Bangla Choty Golpo

গল্প: অঘটনঘটন পটিয়সী(আপডেট:০৭)




লেখক: কাদের সাইমন 

আপডেট ৭






প্ল্যান করা আর প্ল্যান এক্সিকিউশন করা ভিন্ন জিনিস। কর্পোরেট ডিনারের পর ভেবেছিলাম দুই একদিনের মধ্যে সাবরিনার ফোন পাব, যদি নাও পাই তাহলেও অন্তত ওদের অফিস থেকে কোন কাজে ফোন পাব। দুই সাপ্তাহ চলে গেল এখন পর্যন্ত কোন খোজ নেই। খালেদ চাচার ওখানে একদিন হাসনাত ভাই কে জিজ্ঞেস করলাম আমাকে তো লিয়াজো বানালেন ওরা তো কিছু বলল না। হাসনাত ভাই বলল চিল, কর্পোরেট হাউজ গুলো বেশির ভাগ সমস্যা নিজেরাই সলভ করে যদি একান্তই না পারে তাহলে আমাদের খোজ দেয় অথবা যদি কোন তথ্যের দরকার হয় যেটা আমরা দিতে পারব তাহলে যোগাযোগ করে। অনেক সময় দুই তিন মাসেও কোন ফোন আসে না। আবার অনেক সময় এক দিনেই কয়েকবার। শুনে মনে হল এভাবে বসে থাকলে কাজ আর পিছাবে। তাই নিজেকেই কোন উদ্যোগ নিতে হবে। আমি সাবরিনাদের কর্পোরেশনের আমিনুল সাহেব কে ফোন দিলাম। উনি আমাদের মাঝে লিয়াজো হিসেবে কাজ করার কথা। বললাম কি খবর আমিনুল ভাই। কেমন আছেন? কোন কিছুর দরকার থাকলে বলবেন। খালেদ চাচা বলে দিয়েছে আপনারা কিছু চাইলে যেন মনোযোগ দিয়ে করে দেই। শুনে উনি বললেন আমাদের এখানে চা খেয়ে যান। বাকি অনেকের সাথেও পরিচিত হয়ে যান। যেন পরে অন্যরা দরকার হলে সরাসরি আপনাকে নক দিতে পারে। আমি সুযোগ লুফে নিলাম। পরের দিন বিকাল তিনটার দিকে যাব বলে কথা দিলাম।

মানুষ পটানোর একটা প্রথম উপায় হল যাকে পটাতে চান তা সে যে উদ্দ্যেশেই হোক না কেন তার সম্পর্কে যত বেশি সম্ভব জানা। সিনথি জানে আমি সাবরিনাদের সাথে লিয়াজো হিসেবে কাজ করছি। তাই ওর থেকে অনেক কিছু জানলাম ওর আপু সম্পর্কে। কি খেতে পছন্দ করে, কেমন মুভি দেখে, কেমন সিরিয়াল দেখে, কি নিয়ে গল্প করতে পছন্দ করে এইসব। এখন এই তথ্যগুলো সময় মত কাজে লাগাতে হবে। জিন্স, কেডস আর হাতা গোটানো ফুল শার্ট পড়ে গেলাম অফিসে। বেশ খাতির করল। আমিনুল ভাই আমাকে ঘুরে ঘুরে বেশ কয়েকটা অফিসে নিয়ে গেল। মার্কেটিং এন্ড ডিস্ট্রিবিউশনের লোকদের সাথে কথা হল বেশি। উনাদের সাথেই ডিল হবে বেশি আমার। সবশেষে নিয়ে গেল স্ট্রাটেজিক প্ল্যানিং এন্ড ফোরসাইট ডিপার্টমেন্টে। বলল উনারা বেশ বড় একটা কাজে হাত দিয়েছেন। সারাদেশ জুড়ে ডিস্ট্রিবিউশন লাইন টা কে আর কস্ট এফেক্টিভ করা আর আর বেশি গ্রাহকের কাছে ডিস্ট্রিবিউশন লাইন দিয়ে কিভাবে পৌছানো যায় সেইসব নিয়ে। ওখানে বেশ কয়েকজনের সাথে কথা হল। তবে তখনো পর্যন্ত সাবরিনার সাথে দেখা হয় নি। নিজে থেকে কিছু জিজ্ঞেস করব কিনা সেটা নিয়ে দোমনা করছি এমন সময় সাবরিনার সাথে দেখা হয়ে গেল। আমাকে দেখেই বলল আরে মাহফুজ সাহেব আপনি এখানে। আমি বললাম ম্যাডাম আপনাদের খোজ নিতে এলাম। সাবরিনা বলল আসুন কফি খান। আমি উত্তর দিলাম আজকে কয়েক কাপ খাওয়া হয়ে গেছে অলরেডি তবে গল্প করতে পারি কফি ছাড়া। একটা হাসি দিয়ে সাবরিনা বলল ওকে, এই বলে ওদের লাউঞ্জে নিয়ে গেল। সাবরিনা অল্প কথার পরেই কাজের কথায় চলে গেল। দারুণ ফোকাসড। আমাকে নানা প্রশ্ন করছে। আমি বললাম ম্যাডাম আপনি তো আপনাদের ভাষায় টেকনিক্যাল প্রশ্ন করছেন তার থেকে আর ভেংগে বলুন কি জানতে চান। আমি দেখি হেল্প করতে পারি কিনা। সাবরিনার কথা শুনে মনে হল ওর আসলে দক্ষিণ ঢাকার মধ্যবিত্ত, নিন্মমধ্যবিত্ত আর নিন্মবিত্ত জীবনের সম্পর্কে ধারণা খুব কম। এইখানে লাক্সারি থেকে নিড অনেক সময় বড় প্রশ্ন যখন সে তার অর্থ খরচ করে। লাক্সারি পণ্যের ধারণা এখানে ভিন্ন। রুচি ভিন্ন। এই ব্যাপারটা সম্পর্কে সাবরিনার ধারণা কম। ওরা একটা মার্কেট রিসার্চ ফার্ম কে মার্কেট স্টাডি করতে দিয়েছিল। ঐ ফার্মের স্টাডিতে সংখ্যা, চার্ট, গ্রাফ দিয়ে মানুষের রুচি, ক্রয়ক্ষমতা এইসব নিয়ে মতামত দিয়েছে। আসলে কাগজের এইসব সংখ্যা, চার্ট, গ্রাফ দিয়ে সত্যিকারের কাজ করা কঠিন যদি না মাঠের রিয়েলিটি সম্পর্কে ভাল ধারণা না থাকে। সাবরিনার সমস্যা সেইখানে। আইবিএর ডিগ্রি দিয়ে কিভাবে এইসব সংখ্যা কে প্ল্যান বানানো যায় সেটা শিখে এসেছে কিন্তু এই সংখ্যা গুলো ঐ মানুষের জীবনে কিভাবে প্রভাব ফেলে সেই ধারণা নেই। আমি ওর দৃষ্টিভংগীর এই ফাকফোকর গুলো দেখানো শুরু করলাম বিভিন্ন উদাহারণ দিয়ে। সাবরিনা দেখি মনযোগ দিয়ে শুনছে। শুনতে শুনতে দেখি মোবাইলে নোট নিচ্ছে। আমার কথা শেষ করার পর সাবরিনার দিকে তাকিয়ে থাকলাম। কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর সাবরিনা বলল, এইবার মাহফুজ সাহেব বলেন কীভাবে এই ফাকফোকর দূর করা যায়?


সাবরিনার ভাষ্যঃ

অফিসে চাপ ক্রমাগত বাড়ছে। বেশ কিছুদিন হয়ে গেছে আমি আমার প্রজেক্টের দ্বায়িত্ব পেয়েছি। আস্তে আস্তে কোন রেজাল্ট দেখানোর প্রশ্ন উঠছে। অফিস পলিটিক্স তো আছেই সাথে আছে লুইচ্চা খাইরুল। অফিসের মেয়েরা আড়ালে এই নামেই ডাকে খায়রুল ভাই কে। চোখ দিয়ে পারলে খেয়ে ফেলে। কিছু করার উপায় নাই বর্তমান ম্যানেজমেন্টের প্রিয়পাত্র। উনাকে বেশি পাত্তা দিই না দেখে লেগে আছে খুত বের করার জন্য আর অফিস পলিটিক্সে অনেকে আমার নিয়োগে সন্তুষ্ট না, তারাও ওতপেতে বসে আছে। এইসব কারণে আর হাসফাস লাগছে আজকাল। এইসময় মাহফুজ সাহেবের সাথে দেখা হয়ে গেল। যথারীতি সামিরা গিয়ে কথা বলছে। একটু গুড লুকিং ছেলে দেখলেই যেভাবে হামলে পড়ে। তার উপর মাহফুস সাহেব রাফ, ম্যানলি এন্ড হ্যান্ডসাম। সামিরা হাজার টোপ ফেলবে সিউওর। সামিরা মেয়েটা খারাপ না। অফিস পলিটিক্সে বহু হেল্প করছে বাট ওর একটাই বদ অভ্যাস। সুন্দর ছেলে দেখলে গলে যায়। অবশ্য বলতে হবে মাহফুজ সাহেব বেশ হ্যান্ডসাম। কর্পোরেট ওয়েল ড্রেসড হ্যান্ডসাম না ঠিক, একটা রাফ বাট হ্যান্ডসাম লুক। আজকে জিন্স আর হাটা গোটানো শার্ট পড়া। বেশ লাগছে। তবে সামিরার হাত থেকে বের না করলে আমার কাজ হবে না।

সামিরার সামনে গিয়ে মাহফুজ সাহেবের সাথে কথা শুরু করলাম। জানি পরে এটা নিয়ে সামিরার ভাল টিজ শুনতে হবে। তবে সামিরা কে সুযোগ দিলে আজকে আর মাহফুজ সাহেব কে ছাড়বে না। তাই আমি আমার প্রজেক্টের নানা কথা বর্ণনা করে আমার প্রশ্ন শুরু করলাম। সামিরা বোরড হয়ে চোখ উলটে চলে গেল যাবার সময় অবশ্য আমার কানে কানে বলে গেল ওয়েল ডান বেবি। আজকে সামিরা ভাল টিজ করবে বোঝা যাচ্ছে। আমার কথা অনেক কিছু মাহফুজ সাহেবের কাছে কোন সেন্স মেক করছে না বোঝা গেল, টেকনিক্যাল কথা। আমার মেইন উদ্দ্যেশ অবশ্য ছিল সামিরা কে বোর করা। সেটা সফল। তাই এবার পয়েন্ট ধরে ধরে নানা প্রশ্ন করলাম। উনার কথা শুনে বোঝা যাচ্ছে আমার প্রজেক্ট এলাকার কালচার ইকোনমি নিয়ে উনার ভাল ধারণা আছে। কথাও ভাল বলেন। আমার কাছে লাগবে। আমার থট প্রসেসের কিছু ভুল ধরিয়ে দিল, সব ভ্যালিড পয়েন্ট। আমি এবার জানতে চাইলাম কিভাবে এই সব নিয়ে আর ভাল ধারণা পাওয়া যায়। উনার উত্তর হল আপনাকে এইসব এলাকায় সরাসরি যেতে হবে। মানুষের সাথে কথা বলতে হবে। হেটে হেটে দেখতে হবে। আপনাদের বর্তমান ডিস্ট্রিবিউশন লাইন কীভাবে কতটুকু কাজ করে সেটা এক্সেল শিটে না দেখে সরাসরি মাঠে নেমে আড়াল থেকে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। মোদ্দা কথা মাঠে নেমে দেখতে হবে। আমি রাজি হয়ে গেলাম।


তখন মনে হল একা একা বা আমাদের কোম্পানির লোক নিয়ে ফিল্ডে যাবার থেকে মাহফুজ সাহেব কে জিজ্ঞেস করলে কেমন হয়। পলিটিক্স করেন, অনেক পরিচিত থাকার কথা। তেমন কাউকে যদি আমার সাথে ট্যাগ করে দেন তাহলে আমার পুরান ঢাকায় চলাচল আর কথা বলতে সুবিধা হবে। অবাক ব্যাপার উনি নিজেই যাবেন বলে প্রস্তাব দিলেন। গুড। আমি বললাম না না আপনার কষ্ট করা লাগবে না। আপনার পরিচিত পলিটিক্যাল বা অন্য কাউ কে যদি বলেন তাতেই হবে। উনাদের খরচ আমরা বহন করব। মাহফুজ সাহেব বললেন ম্যাডাম এতে আমারো লাভ আছে। আমি আপনাদের সাথে থেকে যদি বুঝি আপনারা কিভাবে কাজ করেন তাহলে পরে অন্য কোন কোম্পানির সাথে আমার কাজ করতে সুবিধা হবে। বাহ, ফোকাসড লোক দেখা যায় মাহফুজ সাহেব। সাধারণত হ্যান্ডসাম ছেলেরা তেমন কাজেকর্মে ফোকাসড হয় না ভাবে চেহারা দিয়ে সব জয় করবে। গুড পয়েন্ট মাহফুজ সাহেব খালি রাফ টাফ হ্যান্ডসাম না, সাথে ফোকাসড। আই লাইক ইট। ঠিক হলে আগামী সাপ্তাহে উইকএন্ডে আমরা প্রথম আমাদের দক্ষিণ ঢাকা প্রজেক্টের ফিল্ড ভ্রমণ শুরু করব।

কথা বার্তা শেষ করে নিজের কিউবিকলে এসে বসেছি। একটু পর ম্যাসেঞ্জারে সামিরার নক। কফি লাউঞ্জে আসার জন্য। সাড়ে তিনটা চারটার দিকে এমনি একটা ব্রেক নেই তাই গেলাম কফি লাউঞ্জে। গিয়ে দেখি সামিরা বসে আছে আর মিটি মিটি হাসছে। আমি কাছে গিয়ে বললাম কি ব্যাপার। সামিরা বলল একই প্রশ্ন তো আমার? এতদিন জানতাম ছেলে দেখলে আমি হামলে পড়ি, স্লাট। কত কিছু বললি আজকে আমাকে ভাগিয়ে দিয়ে একদম মাহফুজের দখল নিয়ে নিলি। আমি হাসতে হাসতে বললাম একদম নাম ধরে ডাকছিস। সামিরা বলল এমন হ্যান্ডসাম হাংক কে সাহেব বলে পোষাবে না। রাতে যখন চিন্তা করে খেলা করব না তখন কি আর মাহফুজ সাহেব বলব, তখন বলব প্লিজ মাহফুজ কিস মি। আমি বললাম আস্তে বল। আশেপাশে কেউ শুনবে। সামিরা বলল শুনলে শুনবে এমন হাংকের সাথে হাংকি পাংকি লুকিয়ে করে মজা কি। উফ কি শোল্ডার দেখছিস। ওর কোলে উঠতে যা আরাম লাগবে। আমি হাসছি। সামিরা ডার্টি কথার ওস্তাদ। আর হাতের পাঞ্জাটা দেখছিস? কি বড়। এমন হাতে আমার সোনামনি দুইটা গেলে কেমন আদর পাবে বল, এই বলে টপসের উপর দিয়ে নিজের বুবসে নিজেই চাপ দিল সামিরা। 





হাসিতে আমার গলায় কফি আটকে আসার অবস্থা। সামিরা বলল হাসিস না, সত্যি অমন ম্যানলি হাতে আমার বুবস দলাই মলাই না করলে কেমন হয়। আমাদের অফিসের সব সো কল্ড ম্যাচো ম্যান গুলা খালি কোট পড়ে বক বক করতে পারে। এদের ব্যাড বয় গিরি খালি উইকেন্ডে ড্রাগ নেওয়া পর্যন্ত। আর মাহফুজ। তুই জানিস পলিটিক্যাল ছেলে, নেতাও। মারামারি করে নিশ্চয়। সো হট। আমি বললাম মারামারি করা তো ভাল কিছু না, গুন্ডাগিরি। সামিরা বলল আমার তো এমন একটা ব্যাড বয় দরকার গুন্ডা। আমার ভিতর টা একদম ছিড়েখুড়ে খাবে। আমাকে পুরা দাসী বানাবে। স্লেভ বেইবি। এমন হাংকের স্লেভ হওয়ার কথা ভেবে আমার তো নিচের টা খালি ভিজে যাচ্ছে। আমি বললাম খালি বাজে কথা। সামিরা বলল আসলেই বিশ্বাস কর। আর কেউ না থাকলে তোকে খুলে দেখাতাম আই ফিল সো হর্নি। আর নিচে তো পানিতে ভিজে যাচ্ছে। মাহফুজ মটরসাইকেল চালায় জানিস। আমার একটা বয়ফ্রেন্ড ছিল কলেজে। বাইক চালাতো। ওর বাইকে যেদিন উঠতাম সেদিন এক্সট্রা প্যান্টি নিয়ে উঠতাম। আমি জিজ্ঞেস করলাম কেন? সামিরা বলল প্রচন্ড জোরে বাইক যখন ছোটে না তখন ওকে জড়িয়ে ধরে থাকতাম আর বাইকের ভাইব্রেশনে পুরো পুসি কেপে কেপে একাকার হয়ে যেত। ভিজে খারাপ অবস্থা। এত ভিজে যেত যে ঐ প্যান্টি পড়ে থাকতে অস্বস্তি হত। তাই এই এক্সট্রা প্যান্টি। আমি বললা তুই আসলেই একটা স্লাট। আমি ওরকম না। সামিরা এবার উত্তর দিল উঠ একবার মাহফুজের বাইকে আর জড়িয়ে ধর। দেখছি কিভাবে ভিজে যায় তোর পুসি। তোর মত সুন্দরী পেলে মাহফুজের মত ব্যাড বয় একদম ছিড়ে খাবে রে। আমি বললাম যা তা বলিস না তো, মাহফুজ সাহেব বেশ ভদ্র লোক। 



এইবার সামিরা ধরল, বলল কিরে তুই না কিছুদিন আগেই বলেছিলি যারা পলিটিক্স করে ওদের তোর পছন্দ না। পলিটিক্স করে গুন্ডাপান্ডারা। মাহফুজ তো পলিটিক্স করে। জানিস তো কেন ওকে আমাদের অফিস ডাকে। ওর লিংক ইউজ করার জন্য। এখন সেই পলিটিক্স করা গুন্ডা ভদ্রলোক হয়ে গেল। হাসতে হাসতে সামিরা বলল মাহফুস ইজ মোর ব্যাড বয় দেন আই থিংক। আমি বললাম কেন মাহফুজ সাহেব আবার কি করল। সামিরা বলল কিছু করে নি কিন্তু করবে। এই যে চাল চালছে, দাবার চাল। লং গেম। তোর দিকে যেভাবে মনযোগ দিয়ে তাকিয়েছিল তাতেই আমার সন্দেহ হয়েছিল। সামিরা কে এড়িয়ে যে অন্যদিকে তাকায় তার অন্য প্ল্যান আছে। আমি বুঝলাম সামিরা কোন দিকে যাচ্ছে। আমি বললাম তোর খালি বাজে কথা, আর সব কথা গিয়ে থামে খালি সেক্সে। সামিরা বলল সেক্স ইজ দ্যা রিয়েল থিং ইন লাইফ বেবি। একমাত্র এই সময় সবাই সৎ। কেউ মিথ্যা বলে না। আমাদের ভিতরের সব গোপন ইচ্ছা কামনা, আমাদের আসল রূপ সব সেক্সের সময় বের হয়ে আসে। দেখবি একদম শান্ত ছেলে কিন্তু সেক্সের সময় কি রাফ, আবার কি ম্যাচো ম্যান আর সেক্সের সময় কেমন সাবমিসিভ। আমি বললাম আমি অতশত জানি না। আমি কি আর তোর মত অত লোকের সাথে করেছি নাকি। সামিরা বলল সেই জন্যই তো বলি বেবি আমার কথা মান। সেক্স ইজ দ্যা রিয়েল ডিল। আর মাহফুজ ইজ লক হিজ টার্গেট। আমি বললাম আবার বাজে কথা বলিস না তো। আই এম হ্যাপি উইথ মাই লাইফ, মাই হাবি। সামিরা বলল আরে দেখ দেখ একবার চেখে দেখ কেমন ডিল মাহফুজ। আমাকে বললে তো আমি এখানেই পা ফাক করে টেবিলে শুয়ে পড়ব। আমি বললাম তোর আবার সব নোঙ্গরা কথা। সামিরা বলল নোঙ্গর কথা না বেবি। ভেবে দেখ অমন একটা শরীর তোকে জড়িয়ে পিষে ফেলছে। অত বড় পাঞ্জায় তোর কবুতর দুইটা কে আদর করে দিচ্ছে। আর নিচে ওর ঐ মুখ টা দিয়ে তোর পুসি সাক করছে। ভেবে তো আমার পুসি ভিজে যাচ্ছে রে। আমি বললাম ছি, কি নোংরা কথা। ঐখানে সাক করে নাকি কেউ। সামিরা হেসে বলল তাহলে মাথায় চিন্তা করেছিস মাহফুজের হাতে আদর খেতে কেমন হবে। আম হাল ছেড়ে দিলাম। সামিরার সাথে পারা যাবে না। তবে সামিরার একটা কথা ঠিক। মাহফুজ সাহেব রাফ হট। যে তার আদর পাবে সে লাকি। কি সব ভাবছি। সামিরার নোংরা কথা মাথাটা খেয়ে দিল। 



মাহফুজের জবানিঃ

প্রতিদিনকার মত সিনথির সাথে ফোনে কথা হচ্ছে। আজকে কি কি করেছি সেইসব নিয়ে আর ও কি কি করেছে। ওর বোনের অফিসে যে গিয়েছি এবং কি কি কথা হয়েছে সেইসব বললাম। 
সিনথি বলল- 
আপু কে তো বেশ খেয়াল কর দেখছি
কি খেয়াল করলাম?
এই যে আপু আজকে কি পড়ে এসেছে, কি কালার
আরে জেলাস নাকি?
নাহ, জেলাস হব কেন। তবে আমার সময় এত কিছু খেয়াল কর নাকি?
তোমার সময় খালি এতকিছু না আর অনেক কিছু খেয়াল করি
যেমন?
যেমন তুমি ভিতরে কি পড়েছ, ওগুলা খুলতে কেমন হবে
বাহ, আপুর সময় এইসব খেয়াল কর নাকি 


সিনথির সাথে মাঝখানে একদিন সেক্সচ্যাট হওয়ার পর এইসব নিয়ে আর কথা হয় নি। ও লজ্জা পেয়েছে সম্ভববত আমিও। তাই কোন কথা হয় নি। কিন্তু আজকে ও যখন প্রশ্নটা করল তখন মনে এমনিতেই বাড়া খাড়া হয়ে গেল। মনে হল গেমটা আবার খেলাই যায়।  


কেন খেয়াল করলে কি করবে?
কিছু করব না
হ্যা কাল ব্রা ছিল ফর সিওউর, স্ট্রাপ বোঝা যাচ্ছিল বাট নিচে কি ছিল বোঝা যায় নি। বুঝতে হলে প্যান্ট খুলে দেখতে হত।


সিনথিও মজা পাচ্ছিল কথায়। ওর গলার স্বরে বোঝা যাচ্ছিল। পরে একদিন স্বীকার করেছিল প্রথম যেদিন আমাদের ওর আপু, আম্মু আর ফুফু কে নিয়ে সেক্স চ্যাট হল সেদিন ওর যে অর্গাজম হয়েছিল সেটা নাকি রিয়েল সেক্সের থেকেও ইনটেনস ছিল। সিনথি বলল - 


খুলে দেখবে আপুর টা? কি সাহস। জান না আপু কি রাগী
আমি বললাম তুমিও তো ভীষণ রাগী কিন্তু তোমার টা যেহেতু খুলেছি তাহলে সাবরিনার টাও খুলব
ইশ, কি নোঙ্গরা কথা
আমার ডার্টি কুইন আই নো ইউ লাইক ডার্টি টক। 
তাই বলে আমার আপু কে নিয়ে 
দ্যা মোর ট্যাবু উই গো, দো প্লেজার ইউ গেট ফ্রম ডার্টি টক মাই ডার্টি কুইন 
ইশ, বললেই হল
কেন হবে না, তোমার আপুর টা শুনবে। দেখে কি মনে হয়েছিল আজকে?
ইশ, আমার ইচ্ছা নেই। তুমি ভাব আর তুমি শুন। 
সাবরিনার আজকে সালোয়ার কামিজে ছিল। তোমার বোনটাকে হলুদ সালোয়ার কামিজে পরী লাগছিল। মনে হচ্ছিল একটানে সব খুলে ফেলি।
ছি, কি বাজে কথা
আমি তো বাজে ছেলে মনে নেই, গুন্ডা। গুন্ডারা তো তোমার আপুর কাপড় এভাবেই খুলবে। কাল ব্রা আর নিচে নিশ্চয় কাল প্যান্টি। এত ফর্সা শরীরে কাল ব্রা প্যান্টি। দারুণ কন্ট্রান্সট। আর আমার কাল বাড়া। 
উম্ম, ছি 
মনে হচ্ছিল ঐখানে একটা টেবিলের উপর নিয়ে তুলে পা দুইটা ফাক করে বাড়া টা ঢুকিয়ে দেই। তোমার আপুর ঐ জায়গাটা কি পরিষ্কার নাকি জংগল
জানি না কি বলছ
তোমার আপুর পুসি, গুদ। তোমার মত পরিষ্কার?
ইশ, খুব শখ না আপুর পুসির উপর
হ্যা, তোমার আপুর পুসিটাতে আমার বাড়া ঢুকলে কেমন হবে বল তো। বোন জামাইয়ের আদর খেয়ে খেয়ে পুসিটা ফুলে যাবে। হুলো পুসি হবে পুরো। 
উম, ছি


সিনথি হট হয়ে যাচ্ছে বোঝা যাচ্ছে। ও এইসময় স্বর নামিয়ে কথা বলে। এতদিনের অভ্যাস আমি পড়তে পারি ওর উত্তেজনা। তাই কথার মাত্রা বাড়াই। 


হুলো পুসি, সাবরিনার হুলো পুসিটা কে আমার কাল ডান্ডাটা মারবে। মারবে না? বল?
উম, ইশ। জানি না। প্লিজ 
হ্যা সাবরিনাও বলবে প্লিজ আর ওর গুদে আমার বাড়াটা ঢুকাবো কোন ফোরপ্লে ছাড়া। রাফ। গুন্ডার মত। প্রতি থাপে কাপবে ও। আর প্রতি থাপে পানি আসবে গুদে। একটু করে ফুলবে। 
উম্মম্ম, ইশহ, কি বাজে ছেলে তুমি
হ্যা, আমি জানি। তোমার বোনও বলে। আজকে ওর পুসিও জানবে। সাবরিনার পাছাটা দেখেছ কি দারুণ। 
উম্মম, আপু, উফ
হ্যা তোমার আপু কে এবার দাড় করিয়ে উল্টি দিক থেকে দিব। স্ট্যান্ডিং ডগি। আমার কুত্তী হবে সাবরিনা। 
উফ, আপু, প্লিজ, কি বলছ, উম
তোমার আপুর পাছাটা ফাক করলে কি দেখব জান?


সিনথি কোন উত্তর দেয় না। ওর জোরে জোরে শ্বাস নেওয়ার শব্দ পাওয়া যায়। আমি জানি ওর হাতটা এখন ওর প্যান্টের ভিতর।  
তোমার আপুর পাছাটা ফাক করলে একটা ছোট কাল ছিদ্র। আমার আংগুল দিয়ে নাড়ালে কুত্তীর মত কেউ কেউ করে পাছাটা দোলাবে ও। 
তুমি এত খারাপ কেন? উম্ম, আহ। কি খারাপ খারাপ কথা
কই খারাপ কথা? পোদ তো বলিনি। সাবরিনার পোদে আমার বাড়া দিব সেটা তো বলি নি।
উফ, উম, আহহহহহহ, প্লিজ
হ্যা কর, তোমার আপুর গুদে আমার বাড়া যেভাবে আদর দিচ্ছে সেভাবে তোমার গুদে আদর কত সোনা
আহহহ, উম্ম, আপু, আপুউউউউ
হ্যা দেখ তোমার আপুর দুধটা পিষে ফেলছে আর গুদে থাপ দিচ্ছি
আহহহ
থাপের শব্দ জান না?
হুম, হা, উফ, উম, জানি
হ্যা সেই রকম থাপের শব্দ, থপ থপ থপ
আহ
সাবরিনার দুধ চেপে চেপে মিশিয়ে দিচ্ছি শরীরে। থাপে থাপে ওর পাছায় আমার শরীর বাড়ি দিচ্ছে। থাপ থাপ। ওর গুদ তির তির করে কাপছে। সাবরিনা বলছে প্লিজ প্লিজ। দয়া কর। আমাকে শান্তি দাও
উফ, উফ, উম, আহহ, প্লিজ, আপুকে শান্তিইইই দাওওওওও
হ্যা সাবরিনা নাও তোমার গুদে ভরে দিচ্ছি। আমার বীর্জে তোমার গুদ ভরে দিচ্ছি। দেখ, এই গুন্ডা তোমার গুদ ভাসিয়ে দিচ্ছে
আপুউউউউউউউউউউউ, আহহহহহহ, আর পারছি না
নাও সাবরিনা নাও, এই গুন্ডার আদর নাও
আপু, আহহহহহ 


এইবার দুইজনে চুপ। কেউ কিছু বলছি না আবার। প্রতিটা মাস্টারবেশনের পরের গিলটটা আবার দুইজনকে ধরেছে। কিন্তু কোথাও যেন একটা জয়ের আনন্দ। সিনথি জোরে জোরে ফোনে শ্বাস ফেলছে। একটু পরে বলল তুমি একটা জানোয়ার। আপুকেও ছাড়ছ না। আমি বললাম তুমি একটা পাভার্ট। আপু কে নিজের জামাইয়ের হাতে ছেড়ে দিয়েছ। গুন্ডা টা তোমার আপু কে চুষে খেয়ে নিচ্ছে দেখেও মজা পাচ্ছ। সিনথি হেসে দিল। আমরা দুইজনেই আসলে খুব ডার্টি। আমি হেসে বললাম হ্যা, একদম বাজে, গুন্ডা। সিনথি জোরে হেসে উঠল ঐপাশ থেকে। এনাদার নাইট, এনাদার ট্যাবু। 




চলবে........!


 

Share:

0 comments:

Post a Comment

Xgossip. Bangla Choty Golpo

Tags

Xgossip— Bangla Choty Golpo. Powered by Blogger.

Ad Space

Featured post

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(১৫)

  পর্ব:১৫ বাবা- কি বলব বাবা তোকে, আসলে তোর মাকে বকা ঝকা করেছি তার কারন আছে তুই আমার ছেলে তোকে কি বলব সব তো খুলে বলা যায়না। আমি- কেন বাবা আমি...

Search This Blog

🔞 ১৮% সতর্কবার্তা

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন।

About Us

About Us
এই খানে পাবেন বিভিন্ন লেখকদের বিভিন্ন ক্যাটাগরির চটি গল্প।

Translate

Popular Posts

Popular Posts