মায়ের ডার্লিং যখন আমি (১ম পর্ব)
লেখক:ron weasely1
পর্ব:০১
স্কুল থেকে ফেরার বাজার মানটা আজ খুব ভরে ছিল। আমাদের হোটেল গেট পারার সময় হাতটা ঠিকঠাক, ঠিক তখনই ভেসে এল একটা অদ্ভুত গলার স্বর— “ডাঙালিং, তুমি আজ খুব তাড়াতাড়ি ফিরে এলে?”
আমি চমকে উঠলাম। এই পরিচিত স্বাগত কী প্রশ্ন অপরিচিত এই সম্বোধন! থমকে দাঁড়াললাম আমি। ধকধক করতে থাকা বুকটা কোনমতে শান্ত করে
তাকা দেখলাম মা ঠিক আছে। আমার মা-শিউলি। কিন্তু তার দুচোখে এক সমস্যায় হাসি। আমাকে অদ্ভুত সে আদুরে গলায় বলে উঠল, “বগত”
আমার শরীরে গেল এক অদ্ভুত শিহরন বয়ে। কপাল বেয়ে এক ফোঁটা ঘাম গাম পড়ল গালে। আমার মনে মনে আমার অচেনা কিছু আছে। আমি তোতলাতে অস্ফুট স্বরে ডাকে, “আ-আমি ফিরেছি, মা– না… শিউলি…”
হ্যাঁ, আমি তাকে নাম ধরে ধরে হলাম। কারণ উত্তরের সেই ঘটনাটা সব এলোমেলো করবে। আমার মনে আছে, ঠিক এই সময়েই মা জ্ঞান হারিয়েছে... প্লিজ হয়ে বাড়ি ফেরার পর থেকে আর মা নেই।
জ্ঞান হারানোর পর মাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। ডক্টরের চেম্বাপে বাবা যখন তার কথা, নিজের কথা মনে পড়ে মনে হয় অজানা ভয় শুনতে শুনতে শুনতে হয়। ডাক্তার গম্ভীর আমাকে জানান, “আপনার মা প্রচন্ড ঘুমের সমস্যা বা 'স্লি ডিপ্রাইভেশন'এ… প্রায়ই থাকে।
আমি বড় হয়ে উঠছি…
আমাকে দেখতে আমার আশ্বস্ত বললেন, মনে হয়… তবে তিনি চিনতে পারছেন না শুধু চাওয়া আর বিশ্রাম করছেন। তিনি আমাকে বিশেষভাবে সতর্ক করার চেষ্টা করুন, মাকে জোর করে কিছু মনে করা উচিত। তাকে পর্যাপ্ত দিতে হবে এবং কোনো তাকে বিশ্রামে ফেলা যাবে না। আমি শুধু মাথা নিচু করে, "হ্যাঁ, ডাক্তারসাহেব..."
অনেক ফেরার পথ আমার কেবল মুখটাই ভাসছিল। আমার মা… সকাল সকাল আমার জন্য প্রস্তুত হতে হবে না। রাতের বেলায় কোনো দিন কোনো অভিযোগ করেননি। আমি তার ওপর দিয়ে কতটা ধকল যাচ্ছে, কিন্তু আমি জানতাম তার এই ভালোবাসাকে খুব ভালো লাগছে। কখনো আলোচনা করতে চাই তিনি কতটা কঠোর
নিজের উপর প্রচন্ড ঘৃণা করা আমার। আমার এই অবস্থার জন্য নিজেকে মনে হতে পারে। মনের চিক থেকে এক অস্ফুটৎকারে এল- “মা…!”
দেখ বন্ধ করে মনে মনে এক কঠিন সংকল্প— “আমি দুঃখিত, মা এখন থেকে তোমার মনে রাখব অনেক সময় আমি সামলে নেব!”
রাতের খাবারের টেবিলে আমি সকাল হয়েছি আমার পক্ষ চাইলাম। মা খুব যত্ন করে আমাকে। কোনটিই তাকে শেষ করে হেসে নিতে পারে, "পেট তো, ডার্লিং?"
আমি অনেক অপ্রস্তুত হয়ে মাথা নেড়েছি, “হ্যাঁ, খাবার খুব সুস্বাদ ছিল।
আমার মনে হচ্ছে যখন আমার জন্ম হয়েছে। প্রথম তার শুরুর দিনগুলোতে। তিনি এখন আমার নিজের মহিলা নয়, তার স্বামী মনে করছেন। তার ভিন্ন ভিন্ন ভিন্ন চাহনি রাজনীতি আমি ঠিক কথা বলতে পারি না। মা উঠলেন, “কি ডার্লিং?
আমি আমার দ্রুত শব্দ নিয়ে আমতা আমতা করে, “আ… না, কিছু না…..
ডাক্তার তাকে এখনকার বিশ্রাম নিতে হবে। তাই আমি শেষ করে বাধা দেওয়ালাম। মা যখন বাসনকে রেখো, আমি তাকে বাধা দিয়েছি, “মা– শিউলি তুমি এখন বিশ্রাম নাও। আমি সব পরিষ্কার রাখব।
মা গোল্ড দেখতে আমার দিকে অগ্রগতি। আমি দৃঢ় গলায় আবার, "আমি যাও তাই করো, যাও!"
এখন থেকে আমার সব দায়িত্ব। তাকে সমর্থন করার জন্য আমি অনেক রাজি।
রাত এগারোটা। বিছানায় শুয়ে শুয়ে আমি সিলিংয়ের লক্ষ্য ভাবা। এখন থেকে আমার সব কাজ নিজেকেই করতে হবে। স্কুল লাঞ্চ থেকে শুরু করে ঘরের টুকিটাকি সব কাজ— যাতে আমার ওপর চাপ না পড়ে। ডাক্তারের কথাগুলো কানে বাজে, মাকে শান্তি দিতে হবে।
ঠিক সেই সময় অন্ধকার থেকে এক ফোট ফিসফিসানি ভেসে এল— “ডার্লিং… ডার্লিং… তুমি জানতে?”
আমি চমকে বাধার দিকে তাকালাম। র শব্দ দিয়ে মা উঁকি চাপন। তার দৃশ্য এক বিষণ্ন আর অভিমানী দৃষ্টি। তিনি মৃদু স্বরে বললেন, “ওহ, তুমি এখানে!
আমি বিমূঢ় হয়ে তার দিকেই সুন্দরলাম। মা আরও কোলন প্রায় কোণ্য় বললেন, “তুমি আমাকে একা পেয়েছ…?”
আকাশ আমার আকাশ, এখন নিজেকে তার প্রথম দিকের দিনগুলোতে ফিরে পাওয়া এক নববধূ করেছেন। তার কাছে আমি এখন তার স্বামী। বুকটা ধক করে উঠল আমার। আমি আলোচনা করতে পারলাম তিনি কী চান। নিজেকে সামলে নিয়ে আমি ভাবলাম— “ওহ, তাই তো! আমাকে এখন বাবার বিছানায় যেতে হবে…”
বিব্রতকর আর অদ্ভুত এক অনুভূতিতে আমার শরীর কাঁটা দিয়ে উঠল। কিন্তু আমার এই মনোভাবটা সম্ভব নয়। আমি বল্লাম এবং আমতা আমতা করে, "স-সরি, আমি আসছি..."
মার পথে এসে দাড়ালেন। তার পরনে এমন পোষাক যা আমার হৃৎপিন্ড কোলর পেতে পেতে৷ তিনি বললেন, "না, তার চেয়ে আমি তোমার সাথে এখানে?" প্যান্টের ভিতরে চাপে তার শরীরে প্রকাশ পায়। এক মাদকতাময় সুবাস আমার নাকে। মা ফিসফিস বললেন, “আজ তোর রাজনৈতিক, ডার্লিং। আমাদের সেই বিশেষ রাত, মনে নেই?”
আমি কিছু পরিবর্তন শক্তি। আমার শরীর শরীর ঘাম ছিল আর হৃৎপিণ্ডটা পাগলের মতো আছাড় খাচ্ছিল। আমার উত্তরের অপেক্ষা না করাই তার হাত গলার কাছে নিয়ে গেল। তিনি খুব আদুরে গলায় বললেন, “প্রতিদিন আমরা ঠিক করেছি না যে রাতের বেলা বেলা আবার হবো বিছানায়?
আমি আলোচনা পারলাম, বাবার স্মৃতিতে যেতে মা এখন তার বিবাহিত জীবন সেই একান্ত মুহূর্তগুলি আমার সাথে ব্যবহার করতে চান। তিনি আমাকে নিজের ছেলে নয়, সম্পূর্ণ তার স্বামী হিসেবে ব্যবহার করেছেন।
পরিস্থিতি এখন আমার নিয়ন্ত্রণের জন্য চলছে। ডাক্তার বলে তাকে কিছু চাপিয়ে ফেলা হবে না, কিন্তু এখন যা ঘটছে তা আমি বলি?
মা আমার ছেলেতে এলেন। আমাদের নিঃস্বামী প্ল্যাট আছড়ে পড়ার সময়। মা আমার দিকে খুব আদুরে গলায় দেখা, "তুমি কি আমাদের সময়টা জানাবার কথা মনে পড়ে?"
মেয়ে ডাগর ডাগর দেখ আর ভেজা ঠোঁট বিষয় আমার কোন পুরুষটা জেগে উঠতে শুরু করে। মিনি পাতা ভাঁজ, তার স্তনের উষ্ণতা আর ঘ্রাণ আমাকে পাগল করে দিছল।
মা তখন আরও ঘনিষ্ঠ হয়ে আমার কানের কাছে ফিসফিস করে বললেন, “এসো না ডার্লিং~” তার হাতের আঙ্গুলগুলো আমার কাছে উরুর ওপর ডক্টর দিয়ে উঠতে শুরু করেছে। আমার প্যান্টের তখন প্রবল উত্তেজনা। মা হাসিমুখে আমার লিঙ্গের উপর হাত দিয়ে উঠলেন, “তোমার ধোনটা আমাকে দেখাও!
আমার মাথা ঝিমঝিম করছি। বিবেক শেষ করার মতো চিৎকার করে, "না! আমি নিজের ছেলের সাথে সেক্স করতে পারি না... কিন্তু!" কিন্তু আমার শরীর আর কথা শুনছে না। সেই কামু চাহনি আর উন্ক্ত ক্ষমতা আমার সব নৈতিকতা মুক্তিকে মুছে দিল।
আমি তখন এগিয়ে এক ধাপ এগিয়ে আমার কাছে এগিয়ে যাওয়া আবদার করে বসুন। তিনি লাজুক বললেন, “আমাকে এটা চুষতে দিতে!
আমি জান, আমি এক ভয়ানক পারমে এগো করছি। কিন্তু আমার সেই মোহময়ী রূপ আর দেখায় এই প্রকাশের আহ্বান আ
মার কাছে হেরে দেখুন। আমি আলোচনা পারলাম, আজ রাতে আমি আমার গৌরধারী মিত্রের সাথে সাংমেলিপ্ত হতে পারলাম……
চলবে.........

0 Comments