Bangla Choty Golpo

গল্প: নোনা জল (পর্ব: ০২)





লেখক:Bokachele

গল্প:নোনা জল এর সব গুলো পর্বের লিঙ্ক 


_________________________________  

আম্মা দেরি না করে হঠাৎ আমার চেয়ারের পাশে এসে দাড়িয়ে আমাকে বললো:


আম্মা: মনা.... তুই কি করিস... ইয়া মাবুদ.... ছিঃ ছিঃ তুই কী করিস পড়ার টেবিলে বসে?


এমন ভাবে বললো যেন, শুধু পড়ার টেবিলে বসে ধণ হাতানো খারাপ, কিন্তু অন্য জায়গায় সমস্যা নাই। আমি অবাক হয়ে ঠাটিয়ে থাকা ধণ ছেড়ে দিয়ে, লুঙ্গি ঠিক করে নিলাম। আম্মা বললো:

আম্মা: মনা শুন... এইসব করা ভালা না, আর তুই যা দেখ সোস একটু আগে তা কিন্তু কাউরে বলিসনা। সামনে তোর মেট্রিক পরীক্ষা, ঠিক মতো লেখা পড়া কর বাবা।


আমি কিছু বললামনা। মাথা নিচু করে থাকলাম। আম্মা আর কিছু না বলে চলে গেলো আমার রুম থেকে। যাওয়ার সময় আমি আম্মার পেছন দিকে তাকালাম। বেশ বড় পাছা, কিন্তু ফোলা বা উচু হয়ে নাই। আমরা ৩ ভাই বোন। আমাদের সবার বড় রামি ভাই। উনি কমার্স কলেজ থেকে বিবিএ পাশ করে আজ তিন বছর হলো ফ্রাঞ্চ এ স্টাডি ভিসায় পড়ছেন। আব্বা সৌদি থাকেন। প্রত্যেক ২ বছর পর পর আসেন আর ৩/৪ মাস থেকে চলে যান। আর আমার ছোট বোন মাহী ক্লাস ৩ তে পড়ে। আমাদের সবার বয়সের মধ্যে প্রায় ৫/৬ বছরের পার্থক্য।


আমি আম্মার কোলে যাওয়ার পরে ভাবলাম, কি ভাবছি আমি আমার আম্মাকে নিয়ে। আমি আসলে একটা অমানুষ।চিন্তা ভাবনা সেই অন্য জগৎ থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসলাম বাস্তবে। একটা বীজ গণিতের নোট নিয়ে সূত্র মুখস্ত করতে লাগলাম।


আরো পড়ুন 
মা ছেলে চটি গল্প 


আমি ব্যাস্ত হয়ে গেলাম আমার পড়া আর নানা মানসিক চাপে। ঠিক দুই দিন পরে, আম্মা আমাকে বললো রানা বাবা শুন (আম্মা আদর করে আমাকে মনা/বাবা বলে ডাকে) তোর রামি ভাইয়ের কাগজ হয়ে গেছে ফ্রান্সে। আর ও একটা ভালো কাজ ও পাইসে একটা বাংলাদেশী দোকানে। এখন যার দোকানে কাজ করে তারা তোর ভাইয়ারে খুব পছন্দ করে। কাইলকা আমার সাথে ওই দোকানের মালিক কথা কইসে। তাঁরা ওদের বড় ভাইয়ের মেয়ের সাথে রামীর বিয়ার কথা কইতাছে। ওরা কেরানিগঞ্জ থাকে। ওই মেয়ে দেশেই থাকে। তোর আব্বারে আইজ সকালে সব জানাইছি। উনি আমাদের ওই লোকেদের বাসায় গিয়া দেইখা আস্তে কইসে মাইয়ারে। ওদের বাসায় যাওন লাগবো। তোর জেঠা রে জানাইসি। এখন আম্যাগ যাইতে হইবো তোর জেঠার বাসায় সাভারে। আমরা ঐখানে গিয়া তোর জেঠা, জেঠি সহ সবাই মিলা যামু ওই বেডাগো বাসায়। মাইয়া সুন্দর হইলে পছন্দ কইরা আসমু। তুই দেখিস তোর পছন্দ হয় নাকি। আমি একটু চান্স পেয়ে বললাম:


আমি: যত সুন্দরই হোক, আপনের মতো সুন্দরী হইব না।

আম্মা: আর ধুর হারামী পোলায় কয় কি... আমি কি সুন্দর নি...


আমি: আরে আম্মা আপনে কি কন.... আপনের খানি চেহারা না সব কিসু এত্তো সুন্দর... তার থেকে বেশি সুন্দরী কেউ নাই।


আম্মা: তুই হারামী কত্ত খারাপ.... ওইদিন কি দেইখা না দেইখা এখন কস খালি চেহারা না... সব কিছু সুন্দর... নাহ্... !! বলেই আম্মা আমার মাথায় একটা ঠুশা দিয়ে হন হন করে আমার রুম থেকে বেরিয়ে গেল... দরজার কাছে গিয়ে আমার দিকে একবার তাকিয়ে, একটু হেঁসে ঘোমটা দেয়া শাড়ির আঁচলের একটা কোনা দাঁত দিয়ে কামড়িয়ে ধরে কপালে একটা থাপ্পর দিলো ডান হাতের তালু দিয়ে, চলে গেল। আমি তো অবাক... আমি বললাম কি, আর আম্মা কই নিয়া গেল জিনিসটা। এর মানে কি....


রাত্রে প্রায় ১০ টার দিকে আমার ছোট বোন ঘুমিয়ে গেছে খাটে। আম্মা মুসারি টাঙিয়ে দিসে। আমি ভাত খাচ্ছি আর আম্মা আমার সামনে বসে ভাত খাচ্ছে । হঠাৎ ভাত খাবার সময় আম্মা বললো:


আম্মা: রানা... কাইল দুপুরে আমরা সাভারে তোর জেঠার বাসায় যামু। পরশু বিকালে আমরা ওই বেডাগ বাসায় যামু মাইয়া দেখতে... কেমন।


আমি: আচ্ছা আম্মা... আপনেরা ভাইয়ার বিয়া কেমনে দিবেন? ভাইয়া কি দেশে আসবো?

আম্মা: পরে আসবো, এখন আমরা মাইয়া পছন্দ হইলে টেলিফোনে বিয়া পড়াইয়া দিমু। পরে তোর ভাইয়া আর আব্বা একসাথে মিলাইয়া ছুটি নিয়া আসবো। তখন অনুষ্ঠান হইব।

আমি: টেলিফোনে আবার বিয়া কেমনে হয়?

আম্মা: একটু হেঁসে... আরে কলেমা পড়াইব আরকি... আর বা বা রে... তুই তদেখি বিয়া সাদির অনেক কিছুই জানিস? তোরে কি দিয়া দিমু নাকি বিয়া?

আমি: দেন... তাইলে ভালই হয়... বলেই একগাল হাসি দিয়ে উঠলাম।

আম্মা: যা দেখতাছি.... বিয়া দিলেই কয়েক দিনের মধ্যেই পোলাপাইনের বাপ হইয়া যাবি। আমি কিছু না বলে... মুচকি হেসে ......মাথা নিচে নামিয়ে ভাত খাইতে থাকলাম।

আম্মা বলে উঠলো:


আরো পড়ুন 
বাবা মেয়ে চটি গল্প 


আম্মা: মনা... আছে নি কোন মাইয়া... যারে তোর ভালা লাগে?

আমি: না... কি কন আপনে...? আমি কোন মাইয়ার দিকে তাকাই না।

আম্মা: হও.... আমারে ভোদাই পাস না... তোর হাও ভাও আমি দেইখা বুঝিনা না?

আমি কোন কথা না বইলা ভাত খাইতে থাকলাম নিচের দিকে তাকিয়ে। মনের মধ্যে আম্মার পাকা ভোঁদার কথা উঁকি দিলো। ধণ দেখি আস্তে আস্তে খাড়া হচ্ছে লুঙ্গির ভেতর। আমি সাহস নিয়ে আম্মার দিকে না তাকিয়ে বললাম:


আমি: আম্মা... আইজ আপনাগ সাথে শুই?

আম্মা: কেন... কি হইসে...?

আমি: নাহ্... এমনেই

আম্মা: এত্তো বড় পোলা... মার সাথে ঘুমাইতে সরম করব না তোর?

আমি: না... কি কন... সরম কিয়ের...?

আম্মা একটু চুপ করে থেকে বললো.... আইচ্ছা। আমি তো পুরাই অবাক। শরীরের মধ্যে একটা বিদ্যুৎ খেলে গেল। ধণ বাবাজি আরো দাঁড়িয়ে গেলো। আম্মা এবার খেয়াল করল দেখলাম আমার কোলের ওপর। হয়তো থাউর করল আমার ধণ।


আমি হাত ধুয়ে সোজা গিয়ে মশারীর ভেতরে ঢুকে গেলাম। মনের মধ্যে উথাল পাথাল, আজকে আম্মার পাশে শুয়ে আম্মার শরীরের ছোঁয়া নেব। পারলে ধণ পাছায় ঘষতে ও পারি। মাল যদি বের করতে পারি তাইলেতো..... হায়.... নানা ধরনের চিন্তা মাথায়। আমি মাহী কে একেবারে খাটের ওই পাশে নিয়ে শুইয়ে দিলাম। খাটের মাঝখানে একজন শোয়ার জায়গায় রেখে... খাটের আরেক পাশে এসে শুলাম। আম্মা দেখি অনেক সময় পর রুমে আসলো। মেইন লাইট বন্ধ করে ডিম লাইট জ্বলে দিলো। বিছানার পাশে এসে দেখে আমি ঠিক মাঝখানে আম্মার জন্যে জায়গা রাখছি। আম্মা মশারীর ভেতরে ঢুকে আমাকে আস্তে আস্তে ফিসফিসিয়ে বললো:


আম্মা: কি রে... তুই মহীরে ওই দিকে দিলি কেন? তুই আর আমি কি এক সাথে ঘুমামু নাকি... তওবা তওবা??

আমি: কেন কি হইসে?

আম্মা: নাহ্... এইডা কোন দিন ও হইব না। তুই এখন বড় হইসোস। মার সাথে সোয়া জায়েজ না। তাও তুই হয়ত ভয় পাবি একা রুমে... তাই তোরে কইসি আমার খাটে আইসা শুইতে। তোর তো দেহি মতলব খারাপ।

আমি: আমার কি মতলব খারাপ?

আম্মা: যাহ... বেহায়া .... বলেই বোনকে মাঝখানে নিয়ে আসতে গেলো। আমি বললাম:


আমি: (অনেকটা রাগ করে) আম্মা আপনে খালি আমারে খারাপ ভাবেন। আপনি কি মনে করেন আমি কি লুইচ্চা?

আম্মা: (আমার গালে একটা থাপ্পড় মেরে) ওই হারামী আমার সামনে খারাপ গালি দিতে তোর শরম করে না?

আমি: কি হইলো... আপনে আমারে মারলেন... (বলেই আমি খাট থেকে উঠে গেলাম) আমি এখনি বাসা থেকে বেরিয়ে যাইতেসি। আম্মা দেখি একটু ঘাবড়ে গিয়ে বললো:


আম্মা: আচ্ছা থাক... আয় আয়... শো আমার পাশে .... বলেই আমার হাত টেনে ধরলো। আমি কান্না করে দিলাম। আম্মা আমাকে তার বুকে টেনে নিয়ে গেল আর মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে লাগল। আমি বললাম কান্না জড়ানো গলায়:


আরো পড়ুন 
বাংলা রোমান্টিক গল্প 


আমি: আপনে... আমারে মারসেন....

আম্মা: সুন বাবা তোরে আমি খোলা খুলি বলি... আমি অনেকদিন থেইকা দেখতাছি তোরে... তোর এখন উর্থি বয়স.... এই বয়সে বাবা এইসব করা ঠিক না।

আমি: কি সব?

আম্মা: শুন মনা... তুই আমার পেট থেইক্কা হইছস... নাকি আমি তোর পেট থেইক্কা হইসি...? আম্মা সব বুঝি... সব জানি।

আমি: আপনে কি জানেন আর কি বোঝেন?

আম্মা: এইসব কথা মায় কওয়া গুনা, কিন্তু আইজকাইল সময় খারাপ। আমি না কইলে তুই বুঝিনা... কোনটা ভালা আর কোনটা খারাপ। শোন মনা.... তুই বাথরুমে সাবান দিয়া আর রাইতে কেথার নিচে যা করস তাতো ভালা না। আর তোর যা বয়স.... এখনই এইসব করলে সামনে তুই কি করবি? আমি অনেক দিন থেইক্কা দেখতাছি তুই এইসব করস। আমি তো আকাশ থেকে পড়লাম, আমি হাত মারি তা আম্মা জানে আর দেখছে। আমি চুপ করে থাকলাম। আম্মা একটু চুপ থেকে, একটা বড় করে নিশ্বাস নিয়ে বললো:


আম্মা: এক পোলারে বড় করলাম, কলেজে পরাইলাম, আইজ পোলা বিদেশে। কোন দিন দেখিনাই রামি কোন খারাপ পোলাগো লগে মিশতে, কোন খারাপ কাম করতে। তুই কেমনে এমন হইলি? আমি চুপ... মাথা নিচের দিকে। আম্মা আবার বলতে শুরু করলো:


আম্মা: জানিনা কে তোরে এইসব শিখাইসে.... আইচ্ছা সত্যি কইরা ক তো... তুই কি কোন মাইয়ার সাথে কোন খারাপ কিসু করসস নাকি? সরম কইরা আর কি হইব... কও আম্মারে...


আমি অনেক্ষন ধরে চিন্তা করছি... আম্মা আমারে হাত মারতে দেকছে, আমার খাড়া হয়ে থাকা ধণ দেখছে আবার, আমি আম্মার ভোঁদা দেকছি... অনেকটা ফ্রী ভাবে আজ অনেক খোলা খুলি কথা বলতেছে... হয়তো আমি সব খুলে বললে আম্মা আমাকে বুঝবে... আমি একটু চুপ করে থেকে বললাম:


আমি: হও... দুই বার করসি।

আম্মা: (খুব আস্তে করে... মোলায়েম করে... অনেকটা অবাক আর বিস্মিত হয়ে) কি.... দুই বার.... কই গেছিলি তুই?

আমি: সব আপনারে কওয়া যাইব না।

আম্মা: কি.... সুন মনা... আইজ যখন কথা উঠছে... সব খুইলা কও...

আমি: (একটু ভাবলাম আর বললাম) হোটেলে গিয়া প্রথম বার আর কিশোরের বাসার বুয়া রে দ্বিতীয় বার।

আম্মা: কি... কোন হোটেলে গেছিলি... আর কামের বুয়া রে... ছিঃ ছিঃ... । আমি চুপ করে থাকলাম। আম্মা আবার বলে উঠলো:


আম্মা: শুন মনা... আর খারাপ জায়গায় যাইস না, আর কামের বুয়া ছিঃ... শোন... দরকার হইলে মাসে একবার দুইবার বাথরুমে গিয়া হাত দিয়া ফালাইয়া দিস, তাও ওই খারাপ মহিলা গো কাছে যাইস না। আইচ্ছা... তুই কি বেলুন দিয়া করছিলি?

আমি: (বুঝলাম আম্মা কনডমের কথা বলছে, একটা চান্স পেলাম আমি) বেলুন.... কি বেলুন...!

আম্মা: হায়রে.... কনডম... কনডম... লাগাইসিলি নাকি?

আমি: (যেন এই প্রথম শুনলাম) ও কনডম... না... কই পামু কনডম

আম্মা: কি... কস কি... তুই দুই অচেনা অজানা বেডির লগে করসস কনডম ছাড়া? আমার তো মনে হয় তোর এইডস হইসে?

আমি: এবার হাসি দিয়ে দিলাম... আরে না... কনডম লাগাইসিলাম।

আম্মা: হারামী এমন ভাব করিস... যেন কনডম চিনিস না। আমারে দিয়া নাম বলাইয়া এর পর বলিস... নাহ্... লাগাইছিলাম। শয়তান... বলেই আমার মাথার চুল ধইরা টান দিলো। আমি "আহ্" করে একটা শব্দ করলাম। আম্মা আর পরে বললো:


আম্মা: নে এবার শো... বলেই সেই আমার করে রাখা মধ্যে খানের ফাঁকা জায়গায় বোনের দিকে তাকিয়ে শুয়ে পড়ল। আমি ও আম্মার পাশে শুয়ে আমার ধণ লুঙ্গির উপর দিয়ে টিপতে লাগলাম। আমি কিছুক্ষন পরে দেখলাম আম্মা কোন কথা আর বলছে না, তাই কথা শুরু করলাম:


আমি: আম্মা...

আম্মা: একটু চুপ থেকে... হ্যাঁ বল..

আমি: আম্মা আইচ্ছা আপনে কেমনে দেখলেন আমি বাথরুমে কি করি সাবান দিয়া... আর আমার রুমেই বা কেমনে দেখলেন?

আম্মা: যেমনেই ... দেখার দেখছি, তোরে কওয়া লাগবো নিকি?

আমি: নাহ্... এমনেই জিজ্ঞাস করলাম আরকি.... আবার আম্মাও চুপ আর আমিও ।


একটু পরে আমি আবার বললাম:


আমি: দেখছেন যখন... তাইলে তো দেখছেনই.... মাসে দুই দিন তো বাদ দেন... আমার প্রত্যেকদিনই ২/৩ বার করতে হয়, নইলে মাথা খারাপ হইয়া যায়।

আম্মা: (একটু পরে আমার দিকে ফিরে তাকালো) কি কস তুই... প্রত্যেকদিন ২)৩ বার?

আমি: আম্মা... কেমনে কই আপনারে.... আপনে তো দেখসেনই.... আমার ঐটা যেই লম্বা আর যেই মোটা ... আমি না করলে মাথা ব্যথা করে, শরীর খারাপ লাগে।

আম্মা: কস কি... তোরে তো ডাক্তার দেখাইতে হইব তাইলে। আইচ্ছা কোন অসুখ হইসে নি আবার... ওই বেডিগো থেইক্কা?

আমি: আরে আম্মা... আপনারে কেমনে কই... সরম কথা?

আম্মা: আরে শুন... কথা যখন সব আমরা কইসি... তাইলে আর আমার লগে সরম করিস না, সব খুইলা ক মনা।

আমি: আম্মা আসলে সত্যি কথা কি... আমি ওই দুই বেডিগ ঠিক মতো কিছুই করতে পারিনাই। আমার ঐটা দেইখাই ওরা দুই জনেই আমার লগে করতে চাইছিলো না। তাও আমি হোটেলের মহিলারে ৫০০ টাকার জায়গায় ২০০০ টাকা দিসি, তার পরে যা করার করসি। আর ওই বুয়া খালি একবার অর্ধেকটা ঢুকাইসি আর উনি চিল্লানি শুরু কইরা দিসিলো, তাই আর কিছু করিনাই।

আম্মা অনেক সময় পর বললো:


আম্মা: মনা... সুন তুই উল্টা পাল্টা কিছু মনে করিস না... আম্মা একবার তোর ঐটা লুঙ্গির উপর দিয়ে ধইরা দেখি?

আমি সাথে সাথে চিত হয়ে শুয়ে আমার ধণ ছাদের দিয়ে লাফ দিয়ে উঠলো আর আমি বলে উঠলাম...

আমি: এইযে দেখেন...


আমি ডিম লাইট এর নীল হালকা আলোয় দেখি... আমার আম্মা তার ডান হাত টা দিয়ে আস্তে করে আমার ঠাটিয়ে থাকা ধনের আগা স্পর্শ করল লুঙ্গির উপর দিয়েই। এর পরে ধনের মুন্ডিটা দেখলো আম্মার হাতের পুরো একমুঠ। তার পরে আস্তে আস্তে চাপ দিতে দিতে নিচে নামিয়ে আনতে লাগলো আম্মার হাত। আমি তো কামের আগুনে পাগল হয়ে যাচ্ছি তখন। আমার নিজের আম্মা আমার ধণ ধরে টিপছে আর মাপ নিচ্ছে। তখন আমার ধণ তার সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে গেছে। আম্মা যখন ঠিক ধনের গোড়ায় গিয়ে হাত নামালো, তখন দেখি আম্মা উঠে বসেছে, তখনও আম্মার ডান হাতের তালুতে আমার ধনের গোড়া ধরা। আম্মা উঠে বসে বললো....


আম্মা: ওরে খোদা গো... এইটা কি... রানা... দেখি তোর লুঙ্গিটা ..... বলেই আম্মা দেখি আমার ধণ ছেড়ে দিয়ে, আম্মার ডান হাত দিয়েই আমার পায়ের গোড়ালী থেকে লুঙ্গি তুলে আমার কোমর পর্যন্ত আনলো। আর ভীষণ অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল আমার ঠাটিয়ে থাকা শিলপাটার পুতার মতো মোটা আর লম্বা ধনের দিকে। হঠাৎ আম্মা বলে উঠলো:


আম্মা: নাহ্... সত্যি তোর মনে হয় অসুখ হইসে। এতো মোটা আর লম্বা হয় নাকি?

আমি: আরে আম্মা কি বলেন... এর থেইকা ও বড় হয়। আমি ভিসিআর এ ডিভিও দেকছি।

আম্মা: আহা... না... দাড়া... (বলেই আম্মা আবার তার ডান হাত দিয়ে আর বাম হাত দিয়ে আস্তে আস্তে আমার ধণ মুঠ করে ধরে টিপতে লাগলো.। আম্মা আবার বলল..) আচ্ছা দেখতো টিপ দিলে কি ব্যথা করে?

আমি: নাহ্...

আম্মা: তাইলে...

আমি: মজা লাগে...

আম্মা ছেড়ে দিলো আমার ধণ, আর আমার পাশে শুয়ে একটু হাসলো। আমি বলে উঠলাম...


আমি: কি বেপার আম্মা... আপনে হাসলেন কেন...? (আম্মা আবার হেসে উঠলো, এবার প্রায় অট্ট হাসি... আমি এবার আম্মার কোমরে একটা ধাক্কা দিয়ে আবার বললাম) কি আপনে খালি হাসেন ক্যান? আম্মা দেখি মুখে একটা হাত চাপা দিয়ে হাসছে। আমি এবার আম্মার কোমরে ধরে ঝাকি দিতে দিতে বললাম:


আমি: আরে ধুর... আপনে খালি হাসেন ক্যান... কি হইসে?

আম্মা: (এবার একটু হাসি থামিয়ে আস্তে করে বললো...) হাসতাছি... ওই দুই বেডিগো কথা মনে কইরা.... তোর ঐটা যখন ঢুকসে... তখন কি অবস্থা হইসে তাই... আবার আম্মা হাসছে দেখি। আমি এবার বললাম:


আমি: তাইলে কি আমি কোন দিন বিয়া করতে পরমুনা?

আম্মা: কেন... বিয়ার কি সমস্যা?

আমি: আপনিই তো কইলেন... কোন বেডি আমার কাছে আইব, এইটা দেইখ্যা চইলা যাইব।

আম্মা: (তার দুই হাত মাথার উপর নিয়ে রাখলো আর আম্মার দুই দুদ খাড়া হয়ে আমার চোখের সামনে ধরা দিলো।) আরে না, তাকি কখনও হয়। বিয়া হইলে মাইয়ারা আস্তে আস্তে সব মাইনা নেয়। তবে আইজ আমাগো মইধ্যে এইসব কথা হইয়া এক দিকে ভালো হইসে।

আমি: কেমনে...

আম্মা: তোরে কোন চিকন চাকন মাইয়ার লগে বিয়া দেওন যাইবো না। তোরে একটু মোটা দেইখা মাইয়া দেইখা বিয়া দিতে হইব।

আমি: আমার বেশি মোটা মাইয়া পছন্দ না।

আম্মা: তাইলে কি চিকন মাইয়া পছন্দ তোর?

আমি আম্মার কোমরের উপর আমার বাম হাত নিয়ে গিয়ে আম্মার পেটার উপরে রাখলাম, আর আমার বাঁ পা তুলে দিলাম আম্মার রানের উপরে। আমার ধণ আম্মার কোমরে গিয়ে ঠেকলো, আমার লুঙ্গি কিনতু এখনও তোলা, আম্মা নিচে নামিয়ে দেয়নাই।


আমি বললাম:


আমি: আপনের মতো পছন্দ

আম্মা: হুমম... পা নামা তুই...

আমি: কেন...

আম্মা: তোর ঐটা আমার গায়ে ঘষা দিতাছে।

আমি: তাইলে কি হইসে... আপনে তো একটু আগে ঐটারে টিপ্পা টিপ্পা খাড়া করাইসেন।

আম্মা: আমি কি ইচ্ছা কইরা টিপছি... দেখলাম তোর কোন অসুখ হইসে নাকি... এখন সর

আমি: না... আপনে খাড়া করাইসেন... এখন আপনে ঠান্ডা করান।

আম্মা: এরই... এক লাথি দিয়া খাট থেইক্কা ফালাইয়া দিমু। সর কইতাছি? হাত সরা...

আমি: না আমি শোরুম না, আমি পাগল হইয়া যাইতাছি, মাথা ব্যথা করতাসে।

আম্মা চুপ করে রইলো, দেখি এক হাতের বৃদ্ধা আঙুল দিয়ে আরেক হাতের বৃদ্ধা আঙুল খুত্তাসে, আর ছাদের দিকে তাকিয়ে আছে। হঠাৎ আম্মা বললো:


আম্মা: যাহ... বাথরুম থেইকা ঠান্ডা হইয়া আয়।

আমি: না .... আমি এইখানেই করি...

আম্মা: যা মনে চায় কর.... বলেই আমার হাত একঝটকায় সরিয়ে দিলো, আর বোনের দিকে ফিরে পাশ ফিরে শুয়ে পড়ল।

আমি এরপরে থু করে একগাদা থুথু আমার ডান হাতে নিয়ে চিত হয়ে শুয়ে হাত মারতে লাগলাম আম্মার পাশে শুয়ে। আমি একটু উঠে, খাটের মাথায় একটা বালিশ রেখে কোমর পর্যন্ত খাটের মাথায় উঠিয়ে, দুই পা দুই দিকে ছড়িয়ে হাত মারতে লাগলাম। আমার ডান পায়ের হাঁটু গিয়ে ধাক্কা দিচ্ছিলো আম্মার পিঠে। একটা পচ পচ শব্দ হচ্ছে রুমে। আমি আম্মার পাশ ফিরে থাকা পাছা, কোমরের শাড়ি সরে থাকা কোমর আর কলের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে হাত মারছি। আমার দাঁত দিয়ে নিচের ঠোঁট কামড়িয়ে মুখ দিয়ে আহ্ আহ্ ওহ্ মম্ করে শব্দ করছি আর আরামে আম্মার দিকে তাকিয়ে আছি, কিন্তু সাহস হচ্ছে না আম্মাকে জড়িয়ে ধরতে। আমি একটা নাটক করলাম... আস্তে করে আম্মাকে বললাম:


আমি: আম্মা সরিষার তেলের বোতল টা কি রান্না ঘরে? আম্মা চুপ করে রইলো। আমি আবার বলায় একটু চিল্লাইয়া বললো...

আম্মা: জানিনা...

আমি এরপরে আস্তে করে খাট থেকে উঠে মশারী থেকে নামতে গেলাম। আম্মা দেখি বলতে লাগলো:


আম্মা: ওই হারামী.... সরিষার তেল দিলে জ্বলবো তোর। খাটের পাশে ভেসলিন তেল আছে, ঐটা দে।

আমি জানতাম সরিষার তেল দিয়ে হাত মারলে ধনে জ্বলে। মনের খুশিতে খাটের পাশে আম্মার ড্রেসিং টেবিল থেকে আমার আব্বার সৌদি থেকে আনা ভেসেলিন তেলের বোতলটা নিয়ে আসলাম। এখন আমি লুঙ্গি খুলে নিলাম। এবার একটু বেশি করে তেল হাতে নিয়ে আবার দুই পা দুই দিকে চেগাইয়া রেখে আমার আমার ডান হাঁটু আম্মার কোমরের কাছে নামিয়ে রেখে ধনে তেল ভালো করে মেখে জোরে জোরে হাত চালাতে থাকলাম ধনের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত। পছ্... পক....পছ্... পক করে শব্দ হচ্ছে ঘরের মধ্যে। আমি হঠাৎ একটু থেমে আম্মার কানের দিকে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বললাম:


আমি: আম্মা একটু এইদিকে ঘুরেন...

আম্মা: কেন...?

আমি: একটু দেখি...?

আম্মা: কি দেখবি...?

আমি: (কোনো জড়তা না করে) আপনের দুদ গুলি।

আম্মা: কি... তোর তো ভালই সাহস...!!

আমি: আরে আম্মা... বাদ দেন... আমি এখন আপনের সাথে শুইয়া আপনের সামনেই হাত মারতাছি.... আর একটু আগে আপনে আমার ধণ টিপ্পা টিপ্পা খাড়া বানাইসেন.... আর আমি আপনের শাড়ীর উপর দিয়া দুদ দেখতে চাইলেই আমার সাহস বাইরা গেলো? সাহসের আর কি বাকি আছে? আর ঐ দিন তো দেখলামই আসল জায়গা....

আম্মা: কি দেকসিস তুই...?

আমি: আরও আস্তে করে বললাম .... আপনের সুন্দর ভোঁদা

আম্মা দেখলাম একেবারে চুপ হয়ে গেলো। কিন্তু নড়ছে না। আমি এবার আম্মার ডান কাঁধ ধরে আমার দিকে টানলাম, দেখি আম্মা শক্ত হয়ে আছে। আমি এবার একটু শক্তি প্রয়োগ করলাম, আমার দুই হাতে আম্মারে আমার দিকে ফিরানোর চেষ্টা করতে লাগলাম আমার ধণ খেঁচে বাদ দিয়ে। আম্মা ও দেখি শক্তি প্রয়োগ করছে। এক পর্যায়ে দেখি আম্মা আমার গলা টিপে ধরেছে এক হাতে, আর আস্তে করে বলছে...


আম্মা: আর একটু কিছু করলে একেবারে গলা টিপা মাইরা ফালামু....


আমি: কি আমারে মারবি... বলেই আমি আম্মার দুই দুদ আমার দুই হাতে নিয়া সরা শক্তি দিয়ে টিপে ধরে একটা হতে ঘুষি উঠিয়ে আম্মার গালে একটু হালকা ভাবে আমার সারা শক্তি দিয়া বালিশের মধ্যে চেপে ধরলাম। আর শুরু হলো খাটের মধ্যে ধস্তা ধস্তি, আবার হাতাপায়ী বা মারা মারি ও বলতে পারেন। হঠাৎ আম্মা দেখি "আআআআআ" করে ব্যথায় চিল্লাইয়া উঠলো। এবার আম্মা বুঝলো, যত মোটা সরা আর ভারী শরীর হোক, আমার সাথে শক্তিতে পারবে না। তখন আম্মা একটু শান্ত হয়ে বললো:


আম্মা: তোর পায়ে ধরি, বাবা .... মাহী উঠে পড়বো। কেলেঙ্কারি হইয়া যাইবো। চল চল... তোর রুমে চল...

আমি এবার আম্মাকে ছেড়ে দিলাম। দেখি আম্মার সারা চুল এলোমেলো, আর চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে গড়িয়ে পড়ছে। শাড়ি অর্ধেক এলোমেলো (আমি কিন্তু শাড়ি খোলার কোন চেষ্টা করিনাই)। আম্মা প্রথমে মশারীর বাইরে খাট থেকে নেমে আস্তে আস্তে করে আমার রুমের দিকে রওনা দিলো। আমি ঠিক আম্মার পেছন পেছন চললাম লুঙ্গি ছাড়া, নেংটো, শুধু গায়ে সাদা একটা সেন্ডো গেঞ্জি। এতক্ষণ ধস্তা ধস্তিতে আমার ধণ অর্ধেক নুইয়ে গেছে। আমি মনে মনে ভাবছি শুরু যখন আজ হইসেই..... তাইলে আজ আম্মাকে চুদবোই চুদবো। আম্মা দেখি আমার অন্ধকার রুমে গিয়ে দাঁড়ালো। আমি ও আম্মার পেছনে এসে আমার রুমের দরজা লাগিয়ে দিলাম অন্ধকারের মধ্যে। এর পর ফট করে দেয়ালে হাতিয়ে লাইটের সুইচ জ্বালিয়ে দি

লাম। মশা আসে বলে, বিকেল বেলাতেই আমরা সব রুমের জানালা লাগিয়ে দেই। তাই লাইট জালালেও বাইরে থেকে কেউ কিছু দেখবে তার ভয় নাই। আম্মা দেখলাম চমকে উঠে পেছন ফিরে আমার দিকে ফিরে তাকালো।




চলবে 

 

Share:

0 comments:

Post a Comment

Xgossip. Bangla Choty Golpo

Tags

Xgossip— Bangla Choty Golpo. Powered by Blogger.

Ad Space

Featured post

গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে(১৫)

  পর্ব:১৫ বাবা- কি বলব বাবা তোকে, আসলে তোর মাকে বকা ঝকা করেছি তার কারন আছে তুই আমার ছেলে তোকে কি বলব সব তো খুলে বলা যায়না। আমি- কেন বাবা আমি...

Search This Blog

🔞 ১৮% সতর্কবার্তা

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন।

About Us

About Us
এই খানে পাবেন বিভিন্ন লেখকদের বিভিন্ন ক্যাটাগরির চটি গল্প।

Translate

Popular Posts

Popular Posts