পর্ব:০৭
খালার ফ্ল্যাটে ঢুকতেই রুমি ফুফু আমার পাশে এসে দাঁড়ালেন। সাদা শার্টের দুটো বোতাম খোলা, ব্রা’র লেস বোঝা যাচ্ছে। গায়ে হালকা ফ্রেঞ্চ পারফিউম। আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলেন। “নাদিয়া বলেছে তুমি নাকি খুব দুষ্টু। দেখি কতটা।”খালা রান্নাঘরে চা বানাতে গেলেন। আমি আর রুমি ফুফু সোফায় বসলাম। আমি ইচ্ছে করে ওর পাশে খুব কাছে বসলাম। হাঁটু হাঁটুতে ঠেকল। “ফুফু, খালা বলেছে আপনি অনেকদিন একা। সত্যি?” রুমি চোখ টিপে বললেন, “একা তো বটেই। তবে সবাইকে তো আর দেওয়া যায় না। পছন্দ হতে হবে।”আমি ওর হাতে হালকা আঙুল বুলিয়ে দিলাম। “আমাকে কেমন লাগছে?” রুমি হাসলেন, কিন্তু হাত সরালেন না। “দেখতে তো খারাপ না। কিন্তু এত সহজে কিছু হয় না বাবু। আগে একটু পরীক্ষা দিতে হবে।”খালা চা নিয়ে এলেন। তিনজনে বসে আড্ডা দিতে দিতে আমি রুমি ফুফুর দিকে তাকাচ্ছি। ওর গলার নিচে যে লকেটটা ঝুলছে, সেটা দুলের মাঝে ঢুকে যাচ্ছে। আমি ইচ্ছে করে কফির কাপ হাত থেকে ফেলে দিলাম। গরম চা একটু ওর জিন্সে লাগল।“আরে সরি ফুফু!” আমি তাড়াতাড়ি টিস্যু নিয়ে ওর উরুর ওপর ঘষতে লাগলাম। হাতটা একটু বেশি ভিতরে চলে গেল। রুমি চোখ বড়ো করে আমার দিকে তাকালেন, কিন্তু পা সরালেন না। বরং হালকা হাসলেন। “এত তাড়াহুড়ো করিস না রিফাত। সব জিনিস সময় নিয়ে হয়।”খালা হাসতে হাসতে বললেন, “রুমি, তুই যতই ন্যাকা করিস, আমি জানি তুই পাগল হয়ে গেছিস। কিন্তু আজ না। আজ শুধু দেখাদেখি।”রুমি উঠে দাঁড়ালেন। শার্টের বোতাম আরেকটা খুলে দিলেন। ব্রা’র অর্ধেক দুধ বের হয়ে গেছে। আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, “আজ শুধু দেখবি। ছুঁবি না। যত ইচ্ছে তাকিয়ে থাক। কাল থেকে ভাবব কী করা যায়।”ও শার্টের নিচে হাত ঢুকিয়ে নিজের বোঁটা ঘুরিয়ে আমাকে দেখালেন। তারপর আস্তে আস্তে কোমর দুলিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বেডরুমে চলে গেলেন। “আমি চেঞ্জ করি। তুই বসে থাক।”খালা আমার কানে কানে বললেন, “ওকে আরেকটু জ্বালা। ও যত বেশি জ্বলবে, কাল তত বেশি পাবি।”আমি হাসলাম। রুমি ফুফু বের হলেন একটা ছোট্ট স্লিভলেস নাইটিতে। পিঠ পুরো খোলা। ও আমার সামনে দিয়ে হেঁটে গেলেন। পাছা দুলছে। আমি উঠে ওর পিছনে গেলাম। হাত বাড়ালাম, কিন্তু ও ঘুরে আমার হাত ধরে থামিয়ে দিলেন। “না। আজ না। আজ শুধু দেখবি আর পাগল হবি।”ও আমার ঠোঁটের কাছে এসে ফিসফিস করলেন, “কাল রাতে আসবি। তখন দেখবি কতটা দুষ্টু হতে পারি।”তারপর খালার দিকে তাকিয়ে হাসলেন। আমি ধোন শক্ত হয়ে গেছে, কিন্তু আজ কিছুই হবে না। খেলা শুরু হলো। কিন্তু আজ শুধু টিজিং। কাল থেকে আসল খেলা…
রাত ১২:৩০। খালার ফ্ল্যাট থেকে বের হলাম। রুমি ফুফু শুধু টিজ করেই ছেড়েছে, কিছু দেয়নি। ধোনটা এখনো শক্ত। লিফটে উঠলাম। ১০ তলা থেকে গ্রাউন্ড ফ্লোর।লিফটটা ৭ তলায় থামল। দরজা খুলতেই একজন মহিলা টলে টলে ঢুকল। বয়স ৩৮-৪০। পরনে কালো পার্টি ড্রেস, হাঁটু পর্যন্ত। চুল এলোমেলো। হাতে হাই হিল ধরা। গায়ে মদের গন্ধ। চোখ লাল। ও আমাকে দেখে হাসল, তারপর হঠাৎ দেওয়ালে হেলান দিয়ে পড়তে লাগল। “আরে… তুমি কে? এই ফ্লোরে তো কেউ থাকে না…” আমি ওকে ধরে দাঁড় করালাম। ওর দুধ আমার বুকে ঠেকল। নরম, গরম। “ভাবী, আপনি ঠিক আছেন?” ও হেসে আমার গালে হাত বুলিয়ে দিল। “ঠিক আছি… শুধু একটু বেশি খেয়ে ফেলেছি… বাসায় কেউ নেই… স্বামী বিদেশ… আমি একা…” লিফটটা গ্রাউন্ড ফ্লোরে পৌঁছাল। ও বের হতে গিয়ে পড়ে যাচ্ছিল। আমি ওকে কোলে তুলে নিলাম। ও আমার গলায় হাত দিয়ে ফিসফিস করল, “আমার ফ্ল্যাট ১২ তলায়… কিন্তু চাবি… ভুলে গেছি…” আমি ওকে আমার ফ্ল্যাটে নিয়ে গেলাম। দরজা খুলে বিছানায় শুইয়ে দিলাম। ও চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছে। ড্রেসটা উরু পর্যন্ত উঠে গেছে। প্যান্টি দেখা যাচ্ছে। দুধ প্রায় বের হয়ে আসছে। আমি ওর পাশে দাঁড়িয়ে। মনে হচ্ছে চলে যাই। কিন্তু পা নড়ছে না। ও হঠাৎ চোখ খুলে আমার দিকে তাকাল। হাত বাড়িয়ে আমার শার্ট ধরে টানল। “একটু পাশে বসো না… আমার গা জ্বলছে…” আমি বসলাম। ও আমার হাত নিজের দুধে রাখল। “দেখো… কত গরম… একটু ঠান্ডা করে দাও…” আমি প্রথমে হাত সরাতে গেলাম। কিন্তু পারলাম না। আস্তে আস্তে ওর দুধ চাপলাম। নরম, ভারী। বোঁটা শক্ত। ও চোখ বন্ধ করে আস্তে কঁকাল। “আরেকটু জোরে… অনেকদিন কেউ ছুঁয়ে নাই…” আমার হাতটা নিজেই আরো জোরে চাপছে। ওর ঠোঁট কামড়াচ্ছে। আমি ওর ড্রেসের স্ট্র্যাপ নামাতে গেলাম…
রাত ১:৪৫। ভাবী (নাম জানি না এখনো) আমার হাত নিজের দুধে চেপে ধরে আবার চোখ বন্ধ করল। মদের নেশায় ওর শরীর ভারী হয়ে গেছে। মিনিট দুয়েকের মধ্যেই ওর নিশ্বাস ভারী হয়ে ঘুমিয়ে পড়ল। আমি ওর পাশে বসে। দুধটা এখনো আমার হাতের মুঠোয়। বোঁটা শক্ত। ড্রেসটা কোমর পর্যন্ত উঠে গেছে। কালো লেসের প্যান্টি ভিজে গেছে। আমি আর নিজেকে ধরে রাখতে পারলাম না। ড্রেসটা পুরোপুরি খুলে দিলাম। ব্রা-প্যান্টি ছিঁড়ে ফেললাম। ভাবী ন্যাংটো। ফিগার ৩৮-৩২-৪০। দুধ দুটো ভারী, বোঁটা গোলাপি-কালো মিশ্রিত। গুদে হালকা বাল, ভেজা। আমি প্যান্ট খুলে ওর ওপর উঠলাম। ধোনটা গুদে ঠেকাতেই ওর ঘুমের মধ্যে একটা কঁকানি বেরোল। আমি আস্তে আস্তে ঢুকালাম। গুদটা গরম আর টাইট। মদের নেশায় ও কিছুই বুঝছে না। আমি জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলাম। ওর দুধ নাচছে। আমি চুষছি, কামড়াচ্ছি। ও ঘুমের মধ্যে শুধু আস্তে আস্তে কঁকাচ্ছে। মিনিট পনেরো পর ওর গুদটা চাপ দিল। ও নেশায় গেল, কিন্তু চোখ খুলল না। আমি ওর গুদের ভিতরেই গরম মাল ফেলে দিলাম। তারপর ওকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে পড়লাম। ওর শরীর গরম। আমি ওর ঘাড়ে চুমু খেতে খেতে ঘুমিয়ে পড়লাম।সকাল ৭:১৫। হঠাৎ একটা চিৎকার। “এটা কী!!! তুই কে?! আমি কোথায়?! আমার কাপড় কোথায়?!” ভাবী বিছানায় উঠে বসেছে। চাদর টেনে দুধ ঢাকার চেষ্টা করছে। চোখে আতঙ্ক আর রাগ। আমি উঠে বসলাম। “ভাবী… আপনি কাল রাতে…” “চুপ!!” ও চাদর জড়িয়ে উঠে দাঁড়াল। গুদ থেকে আমার মাল গড়াচ্ছে। ও নিজের উরুতে হাত দিয়ে দেখল, তারপর আমার দিকে তাকাল। চোখ দিয়ে আগুন বেরোচ্ছে। “তুই… তুই আমাকে… আমি মদ খেয়েছিলাম বলে…?! আমি তোর থেকে বড়ো… তুই এটা কী করলি?!” ও কাঁদতে কাঁদতে চাদর জড়িয়ে দরজার দিকে ছুটল। আমি উঠে ওকে ধরতে গেলাম। “ভাবী শুনুন…” “দূর হ!! আর কখনো আমার সামনে আসবি না!” দরজা খুলে ও বের হয়ে গেল। চাদর জড়ানো অবস্থায়। লিফটের দিকে দৌড়াল। আমি দাঁড়িয়ে রইলাম। বিছানায় ওর ছেঁড়া প্যান্টি আর ব্রা পড়ে আছে। আর আমি জানি না… এটা শেষ, নাকি এর থেকেও বড়ো কিছু হতে চলেছে।
সকাল ৮:১৫। আমি শুধু একটা টি-শার্ট আর ট্রাউজার পরে ১২ তলায় চলে গেলাম। হাতে ভাবীর ছেঁড়া প্যান্টি-ব্রা একটা প্যাকেটে ভরে নিয়েছি। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে বেল বাজালাম। দরজা একটু ফাঁক হলো। চোখ দেখা যাচ্ছে। লাল, ফোলা। “তুই এখানে কেন?!” আমি মাথা নিচু করে বললাম, “ভাবী… আমি সরি। কাল আপনি নেশায় ছিলেন… আমি নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারি নাই। প্লিজ মাফ করে দিন।” দরজা পুরো খুলে গেল। ভাবী পরনে একটা হাফ স্লিভ ম্যাক্সি, কোনো ব্রা নেই। দুধের ছাপ স্পষ্ট। চুল ভেজা। চোখে রাগ কমেছে, লজ্জা বেশি। “আমার জিনিস ফেরত দে।” আমি প্যাকেট এগিয়ে দিলাম। ও নিয়ে নিল। তারপর দরজা বন্ধ করতে গেল। আমি দরজা চেপে ধরলাম। “ভাবী… নামটা তো জানি না এখনো।” ও চোখ পিটপিট করে আমার দিকে তাকাল। “শখিনা… শখি বলে ডাকিস। আর এখানে আর আসবি না।” আমি হাসলাম। “শখি ভাবী… আপনার গুদটা এখনো আমার মাল দিয়ে ভরা। আর বলছেন আর আসব না?” ওর মুখটা লাল হয়ে গেল। হাত দিয়ে আমাকে ঠেলতে গেল, কিন্তু জোর কম। আমি আরেক পা এগিয়ে ওর কোমরে হাত রাখলাম। “আমি সত্যি সরি। কিন্তু আপনার শরীরটা… সত্যি বলতে, আরেকবার ইচ্ছে করছে।” ও আমার হাত সরাতে গেল, কিন্তু হাতটা কাঁপছে। “বের হ… না হলে চিৎকার করব।” আমি ওর কানের কাছে ফিসফিস করলাম, “চিৎকার করলে পুরো বিল্ডিং জানবে কাল রাতে আপনি কার সাথে ছিলেন।” ও চুপ করে গেল। আমি ওর গালে হালকা চুমু খেয়ে পিছিয়ে এলাম। “আমি চললাম। কিন্তু দরজা খোলা রাখবেন। যখন ইচ্ছে আসব।” লিফটে নামলাম। হাসি পাচ্ছে। শখি ভাবী। নতুন খেলা শুরু।১০ তলায় পৌঁছে দরজা খুলতে যাব। সামনে একটা পরিচিত মুখ। তানিয়া। আমার এক্স। হাতে একটা ছোট ব্যাগ। চোখ লাল। আমাকে দেখে দাঁড়িয়ে গেল। “রিফাত… আমি আর পারছি না। আমাকে ভিতরে নে।” আমি চাবি হাতে দাঁড়িয়ে রইলাম। শখি ভাবী উপরে। তানিয়া সামনে।
চলবে...... |
0 Comments