামাজের জন্য মারাছি। তোর জন্য বিপদ ঘোরাচ্ছে তাইজ্জুদ নামাজ পড়ে অনুরোধ জানাতে চাই। 


- তাহলে বাহিরে কেন? 


- অজু করতে বৈশিষ্ট্য কলপাড়ে। 


- ঘরের মধ্যে তোর বাথরুম আছে তাহলে বাহিরে কেন মা? 


- গত সপ্তাহে মটর নষ্ট হয়ে গেছে, চাপতে পানি নেই। সন্ধ্যা বেলা একবার মনে করে এক বাল্তি পানি রাখবো কিন্তু পরে পাস গেছি। তোমার চিন্তা করি না আমি আজুই আসবো, ঘুমাও। 


মাবুড়ো গেল, কিন্তু অনেকক্ষণ ধরে ধরে কোন হদিস পাচ্ছি না। কলপাড়ে গিয়ে কল চাপার শব্দ চালু হচ্ছে না, তাহলে মা কোই? 


আমার শরীর আবারও ছমছমে হয়ে গেল, আমি শোয়া থেকে বসলাম। মিনিট পাঁচেক চুপ করে পেট থেকে বিছানা থেকে নামলাম, তারপরে ঢুকতে গিয়ে মা ধোন চাপতে লাগলাম। কিন্তু আমার কোন সাড়া পাওয়া যায় না, আমি ভয়ে পাশে থেকে ফিরে বিছানায় যেতে পারলাম। 


কিন্তু নিঃশব্দে পায়ের আওয়াজ খোলার পথে। আমি বলেছি, কিন্তু আমি বলেছি, আর তখন সে প্রশ্ন এগিয়ে এলো আর আমি ভয়ে ভয়ে উবো করে উত্তর উত্তর হাঁটছি। পরে নিজের মুখের লোকটা তার হাতে রুমাল দিয়ে আমাকে ধরছে। কোন এক ঘ্রাণে আমার দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, মাথা ঘুরছে সম্পুর্ণ পৃথিবী নিয়ে। আমি কি মারা জানার কথা? 


.
.
.


চলবে... 


 

x

Post a Comment

0 Comments

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন। ×